নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সব কিছুর মধ্যেই সুন্দর খুঁজে পেতে চেষ্টা করি............

জুল ভার্ন

সামু, আমার প্রিয় সামু-প্রত্যাশা পুরণে ব্যার্থতার ভারে নূহ্য! বর্তমান সামু কোনো দিন প্রত্যাশিত ছিলনা-তাই আপাতত সামু চর্চা বন্ধ। আপাতত সামু নষ্টদের দখলেই থাকুক। যদি মডারেটর চান-তাহলেই সামু আবার ফিরে আসবে স্বমহিমায়, ফিরে আসবো আমিও অনেকের মতই। ভালো থেকো প্রিয় বন্ধুরা। সকলের জন্য শুভ শুভ কামনা। * প্রানবন্ত কল্পনাশক্তির প্রয়োগে স্বচ্ছ ভাবনা আর বাস্তবতার মিশেলে মানুষ ক্রমশই সংকীর্ণ আর ক্ষুদ্র গন্ডিতে আবদ্ধ হয়ে যাচ্ছে।সব কিছু ছোট হয়ে যাচ্ছে, ছোট হয়ে যাচ্ছে আমাদের চিন্তা শক্তি-ছোট হয়ে যাচ্ছে আমাদের মন। আসুন পারস্পরিক মূল্যবোধ বিনিময়ে নিজ নিজ ভুল্গুলো শুধরে নিয়ে নিজেকে বিকশিত করি।

জুল ভার্ন › বিস্তারিত পোস্টঃ

দিশা রাভি.......

২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ সকাল ১০:৪৭

দিশা রাভি, বয়স ২১।


১৩ই ফেব্রুয়ারি দিল্লি পুলিশ দিল্লি থেকে ব্যাঙ্গালোরে উড়ে এসে দিশাকে বাড়ি থেকে গ্রেফতার করেছে। ২১ বছরের মেয়েকে এত ভয়! দিশা পরিবেশ রক্ষা আন্দোলন কর্মী।

গ্রেটা থুনবার্গ।
২০১৮ সনে ১৫ বছরের সুইডিশ স্কুল ছাত্রী গ্রেটা পৃথিবীকে চমকে দিয়েছিল। পরিবেশ পরিবর্তনের ভয়ঙ্কর বিপদ সম্পর্কে রাষ্ট্রনেতাদের উদাসীনতা ও ক্ষমাহীন গাফিলতি নিয়ে এই স্কুলছাত্রীটি সরব হয়েছিল পৃথিবীকে বাঁচানোর তাগিদে। শুরু করেছিল "Friday for future" । পরিবেশ রক্ষার জন্য এক অভিনব আন্দোলন। Global people's movement for climate justice । পৃথিবীর তাবড় রাষ্ট্র নেতারা ১৫ বছরের বালিকার পরিবেশ রক্ষার জন্য অসাধারণ ভূমিকার কাছে বামনে পরিণত হয়েছিল। থুনবার্গ এর আন্দোলন ক্রমে সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়ে। পরিবেশ পরিবর্তনের বিপদ সম্পর্কে ছাত্রছাত্রীরা দেশে দেশে সোচ্চার হতে শুরু করে। বুড়ো খোকা-খুকীরা যখন লোভ-লালসা ও ক্ষমতার মদমত্ততায় পরিবেশ নিয়ে, পৃথিবীর ভবিষ্যৎ নিয়ে চূড়ান্ত অবিমৃষ্যকারী ও চরম দায়িত্বজ্ঞানহীন, তখন দেশে দেশে গ্রেটা থুনবার্গরা পৃথিবীকে বাঁচানোর জন্য জনমত তৈরী করে শাসকদের পরিবেশ ধ্বংস লীলা বিরুদ্ধে এগিয়ে এসেছে।
দিশা রাভি গ্রেটা থুনবার্গদের আন্দোলন থেকেই বিশেষভাবে অনুপ্রাণিত হয়েছিল। কৃষক পরিবারে বড় হয়েছে দিশা। পিতামহ ও পিতামহি দুজনেই কৃষক। পরিবেশের পরিবর্তন কিভাবে কৃষিকে বিপন্ন করছে, কিভাবে কৃষকরা পরিবেশ বিনষ্টের খেসারত দিচ্ছে তা দিশা শৈশব থেকে দেখছে চোখের সামনে। পিতামহ ও পিতামহি দুজনেই পরিবেশ পরিবর্তন জনিত বিরূপ প্রভাবের হাত থেকে কৃষি ও কৃষকদের বাঁচাতে নিজেদের মত করে লড়েছেন। এসব দেখতে দেখতে বেড়ে ওঠা দিশার জীবনে মোড় পরিবর্তনকারী আলোড়ন তুলেছিল গ্রেটার "Friday for future" আন্দোলন।

