নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মাতাল সময়

মন্দটাই মনে রাখে মানুষ। ভালোটা হাড়গোড়ের সঙ্গে মাটিতে মিশে যায়

কাব্য রহমান

একটা মোমবাতি থেকে হাজারটা মোমবাতি জ্বালানো যায়, এর আলো কখনো শেষ হয়ে যায় না, ঠিক সেভাবে আপনার জ্ঞান এবং আনন্দ সবার সাথে Share করলে তা কখনো কমে যাবে না বরং বাড়বে।

কাব্য রহমান › বিস্তারিত পোস্টঃ

ঘড়ির কাঁটা ডান দিকে ঘোরে কেন? কখন কি চিন্তা করেছেন!!!

০৪ ঠা মে, ২০১২ দুপুর ১২:১৫

ইতিহাস











মানব সভ্যতায় ঘড়ি একটি যুগান্তকারি আবিস্কার। পৃথিবীর প্রায় সব জায়গায় ঘড়ির ব্যবহার দেখতে পাওয়া যায়। কিন্তু আজ আমরা যে ঘড়ি ব্যবহার করছি তার ইতিহাস অনেক পুরনো । পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাচীন ঘড়ি, মানে সবচেয়ে পুরোনো সূর্যঘড়ির মর্যাদা পায় মিশরীয়দের ওবেলিস্ক।



ধারণা করা হয়, মিশরীয়রা এই ঘড়ি বানানো শিখেছিল খ্রিস্টের জন্মেরও সাড়ে ৩ হাজার বছর আগে। এরকম আরেকটা ঘড়িকে বলা হয় ‘শ্যাডো ক্লক’। ‘শ্যাডো ক্লক’ টা বানিয়েছিল ব্যবিলনীয়রা, খ্রিস্টের জন্মের প্রায় দেড় হাজার বছর আগে।



এই সূর্যঘড়িগুলোতে সময় দেখা হতো সূর্যের ছায়া দেখে। অর্থাৎ সময় নির্দেশক যে কাঁটা বা দণ্ড, সেটা স্থির থাকতো আর সূর্যের ছায়া সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সরে যেতো। আর আমাদের ঘড়িতে আবার উল্টো; এই কাঁটাগুলোই ঘুরে ঘুরে সময় জানান দেয়। ছায়া দেখার কোনো বালাই-ই নেই। এরকম ঘড়ি, মানে যে ঘড়িতে কাঁটা ঘুরে ঘুরে সময় জানান দেয়, সেরকম ঘড়ি প্রথম বানানো হয় ১৩ শতকে। তবে তখনই এই ঘড়িগুলো তেমন জনপ্রিয় হয়নি। হবে কী করে বলো, তখনো যে মানুষের সময় দেখার তেমন প্রয়োজনই হয়নি। সূর্য দেখেই মানুষ বুঝতো- এখন সকাল না দুপুর, বিকাল না সন্ধ্যা। তখন এরচেয়ে বেশি সময় দেখার তেমন দরকার হতো না।



এর মোটামুটি ৪০০ বছর পরে, ১৮ শতকে যখন কল-কারখানা বসতে শুরু করলো, তখন মানুষের সময় দেখার দরকার হতে শুরু করলো। নির্দিষ্ট সময়ে কারখানায় যেতে হবে, নির্দিষ্ট সময় দুপুরের খাবার খেয়ে আবার কাজে লাগতে হবে, নির্দিষ্ট সময়ে ছুটি হবে। তা না হলে যে কারখানাই চলবে না! কারখানায় যদি একজন সকাল সাতটায়, একজন সকাল আটটায়, আরেকজন সকাল নয়টায় আসে, মানে যেমন ইচ্ছে তেমন আসতে থাকে, তাহলে কী করে হবে বলো? তখন সবার ওই কাঁটাওয়ালা ঘড়ির দরকার পড়লো; যেন সবাই সময় মতো সব কাজ করতে পারে। এবার কিন্তু ঘড়ি খুবই জনপ্রিয় হয়ে উঠলো।



