| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
কাকপাখি ২
এইটা খুবই আশ্চর্যের বিষয় যে লোকেরা সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্বের ব্যাপারে সন্দিহান অথচ নিজেদের অস্তিত্ব তাদের কাছে আশ্চর্যের বিষয় মনে হয় না।
(নাস্তৈক মামারা এক বালতি ঠান্ডা পানি সংগে লইয়া বসেন, গাত্রদাহ নিবারনের জইন্য উহার প্রয়োজন হইতে পারে)
কিরুপে আমার এত্ত বড় সাহস হইল? ছোট মুখে এত বড় কথা আমি কিরুপে দাবি করিতেছি যে, প্রাচীন কালের মুর্তি পুজার সহিত এখনকার বৈজ্ঞান পুজা তুলনীয়?
মস্তক কিন্চিত শীতল করিয়া বাকি লিখাটুকু পড়ুন, মুর্তিপুজার সহিত বৈজ্ঞান পুজার মিলটা কোথায় তাহা সহজেই বুঝিতে পারিবেন বলিয়া আশা করি। অবশ্য আপনি নাস্তৈক মামা হইলে তালগাছের দাবি কিছুতেই ছাড়িতে চাহিবেন না (ইহাই স্বাভাবিক)।
===========================================
মুর্তিপুজা বলিতে কি বুঝায়?
মুর্তিপুজা হইতেছে নিজের মনমত কোন কিছুর উপাসনা করা। এই "কোনকিছুটা" হইতে পারে একখানা পুতুল অথবা বৃহৎ কোন বৃক্ষ অথবা কোন পশু অথবা অন্য কোন ধরনের বস্তু বা প্রকৃয়া (যেমন অগ্নিপুজকরা অগ্নি উপাসনা করে)।
মনুষ্য প্রজাতির ধুর্ত সামাজপতি ও সামন্তপ্রভুরা মুর্তিপুজার আড়ালে সবসময় নিজের খাহেশ মত জিন্দেগি যাপন করিয়াছে। প্রাচীন কালে ইহারা পুরোহিতগনের সাহায্য নিয়া নরবলি/সতীদাহ ইত্যাদির মাধ্যমে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করা পুর্বক গরীব জনগনের উপর শোষন ও অত্যাচারের স্টীমরোলার চালাইতো। এমনকি বর্তমানেও পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে এই প্রাচীন রোগের প্রাদুর্ভাব বেশ লক্ষ করার মত।
মুর্তিপুজার "মুর্তি" হইল কিছুসংখ্যক ধুর্ত লোকের আপন খাহেশ মোতাবেক যাহা ইচ্ছা তাহাই করিবার এক প্রকার আড়াল বিশেষ। মুর্তিপুজার মূলে রহিয়াছে প্রবৃত্তি পুজা
এক্ষনে আসেন বৈজ্ঞান পুজার স্বরুপ আলোচনা করি। (এইখানে একখান কথা অগ্রিম কইয়া রাখি, মুর্তিপুজার জন্য যেমন মুর্তি নিজে দায়ী নহে একই ভাবে বৈজ্ঞান পুজার জন্যও বৈজ্ঞান নিজে দায়ী নহে---বরং মনুষ্য প্রজাতির অসৎ প্রবৃত্তি-পুজার মনোভাবই এইক্ষেত্রে দায়ী)
