নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

জন্মসূত্রে মানব গোত্রভূক্ত; এজন্য প্রতিনিয়ত \'মানুষ\' হওয়ার প্রচেষ্টায় আছি। গল্পের \'বায়স্কোপ\' বইয়ের কারিগর।

কাওসার চৌধুরী

প্রবন্ধ ও ফিচার লেখতেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি। পাশাপাশি গল্প, অনুবাদ, কবিতা ও রম্য লেখি। আমি আশাবাদী মানুষ।

কাওসার চৌধুরী › বিস্তারিত পোস্টঃ

নিহঙ্গ এ্যাই রক্কু (গল্প)

২৭ শে জুন, ২০১৮ ভোর ৪:৩২


অনেক চেষ্টা করেও বাড়ির সদর দরজার তালা খুলতে ব্যর্থ হলেন জামাল সাহেব। ঘন্টা খানেক চেষ্টার পর এখন কিছুটা ক্লান্ত। অপারগতায় রাগে আর গরমে এক্কেবারে কাহিল হয়ে পড়েছেন। পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা পেছনের ছোট দরজা দিয়ে ঘরের ভেতরে প্রবেশ করলেও তিনি নাছোড় বান্দা। ৩ বছর ২০ দিন পর গ্রামের বাড়িতে বেড়াতে এসে পেছনের দরজা দিয়ে ঘরে প্রবেশ করাটা রীতিমত অপমানের; এজন্য যেকরেই হোক লকটা খুলতেই হবে। এক্ষুণি। তাছাড়া বাড়িতে যেহেতু চার-পাঁচদিন থাকবেন সেহেতু তালা না খুলে উপায় নেই
-- দাদু, চাবিটা আমার কাছে দেন, একটু চেষ্টা করে দেখি।
পাশের বাড়ির নাতি সম্পর্কিত ছয়ফুল দাদার পেরেশানি দেখে বলে উঠলো।
-- পাক্কা এক ঘন্টা চেষ্টা করেও হয়নি আর তুমি ছোকরা বাকি আছো .........
-- দাদু, ডেট ওভার মালিকের উপর তালা মিয়া মনে হয় গোস্বা করেছে!!
-- ডেট ওভার? এখনো চাইলে তোদের মতো তাগড়া জোয়ান দু-চারজনকে দুই হাতে তুলে আনায়াসে আছাড় মারতে পারবো।
-- রাখেন আপনার প্যাচাল। সরেন। দেখি আমি চেষ্টা করে।

ছয়ফুলের চেষ্টার কোন ত্রুটি নেই; কিন্তু কিছুতেই হচ্ছে না। না পারলে দাদা ছেড়ে কথা বলবে না; অতএব, ছয়ফুলের নিরন্তর চেষ্টাটা কন্টিনিউ চলতে থাকলো।

জামাল সাহেব লক্ষ্য করলেন ভেতর ঘরের জানালার গ্রীল ধরে ছোট নাতনীটা দাদার তালা খোলার মিশনটি মনযোগ দিয়ে পর্যবেক্ষণ করছে আর খুশিতে লাফাচ্ছে। শ্বশুরের কাণ্ডকারখানা দেখে তফাতে দাঁড়ানো ছেলে বউটাও মিটমিট করে হাসছে। বড়ই বেয়াড়া বউটা!! এ কেমন মেয়েরে বাবা। শ্বশুরের এমন পরিস্তিতিতে মেয়েটির হাঁসি কী মানায়? এ যুগের বউগুলো কেমন যেন বেয়াদব বেয়াদব ঠেকলো জামাল সাহেবের কাছে। এখন রাগলে চলবে না মিশন সাকসেসফুল করে দেখিয়ে দিতে হবে এই বুড়ো এখনো হাঁসির পাত্র নহে।

-- দাদা, চাবিতে একটু সরিষার তেল মাখিয়ে চেষ্টা করুন। তালাটি খুলতে পারে।
পাশের ঘরের নাতনী রাহেলা একটি বাটিতে কিছু সরিষার তেল নিয়ে এসে জামাল সাহেবের হাতে দিতে দিতে বললো।
-- দেয়, দেয়। আগেকার দিনে জং ধরলে আমরা কেরোসিনে তালাচাবি চুবিয়ে লক খোলার চেষ্টা করতাম; এতে দারুন ফল পাওয়া যেতো। এখন সেই দিনটিও নেই, কোরোসিনও নেই। গ্রামে গ্রামে এখন বিদ্যুৎ। কেরোসিনের কুপির জায়গায় স্থান করে নিয়েছে চার্জার লাইট। পর্যাপ্ত ইলেকট্রিসিটি উৎপাদন হওয়ায় দিনদিন লোডশেডিং কমছে।

ছয়ফুলের হাত থেকে চাবিটি নিয়ে জামাল সাহেব লক্ষ্য করলেন বেশি জোরে চেষ্টা করতে গিয়ে চাবিটা কিছু বাঁকা হয়ে গেছে। একটি হাঁতুড়ি দিয়ে হালকা চ্যাপ্টা করে চাবিটি তেলের মধ্যে চুবিয়ে তালার মধ্যে ঢুকিয়ে আস্তে আস্তে ঘুরাতে লাগলেন যাতে তালার ভেতরে তেলের ছোয়ায় জংটা নষ্ট হয়।

