নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

কলাবাগান১

বাংলাদেশ হোক রাজাকার মুক্ত

কলাবাগান১ › বিস্তারিত পোস্টঃ

আয়ু কি বাড়ানো যায়???

০৯ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ১০:০৮


আজকালকার ফেসবুকের গসিপের যুগে বেশীর ভাগ লোকেরই ৪৬ বছরের বয়সী Elizabeth Parrish এর নাম না শুনার কথাই...। ইনি হলেন পেশেন্ট নাম্বার ওয়ান (misnomer) যিনি জীবনের হায়াত বাড়াতে জিন থেরাপির মাধ্যমে টেলোমারেইজ নামক gene কে নিজের শরীরে ইনজেক্ট করেছেন.(100 injections)......২০১৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে। জিন থেরাপি করার পারমিশন যেহেতু আমেরিকা তে নাই, তাই তিনি কলাম্বিয়াতে এই 'এক্সপেরিমেন্ট' করেন...উনি এখন একটা কোম্পানি ও খুলেছেন এই টেকনোলজিকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য...টেলোমারেইজ কিভাবে একজন এর লাইফ স্প্যান কে বৃদ্ধি করবে???? তাহলে জানতে হবে টেলোমিয়ার কি জিনিস...

উপরের ছবিটা হল আমাদের কোষে থাকা ক্রমোজম..। ২৩ জোড়া..।২৩টা এসেছে মা থেকে আর বাকি ২৩টা বাবা থেকে। লক্ষ্য করে দেখবেন যে সবগুলি ক্রমোজমের এর শেষ মাথায় কিছু বিন্দু জ্বল জ্বল করছে....এই বিন্দু গুলিই হল telomere। কোষের মাঝে এমন জ্বল জ্বল করে না..দেখার সুবিধার জন্য তাদের কে মার্কার দিয়ে মার্ক করা হয়েছে....আমরা জানি যে ক্রমোজমের গায়ের মাঝেই পেচিয়ে পেচিয়ে থাকে ডিএনএ আর ডিনএ ই হল আপনার সকল চারিত্রিক বৈশিস্ট এর নিয়ন্ত্রক... আর টেলোমিয়ার এর কাজ ই হল ক্রমোজমের মাঝে ডিএনএ কে প্রটেক্ট করা। telomere থাকে অনেকটা গিঠের মত ক্রমোজমের শেষ মাথায় যেমনটা থাকে জুতার ফিতার শেষ মাথায় শক্ত গিঠ ইংরেজীতে যেটা কে বলে aglet...এই গিট না থাকলে ফিতা কিন্তু খুলে/ছিড়ে যাবে...আর telomere ও গিঠ দিয়ে থাকে যাতে ডিএনএ শেষ মাথা থেকে খুলে পড়া স্টার্ট না করে। তবে প্রবলেম হল যে বয়স বাড়ার সাথে সাথে এই telomere এর সাইজ ছোট হতে থাকে....তার কারন হল নতুন কোষ বানানোর জন্য তো নতুন ডিএনএ লাগবে, তাই ডিএনএ এর রেপ্লিকেশন হয় কিন্তু প্রতিবার রেপ্লিকেশন এর সময় ক্রমোজমের শেষ মাথা থেকে telomere এর কিছু অংশ ছেটে ফেলা হয়. telomere যত ছোট হতে থাকে, কোষের জীবন কাল ও ছোট হতে থাকে...তাই এখন telomere এর সাইজ মেপে বলা হচ্ছে যে আর কত দিন হায়াত আছে!!!!! এর জন্য কোম্পানী ও আছে আর সেটা খুলেছেন স্বয়ং এলিজাবেথ ব্ল্যাল্কবার্ন যিনি টেলোমারেইজ এনজাইম এর ফাংশান কে আবিস্কার করে নোবেল প্রাইজ পেয়েছেন। নীচের ছবি টা দেখুন