বৈজ্ঞান পুজার যে "কৌশলি ধর্ম" উহার নাম "নাস্তৈক্যবাদ"। নাস্তৈক্যবাদিগন সীমাবদ্ধ বৈজ্ঞানের দোহাই দিয়া সৃষ্টকর্তার অস্তিত্ব অস্বিকার করতঃ যেমন ইচ্ছা তেমন করিয়া আপন খাহেশ মোতাবেক জিন্দেগি যাপন করিতে সচেষ্ট থাকে। মনুষ্য সমাজের উত্তম রীতিনীতিকে (কৌশলি মিথ্যা মিশ্রিত) বৈজ্ঞানের দোহাই দিয়া হেয় প্রতিপন্ন করা ইহাদের নিত্যদিনকার খেল। এই খেলের মাধ্যমে ইহারা নিজেদের কৃত অন্যায় সমূহকে যায়েজ করিবার প্রয়াস পায়। যাহার ফলে মন্দ কাজ করিয়াও সমাজে ভদ্দরনোক আখ্যা পাওয়ার পাশাপাশি প্রগতিশীল/সুশীল হিসাবে বিখ্যাত হওয়ার পথ সুগম থাকে।
বৈজ্ঞান পুজা ও মুর্তি পুজা উভয়ের মূলে রহিয়াছে "প্রবৃত্তি পুজা"।
এইখানে একটি প্রশ্ন আসিতে পারে যে ধুর্ততা এবং মুর্খতার পার্থক্য কোথায়? ধুর্ত কথাটার মধ্যে তো একধরনের বুদ্ধিবৃত্তিক আঁচ আছে। প্রিয় পাঠক, ধুর্ত মাত্রই মুর্খ, ধুর্তরা ক্ষনিকের পার্থিব সূখ লাভ করিবার জন্য পরকালের কঠিন শাস্তির ভয় উপেক্ষা পূর্বক নিজের এবং জনগনের হক নষ্ট করিয়া বুদ্ধির আত্মপ্রসাদ পাইলেও প্রকৃতপক্ষে উহারা মুর্খদের তালিকায় শির্ষে অবস্থান করে। শেষ বিচারের দিন উহা বুঝে আসিবে।
(কিন্চিত সম্পাদিত)
২|
২৭ শে মার্চ, ২০১২ সকাল ৮:৩০
সংবাদিকা বলেছেন: আমি একটা শহুরে লিজেন্ড শুনছিলাম, সত্য কিনা জানিনা তাই নাম উল্লেখ করছিনা..... এক সোভিয়েত কসমোনাট মহাশূন্যে থেকে পৃথিবীতে ফিরে এসে বলেছিলেন তিনি ঈশ্বরকে দেখেননি........
তার ধারনাও ছিলনা ব্রক্ষান্ড কত বড় ![]()
২৭ শে মার্চ, ২০১২ সকাল ৮:৩৬
কাকপাখি ২ বলেছেন: বাস্তবতার ঐ অংশ যাহা মানুষের ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য নহে তাহা "নাই" বলিয়া নাস্তৈক মামাদের নর্তন কুর্দন প্রকৃত পক্ষে এক প্রকারের মূর্খতা, যাহা মামাদের আত্মগরীমা এবং সুবিধাবাদ হইতে উৎসারিত।
৩|
২৭ শে মার্চ, ২০১২ সকাল ৮:৫৭
ব্লগার ইমরান বলেছেন: এখনি পড়লাম না, ব্যাস্ত তবে শো-কেইসড । আমার ভয় লাগে , আপনারে না আবার ব্যান করে দেয়। আচ্ছি যদি দেয়, তবে আপনাকে আর কোথাও পাবো। নিজস্ব কোনো ব্লগ আছে ?
২৭ শে মার্চ, ২০১২ সকাল ৯:৫০
কাকপাখি ২ বলেছেন: ফেসবুক একাউন্ট আছে,
http://www.facebook.com/kakapakhi.kakapakhi
৪|
২৭ শে মার্চ, ২০১২ সকাল ৮:৫৯
নিমপাতা১২ বলেছেন: নাস্কিকতা একটি ধর্ম, যাদের মূল মন্ত্র হল , হাতের কাছে যা পাও লুটে নাও, পৃথিবীটা হল ভোগ বিলাশের স্থান, মুখে এদের আর্দশের বুলি ছুটলেও বাস্তাবে এদের কোন নিয়ম, নীতি নেই, আমার দেখা নাস্তিকেরা বিভিন্ন যৌন রোগে আক্রান্ত, এদের মাথার ভিতর সব সময় থাকে মদ্ ও নারী। , পারিবারিক কলহের কারণে জীবনে এদের কোন শান্তি নাই ।
৫|
২৭ শে মার্চ, ২০১২ সকাল ৯:১৪
মাসুম বাবু বলেছেন: samu blogei horek projatir bokchoder dekha mele.
