নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

কলাবাগান১

বাংলাদেশ হোক রাজাকার মুক্ত

কলাবাগান১ › বিস্তারিত পোস্টঃ

বিলুপ্ত প্রানীকে আবার ফিরিয়ে আনা

০৬ ই জুলাই, ২০১৫ সকাল ১০:৪৮

বিশ্ব জুড়ে সাইন্টিফিক ওয়ার্ল্ডে হই চই পড়ে গিয়েছে এই সপ্তাহে বিখ্যাত জার্নাল সাইন্সে প্রকাশিত একটা নিবন্ধের জন্য। যেখানে de extinction- resurrect creatures just as they were;নিয়ে প্রবন্ধ ছাপা হয়েছে।


আমাদের মিডিয়া ব্যস্ত ধর্ম নিয়ে.. কার কথায় ধর্ম ধ্বংস হয়ে গেল তা নিয়ে উন্মাদনায় আর বিশ্ব এগিয়ে যাচ্ছে জ্ঞান-বিজ্ঞানে। পাশের দেশ ইন্ডিয়ার মিডিয়া এই খবরটাকে যেভাবে লুফে নিয়েছে, দেখে বুঝতেছে তারা কেন শিক্ষা-দীক্ষায় এভাবে এগিয়ে যাচ্ছে। হাফ ডিম খেয়েও মংগল গ্রহে রকেট পাঠিয়েছে।

যাহোক, বিজ্ঞানীরা ১০,০০০ হাজার বছর আগে বিলুপ্ত প্রানী উইলি ম্যামথ (ছবি) যেটা আমাদের হাতীর ক্লোজেস্ট কাজিন - তার জেনেটিক মেইকআপ (জিনোম সিকোয়েন্স) টাকে প্রকাশ করেছেন। তার জেনেটিক মেইকআপ হাতীর জেনেটিক মেইকআপ সাথে তুলনা করে ১৪ লক্ষ পজিশনে ডিএনএ সিকোয়েন্সে চেন্জ দেখতে পেয়েছেন। তার মধ্যে ম্যামথের একটা জীন- TRPV3 কে ল্যাবে সিনথিসাইজ করে দেখিয়েছেন যে এই জীনের জন্য ই ম্যামথ এত ঠান্ডার মাঝেও সাচ্ছন্দে থাকত পারত।
"The researchers also focused on the gene group responsible in temperature sensitivity, which also played roles in hair growth and fat storage. One version of these genes—TRPV3—was “resurrected” using ancestral sequence reconstruction techniques. The protein produced by this mammoth gene is less responsive to heat compared to the elephant gene."

বিজ্ঞানীরা অনেক দুর এগিয়ে গিয়েছেন ম্যামথ কে আবার ফিরিয়ে আনতে। (এই লিস্টে আরো অনেক বিলুপ্ত প্রানী আছে)। আইডিয়াটা হল, হাতীর জেনোম সিকেয়েন্স এর এই ১৪ লক্ষ পজিশনে ম্যামথের ডিএনএ সিকোয়েন্স প্রতিস্হাপন করা (সহজেই করা সম্ভব)। তারপর হাতীর কিছু স্কিন কোষকে এমব্রায়োনিক কোষে পরিনিত করা। তার পর সেই এমব্রয়োনিক কোষের ডিএনএ বের করে ম্যামথের ডিএনএ ঢুকানো। তার পর সেই এমব্রায়োনিক কোষকে হাতীর ওভারীতে প্রতিস্হাপন করে বাচ্চা ম্যামথ প্রসব করানো।

এই নতুন 'ম্যামথ' তার ১০,০০০ বছর আগেকার আবহাওয়া (আইস এজ) পাবে না, তাই বিজ্ঞানীরা কিছুটা সন্দিহান এই নতুন ম্যামথ কিভাবে বর্তমানের আবহাওয়ার সাথে খাপ খাওয়াবে।


কিন্তু আমি এক্সাইটেড এই টেকনলজির পোটেনশিয়াল দেখে। সম্প্রতি মানুষের ইমেডিয়েট আগের আদি মানুষ- নিয়েন্ডারথালের জিনোম ও সিকোয়েন্স করা হয়েছে...... বুঝতেই পারছেন কি বলতে চাচ্ছি।

Details are here

মন্তব্য ৪৭ টি রেটিং +৬/-০

মন্তব্য (৪৭) মন্তব্য লিখুন

১| ০৬ ই জুলাই, ২০১৫ সকাল ১০:৫৯

রাতুলবিডি৫ বলেছেন: মানুষের ইমেডিয়েট আগের আদি মানুষ- নিয়েন্ডারথাল - ঠিক না জনাব - মানুষ আর নিয়েন্ডারথাল এর এনসেসটর কমন ।
বিজঞানীরা মানুষের এনসেসটরের কোন ফসিল/জিন কিছুই এখনও পান নি ।

০৬ ই জুলাই, ২০১৫ সকাল ১১:১০

কলাবাগান১ বলেছেন: ইউরোপের মানুষের জিনোমেএর প্রায় ৫% ডিএনএ নিয়েন্ডারথাল এর ..... তার মানে কোন এক সময় মানুষ আর নিয়েন্ডারথাল একসাথে ছিল আর তাদের মাঝে মেটিং ও হয়েছিল।

যারা চাদে সাঈদী কে দেখে তারা ই শুধু বলবে যে আদি মানুষের কোন ফসিল পাওয়া যায় নাই (এনসেসটর নাই বা হল)... আদি মানুষ যদি রিক্রিয়েট করা হয়!!!!!!!

