নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সব কিছুর মধ্যেই সুন্দর খুঁজে পেতে চেষ্টা করি............

জুল ভার্ন

সামু, আমার প্রিয় সামু-প্রত্যাশা পুরণে ব্যার্থতার ভারে নূহ্য! বর্তমান সামু কোনো দিন প্রত্যাশিত ছিলনা-তাই আপাতত সামু চর্চা বন্ধ। আপাতত সামু নষ্টদের দখলেই থাকুক। যদি মডারেটর চান-তাহলেই সামু আবার ফিরে আসবে স্বমহিমায়, ফিরে আসবো আমিও অনেকের মতই। ভালো থেকো প্রিয় বন্ধুরা। সকলের জন্য শুভ শুভ কামনা। * প্রানবন্ত কল্পনাশক্তির প্রয়োগে স্বচ্ছ ভাবনা আর বাস্তবতার মিশেলে মানুষ ক্রমশই সংকীর্ণ আর ক্ষুদ্র গন্ডিতে আবদ্ধ হয়ে যাচ্ছে।সব কিছু ছোট হয়ে যাচ্ছে, ছোট হয়ে যাচ্ছে আমাদের চিন্তা শক্তি-ছোট হয়ে যাচ্ছে আমাদের মন। আসুন পারস্পরিক মূল্যবোধ বিনিময়ে নিজ নিজ ভুল্গুলো শুধরে নিয়ে নিজেকে বিকশিত করি।

জুল ভার্ন › বিস্তারিত পোস্টঃ

কাফকা এবং হারিয়ে যাওয়া একটি পুতুলের গল্প....

১৩ ই অক্টোবর, ২০২১ সকাল ১০:৩৪

কাফকা এবং হারিয়ে যাওয়া একটি পুতুলের গল্পঃ
--------------------------------------------------------------------
মৃত্যুর বছরখানেক আগে, ফ্রানৎস্ কাফকার অদ্ভুত এক অভিজ্ঞতা হয়েছিল। এক পড়ন্ত বিকেলে বার্লিন শহরের স্টেগলিৎজ পার্কে ঘুরে বেড়াচ্ছিলেন তিনি। এমন সময় তাঁর দেখা হয় একটি ছোট্ট মেয়ের সঙ্গে। মেয়েটি নিজের প্রিয় পুতুল হারিয়ে কাঁদছিল।
কাফকা মেয়েটিকে বলেন, তিনি পুতুলটাকে যেভাবে হোক খুঁজে বার করবেন, সে যেন কাল আবার এখানেই তাঁর সঙ্গে এসে দেখা করে।
অনেক খোঁজাখুঁজির পরেও কাফকা পুতুলটা পেলেন না। তখন তিনি সেই হারিয়ে যাওয়া পুতুলের বয়ানে একটা চিঠি লেখেন এবং পরের দিন মেয়েটিকে সেই চিঠিটা পড়ে শোনান -
"সুইট বেবী, তুমি আর কান্নাকাটি করো না। আমি গোটা পৃথিবীটাকে ঘুরে দেখবো বলে ঘর ছেড়ে বেরিয়েছি। কোন কোন দেশে গিয়ে কী কী দেখলাম, সমস্ত কথাই লিখে জানাবো তোমাকে...