এবার একটা হিসেব মেলানো যাক। যে অঞ্চলে পুরোনো ঘড়িগুলো তৈরি হয়েছিল, মিশর আর ব্যবিলন- এগুলো কিন্তু একই অঞ্চলে। আর এই অঞ্চলের অবস্থানের কারণে সূর্যঘড়ির ছায়া দিনের সাথে ক্রমাগত পশ্চিম থেকে উত্তর হয়ে পূর্বদিকে সরে যেত। অর্থাৎ, দিন যতো গড়িয়ে রাতের দিকে যেত, ছায়াও ততো পশ্চিম দিক থেকে উত্তর দিক হয়ে পূর্ব দিকে যেত। সেখান থেকেই ঘড়ির কাঁটার দিকের ব্যাপারটা এসেছে। সেই অনুযায়ী-ই ঘড়ির কাঁটা পশ্চিম থেকে উত্তর ছুঁয়ে পূর্ব দিকে যায়।



ভাবছেন, পশ্চিম-উত্তর-পূর্বের সাথে আবার বাম- ডানের কী সম্পর্ক? আচ্ছা, তাহলে একটা মানচিত্র নিয়ে বসেন। দেখেন তো, মানচিত্রের উপরের দিকে দিক নির্দেশক একটা চিহ্ন আছে কিনা? পেয়েছেন? এবার দেখুন তো, উপরের দিকের চিহ্নের পাশে কোন দিকের কথা লেখা? আর কিছু লেখা না থাকলেও ইংরেজি বর্ণের ‘এন’ লেখা আছে, তাই না? এই ‘এন’র হলো নর্থ বুঝাতে লেখা হয়। বাংলায় যাকে বলে উত্তর ।



আর মানচিত্রের নিচের দিকটা হল দক্ষিণ। এবার দেখো তো, বাম দিকে আর ডান দিকে কী পরে? হ্যাঁ, বাম দিকে পশ্চিম, আর ডান দিকে পূর্ব। এবার বুঝলেন তো, ঘড়ির কাঁটা কেন বাম থেকে সবসময় ডান দিকে যাচ্ছে?

মন্তব্য ৪০ টি রেটিং +১৪/-০

মন্তব্য (৪০) মন্তব্য লিখুন

১| ০৪ ঠা মে, ২০১২ দুপুর ১২:৩৫

poloy বলেছেন: ভাল লেগেছে +++

০৪ ঠা মে, ২০১২ বিকাল ৩:১৫

কাব্য রহমান বলেছেন: ধন্যবাদ ।

২| ০৪ ঠা মে, ২০১২ দুপুর ১২:৪৩

রুদ্রাক্ষী বলেছেন: Chomotkar .Post e plus.

৩| ০৪ ঠা মে, ২০১২ দুপুর ১২:৪৪

রুদ্রাক্ষী বলেছেন: Chomotkar .Post e plus.

৪| ০৪ ঠা মে, ২০১২ দুপুর ১২:৫৯

আজমান আন্দালিব বলেছেন: সহজে বুঝতে পেরেছি। ++

০৪ ঠা মে, ২০১২ বিকাল ৩:১৬

কাব্য রহমান বলেছেন: সহজে বুঝতে পারার জন্য ধন্যবাদ ।

৫| ০৪ ঠা মে, ২০১২ দুপুর ১:১৩

স্বাধীনতার বার্তা বলেছেন: আমরা তো ডান থেকে বাম দিকে পড়ি। এটাই আমার কাছে কারন মনে হত।

০৪ ঠা মে, ২০১২ বিকাল ৩:১৭

কাব্য রহমান বলেছেন: হুম।

৬| ০৪ ঠা মে, ২০১২ দুপুর ১:১৯

আপন কথা বলেছেন: আর কিছু লেখা না থাকলেও ইংরেজি বর্ণের ‘এন’ লেখা আছে, তাই না? এই ‘এন’র হলো নর্থ বুঝাতে লেখা হয়। বাংলায় যাকে বলে দক্ষিণ ।

???

