নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

কলাবাগান১

বাংলাদেশ হোক রাজাকার মুক্ত

কলাবাগান১ › বিস্তারিত পোস্টঃ

গনস্বাস্হ্য এর করোনা কিট

১০ ই এপ্রিল, ২০২০ সকাল ৮:৩১


প্রথমেই আমি অভিনন্দন জানাতে চাই গনস্বাস্হ্য এর করোনা কিট তৈরী করার বিজ্ঞানী ও জনাব জাফরউল্লাহ সাহেবকে.. যখন আমরা সবাই পড়ে থাকি বিদেশ থেকে স্বাস্হ্য সরন্জাম আমদানি করতে ..তখন দেশীয় ভাবে এই কিট তৈরী করার প্রয়াসকে অভিনন্দন জানাতেই হয়....

কিন্তু উনারা যে ভাবে এই কিট কে ব্যবহার করার কথা ভাবছেন সেখানে এই কিট উপকার করার চেয়ে অপকার বেশী করবে....উনাদের কিট হল সেরোলজিক্যাল টেস্ট যেটা আপনার রক্তে করোনা স্পেসিফিক কোন এন্টিবডি আছে কিনা সেটা ডিটেক্ট করবে....কিন্তু একজন রোগীর সেরোলজিক্যাল রেসপন্স (এন্টিবডি তৈরী করতে) বেশ কিছুদিন লেগে যায়....তাই পৃথিবীর কোন দেশেই এই সমস্ত সেরোলজিক্যাল কিট করোনা ডিটেক্শান করার জন্য ইউজ হয় না। সেরোলজিক্যাল কিট শুধুমাত্র কেউ কি আগে করোনাতে আক্রান্ত হয়েছিলেন কিনা এবং এখন ইমিউন কিনা সেটা জানার জন্যই বেশী ইউজ হচ্ছে...এটা জানা খুবই দরকারী...কেননা ২০-২৫% লোক করোনাতে আক্রান্ত হয়েও কোন সিম্পটম শো করে না। কিন্তু তারাও এই ভাইরাস ছড়াতে পারে।

শয়ে শয়ে কোম্পানী ব্যান্গের (বানান) ছাতার মত গড়ে উঠছে এই সমস্ত সেরোলজিক্যাল কিট বিক্রি করার জন্য।

জাস্ট নিচের লিং ক্লিক করে দেখুন কত কোম্পানী অলরেডী এই রকম কিট বিক্রি করার আরম্ভ করেছে
Corona serological kits

গনস্বাস্হ্য বলছে আক্রান্ত হওয়ার তিন দিন পরে উনারা ডিটেক্ট করতে পারবেন..।যেটা বর্তমান পিসিআর পদ্ধিতে প্রথম দিন ই সনাক্ত করা যায়...কিন্তু তিন দিনের মাঝে প্রচুর লোক এর মাঝে ই কোন এন্টিবডি তৈরী হবে না..হলেই শুধু IgM টাইপ এন্টিবডি তৈরী হবে কিন্তু IgG antibody তৈরী হতে আরো সময় নেয়...তিনদিনের মাথায় দুইটা এন্টিবডিকে ডিটেক্ট করা প্রায় অসম্ভব....এতে প্রচুর ফলস নেগেটিভ রেজাল্ট আসবে...। আবার ফলস পজিটিভ রেজাল্ট ও আসে...কেননা আরো অনেক রকম করোনা ভাইরাস আছে যারা এই করোনার মত এত মারাত্নক (বানান) না....কিন্তু তারাও এই করোনার মত সেইম প্রোটিন ক্যারি করে...তাই আপনি যদি আগে এই রকম কোন নির্জীব করোনা দ্বারা আক্রান্ত হয়ে থাকেন....তবে এই কিট হয়ত (হয়ত বলছি যেহেতু আমি জানি না উনারা কোন প্রোটিন টা ইউজ করছেন) আপনাকে বলবে বর্তমান করোনাতে আপনি আক্রান্ত হয়েছিলেন...।