২৭ শে মার্চ, ২০১২ সকাল ৯:৫৫
কাকপাখি ২ বলেছেন: জ্বি, ব্লগে থাকেন, আরো অনেক বোকচোদের দেখা পাইবেন।
৬|
২৭ শে মার্চ, ২০১২ সকাল ৯:৫৪
শুধু প্যচাল বলেছেন:
"মুর্তিপুজা হইতেছে নিজের মনমত কোন কিছুর উপাসনা করা-"
আচ্ছা বলেনত ভাই - যখন মুসলিমরা নামাজ পড়ে, সামনে আল্লাহকে রেখে তখন কি ভাবে? আমার জানার সখ। খোটা মারার জন্য বলছিনা। তারাওত কল্পনাই করে সামনে আল্লাহ আছে - তাহলে নিশ্চয়ই একটা আকার দান করে- যে দাড়িয়ে আছে, না হয় বসে আছে- কিছু একটা, মানে একটা আকার নিয়ে আসে ঠিকি? নাকি ভাবে সামনে বাতাসের মত ... কেউ বলেছিলেন তিনি শক্তি তাই শক্তির আকার হয় না। তাহলে সামনে কোন শক্তি দাড় করিয়ে নামাজ পড়ছে? তাহলে সেই শক্তির আকার আছে অবশ্যই। নয়ত নামাজের শুরুতে বলে কেন আল্লাকে সামনে রেখে নামাজে দাড়ালাম....। তাইলে কি মুসলমানরাও মন মত একটা আকার কল্পনা করল না?
আপনার কি মত?
২৭ শে মার্চ, ২০১২ সকাল ১০:০৪
কাকপাখি ২ বলেছেন: আরেএএএ প্যচাল ভাই যে, অনেকদিন পরে ব্লগে দেখলাম আপনেরে। ক্যামন আছেন আপনে? দিনকাল ভালা যাইতেছে?
নামাজে ধ্যানের ব্যাপারে একটা হাদিস আছে, কম বেশি হইলে আল্লাহ মাফ করেন, আমার যতদূর মনে পড়ে হাদিসটা এইরকম: রসুল (সঃ) বলছেন, "আল্লাহতায়ালার ইবাদত এমনভাবে কর যেমন কিনা তুমি তাঁকে দেখতে পাচ্ছ, আর যদি সেইটা সম্ভব না হয় তাহলে অন্তত এতটুকু ধ্যান কর যে আল্লাহতায়ালা তোমাকে দেখতেছেন"
৭|
২৭ শে মার্চ, ২০১২ সকাল ১০:২২
সত্যচারী বলেছেন: নাস্তিকতাকে ঠিক বিজ্ঞান পূজা বললে ভূল হবে, নাস্তিকতা বিজ্ঞান এবং দর্শন এই দুইয়ের সমন্বয়। যেখানে বিজ্ঞান নেই সেখানে দর্শন, আর যেখানে দর্শন নেই সেখানে বিজ্ঞান।
পিঠের উপর একটা ছালার বস্তা থাকলেই হয়, মাইর ঠেকানো যায়।
এই পোষ্টে আপনি আস্তিকের পক্ষ নিলেন, নাকি মুসলিমদের?
