নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

কলাবাগান১

বাংলাদেশ হোক রাজাকার মুক্ত

কলাবাগান১ › বিস্তারিত পোস্টঃ

করোনার প্রাদুর্ভাব এশিয়াতে কম কেন?? সম্ভাব্য কারন

১৩ ই মে, ২০২০ সকাল ৯:২৬


বাবা ও মেয়ে ড: সমীর সাহা এবং ড:সেজুতি সাহা কে অসীম অভিনন্দন যে তাদের অনেক পরিশ্রমের ফসল হিসাবে বাংলাদেশের করোনা ভাইরাস এর সম্পূর্ন জিনোম কে সিকোয়েন্স (ডিএনএ ডিকোড) করেছেন যাতে অন্য দেশের করোনা ভাইরাস এর সাথে এখন তুলনা করা যাবে। এই কাজ আরো অনেক আগেই করা উচিত ছিল ....যেখানে সারা বিশ্ব থেকে প্রায় ৩০,০০০ করোনা ভাইরাস এর জিনোম কে সিকোয়েন্স করা হয়েছে, সেখানে বাংলাদেশ থেকে সবেধন নীল মনি একখান ভাইরাস এর জিনোম এখন জানা গেল...।নতুন কিছুই নাই ...।বাংলাদেশের করোনা ভাইরাস প্রায় ১০০% সেইম চায়না এবং অন্যান্য দেশের এর ভাইরাস এর সাথে...তবে তার ৩০,০০০ ডিএনএ 'অক্ষর' মাঝে ৯ টা ডিএনএ 'অক্ষর' এ চেন্জ আছে ...যেটা নরমাল মিউটেশন এর ফল। তবে একটা মিউটেশন যেটা হওয়ার ফলে চায়নার ভাইরাস এর এস প্রোটিন এর একটা অংশে পরিবর্তন হয়েছে বাংলাদেশের ভাইরাসে যেটা হল (D614G) এবং এই মিউটেশন সারা বিশ্বেই এখন পাওয়া যাচ্ছে....তবে এই মিউটেশন টা নেচার এ টিকে আছে যেহেতু এটা এই ভাইরাসকে বংশবৃদ্ধি তে সাহায্য করে....আর এই মিউটেশন টা ইউরোপ -আমেরিকাতে বেশী সাহায্য করে করোনা ভাইরাসকে কিন্তু এশিয়াতে বেশী না....তাই আমার মনে হয় বাংলাদেশ এবং এশিয়াতে যেহেতু এখন মুলত এই D614G মিউটেশন এর করোনা ভাইরাস পাওয়া গেল, সেহেতু এটা হয়ত তত বেশী ক্ষতি করতে পারবে না যেহেতু এই মিউটেশন এর ফলে ভাইরাস টা সহজেই এশিয়ান লোকজন এর কোষে প্রবেশ করতে পারে না কিন্তু ইউরোপ-আমেরিকার মানুষের কোষে খুব সহজেই সে আক্রান্ত করতে পারে....।
এটা সম্ভব কেননা মানুষের এর মাঝে একটা জিন (gene) আছে সেটার নাম হল TMPRSS2 আর ইউরোপ আমেরিকার মানুষের মাঝে এই জিন এ একটা মিউটেশন খুব কমন তাকে বলে delC (মানে হল ডিএনএ এর একটা অক্ষর হল C and the C is deleted) আর এই জিন এর মিউটেশন হলে সে খুব সহজেই ভাইরাস এর D614G মিউটেশন কে রিকগনাইজ করে ভাইরাস এর এস প্রোটিন এর একটা অংশ কেটে ফেলে আর তাতেই এস প্রোটিন কোষে খুব সহজেই ঢুকতে পারে....। কিন্তু ফুরচুনেটলি এশিয়ার মানুষের মাঝে TMPRSS2 জিন এর delC মিউটেশন নাই, তাই এশিয়ার মানুষের TMPRSS2 জিন ভাইরাস এর D614G মিউটেশন কে রিকগনাইজ করতে পারে না এবং কোষে ঢুকার জন্য এস প্রোটিন কে কেটে সাহায্য ও করে না..তাই এশিয়াতে আমেরিকা-ইউরোপের তুলনায় অনেক কম প্রাদুর্ভাব....তবে আমেরিকা-ইউরোপ এ অনেক এশিয়ান ও আক্রান্ত হয়েছেন....তাদের মাঝে অনেকেই অনেক উদাসীন ছিলেন শেষ পর্যন্ত্য ....আমেরিকার জ্যাকসান হাইটস এ মার্চের শেষ দিকে ও জমজমাট ছিল....। এশিয়ান যারা ঘরে আছে বা ছিলেন তাদের মাঝে খুব কমই আক্রান্ত হচ্ছেন।