Friday for future India. ভারতীয় কৃষকরা ঐতিহাসিক আন্দোলন করছেন কয়েক মাস ধরে তিনটি কৃষি আইনের বিরুদ্ধে। এই আন্দোলনের সমর্থনে দেশবাসী যেমন এগিয়ে এসেছেন তেমনি বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন দেশের মানুষ, বুদ্ধিজীবীরাও কৃষকদের আন্দোলনের সমর্থনে সোচ্চার হয়েছেন। অন্যায় যেখানেই হোক না কেন তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদে সবাই শামিল হয়-এটাই নিয়ম। ন্যায়ের জন্য লড়াইকে প্রাচীর দিয়ে / সীমানা দিয়ে আটকে রাখা যায় না। ভারতবর্ষে কৃষকদের চলমান এই আন্দোলনের সমর্থনে সোচ্চার হয়েছেন পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের বিভিন্ন পেশার মানুষ। পপস্টার রিহানা, গ্রেটা থুনবার্গরা কৃষক আন্দোলনের সমর্থনে টুইট করেছেন। দিশা রাভি ও তার বন্ধুরা চলমান কৃষক আন্দোলন সম্পর্কে সবাইকে সম্যকভাবে অবহিত করার জন্য স্থাপন করেছেন "tool kit". Tool kit is a term which activists use for a campaign information document. এর উদ্দেশ্য হলো ভারতের চলমান কৃষক আন্দোলনের সামগ্রিক প্রেক্ষাপট সবার কাছে তুলে ধরা।
গ্রেটা থুনবার্গ কৃষক আন্দোলনের পক্ষে টুইট করার পর মোদি সরকারের মাথা ঘুরে গেছে। শাসক দলের উর্বর মস্তিষ্ক আবিষ্কার করেছে ভারতের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকে। বলিউডের কিছু পোষা ময়নাকে দিয়ে বিবৃতি দেওয়া হয়েছে। দিশা রাভিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে তথাকথিত ভারতবিরোধী বিশ্বব্যাপী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত থাকার অভিযোগে। দিশার অপরাধ তিনি গ্রেটা থুনবার্গকে কৃষক আন্দোলন সম্পর্কে বিশদভাবে অবহিত করেছিলেন।

যুগে যুগে, দেশে দেশে জনবিচ্ছিন্ন শাসকরা এক ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি সৃষ্টি করে। প্রতিবাদ করলেই দেশদ্রোহিতার অভিযোগ, ষড়যন্ত্রী হিসেবে চিহ্নিত করা।
ভিয়েতনামে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে সারা পৃথিবীব্যাপী আন্দোলন হয়েছিল। তখন কিন্তু মার্কিন সরকারও বলেনি যে পৃথিবীর দেশে দেশে ভিয়েতনামের সমর্থনে প্রতিবাদের অর্থ হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে বিশ্বব্যাপী ষড়যন্ত্র। কৃষ্ণাঙ্গদের বিরুদ্ধে যখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নিপীড়ণ হয়, যখন প্রকাশ্য রাস্তায় শুধু কৃষ্ণাঙ্গ হওয়ার অপরাধের জন্য গলা টিপে পুলিশ খুন করে একজন মানুষকে তখন সেটা মার্কিন দেশের নিছক আভ্যন্তরীণ বিষয় থাকে না। মানুষের চরম অপমানে ও বর্ণ বৈষম্য জনিত রাষ্ট্রীয় হত্যায় সারা পৃথিবী কেঁদে উঠে, প্রতিবাদে গলা ফাটায়। Black lives matter তাই শুধু মার্কিন দেশের আন্দোলন নয়, সারা পৃথিবীর আন্দোলন। বিশ্ব বিবেকের কণ্ঠস্বর।

