নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

কলাবাগান১

বাংলাদেশ হোক রাজাকার মুক্ত

কলাবাগান১ › বিস্তারিত পোস্টঃ

করোনা ভ্যাকসিন না ও লাগতে পারে

০৭ ই জুলাই, ২০২০ সকাল ১১:৩০


করোনা ভাইরাস এর আক্রমন থেকে পরিত্রান পাওয়ার জন্য পুরো পৃথিবী অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে ইফেক্টিভ ভ্যাকসিন এর জন্য। এখন পর্যন্ত্য জানামতে প্রায় ১১৫ টা ভ্যাকসিন পাইপ লাইনে আছে- প্রাথমিক পর্যায় থেকে (বাংলাদেশের ও ১টা) হিউম্যান ট্রায়াল পর্যন্ত্য। না জানার সংখ্যা আরো বেশী হতে পারে।কিন্তু একটা ইফেক্টিভ ভ্যাকসিন নানা পরীক্ষার পর বাজারে আসতে অনেক সময় লাগে এটা আমরা সবাই জানি।

এর বিপরীতে তিনটা কোম্পানী নীরবে কিন্তু খুবই দ্রুত তার সাথে ভ্যাকসিন এর অলটারনেটিভ হিসাবে সরাসরি এন্টিবডিকে ই ড্রাগ হিসাবে বাজারে নিয়ে আসার জন্য কাজ করছেন এবং অনেকদুর এগিয়েও গেছেন তারা...। ইবোলা, এনর্থাক্স ভাইরাস দমন এর জন্য এই পদ্ধতি সাফল্যজনক ভাবে কাজ করেছে। এখন সেইম কোম্পানী একই পদ্ধতি দিয়ে এই টেকনোলজি কে করোনা ভাইরাস এর বিরূদ্ধে কাজ করানোর জন্য এন্টিবডি ড্রাগ বের করেছে। তারা যেভাবে প্রাথমিক পর্যায়ে সাফল্য পেয়েছে (যেহেতু এটা সরাসরি টার্গেটেড পদ্ধতি), খুব দ্রুতই তারা শেষ পর্যায়ে এর ট্রায়াল এ পৌছে গেছে যা কোন ভ্যাকসিন এখনও এই পর্যায়ে আসে নাই। আমেরিকার সরকার বিপুল ভাবে এর পিছনে আছে ....তিনটা কোম্পানী এটা বাজারে আনার কাজে ভ্যাকসিন এর চেয়ে অনেক এগিয়ে আছে। সবার চেয়ে এগিয়ে আছে Regeneron কোম্পানী যারা শেষ পর্যায়ে এর ট্রায়াল আরম্ভ করেছে গতকাল থেকে। যেভাবে এটা ভ্যাকসিন এর মত কাজ করছে, সেই হিসাবে পরে ভ্যাকসিন আসলেও তেমন কাজে লাগবে না বলেই প্রতীয়মান।

ভ্যাকসিন কিভাবে তৈরী হয় সেটা এই কভিড এর কল্যানে এখন মোটামুটি সবাই জানে... ভাইরাস/ব্যাক্টিরিয়ার অংশ অথবা মৃতপ্রায় জীবানু কে শরীরে ইনজেক্ট করার পর, শরীর এন্টিবডি তৈরী করে....সেই এন্টিবডি পরে সেইম ভাইরাস/ব্যাক্টিরিয়া ইনফেক্ট করলে, প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারে। কিন্তু শরীর কিভাবে এই স্পেসিফিক এন্টিবডি তৈরী করে সেটা জানা খুবই ইন্টারেস্টিং...মিলিয়ন/বিলিয়ন এর উপরেও জীবানূ শরীর কে ইনফেক্ট করতে পারে...সবার জন্য 'ডিফারেন্ট' এন্টিবডি লাগবে যাতে একটা এন্টিবডি শুধুই একটা জীবানু কে ই প্রতিরোধ করবে। শরীরে বিলিয়ন এর উপরে এন্টিবডি আগে থেকেই থাকে, যখন নতুন কোন জীবানু শরীরে ঢুকে, বি কোষে যুক্ত থাকা নানা রকমের/shape এর এন্টিবডি এর সাথে লক এন্ড কি এর মত মিল হলেই বাইন্ড করে। এই বান্ডিং হওয়ার পর, সেইম বি সেল আরো বিলিয়নস বি সেল উইথ সেইম এন্টিবডি তৈরী করে।

