| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
![]()
বাংলা নামঃ দোয়েল
ইংরেজী নামঃ Oriental Magpie Robin
বৈজ্ঞানিক নামঃ Copsychus saularis
প্রাপ্তিস্থান
নাতিশীতোষ্ণ দক্ষিণ এশিয়ায় মূলত: বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলংকা, ইন্দোনেশীয়া, মালয়েশিয়া, চীনের দক্ষিণাঞ্চল ও ফিলিপাইনে এদের পাওয়া যায়। সাধারণত কাঠসমৃদ্ধ বন, চাষাবাদকৃত জমির আশে পাশে ও জনবসতিতে মানুষের কাছাকাছি এদের দেখতে পাওয়া যায়।
সনাক্তকরণ
দোয়েল আকারে ১৫-২০ সেন্টিমিটার বা ৭ - ৮ ইঞ্চি লম্বা। এর লম্বা লেজ আছে যা অধিকাংশ সময় খাড়া করে রাখে। পুরুষ দোয়েলের শরীরের উপরিভাগ ও গলার নিচে কালো রঙের, পেট সাদা। ডানার দুই পাশে সাদা রঙের প্যাচ আছে। স্ত্রী দোয়েলের উপরিভাগ ও গলার নিচে ছাই-রঙা হয়। পেটের অংশ পুরুষ দোয়েলের মত উজ্জ্বল নয়, বরং কিছুটা ফিকে সাদা।
বংশবিস্তার
দক্ষিণ এশিয়ায় দোয়েলের প্রজননকাল মার্চ থেকে জুলাই; আর দক্ষিণপূর্ব এশিয়ায় জানুয়ারি থেকে জুলাই। প্রজনন সময় পুরুষ দোয়েলের শরীরের রঙ উজ্জ্বলতর হয়। গাছের ডালে বসে স্ত্রী দোয়েলকে আকৃষ্ট করার জন্য হরেকরকম সুরে ডাকাডাকি করে। ডিম দেয়ার এক সপ্তাহ আগে এরা গাছের কোটরে বা ছাদের কার্ণিশে বাসা বানায়। সাধারণত ৪/৫টি ডিম দেয়। ডিমের রং ফিকে নীলচে-সবুজ, তার উপর বাদামী ছোপ থাকে। স্ত্রী দোয়েল ডিমে তা দেয়; ৮ থেকে ১৪ দিন পরে ডিম ফুটে বাচ্চা বের হয়। প্রজনন কালে পুরুষ দোয়েল আগ্রাসী হয়ে ওঠে। তখন বাসার আশেপাশে অন্য পাখিদের আসতে দেয়না।
দোয়েল মেরুদন্ডী প্রাণিদের মধ্যে প্যাছেরিফরম বর্গের অন্তর্গত একটি পাখি। নানা রকম সুরে ডাকাডাকির জন্য দোয়েল সুপরিচিত। কীট পতঙ্গ, ছোট ছোট শুঁও পোকা এদের প্রধান খাদ্য। এরা সারাদিন খাবারের খোঁজে ডাল থেকে ডালে নেচে বেড়ায়। কখনো কখনো সন্ধ্যার আগে আগে এরা খাবারের খোঁজে বের হয়। পুরুষ দোয়েল স্ত্রী দোয়েলকে আকৃষ্ট করার জন্য মিষ্টি সুরে ডাকাডাকি করে। তবে স্ত্রী দোয়েলও পুরুষ দোয়েলের উপস্থিতিতে ডাকতে পারে। এটি বাংলাদেশের জাতীয় পাখি।
১৫ ই এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ৭:১৫
জনদরদী বলেছেন: শুভ নববর্ষ ১৪১৬ । ধন্যবাদ মোহাইমেন ভাই ।
২|
১৯ শে মে, ২০০৯ দুপুর ২:৩১
আমিই স্রোত বলেছেন: পিরিয়তে
©somewhere in net ltd.
১|
১৫ ই এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১:৩৪
মোহাইমেন বলেছেন: ভাই দারুন পোষ্ট, সোজা প্রিয়তে +। ধন্যবাদ