হোমিনিন ঃসিলের লিস্ট এখানে পাবেন
https://en.wikipedia.org/wiki/List_of_human_evolution_fossils

২| ০৬ ই জুলাই, ২০১৫ সকাল ১১:০৭

রাতুলবিডি৫ বলেছেন: Comparison of the DNA of Neanderthals and Homo sapiens suggests that they diverged from a common ancestor between 350,000 and 400,000 years ago.

https://en.wikipedia.org/wiki/Neanderthal -< Origin

০৬ ই জুলাই, ২০১৫ সকাল ১১:২০

কলাবাগান১ বলেছেন: এনসেসটর রিক্রিয়েট না করে নিয়েন্ডারথালকে রিক্রিয়েট করলেও তো নেচারাল ব্যালান্স 'ভেংগে' পড়বে

৩| ০৬ ই জুলাই, ২০১৫ সকাল ১১:০৯

যোগী বলেছেন: কী বলেন ১৪ লক্ষ পজিশনে ম্যামথের ডিএনএ সিকোয়েন্স ঢুকানো সহজ কাজ? ফ্রেন্ডদের কথা শুনে যতটুকু জেনেছি বায়োলজিক্যাল সায়েন্সের রিসার্চ জিনোম সিকোয়েন্স বের করা আর সামান্য এডিটিং ট্রাই করা পর্যন্তই আছে।

নিয়েন্ডারথাল সম্পর্কে কিছুই জানা নাই।

০৬ ই জুলাই, ২০১৫ সকাল ১১:১৩

কলাবাগান১ বলেছেন: গত মাসে মাত্র আটশ ডলার খরচ করে ২৫ লক্ষ ডিএনএ এর 'টুকরা' কে সিকোয়েন্স করিয়েছি (একটি গাছের প্রায় হোল জিনোম)

৪| ০৬ ই জুলাই, ২০১৫ সকাল ১১:১০

রাতুলবিডি৫ বলেছেন: কোন প্রজাতি- ই মানুষের পূর্বপুরুষ / এনসেসটর হিসেবে পাওয়া যায়নি , মানে বিজ্ঞানীরা কোন প্রাণী / ফসিল /জীন এমন কিছুই এখনও পান নি , দাবী করেন নি , যা মানুষের পূর্ব পুরুষ!

বিচিত্র বিবর্তনবাদ!

৫| ০৬ ই জুলাই, ২০১৫ সকাল ১১:১৮

রাতুলবিডি৫ বলেছেন: কলাবাগান ভাই ,
যারা চাদে সাঈদী কে দেখে তারা ই শুধু বলবে যে আদি মানুষের কোন ফসিল পাওয়া যায় নাই (এনসেসটর নাই বা হল)..
হেভী বলছেন ভাই =p~ =p~ =p~ =p~

তা ভাইজান মানুষের এনসেসটরের নামটা কি ভাই? জেনে একটু খুশী হতাম :#)

ভাই, আমি বারো বছর মাদ্রাসায় পড়েছি , তাই বিবর্তন নিয়ে কথা বলার জন্য একটু জানা শোনা লোকদের পছন্দ করি । মানে প্রোটিনের ইভলুয়েশন , বায়কেমিক্যাম প্রসেস, সেল ফাংশন আর মেকানিজম , প্রোটিনের স্ট্রাকচার কমপেয়ার করে ইভলুয়েশন এসেস করার প্রসেস এসব জানে এমন লোকদের পছন্দ করি । ধন্যবাদ।

০৬ ই জুলাই, ২০১৫ সকাল ১১:২৩

কলাবাগান১ বলেছেন: আমি কি বলেছি নিয়েন্ডারথাল মানুষের এনসিসটর??? তারা মানুষের আগে ছিল এবং মানুষ আসার পরে তারা বিলুপ্ত হয়ে যায় কিন্তু তাদের ডিএনএ এখনও 'আধুনিক' মানুষ বয়ে বেড়াচ্ছে

৬| ০৬ ই জুলাই, ২০১৫ সকাল ১১:২৩

রাতুলবিডি৫ বলেছেন: গত মাসে মাত্র আটশ ডলার খরচ করে ২৫ লক্ষ ডিএনএ এর 'টুকরা' কে সিকোয়েন্স করিয়েছি (একটি গাছের প্রায় হোল জিনোম)
কলা বা গান সাহেব আপনার কথাটা কি আপনি বুঝেছেন ? মানে আপনি কি বললেন ? :D

২৫ লক্ষ ডিএনএ টুকরা রে একটা সিকোয়েন্সে বসাইসেন ? =p~ =p~ =p~
( ২৫ লক্ষ ডিএনএ টুকরা'র আগের সিকোএন্স কি ছিল ? এখন কি :#) )

নাকি ল্যাব থেকে আটাশ ডলার খরচা করে সিকোয়েন্সে টা জেনে নিয়েছেন ?

একটা ডিএনএ সিকোয়েন্স জানা , আর সেটাকে অদল বদল করে একটা সিকয়েন্স -এ বসানো - এর মানে বুঝেন ????

০৬ ই জুলাই, ২০১৫ সকাল ১১:৩৬

কলাবাগান১ বলেছেন: যদি এখন আমি নেক্সট জেনেরাশন সিকোয়েন্সিং কি জিনিস ব্লগে বুঝাইতে যাই, তাহলে ইংরেজীতে ৫ পাতা লিখতে হবে।

আমার প্রজেক্টের জন্য আরএনএ থেকে ডিএনএ সিকোয়েন্স করে পুরা ট্রান্সক্রিপটম টাকে স্টাডি করেছি (ড্রাগ ট্রিটেড স্যাম্পলের ট্রান্সক্রিপটমের সাথে)