০৪ ঠা মে, ২০১২ বিকাল ৪:০২

কাব্য রহমান বলেছেন: সহজ কথা্য় একটি ম্যাপের উপরের দিকে হল উওর নীচের দিকে হল দক্ষিণ বাম দিকে পশ্চিম, আর ডান দিকে পূর্ব । এবার একটা হিসেব মেলানো যাক। যে অঞ্চলে পুরোনো ঘড়িগুলো তৈরি হয়েছিল, মিশর আর ব্যবিলন- এগুলো কিন্তু একই অঞ্চলে। আর এই অঞ্চলের অবস্থানের কারণে সূর্যঘড়ির ছায়া দিনের সাথে ক্রমাগত পশ্চিম থেকে উত্তর হয়ে পূর্বদিকে সরে যেত। অর্থাৎ, দিন যতো গড়িয়ে রাতের দিকে যেত, ছায়াও ততো পশ্চিম দিক থেকে উত্তর দিক হয়ে পূর্ব দিকে যেত। সেখান থেকেই ঘড়ির কাঁটার দিকের ব্যাপারটা এসেছে। সেই অনুযায়ী-ই ঘড়ির কাঁটা পশ্চিম থেকে উত্তর ছুঁয়ে পূর্ব দিকে যায়। আশা করি বুঝতে পেরেছেন ।

৭| ০৪ ঠা মে, ২০১২ দুপুর ১:২২

স্বাধীনতার বার্তা বলেছেন: সরি, বাম থেকে ডানে।

০৪ ঠা মে, ২০১২ বিকাল ৪:০২

কাব্য রহমান বলেছেন: সহজ কথা্য় একটি ম্যাপের উপরের দিকে হল উওর নীচের দিকে হল দক্ষিণ বাম দিকে পশ্চিম, আর ডান দিকে পূর্ব । এবার একটা হিসেব মেলানো যাক। যে অঞ্চলে পুরোনো ঘড়িগুলো তৈরি হয়েছিল, মিশর আর ব্যবিলন- এগুলো কিন্তু একই অঞ্চলে। আর এই অঞ্চলের অবস্থানের কারণে সূর্যঘড়ির ছায়া দিনের সাথে ক্রমাগত পশ্চিম থেকে উত্তর হয়ে পূর্বদিকে সরে যেত। অর্থাৎ, দিন যতো গড়িয়ে রাতের দিকে যেত, ছায়াও ততো পশ্চিম দিক থেকে উত্তর দিক হয়ে পূর্ব দিকে যেত। সেখান থেকেই ঘড়ির কাঁটার দিকের ব্যাপারটা এসেছে। সেই অনুযায়ী-ই ঘড়ির কাঁটা পশ্চিম থেকে উত্তর ছুঁয়ে পূর্ব দিকে যায়। আশা করি বুঝতে পেরেছেন ।

৮| ০৪ ঠা মে, ২০১২ দুপুর ১:৩৫

দৌড়ের উপর বলেছেন: আপন কথা বলেছেন: আর কিছু লেখা না থাকলেও ইংরেজি বর্ণের ‘এন’ লেখা আছে, তাই না? এই ‘এন’র হলো নর্থ বুঝাতে লেখা হয়। বাংলায় যাকে বলে দক্ষিণ ।

???

০৪ ঠা মে, ২০১২ বিকাল ৪:০৩

কাব্য রহমান বলেছেন: সহজ কথা্য় একটি ম্যাপের উপরের দিকে হল উওর নীচের দিকে হল দক্ষিণ বাম দিকে পশ্চিম, আর ডান দিকে পূর্ব । এবার একটা হিসেব মেলানো যাক। যে অঞ্চলে পুরোনো ঘড়িগুলো তৈরি হয়েছিল, মিশর আর ব্যবিলন- এগুলো কিন্তু একই অঞ্চলে। আর এই অঞ্চলের অবস্থানের কারণে সূর্যঘড়ির ছায়া দিনের সাথে ক্রমাগত পশ্চিম থেকে উত্তর হয়ে পূর্বদিকে সরে যেত। অর্থাৎ, দিন যতো গড়িয়ে রাতের দিকে যেত, ছায়াও ততো পশ্চিম দিক থেকে উত্তর দিক হয়ে পূর্ব দিকে যেত। সেখান থেকেই ঘড়ির কাঁটার দিকের ব্যাপারটা এসেছে। সেই অনুযায়ী-ই ঘড়ির কাঁটা পশ্চিম থেকে উত্তর ছুঁয়ে পূর্ব দিকে যায়। আশা করি বুঝতে পেরেছেন ।

