| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
জেমস বন্ড
"শুয়োরের সাথে সহবাস করে ফেলেছি ভুলে নিন্দুকের হাত থেকে এখন চড়ব শূলে " i m not a blogger .......... anymore.
“অ্যাঁহ ! ব্যাথা লাগছে ত “
মিঠু বেশ ইতস্তত বোধ করছিল । বুকের ভেতর এত জোরে ঠক ঠক শুরু হয়েছে যে বাইরে থেকে ও শব্দ শোনা যাচ্ছে । বেশ ভয়েই নাকি ঠকঠকানিতে ইস্পিতার হাত চেপে ধরেছে বুঝতে পারছে না । ইস্পিতা আবার ককিয়ে উঠল । মিঠুর বোধদয় হল , হাত ছেড়ে ভিড় মারিয়ে দৌড়ে লাফে খোলা মতন একটা মাঠে এসে বসে পড়ল । বুক এখন রেলগাড়ির মতন ঝিকঝিক করছে । নাহ ! আমি এইটা কি করলাম ? মনে মনে ভাবছিলো মিঠু । এবার যদি বড় গুরুজনদের বলে দেয় তাহলে ত মান সম্মান সব যাবেই উপরন্তু বাসায় ধোলাই মাস্ট । ধুর কোন কুলক্ষনে যে এলাম এখানে । দুদিন আগেই মিঠু এসেছে বন্ধুর সাথে এক বিয়েতে । বাসা থেকে অনেক কস্টে মানিয়ে সিলেট আসতে হয়েছে । এমনিতে বাসা থেকে বাইরে থাকার এলাউড নেই তারপর এতদূর কয়েকটা রাত কাটাতে হবে ভেবেই বনিবনা হচ্ছিলো মিঠুর সাথে । মন খারাপ করে যখন গাল ফুলিয়েছিলো বড় আপু এসেই তাকে নিয়ে গিয়ে মা-বাবা কে রাজি করিয়ে ছেড়েছিলো , তবে কথা দিয়েছিলো কোনরকম গণ্ডগোল করবে না । হলুদের রাতেই গানের অনুস্টানে প্রথম দেখে ইস্পিতাকে । বেশ সুশ্রী আর কম কথা বলছিলো । হাসিতে তার এত সেক্সি লাগছিলো যে বারবার মনিশা কইরালার কথা মনে হচ্ছিলো । তবে সবচেয়ে বেশি যেটা আকর্ষিত করেছিলো সেটা হচ্ছে তার খোলা চোখ । বরত্মানে মেয়েদের চোখ তিন প্রকার হয়ে থাকে ।
১/ খোলা চোখ – এরা চোখের দিকে তাকায় কম উল্টো চোখ দিয়ে দেখে বেশি ।
২/ চশমাওয়ালা চোখ- এদের ক্লাস ওয়ান থেকে দ্বাদশ শ্রেনী পর্যন্ত পড়তে পড়তে চোখের পাওয়ার কমে যায় ।
৩/ গিরগিটি চোখ – এরা খালি লেন্স পালটায় আর চোখের রঙ পরিবর্তন করে ।
খোলা চোখে ইস্পিতাকে যা লাগছিলো না অসম্ভব সুন্দর । সেই চোখে আরচোখে তার দিয়ে কয়েকবার তাকাতেই চোখে চোখ চোখাচুখি হয়ে কখন যে মনের চোখে ঠুকাঠুকি শুরু হয়েছিলো কেউ বলতেও পারেনি । মিঠু লক্ষ করেছে মেয়েটা কয়েকবার ই তার সামনে দিয়ে ফোস করে চলে যেত । বেশ কয়েকবার ই বান্ধবীরা মিলে হাসাহাসি করছিলো তার সামনে । একবার সুযোগ বুঝেই ক্যাঁৎ করে হাতটা চেপে ধরেছিলো মিঠু । তারপর যে কি হল বুঝতেই পারছিলো না , বুকের কাঁপুনির সাথে সাথে হাতের জোড় বৃদ্ধি পাচ্ছিলো । স্তম্বিত ফিরে ফেলো ইস্পিতার ককিয়ে উঠার সময় , তারপর ই ছেড়ে ছুড়ে পড়িমরি করে এই মাঠে এসে বাঁচল । বেশ খানিকটা সময় পেরুনোর পর বাড়ির পথে হাটতে লাগল । বাসার সামনেই মূল ফটকের নিচে চেয়ার নিয়ে ইস্পিতা বসে ছিলো । মিঠুকে দেখেই ডাক দিয়ে দিলো । মিঠু এবার সামনে এগুবে নাকি পেছনে যাবে বুঝতে পারছিলো না । ইস্পিতা বলে উঠলো ভাইয়া একটূ এদিকে আসেন কথা আছে আপনার সাথে ?