তবে একটা কথা...নেচার কখনই কোন মিউটেশন কে বাচিয়ে রাখে না যে মিউটেশন কোন উপকারে আসে না....।তাই ভয় হয় করোনা ভাইরাস যাদের মাঝে D614G মিউটেশন আছে তারা আস্তে আস্তে হারিয়ে যাবে এশিয়া থেকে কিন্তু সে নতুন কোন মিউটেশন নিয়ে আসবে যেটা এশিয়ান দের জন্য মারাত্মক হয়ে উঠবে.... তখন হয়ত একজন ব্লগার করোনাতে আমেরিকা লন্ডভন্ড বলে আর পোস্ট না দিয়ে চিন্তা করবে এর বৈজ্ঞানিক কোন কারন

একটা ভ্যাকসিন খুবই জরূরী তবে ভাইরাস অনেক বেশী মিউটেটেড হলে আবার বিপদ..তখন আবার নতুন ভ্যাকসিন লাগবে....তবে ঔষুধ আসলে ও ভাল...

শ্রদ্ধা জানাই বিজ্ঞানী সমীর সাহা ও সেজুতি সাহা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর খাদেমুল ইসলাম, মুসতাক আই্য়ুব, এবং গনস্বাস্হ্য এর ড: বিজন শীল যারা পৃথিবীর অন্যদেশের বিজ্ঞানী এর দের সাথে তাল মিলিয়ে স্বল্প রিসোর্স এর মাঝে থেকেই এক্সসিলেন্ট গবেষনা চালিয়ে যাচ্ছেন করোনা ভাইরাস নিয়ে।

মন্তব্য ২৬ টি রেটিং +৫/-০

মন্তব্য (২৬) মন্তব্য লিখুন

১| ১৩ ই মে, ২০২০ সকাল ১০:১১

কালা মনের ধলা মানুষ বলেছেন: অসাধারণ পোস্ট !!

১৩ ই মে, ২০২০ সকাল ১০:২০

কলাবাগান১ বলেছেন: না ভাই হাল্কা পোস্ট

২| ১৩ ই মে, ২০২০ সকাল ১০:২৭

সেজুতি_শিপু বলেছেন: বুঝিয়ে বলার জন্য ধন্যবাদ।

১৩ ই মে, ২০২০ সকাল ১০:৩১

কলাবাগান১ বলেছেন: ভয় ছিল হয়ত জঠিল বিষয়টাকে আরো জটিল না করে তুলি

৩| ১৩ ই মে, ২০২০ সকাল ১১:১৯

রাজীব নুর বলেছেন: ওকে।

১৩ ই মে, ২০২০ সকাল ১১:২৫

কলাবাগান১ বলেছেন: আমরা বাংগালী রা শুধু ওকে বলেই সারা....।বিদেশী রা বুঝার চেস্টা করে না বুঝলে প্রশ্ন করে

৪| ১৩ ই মে, ২০২০ সকাল ১১:৫৩

কলাবাগান১ বলেছেন: ব্লগের মডারেটর প্লাস দিলে কি সেটা শো করে না পোস্ট ওপেন করার পর???