তবে টেলোমারেইজ এনজাইম আমাদের শরীরে আছে যেটা এই telomere কে ছোট হতে দেয় না...কিন্তু টেলোমারেইজ এনজাইম টা শুধু আমাদের reproductive cells (egg/sperm) এ এক্টিভ যাতে আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম তাদের পিতা মাতা থেকে ছোট সাইজের ক্রমোজম ইনহেরিট না করে....কিন্তু কোনভাবে যদি এই এনজাইমটা কে আমাদের শরীরের সাধারন কোষে এক্টিভ করা যায় তাহলে telomere ছোটও হবে না আর কোষ ও মারা যাবে না...আর সেটা করার জন্যই Elizabeth Parrish তার শরীরে telomerase gene টাকে প্রবেশ করিয়েছেন এক্টিভ ভার্সান টাকে। উনার মতে এখন উনার শরীরে telomere এর সাইজ প্রায় ৯% বৃদ্ধি পেয়েছে যেটা উনার বয়স কে ২০ বছর কমিয়েছে!!!!! নিচের ছবিটা তে দেখানো হয়েছে উনার telomere সাইজ এখন একজন ৩০ বছর ব্যাক্তির সমান। উনার হায়াত কি তাহলে ২০ বছর বেড়ে গেল!!!!!!!!!


কিন্তু প্রশ্ন থেকেই যায়। ক্যান্সার কোষে কিন্তু telomerase সবসময় এক্টিভ, তাই এই কোষ মারা যায় না দ্রুত বৃদ্ধি পায়... বেশীদিন উনি বাচবেন নাকি অকালেই উনি ক্যান্সারে আক্রান্ত হবেন.... আজ প্রায় ৪ বছর হতে চলল ..উনি এখনও নিজেকে সুস্হ্য বলেই দাবী করছেন... আর উনি মাত্র একজন এই কাজ করেছেন..।তার উপর উনার নিজের কোম্পানী আছেন এটা প্রমোট করার জন্য, তাই কনফ্লিক্ট অফ ইন্টারেস্ট তো থেকেই যায়...। যতদিন যথার্থ প্রটোকল মেনে অনেক মানুষের উপর এই এক্সপেরিমেন্ট করা না হচ্ছে ততদিন পর্যন্ত্য অনেকের মত আমিও skeptical. তবে হার্ভাড সহ বিভিন্ন ল্যাবে সেইম টেকনোলজি ব্যবহার করে অনেক প্রানীর হায়াত ২ থেকে ৩ গুন বাড়ানো গেছে।

মন্তব্য ৩৮ টি রেটিং +৪/-০

মন্তব্য (৩৮) মন্তব্য লিখুন

১| ০৯ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ১০:৫৪

নূর আলম হিরণ বলেছেন: মানুষ অমর না হতে পারলেও নিজের হায়াতকে ১৫০-২০০ বছর পর্যন্ত নিয়ে যেতে পারবে এই শতাব্দীতেই।

০৯ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ১১:০৩

কলাবাগান১ বলেছেন: আর সেটা হবে শতাব্দীর সেরা আবিস্কার CRISPR/Base Editing/Prime Editing technology এর হাত ধরেই ....এই টেকনলজি দিয়ে সবে চায়নাতে বাচ্চা 'বানানো' হয়েছে (ডিজাইনার বেবী)...আর আমাদের জীবন দশায়ই এই টেকনোলজি দিয়ে বিভিন্ন রোগ এর নিরাময় এর ঔষুধ বাজারে আসবে যেটা অলরেডি শুরু হয়ে গেছে ক্যান্সার/Sickle cell anemia ট্রিটমেন্ট এর এপ্লিকেশন দ্বারা। এই জেনারেশন অনায়াশে ১০০ বছর বেচে থাকবে....

২| ০৯ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ১১:১৯

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




নূর আলম হিরণ ভাইয়ের মতো আমিও মন্তব্য করছি মানুষ অমর না হতে পারলেও নিজের হায়াতকে ১৫০-২০০ বছর পর্যন্ত নিয়ে যেতে পারবে এই শতাব্দীতেই। - এটি নিয়ে আরো লিখুন (যদি হাতে সময় পান)

০৯ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ১১:২৪

কলাবাগান১ বলেছেন: কয়েকবার লিখেছি যেমন immunotherapy দিয়ে কিভাবে cancerকে জয় করার দ্বারপ্রান্তে আজ বিজ্ঞানীরা....