২৭ শে মার্চ, ২০১২ সকাল ১০:৪১
কাকপাখি ২ বলেছেন: নাস্তিকতা আসলে বিজ্ঞান পূজা না, নাস্তিকতা হচ্ছে প্রবৃত্তি পূজার একটা প্রকারভেদ।
এই পোষ্টে আমি বিপক্ষ নিছি, "নাস্তিক মামাদের বিপক্ষ"। আর নিজে যেহেতু মুসলমান দাবি করি (অতি পাপিষ্ঠ নিকৃষ্ট টাইপ মুসলমান হইলেও) কাজেই বাই ডিফল্ট মুসলমানদের পক্ষে আছি।
৮|
২৭ শে মার্চ, ২০১২ সকাল ১০:৪৭
জাওয়াদ তাহমিদ বলেছেন: সত্যচারীকে বলছি,
সকল মুসলিম ই আস্তিক, কিন্তু সকল আস্তিক ই মুসলিম নয়।
প্যাচাল কে বলছি,
অবশ্যই আল্লাহ নিরাকার। আমরা তাঁকে দেখতে পাবনা। কিন্তু তাই বলে তিনি যে নাই তা তো না। তাঁর সৃষ্টি ই তাঁর পরিচয় বহন করে।
আর নামাযের সময় আপনি যে ভাবে মুখমুখি দাঁড়ানর কথা বলছেন, সেটাও তো বস্তু বাদী চিন্তাই হয়ে গেল। তাইনা? এখানে মুখোমুখি মানে হচ্ছে তাঁর সাথে আমি বিশেষ ভাবে সাক্ষাত করছি। এ জন্য আল্লাহ কে ঠিক মুখের সামনে রেখে ত আকার কল্পনা করার প্রয়োজন পড়েনা। আর তিনি সর্বত্র বিরাজমান। ধরেন, আপনি ঘরে বসে আছেন। আপনার চারদিক উজ্জ্বল আলো। বিজ্ঞান বলে আপনি কিন্তু আলো দেখতে পান না। এটা যা থেকে প্রতিফলিত হয় তা দেখতে পান। এখন আপনার যদি আল্লাহর সব সৃষ্টিকেই দেখার ক্ষমতা না থাকে, তবে আপনি সাধারন চোখে আল্লাহকে দেখার আশা করেন কিভাবে?
৯|
২৭ শে মার্চ, ২০১২ সকাল ১১:১০
এস. এম. রায়হান বলেছেন: যৌক্তিক দৃষ্টিকোণ থেকে পোস্টের সাথে সহমত।
১০|
২৭ শে মার্চ, ২০১২ সকাল ১১:২১
চলতি নিয়ম বলেছেন: হাতি যেমন খায় তেমন হাগে আর কাকপাখি যাহা খায় তাহাই হাগে।।
পোষ্ট রিপোর্টেড।।
২৭ শে মার্চ, ২০১২ সকাল ১১:৪৭
কাকপাখি ২ বলেছেন: এইডা আপনে একটা কাম করলেন মামা ? অখন মডু যদি আমারে ব্যান কইরা দ্যায় ![]()
১১|
২৭ শে মার্চ, ২০১২ বিকাল ৩:২৭
সিলেটি জামান বলেছেন: অবশ্য আপনি নাস্তৈক মামা হইলে তালগাছের দাবি কিছুতেই ছাড়িতে চাহিবেন না (ইহাই স্বাভাবিক)।[/sb ---হাছা কথা। নাস্তিকদের বুদ্ধি থাকে হাটুতে।
পোষ্টে প্লাস ।
১২|
২৭ শে মার্চ, ২০১২ বিকাল ৪:৩৫
ব্লগার ইমরান বলেছেন: পোস্ট রিপোর্ট করছে। ছ্যাহ ! রিপোর্ট করার আর পোট পায়না।
এসব ফাযিল গুলার লাইগাই সামুর অবস্থান দিন কে দিন নিচে নামতাছে। অহন আছে ৪-এ এগো লাইগা আরো নামবো ।
১৩|
২৭ শে মার্চ, ২০১২ বিকাল ৫:০৭
শিকদার বলেছেন: মামা, আছসালামু আলাইকুম। নাস্তিক সব গেল কই
বিজ্ঞান নামের অজ্ঞানদের কতা আর কি কমু। সব তো আপনিই কইয়া দিলেন।
জাজাকাল্লাহ্ খায়ের।
১৪|
২৭ শে মার্চ, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:২৬
ডাইস বলেছেন: শিরোনাম এ মাইনাস (-)
১৫|
২৮ শে মার্চ, ২০১২ রাত ১:২৯
শুধু প্যচাল বলেছেন: @ জাওয়াদ তাহমিদ:
"অবশ্যই আল্লাহ নিরাকার। আমরা তাঁকে দেখতে পাবনা।।"- আপনার এই কথার সাথে লেখক ভাইজানের প্রথম হাদিস এর কি কোন রুপ দ্বন্দ খুজে পাচ্ছেন না?