৫| ১৩ ই মে, ২০২০ দুপুর ১২:২৩

নেওয়াজ আলি বলেছেন: বাংলাদেশের যারা গবেষণা করছেন তাদের শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা

১৩ ই মে, ২০২০ রাত ১০:৫৮

কলাবাগান১ বলেছেন: ধন্যবাদ

৬| ১৩ ই মে, ২০২০ দুপুর ২:১৩

নতুন বলেছেন: আমাদের কাদের আংকেল কিন্তু এই গবেষনা মনে মনেই করে বলেছিলেন """ আমরা করোনার চেয়েও শক্তিশালী""" :)

দেশের বাইরে বাংলাদেশী বেশি মারা গেছে। তাদের জেনেটিকস আমাদের মতন। তাই আমাদের দেশে আরো কিন্তু ফ্যাক্টর আছে যার কারনে দেশে মৃত্যুর হার কম।

হয়তো বত`মানের আবহাওয়া একটা কারন। গরমে আমাদের দেশে ইনফ্লুএন্জার প্রকব কমে। নিউমোনিয়ার প্রকব খুবই কমে যায়। তাই হয়তো করোনায় আক্রন্ত হবার পরেও এটা খারাপদিকে যেতে পারেনি।

১৪ ই মে, ২০২০ রাত ২:৩৫

কলাবাগান১ বলেছেন: আবহাওয়া একটা শক্তিশালী কারন....দেশের বাইরে বাংলাদেশী বেশী মারা গিয়েছে কিন্তু শতকরা হিসাবে তা খুবই নগন্য (অন্য সম্প্রদায়ের তুলনায়)

৭| ১৩ ই মে, ২০২০ বিকাল ৩:০৩

নিরীক্ষক৩২৭ বলেছেন: সোর্স অ্যাড করে দিলে ভাল হত।

১৪ ই মে, ২০২০ রাত ২:৩৩

কলাবাগান১ বলেছেন: ভাই এটা তো আমার নিজের পর্যালোচনা।

বাংলাদেশের ভাইরাস এর সিকোয়েন্স তো পাবলিশ হয় নাই কোন সাইন্টিফিক জার্নালে.।সোর্স দিব কিভাবে...এই ভাইরাস এর এর মিল অমিল আপনিও খুজে পাবেন এই ওয়েবসাইট
https://www.gisaid.org/
আর এই মিউটেশন নিয়ে প্রচুর গবেষনা পত্র আছে অনলাইনে গুগল করে দেখতে পারেন
একটা এখানে
https://www.theatlantic.com/health/archive/2020/05/coronavirus-strains-transmissible/611239/

৮| ১৩ ই মে, ২০২০ রাত ১০:০৮

আলাপচারী প্রহর বলেছেন: খুব ভালো লিখেছেন।

১৪ ই মে, ২০২০ রাত ২:৩৫

কলাবাগান১ বলেছেন: ধন্যবাদ

৯| ১৪ ই মে, ২০২০ রাত ২:৪১

নতুন বলেছেন: দেশে যারা মারা গেছে তাদের ভালো চিকিতসা করতে পারলে অনেক কমই মারা যেতো।

বেশির ভাগই জটিল সমস্যা নিয়ে এসেছে এবং চিকিতসা পায় নাই। :(

আশা করি দেশে মৃত্যুর হারটা বাড়বেনা। এবং আমরা হাড ইমিউনিটি অজ`ন করবো।

১৪ ই মে, ২০২০ সকাল ৯:০৭

কলাবাগান১ বলেছেন: হার্ড ইমিউনিটি এর জন্য কমপক্ষে ৭০% লোক এর মাঝে এন্টিবডি দরকার....তবে আশার কথা হল মর্ডানা এর ভ্যাকসিন এর ফেইজ ওয়ান ট্রায়াল তে মনে হচ্ছে খুব ভাল রেজাল্ট পাওয়া গেছে তাই এফডিএ ফার্স্ট ট্র‌েক করে ফেইজ টু আর থ্রি এর অনুমোদন দিয়েছে...ফেইজ ওয়ান ফেল করলে হয়ত ফেইজ টু, থ্রি এর চিন্তা করা হত না। ফেইজ ওয়ানে হ্য়ত প্রচুর এন্টিবডি পাওয়া গিয়েছে ভলান্টিয়ার এর দের দেহে....খুব সহসাই তারা তাদের রেজাল্ট জানাবে...আশার কথা