সেরোলজিক্যাল কিট শুধুমাত্র কেউ কি আগে করোনাতে আক্রান্ত হয়েছে কিনা এবং এখন ইমিউন কিনা সেটাই বেশী জানায়...তাই ডাক্তার/নার্স এদেরকে বেশী করে পরীক্ষা করা হচ্ছে এই সমস্ত কিট দিয়ে...ব্রিটেন ২০ হাজার সেরোলজিক্যাল কিট কিনেছে জনগনের মাঝে টেস্ট করার জন্য যাতে জানতে পারা যায় যারা মাইল্ড সিম্পটম/ অথবা কোন সিম্পটম ছাড়া ই ভাল হয়ে গিয়েছেন তাদের কে ডিটেক্ট করতে...এতে করে যদি দেখা যায় প্রচুর পরিমান লোকের মাঝে করোনার এন্টিবডি আছে, তাহলে সেই এলাকা খুলে দেওয়া যায়..যদিও আমরা এখনও জানিনা এই এন্টিবডি কি কোন প্রটেকশান দিবে কিনা অথবা দিলেই কতদিন ধরে দিবে। মার্স করোনার এন্টিবডি ১০ মাসের বেশী প্রটেকশান দেয় না..।

ব্রিটেন আজ দুঃখ করে বলছে সেরোলজিক্যাল কিট দিয়ে যে আশা তারা করেছে সেটা সম্ভব বলে মনে হচ্ছে না কেননা কিটগুলি কোনভাবেই ১০০% কাজ করছে না.. ৬০-৭০%.এখানে দেখুন
Corona test kit inefficient

যেহেতু এই কিট দ্বারা অনলি যারা কয়েকদিন ধরে আক্রান্ত শুধু তাদের কে করোনাতে আক্রান্ত কিনা শনাক্ত করা যাবে..।সেটা তার সিম্পটম এর মিল রেখেই বলা যাবে কিন্তু ততদিনে সর্বনাশ হওয়ার যা তা হয়ে যাবে...সেই ব্যক্তি তিনদিনের এর পর তত ছোয়াছে না যত ছোয়াচে প্রথম কয়দিন....

এই কিট কে ব্যবহার করতে হবে সবাইকে ...তাহলে একটা ধারনা হবে সমাজে herd immunity develop (most of the people protected through prior exposure) হচ্ছে কিনা ...বিশেষ করে যারা ইকনোমিক এক্টিভিটি এর জন্য এসেনসিয়াল, সেই সমস্ত লোকজনদের উপর এই কিট দিয়ে পরীক্ষা করা উচিত সবার আগে

রোগাক্রান্ত কে পরীক্ষা করে করোনাতে আক্রান্ত বলার মাঝে কোন ইনোভেশন নাই।

আর এই কিট যদি করোনা তে আক্রান্ত নাকি শুধু তা ডিটেক্শানে ইউজ করা হয়, তাতে হিতে বিপরীত ই হবে। প্রচুর ফলস নেগেটিভ হবে...উনারা মাত্র ৫জন রোগীর রক্ত দিয়ে কিট পরীক্ষা করবেন.।তার রেজাল্ট আমরা এখনও জানিনা (কতদিন এ আক্রান্ত রোগীর রক্ত সেটাও জানানো হয় নাই)..

এবোট ল্যাবোরেটরি ৫ মিনিটে ভাইরাস (এন্টিবডি না) ডিটেক্শান করার যন্ত্র বাজারে এনেছে (আমার আগের পোস্ট দেখুন)...সেটা দিয়ে যারা আক্রান্ত কিন্তু এখনও কোন সিম্পটম শো করে নাই, তাদের কেও ডিটেক্ট করা যাবে আর তাতে আক্রান্ত দের কোয়ারাইন্টানে নিয়ে অন্যদের কে প্রটেক্ট করা যাবে কিন্তু অসুস্হ হওয়ার পর টেস্ট করে তেমন কোন লাভ হবে না, কেননা এর আগেই সে অনেক বেশী ছড়িয়ে দিবে...