সেই ছিল শুরু। এরপর যতবারই তাঁদের দেখা হত, মেয়েটিকে একটা করে চিঠি পড়ে শোনাতেন কাফকা। চিঠিগুলো জুড়ে থাকত মেয়েটির হারিয়ে যাওয়া পুতুলের অলীক ভ্রমণের আশ্চর্য সব বিবরণ। এভাবেই প্রতিটি চিঠির শেষে, মেয়েটির দুঃখ কমে আসছিল একটু একটু করে।
যেদিন শেষবার মেয়েটির সঙ্গে কাফকার দেখা হয়, তিনি মেয়েটিকে একটা পুতুল উপহার দেন। যদিও সেই নতুন পুতুলটা ছিল আগের পুতুলের চেয়ে অনেকটাই আলাদা। শেষ চিঠিতে তিনি জানিয়েছিলেন,
"যে যে পথ ধরে এতদিন আমি এত জায়গায় ঘুরেছি... সেই পথই বদলে দিয়েছে আমাকে।"
অনেকগুলো বছর বাদে, ছোট্ট সেই মেয়েটি বড় হয়ে, হঠাৎই একদিন সে খুঁজে পায় আরও একটা চিঠি। কাফকার দেওয়া পুতুলটার কব্জির নীচের দিকে একটা সূক্ষ্ম ফাটলের মধ্যে লুকোনো সেই চিঠিতে লেখা ছিল -
"এই জীবনে তুমি যা যা ভালোবাসবে, হয়ত সেই সবকিছুই একদিন হারিয়ে যেতে পারে। শুধু এইটুকু জেনো, শেষ অবধি তারা সবাই ফিরে আসে। হয়ত অন্য কোনও নামে, হয়ত অন্য কোনও রূপ নিয়ে...ভালোবাসা হয়ে, ভালোবাসা ফিরে আসে বারবার।
ভালো থেকো।"

(এই গল্পটা ফেসবুকের একাধিক পেজ ইংরেজি ভাষায়
শেয়ার করে। যতবারই পড়ি, খুব ভালো লাগে। শেষ অবধি, নিজের মতো করে মাতৃভাষায় লিখলাম)

মন্তব্য ৩৪ টি রেটিং +৮/-০

মন্তব্য (৩৪) মন্তব্য লিখুন

১| ১৩ ই অক্টোবর, ২০২১ সকাল ১১:২৮

মনিরা সুলতানা বলেছেন: "এই জীবনে তুমি যা যা ভালোবাসবে, হয়ত সেই সবকিছুই একদিন হারিয়ে যেতে পারে। শুধু এইটুকু জেনো, শেষ অবধি তারা সবাই ফিরে আসে। হয়ত অন্য কোনও নামে, হয়ত অন্য কোনও রূপ নিয়ে...ভালোবাসা হয়ে, ভালোবাসা ফিরে আসে বারবার।

কী চমৎকার শিক্ষা !!

১৩ ই অক্টোবর, ২০২১ সকাল ১১:৪০

জুল ভার্ন বলেছেন: ধন্যবাদ।

২| ১৩ ই অক্টোবর, ২০২১ সকাল ১১:৪৮

শেরজা তপন বলেছেন: অন্য কোন মাধ্যমে সম্ভবত আগে পড়েছিলাম।
শেষ কথাগুলো চমৎকার- মন ছুঁয়ে গেল

১৩ ই অক্টোবর, ২০২১ দুপুর ১২:১৩

জুল ভার্ন বলেছেন: হ্যা লেখাটা সোস্যাল মিডিয়ায় বহুল প্রচারিত। আমি শুধু অনুবাদ করেছি- যা ফেসবুকেও এক বছর আগে শেয়ার করেছিলাম।

৩| ১৩ ই অক্টোবর, ২০২১ দুপুর ১২:১২

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: উফ কী ভালো লাগে। সুন্দর অনুভূতি
ধন্যবাদ আপনাকে

১৩ ই অক্টোবর, ২০২১ দুপুর ১২:৫৯

জুল ভার্ন বলেছেন: ধন্যবাদ।

৪| ১৩ ই অক্টোবর, ২০২১ দুপুর ১২:৪৩

মোহামমদ কামরুজজামান বলেছেন: প্রথমতঃ ভাইজান , জার্মান শব্দ গুলো এত খট-মট কেন।


এটা একদম ঠিক , " যেমন কর্ম তেমন ফল " মানে হলো মানুষ তাই ফেরত পাবে যা সে করবে বা যতটুকু করবে। আর :(( ভালবাসা ? ইডা কখনো হারায় না আমাদের থেকে । হয়ত সময়ের সাথে সাথে এবং সম্পর্কের পরিবর্তনের কারনে আমাদের মনে সুপ্ত থাকে তবে তা ফেরত আসে একসময় হয়ত আমাদের মানের অজান্তে এবং অন্যকোন রুপে ও অন্যভাবে।