এভাবে চার-পাঁচ বারের চেষ্টায় সফল হলেন জামাল সাহেব; তালাটি খোলায় মুক্তি মিললো মালিকের।

হাত-পা ধুয়ে ফ্রেশ হয়ে বসার ঘরে আসতেই চায়ের কাপটা বাড়িয়ে দিতে দিতে জামাল সাহেবের স্ত্রী বলে উঠলেন।
-- বলেছিলাম সদর দরজার চাবিটা মনাফের কাছে দিয়ে যেতে; না কথাটি তো শুনলে না। এখন তো প্রমাণ হলো; সব কিছুতে তোমার ঘাউড়ামি!!
-- কি প্রমাণ করলেন আপনি?
রেগে স্ত্রীর কাছে পাল্টা প্রশ্ন করলেন জামাল সাহেব। বেশী রাগলে স্ত্রীকে তিনি আপনি বলে সম্বোধন করেন।
-- আমেরিকায় যাওয়ার আগেই বলেছিলাম, কবে দেশে আসবো তার কোন ঠিক নেই। চাবিটা কেয়ারটেকারের কাছে দিয়ে যাও; তখন কথাটি তো কানেই তুললে না। এখন তো নিজের চোখেই দেখলে।
-- আগে যখন ৩-৪ মাস পর পর শহর থেকে বাড়িতে আসতাম তখন তো কোন সমস্যা হয়নি; এখন হবে কেন?
-- তিন-চার মাস আর ৩ বছর কী এক?

জামাল সাহেব বিষয়টি নিয়ে আর কথা বাড়ালেন না। স্ত্রীর কথায় যুক্তি আছে। পরাজয়টা তাই নীরবে কোন প্রতিবাদ ছাড়াই মেনে নিলেল। মনে আছে একবার সরকারী খরছে ছয় মাসের প্রশিক্ষণে জাপান গিয়েছিলেন তিনি। তখন পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে চাকরি করেন। আসার সময় অনেক সৌখিন জিনিসের সাথে তালাটিও নিয়ে এসেছিলেন। গোল্ডেন কালারের সম্পূর্ণ পিতলের তৈরী তালাটি দেখতে খুব সুন্দর আর মজবুত ছিল। গত কয়েক বছরে রোদে বৃষ্টিতে ভিঁজে সখের তালাটা এখন খসখসে অমসৃণ আর বয়োজেষ্ট হয়ে গেছে। আগে বাড়িতে আসলেই তালার জং পরিষ্কার করতেন। কেরোসিন দিয়ে ঘসে ঝকঝকে তকতকে করে রাখতেন। গত তিন বছরের অনাদর আর অবহেলায় তালাটির জীবন প্রায় বিপন্ন। প্রিয় তালাটার এমন রুগ্ন দশা দেশে বড্ড মায়া হলো তার।


চা নাস্তা করে একটু বিশ্রাম নিয়ে আদরের নাতনি মীম, বড় ছেলের বউ আর ছোট ছেলেকে নিয়ে বাড়িটা প্রদক্ষিণ করতে বের হলেন জামাল সাহেব। সাথে কেয়ারটেকার মনাফ।
-- বাড়িটার কী অবস্থা করে রেখেছিস?
মনাফকে উদ্দেশ্য করে বলে উঠলেন জামাল সাহেব।
-- আপনি যেমন যেমন বলেছেন সবই তো ঠিকঠাক মতো করেছি।
-- ঠিকঠাক?
-- হ। আমি প্রতিদিন একবার করে বাড়িটি ঝাঁড়ু দিয়েছি; আগাছা পরিষ্কার করেছি; ফুলের বাগানে নিয়মিত পরিচর্যা করেছি; গাছগুলোর ডাল ছাটাই করেছি। আর.................
হাতের ইশারায় মনাফকে থামিয়ে দিলেন জামাল সাহেব।
-- করেছিস ভাল কথা। তাহলে ঘরের সামনের আঙিনায় এতো ঘাস আসলো কোথা থেকে? ফুলের বাগানে একটাও ফুল নেই কেন? বাড়িতে ঢোকার রাস্তাটি ভেঙে গর্ত হলো কেমনে? ঘরের ওয়ালে এতো শ্যাওলা জমলো কেন? পুকুর ঘাট এতো পিচ্চিল হলো কেমনে?
-- আমার কাজ তো আগেও কোনদিন আপনার পছন্দ হয়নি, এখনো হবে না। এতো কষ্ট করে সবকিছু গুছিয়ে রাখলাম আর এখন জুটছে শুধু শুধু তিরস্কার।
-- ভালই তো তর্ক করা শিখেছিস?
অবস্থা বেগতিক দেখে ছোট ছেলে বাবলু বাবাকে উদ্দেশ্য করে বলে উঠলো-
-- মনাফ যা করেছে এজন্য তাকে আমাদের ধন্যবাদ দেওয়া উচিৎ বাবা। সে তার মতো করে বাড়িটি সুন্দর পরিপাটি করে রাখার চেষ্টা করেছে। কোন কাজ পুরোপুরি অন্যের মন মতো করা যায় না, কী বলেন ভাবী?
-- আমারও তাই মনে হয়। তাছাড়া আমরা তো চার-পাঁচদিন এখানে থাকছি; প্রয়োজন হলে বাড়তি মানুষ লাগিয়ে আরো ভাল করে বাড়িটি পরিষ্কার করে নেওয়া যাবে। কথাটি কী ভুল বল্লাম, বাবা?
-- নারে মা, ঠিকই বলেছিস। ভাবছি বাবলুর বিয়ের অনুষ্ঠানটা বাড়িতেই করবো? অবশ্য তোদের অমত থাকলে ভিন্ন কথা।
-- অমত থাকবে কেন বাবা? মায়ের সাথে বসে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করলে মাও খুশি হবেন; কি বলিস বাবলু?
বাবলু আমতা আমতা করছে, লজ্জায় মুখ দিয়ে কোন কথা বের হল না। নিজের বিয়ের বিষয়ে বাবার সামনে কথা বলতে লজ্জা পাচ্ছে সে। তবে ইশারায় ভাবীকে সমর্থন সূচক হাঁসি দিয়ে জানিয়ে দিল।