মূর্খরা জানেনা প্রতিবাদকে থামানো যায় না। সমুদ্রের ঢেউকে যেমন কোন রাজা শাসন করতে পারে না, তেমনি প্রতিবাদীদের গ্রেফতার করে ন্যায়ের আন্দোলনকে থামানো যায় না। কৃষক আন্দোলনকে দমানোর জন্য একদিকে চলছে ষড়যন্ত্র, একদিকে কুৎসার বন্যা, অন্যদিকে পুলিশি দমন-পীড়ন, সাংবাদিকদের মুখ বন্ধ করা, হেনস্থা করা।
দিশা রাভির গ্রেফতার রাষ্ট্রীয় জুলুমের আরেকটি নগ্ন নজীর। বিচার বিভাগের ওপর আস্থা দিনদিন মানুষ হারাচ্ছে। দিশা রাভিকে ৫ দিনের পুলিশ রিমান্ডে দিয়েছে নিম্ন আদালত। কি অদ্ভুত অবস্থা। এই অভিযোগে তো একদিনও আটকে রাখা যায় না। গণতন্ত্র নিধনে ও ব্যক্তি স্বাধীনতা হরনে বিচার বিভাগের ভূমিকা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠছে প্রতিদিন। ওরা ভয় পেয়েছে প্রতিবাদে।
ওরা ভয় পেয়েছে সংঘবদ্ধ শক্তিকে। ওরা দিশাদের ভয়ে দিশাহারা- তাই মরিয়া। সম্বল ওদের পুলিশি সন্ত্রাস। অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াইকে আরো তীব্র করতে হবে। দিশা রাভিরাই আসল নায়ক নায়িকা। নাটক সিনেমার স্টার সুপারস্টাররা টয়লেট টিস্যু, কিম্বা খড়ের পুতুল মাত্র।

***************************************************************************************************************
ইন্ডিয়ায় কৃষক আন্দোলনের কারণ.....
"Farm Bill, 2020" বিরুদ্ধে ইন্ডিয়ায় কৃষক আন্দোলনের চলছে। কি আছে এই বিলে? কেনো এই বিলের বিলের বিরুদ্ধে গোটা ভারতের কৃষক একহাট্টা?
আমি বিলটা পড়েছি। নিজ দেশের গনবিরোধী কোনো বিল নিয়ে আমজনতার মুখ খোলার জো নাই তাই বন্ধু দেশের বিলটা পড়ে আমার সংক্ষিপ্ত ধারণা ব্যক্ত করছিঃ-

(১) প্রথম বিলটি "The Essential Commodies ( Amendment) Bill 2020"; এই বিল অনুযায়ী চাল, ডাল, আটা, আলু, চিনি, পিয়াঁজ, ভোজ্য তেল সহ মোট ২০ টির বেশি নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য অত্যাবশ্যকীয় পণ্য তালিকা থেকে বাদ দিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং মজুত করার উর্ধ্বসীমা ও তুলে দেওয়া হয়েছে। ১৯৫৫ সালে এই আইনের উদ্দেশ্যই ছিল অভাবের সময় সরকার সরাসরি কৃষকদের থেকে খাদ্যশস্য কিনে গণবণ্টন ব্যবস্থার মাধ্যমে দেশের সাধারণ মানুষদের মধ্যে বিতরণ করবে। এখন থেকে কৃষকদের থেকে এই সমস্ত নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি ক্রয় করার জন্য সরকার আর বাধ্য না, সাথে কর্পোরেট ব্যবসায়ীরা এখন থেকে যত ইচ্ছা দ্রব্যাদি অনির্দিষ্টকালের জন্য গুদামজাত করে কৃত্রিম ভাবে বাজারের মূল্য নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে।
* সরকার ঠিকই তো বলেছে বলুন এরকম একটা বিল সত্যি সত্যিই কৃষকদের উন্নতি সাধন করবে না তো কে করবে। আসলে কৃষকরা অশিক্ষিত কিনা, তাই এই বিল ঠিক করে পড়ে বুঝে উঠতে পারেনি!