১৩ ই অক্টোবর, ২০২১ দুপুর ১:০১

জুল ভার্ন বলেছেন: আমাদের কাছে যেমন জার্মান কিম্বা অন্য ভাষা খটমট মনে হয় তেমনি অন্য ভাষাভাসীদের কাছেও আমাদের ভাষা খটমটে মনে হয়-এটাই স্বাভাবিক।

ধন্যবাদ।

৫| ১৩ ই অক্টোবর, ২০২১ দুপুর ১:৪৪

হাসান রাজু বলেছেন: কাফকা !!!!
-দীর্ঘশ্বাস, বিষণ্ণতা .......

১৩ ই অক্টোবর, ২০২১ দুপুর ১:৫১

জুল ভার্ন বলেছেন: একদম তাই।

৬| ১৩ ই অক্টোবর, ২০২১ দুপুর ১:৫১

রোকসানা লেইস বলেছেন: গভীর অনুভবের গল্প কাফকা --যতবার পড়ি ততবার ভালোলাগে।

১৩ ই অক্টোবর, ২০২১ দুপুর ২:০৮

জুল ভার্ন বলেছেন: ধন্যবাদ।

৭| ১৩ ই অক্টোবর, ২০২১ দুপুর ২:০৫

অপু তানভীর বলেছেন: কি চমৎকার গল্পের কথা । এই গল্পটা আমি আগে কয়েকবার পড়েছি । আবারও পড়ে ভাল লাগলো !

১৩ ই অক্টোবর, ২০২১ দুপুর ২:০৮

জুল ভার্ন বলেছেন: ধন্যবাদ।

৮| ১৩ ই অক্টোবর, ২০২১ দুপুর ২:৩৪

নান্দনিক নন্দিনী বলেছেন: কাফকার প্রেম পত্রের একটা সংকলন পড়েছিলাম। এত দুর্বোধ্য প্রেমপত্র!
বেশিরভাগই ছিলো বিষাদে ভরা। কাফকা বলে কথা!

জীবনে বিয়ে করেননি কাফকা। প্রকৃত অর্থে কখনো সেই সুযোগই পাননি তিনি। প্রেম করেছেন তিন বার। দুই বার বাগদান হয়েও ভেঙে গেছে সম্পর্ক। প্রেমিকার চোখে কাফকা ছিলেন কাগুজে প্রেমিক। এর কারণও আছে। প্রথম প্রেমিকা ফেরিস বাউয়ারকে তিনি পাঁচ শর বেশি চিঠি লিখেছেন।

দ্বিতীয় প্রেমিকা মিলেনাকেও লিখেছেন প্রায় চার শর মতো চিঠি। প্রথম প্রেমিকা ফেরিস বাউয়ারের সঙ্গেই দুই বার বাগদান হয়েছিল কাফকার। কিন্তু, সম্পর্ক টেকেনি। কাফকার শেষ প্রেমিকা ছিলেন ডোরা ডিয়ামান্ট। ১৯২৩ সালে কাফকার জীবনপ্রদীপ যখন একটু একটু করে নিভে আসছে, তখন তার সঙ্গে পরিচয় হয় ডোরার। মৃত্যু যখন ঠিক দরজায় কড়া নাড়ছে, ঠিক তখন দুই জন মিলে পরিকল্পনা করলেন তারা ফিলিস্তিন যাবেন, সুখের সংসার শুরু করবেন। রেস্তোরাঁ খুলে ডোরা রান্না করবেন, আর কাফকা হবেন ওয়েটার। সুন্দর ছিমছাম আর নির্ভেজাল বাকি জীবনটা দুই জন একসঙ্গে কাটিয়ে দেবেন। কিন্তু, সেই সুযোগ আর কাফকা পেলেন না। (তথ্যসূত্র ডেইলি স্টার)