প্রতি ৫০০ জনে একজন করে গড়ে সব জনগনের টেস্টের জন্য গনস্বাস্হ্যের কিট ব্যবহার করা হোক।

আশার কথা আমাদের উপমহাদেশে আসতে আসতে এই ভাইরাস এর 'এস' প্রোটিন যেটা দিয়ে সে মানুষের কোষে প্রবেশ করে সেটা তে কিছু মিউটেশন দেখা যাচ্ছে...এই মিউটেশন এর ফলে করোনা কিছুটা হলেও কোষে প্রবেশ করার যোগ্যতা হারাবে ...।আর তার জন্য ই হয়ত বা আমাদের উপমহাদেশে আমেরিকা/ইউরোপের মত এত মহামারীর আকারে এটা ছড়িয়ে পড়ছে না...।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাক্রোবায়োলজি ডিপার্টমেন্ট এর উচিত বাংলাদেশের করোনা আক্রান্ত রোগীর করোনা ভাইরাস এর জিনোম সিকোয়েন্স করে আমেরিকা/ইউরোপের করোনা ভাইরাস এর সাথে তুলনা করা...ইউরোপ/আমেরিকার করোনার ভাইরাস জিনোম বিনামূল্যে আমেরিকার জিনব্যন্ক এ পাওয়া যাচ্ছে....



মন্তব্য ২১ টি রেটিং +৩/-০

মন্তব্য (২১) মন্তব্য লিখুন

১| ১০ ই এপ্রিল, ২০২০ সকাল ৯:৪০

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: মিথ্যা পজিটিভ দেখালে বিপদ। সেই লোক চরম হেনস্তার শিকার হবে। আক্রান্ত হওয়ার ৩ দিনের পর ছোঁয়াচে হওয়ার প্রবণতা কমে কেন?

প্রতি রোগীকে ২ বার টেস্ট করাতে হবে ৩-৫ দিনের ব্যবধানে। কারও পজিটিভ আসলে পুনরায় IEDCR এর মাধ্যমে টেস্ট করাতে হবে নিশ্চিত হবার জন্য। ঘরে বসে নিজে নিজে টেস্ট করানোর উপায় থাকলে ভালো হত।

১০ ই এপ্রিল, ২০২০ সকাল ৯:৫০

কলাবাগান১ বলেছেন: প্রথম দিকেই ভাইরাস প্রচুর পরিমানে রিপ্লিকেট করে ...আর আক্রান্ত ব্যাক্তি ছড়াতে থাকে যদিও সে কোন সিম্পটম শো করে না প্রথম দিকে......মানুষ যারা মারা যাচ্ছে তারা বেশী ভাইরাস এর জন্য মারা যাচ্ছে না....তারা মারা যাচ্ছে দেহের ইমিউন সিস্টেম অতিমাত্রায় সক্রিয় হয়ে দেহের বিভিন্ন অর্গান কে আক্রমন করে বিকল করে দেয়
"this immune system response to this invader can also destroy lung tissue and cause inflammation. The end result can be pneumonia. That means the air sacs in the lungs become inflamed and filled with fluid, making it harder to breathe"

২| ১০ ই এপ্রিল, ২০২০ সকাল ৯:৫৬

রাফা বলেছেন: আমার ধারণা উপ-মহাদেশে করোনা অলরেডি ব্যাপক আকারে ছড়িয়ে গেছে।যেহেতু টেস্টের অপ্রতুলতা রয়েছে তাই সঠিক সংখ্যা জানছিনা।এ্যনিওয়ে দেখা যাক কতটা নির্ভুলভাবে কাজ করে এই কিট। যদি ভালো রেজাল্ট আসে ।তাহলে অত্যন্ত কম দামে পাওয়া যাবে বলে মনেকরছি।যেহেতু দেশেই তৈরি হবে।আর প্রয়োজন মত উৎপাদনও করা যাবে।