এন্টিবডি হল একটা প্রোটিন। বায়োলজির যেকোন ছাত্র/ছাত্রী ই জানে ডিএনএ (জিন) কে 'ইউজ' করে প্রোটিন তৈরী হয়। আর একটা জিন 'একটাই' প্রোটিন বানানোর কোড বহন করে। তাহলে বিলিয়ন ডিফারেন্ট এন্টিবডি বানাতে তো বিলিয়ন (১,০০০,০০০,০০০) ডিফারেন্ট জিন লাগবে কিন্তু মানুষের শরীরে সর্ব সাকুল্যে ২৫,০০০ জিন আছে আর তার মাঝে মাত্র শ দুয়েক এন্টিবডি বানানোর জন্য জিন আছে। এই শ দুয়েক জিন এর প্রত্যেক টার মাঝে আবার ৫ থেকে ৬৫ টা ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র সেকশান আছে..।এক সেকশান গুলি একটা আরেক টার সাথে অদল বদল করে বিলিয়ন ডিফারেন্ট টাইপ এর এন্টিবডি বানাতে পারে।
Antibodies are produced that can react with almost any chemical structure in nature, including our own proteins.

ভ্যাকসিন বানানোর সময় শরীরে এন্টিবডি তৈরি হলেই ধরে নেওয়া হয় এটা কাজ করবে..।কিন্তু বিলিয়ন এন্টিবডির মাঝে কোন এন্টিবডির সাথে বাইন্ড করল, এটা দেখতে কেমন, কোন বি সেল এটা বানালো, কিভাবে বানালো (মানে কোন জিন কম্বিনেশনে) তা জানার তেমন দরকার পড়ে না। সরাসরি এন্টিজেন (ভাইরাস এর অংশ) ইনজেক্ট করা হয় এবং শরীরে আগে থেকেই থাকা এন্টিবডি কপি হতে থাকে (বংশবৃদ্ধি)।

কিন্তু যদি কোন ভাবে বিলিয়ন এন্টিবডির মাঝে অনলি যেটা করোনা ভাইরাস এর সাথে বাইন্ড করে, সেটা কে আইডেন্টিফাই করা যায়, তাহলে তার জিন কম্বিনেশন ও জানা যাবে। তখন ল্যাবেই সেই এন্টিবডি তৈরী করে, সরাসরি এন্টিবডি কে বড়ি/ক্যাপসুল আকারে খেয়ে নিলেই করোনা আর আক্রমন করতে পারবে না। আর এই কাজ টাই করেছেন Regeneron কোম্পানী।

Regeneron কোম্পানীকরোনাতে আক্রান্ত ইদুর ও কভিড আক্রান্ত রোগী থেকে প্লাজমা নিয়ে এন্টিবডি বানানোর বিলিয়নস অফ বি সেল কে আলাদা করে বের করেন। তারপর একটা একটা করে বি সেল এর সাথে করোনার স্পাইক প্রোটিন কে বাইন্ড করান....বিলিয়ন সেলের মাঝে, উনারা ২০০ টা বি সেল পান যেগুলি করোনার স্পাইক প্রোটিন এর সাথে বাইন্ড করে..। যেহেতু একটা বি সেল একটা এন্টিবডি, সেই হিসাবে উনারা সেই ২০০ টা এন্টিবডি কে আইডেন্টিফাই করে আইসোলেট করেন।

এই দুশ টার মাঝে, কোন এন্টিবডি ভাইরাস কে নিস্ক্রিয় করতে পারে সেই টেস্টে উনারা শেষ পর্যন্ত্য ৯ টা এন্টিবডি পান যেগুলি ভাইরাস কে সম্পুর্ন নিস্ক্রিয় করতে পারে। তারা ঐ এন্টিবডি গুলি কেই ঔষুধ হিসাবে প্রয়োগর জন্য সিলেক্ট করেন।
পাবলিশড পেপার এখানে
Antibody drug cocktail

এই ৯টা থেকে দুইটা এখন শেষ পর্যায়ের টেস্টে আছে (ফেইজ থ্রি). ইন্টারেস্টিং হল যে তারা দুইটা এন্টিবডি কে ককটেল হিসাবে একটা পিল বানিয়েছে। পরীক্ষায় দেখা গেছে যে একটা এন্টিবডি ইউজ করলে কিছু কিছু ভাইরাস মিউটেটেড হয়ে এন্টিবডি রেজিসটেন্ট হয়ে যায় কিন্তু দুইটা ভিন্ন ভিন্ন এন্টিবডি একসাথে ইউজ করলে কোন ভাবেই ভাইরাস দুইটা এন্টবডির বিরূদ্ধে একসাথে রেজিসটেন্ট হতে পারে না.।