"আল্লাহতায়ালার ইবাদত এমনভাবে কর যেমন কিনা তুমি তাঁকে দেখতে পাচ্ছ, আর যদি সেইটা সম্ভব না হয় তাহলে অন্তত এতটুকু ধ্যান কর যে আল্লাহতায়ালা তোমাকে দেখতেছেন"
প্রথম হাদিস খানা হইল তাকে দেখে ইবাদত কর। অতঃপর না পারলে ভাব সে দেখছেন। অর্থাৎ তাকে দেখা যেতে পারে।
আচ্ছা এই হাদিসের শানে নজুল ছিল এই রুপ - একদা নবী (সা) প্রথমে এই হাদিস খানা বলেছিলেন যে তোমরা আল্লাহর ইবাদত কর তাকে সামনে রেখে।
ঠিক সেই সময় এক সাহাবা উঠে দাঁড়িয়ে প্রশ্ন করেছিল- ইয়া রসুলাল্লাহ (সা) , আমরা যারা আল্লাহকে দেখতে পাইনা তারা কি করব? তখন নবী (সা) বলেছিলেন তোমরা ভাব যে তিনি তোমাদের দেখছেন।
মুলত হাদিস খানা ছিল আল্লাহকে দেখে নামাজ পড়ার। কিন্তু যেহেতু সবাই পারবেনা, তাই তখন দ্বিতীয় হাদিসের প্রত্যাবর্তন। কিন্তু কপাল আমাগো খারাপ প্রথম হাদিস আর কেউ পাত্তাই দেয়না, হাতেও গুনে না, ঐ হাদিস খালা প্রায় বিলুপ্ত, ঐ হাদিসের ব্যাখ্যা পরিবর্তন হয়ে গেছে, আর দ্বিতীয় হাদিস নিয়ে আমরা ফালাফালি করি।
যেমন আপনেও বলে ফেললেন আল্লাহকে আমরা দেখতে পাব না। আপনে শিওর হয়ে হাযার ব্যাখ্যা পড়ে এই কথাটা বলেছেন। আর আপনে নামাজ পড়ার সময় কি ভাবেন? আল্লাহ সর্বশক্তি মান, তিনি দয়ালু----- তাকে সামনে রেখেই ত নামাজ শুরু করছেন । তাইনা? আমার জানা মতে আল্লাহকে একটা দিকে নির্দিষ্ট করে নামাজ পড়া হচ্ছে। তাইনা?