১৩ ই অক্টোবর, ২০২১ রাত ৮:২৭

জুল ভার্ন বলেছেন: কাফকা সম্পর্কে আমি যা-কিছু লিখিনি তা আপনি মন্তব্যে তুলে ধরে আমার পোস্টকেই সমৃদ্ধ করেছেন
ধন্যবাদ।

৯| ১৩ ই অক্টোবর, ২০২১ দুপুর ২:৩৫

রাজীব নুর বলেছেন: সুন্দর গল্প।

১৩ ই অক্টোবর, ২০২১ রাত ৯:৩৪

জুল ভার্ন বলেছেন: অবশ্যই।

১০| ১৩ ই অক্টোবর, ২০২১ বিকাল ৩:১৬

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
আহা কাফকার জীবনটা বিষন্নতায় ভরা। গল্পগুলো অনুরূপ।

১৩ ই অক্টোবর, ২০২১ রাত ৯:৩৫

জুল ভার্ন বলেছেন: ঠিক বলেছেন।

১১| ১৩ ই অক্টোবর, ২০২১ বিকাল ৩:১৮

দেশ প্রেমিক বাঙালী বলেছেন: অল্প কথায় চমৎকার একটি গল্প।

১৩ ই অক্টোবর, ২০২১ রাত ৯:৩৫

জুল ভার্ন বলেছেন: রাইট।

১২| ১৩ ই অক্টোবর, ২০২১ বিকাল ৫:১১

সমাজবিরোধী বলেছেন: শেষের চিঠিটি অসম্ভব হৃদয়গ্রাহী ও মায়াবী। ধন্যবাদ এমন সুন্দর লেখার জন্য।

১৩ ই অক্টোবর, ২০২১ রাত ৯:৩৬

জুল ভার্ন বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।

১৩| ১৩ ই অক্টোবর, ২০২১ সন্ধ্যা ৬:১০

চাঁদগাজী বলেছেন:


কাফকা জ্ঞানী ছিলেন।

১৩ ই অক্টোবর, ২০২১ রাত ৯:৩৬

জুল ভার্ন বলেছেন: অবশ্যই।

১৪| ১৩ ই অক্টোবর, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:২৭

ইসিয়াক বলেছেন: সুন্দর গল্প।

১৩ ই অক্টোবর, ২০২১ রাত ৯:৩৭

জুল ভার্ন বলেছেন: ঠিক বলেছেন।

১৫| ১৩ ই অক্টোবর, ২০২১ রাত ১০:৩৭

রাজীব নুর বলেছেন: পোষ্টে আবার এলাম। কে কি মন্তব্য করেছেন সেটা জানতে।

১৪ ই অক্টোবর, ২০২১ সকাল ১০:১৪

জুল ভার্ন বলেছেন: ধন্যবাদ।

দুই একটা বাদে আমি কোনো পোস্ট একবারই পড়ার সময় করতে পারিনা এবং অন্যের মন্তব্যও পড়িনা।

১৬| ১৩ ই অক্টোবর, ২০২১ রাত ১১:৩৭

শায়মা বলেছেন: এই লেখাটা দুপুরে পড়েছিলাম।

পুতুলের সাথে কত কিছুই মিলিয়ে ফেললাম তারপর। :(

অনেক ভালো লাগা ভাইয়া। :)

১৪ ই অক্টোবর, ২০২১ সকাল ১০:১৫

জুল ভার্ন বলেছেন: নস্টালজিক।

১৭| ১৪ ই অক্টোবর, ২০২১ রাত ১:৫৪

নেওয়াজ আলি বলেছেন: উফ। কাফকা।

১৪ ই অক্টোবর, ২০২১ সকাল ১০:১৫

জুল ভার্ন বলেছেন: ধন্যবাদ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.