৩| ০৯ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১২:২৩

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:
হযরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূল (সাঃ) বলেন, ‘যে ব্যক্তি কামনা করে তার রিজিক প্রশস্ত হোক এবং তার আয়ু দীর্ঘ হোক সে যেন আত্মীয়তা-সম্পর্ক বজায় রাখে।’ (বোখারি : ৫৯৮৫; মুসলিম : ৪৬৩৯)।
হাদিসের ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, আত্মীয়দের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখা এবং তাদের অধিকার সঠিকভাবে আদায় করা এমন একটি বিশেষ ভালো গুণ ও আল্লাহর আদেশ পালন, যার বাস্তবায়ন দেখে খুশি হয়ে আল্লাহ তায়ালা রিজিকে সচ্ছলতা ও আয়ুতে বরকত দান করেন।

১০ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ৯:০১

কলাবাগান১ বলেছেন: ভাল বলেছেন

৪| ০৯ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১:০৯

আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন: মাইকেল জ্যাকসন বেঁচে থাকলে এই সুযোগটা নিতে পারতেন। তিনি ১৫০ বছর বাঁচতে চেয়েছিলেন।

১০ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ৯:০২

কলাবাগান১ বলেছেন: কিন্তু মাইকেল জ্যাকসন এর ছেলে মেয়েরা টাকা দিয়ে কিনতে পারবে

৫| ০৯ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১:৩৫

রাজীব নুর বলেছেন: মানুষের হায়াত অলরেডি বেড়ে গেছে।
চিকিৎসা বিজ্ঞান অনেক উন্নত হয়েছে।
এই তো কিছু দিন আগে ওবায়দুল কাদের সাহেব মৃত্যুর হাত থেকে বেঁচে এলেন।

১০ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ৯:০২

কলাবাগান১ বলেছেন: ১৬৫০ সনে গড় আয়ু ছিল ৩০ বছর আর এখন ৭৯ বছর

৬| ০৯ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ দুপুর ২:১৭

নতুন বলেছেন: একটা গাড়ী যদি আপনি শুধুই চালাতেই থাকেন এবং কোন মেরামত না করেন তখন সেটা ৫-১০ বছর পরেই বাতিল হয়ে যায়।

তেমনি যদি আমাদের শরীরের ভেতর থেকে বুড়ো হবার প্রকৃয়াটা স্লো করে দেওয়া যায় তখন মানুষ ১০০-১৫০-২০০ বছর বাচা সমস্যা হবেনা।

তখন মানুষ মারা যাবে দূঘটনায় এবং নতুন এই প্রকৃয়ার ঔষুধের সমস্যায়.... সেটা আরেক সমস্যা এবং তারও সমাধান খুজে পাবে মানুষ..... :)

এখনই মানুষের গড় আয়ূ ৫০০ শত বছরের আগের মানুষ থেকে অনেক বেশি।

১০ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ৯:০৪

কলাবাগান১ বলেছেন: তবে আমার মতে ১৫০ বছর বাচলেও যেন অর্থব ভাবে বেচে থাকা না হয়..এক্টিভ ভাবে বেচে না থাকলে ১৫০ বছর বাচার কোন দরকার নাই

৭| ১০ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১:০২

শের শায়রী বলেছেন: দারুন একটা ব্যাপার জানলাম। টোটালি কিছুই জানি না এই ব্যাপারটা নিয়ে। সার্চ দেব নেটে।

১০ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ৯:০৫

কলাবাগান১ বলেছেন: খুশী হলাম আপনার 'খুশী' দেখে

৮| ১০ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ৮:১৭

মলাসইলমুইনা বলেছেন: কলাবাগান১,
হ্যা, টেলাহমিরের ক্ষয় রোধের কারণে আয়ু বা 'হায়াত' বেড়ে যাবে । আমার একটা লেখা আছে এই ব্যাপারটা নিয়ে । টেলাহমির ক্ষয় বা ছোট না হতে দেবার একটা উপায় নিশ্চিত ভাবেই মানুষ এখন মনে হয় জানতে পেড়েছে গত বছরের একটা বৈজ্ঞানিক ঘটনায় ।এ নিয়ে একটা বইয়ের কাজ শেষ করছি । দেখি সামনের বই মেলায় বইটা পাবলিশ করা যায় কিনা । আপনি সহজ করে বলেছেন ব্যাপারটা ।ভালো লাগলো ।