ম্যারিল্যান্ডে'তো এখন ব্যাপকভাবে ছড়াচ্ছে করোনা।সো সাবধানে থাইকেন।ধন্যবাদ।

১০ ই এপ্রিল, ২০২০ সকাল ১০:০১

কলাবাগান১ বলেছেন: এই কিটের ব্যাপক উপকারিতা আছে তবে সেটা করোনা ডিটেকশান এর জন্য না সেটাই বলতে চেয়েছি.....পৃথিবীর কোন দেশই সেরোলজিক্যাল কিট দিয়ে করোনা ডিটেক্ট করে না ..করে পিসিআর পদ্ধতি ইউজ করে...

বাসায় ঢুকে পড়েছি প্রায় ৩ সপ্তাহ হল...বাইরে যাওয়া ১০০% বন্ধ...বাসায় বসি কাজ করি ....৩ সপ্তাহের মাঝে দুবার, নাক মুখ হাত বেধে গ্রোসারীতে গিয়ে বাজার করেছি।

৩| ১০ ই এপ্রিল, ২০২০ সকাল ১০:০৫

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: তার মানে দেহের বিভিন্ন অর্গান যাদের সবল তারা ইমিউন সিস্টেমের অতি মাত্রার সক্রিয়তা থেকে তাদের দেহের অর্গান সমূহকে রক্ষা করতে পারে। যদি ভুল বুঝে না থাকি।

১০ ই এপ্রিল, ২০২০ সকাল ১০:০৯

কলাবাগান১ বলেছেন: ইমিউন সিস্টেম স্ট্রং থাকা জরুরী কিন্তু অতিমাত্রায় স্ট্রং হলেই বিপদ...আর ভাইরাস এর আক্রমনে ইমিউন সিস্টেম অতিমাত্রায় সক্রিয় হয়ে অর্গান গুলিকে এটাক করে আর এতেই রোগীর মৃত্য হয়।

৪| ১০ ই এপ্রিল, ২০২০ দুপুর ১২:৫৫

নেওয়াজ আলি বলেছেন: ভাইরাস ক্ষমতাহীন হলেই এখন মানুষ বাঁচে

১০ ই এপ্রিল, ২০২০ রাত ১০:১১

কলাবাগান১ বলেছেন: পৃথিবীতে ১০^৩১ টাইপের ভাইরাস বেশীর ভাগ ই সমুদ্রে...তারা এত সহজেই ক্ষমতাহীন হবে না

৫| ১০ ই এপ্রিল, ২০২০ দুপুর ১:২২

রাজীব নুর বলেছেন: দরিদ্র দেশে কিচ্ছু নেই। কিট নেই। খাবার নেই। আছে শুধু চোর।

১০ ই এপ্রিল, ২০২০ রাত ৯:২৮

কলাবাগান১ বলেছেন: আর আছে টিটকারী আর খোচা দিয়ে কথা বলার লোক...কাজের চেয়ে কথা বলার লোক বেশী

৬| ১০ ই এপ্রিল, ২০২০ দুপুর ১:৪৯

নতুন বলেছেন: আমাদের দেশের করোনা আক্রান্ত রোগীর করোনা ভাইরাস এর জিনোম সিকোয়েন্স করে আমেরিকা/ইউরোপের করোনা ভাইরাস এর সাথে তুলনা করা

এটা ভালো বলেছেন। আর আপনার আগের সেম্পল মিক্স এর আইডিয়ার টা ভালো। এতে করে প্রতিদিন কয়েক হাজার টেস্ট করা সম্ভব।

দেশের জনগনের উচিত ঘরে থাকা।

১০ ই এপ্রিল, ২০২০ রাত ৯:২৬

কলাবাগান১ বলেছেন: এখন বোধহয় দৈনিক ইত্তেফাক এ সামু ব্লগের লিখা প্রকাশ হয় না...তাহলে আমাদের লিখাগুলি আরো বেশি লোকজনের চোখে পড়ত

