নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

অনাথের বকবকানী

অনাথের বকবকানী › বিস্তারিত পোস্টঃ

শচীন্দ্র কলেজটি রক্ষা পাক

২৬ শে অক্টোবর, ২০১৪ রাত ৮:৩৪

কয়েকদিন আগে একটা স্টেটাস দিয়েছিলাম এরকম”একটু আগে একজন ফোন কইরা কইলো দাদা আমাদের মন্দিরের জন্য কিছু চাদা রাইখেন, আমি কইলাম মন্দির বানাইয়া করবা কি...দুইদিন পরতো ভাইঙা ফালাইবো.....তারচেয়ে ভালা একটা মানসিক হাসপাতাল বানাও..... দেশে যা পাগলের সুনামী চলতাছে....আর একটা বিযয় দেখ এদেশে যত বড় বড় স্কুলকলেজ আছে তা হিন্দুরা বানাইছে, এরা তো আর মন্দির বানাই নাই,চাইলে তো মন্দির বানাইতে পারতো.......ছোট ভাই ক্ষেইপা কইলো না দিলে না দিবেন এত উপদেশ দেওনের দরকার নাই” কিন্তু এক জ্ঞানী বড়ভাই চ্যালেঞ্চ ছুড়ে দিয়ে বলেছিল ৯০ দশকের পরে হিন্দুরা বাংলাদেশে আরোও কোন স্কুল কলেজ করে নাই বাড়াবাড়ি করি নি, এসব বাড়াবাড়ি কোন কাজের না,দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে ধনী হিন্দুরা ইন্ডিয়া যাওয়ার আগে এখনো পানির দরে সম্পত্তি বিক্রি করে , না হলে কোন প্রতিষ্টানকে দিয়ে যায় এ জিনিসটা নতুন না, আর এসব প্রতিষ্টানে ভাগ বসাতে চাই কিছু নামধারী মুখোশধারী জ্ঞানপাপী , এত অত্যাচারের পরেও মাতৃভূমির জন্য এ দেশের হিন্দুরা এখনো ও কিছু করার চেষ্টা করে তেমনি এক আলোর প্রতীক শচীন্দ্র লাল সরকার যিনি ১৯৯৮ সারা জীবনের কষ্টার্জিত অর্থ দিয়ে তিলে তিলে গড়ে তুলেছিলেন শচীন্দ্র কলেজ ! সময়ের ব্যবধানে এ কলেজ আজ শচীন্দ্র ডিগ্রী কলেজ এবং সিলেট বোর্ডের সেরা ২০-এর মধ্যে, কলেজের প্রতিষ্টাতা ৯০ বছরের শচীন্দ্র বাবু যখন বলেন “আমি জীবনে কিছুই চাইনি। সারা জীবন সৎপথে যা উপার্জন করেছি তা হবিগঞ্জের গরীব দুঃখী মানুষের স্বার্থে শিক্ষা প্রসারের লক্ষ্যে এই কলেজটি প্রতিষ্ঠা করেছি। আমার চোখের সামনে আমার স্বপ্নের লালিত প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংসের জন্য বিভিন্ন পরিকল্পনা ও বক্তব্য যখন শুনি তখন আমি স্থির থাকতে পারি না। আমার মনে হয় এই শ্বাসরুদ্ধকর অবস্থা থেকে আমাকে মুক্তি না দিলে আমি মৃত্যুবরণ করেও শান্তি পাব না।“ তখন কিন্তু মনে হয় একজন পিতা তার সন্তানের ভবিষৎ নিয়ে কি পরিমাণ চিন্তিত , অভিযোগের তীর সরাসরি এমপি অ্যাডভোকেট আব্দুল মজিদ খানের দিকে ! অ্যাডভোকেট আব্দুল মজিদ খান চাইলে অনেক কিছু প্রতিষ্টা করতে পারেন নিজের নামে , পরের বানানো প্রতিষ্টান নিয়ে উনার এত আগ্রহ কেন ? সূত্রঃদৈনিক খোয়াই, টাউন হল রোড, হবিগন্জ, বাংলাদেশ

মন্তব্য ২ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (২) মন্তব্য লিখুন

১| ২৬ শে অক্টোবর, ২০১৪ রাত ৯:১৬

অপূর্ণ রায়হান বলেছেন: কলেজের ওখানে হাসপাতাল কেন ? আর কি কোন জায়গা নেই ! আশ্চর্য !

২| ২৬ শে অক্টোবর, ২০১৪ রাত ১০:০২

মামুন রশিদ বলেছেন: দুঃখজনক! শচীন্দ্র কলেজের সামনে দিয়ে যখন যাই, গর্ব হয় । হাজার হোক নিজের থানার প্রতিষ্ঠান যে ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.