- জী ইয়ে মানে ....
- ভাইয়া আপনাকে আমি খুব ভাল মনে করেছিলাম কিন্তু আপনি
- আমি সত্যিই দুঃখিত আসলে আমি বুঝতে পারছিলাম না
- কি বুঝতে পারছিলেন না ?
- না মানে কিছুই বুঝতে পারছিলাম না .... আসলে আপনাকে প্রথম দেখার পর কেমন জানি ..
- থামেন ..... আপনাদের মতন ছেলেদের আমার খুব ভাল করে চেনা আছে । একটু ভাল করে তাকানো মানে এই নয় যে আপনি অন্য কিছু ভেবে বসে থাকবেন ।
মিঠুর যেনো মাথায় আসমান ভেঙ্গে পড়ল । ছি ছি আসলেই ত আমি এত ছোট মনের মানুষ আগে ত ছিলাম না । মিঠুর চোখ ঝাপসা হয়ে এলো , মাটির দিকে তাকিয়ে ভাবতে লাগলে মাটি তুমি ফাঁক হয়ে যাও আমি ঢুকে পড়ি ।
- আমি সত্যিই খুব দুঃখিত । আমি লজ্জিত ... এমন ভুল আর কখন ও হবে না । প্লিজ আমাকে ভুল বুঝবেন না আমি ভুল করে ফেলেছি । ইস্পিতার কেনো জানি মনটা খারাপ হয়ে গেলো । ধাড়ি ছেলে ক্ষমা চাচ্ছে তাও আবার চোখে পানি ।
- থাক ভাইয়া ইটস অকে ....
মিঠু একবার ইস্পিতার দিকে তাকিয়ে সরি বলে ঘাড় ঘুরিয়ে বাসার দিকে পা বাড়ালো । কিছুদূর যাবার পর পেছন থেকে ইস্পিতা বলে উঠল –
“ ভাইয়া মেয়েদের এত শক্ত করে ধরতে নেই , তাদের মন শক্ত হতে পারে কিন্তু শরীর নয় “ ।
*****
যাত্রাবাড়ী থেকে মহাখালি যেতে যে জাহান্নামী জ্যাম পেরুতে হয় মিঠু সেটা হাড়ে হাড়ে উপলব্ধি করে ফেলেছি কিন্তু কিসের কি , সাইট দেখতে তাকে প্রতিদিন ই আসতে হয় । জীবনটা শেষ হয়ে গেলো । মাঝে মাঝে ইচ্ছে করে এসব ছেড়ে ছুড়ে কোনও এক হিমালয়ের চুড়োয় গিয়ে বসে থাকা । সবচেয়ে অভাগ্যবান ত তখন মনে হয় নিজেকে যখন বাসে উঠে যুতসই সিট না পেয়ে দাঁড়িয়ে থাকা । আজ কিছুটা সৌভাগ্যবান মনে হচ্ছে নিজেকে , মহিলা সিটের সামনে সিট পেয়েছে । সমস্যা একোটাই তা হলে ইঞ্জিনের গরম ভাপ লাগছে । ক্ষতি কি দাঁড়িয়ে থাকার চেয়ে ত বেটার নাকি ? নিজেকেই যেনো বোঝালো মিঠু । মৌচাক সিগন্যালে বাসে হুড়মুড় করে কিছু ললনা উঠে পড়ল। বাসের সব যাত্রিদের চাহনি তাদের দিকে , কিছুক্ষন এর মধ্যেই বাসের সব পিনপতন নিরবতা থেকে শুধু ললনাদের কিচিরমিচির শোনা যাচ্ছিল । একজন এর হাসির আওয়াজ কেমন জানি পরিচিত মনে হচ্ছিলো । মিঠু ঘাড় ঘুরিয়ে তাকালো হাসির উপস্তিতি দেখার জন্য । চোখের দিকে তাকিয়ে বুকটা ধুক করে উঠলো । মেয়েটা ও অনেক্ষন তার দিকেই তাকিয়ে ছিলো অবশ্য আড়চোখে , মিঠু তাকাতেই যেনো চোখে চোখাচুখি হয়ে গেলো । ৬/৭ সেকেন্ড