আমার নিজের ল্যাব- ৮০০ ডলার অন্য কেউ দেয় নাই-- ফান্ডিং এজেন্সিই দেয়

আমি এই জিনোম সিকোয়েন্স করা যে কত সহজ এবং সস্তা তা বুঝাতেই এই কমেন্ট করেছিলাম। ক্রেইগ ভেন্টারের ল্যাব রুটিনলি ব্যাক্টিরিয়ার জিনোম ল্যাবে (কেমিক্যালি) তৈরী করে। যে হিউম্যান জিনোম সিকোয়েন্স করতে ১০ বছর আর দুই বিলিয়ন ডলার লেগেছিল, সেটা এখন ১০০০ হাজার ডলার দিয়ে ২-৩ দিনের মাঝে করানো যায়।

৭| ০৬ ই জুলাই, ২০১৫ সকাল ১১:২৬

যোগী বলেছেন:
ডিএনএ এডিটিং এর কাজ কতটা সফল ভাবে এগিয়েছে সেটা সম্পর্কে জানান (বিশেষ করে প্রানীর ক্ষেত্রে)।

০৬ ই জুলাই, ২০১৫ সকাল ১১:৪৩

কলাবাগান১ বলেছেন: গুগুলে CRISPR লিখে সার্চ দিন। এই টেকনোলজি পৃথিবী চেন্জ করে দিবে। নেক্সট নোবেল প্রাইজ হবে এই টেকনোলজি উদ্ভাবনের জন্য।

ডিএনএ এডিটিং করে ডিজাইনার বেবী বানানো এখন থিয়োরিটিক্যালি সম্ভব।

ক্লাশ প্রজেক্ট হিসাবে আমার ছাত্রদের এই টেকনোলজি নিয়ে টার্ম পেপার লিখতে দিয়েছিলাম গত সেমেস্টারে

৮| ০৬ ই জুলাই, ২০১৫ সকাল ১১:৩৮

রাতুলবিডি৫ বলেছেন: লেখক বলেছেন: আমি কি বলেছি নিয়েন্ডারথাল মানুষের এনসিসটর?
না ভাই এইটা কন নাই ।
তাইলে মানুষের এনসেসটর কোনটা না ভাই ?
একটু নাম মোবারকটা বলেন না ভাই !
ঐ যে কইলেন সাঈদীরে চাদে দেখার কথা , তার মানুষের এনসেসটর খুইজা পায় না , তাইলে ভাই যারা খুইজা পায় তারা কি দেওয়ানবাগীরে চাদে খুইজা পায় ? ( রাজারবাগী হিবে , সরি ;)

০৬ ই জুলাই, ২০১৫ সকাল ১১:৪৫

কলাবাগান১ বলেছেন: আদম-হাওয়া- খুশী

৯| ০৬ ই জুলাই, ২০১৫ সকাল ১১:৪৮

রাতুলবিডি৫ বলেছেন: " জিনোম সিকোয়েন্স করা " এইটার মানে টা বুঝেন কিনা সেইটাই তো আগের বার জিগাইলাম , একই গান এখনও গাইতেছেন !
আপনার সদয় অবগতির জন্য জানাইতে চাই আপনি যে জিনোম সিকোয়েন্স করা - আটশ ডলার দিয়া করাইসেন , সেইটা হচ্ছে সিকোয়েন্স জানা, আর যোগী সাহেব যেটা নিয়ে অবাক হয়েছেন সেটা : ১৪ লক্ষ পজিশনে ম্যামথের ডিএনএ সিকোয়েন্স ঢুকানো

এক্স -রে কইরা ডাড্ডির পজিশন জানা - আর অপারেশন করে হাড্ডির পজিশন ঠিক করা এই দুইটা যেমন আসমান - জমীন দুরত্বের কাজ , আপনার সিকোয়েন্স আর যোগী'র সিকোয়েন্স এর থেকেও অনেক আলাদা কাজ ।

সমস্যা সেটা না, সমস্যা হচ্ছে আপনি যদি 'সিকোয়েন্স জানা' আর 'সিকোয়েন্স বদলানো' এ দুটোর পার্থক্য না বুঝেন , মানুষের এনসেসটর বিজ্ঞানীরা পায় নাই সেটা না জানেন , তাইলে রাজারবাগীরে চাদে দেখতেই পারেন । আড় পোষ্ট কোন বিজ্ঞান আলোচনার পোষ্ট না হয়ে বিনুদন পোষ্ট হবে ।
হেপী বিনুদুন =p~ =p~ =p~ =p~ =p~ =p~

০৬ ই জুলাই, ২০১৫ দুপুর ১২:০০

কলাবাগান১ বলেছেন: আমার এই সাধারন বাংলায় সবার বুঝার জন্য লিখা কে আপনি যে ভাবে বলছেন, তাতে বুঝা যাচ্ছে যে আপনার আমার আসল পোস্টের কন্টেট নিয়ে কোন কথা নাই। আপনি এসেছেন কিভাবে আমাকে ডিসক্রেডিট করা যায়। আপনার ডিএক্সটিংশান নিয়ে কমেন্ট থাকলে জানাবেন।

সিকোয়েন্স জানা থাকলে, ল্যাবে সেই সিকোয়েন্স সিন্থেসাইজ করা এখন কোন অসাধ্য না। সেটা যে আপনি বুঝেন না সেটা আর কি বলব। আপনি কি মনে করেন একটা একটা করে ১৪ লক্ষ পজিশনে সিকোয়েন্স চেন্জ করতে হবে???