১০| ১৪ ই মে, ২০২০ রাত ৩:৪৩

রাজীব নুর বলেছেন: লেখক বলেছেন: আমরা বাংগালী রা শুধু ওকে বলেই সারা....।বিদেশী রা বুঝার চেস্টা করে না বুঝলে প্রশ্ন করে

প্রশ্ন করলে তখন আবার বললেন তর্ক করি।

১৪ ই মে, ২০২০ সকাল ৯:০০

কলাবাগান১ বলেছেন: সেটা প্রশ্নের ধরনের উপর নির্ভর করে.....

১১| ১৪ ই মে, ২০২০ ভোর ৬:৪৩

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: ভালো পোস্ট। ধন্যবাদ ভাই আপনাকে।
এশিয়ার সঙ্গে ইউরোপের পরিবেশগত দিক থেকে পার্থক্য বিদ্যমান। সে দিক থেকে কিছুটা হলেও মারণ ভাইরাস এশিয়াতে তেমন থাবা বিস্তার করতে না পারিনি। কিন্তু সবকিছু পরিবেশের উপর না ছেড়ে নিজস্ব জল হওয়ার উপর ভিত্তি করে মরণ ভাইরাসের প্রকৃতি সম্পর্কে গবেষণার অত্যন্ত দরকার ছিল। সে দিক থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষজ্ঞ টিমের সঙ্গে পিতা-কন্যার এই সাফল্যে একজন এশিয়াবাসী হিসেবে গর্বিত বোধ করছি।
পোস্টে চতুর্থ লাইক।

শুভেচ্ছা জানবেন।

১৪ ই মে, ২০২০ সকাল ৯:০৯

কলাবাগান১ বলেছেন: আমরাও গর্বিত তাদের সাফল্যে

১২| ১৪ ই মে, ২০২০ সকাল ৮:০০

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
নর্থ আমেরিকাতে ব্যাপক টিকা দেয়ার পরও সাধারন ফ্লু রোগে বছরে দেড় লাখের মত মারা যায়।
কিন্তু বাংলাদেশে ফ্লু টিকা কেউ নেয় না, ফ্লুকে সাধারন সর্দিজ্বর হিসেবেই জানে। ফ্লুতে কেউ মারা যায় এমনটা শোনা যায় না।
কেন? কোন গবেষনা হয়নি।
৩ মাসেও দেশে করোনায় মৃত্যুর হার এত কম কেন? যোগসুত্র থাকতেও পারে।

১৪ ই মে, ২০২০ সকাল ৯:০২

কলাবাগান১ বলেছেন: শুধু বাংলাদেশে না..।উপমহাদেশেই মৃত্যুহার ইউরোপ আমেরিকা থেকে অনেক কম....কম বলে হা হুতাশ না....কম বলেই স্বস্হি

১৩| ১৬ ই মে, ২০২০ দুপুর ২:৫৯

কল্পদ্রুম বলেছেন: Covid-19 RNA ভাইরাস।তাই 'ডিএনএ ডিকোড' না লিখে 'আরএনএ ডিকোড' লিখলে ভালো হতো।

ড.সেজুতি সাহার হাসি দেখলেই মনে হয় ভালো মানুষ।ওনার পুরো দলটাকেই অভিনন্দন।

আপনাকেও ধন্যবাদ পোষ্টের জন্য।

১৮ ই মে, ২০২০ ভোর ৪:৪৯

কলাবাগান১ বলেছেন: আরএনএ তো আর সরাসরি সিকোয়েন্স করা যায় না। আরএনএকে প্রথমে সিডিএনএ তে কনভার্ট করে ডিএনএ কেই সিকোয়েন্স করা হয়, তাই ডিএনএ ডিকোড করা হয়েছে লিখেছি

১৪| ১৭ ই জুন, ২০২০ রাত ১০:২৭

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: আপনার নতুন কোনো পোস্ট পাচ্ছি না। সময় করে নতুন পোস্ট দিন।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.