পর চোখ নামিয়ে মিঠু সামনে তাকিয়ে রইলো । ভাবতে লাগলো কোথায় যেনো দেখেছি । মিঠুর খুব ইচ্ছে হচ্ছিলো আরেকবার তাকাই কিন্তু শত ইচ্ছেকেই সে দমন করে ফেলেছে তখন । একটা সময় ছিল যা ইচ্ছে হত করে ফেলা যেতো কিন্তু এখন সেটা ইচ্ছে থাকা সত্তেও সম্বভ নয় । অনেকগুলো বছর কেটে গিয়েছে মিঠু চোখের ব্যাবহার করে না, ঠিকমতন মেয়েদের দিকে তাকানো ত দূরের কথা নিজের দিকে ও তাকিয়ে থাকতে পারে না অনেক্ষন । নাবিস্কো আসতেই কন্টাক্টর চেচাতে লাগলো “ যারা মহাখালী নামবেন গেইটে আসেন , সামনের সিগন্যালে থামলেই নামতে অইব । মিঠু কোনরকমে গেটের কাছে এসে দাড়ালো । মেয়েগুলো থেকে একজন মেয়ে মহাখালী নামবে , কন্ডাক্টর আবার চেচাতে লাগলো “ ঐ লেডিস নামবো স্লো স্লো “ । মিঠু চেঁচিয়ে উঠলো “ তুই গেটের কাছ থেক সড় , তবেই না লেডিস নামবে গাধা “ । কন্ডাক্টর ভেচকি দিয়ে কইলো হ সার নামতাছি । তরুনী গেটের কাছে দাঁড়িয়ে আর পেছনে মিঠু সাহেব । বাস স্লো করলে কন্ডাক্টর নেমে বলতে লাগলো “ আফা বা পা দিয়া নামেন “ । নামতে যাচ্ছে কিন্তু মেয়েটা বেসামাল হয়ে গেলো , ফট করে মিঠু হাত ধরে ফেলে তাকে সামলানোর চেস্টা করল কিন্তু তার হাত পিছলে গেলো । ভাগ্যিস কন্ডাক্টর শক্ত করে ধরে ফেলছিলো না হলে নির্ঘাত কন্তু হাটু ছুলে যেতো । মিঠু ও নামলো তারপর বাস চলে গেলো । মিঠু নেমে তরুনির দিকে তাকিয়ে আছে । মেয়েটা আরেক হাত দিয়ে কব্জি ডলছেন যেটাতে কন্ডাক্টর চেপে ধরে তাকে থামিয়েছিলো । মিঠু অন্যদিকে তাকিয়ে চলে আসছিল তখন ই একটা ডাক শুনে থেমে গেলো ।
- জী বলুন । মিঠুর জবাব যেনো সে নিজেই শুনতে পেলো না । গলাটা বসে গেলো । খাকাড়ি দিয়ে আবার একই কথা রিপিট করলো ।
- আপনি কি পুরুষ নাকি মহিলা , ভাত খান না
- মানে কি বলতে চাচ্ছেন
- আপনি যদি ঠিক মতন ধরতেন তাহলে আমি ....
- ঠিক মতন ধরলে আপনি ব্যাথা পেতেন
- তাই বলে এমন নরম ভাবেই কেউ ধরে নাকি ...ভাগ্যিস নিচে কন্ডাক্টর ছিলো
মিঠু ঠোঁটের কোনে একটা মৃদু হাসি নিয়ে বলল – কোন একদিন কেউ একজন বলেছিলো মেয়েদের এত শক্ত করে ধরতে নেই , মেয়েদের মন শক্ত হতে পারে কিন্তু শরীর নয় ।
সন্ধ্যা হয়ে এলো প্রায় । মিঠু হাটতে লাগলো । মনের ভেতর কেমন যেনো একটা পরিতৃপ্ত অনুভব করছে । আজকের বাতাসটা ও খুব মিষ্টি । শরীর ছুয়ে হালকা দোলা দিয়ে যাচ্ছে । মিঠু চোখ বন্ধ করে একটা নিশ্বাস নিলো । গভীর নিশ্বাস ....