আপনে কি ভাবছেন না, বা ভাবেন না আল্লাহ আপনার সামনে? চারিপাশে খুব কমই ভাবেন নামাজের সময় আমার মনে হয়। তাহলে এই সামনে দাঁড়িয়ে আছেন, বা যাই হোক সেটা কিভাবে নিচ্ছেন আপনে? আচ্ছা ধরুন আপনে আল্লাহকে স্মরণ করছেন, নিশ্চয়ই স্মরণ করিতে অবশ্যই দৃশ্য হতে হয়। তাই নয় কি? আপনে যা দেখছেন তাই স্মরণ করিতে পারিবেন। তাই না? তাহলে তা কিভাবে? বুঝলাম আলো দেখা যায়না.। আমার কথা বস্তু রাশির সাথে না। হাদিসে বলা হচ্ছে আল্লাহকে দেখা যায়, এমনকি কোরানেও আমরা পাই আল্লাহকে দেখা যায়- তার কথা শুনা যায়, তিনি আমাদের কথা শুনেন- যেমন আল্লাহ বলছেন বান্দা আমি তোমাদের সাহা রগেরও নিকটে আছি তোমরা কি দেখতে পাও না? তাহলে আপনে কিভাবে বললেন আল্লাহকে আমরা দেখতে পাব না।
আমি বলছিনা আমি দেখেছি- আপনারা এত ভাবেন , ধর্ম নিয়ে কিছু হলেই একটা ব্যাখ্যা দেন, আলেম মানুষ আপনারা- তাই এর ব্যাখ্যা যদি পেতাম। ইহা আমার জানার ইচ্ছা।
এখন যদি বলেন ইহা সবই জাল হাদিস, ব্যাখ্যা। তাইলে ----।। থাক।
তো ভাল থাকবেন।
২৮ শে মার্চ, ২০১২ বিকাল ৩:২৭
কাকপাখি ২ বলেছেন: হুম, ভাল জবাব দিছেন প্যচাল ভাই। এইরকম জবাব আপনে দিবেন সেইটা আশা করি নাই। জবাব পইড়া ভাল লাগল। আসলে নাস্তৈক মামারা দুর্গন্ধ যুক্ত গালাগালি না কইরা আপনার মত কথা কইলে অনেক ভাল হইত।
এইখানে দুইটা কথা ক্লারিফাই করি, প্যচাল ভাই ভবিষ্যতে এই বিষয়ে চিন্তা করতে গেলে কথা গুলি কামে দিব।
১। "আল্লাহতায়ালার ইবাদত এমনভাবে কর যেমন কিনা তুমি তাঁকে দেখতে পাচ্ছ" -- এই কথার সরাসরি মানে "আল্লাহ কে দেখে এবাদত কর" হবে কি না, সেইটা নিয়া আমার মনে হয় ডিকশনারি মিনিং টানাটানি করার কিছু নাই। এবং এই কথার মন গড়া ব্যাখ্যা কইরা যদি কেউ মূর্তিপূজার মত অভিশপ্ত বিষয়কে জায়েজ বলার চেষ্টা করে সেইটা অত্যন্ত হাস্যকর হবে।
২। "আমার জানা মতে আল্লাহকে একটা দিকে নির্দিষ্ট করে নামাজ পড়া হচ্ছে", আপনের এই কথার জবাবে নীচের লিখাগুলি দেখতে পারেন:
Surah Al Baqarah (2:115) – Allah is in all directions
And Allah's is the East and the West, therefore, whither you turn, thither is Allah's purpose; surely Allah is Ample giving, Knowing
M Shakir's Quran Translation
To Allah belong the east and the West: Whithersoever ye turn, there is the presence of Allah. For Allah is all-Pervading, all-Knowing.
Yusuf Ali's Quran Translation
The context of the Ayat
This Ayat is referring to the change of 'Qiblah'(direction). Previously Muslims used to face the Bait ul Muqaddas as their 'Qiblah', but now Muslims are being prepared for a change in their 'Qiblah'. At the same time Muslims are being told that 'Qiblah' is nothing more than a direction. You are not worshipping the 'Qibla' but you are worshipping your lord who needs no direction. It is for your unity that these directions are prescribed. There is a Hadith in Jami' Tirmidhi which informs us of the context of this Ayat.
Sayyidna Abdullah ibn Aamir ibn Rabi'ah reported from his father that he said, "We were travelling with the Prophet (SAW) on a dark night and did not know the direction of the qiblah. So everyone prayed in the direction opposite him. In the morning, we mentioned that to the Prophet (SAW) and the verse was revealed (so where so ever you turn, there is Allah's countenance).