একটা ভাইরাসের জিনোম সিকোয়েন্স করা এত কঠিন কিছু না এখন...আমাদের দেশেই পাটের জিনোম সিকোয়েন্স হয়েছে

৭| ১০ ই এপ্রিল, ২০২০ বিকাল ৩:৩৮

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




জনাব জাফরউল্লাহ সাহেব সময়োপযোগী কাজ করেছেন আশার বাণী তিনি উক্ত টেষ্ট কিট আরো আপডেট করার কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। যখন দেশের সবাই গসিপে ব্যস্ত, একদল চাল ত্রাণ চুরিতে ব্যস্ত তখন কেউ তো আছেন যিনি দেশের জন্য জনগণের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন।

দেশে নেতানেত্রী গণ একদল পাইকারি বলদ তৈরি করেছেন যারা ত্রাণের নামে রিতিমতো তামাশা করে ছেড়েছে। ছবি তুলে তুলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম রিতিমতো গার্বেজে পরিনত করেছেন জনাব জাফরউল্লাহ সাহেবকে অভিনন্দন তিনি নিরবে দেশের সাধারণ মানুষের পাশে দাড়িয়েছেন। আমাদের দেশের ১৭ কোটি জনগণের উচিত ঘরে থাকা। করোনার ১ম, ২য়, ও ৩য় ধাক্কা কাটিয়ে না উঠা পর্যন্ত অপেক্ষা করা।

ধন্যবাদ কলাবাগান ভাই খুব প্রয়োজনীয় তথ্য উপস্থাপনের জন্য। আপনার তথ্য উপস্থাপনের কৌশলটি চমৎকার হয়েছে। আবারো ধন্যবাদ নিবেন।



১০ ই এপ্রিল, ২০২০ রাত ৯:২৩

কলাবাগান১ বলেছেন: সেই জন্যই জাফরউল্লাহ সাহেবকে ধন্যবাদ জানিয়ে লিখা টি শুরু করেছি...গনস্বাস্হ্য খুবই ভাল কাজ করছে

৮| ১০ ই এপ্রিল, ২০২০ বিকাল ৪:৪৫

নতুন বলেছেন: Coronavirus mutated into three distinct strains: Researchers

https://www.khaleejtimes.com/coronavirus-pandemic/coronavirus-mutated-into-three-distinct-strains-researchers

১০ ই এপ্রিল, ২০২০ রাত ৯:২০

কলাবাগান১ বলেছেন: দেখেছি এবং এটাই ন্যাচেরাল ইভুলিউশন

হোপফুল্লি সহসাই কোন ভ্যাকসিন/ঔষুধ চলে আসবে..।

৯| ১০ ই এপ্রিল, ২০২০ রাত ৮:১৪

ব্লগার_প্রান্ত বলেছেন: তাহলে কি এই কিট মন্দের ভালো?

১০ ই এপ্রিল, ২০২০ রাত ৯:১৭

কলাবাগান১ বলেছেন: এই কিটে কোনো মন্দ নাই.... জাস্ট কি ভাবে এবং কোথায় বেশী ইউজ করা উচিত সেটাই আমি বলতে চেয়েছি

১০| ২০ শে এপ্রিল, ২০২০ দুপুর ১২:৪২

দেশ প্রেমিক বাঙালী বলেছেন: আপনার কথাগুলো সুন্দর কিন্তু তারপরও ওনার চেষ্টা করছেন কিছু একটা করার; এটাইতো অনেক যেখানে কোন হারামখোর চুরিতে ব্যস্ত।

১১| ২১ শে এপ্রিল, ২০২০ সকাল ৯:৩৮

এলিয়ানা সিম্পসন বলেছেন: Send the youngest healthiest person for grocery.

২১ শে এপ্রিল, ২০২০ সকাল ১০:৩৬

কলাবাগান১ বলেছেন: But inexperience will bring the virus home to their parents.

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.