১০| ০৬ ই জুলাই, ২০১৫ সকাল ১১:৫৪

রাতুলবিডি৫ বলেছেন: লেখক বলেছেন : আদম-হাওয়া- খুশী (?)
উত্তর : সাঈদী না, রাজারবাগী চাদে খুশী ? =p~ =p~ =p~ =p~

আর আগের কমেন্টে একটা বানান ভুল হয়েছে :
" এক্সরে করে হাড্ডির পজিশন জানা আর অপারেশন করে হাড্ডির পজিশন ঠিক করা এক বিষয় না " - এটা হবে ।

১১| ০৬ ই জুলাই, ২০১৫ সকাল ১১:৫৮

দিব্যেন্দু দ্বীপ বলেছেন: ধন্যবাদ। খবরটি দেওয়ার জন্য।

০৬ ই জুলাই, ২০১৫ দুপুর ১২:০৮

কলাবাগান১ বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ এই বিষয়ে ইন্টারেস্ট থাকার জন্য।

১২| ০৬ ই জুলাই, ২০১৫ দুপুর ১২:০২

কলাবাগান১ বলেছেন:

১৩| ০৬ ই জুলাই, ২০১৫ দুপুর ১২:২৭

রাতুলবিডি৫ বলেছেন: " এক্সরে করে হাড্ডির পজিশন জানা থাকলে অপারেশন করে হাড্ডির পজিশন ঠিক করা অসাধ্য বিষয় না "
তবে এর থেকেও অনেক বেশী অসাধ্য "সিকোয়েন্স জানা থাকলে, ল্যাবে সেই সিকোয়েন্স সিন্থেসাইজ করা "

বাই দা ওয়ে , এই জিন কেটে কুটে তারপর জোড়া দিয়ে সিকোয়েন্স কিভাবে করা হয় সেটার ধারণা কি আপনার আছে ?

আর তারও আগে প্লীজ বলেন "আপনি কি আটশ ডলারের সিকোয়েন্স জানা" - আর আজ পর্যন্ত সম্ভব হয়নি যেটা " চাহিদা মাফিক যে কোন সিকোয়েন্স বানানো" - এদুটার পার্থক্য বুঝেন ?

০৬ ই জুলাই, ২০১৫ সন্ধ্যা ৬:৫০

কলাবাগান১ বলেছেন: আমি আগেও বলেছি যে ৮০০ ডলারে জিনোম সিকোয়েন্স জানা সেটা বলেছি এই প্রযুক্তির সহজলভ্য তা বুঝাতে। আপনি যদি এনজিএস টেকনোলজি বুঝেন তাহলে দেখবেন, কত তাড়াতাড়ি সিকোয়েন্সিং করা সম্ভব।

আর যে কোন সিকোয়েন্স জানা থাকলে, তা ল্যাবে নতুন করে সিন্হেসাইজ করা সম্ভব (যেটা কে আপনি কেটেকুটে বলছেন)

০৭ ই জুলাই, ২০১৫ সকাল ৮:১৭

কলাবাগান১ বলেছেন: নিচে 'এনসিসটরের' ছবি দিলাম।

১৪| ০৬ ই জুলাই, ২০১৫ দুপুর ১:৩০

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন: রাতুল ভাই দুটো প্রশ্নের জবাব দেন -
জিন/ডিএনএ এডিট সম্ভব? না অসম্ভব?
মানুষের আবির্ভাবকালের আড়াই কোটী বছরে মানুষের বা প্রাণীদের মাথারখুলি দেহগঠন কি একই ছিল? না কিছুটা ভিন্ন?

১৫| ০৭ ই জুলাই, ২০১৫ রাত ১:৩৩

এক্সট্রাটেরেস্ট্রিয়াল স্বর্ণা বলেছেন:
Manush apnar shathe Biology niye jhogra kore, hashi ashe.

০৭ ই জুলাই, ২০১৫ রাত ১:৩৮

কলাবাগান১ বলেছেন: He started the discord mainly because of his religious ideology (Check his posts). He does not dispute the main content of the post (De-extinction)

১৬| ০৭ ই জুলাই, ২০১৫ রাত ১:৪২

নতুন বলেছেন: রাতুলবিডি৫ বলেছেন: " এক্সরে করে হাড্ডির পজিশন জানা থাকলে অপারেশন করে হাড্ডির পজিশন ঠিক করা অসাধ্য বিষয় না " তবে এর থেকেও অনেক বেশী অসাধ্য "সিকোয়েন্স জানা থাকলে, ল্যাবে সেই সিকোয়েন্স সিন্থেসাইজ করা "
বাই দা ওয়ে , এই জিন কেটে কুটে তারপর জোড়া দিয়ে সিকোয়েন্স কিভাবে করা হয় সেটার ধারণা কি আপনার আছে ?
আর তারও আগে প্লীজ বলেন "আপনি কি আটশ ডলারের সিকোয়েন্স জানা" - আর আজ পর্যন্ত সম্ভব হয়নি যেটা " চাহিদা মাফিক যে কোন সিকোয়েন্স বানানো" - এদুটার পার্থক্য বুঝেন ?



রাতুল ভাই আপনার পাহাড় নিয়ে সন্দেহই ঠিক আছে। এই গুলি নিয়া এই রকমের প্রশ্ন করা বোকামী। B-))

১৭| ০৭ ই জুলাই, ২০১৫ রাত ২:০০

প্লাবন২০০৩ বলেছেন: হুম, বুঝোলাম। দুই জনে মিলাই কঠিন তর্কে জড়াইয়া পড়ছেন। আবার দুইজনে মিলাই অনেক জানেন। সাধারণ পাঠক হিসাবে পোষ্ট টা প্রথমে খুব ভাল লাগছিল। কিন্তু দুইজনের ঝগড়ায় সব ভালোলাগা আউলাইয়া যাইতাছে। তবে এইটুকু বুঝছি, আমাগো বাংলা ভাষা ভাষিরা এখন বিজ্ঞানে অনেকদূর আগাইয়া গেছে। এখন অনেক কিছুই জানে। আপনাদের দুইজনরেই একসাথে মাত্র একটা শুভেচ্ছা। সুবিধামত নিজেরা এক সাথে বইসা ভাগ কইরা লইয়েন। আর গবেষণার ফলাফল না আসা পর্যন্ত ওই গবেষণার বিষয়রে ভুল বা সঠিক কিছুই কওয়া যায় না। গবেষণার ফলাফলের অপেক্ষায় থাকলাম।
একটা ছোট্ট মিথ্যা কইছি, শুভেচ্ছা একটা দেই নাই, অনেক গুলি দিছি। কিন্তু কতগুলি দিছি কমুনা। ঐটা নিজেরা দেইখা লইয়েন। তবে দুইজনে মিলাই যদি একটা সহজ পোষ্ট দিতেন আমাগো বুঝার লেইগা, তাইলে খুব উপকার হইত।