৯| ০৪ ঠা মে, ২০১২ দুপুর ১:৪১

ভুদাই আমি বলেছেন: বালা অইছে !!!! ধন্যে.........

০৪ ঠা মে, ২০১২ বিকাল ৩:২২

কাব্য রহমান বলেছেন: ধন্যবাদ ।

১০| ০৪ ঠা মে, ২০১২ দুপুর ১:৫০

সুজন পাল বলেছেন: ভালোই লাগলো। তবে শেষে এসে জট পেকে গেল।
নর্থ=দক্ষিন !

০৪ ঠা মে, ২০১২ বিকাল ৩:২২

কাব্য রহমান বলেছেন: সহজ কথা্য় একটি ম্যাপের উপরের দিকে হল দক্ষিণ নীচের দিকে হল উওর বাম দিকে পশ্চিম, আর ডান দিকে পূর্ব । এবার একটা হিসেব মেলানো যাক। যে অঞ্চলে পুরোনো ঘড়িগুলো তৈরি হয়েছিল, মিশর আর ব্যবিলন- এগুলো কিন্তু একই অঞ্চলে। আর এই অঞ্চলের অবস্থানের কারণে সূর্যঘড়ির ছায়া দিনের সাথে ক্রমাগত পশ্চিম থেকে উত্তর হয়ে পূর্বদিকে সরে যেত। অর্থাৎ, দিন যতো গড়িয়ে রাতের দিকে যেত, ছায়াও ততো পশ্চিম দিক থেকে উত্তর দিক হয়ে পূর্ব দিকে যেত। সেখান থেকেই ঘড়ির কাঁটার দিকের ব্যাপারটা এসেছে। সেই অনুযায়ী-ই ঘড়ির কাঁটা পশ্চিম থেকে উত্তর ছুঁয়ে পূর্ব দিকে যায়। আশা করি বুঝতে পেরেছেন ।

১১| ০৪ ঠা মে, ২০১২ দুপুর ১:৫০

সুজন পাল বলেছেন: ভালোই লাগলো। তবে শেষে এসে জট পেকে গেল।
নর্থ=দক্ষিন !