(Jami' Tirmidhi Hadith 345, Sunan Ibn e Majah 1020)
১৬|
২৯ শে মার্চ, ২০১২ রাত ১:০৯
শুধু প্যচাল বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে লেখক সাহেব। আপনে যেভাবে বাংলার অর্থ করে ব্যাখ্যা করিলেন তাতে আপনে সঠিক। আমি মানি। তবে কথা হল হাদিস খানা কি এরুপ ছিল কিনা সেই নিয়ে একটূ দ্বন্দ। অর্থাৎ আল্লাহতায়ালার ইবাদত এমনভাবে কর যেমন কিনা তুমি তাঁকে দেখতে পাচ্ছ" এই যেমন কিনা কি তিনি বলেছিলেন কিনা তাই একটু সন্দেহ আছে। যাইহোক বাদ দিলাম।
আপনে যেই কোরানের অর্থ দিলেন- সুরা বাকারা ১১৫ নং আয়াত। ঐ খানে আমি ১০০% ভাগ নিশ্চত আল্লাহর চেহারা খোজার কথা বলা হয়েছে।
" এবং উদয় অন্ত আল্লাহর জন্য। তারপর যে দিকেই মুখ ফিরাও উদ্ধার কর আল্লাহর চেহারা" উক্ত আয়াতে একটি আরবি শব্দ ওয়াজ হু আল্লাহ- অর্থাৎ আল্লাহর চেহারা । যাইহোক আল্লাহকে দেখা যায় এই কথাটা কোরান হাদিসে বহু জায়গায়, অসংখ্য জায়গায় পরোক্ষ, প্রত্যক্ষ ভাবে দেখা গেছে। তার কথা শুনার কথা বলা হচ্ছে, তার সাথে কথা বলার জন্য বলা হচ্ছে, এমনকি তার কাছ থেকে অনুমুতি চাইতেও বলা হচ্ছে, আবার ধরুন ইসলামের মূল যেই ঈমান আল্লাহর প্রতি সেই ঈমান না দেখে হয় কিভাবে?
অনেকেই বলেন ঈমান আনতে হবে না দেখে। না দেখে, তার কথা তার কাছ থেকে না শুনে শক্ত বিশ্বাস কোন মানুষ করতে পারে? আপনে কি পারবেন আমার উপর অঘাত বিশ্বাস আনতে? (ইহা উদাহরন)
ভাবুনত আপনে কি পারবেন ঈমান আনতে অর্থাৎ বিশ্বাস স্থাপন করিতে কারও উপর যাকে কখনও দেখেন নি, জানেন নি, শুনা কথায় কারও উপর বিশ্বাস আনতে? এই বিশ্বাস হয় ঠুনক। এই প্রেমের বিশ্বাসে জান দেয়া খুবই সহজ কি প্রেম দিয়া হয় খুবই কঠিন। তাইলে কোথাকার সেই মুসলিম হইল কন?
কোরান হাদিস বহু দূরে, আগে সামান্য মানবিক এই যুক্তিগুলো, প্রশ্নের উত্তর যদি না মিলে কোরান হাদিসের ঐ বই ঘাইটে কি লাভ কন?
যাইহোক প্রশ্ন ছিল করলাম। আপনারা আলেম মানুষ। যারে তারে, যেকোন ধর্ম, নাস্তিকদের অনেকনীচু দেখাতে পারেন, আল্লাহর কোরান হাদিসের যুক্তি দিয়ে। কাফের কইতে পারেন। আপনারা বিদ্যান তাই। যাইহোক ভালা থাকবেন।
©somewhere in net ltd.
১|
২৭ শে মার্চ, ২০১২ সকাল ৮:২৬
কাকপাখি ২ বলেছেন: সনাতন ধর্মালম্বিদের বিরুদ্ধে ইহা লিখা হয় নাই, নাস্তৈক মামাদেরকে ক্রিটিসাইজ করিয়া লিখা হইয়াছে। তাছাড়া আমার জানা মতে মুর্তিপূজা সনাতন ধর্মগ্রন্থ বেদ এর কোন বিষয় নহে, সম্ভবত উহা ইসলাম ধর্মের প্রচলিত কবর পূজা টাইপের বেদায়াত ধরনের কিছু যাহা বহু বৎসর পূর্ব হইতে চলিয়া আসিতেছে।