১০ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ৯:১৮

কলাবাগান১ বলেছেন: এই টপিকটা আমার খুবই প্রিয়..ক্লাশে যখন পড়াই....ছাত্র/ছাত্রীরা খুবই ইন্টারেস্টেড হয়..বিভিন্ন ল্যাবে ইদুরের আয়ু ডাবল করা হয়েছে টেলোমেরেইজ এনজাইম এক্সপ্রেস করে। ক্যান্সার চিকিৎসায় টেলোমারেইজ একটা বিগ টার্গেট।

৯| ১০ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ৯:০৬

রাজীব নুর বলেছেন: লেখক বলেছেন: ১৬৫০ সনে গড় আয়ু ছিল ৩০ বছর আর এখন ৭৯ বছর

খুব ভালো। চিকিৎসা বিজ্ঞান আরো উন্নতি করুক।

১০| ১০ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ১০:৫৮

ফয়সাল রকি বলেছেন: নতুন বিষয় জানলাম।

১০ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:১৬

কলাবাগান১ বলেছেন: ধন্যবাদ

১১| ১০ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১২:৫৬

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
মানব জিন/ডিএনএ টেম্পারিং করার পারমিশন এখনো দেয় না সভ্য দেশগুলো।

১০ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:১৫

কলাবাগান১ বলেছেন: যখন সেইফটি এনসিউর করা হবে, তখন ঠিকই পারমিশান দিবে

১২| ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ৮:৪৩

এলিয়ানা সিম্পসন বলেছেন: আমি তো ব্লগে আসিই না। আর আসলেও শুধু চাঁদগাজী আর আপনার পোষ্ট চেইক করি। চাঁদগাজীর পোষ্ট বেশি পড়িনা আর, বোরিং। আমি যেসব পোস্টে কমেন্ট করি সেগুলোর একটা প্যাটার্ন আছে। আমাকে কেউ এসে বলে না অমুক পোস্টে কমেন্ট করতে। যেমন আজকে ব্লগ থেকে বের হওয়ার ঠিক আগ মুহূর্তে দেখলাম "ভার্জিন বার্থ" নিয়ে একটা পোষ্ট। ভাবলাম হয়ত নতুনের ওই পোষ্টটাই। পরে দেখি আরেকজনের পোষ্ট। মনে হল এত গার্বেজ পোস্টের পিছনে মানুষ কিভাবে সময় নষ্ট করে। পরে আপনার কমেন্টের মাধ্যমে জানলাম সেই পোস্টে আমার নামও আছে =p~

আয়ু বাড়ানো গুনাহর কাজ না?

১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ১০:১৯

কলাবাগান১ বলেছেন: উনারা সিন্ডেকেট করে নামেন...মন গড়া কথা বলেন যে আমি আর আপনি নাকি সেইম লোক?????

ভার্জিন বার্থ বায়োলজিক্যালি পসিবল না...এটা উনি আর উনার সাংগপাংগ রা মানতে চান না....গল্পের গরুকে গাছে উঠানোর জন্য অনেক প্রচেস্টা করে যাচ্ছেন কিন্তু ৮ বিলিয়ন লোকের মাঝে এক জন ও যখন এই পর্যন্ত্য ভার্জিন বার্থ হয় নাই, সেটা ২০০০ বছর শুধু একবার ই হয়েছিল সেটার বৈজ্ঞানিক কোন ব্যাখা নাই।

১৩| ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ৮:৫৩

এলিয়ানা সিম্পসন বলেছেন: হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
ইসা নবি বা জেসাস ক্রাইষ্টের জন্ম প্রকৃয়া বোঝাতে এত XY YX কাহিনী বোঝানো দরকার পড়ে নাকি?
ধর্মিয় দৃষ্টিতে আল্লাহ 'হও' বললেই তো হয়ে যাওয়ার কথা। এক কথায় শেষ।

এটাই সত্যি কথা। এত গার্বেজ টার্বেজ পোস্টের দরকার হয় না।

১৪| ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ১০:২৯

এলিয়ানা সিম্পসন বলেছেন: আপনি আর আমি তো এক লোকই।

এসব মানুষদের বোঝানোর দায়িত্ব আমি পালন করি না। আপনি আর নতুন দেখি বিভিন্ন পোস্টে অনেক মানুষকে অনেক কিছু বোঝানোর চেষ্টা করেন। আরেকজন ছিল, উদাসী স্বপ্ন। শুধু শুধু কষ্ট করে পোষ্ট দিত।