বিকালে খাওয়া-দাওয়ার পর চেয়ার পেতে বাড়ির উঠানে বসে আছেন জামাল সাহেব। তাকে ঘিরে গ্রামের অসংখ্য মানুষ। সবাই আমেরিকা ফেরৎ জামাল সাহেবকে দেখতে এসেছেন; স্বপ্নের আমেরিকার গল্প শুনতে এসেছেন। তিন বছর পর প্রতিবেশী প্রিয় মানুষগুলোকে দেখে তিনি বেশ তৃপ্ত। সবার ভালমন্দ খোঁজ-খবর নিলেন। প্রতিবেশী বাচ্চাদেরকে আমেরিকা থেকে আনা চকলেট আর ধুমপায়ীদের বাংলাদেশ বিমান থেকে কেনা বেনসন সিগারেট দিয়ে আপ্যায়ন করলেন। বিদেশী সিগারেটের ধোয়ায় পরিবেশটি মৌ মৌ করতে লাগলো। তাদের আগমনের খবর শুনে বাড়িতে বেশ কিছু আত্মীয়-স্বজনও এসেছেন।

একটা সময় ছিল প্রতিবার কলেজ বন্ধ হলে বাড়িতে এসে জামাল সাহেব সবার ঘরে ঘরে যেতেন। সবার ভালমন্দ খবরা-খবর নিতেন। বাড়ির চাচা চাচি ভাইবোন সবার সাথে গল্পগুজব করতেন। প্রতিবেশী বাড়ির খোঁজ নিতেন। সারা গ্রাম টো টো করে ঘুরে বেড়াতেন।

লীজাদের বাড়িতেও যেতেন।

একসাথে মেট্রিক পাশ করলেও লীজা পড়তো স্থানীয় বাকেরগঞ্জ কলেজে। আর তিনি পড়তেন শহরের নামকরা একটি সরকারী কলেজে। ক্লাস সিক্স থেকে টেন পর্যন্ত একসাথে লেখাপড়ার সুবাদে বেশ ভাব হয়েছিল তাদের মধ্যে।

যখন কলেজে ভর্তি হলেন তখন দূরত্বেের কারণে একে অন্যের ভাললাগার বিষয়টি টের পান উভয়েই; এই ভাল লাগাটা ভালবাসায় রূপ নিতে বেশিদিন লাগে নাই। বিষয়টি জানাজানি হতেই উভয় পরিবার থেকে নিষেধাজ্ঞা আসে। দেখা করতে কঠোরভাবে বারণ করা হয়। একটা সময় তার অজান্তেই ইন্টার পরীক্ষা দেওয়ার পরপরই লীজার বিয়ে হয়ে যায় অন্যত্র। বিয়ের পর অভিমানে লীজা কোন দিন জামাল সাহেবের সাথে যোগাযোগ রাখেনি।

শোকে ও অপমানে বেশ কয়েক বছর নিজেকে গুটিয়ে রেখেছিলেন জামাল সাহেব। ছুটির বিশেষ দিনগুলোতে বাড়িতে আসলেও গ্রামে ঘুরতে বের হতেন না। পারতপক্ষে গ্রামের কারো সাথে যোগাযোগ রাখতেন না। তবে বিয়ের কয়েক বছর পর লীজার সাথে একবার দেখা হয়েছিল তার। কিন্তু লীজা তাকে দেখে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিল; সেদিন চেনেও না চেনার ভান করেছিল। জামাল সাহেবেরও নিজের মধ্যে অজানা এক সংকোচ হয়েছিল। এজন্য আগ বাড়িয়ে তিনিও কথা বলতে পারেন নাই লীজার সাথে।

একটা সময় প্রিয় যে মানুষটিকে কতবার যে ভালবাসি বলেছিলেন সেই মানুষটিকে আজ সামনাসামনি পেয়েও কেমন নিশ্চল। নেই আবেগের বাড়াবাড়ি। ভাবখানা এমন যেন কোনদিন পরিচয়ই ছিলো না। অথচ বাড়িতে আসতে দেরী হলে কত আবেগপূর্ণ চিটি লেখতো লীজা। মাত্র কয়েক বছরে সবকিছু ভুলে গেল? ভালবাসার যে মানুষটিকে নিয়ে দিনের পর দিন স্বপ্ন দেখতো সে মানুষটিকে আজ কেমন আছো বলতেও সংকোচ হয়। তোমাকে আমি চিনতে পেরেছি এটাও বুঝাতে সংকোচ হয়।