০৭ ই জুলাই, ২০১৫ রাত ২:২৪

কলাবাগান১ বলেছেন: উনি তো পোস্টের কন্টেন্ট নিয়ে কিছু বললেন না। উনি ধরে বসে আছেন মানুষের এনসিসটর কে- এটা তো পোস্টের বিষয় ছিল না। পোস্ট ছিল বিলুপ্ত প্রানী কে কিভাবে ফিরিয়ে আনা যায় তা নিয়ে।

১৮| ০৭ ই জুলাই, ২০১৫ রাত ২:০৭

এক্সট্রাটেরেস্ট্রিয়াল স্বর্ণা বলেছেন:
নতুন বলেছেন: রাতুল ভাই আপনার পাহাড় নিয়ে সন্দেহই ঠিক আছে। এই গুলি নিয়া এই রকমের প্রশ্ন করা বোকামী।

Kon Pahar? Unar ei ID te to kichu dekhchina B-))

১৯| ০৭ ই জুলাই, ২০১৫ রাত ২:৩৮

প্লাবন২০০৩ বলেছেন: লেখক বলেছেন: উনি তো পোস্টের কন্টেন্ট নিয়ে কিছু বললেন না। উনি ধরে বসে আছেন মানুষের এনসিসটর কে- এটা তো পোস্টের বিষয় ছিল না। পোস্ট ছিল বিলুপ্ত প্রানী কে কিভাবে ফিরিয়ে আনা যায় তা নিয়ে।
ভাই@রাতুলবিডি৫, দেখছেন লেখক কি সুন্দর উত্তর দিল। দুইজনে মিলা বিষয়টারে একটু সহজ কইরা দেন না ভাই। এইখানে আপনাদের হার জিতের বিষয়টা বড়, নাকি আমাদের একটু সহজ করে জানানোর বিষয়টা বড়? এইটা আপনারাই ঠিক করেন। আমরা তো পাঠক, আমাদের দাবীই মানতে হবে।

২০| ০৭ ই জুলাই, ২০১৫ সকাল ৮:১৯

কলাবাগান১ বলেছেন:
@রাতুলবিডি,

এই ফসিল দেখার পর ও কি বলবেন যে আদি মানুষের কোন ফসিল নাই


Fossils of the extinct hominid known as Australopithecus sediba were accidentally discovered by the 9-year-old son of a scientist in the remains of a cave in South Africa in 2008, findings detailed by researchers last year. The fossils' mix of human and primitive traits found in the brains, hips, feet and hands make a strong case for it being the immediate ancestor to the human lineage, scientists report in the Sept. 9, 2011, issue of the journal Science.

The fossils included remains of a male juvenile (whose cranium is shown here) along with a female of the same species, who was likely in her 20s or 30s.

Link

২১| ০৭ ই জুলাই, ২০১৫ সকাল ৯:১৬

শাহাদাত হোসেন বলেছেন: পোষ্ট টা সহজ সরল ছিলো কিন্তু কমেন্ট গুলা মাথা গরম করে দিছে ।

২২| ০৭ ই জুলাই, ২০১৫ সকাল ১০:৪৮

রিকি বলেছেন: নতুন কিছু জানানোর জন্য ধন্যবাদ ভাই। মন্তব্যগুলো পড়ে খালি মনে হচ্ছে- এতদিন ওয়াসফিয়া ছিল, এবার নিয়ান্ডারথ্যাল আর ম্যামুথের প্লিজ খিল {kill or কিল} মি সামওয়ান অবস্থা হবে !!!!

০৭ ই জুলাই, ২০১৫ সকাল ১১:১৬

কলাবাগান১ বলেছেন: "বাংলাদেশে কখনো মাঠে মাঠে পদার্থ বিদ্যা নিয়ে আলোচান বসবে না; গ্রামে গ্রামে রাতে বাওলোজীর অনুস্ঠান হবে না; আসলে, এসবকিছু ঢাকা ইুনিভার্সিটিতেও হবে না; টিএসসি'তে অর্থনীতি নিয়ে সন্মেলন করলে ৪০০/৫০০ লোক হবে; ধর্মীয় সভা করলে ৫ লাখ কোন ব্যাপারই না।" বাই চাদগাজী

২৩| ০৭ ই জুলাই, ২০১৫ সকাল ১১:২৫

নতুন বলেছেন: এক্সট্রাটেরেস্ট্রিয়াল স্বর্ণা বলেছেন:
নতুন বলেছেন: রাতুল ভাই আপনার পাহাড় নিয়ে সন্দেহই ঠিক আছে। এই গুলি নিয়া এই রকমের প্রশ্ন করা বোকামী।

Kon Pahar? Unar ei ID te to kichu dekhchina


রাতুলবিডি ১,২,৩,৪,৫ সবই উনার আইডি:)