নীল আকাশ একটা হোমোফোবিক পোষ্ট দিয়েছে। ওখানে গিয়ে মলাসইলমুইনা আর সোহানী বাহ বাহ দিয়ে আসুক না? তারা তো এসব সাপোর্টই করে তাই না? নীল আকাশ তো তার সাপোর্ট দিয়েই এসেছে "ভার্জিন বার্থ" পোস্টে।

আর আমরা না একদিন বানর হয়ে ঘুমাতে গিয়েছি, পরের দিন মানুষ হয়ে জন্ম গ্রহণ করেছি? :P

১৫| ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ১১:০২

রূপম রিজওয়ান বলেছেন: দারুণ একটা কৌতুহলোদ্দীপক বিষয় তো! কোন ধারণাই ছিল না। নেটে সার্চ দিতে হবে।
অনেক ধন্যবাদ।

১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ৮:৪০

কলাবাগান১ বলেছেন: ধন্যবাদ

১৬| ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১২:১৬

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
একটি অতি জটিল বিষযকে অতি প্রাঞ্জল বাংলা ভষায় তুলে ধরা বেশ একটি কঠিন কাজ।
কাজটি আপনি করতে পেরেছেন অতি সুন্দরভাবে, এর জন্য রইল অন্তরের অন্তস্থল হতে ধন্যবাদ্

Telomerase অবিস্কারের জন্য Greider and Blackburn কে ২০০৯ সনে যৌথভাবে মেডিসিনের উপরে নোবেল পুরস্কার দেয়ার খবর দেখেছিলাম । বিষয়টির ভিতরে গিয়ে তখন দেখিনি ভাল করে । এখন আপনার এই মুল্যবান লেখায় বিষয়টি সচিত্র দেখে বুঝতে পারলাম ভাল করে। পোষ্টটি প্রিয়তে গেল।

অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল

১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ৮:৪১

কলাবাগান১ বলেছেন: ধন্যবাদ..। বিষয়টা আমার খুবই প্রিয় সাবজেক্ট.....কয়েক বছর আগে একবার জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের Greider এর ল্যাবে গিয়েছিলাম..

১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ৮:৫৪

কলাবাগান১ বলেছেন: এটার উপর কি একটু লিখবেন.।আমার সময় নাই নাই নাহলে আমিই লিখতা.আজকের আমেরিকার ম্যাগাজিনে এসেছে
কিন্তু লিং টা দিতে পারছি না (সামু রিজেক্ট করছে)

এটা লিখে সার্চ দিন
Yellow Dye in Turmeric Linked with Lead Poisoning in Bangladesh

১৭| ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ৯:৫২

এলিয়ানা সিম্পসন বলেছেন: দিস ইস ভেরি স্যাড। তাহলে তো অনেক বাচ্চা ইন্টেলেকচুয়াল ডিসঅ্যাবিলিটি নিয়ে জন্মাবে। আমাদের আমেরিকায় যেসব বাংলাদেশি হলুদ বেচে সেগুলোতেও আছে নাকি। সরকার কি করবে? শুধু প্রেস নোটিস দিয়ে বসে থাকবে।

১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ৯:৫৬

কলাবাগান১ বলেছেন: Although the US and other countries have quality control measures to ensure imported spices are not contaminated with lead, there is nevertheless some concern that products can be adulterated. Forsyth is starting a collaboration with the New York City Department of Health and Mental Hygiene to investigate lead poisoning within the South Asian community in the city.

১৮| ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ১০:০০

এলিয়ানা সিম্পসন বলেছেন: Yeah, I read it. বাংলাদেশ থেকে এক্সপোর্ট করার ব্যপারে নাকি বলা আছে ডাই না করতে। অ্যাটলিস্ট আমেরিকা তো কিছু করবে আমাদের জন্য। আর বাংলাদেশের মানুষের কি হবে। আমরা কি বাংলাদেশে যাওয়ার আগে আমেরিকা থেকে হলুদ নিয়ে যাবো নাকি lol

১৯| ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ১০:০৯

এলিয়ানা সিম্পসন বলেছেন: স্যাড! Stanford Researchers Find Lead in Commonly Used Spice