মনে পড়ে ইউনিভার্সিটিতে পড়ার সময় পরিচয় হওয়া শ্রাবন্তীর কথা। তিনি তাকে মনে প্রাণে ভালবাসতেন; হয়তো শ্রীবন্তীও। কিন্তু শ্রাবন্তী খুব উচ্চবিলাসী হওয়ায় সম্পর্কটা বিয়ে পর্যন্ত গড়ায়নি। সিটিজেন পাত্রকে বিয়ে করে ছয় মাসের মাথায় আমেরিকা চলে গিয়েছিল শ্রাবন্তী। আমেরিকার নিউজার্সি থেকে একটি চিটিও জামাল সাহেবের কাছে পাঠিয়েছিল। প্রেরকের ঠিকানায় শুধু নাম আর নিউজার্সি লেখা-

"জামাল,
হোপ এভরিথিং গোয়িং ওয়েল। আই এম গুড এজ ওয়েল উইথ মাই হাভি। ইট ওয়াজ মাই ড্রিম টু সেটেল্ড ইন ইউএস। আই ডোন্ট কেয়ার এবাউট লাভ। আই অলয়েজ কেয়ার লাভ উইথ মানি, অলসো কম্পানি উইথ চারমিং ইয়াং এন্ড সাকসেসফুল গাই। সরি টু সে ইউ আর নট লাইক দ্যাট এট অল। সো টেক ইট ইজি। লুক ফরওয়ার্ড। হোপ ইউ কেন গেট এ লাভলি বিউটিফুল ওয়াইফ। বেস্ট উইসেস।
বাই-
মিসেস শ্রাবন্তী ফয়েজ।"

তখন অনেক অপমানিত হয়েছিলেন জামাল সাহেব। ভাবতেন একবার আমেরিকায় যেতে পারলে সামনে গিয়ে বলবো, দেখো আমিও আমেরিকায় আসতে পারি। আমারও সে যোগ্যতা আছে। অথচ গত তিন বছর থেকে আমেরিকার বোস্টনে থাকলেও একটিবারও শ্রাবন্তীর সাথে দেখা করার কথা মাথায় আসেনি তার। যদিও বোস্টন আর নিউজার্সির দূরত্ব খুব বেশি নয়। শুনেছেন এখন শ্রাবন্তীর ডিভোর্স হয়ে গেছে। ছেলেমেয়েরা বড় হয়ে যার যার মতো থাকে।

সে এখন নিঃসঙ্গ। একা একটি ফ্ল্যাটে থাকে। সাথে একটা সাদা বিড়াল।


অনেকদিন পর আজ হঠাৎ মনে পড়লো জাপানীজ কোকিকোর কথা। সে ভাল বাংলা জানতো। বাংলা সাহিত্যের উপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিন বছরের কোর্স সম্পন্ন করে গেছে। এজন্য বাঙালিদের দোভাষী হিসাবে টোকিওতে কাজ করতো সে। জাপানীরা ইংরেজীতে খুব কাঁচা। এজন্য দেশটির যে কোন আন্তর্জাতিক সেমিনার ও প্রশিক্ষণ শিবিরগুলোতে দোভাষী প্রয়োজন হয়। কোকিকোর চাকরিটাও তাই। জামাল সাহেবের সাথে আরো কয়েকজন বাঙালি থাকলেও তার সাথেই মেয়েটির বোঝাপড়াটা সবচেয়ে ভাল ছিল। একদিন জিজ্ঞেস করেছিলেন-
-- কোকিকো নামটির মানে কী?
উত্তরে বলেছিলো-
-- তুষারপাত/স্নো।
কোকিকো জাপানি ভাষায় বলে উঠলো-
-- ওয়াতাছিওয়া, আনাতা ও আইছতিমেছু।
বলো তো মানেটা কী?
-- স্যরি, বুঝতে পারি নাই।
-- তুমি আমার সাথে কথাগুলো রিপিট করো।
কয়েকবারের চেষ্টায় যখন ঠিকঠাক হলো তখন বললো-
-- আমি তোমাকে ভালবাসি।
যদিও পরে কথাটি এমনিতেই ফান করে বলা বলে পরিবেশটা হালকা করেছিলো সে।
দেশে আসার দিন টোকিও ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট বিদায় দিতে এসে কান্নাজড়িত কন্ঠে বলেছিলো-
-- ওয়াতাছিও কেছিতে ওয়ছুরেনি, মেতে নি।
এবার আর ট্রেন্সলেট করতে হয়নি, কারণ ততোদিনে জাপানি ভাষাটি কিছুটা রপ্ত করে ফেলেছেন তিনি।
অর্থ হলো- কখনো আমাকে ভুলবে না, আবার দেখা হবে।

সত্যি তুষারপাতের মতো শুভ্র ও সুন্দরী ছিল সে। বয়স চল্লিশের কোঠায় হলেও কোকিকোকে কিশোরীদের মতো লাগতো। চমৎকার হাঁসি ছিল তার। একটা সময় বয়ফ্রেন্ড থাকলেও পরে আর বিয়ে করেনি। তাকে যে পছন্দ করতো তা বুঝতেন জামাল সাহেব। তবে মুখ ফুটে কখনো সে বলে নাই। আসার সময় বউ বাচ্চার জন্য অনেক গিফট কিনে দিয়েছিলো কোকিকো।