২৪| ০৭ ই জুলাই, ২০১৫ সকাল ১১:৪৪

আহমেদ জী এস বলেছেন: কলাবাগান১




একটি সুন্দর পোষ্ট লিখেছেন বা একটা সুন্দর তথ্য জানিয়েছেন । কিন্তু.. প্লাবন২০০৩র মতো আমারও একই বক্তব্য ।
আপনি লিখেছেন -
আমাদের মিডিয়া ব্যস্ত ধর্ম নিয়ে.. কার কথায় ধর্ম ধ্বংস হয়ে গেল তা নিয়ে উন্মাদনায় আর বিশ্ব এগিয়ে যাচ্ছে জ্ঞান-বিজ্ঞানে। পাশের দেশ ইন্ডিয়ার মিডিয়া এই খবরটাকে যেভাবে লুফে নিয়েছে, দেখে বুঝতেছে তারা কেন শিক্ষা-দীক্ষায় এভাবে এগিয়ে যাচ্ছে। হাফ ডিম খেয়েও মংগল গ্রহে রকেট পাঠিয়েছে।
এটুকুই গন্ডোগোলের প্রথম সূ্ত্রপাত করেছে । কারন আপনি যে একদম ঠিক কথা বলেছেন এখানে, তা বুঝতে আজকাল অনেকই নারাজ ; এমন কি তথাকথিত শিক্ষিতরা ও । তার উপর আপনি আবার রাতুলবিডি৫ র মন্তব্যের জবাবে বলেছেন সাইদী সাহেবের কথা ।
রাতুলবিডি৫ সাহেব যথেষ্ট শিক্ষিত বলেই মনে হয় তার লেখায় । ওনার ধর্মবিশ্বাস একটা থাকতেই পারে । সেটা অন্ধ, অযৌক্তিক বিশ্বাস যেন না হয়, সেটা তার জ্ঞানের পরিধি দেখে আশা করবো । আশা করতে তো দোষ নেই, তাইনা ?
আর আপনার ও উচিত হয়নি, ওনাকে এভাবে একটা খোঁচা দেয়া । যার যার ধর্ম বিশ্বাস তার কাছে থাকুক তার মতো করেই । এটাকে আঘাত দেয়া কারোই উচিত নয় ।

ঁঁরাতুলবিডি৫, আপনাকে বলছি - লেখকের একটি মাত্র শব্দের প্রয়োগে তাকে এভাবে আক্রমন না করলেও পারতেন । আপনার মন্তব্যে তার বলা -"সিকোয়েন্স করিয়েছি" না বলে বলতে পারা যেত - "সিকোয়েন্স জেনেছি" । এই সহজ কথাটি ( যা লেখক বোঝাতে পারেননি, তিনি ভাষাবিদ নন বলে ) আপনিও যে বোঝেন নি তা নয় । মন্তব্যে আপনি তা বলেছেনও । এই সামান্য জিনিসটি নিয়ে তর্ক হয়েছে অনেক , যা না হলেও পারতো । আশা করি ভুল বুঝবেন না ।

আবার ও প্লাবন২০০৩ এর সুরেই বলি - সাধারন মানুষের কাছে এমন একটি জটিল বিষয়ে আপনারা , লেখক ও আপনি এবং আরও যদি কেউ থাকেন ; তারা সহজবোধ্য করে তুলতে পারেন আপনাদেরই জ্ঞান -গরিমা দিয়ে । কারন "জিন" "ডিএনএ"
' প্রোটিন সিকোয়েন্স" " জেনেটিক ট্রান্সক্রিপশান" “ জেনোম” “ ক্লোনিং” ইত্যাদির অর্থ ও বিষয়গুলো অনেকের কাছেই সহজবোধ্য নয় ।
একটি ডিএনএ সিকোয়েন্স যে জীবনের রাসায়নিক ভাষা থেকে আমাদের বোধ্য ভাষায় রুপান্তর ( “ এ -জি- সি-সি-টি ..... ) সেটা বোঝানো একেবার সহজ কাজ নয় । এদিক থেকে বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত বলে লেখক আমাদের আরো সহজ করে বুঝিয়ে লিখতে পারেন । কারন তিনি একজন সম্মানিত শিক্ষকও বটেন। হয়তো ওনার একার পক্ষে বাঙলায় ঠিকঠাক ভাবে বুঝিয়ে বলা সম্ভব নাও হতে পারে অনেক ক্ষেত্রেই । আপনার যারা এ বিষয়ে আগ্রহী তার সবাই মিলে যদি বিষয়টাকে এগিয়ে নিয়ে যান তবে ব্লগ পাতাখানি স্নিগ্ধ, সুন্দর হয়ে ওঠে ।

আর নয় , সকলের শুভবুদ্ধির উদয় হোক ।



২৫| ০৯ ই জুলাই, ২০১৫ দুপুর ১:১১

রাতুলবিডি৫ বলেছেন: এই পোষ্টে আমার মন্তব্য ও প্রকাশ ভংগী বেশ কিছুটা আক্রমণাত্মক ও বিদ্রুপাত্মক ছিল স্বীকার করি ।এর কারণ পাঠক একটু ধৈর্য সহকারে শুনবেন অনুরোধ করি ।

মূল কারণ হচ্ছে পোষ্টদাতা বিজ্ঞান নিয়ে কাজ করেন , বিবর্তন নিয়ে লিখছেন কিন্তু বিবর্তনবাদের তত্ত্ব অনুসারে মানুষের পূর্বপুরুষ কে ? কোনটা ? সেটা নিয়ে ভুল তথ্য দিচ্ছেন । আমার মত স্বল্প বুদ্ধি ও জ্ঞানের লোক এগুলো বললে সেটা এতটা হস্যকর হত না , যতটা হাস্যকর হয় বিবর্তন বাদের বিশ্বাসীরা এমনটা করলে ।

সম্প্রতি মানুষের ইমেডিয়েট আগের আদি মানুষ- নিয়েন্ডারথালের জিনোম ও সিকোয়েন্স করা হয়েছে.... অথচ বিজ্ঞান বলে নিয়েন্ডারথালেরা মানুষের পূর্ব পুরুষ না । এতটুকু না জেনে এ বিষয়ে পোষ্ট ডেওয়া বা তর্ক করা কি হাস্যকর না ?