যেটা ভ্যাকসিন এর দ্বারা সম্ভব নয়, কেন না একটা ভ্যাকসিন একটা ই এন্টিবডি।

বিস্তারিত Antibody Drugs

তাই ভ্যাকসিন এর আগে, ভ্যাকসিন এর চেয়ে ভাল কাজ করে এন্টিবডি ড্রাগ বাজারে আসার সম্ভাবনাই বেশী..আর ভ্যাকসিন এর আগে বাজারে আসলে, the world wide efforts to generate corona vaccine will become moot.


মন্তব্য ৩৮ টি রেটিং +৫/-০

মন্তব্য (৩৮) মন্তব্য লিখুন

১| ০৭ ই জুলাই, ২০২০ সকাল ১১:৪২

রাজীব নুর বলেছেন: স্পষ্ট কোনো কথা নেই। সবই ভাসা ভাসা।

০৭ ই জুলাই, ২০২০ সকাল ১১:৪৫

কলাবাগান১ বলেছেন: বুঝতে হলে তো এট লিস্ট মেট্রিক পাশ করতে হবে....বিরানী আর কোক তো নিউরন সেল সব গুলিকে ধ্বংসের শেষ পর্যায়ে নিয়ে গেছে...।

২| ০৭ ই জুলাই, ২০২০ সকাল ১১:৪৬

কাজী আবু ইউসুফ (রিফাত) বলেছেন: কিন্তু যদি কোন ভাবে বিলিয়ন এন্টিবডির মাঝে অনলি যেটা করোনা ভাইরাস এর সাথে বাইন্ড করে, সেটা কে আইডেন্টিফাই করা যায়, তাহলে তার জিন কম্বিনেশন ও জানা যাবে। তখন ল্যাবেই সেই এন্টিবডি তৈরী করে, সরাসরি এন্টিবডি কে বড়ি/ক্যাপসুল আকারে খেয়ে নিলেই করোনা আর আক্রমন করতে পারবে না।
[/sb
-----------অপেক্ষায় আছি!

০৭ ই জুলাই, ২০২০ সকাল ১১:৫০

কলাবাগান১ বলেছেন: অপেক্ষায় থাকবেন কেন?? Regeneron কোম্পানী তো সেই কাজ টাই করেছে যেটা তারা জগৎ বিখ্যাত বৈজ্ঞানিক জার্নাল- SCIENCE এ পাবলিশ করেছে। লিং দেওয়া আছে। আইডেন্টিফাই করে টেস্টের শেষ পর্যায়ে আছে এখন

৩| ০৭ ই জুলাই, ২০২০ সকাল ১১:৪৭

কলাবাগান১ বলেছেন: মোদ্দা কথা হল যে:
ভ্যাকসিন এর অলটারনেটিভ হিসাবে সরাসরি এন্টিবডিই ড্রাগ হিসাবে বাজারে আসছে

৪| ০৭ ই জুলাই, ২০২০ দুপুর ১২:০৭

আলমগীর সরকার লিটন বলেছেন: যাদের করোনা ধরেছে তাদরে কি হবে
এন্ডিবডি ক্যাপসুল/বড়ি কি কাজে লাগবে
কবে আসবে এন্ডি বডি ক্যাপসুল/বড়ি?

০৭ ই জুলাই, ২০২০ দুপুর ১২:১১

কলাবাগান১ বলেছেন: ভাইরাস এর বংশবৃদ্ধির সময়, এই ড্রাগ ভাল ভাবেই কাজ করছে ভাইরাস কে নিউট্রালিইজ করার কাজে। ফেইজ ৩ শেষ হতে ২-৩ মাস লাগবে...