সাথে গোল্ডেন কালারের সদর দরজায় লাগানো তালাটি।

বলেছিল যতদিন তালাটি থাকবে ততোদিন যেন অন্তত তাকে মনে রাখেন তিনি। তালাটির কথা ঠিকই মনে আছে তবে কোকিকোর স্মৃতি কী আগের মতো টাটকা আছে? সম্ভবত না, হাজারো স্মৃতির স্তুপে অনেকটাই হারিয়ে গেছে।
-- অন্ধকারে বারান্দায় একা একা বসে কী ভাবছো দাদু?
রাহেলা উঠান থেকে বারান্ধায় পা ফেলতে ফেলতে জানতে চাইলো।
-- বুড়ো মানুষের আবার ভাবনা?
চমকে উঠে স্বাভাবিক স্বরে উত্তর দিলেন তিনি। আনমনে স্মৃতি আওড়াতে আওড়াতে কখন যে সন্ধ্যা ঘনিয়ে রাত নেমেছে খেয়াল নেই তার।
-- অন্ধকারে বসে আছ কেন?
বারান্দার লাইটটি জ্বালিয়ে দিতে দিতে বলে উঠলো রাহেলা।
-- থ্যাংক ইউ, গিন্নি।
-- গিন্নি?
-- তুই তো আমার ছোট গিন্নিই।
-- ভিমরতি ধরছে, তাই না? যতই গ্রীনজার্ডধারী হো না কেন, কোন চান্স নেই!!
-- আচ্ছা বলতো গিন্নি- রবীন্দ্রনাথ, নজরুল, শরৎচন্দ্ররা সাহিত্য রচনা না করলে মৃত্যুর এতোদিন পরও মানুষ কী তাদের মনে রাখতো?
-- কঠিন প্রশ্ন দাদু। হুম..... সম্ভবত না।
-- হুম, আসলে প্রেম ভালবাসা হলো মিথ্যা আবেগ। আবেগ কেটে গেলে একটা সময় মানুষ তা ভুলে যায়। এ আবেগটি মূল্যহীন হয়ে পড়ে। মানুষ বেঁচে থাকে তার কর্ম আর প্রিয় মানুষদের দেওয়া উপহারের স্মৃতি নিয়ে।
-- আরেকটি কথা দাদু, ভালবাসার মিথ্যা আবেগে মানুষ আত্মহত্যা করে কিন্তু বিজ্ঞান ও সাহিত্যের আবেগে মানুষ জ্ঞান অর্জন করে। নিজের বিবেককে শানিত করে। সমাজ ও দেশকে পরিবর্তন করে।
-- হুম, ঠিক বলেছিস গিন্নি।


আসুন বিনে পয়সায় তিনটি জাপানি শব্দ জেনে নেই- নিহঙ্গ (জাপানিজ), এ্যাই (ভালবাসা), রক্কু (তালা)। [Japanese Love Lock]

ফটো ক্রেডিট,
গুগল।

চাইলে পড়তে পারেন-
আমার সবচেয়ে লাইক/কমেন্ট প্রাপ্ত পোস্ট।
গল্প লেখার সহজ পাঠ।
সবচেয়ে পঠিত প্রবন্ধ।
আলোচিত ফিচার 'দি লাঞ্চিয়ন'।
ব্রিটেনের প্রবাস জীবন- স্মৃতিকথা।
সবচেয়ে পঠিত গল্প।
সবচেয়ে লাইকপ্রাপ্ত গল্প।
ছবি ব্লগ (লন্ডনের ডায়েরি-১)।

মন্তব্য ৫৮ টি রেটিং +১৫/-০

মন্তব্য (৫৮) মন্তব্য লিখুন

১| ২৭ শে জুন, ২০১৮ ভোর ৫:১২

সিগন্যাস বলেছেন: আহা প্রথম হয়ে গেলাম

২৭ শে জুন, ২০১৮ ভোর ৫:৫৪

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: ধন্যবাদ, প্রিয় সিগন্যাস ভাই। প্রথম হওয়ার জন্য একটা ট্রফি আপনার প্রাপ্য। সময়মতো আপনার ঠিকানায় তা পৌছে যাবে।

শুভ সকাল।

২| ২৭ শে জুন, ২০১৮ ভোর ৫:৪৪

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: ঈদের আগে ও ঈদের পরে ব্যাস্ততায় ব্লগে আসতে পারিনি ত্রুটিটুকু মার্জনা করবেন, দেশের বাইরে আমি ল্যাপটপে বাংলা লিখতে পারি না, মনে হচ্ছে অনেক দিন পর ব্লগে আপনার লেখা পড়লাম । কেমন আছেন গুরু ?