২৬| ০৯ ই জুলাই, ২০১৫ সন্ধ্যা ৬:৫৮

কলাবাগান১ বলেছেন: আদি মানুষ আর পূর্ব পুরুষ কি এক জিনিস?? আমি কি বলেছি নিয়েন্ডারথাল হল মানুষের এনসিসটর???

আর কোন মন্তব্য করব না। ভাল থাকুন

২৭| ১০ ই জুলাই, ২০১৫ বিকাল ৩:৪৫

রাতুলবিডি৫ বলেছেন: ভাই জ্ঞানের কথা আমাদের বলবেন না কেন ভাই ? :-P
মানুষের( প্রজাতির) এনসেসটর কে ভাই ? একটু বলেন না ভাই :D
প্লীজ ভাই .. =p~
মানুষের ইমেডিয়েট আগের আদি মানুষ- এর মানে কি ভাই :((
একটু হেলপ করেন ভাই :#)
আপনার পিলিজ লাগে ;)

২৮| ১০ ই জুলাই, ২০১৫ বিকাল ৪:০৬

রাতুলবিডি৫ বলেছেন: হাসান কালবৈশাখী বলেছেন: রাতুল ভাই দুটো প্রশ্নের জবাব দেন -
জিন/ডিএনএ এডিট সম্ভব? না অসম্ভব?
উত্তর :
যোগী বলেছেন:
ডিএনএ এডিটিং এর কাজ কতটা সফল ভাবে এগিয়েছে সেটা সম্পর্কে জানান (বিশেষ করে প্রানীর ক্ষেত্রে)।

( ডি এন এ এডিট সম্ভব না এটা আমার দাবী না , দাবী ছিল
- নিয়ান্ডার্থল মানুষের পূর্ব পুরুষ না ,
- আর মানুষের পূর্ব পুরুষ ( ইমিডিয়েট আগের ) - এতা এখনও পাওয়া যায় নি
- ৮০০ ডলার খরচ করে নতুন একটা মানুষ জিন তৈরয়য় সম্ভব না
- পোষ্ট দাতা জীন সিকোয়েন্স জানা আর তৈরী করা এ ডুটোর পার্থক্য বুঝেন না )

মানুষের আবির্ভাবকালের আড়াই কোটী বছরে মানুষের বা প্রাণীদের মাথারখুলি দেহগঠন কি একই ছিল? না কিছুটা ভিন্ন?
একই প্র জাতীর মাথার খুলির গঠন/ দেহের গঠন সাধারণত একই থাকে , ভিন্ন প্রজাতির ভিন্ন ।

২৯| ১০ ই জুলাই, ২০১৫ বিকাল ৪:১৪

রাতুলবিডি৫ বলেছেন: এক্সট্রাটেরেস্ট্রিয়াল স্বর্ণা বলেছেন:
Manush apnar shathe Biology niye jhogra kore, hashi ashe.
স্বর্ণা ভাই , ওনার " জিন সিকোয়েন্স করা" - মানুষের এনসেসটর এসব বিষয়ের জ্ঞান দেখে হাসতেই আছি =p~
=p~ =p~ =p~ =p~ =p~ =p~ =p~ =p~ =p~ =p~ =p~ =p~ =p~ =p~ =p~ =p~ =p~ =p~ =p~

এত নির্মল আনন্দ অনেক দিন পাইনি । ওনাকে আর আপনাকে ঝাঝা =p~

নতুন বলেছেন: রাতুল ভাই আপনার পাহাড় নিয়ে সন্দেহই ঠিক আছে। :``>>
আপনি বলছেন ভাই ??? আপনার গবেষণা আর অনুসন্ধানের প্রতি আমার আস্হা আছে ।
জাতীয় বীরদের ছবিগলো সব ফরেনসিকে উঠিয়েছিলেন নাকি ?
আমি কিন্তু ধীরে ধীরে আগাতে চাচ্ছি , ক্লাইমেক্ক্স তৈরী করে ;)

নতুন বলেছেন :এই গুলি নিয়া এই রকমের প্রশ্ন করা বোকামী।
জি ভাই আমি আসলেই বোকা , আর মদ্রাসায় বারো বছর পড়েছি , বুঝেন তো , আপনারা তো আমাদের অশিক্ষিতই মনে করেন !

৩০| ১০ ই জুলাই, ২০১৫ সন্ধ্যা ৭:৫৬

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: পোস্টটা কিছুটা মাথায় ঢুকাতে পারলেও , বায়োলজির কঠিন সব কমেন্ট আমার মাথার উপ্রে দিয়া গেছে ।

৩১| ১০ ই জুলাই, ২০১৫ রাত ৮:৫৬

দ্বীন মুহাম্মদ সুমন বলেছেন: মানুষ সবই পারে ... তাই "বিলুপ্ত প্রানীকে আবার ফিরিয়ে আনা" এর মত টেকনোলজিও কোন দিবা স্বপ্ন নয় ... তবে আরও অনেক সময় লাগবে ... এখনও বিষয় গুলো শুরুর পর্যায়ে বা আতুর ঘরেই আছে ... অচিরেই হয়তোবা এগুলো সফল হবে না ... তবে হা আজ থেকে কয়েক'শ বা কয়েক হাজার বছর পর হলেও মানুষ অবশ্যই একদিন পারবে ... সবেতো মাত্র শুরু ... লেখককে ধন্যবাদ