(২) দ্বিতীয় বিলটি "The Farmers Agreement of Price Assurance and Farm Services Bill 2020"; যার গালভরা নাম দিয়েছে মূল্য নিশ্চয়তা! এই বিল নাকি কৃষকদের আয় নিশ্চিত করবে! কৃষকদের সাথে সরাসরি পেপসিকো, আদানি, রিলায়েন্স এর মত বড় বড় কোম্পানি’রা চুক্তি করতে পারবে। ব্রিটিশ আমলের সেই নীলকর সাহেবদের নীলচাষের প্রথা একটু ঘুরিয়ে ফিরে আসছে আরকি। বড় বড় কোম্পানি গুলোর সাথে কৃষকদের চুক্তি হওয়ার পর কোনো কারণে উৎপন্ন ফসল পছন্দ না হলে তা কিনতে কিম্বা প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের ফলে ফসল নষ্ট হলে সেই আর্থিক ক্ষতির দায় নিতে কোম্পানি গুলো বাধ্য না। সরকার বলছে সেক্ষেত্রে ক্ষতির মূল্য পেতে চাষীরা আইনের সাহায্য নিতে পারে। কিন্তু আপনার কি মনে হয় আদানি, পেপসিকো-দের সাথে আপনার পাড়ার গরীব চাষী মদন দা দের কোর্টের আইনি লড়াই লড়ার মত পকেটের জোর আছে?

(৩) তৃতীয় বিলটি "The Farmers Produce Trade and Commerce Bill 2020"; এর ফলে ক্রেতা ব্যাবসায়িক সংস্থাগুলির সাথে কৃষকরা সরাসরি কেনাবেচা করতে পারবে মুক্তভাবে। এক্ষেত্রে সরকার আর কোনো রকম হস্তক্ষেপ করবে না। ‘স্বামীনাথন কমিশনে’র সুপারিশ মেনে খরচের দেড় গুণ দাম কৃষকদের জন্য সুনিশ্চিত করতে হবে সেই দায়ভার থেকে সরকার হাত তুলে নিলো। এমনকি এই বিলে বিদ্যুতের সরবরাহ সম্পূর্ণ বেসরকারিকরণ, বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি এবং বিদ্যুতে কৃষককে ভর্তুকি বন্ধ করার ব্যবস্থার ও উল্লেখ আছে।
সরকার ঠিকই তো বলেছে বলুন এরকম একটা বিল সত্যি সত্যিই কৃষকদের উন্নতি সাধন করবে না তো কে করবে। আসলে কৃষকরা অশিক্ষিত কিনা, তাই এই বিল ঠিক করে পড়ে বুঝে উঠতে পারেনি!
যে দেশের জনসংখ্যার শতকরা ৫২ ভাগ পরিবার কৃষির উপর নির্ভরশীল, যে দেশের কৃষি কাজের সাথে যুক্ত ১৪.৬৫ কোটি পরিবারের মধ্যে ৫৪.৬০ শতাংশ পরিবার ভূমিহীন, যে দেশের সরকার নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকতে ২০১৬ সালের পর থেকে কৃষক আত্মহত্যার রিপোর্ট প্রকাশ বন্ধ করে দেয় আপনাদের মনে হয় সেই দেশের নিপীড়িত শোষিত অন্নদাতা এই কোটি কোটি কৃষক-রা আদৌ ওই কর্পোরেট দের সাথে লড়াই করে টিকে থাকতে পারবেন?