৫| ০৭ ই জুলাই, ২০২০ দুপুর ১২:১৩

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: করোনার কারণে এখন জানতে পারছি, একটা ভ্যাক্সিন বাজারে আসতে দীর্ঘ সময়ের প্রয়োজন।

ড্রাগ হয়ত আগেই বাজারে চলে আসবে। কিন্তু, ড্রাগ এবং ভ্যাক্সিনের কার্যকারিতা কি সমান/একই হবে? এ বিষয়টা আসলে জটিল।

০৭ ই জুলাই, ২০২০ দুপুর ১২:২১

কলাবাগান১ বলেছেন: ড্রাগ টা যেহেতু দুইটা এন্টিবডির ককটেল, তাই ভ্যাকসিন এর চেয়ে ভাল কাজ করবে। এই দুইটা এন্টিবডিই পরীক্ষীত করোনা দমনে।
ভ্যাকসিন তো এই দুইটার মাঝে একটা এন্টিবডি শরীরে তৈরী করত...। আর এই কোম্পানী শরীরের বাইরে (ল্যাবে) সেই একই এন্টিবডি বানিয়ে, আপনাকে ক্যাপসুল আকারে খেতে দিবে

৬| ০৭ ই জুলাই, ২০২০ দুপুর ১২:২৩

আহলান বলেছেন: যেটাই হোক ... আল্লাহ সবাইকে নাজাত দান করুন!!

০৭ ই জুলাই, ২০২০ দুপুর ১২:২৮

কলাবাগান১ বলেছেন: বিজ্ঞান এর অবদান আছে

৭| ০৭ ই জুলাই, ২০২০ দুপুর ১২:২৫

এম ডি মুসা বলেছেন: আল্লাহ্ মানুষ নামক করোনা থেকে মানুষ কে হেফাজতে করুক

০৭ ই জুলাই, ২০২০ দুপুর ১২:২৯

কলাবাগান১ বলেছেন: শুধু দোয়া করলে হেফাজত হবে না ....বিজ্ঞান এর অবদান কে স্বীকার করতে হবে

৮| ০৭ ই জুলাই, ২০২০ দুপুর ১২:৫০

জাহিদ হাসান বলেছেন: আল্লাহর কাছে দোয়া করি আল্লাহ যেন দ্রুত করোনা উঠিয়ে নেয়। গত মার্চ মাস থেকে ঘরে বন্দী হয়ে আছি। আর কবে বাইরে বের হয়ে একটু হাঁটাচলা করতে পারবো?

০৮ ই জুলাই, ২০২০ রাত ৩:০৮

কলাবাগান১ বলেছেন: সবারই একই অবস্হা

৯| ০৭ ই জুলাই, ২০২০ দুপুর ১:৪৪

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




কলাবাগান ভাই, আপনি কি জানেন আপনার প্রতিটি পোস্ট আমি কতোটা আগ্রহ নিয়ে পড়ি? এখন পর্যন্ত করোনাভাইরাস সংক্রান্ত ব্লগে প্রথম শ্রেণীর যে কয়টি পোস্ট এসেছে তার মধ্য আপনার লেখাও আছে।

আপনার দেওয়া নিউজ আর্টিকেল লিংকগুলো পড়েছি আপনি ১০০% সঠিক বলেছেন। আমাদের ধৈর্য্য ধরতে হবে তাতে আমরা বেস্ট সাপোর্টটি পাবো। the world wide efforts to generate corona vaccine will become moot.

০৮ ই জুলাই, ২০২০ রাত ৩:১১

কলাবাগান১ বলেছেন: এন্টিবডি ড্রাগ এর সুবিধা হল যে এটা দিয়ে দুটা কাজ হবে....ড্রাগ হিসাবে কেউ করোনা আক্রান্ত হলে তাকে সারিয়ে তুলবে ঔষুধ হিসাবে এবং এটা কে ভ্যাকসিন এর মত আক্রান্ত না হওয়ার জন্য ও ব্যব হার করা যাবে (প্রতিরোধ)

১০| ০৭ ই জুলাই, ২০২০ দুপুর ২:৩০

সাড়ে চুয়াত্তর বলেছেন: এই পদ্ধতি কি নতুন? নাকি আগেও এভাবে এন্টিবডি ট্যাবলেট বানানো হয়েছে? এটা যদি সহজ হয় তাহলে ভবিষ্যতে যে কোনো
ভাইরাসের জন্যই ভ্যাকসিনের প্রয়োজনীয়তা থাকবে না মনে হচ্ছে।

০৮ ই জুলাই, ২০২০ রাত ৩:১২

কলাবাগান১ বলেছেন: না নতুন নয়..।কিছু ভাইরাস যেমন এবোলা তে এই পদ্ধতি কাজ করাতে এখন এটা একটা পসিবল এভেনিউ হিসাবে গড়ে উঠেছে। ক্যান্সার ও ইউজ হচ্ছে

১১| ০৭ ই জুলাই, ২০২০ দুপুর ২:৫৩

নেওয়াজ আলি বলেছেন: সব মরে শেষ হচ্ছে । এই ভাইরাস পুরা দুনিয়াকে ওলট পালট করে দিয়েছে । আর আপনি বলেন কি