২৭ শে জুন, ২০১৮ ভোর ৫:৫২

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: সত্যি সত্যি খুব মিস করি আপনাকে। আপনার বুদ্ধিদীপ্ত কমেন্ট পড়ে আপনার প্রতিভার প্রেমে পড়েছি। কিন্তু কোথায় হারিয়ে গেলেন? এতো কী ব্যস্ততা ব্লগটি ছেড়ে দিলেন। আপনি আমার সিনিওর; অনেক শ্রদ্ধার একজন গুণী মানুষ। যতই ব্যস্ততা থাক সময় করে মাঝে মাঝে ব্লগে আসলে খুশি হব।

আর সম্ভব হলে এক-দু'টি পোস্ট দেবেন। আপনার লেখাগুলো শিক্ষনীয়; পাশাপাশি অনেক রম্য রস থাকে।

যেখানেই থাকুন জানি খুব ব্যস্ততার মধ্যে আছেন। আপনার প্রবাস জীবনটা সুন্দর হোক; জীবনে সফলতা আসুক এই প্রত্যাশা রইলো।

৩| ২৭ শে জুন, ২০১৮ ভোর ৫:৫০

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: জীবন তো এমনই । জীবন চলে তার নিজের গতিতে। কোন প্রকার প্রেসক্রিপশন মানতে নারাজ।

স্যার, আপনার লেখা বরাবরের মতোই সুন্দর। খুবই চমদপ্রদ। ইহা চেয়ে মন্তব্য আর নাই।

২৭ শে জুন, ২০১৮ ভোর ৬:০১

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: "জীবন তো এমনই । জীবন চলে তার নিজের গতিতে। কোন প্রকার প্রেসক্রিপশন মানতে নারাজ।".......... হাজারো কথার মাঝে একটি দামী কথা; অত্যন্ত বাস্তব ও সত্য।

জীবন চলার পথে অনেক বাঁক আসে, অনেক আবেগ আসে, প্রেম আসে। পাশাপাশি, সফলতা-ব্যর্থতাও আসে। তবুও জীবন থেমে থাকে না। জীবনকে চলতে হয় আবেগ-অনুভূতিকে পেছনে ফেলে।

একটা সময় যে মানুষটিকে ভালবাসার জন্য, কাছে পাওয়ার জন্য মানুষ মরিয়া হয়ে উঠে; কখনো আত্মহত্যা পর্যন্ত করে। কয়েক বছর পর এই আবেগটি নিজের কাছে হাস্যকর মনে হয়। এটাই জীবন।

শুভ সকাল, প্রিয় সাজ্জাদ ভাই।

৪| ২৭ শে জুন, ২০১৮ ভোর ৫:৫১

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: বিদেশ বিভুঁইয়ে জাপানি মেয়েদের মতো সভ্য মেয়ে আমি দেখেছি বলে মনে পড়ে না, যদিও পৃথিবীর সব দেশ বা জাতি সম্পর্কে আমার ধারণা নেই । তবে আমার কাছে মেয়ে হিসেবে ভদ্র ও সভ্য মনে হয়েছে “জাপানি, ভারতের পাঞ্জাবী, রাশিয়ান ও পাকিস্তানী । বাংলাদেশী মেয়ে সম্পর্কে কমেন্ট করার দুঃসাহস আমার নাই ।

২৭ শে জুন, ২০১৮ ভোর ৬:২৩

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: লন্ডনে University of Bedfordshire-এ MBA করার সময় জাপানি দু'জন ক্লসমেট মেয়ে ছিল। শুরুতে এরা কারো সাথে মিশতো না; একটা সময় মিশতে শুরু করলো। আমি লাকি, এরা আমাকে খুব পছন্দ করতো। এরা খুব অন্তরমূখী স্বভাবের কিন্তু মিশুক। কারো সাথে সহজে মিশে না; মিশলে খুব ঘনিষ্ট হয়। এরা ইংরেজিতে দূর্বল বলে অন্য ভাষাভাষী মানুষদের সাথে মিশতে কিছুটা সংকোচ ফিল করে।

এখন একজন ওসাকাতে কাজ করে; অপরজন সাপ্পোরাতে। তাদের কাছ থেকে কিছু জাপানি শব্দ শিখেছিলাম কিন্ত বেশিরভাগই ভূলে গেছি।

লন্ডনে অনেক দেশের মেয়েদের সাথে পরিচয় হয়েছে। তবে কোন দেশের মেয়েরা সবচেয়ে ভাল তা এখন বলবো না!! সিক্রেট!!! তবে কোন দেশের মেয়েরা সবচেয়ে সুন্দরী তা বলতে পারি- (১) ভেনিজুয়েলা (২) কলম্বিয়া (৩) চেক রিপাবলিক (৪) স্পেন (৫) রাশিয়া।

৫| ২৭ শে জুন, ২০১৮ ভোর ৬:২৩

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: ভেনিজুয়েলা, রাশিয়া, কলোম্বিায়া, স্পেন, পাকিস্তান সাক্ষাত পরী, নিঃসন্দেহে গুরু ।। আমি পাকিস্তানী মেয়ে জোর দিলাম তাদের ব্যাবহার আদব শ্রদ্ধাযোগ্য ।

২৭ শে জুন, ২০১৮ ভোর ৬:৩৪

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: পাকিস্থানী মেয়েরাও নিঃসন্দেহে সুন্দরী; তবে আফগান মেয়েরা আরেকটু সরস সুন্দরী, এদেরকে অনেকটা রাশিয়ান মেয়েদের মতো লাগে। এছাড়া লেবানিজ, তার্কী, ইরানিয়ান, মরক্কো ও তিউনেশিয়ান মেয়েরাও খুব সুন্দরী।