১২| ০৪ ঠা মে, ২০১২ দুপুর ১:৫৪

~মাইনাচ~ বলেছেন: ভালো লাগল পোষ্টটা

০৪ ঠা মে, ২০১২ বিকাল ৩:২৩

কাব্য রহমান বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।

১৩| ০৪ ঠা মে, ২০১২ দুপুর ২:০০

এস বাসার বলেছেন: গুড পোস্ট। পেলাস।

০৪ ঠা মে, ২০১২ বিকাল ৩:২৫

কাব্য রহমান বলেছেন: ধন্যবাদ ।

১৪| ০৪ ঠা মে, ২০১২ দুপুর ২:০০

বড় বিলাই বলেছেন: উত্তর-দক্ষিণটা ঠিক করে দিলে চমৎকার একটা পোস্ট হবে এটা।

০৪ ঠা মে, ২০১২ বিকাল ৩:২৩

কাব্য রহমান বলেছেন: ঠিক করে দিয়েছি।

১৫| ০৪ ঠা মে, ২০১২ দুপুর ২:২৪

তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: ++++++++

০৪ ঠা মে, ২০১২ বিকাল ৩:২৩

কাব্য রহমান বলেছেন: ধন্যবাদ ।

১৬| ০৪ ঠা মে, ২০১২ দুপুর ২:৫৮

আমি তানভীর বলেছেন: +++

১৭| ০৪ ঠা মে, ২০১২ দুপুর ২:৫৯

আমি তানভীর বলেছেন: +++

০৪ ঠা মে, ২০১২ বিকাল ৩:২৩

কাব্য রহমান বলেছেন: ধন্যবাদ ।

১৮| ০৪ ঠা মে, ২০১২ বিকাল ৩:২৭

আপন কথা বলেছেন: আপন কথা বলেছেন: আর কিছু লেখা না থাকলেও ইংরেজি বর্ণের ‘এন’ লেখা আছে, তাই না? এই ‘এন’র হলো নর্থ বুঝাতে লেখা হয়। বাংলায় যাকে বলে দক্ষিণ ।

???
০৪ ঠা মে, ২০১২ বিকাল ৩:২১

লেখক বলেছেন: সহজ কথা্য় একটি ম্যাপের উপরের দিকে হল দক্ষিণ নীচের দিকে হল উওর বাম দিকে পশ্চিম, আর ডান দিকে পূর্ব ।



আপনি মনে হয় আমার কথা বুঝতে পারেন নি। ম্যাপের উপরের দিক পৃথিবীর সবজায়গাতেই উত্তর দিক, আর আপনি বলতেছেন দক্ষিন।

আর নর্থ এর বাংলা কি উত্তর না দক্ষিন তা জানার জন্য একটি বাচ্চাকে জিজ্ঞেস করুন।

০৪ ঠা মে, ২০১২ বিকাল ৪:০৭

কাব্য রহমান বলেছেন: ভাই লিখব উত্তর লিখে ফেলেছি দক্ষিণ । ভুল করে ফেলেছি তার জন্য দুঃখিত।

১৯| ০৪ ঠা মে, ২০১২ বিকাল ৪:১৬

রাতুল_শাহ বলেছেন: অসাধারণ পোষ্ট। ছোট ভাই-বোনদের জন্য প্রিয়তে নিয়ে নিলাম। আর একটু পরে প্রিন্ট করে নিব।

০৪ ঠা মে, ২০১২ বিকাল ৪:৩৪

কাব্য রহমান বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে ভা্ল লাগার জন্য।

২০| ০৪ ঠা মে, ২০১২ বিকাল ৪:২১

এস এম শাখওয়াত আহমেদ বলেছেন: +++++++

২১| ০৪ ঠা মে, ২০১২ বিকাল ৪:৩৫

আলফা-কণা বলেছেন: mechanical ghorir kotha bolte aprbo na, but, jesob ghorite magnet thake,,,,sai sob ghorir bapar ta different....magnetic force line er (choubok bolorekha) directioner karone ghorir kata left to right move kore,,,ar, numbering line er baprata tu achey , i emant,,numbering line a left a minus middle a zero ar right a infitie ++, so somoy jehetu back a jay na,,,atar ekta direction so, ata only positive dike e jabe,,,ay jonno e internal idea ta amon j kata left to right jeta magnetic rule follow kore....ami gani lok na bhy jan,,,,,samannno paknami korlam,,,,

২২| ০৪ ঠা মে, ২০১২ বিকাল ৪:৩৮

জ্যোস্নার ফুল বলেছেন: পোষ্ট ভাল হয়েছে। যদিও উত্তর দক্ষিন নিয়ে একটা ক্যাচাল ছিল, আসলে যে ভুলটা ধরেছে সে আরো সহজ ভাবে ভুলটা ধরিয়ে দিতে পারত।

০৪ ঠা মে, ২০১২ বিকাল ৪:৪৭

কাব্য রহমান বলেছেন: ধন্যবাদ, সহজে বিষয়টা বুঝার জন্য।

২৩| ০৪ ঠা মে, ২০১২ রাত ১১:০৩

দা লর্ড বলেছেন: জানলাম। ভালো লাগলো।

২৪| ০৫ ই মে, ২০১২ রাত ২:১৫

আলফা-কণা বলেছেন: josnar ful, amake bollen niki bhy.....

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.