০৮ ই জুলাই, ২০২০ রাত ৩:১৩

কলাবাগান১ বলেছেন: আমি কি বললাম???? ভ্যাকসিন শুধু মাত্র প্রতিরোধ করবে কিন্তু আক্রান্ত হলে সারিয়ে তুলবে না কিন্তু এন্টিবডি ড্রাগ দুটাই করতে পারবে

১২| ০৭ ই জুলাই, ২০২০ বিকাল ৫:২০

ঢাবিয়ান বলেছেন: গনস্বাস্থের ড. বিজনও বলেছেন করোনা সংক্রমন যত দ্রুত উঠছে তার চেয়ে দ্রুত নেমে যাবে।তিনি বলেছেন '' হয়ত আপনি অনুভব করেন যে, মাথাব্যথা হচ্ছে বা একটু পেটে সমস্যা, সামান্য কাশি- পরে সেরে গেছে। এই সংখ্যা কিন্তু বাংলাদেশে এখন অনেক। তারা কিন্তু আমাদের দেশের ভাইরাসকে ইরাডিকেট (ধ্বংস) করতে সাহায্য করবে। কারণ এই মানুষগুলোর মধ্যে ভাইরাস আর গ্রো (টিকতে না পারা) করতে পারবে না। না করতে পারলে ভাইরাস কিন্তু আস্তে আস্তে বিলীন হয়ে যাবে। ''

০৮ ই জুলাই, ২০২০ রাত ৩:১৯

কলাবাগান১ বলেছেন: কিন্তু হার্ড ইমমিউনিটি পেতে আরো অনেক বেশী সংক্রমন দরকার (৬০-৭০% জনগন এর)

১৩| ০৭ ই জুলাই, ২০২০ বিকাল ৫:৪২

ঢাবিয়ান বলেছেন: antibody drugs could give people short-term protection from the coronavirus। these injectable biologic drugs won't solve the pandemic. Their effects are temporary, for instance, and manufacturing will also be a challenge.

ভ্যক্সিন নিয়েও এখন পর্যন্ত আশাবাদী কোন সংবাদ পাওয়া যায়নি। তাই মনে হচ্ছে প্রাকৃতিক উপায়ে হার্ড ইমিউনিটি অর্জনই একমাত্র পথ এই মহামারী দূর হবার যেটা অতীতেও হয়েছে। তাই করোনা চিকিৎসার ওপড়ই জোর দেয়া প্রয়োজন যাতে অধিকাংশ মানুষ সুস্থ হয়ে ওঠে।

০৮ ই জুলাই, ২০২০ রাত ৩:২২

কলাবাগান১ বলেছেন: এটা এক ওয়েব সাইটের ওপিনিয়ন...।কিন্তু আমার মতে এন্টিবডি ড্রাগ ভ্যাকসিন এর চেয়ে বেশী এফেক্টিভ...ডাবল ইফেক্ট।

এই প্রথম দেখলাম যে আপনি আমার পোস্টে কোন 'টিটকারী' আর অট্টহাসি দেওয়া ইমোজী দেন নাই?? কেমনে কি

১৪| ০৭ ই জুলাই, ২০২০ বিকাল ৫:৫৫

শেরজা তপন বলেছেন: তথ্যবহুল লেখা- অনেক কিছু জানলাম।্ভাল থাকুন- ধন্যবাদ

০৮ ই জুলাই, ২০২০ রাত ৩:৩২

কলাবাগান১ বলেছেন: আপনাকে ও ধন্যবাদ কমপ্লিমেন্ট এর জন্য

১৫| ০৭ ই জুলাই, ২০২০ রাত ১০:০৬

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: একটা আশাজাগানিয়া সংবাদ দিলেন।
আমার মনে হচ্ছে ভ্যাক্সিনের চেয়ে এন্টিবডি ড্রাগ অনেক বেশি সুলভ এবং সাশ্রয়ী হবে। যেহেতু পিলে দুইটা এন্টিবডি সেহেতু এটা অধিক কার্যকরীও হবে।

০৮ ই জুলাই, ২০২০ রাত ৩:৩৪

কলাবাগান১ বলেছেন: আপনি ঠিক বলেছেন...