৬| ২৭ শে জুন, ২০১৮ সকাল ৭:১৯

সিগন্যাস বলেছেন: কাওসার ভাই আপনি লন্ডনের দিনগুলি সিরিজটা লিখতে শুরু করুন

২৭ শে জুন, ২০১৮ সকাল ৭:৩৯

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: লন্ডনের কত কথা কত স্মৃতি!! কোনটা রেখে কোনটি বলবো। তবে ভবিষ্যতে হয়তো একটি বই লেখতে পারি। সামুতে লন্ডনের দিনগুলোর কয়েকটি লেখা দিয়েছি। আপনাকে লিঙ্কগুলো দিচ্ছি-
(১) ডাক্তার - ব্রিটেন ও বাংলাদেশের আলোকে।
(২) ব্রিটেনের প্রবাস জীবন (স্মৃতি কথা)
(৩) ব্রিটেনে কলুষিত বাংলাদেশী রাজনীতি
(৪) ছবি ব্লগ (লন্ডনের ডায়েরি-১)।

৭| ২৭ শে জুন, ২০১৮ সকাল ৭:২৫

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: Iসবাই তো দে‌খি সুন্দরী‌দের নি‌য়ে ব্যস্ত হ‌য়ে পড়‌লেন!

২৭ শে জুন, ২০১৮ সকাল ৭:৪৫

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: সবাই নয়!! আমাদের প্রিয় ঠাকুর মাহমুদ ভাই; শুনছি বিয়ে করার জন্য পরিবার থেকে সীমাহীন প্রেসার দিচ্ছে। এজন্য এত কৌতুহল। তিনার আবার ফরেন বউ খুব পছন্দ B-)। তাই একটু খোঁজ খবর দিলাম।

৮| ২৭ শে জুন, ২০১৮ সকাল ৮:০৮

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: শুভ সকাল প্রিয় লেখক ভাইন।ওয়াতাছিও কোছিতে ওয়ছুরেনি,মেতেনি।

জামাল সাহেবের একাল ও সেকাল। অন্যভাবে দেখলে কৈশরের শুরুতে লিজা, জীবনের প্রথম ভালোলাগা ও ভালোবাসা। চলে গেলো লিজা। বেশিদিন বা বেশিদূর নিঃসঙ্গ থাকতে হয়নি, শ্রাবন্তীর আগমনে জীবনের এ অধ্যায়টাও ভালোই কাটলো। কিন্তু যা হবার তাই হল। পরিনত বয়সের প্রেম মানে কিছুটা ঔ
ফ্যান্টাসিতো থাকবেই। শ্রাবন্তী বুদ্ধিমতী মেয়ে পাড়ি দিলো স্বামীজির সঙ্গে বিদেশে। আবার জামাল সাহেবের জীবনে নিঃসঙ্গতা। জাপানে পড়তে গিয়ে দেখা মিস কোকিকোর সঙ্গে। বিদেশি মেয়ে বন্ধুত্ব হলেও মনখুলে এগোতে পারেননি। তবে দেশে চলে আসার সনয় আবিষ্কার করলেন, আবার মন দেওয়া নেওয়া হয়ে গেছে। অবশ্য ওয়েডলক না হলেও যেটা হল তার চেয়েও অনেক বেশি। তাই জীবনের অপরাহ্নে দাঁড়িয়ে স্ত্রীপুত্র পরিমন্ডলে থাকলেও একান্ত নিভৃতে স্মৃতিচারণ করে খুঁজতে লাগেন গোল্ডেন কালারের জাপানি তালাটি।
তবে আজ থেকে আমরা বলতে পারবো, ওয়াতাছিওয়া আনাতা ও আইছতিমেছু।

২৭ শে জুন, ২০১৮ দুপুর ১২:০২

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: আই হেতিরে ভুলে গেছি বলে আন্নের ভুলুম কেম্নে?
কক্কনো ভুলুম না।
আসলে মানুষের জীবনটাই এমন। প্রকৃতির নিয়মে, সময়ের প্রয়োজনে, বয়সের তাড়নায়, ভালবাসার আগ্রহে মানুষ প্রেমে পড়ে। প্রতিটি প্রেমকে কেউ কেউ সিরিয়াসলি নেই, আবার কেউ বা এটাকে ফান হিসাবে নেয়।

গল্পের জামাল সাহেব একটু বোকাসোকা ভদ্রলোক হওয়ায় প্রেমের খেলায় গোল খেয়েছেন। বিষয়টি ছিল তার কাছে অপমানের। তবে পরিণত বয়সে এসে বুজতে পেরেছেন আসলে তিনি গোল খান নাই। এটা ছিল নিছক আবেগের ঘোর। তিনি হারেন নাই।

এজন্য শ্রাবন্তীর চলে যাওয়াটা তাকে কষ্ট দিলেও আমেরিকায় গিয়ে তাকে আর ফিল করেন নাই, লীজার বেলায়ও তাই। কোকিকোর দেওয়া সোনালি তালাটি এক সময় ভালবাসার প্রতীক হলেও এখন জং ধরেছে।