মন্তব্য ২৪ টি রেটিং +৬/-০

মন্তব্য (২৪) মন্তব্য লিখুন

১| ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ দুপুর ১২:৪২

ভুয়া মফিজ বলেছেন: শাসকরা যখন জনগনের স্বার্থ না দেখে স্বৈরাচারী আচরণ করে, তখন তাদের মনে এমনিতেই ভয় থাকে। তখন তেলাপোকাকেও পাখি বলে ভ্রম হয়। মোইদ্দা সরকারের হয়েছে সেই দশা। সে'জন্যেই ২১ বছরের মেয়েকেও ভয় পায়।

বাই দ্য ওয়ে, কৃষক আন্দোলনের সমর্থনে রিহানা টুইট করার পর কঙ্গনা রানাউত যে ওকে বাজে কথা বলে টুইট করেছিল; তারপরে ওর নাজেহাল হওয়া দেখেছেন? ঢিলের বদলে পাটকেল? খুবই মজার ছিল। =p~

২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ দুপুর ১:৩৪

জুল ভার্ন বলেছেন: ওরা ২১ বছরের মেয়েকে ভয় পায়, আর আমরা ১৬ বছরের ছেলেকে ভয় পেয়ে জেলে ঢুকিয়েছি! :(
কংকনা রৌঁত এমনিতেই বিতর্কিত। এখন সরকারী পদক্ষেপ সমর্থন করে চেক এন্ড ব্যালেন্স করতে আদর্শবলী দিয়েছে।

২| ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ দুপুর ১:০২

অক্পটে বলেছেন: সময়োপযোগি লেখা। পোস্টটি প্রিয়তে নিলাম।

২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ দুপুর ১:৪২

জুল ভার্ন বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই।

৩| ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ দুপুর ১:০৬

রাজীব নুর বলেছেন: শাসক শ্রেনী মনে হয় পৃথিবীর সব দেশেই আছে। এই আধুনিক যুগে এসেও মানুষ নানান রকম শোষনের সিকার হচ্ছে।

২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ দুপুর ১:৪৩

জুল ভার্ন বলেছেন: সৃষ্টির শুরু থেকেই এরা ছিলো, আছে এবং থাকবে।

৪| ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ দুপুর ১:২৫

রোকসানা লেইস বলেছেন: আহা কৃষকরা যদি চাষ না করে পায়ের উপর পা দিয়ে বসে থাকতে পারত। তবে বুঝত শাসক কত ধানে কত চাল।
দিশা মুক্তি পাক দ্রুত।
ভালোদের এত বিপদ কেন সব সময়

২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ দুপুর ১:৪৪

জুল ভার্ন বলেছেন: তবুও বলবো, দিশার ভাগ্য ভালো-ওদের দেশে এখনও গুম কালচার রাস্ট্রীয় স্বীকৃতি পায়নি!

৫| ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ দুপুর ২:০০

নূর আলম হিরণ বলেছেন: পরিবেশ নষ্ট করে বিশ্ব মোড়লরা এখন মঙ্গলে বাস করার জন্য কোটিকোটি ডলার ব্যয় করে যাচ্ছে।

২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ দুপুর ২:৪২

জুল ভার্ন বলেছেন: মোড়লদের রাজত্ব চলছে এবং চলবে!

৬| ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ বিকাল ৩:২৬

নেওয়াজ আলি বলেছেন: ক্ষমতার চেয়ারে বসলেই মানুষ জালিম হয়ে যায়। ত মনে করে তারা যা করছে তাই ভালো সবাই চুপচাপ মেনে নাও। বিরুদ্ধে বললেই অত্যাচার

২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ বিকাল ৩:৫২

জুল ভার্ন বলেছেন: একদম তাই!