১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ১০:১৩

কলাবাগান১ বলেছেন: পোস্ট ইট অন সামু

২০| ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৯ সকাল ১০:২৮

এলিয়ানা সিম্পসন বলেছেন: আমার পোষ্ট প্রথম পাতায় যায় না। What did they do about the antibiotics in milk? I just read the government denied all the findings and said they won't do anything until it's published on a peer reviewed journal lol

এক দিক দিয়ে ভাল। বাংলাদেশের গরিব মানুষ এমনিতেই অ্যান্টাইবাওটিক কিনতে পারে না। সো তাদের জ্বর কাশির ফ্রি চিকিৎসা হয় lol

২১| ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০১৯ রাত ১২:৪০

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: বাংলাদেশের হলুদের মধ্য থাকা লিডের মাত্রাতিরিক্ত উপস্থিতি এবং দেশের প্রসুতি মাতাদের উপর এর মারাত্বক
ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কিত The scientist.comএর news yellow dye in turmeric linked with lead poisoning in Bangladesh সত্যিই একটি দু:সংবাদ ।
আমি চেষ্টা করে দেখি এখানে লিংকটি আসে কিনা ।
yellow dye in turmeric linked with lead poisoning in Bangladesh
লিংকটি আসবনা বিবেচনায় সংবাদ ভাষ্যটির পুরাটা নীচে তুলে দিলাম ।

এ গুরুত্বপুর্ণ বিষয়টি নিয়ে আমাদের ব্লগের কেও না কেও সুন্দর পোষ্ট দিতে পারবেন। তাই এ বিয়য়ে সকলের দৃষ্টি আকর্ষন করছি ।

yellow dye in turmeric linked with lead poisoning in Bangladesh
Scientists track the spice from the soil to the market to pinpoint the source of contamination in pregnant women’s blood.
Dec 17, 2019
CLAIRE JARVIS
740
ABOVE: © ISTOCK.COM, BDSPN
It was the 2016 monsoon season when Jenna Forsyth, then a doctoral student at Stanford University, visited the Chowk Bazaar, a vibrant market in Dhaka, the Bangladesh capital. Forsyth and her collaborators ducked into a shop selling every pigment color under the sun. While a downpour lashed outside, fans inside gently blew clouds of colorful dyes around the room. “It’s an incredible sight to see,” reflects Forsyth, now a postdoc at Stanford.

Her trip was part of an international investigation to explain a puzzling and alarming finding: Why were 30 percent of pregnant women living in the Bangladesh countryside showing up with elevated concentrations of lead in their blood? Lead is a known neurotoxin that increases the risk of miscarriage in pregnant women and can pass from the mother’s blood to her fetus, causing health problems and developmental issues once the baby is born. There is no safe level of lead exposure. The result—part of a broader clinical study into the effect of hand sanitation and clean water on infant health—was surprising to Forsyth and her colleagues when they first learned about it in 2014. Forsyth’s PhD supervisor Stephen Luby was involved in this initial clinical study and asked her to investigate.

Bangladeshi merchants started dyeing their roots to make them more appealing to consumers. Unfortunately, the cheapest yellow dye on the market is lead chromate.
Lead poisoning is usually associated with urban phenomena: vehicle emissions, water pipes, and lead paint. But there aren’t as many vehicles out in the countryside, and families in that region usually don’t paint their homes.

Forsyth’s team started looking for sources of lead. They sampled a wide range of domestic items including metal food cans, spices, and soil. Several samples of turmeric came back with high quantities of lead.

Turmeric contamination with lead has turned up before. A 2014 study from a different group of researchers hypothesized that turmeric was a major source of lead exposure in Bangladeshi children, but the hypothesis was difficult to prove, and there were competing suggestions about where precisely the lead came from. Was lead leaching from contaminated soil where the plant is grown or from turmeric processing machinery? Were manufacturers adulterating the expensive spice to increase its weight?

Forsyth’s collaborators at the International Centre for Diarrhoeal Disease Research in Bangladesh (ICDDR,B) set off to pinpoint the source of lead, working their way through the supply chain. “We relied on our team members’ familial connections,” Forsyth explains. Collaborators with relatives from the major turmeric harvesting and refining regions asked them for local insights and began visiting markets and mills.