২৫ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ দুপুর ২:৪২
জেমস বন্ড বলেছেন: পৃথিবীতে খুব কম মানুষ ই ভাগ্যবান হয়ে থাকে । তার রুড় আচরন তাকে এই বানী দিতে বাধ্য করেছে ।
ট্রাই টু আন্ডারস্টান্ড ম্যান
২|
২৫ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ দুপুর ২:৩৩
আশিকুর রহমান টিংকু বলেছেন: আরেব্বাহ, কি ইষ্টি মিষ্টি গল্প ! খুউব ভাল লেগেছে ভাইয়া ।
কিন্তু নাইকার নাম কি ইপ্সিতা নাকি ইস্পিতা ? ইসপিতা (ইস্পিতা) ক্যামন জানি ইস্পাত ইস্পাত লাগে, বরং ইপসিতা (ইপ্সিতা) শুনতে ভাল লাগে ।
২৫ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ দুপুর ২:৪০
জেমস বন্ড বলেছেন: আমার নাম নিয়ে অনেক ভাবতে হয় । কারো সাথে মিলে গেলে তখন আমায় যদি তেড়েমেড়ে ধরতে আসে :-&
ভাল লেগেছে শুনে খুব ভাল লাগল , কস্ট সার্থক
। ভাল থাকবেন
৩|
২৫ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ বিকাল ৩:০৯
ঢাকাবাসী বলেছেন: গল্পটি ভাল লাগল।
২৫ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ বিকাল ৩:১০
জেমস বন্ড বলেছেন: কস্ট করে পড়ার জন্য ধন্যবাদ
৪|
২৫ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ বিকাল ৩:২৪
ইমরাজ কবির মুন বলেছেন:
মেয়েদের মন শক্ত হতে পারে কিন্তু শরীর নয় । হাহাহ
২৫ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ বিকাল ৩:২৬
জেমস বন্ড বলেছেন: :p হি হি
৫|
২৫ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ বিকাল ৩:৪০
মামুন রশিদ বলেছেন: পুরাই ধরাধরি লুল গল্প ![]()
২৫ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ বিকাল ৩:৫৮
জেমস বন্ড বলেছেন: উমা ! এইটা লুল গল্প
৬|
২৫ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ বিকাল ৩:৪৫
েফরারী এই মনটা আমার বলেছেন: সায়েম মুন বলেছেন: “ ভাইয়া মেয়েদের এত শক্ত করে ধরতে নেই , তাদের মন শক্ত হতে পারে কিন্তু শরীর নয় “ ।
---মেয়েরা কি এভাবে বলতে পারে।
গল্পের সাথে বাস্তবতার মিল পেলাম না।
২৫ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ বিকাল ৩:৫৮
জেমস বন্ড বলেছেন: এমনই হয় বাস্তবের মিল পাওন যায় না
৭|
২৫ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ বিকাল ৩:৫১
উদাস কিশোর বলেছেন: ফাইন লাগছে !
আহ !
খোলা চোখ
২৫ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ বিকাল ৩:৫৯
জেমস বন্ড বলেছেন: হুম খোলা চোখেই একমাত্র চোখ টিপ মারা সম্ভভ
৮|
২৫ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ বিকাল ৩:৫২
উদাস কিশোর বলেছেন: ফাইন লাগছে !
আহ !
খোলা চোখ
৯|
২৫ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ বিকাল ৪:০০
সেলিম আনোয়ার বলেছেন: পড়ে ভাল লেগেছে। সুন্দর জেমস বন্ড ।
২৫ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ বিকাল ৪:১১
জেমস বন্ড বলেছেন: য়ামি যে সুন্দর জেমস বন্ড এটা আইজ পত্তুম হুনলাম
আম্নেরে ও ধইন্যা
১০|
২৬ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ বিকাল ৫:১৯
সংগ্রামী মন বলেছেন: vai apna to isara bojen ni,Bujla abar dorten
০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১৪ দুপুর ২:০৪
জেমস বন্ড বলেছেন: হে হে হে ভাল বলেছেন
১১|
০১ লা জানুয়ারি, ২০১৪ সন্ধ্যা ৬:৫৯
শায়মা বলেছেন: আহালে
তারপর কি হলো???
০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১৪ দুপুর ২:০৬
জেমস বন্ড বলেছেন: তারপর আর কি যে যার মতন সুখে শান্তিতে বাস করতে লাগলো । কেউ সন্দেহ মনে অনুতাপে বিষাধে ছোঁয়ায় বিষের পেয়ালা কেউবা মধু ।
১২|
০৭ ই জানুয়ারি, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:৫৯
ইখতামিন বলেছেন:
আপনার ফেবু কি ডিএ্যাক্টিভ?
০৮ ই জানুয়ারি, ২০১৪ বিকাল ৩:৫৯
জেমস বন্ড বলেছেন: জী হ্যা ব্লক খাইছি ত তাই
১৩|
০৮ ই জানুয়ারি, ২০১৪ বিকাল ৪:৪৫
ইখতামিন বলেছেন:
থাক। নতুন আরেকটা বানিয়ে ফেলেন।
নববর্ষের বাসি শুভেচ্ছা রইল। ![]()
https://www.facebook.com/Rajkumar.JB007
এটা কি আপনার বর্তমান আইডি?
০৮ ই জানুয়ারি, ২০১৪ বিকাল ৫:০৬
জেমস বন্ড বলেছেন: না
১৪|
৩০ শে মার্চ, ২০১৭ রাত ৮:১৬
জেমস বন্ড বলেছেন: জাগিয়ে দিলাম পুরনো পোস্ট , মিস করছি সবাইকেই ।
©somewhere in net ltd.
১|
২৫ শে ডিসেম্বর, ২০১৩ দুপুর ২:৩৩
সায়েম মুন বলেছেন: “ ভাইয়া মেয়েদের এত শক্ত করে ধরতে নেই , তাদের মন শক্ত হতে পারে কিন্তু শরীর নয় “ ।
---মেয়েরা কি এভাবে বলতে পারে।
গল্পের সাথে বাস্তবতার মিল পেলাম না।