অনেকদিন নোয়াখালীর রম্য পোস্ট দেন না...খেজুর রস চুরি এর পোস্ট এখনও মনে পড়লে হাসি থামাতে পারি না

১৬| ০৭ ই জুলাই, ২০২০ রাত ১০:২৮

আহমেদ জী এস বলেছেন: কলাবাগান১,




আপনার লেখাগুলো বেশ । করোনা সম্পর্কিত অনেক কিছুই জানা ও বোঝা হয় এতে।
করোনা চিকিৎসায় এ পর্যন্ত যে সব ভ্যাকসিন, ড্রাগ পাইপ লাইনে আছে, আছে ল্যাবের টেবিলে তার সরল বর্ননা, কার্যকরীতার সম্ভাবনা- অসম্ভাবনা, সময়, প্রস্তুতি ইত্যাদি যাবতীয় বিষয় নিয়ে চমৎকার সব লেখা আপনার।

মানুষ এই দৌঁড়ে করোনাকে কতোদূর পেছনে ফেলতে পারে তার উপর নির্ভর করছে সারা বিশের মানুষের জীবন ও জীবিকা, পৃথিবীর চলা, না-চলা।

এই পোস্টের শেষে করা আপনার আশাবাদ যেন সত্যিই আলোর মুখ দেখে।

শুভেচ্ছান্তে।

০৮ ই জুলাই, ২০২০ রাত ৩:৩৭

কলাবাগান১ বলেছেন: ধন্যবাদ আহমেদ জিএস ভাই...বাংলায় টেকনিক্যাল বিষয় লিখা আর কলম দিয়ে কলাপাতায় লিখার চেস্টা মনে হয় আমার কাছে...আপনার যখন লিখেন লিখা কত স্মুধ যে কোথাও হোচট খেতে হয় না....

তবে চেস্টা করে যাচ্ছি হয়ত একদিন আমিও আপনাদের মত......

১৭| ০৮ ই জুলাই, ২০২০ ভোর ৪:০৫

রাকিব (রাকু) বলেছেন:


সুখবর দিলেন । ধন্যবাদ। কিছু একটা আসুক । আজকে শুনলাম পুরোপুরি এরোসেল হয়ে গেল। এত অথেনটিক সোর্স থেকে তথ্য পাইনি । সামনে কি তাহলে আরও ভয়াবহ পরিস্থিতি অপেক্ষা করছে!!

০৮ ই জুলাই, ২০২০ সকাল ৯:২১

কলাবাগান১ বলেছেন: মাস্ক ই সমাধান এরোসেল ভাইরাস থেকে বাচার জন্য (ড্রাগ/ভ্যাকসিন আসার আগ পর্যন্ত্য।

আর এই এন্টিবডি ড্রাগ কিন্তু বহুল ভাবে ইউজ করা প্লাজমা থেরাপির উন্নত সংস্করন....এই প্লাজমায় যে করোনা প্রতিরোধী এন্টিবডি, সেটা কে ল্যাবে বানানো হয়েছে যাতে মানুষের প্লাজমার উপর ডিপেন্ড করতে না হয়।

১৮| ০৮ ই জুলাই, ২০২০ সকাল ১১:২৩

রাকু হাসান বলেছেন:


আর এই এন্টিবডি ড্রাগ কিন্তু বহুল ভাবে ইউজ করা প্লাজমা থেরাপির উন্নত সংস্করন..--আশা জাগানিয়া কথা শুনালেন । করোনা বিষয়ক আপনার লেখাগুলো ভাল লাগে। অনুরোধ এ বিষয়ে নিয়মিত লিখতে।

বি দ্র ।উপরের নিকটি আমার । পোস্টের প্রয়োজনে খুলতে হয়েছে।

০৯ ই জুলাই, ২০২০ সকাল ৯:৪৭

কলাবাগান১ বলেছেন: ধন্যবাদ ... কবি নজরুল ইসলাম......

১৯| ১০ ই জুলাই, ২০২০ ভোর ৫:৫০

কলাবাগান১ বলেছেন: "Regeneron has built its business on what Dr. Schleifer, one of the company’s founders, calls its “magical mice” — animals that have been genetically engineered to have human immune systems. The mice are infected with harmless viruses that trigger the animals to produce human antibodies. Those antibodies can then be screened for the ones that work best, and then mass-produced in stainless steel vats known as bioreactors."

২০| ১০ ই জুলাই, ২০২০ সকাল ৮:৩৭

গেম চেঞ্জার বলেছেন: আপনার মুখে ফুলচন্দন পড়ুক!

১০ ই জুলাই, ২০২০ সকাল ৮:৪৫

কলাবাগান১ বলেছেন: Science Rules

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.