| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
জুল ভার্ন
এপিটাফ এক নিঃশব্দ প্রচ্ছদে ঢাকা আছে আমার জীবনের উপন্যাস... খুঁজে নিও আমার অবর্তমানে... কোনো এক বর্তমানের মায়াবী রূপকথায়। আমার অদক্ষ কলমে... যদি পারো ভালোবেসো তাকে... ভালোবেসো সেই অদক্ষ প্রচেষ্টা কে, যে অকারণে লিখেছিল মানব শ্রাবণের ধারা.... অঝোর শ্রাবণে।।
রক্তের বিনিময়ে অর্জিত ইতিহাস নিয়ে অপপ্রচার চলবে কেন?
একটি জাতির স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও মুক্তির সংগ্রাম নিয়ে মিথ্যাচার শুধু ইতিহাস বিকৃতি নয়- এটা শহীদের রক্ত, নির্যাতিত মানুষের কান্না এবং স্বজনহারা পরিবারের ক্ষতকে অপমান করার শামিল!
বাংলাদেশে দীর্ঘ ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে অসংখ্য মানুষ প্রাণ দিয়েছেন, গুম হয়েছেন, নির্যাতিত হয়েছেন, পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন। ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থান সেই দীর্ঘ সংগ্রামের এক রক্তক্ষয়ী অধ্যায়। জাতিসংঘ মানবাধিকার বিষয়ক দপ্তরের হিসাবে- ২০২৪ সালের ১ জুলাই থেকে ১৫ আগস্টের মধ্যে প্রায় ১,৪০০ মানুষ নিহত হয়েছে।
অথচ আজও সেই আন্দোলন, শহীদদের আত্মত্যাগ এবং নথিবদ্ধ মানবাধিকার লঙ্ঘন নিয়ে চলছে অপপ্রচার, বিদ্রূপ ও ইতিহাস বিকৃতির চেষ্টা! প্রশ্ন হলো- যাঁরা প্রাণ দিয়েছেন, তাঁদের আত্মত্যাগের সত্যটুকুও কি আমরা সুরক্ষিত রাখতে পারব না?
কম্বোডিয়া খেমার রুজের ভয়াবহ অপরাধ অস্বীকারের বিরুদ্ধে আইন করেছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশেও গণহত্যা অস্বীকার ও ঐতিহাসিক নৃশংসতা অস্বীকারের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা রয়েছে। বাংলাদেশেও এ বিষয়ে একটি কার্যকর আইনি কাঠামো নিয়ে গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনা হওয়া উচিত।
আমার দাবিঃ জুলাই গণঅভ্যুত্থানসহ ফ্যাসিবাদী শাসনামলে সংঘটিত নথিবদ্ধ গণহত্যা, মানবতাবিরোধী অপরাধ ও গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনকে ইচ্ছাকৃতভাবে অস্বীকার, বিকৃত বা সমর্থন করে ভুক্তভোগীদের মর্যাদা ক্ষুণ্ন করার বিরুদ্ধে আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হোক।
তবে আইনটি হতে হবে সুনির্দিষ্ট, প্রমাণভিত্তিক এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। ইতিহাস নিয়ে গবেষণা, সৎ প্রশ্ন, তথ্যভিত্তিক সমালোচনা কিংবা সরকারের নীতির বিরোধিতা যেন অপরাধে পরিণত না হয়। অপরাধ নির্ধারণ করবে আদালত, কোনো রাজনৈতিক দল বা সরকার নয়।
কারণ, শহীদের রক্তের মর্যাদা রক্ষা করতে গিয়ে যেন নতুন করে মতপ্রকাশের স্বাধীনতাকে হত্যা না করি। সত্যকে প্রতিষ্ঠা করতে হবে সত্য, প্রমাণ ও ন্যায়বিচারের শক্তিতে।
আমরা প্রতিশোধ চাই না, চাই ন্যায়বিচার। আমরা চাই প্রমাণিত সত্যের সুরক্ষা। আমরা ভিন্নমত দমন করতে চাই না- চাই মিথ্যাচার ও অপরাধের জবাবদিহি।
যাঁরা দেশের মানুষের মুক্তির জন্য জীবন দিয়েছেন, তাঁদের আত্মত্যাগ নিয়ে ইচ্ছাকৃত মিথ্যাচার যেন বিনা জবাবদিহিতে পার পেয়ে না যায়।
শহীদের রক্তের ঋণ শোধ হবে না স্লোগানে; হবে সত্য প্রতিষ্ঠা, ন্যায়বিচার এবং এমন একটি রাষ্ট্র গঠনের মধ্য দিয়ে- যেখানে কোনো শাসকই আর মানুষের অধিকার কেড়ে নেওয়ার সাহস পাবে না। শহীদের রক্ত বৃথা যেতে দেবে না। ইতিহাসকে দলীয় সম্পত্তি নয়, সত্য ও ন্যায়বিচারের ভিত্তিতে সুরক্ষিত করবে।
©somewhere in net ltd.
১|
১৫ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১২:৪২
নতুন বলেছেন: বাংলাদেশে দীর্ঘ ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে অসংখ্য মানুষ প্রাণ দিয়েছেন, গুম হয়েছেন, নির্যাতিত হয়েছেন, পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন। ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থান সেই দীর্ঘ সংগ্রামের এক রক্তক্ষয়ী অধ্যায়। জাতিসংঘ মানবাধিকার বিষয়ক দপ্তরের হিসাবে- ২০২৪ সালের ১ জুলাই থেকে ১৫ আগস্টের মধ্যে প্রায় ১,৪০০ মানুষ নিহত হয়েছে।

অথচ আজও সেই আন্দোলন, শহীদদের আত্মত্যাগ এবং নথিবদ্ধ মানবাধিকার লঙ্ঘন নিয়ে চলছে অপপ্রচার, বিদ্রূপ ও ইতিহাস বিকৃতির চেষ্টা! প্রশ্ন হলো- যাঁরা প্রাণ দিয়েছেন, তাঁদের আত্মত্যাগের সত্যটুকুও কি আমরা সুরক্ষিত রাখতে পারব না?
কম্বোডিয়া খেমার রুজের ভয়াবহ অপরাধ অস্বীকারের বিরুদ্ধে আইন করেছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশেও গণহত্যা অস্বীকার ও ঐতিহাসিক নৃশংসতা অস্বীকারের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা রয়েছে। বাংলাদেশেও এ বিষয়ে একটি কার্যকর আইনি কাঠামো নিয়ে গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনা হওয়া উচিত।
জাসি বেশি স্বাধিনতা পেয়ে আমাদের মুক্তিযুদ্ধকেই ম্লান করতে মুক্তিযুদ্ধকেই অস্বীকার করতে অপপ্রচার, বিদ্রূপ ও ইতিহাস বিকৃতির চেষ্টা করেছে।
সেটা মানুষকে বেশি কস্ট দিয়েছে,
সেই সুযোগে আমলীগ আন্দলনের সময়ের হত্যাকে অস্বিকার করার চেস্টা করছে।
ভারতেও আন্দলোন হচ্ছে, সেখানে পুলিশের উপরে জনগন পাথর ছুড়ছে না, বাসে, রাস্তায় আগুন দিচ্ছেনা, পুলিশও আক্রমন করছেনা, গুলি করে মানুষ হত্যা করছেনা।
আমাদের দেশে আমলীগ যেমন ক্যাডার দিয়ে আক্রমন করেছিলো, তেমনি জাসিরা মানুষকে উস্কে দিচ্ছিলো যাতে পরিস্থিতি খারাপ হয়।