৩২| ১১ ই জুলাই, ২০১৫ সকাল ১১:২৬

রাতুলবিডি৪ বলেছেন: আমাদের দেহে কাজ কর্ম যা ঘটে সব -ই প্রোটিনের কারিশমা । এরাই নির্মাণ সামগ্রী - এরাই নির্মাণ শ্রমিক ! এরাও যন্ত্রপাতি , এরাই মেশিণ অপারেটর । প্রোটিন সাহেব আবার দুরকম : স্ট্রাকচারাল আর ফাংশনাল । স্ট্রাকচারাল গুলো নির্মাণ সামগ্রী , আর ফাংশনালগুলো নির্মাণ শ্রমিক ! শর্করা -লিপিড ( চর্বি জাতীয় পদার্থ) গুলো স্রেফ জ্বালানীর কাজ করে ।

আধুনিক বিজ্ঞান বিবর্তণকে ব্যাক্ষা করে প্রটিনের বিবর্তণ হিসেবে । যেমন বিজ্ঞানীদের বক্তব্য এককোষী প্রাণীর দেহের প্রোটিন বিবর্তিত হয়ে মানুষের দেহের প্রটিন তৈরী হয়েছে , তথা মানুষের দেহ তৈরী হয়েছে , বা মানুষ তৈরী হয়েচে । বিবর্তণবাদের শুরুর দিকে মানুষ আকৃতি -প্রক্বতির মিল খুজত , মিল পেলে বলে দিত এদের একটি থেকে অন্যটি তৈরী হয়েছে । বর্তামাণে বিজ্ঞানীরা সেটা খুজেন না , খুজেন প্রোটিনের মিল । এখানে একটা কথা বলে রাখা ভাল প্রোটিণের 'ফর্মা' কিন্তু জিন , জিনে লিপিবদ্ধ বৈশিষ্ট থেকেই প্রোটিন তৈরী হয় । কাজেই প্রটিনের মিল এক অর্থে জিনেরও মিল বলতে পারেন । তাই আকৃতি -প্রকৃতিতে যতই মিল থাকুক না কেন আফ্রিকার হাতি আর এশিয়ার হাতি ভিন্ন প্রজাতির জীব ! এরা বিয়ে-শাদী করে বাচ্চা তৈরী করতে পারবে না, জিন ট্রান্সফার সম্ভব নয়, একেবারেই ভিন্ন প্রজাতি! যেমন মনে করেন মানুষ আর বানর ! এমন কি একটি থেকে বিবর্তিত হয়েও অন্যটি তৈরী হয় নি । ( কেউ কেউ ধারনা করেন বাণর থেকে মানুষ পয়দা হয়েছে, প্রিটিনের হিসেবে তা হয় না, বিজ্ঞানীরাও এখন এমনটা দাবী করেন না ।) এমন কি এশিয়ার হাতি আর আফ্রিকার হাতির একধাপ উপরের পূর্ব পুরুষও এক না ! অর্থৎ কোন একটি হাতি( বা ছাতি অন্য কিছুর) পরিবর্তনে এশিয়ার হাতি আর আফ্রিকার হাতি তৈরী হয়নি ! আরো উপরে যেতে হবে !! এতটা দুরত্বের কারণ প্রোটিনের অমিল। দেহ গঠনের অমিল । যেমন একটা হাত পা বিশিষ্ট বাবা মার হাত পা ছাড়া সন্টান হতে পারে, তবে তাদের মাঝে জিন ট্রান্সফার সম্ভব , দেহের গঠন এক, প্রোটিনের গঠনও একই ।

আরো সহজ একটা উদাহরণ দেই । এলিফেন্ট রোডে এরোপ্লেন মসজিদদের কথা অনেকেই জানেন । মসজিদের উপর একটা রড-সিমেন্ট নির্মিত বিমান বানিয়ে রাখা হয়েছে । নৃতাত্ত্বিক দৃস্তি ভংগী থেকে দেখেলে এই সিদ্ধান্তে আসতে হবে একটা বিমান প্ড়থমে তৈরী হয়েছে, সেটা কোন ভাবে ছাদের উপর চলে গেছে, তার পর বিবর্তিত হয়ে আসল বিমানে পরিণত হয়েছে, এরপর উড়ে চলে গেছে ! কারণ এডের আকৃতি প্ড়ায় একই রকম !

কিন্তু জিন-প্রোটিন বা বায়কেমিক্যাল প্রসেস নিয়ে যারা কাজ করেন তারা বাইরের আকৃতি দেখবেন না , দেখবেন ভিতরের স্ট্রাকচার । গাড়ীর ইন্জিনের সাথে বিমানের ইন্জিনের মিল পেলে বলে দিবেন গাড়ী থেকে বিমান বা বিমান থেকে গাড়ী তৈরী হয়েছে, আকৃতি যাই থাকুক । প্রোটিণের এই দীর্ঘ বয়ানের উদ্দেশ্য একটাই প্রাণের উৎপত্তি বা এর পদ্ধতি বুঝা ।

যেকোন প্রাণের দেহে ( প্রাণী না, উদ্ভিদ হোক আর যাই হোক ) যে কোন পরিবর্তন ( জন্ম - বৃদ্ধি বা যা কিছু ) বা নিয়মিত কর্ম কান্ড হতে হলে প্রথমত জিনের ভুমিকা থাকে । জিন বলে দেয় কি হবে । কাজটা করে এনজাইম ( ফাংশনাল প্রোটিন ) আর ফলাফল হয় স্ট্রাকচারাল প্রোটিন ।

view this link

( বিবর্তন নিয়ে অনেক উদ্ভট ধারণা এর পক্ষের ও বিপক্ষের লোকরা প্রচার করে থেকে , তাদের অবগতির উড্দেশ্যে )

৩৩| ২৮ শে জুলাই, ২০১৫ সকাল ৯:১০

অন্ধকার ছায়াপথ বলেছেন: পোস্টটা কিছুটা মাথায় ঢুকাতে পারলেও , বায়োলজির কঠিন সব কমেন্ট আমার মাথার উপ্রে দিয়া গেছে । :| :| :|

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.