“It was really challenging at first,” says Mahbubur Rahman, a project coordinator in the Environmental Interventions Unit at the ICDDR,B. It took time for his team members to build a relationship with local workers who polish the turmeric root to remove the skin and make it look brighter. He says they were afraid of the investigators because of the potential for a regulatory response if they admitted to adulterating the spice. His colleagues assured them they were trying to support local businesses and keep the mill workers safe from lead exposure. The locals then started to open up about their business and manufacturing practices.

The introduction of lead to turmeric

Turmeric owes its bright yellow color to its active ingredient, curcumin. Harvested turmeric roots are dried out and that process brings the curcumin to surface of the root, deepening its yellow luster.
Bangladesh’s turmeric merchants first ran into trouble in the 1980s, when flooding damaged turmeric crops. The wet turmeric looked dull when placed alongside Indian wares, which were just beginning to sell in Bangladeshi markets and were an attractive bright yellow. The Bangladeshi merchants started dyeing their roots to make them more appealing to consumers.

Unfortunately, the cheapest yellow dye on the market is lead chromate. It is only authorized for industrial applications such as paints, but dye vendors turned a blind eye when spice merchants began buying it.

Forsyth and her team needed evidence that lead chromate dye was the source of lead in the rural women’s blood.

“Every lead mine on Earth has a unique fingerprint,” says Joseph Graziano, an environmental health sciences researcher at Columbia University, who did not participate in the work. Lead has four stable isotopes, and ratios between those four isotopes vary between sources.

So the researchers took lead isotopic ratios from turmeric, food containers, and soil. They calculated the closest “fingerprint” match to the lead in the women’s blood was indeed the lead in yellow turmeric dyes. The findings were published September 6 in Environmental Research and September 17 in Environmental Science and Technology.

Graziano describes the latter paper, for which he was a reviewer, as a “tour de force,” adding that “the issue of looking at stable isotopes of lead is not trivial.”

“They made this connection between lead in the spice and the blood in a compelling way,” says Maitreyi Mazumdar, a pediatric neurologist at Boston Children’s Hospital who wasn’t involved in the study.

Mazumdar, a coauthor on the 2014 paper, cautions against treating this study as the final, definitive word on lead poisoning in Bangladesh. “We know there’s many sources of lead exposure for the population in Bangladesh and I think this is a very important source of exposure, but there are many threats.”

It’s still too early to know if the findings will promote long-term change in the turmeric industry. Preventing contamination of turmeric with lead is not a trivial issue, in part because of consumer preference for bright yellow roots. Long-term solutions could include selectively breeding turmeric strains with higher curcumin content, says Forsyth, or developing a method to dry the turmeric roots more effectively, as this would create naturally brighter turmeric that doesn’t need coloring.
Although the US and other countries have quality control measures to ensure imported spices are not contaminated with lead, there is nevertheless some concern that products can be adulterated. Forsyth is starting a collaboration with the New York City Department of Health and Mental Hygiene to investigate lead poisoning within the South Asian community in the city.

In Bangladesh, the researchers gave food safety authorities advance notice of the findings so they could formulate a response. Rahman describes how, on the day their research findings were published online, the Bangladesh government issued a public notice in the print newspapers, warning they would take action against producers who continued to adulterate turmeric with lead chromate. The Prime Minister’s Office of Bangladesh took notice and added its support to stopping lead contamination, a development that encouraged the team. “It really needs the support of the government,” Rahman says, explaining that strong evidence is usually needed to prompt long-term government action and gives food safety authorities the strength to take action against powerful businesses.

J.E. Forsyth et al., “Sources of blood lead contamination in rural Bangladesh,” Environmental Science and Technology, 53:11429–36, 2019.

J.E. Forsyth et al., “Turmeric means ‘yellow’ in Bangladesh: Lead chromate pigments added to turmeric threaten public health across Bangladesh,” Environmental Research, 179:108722, 2019.
Claire Jarvis is an Atlanta-based science reporter. Email her at [email protected] or find her on Twitter @StAndrewsLynx.




২২| ০৭ ই জানুয়ারি, ২০২০ ভোর ৫:৪১

এলিয়ানা সিম্পসন বলেছেন: I want to throw up Comments

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.