| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
জুল ভার্ন
এপিটাফ এক নিঃশব্দ প্রচ্ছদে ঢাকা আছে আমার জীবনের উপন্যাস... খুঁজে নিও আমার অবর্তমানে... কোনো এক বর্তমানের মায়াবী রূপকথায়। আমার অদক্ষ কলমে... যদি পারো ভালোবেসো তাকে... ভালোবেসো সেই অদক্ষ প্রচেষ্টা কে, যে অকারণে লিখেছিল মানব শ্রাবণের ধারা.... অঝোর শ্রাবণে।।
পোড়ামাটি নীতি (Scorched Earth Policy).....
একটি একটি সামরিক কৌশল। কোনো সামরিক বাহিনী যখন পিছু হটে বা শত্রুর আক্রমণ প্রতিহত করতে চায়, তখন তারা নিজেদেরই ফেলে যাওয়া এলাকার সমস্ত ফসল, অবকাঠামো, আশ্রয়স্থল ও সম্পদ ধ্বংস করে দেয়।
উদ্দেশ্যঃ শত্রুবাহিনী যাতে ওই এলাকায় কোনো ধরনের রসদ, খাদ্য বা ব্যবহারের উপযোগী কোনো কিছু না পায়, তা নিশ্চিত করা।
আগ্রাসী শক্তির পরাজয় যখন অবশ্যম্ভাবী- তখন তারা যুক্তি, নীতি কিংবা মানবিকতা অগ্রাহ্য করে আশ্রয় নেয় 'পোড়ামাটি নীতি'র। পরাজয়ের প্রতিশোধ নিতে ধ্বংস করে জনপদ, ইতিহাস ঐতিহ্য, জ্বালিয়ে দেয় মানুষের স্বপ্ন, বিপন্ন করে সাধারণ মানুষের জীবন ও ভবিষ্যৎ।
ইতিহাসখ্যাত Scorched Earth Policy মূলত ১৮১২ সালে ফরাসি সম্রাট নেপোলিয়ন বোনাপার্ট রাশিয়া আক্রমণ করলে রুশ বাহিনী (রুশ জার প্রথম আলেকজান্ডারের নির্দেশক্রমে) গ্রহণ করেছিল।
নেপোলিয়নের ফরাসি বাহিনীকে পরাজিত করতে রুশ সেনারা তাদের নিজস্ব শহর, গ্রাম, শস্যখেতে আগুন ধরিয়ে দেয়, রাস্তা কেটে ফেলে এবং পানিতে বিষ মিশিয়ে দেয়, যাতে ফরাসি বাহিনী রসদ না পায়।
একদিকে ইরানের হাতে নাস্তানাবুদ ড্রাম-ইয়াহু বাহিনীর সামরিক পরাজয়, অন্যদিকে নিজ নিজ দেশের নির্বাচনেও হেরে গিয়েছে। এখন নিজেদের ইগো বজায় রাখ
কিন্তু মনে রাখতে হবে, ক্ষমতা চিরস্থায়ী নয়, দখলদারিত্বেরও শেষ আছে। স্থাপনা ধ্বংস করা যায়, মানুষের ঘরবাড়ি পুড়িয়ে দেওয়া যায়, কিন্তু একটি জাতির স্বাধীনতা, আত্মমর্যাদা ও প্রতিরোধের চেতনাকে ধ্বংস করা যায় না। পরাজয়ের আগে যারা দেশ পোড়ায়, ইতিহাস তাদের বিজয়ী নয়- ধ্বংসের কারিগর হিসেবেই মনে রাখে।
ব্যাংগাত্মক ছবিঃ ফেসবুক থেকে নেওয়া।
©somewhere in net ltd.