৭| ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ বিকাল ৫:০৪

ঢাবিয়ান বলেছেন: গ্রেফতার করলেও বেশি সুবিধা করতে পারবে না। ওই দেশে এখনো বিচার আচার আছে। আমাদের এখানের মত অল আর একজনের মেন হয়ে যায় নাই।

২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ সকাল ১০:২৪

জুল ভার্ন বলেছেন: রাইট। শর্ত সাপেক্ষে গতকাল জামিনে মুক্তি দিয়েছে।

৮| ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ বিকাল ৫:২৮

রাজীব নুর বলেছেন: লেখক বলেছেন: সৃষ্টির শুরু থেকেই এরা ছিলো, আছে এবং থাকবে।

মানুষ যদি মানবিক হয় তাহলে থাকবে না।

২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ সকাল ১০:২৫

জুল ভার্ন বলেছেন: রাইট। তবে আমাদের দেশে কোনো দিনই সেটা হবেনা।

৯| ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ বিকাল ৫:৫২

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: এই পোস্টের সঙ্গে তীব্র বিরোধিতা করছি। গোটা ভারতে এখন জাতীয়তাবাদের ধুম চলেছে। আগের জাতীয়তাবাদ সম্পূর্ণ ব্যাকডেটেড; আজকের দিনে একেবারেই অচল। মোদীজি দেশবাসীকে অত্যাধুনিক জাতীয়তাবাদের মন্ত্রে দীক্ষিত করতে পেরেছেন। সেই জাতীয়তাবাদের মন্ত্রে দীক্ষিত হয়ে এই মুহূর্তে ভারতের 18 টি প্রদেশের জনগণ একবিংশ শতকের বিস্ময় অবতার মোদীজিকে ম্যান্ডেট দিয়েছেন। বাংলার মতো মুষ্টিমেয় কিছু প্রদেশে খুব শীঘ্রই তিনি ম্যান্ডেট পেতে চলেছেন। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে বিগত কয়েকদিন আগে ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব সরকার আশা ব্যক্ত করেছেন যে অমিত শাহজি ও মোদিজীর যোগ্য নেতৃত্বে ভাজপার এই বিজয় রথ শুধু ভারতে নয় প্রতিবেশী নেপাল ও শ্রীলঙ্কাতেও আঁছড়ে পড়তে চলেছে।কেন শুধু শুধু বাংলাদেশের নামটি বাদ দিলেন বুঝলাম না। ........
সবশেষে বলতে চাই,এক জাতি এক রাষ্ট্র ভাষার ভারতে এতদিনের পর সত্যিই এক জোয়ার এসেছে। এমতাবস্থায় বিরোধীমত মানেই নিঃসন্দেহে দেশদ্রোহিতার শামিল। মোদি জি সংগত কারণেই নয়া ভারতের রূপকার হিসেবে তাকে শ্যামলী উৎপাটন করবেনই।

২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ সকাল ১০:২৬

জুল ভার্ন বলেছেন: এ বিশয় আমরাই সিনিয়র। মোদিজী আমাদের শিশ্যত্ব গ্রহন করেছেন।

১০| ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ রাত ৮:৫২

নুরুলইসলা০৬০৪ বলেছেন: বিষয়টা পরিস্কার হলো।লেখার জন্য ধন্য বাদ

২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ সকাল ১০:২৭

জুল ভার্ন বলেছেন: ্ধন্যবাদ।

১১| ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ রাত ৮:৫৮

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: স্যালুট দিশা রাভি । শুধু কর্মগুণে একজন মানুষ বড় হতে পারে অনেক বড় দিশা রাভি তার দৃষ্টান্ত। আশঙ্কা তো আছেই। তবে টিকে যাওয়াটা অমূলক নয়।

২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ সকাল ১০:২৮

জুল ভার্ন বলেছেন: বক্তব্যের সাথে একমত পোষণ করছি।

১২| ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ সকাল ১১:৫৫

রাজীব নুর বলেছেন: লেখক বলেছেন: রাইট। তবে আমাদের দেশে কোনো দিনই সেটা হবেনা।

মার পেট থেকে বের হয়ে কেউ মানবিক হয় না। মানবিক করে গড়ে তুলতে হয়।

২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ দুপুর ১:৫৮

জুল ভার্ন বলেছেন: একমত।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.