এখানে ভালবাসার স্মৃতি সোনালী তালাটি সময়ের কাছে পরাজিত হয়ে জং ধরাকে মানুষের ভালবাসা ও ভালবাসার স্মৃতির সাথে তুলনা করেছি। সময় চলে গেলে একটা সময় আসে যখন ভালবাসায় হারিয়ে ফেলা মানুষটি আর এই হারানো স্মৃতিকে ভুলে যায়। আবার নতুন সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে।

এভাবে একটি নতুন সম্পর্ক, সংসার অন্যটিকে ভুলিয়ে রাখে। একটা সময় স্মৃতির মণিকোটায় আগের সোনালী স্মৃতিগুলোতে জং ধরে।

৯| ২৭ শে জুন, ২০১৮ সকাল ৮:৩৮

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: স্যার, আপ‌নি য‌দি কখ‌নো বি‌দে‌শে না যান কখ‌নোই অনুভব কর‌তে পার‌বেন না দেশ প্রেম কি জি‌নিস। বি‌দে‌শে যারা থা‌কে তারা দে‌শের প্র‌তি প্রচন্ড টান অনুভব ক‌রে । এই টা‌নে কোন কৃত্রিমতা নেই। নিখাঁদ অনুভূ‌তি। জীব‌নের প্র‌য়োজ‌নে মানুষ বি‌দে‌শে যায়। সেখা‌নে কাজ ক‌রে । দে‌শে টাকা পাঠায়। তা‌দের‌ মন প‌ড়ে থা‌কে প্রিয় জন্ম ভূ‌মির মা‌টি। আ‌মি আমার কোন লেখায় তা‌দের প্র‌তি কটুবাক্য কিংবা কটাক্ষ কর‌তে রা‌জি নই। তা‌দের প্র‌তি আমার শুভ কামনা সব সময়।

২৭ শে জুন, ২০১৮ দুপুর ১২:১৩

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: আপনি ঠিকই বলেছেন, সাজ্জাদ ভাই। যারা কখনো প্রবাসী হন নাই তারা কখনো এটা অনুধাবন করতে পারবে না। বিদেশে গেলে দেশের প্রতি টানটা বেড়ে যায় অনেক বেশি। এজন্য প্রবাসীদের প্রতি আমাদের সম্মান থাকাটা উচিৎ।

১০| ২৭ শে জুন, ২০১৮ সকাল ৮:৪৯

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: হা হা হা কাওসার ভাই আমরা খুব আশায় আছি, এবার প্রিয় মাহমুদ ভায়ের পাত্রী খুঁজতে গিয়ে যদি আর এক ভায়েরও একটা হিল্লে হয়। তবে বিদেশে পড়তে গিয়ে আর যাই হোক আমাদের বাঙালী বোনেরা কল্কে না পেলেও মেম সাহেবেই আমরা খুশি। হি হি হি। উপরে সব দেখলাম। তবে আমার মিস সাকিরার দেশকে আইডল মনে হয়েছে। দেখি ভাইজান কি বলেন।

২৭ শে জুন, ২০১৮ দুপুর ১২:২৩

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: হুম। মিসেস সাকিরার দেশের মেয়েরা সত্যি সত্যি খুব সুন্দরী ও ভদ্র। এরা ন্যাচারাল বিউটি। এরা ইউরোপ ও নর্থ আমেরিকান মেয়েদের মতো এতো ফার্সট নয়। অনেকটা সহজ সরল ও ঘরোয়া। তবে পাত্রী হিসাবে কতটুকু ভাল বলা মুশকিল। কারণ, তাদের খাদ্যাভ্যাসের সাথে আমাদের অনেক পার্থক্য। এছাড়া কালচারগত পার্থক্য তো আছেই।

ঠাকুর মাহমুদ ভাই যদি এ বিষয়গুলো সেক্রিফাইস করেন তাহলে পাত্রী দেখতে আপত্তি নেই। তবে আরেক জনের বিষয়ে আপনি যে ইঙ্গিত করেছেন, তিনার ব্যাপারে বলতে পারি। তিনি "সমালোচনা অথবা আত্মউপলব্দি" গল্পের জিসানের মতো।

বিদেশীতে তেমন রুচি নেই!!!

১১| ২৭ শে জুন, ২০১৮ সকাল ৮:৫০

ঋতো আহমেদ বলেছেন: story telling is good.. well written. পরিণত ও গতানুগতিক। ভালো লেগেছে। ++

২৭ শে জুন, ২০১৮ দুপুর ১২:২৪

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: শুভেচ্ছা রইলো, ঋতো আহমেদ ভাই। গল্প পাঠে আনন্দ পেয়েছেন জেনে ভাল লাগলো। শুভ কামনা রইলো আপনার জন্য।

১২| ২৭ শে জুন, ২০১৮ সকাল ৯:৫২

রাজীব নুর বলেছেন: আপনার গল্প এবং মন্তব্য গুলো খুব মন দিয়ে পড়লাম।
লেখা সুন্দর। ঝরঝরে।

২৭ শে জুন, ২০১৮ দুপুর ১২:২৫

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: প্রিয় রাজীব ভাইয়ের মন্তব্য পড়ে ভাল লাগলো। অনেক ভাল লাগা রাজীব ভাই।

১৩| ২৭ শে জুন, ২০১৮ সকাল ১০:১৫

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
আপনার এই গল্পর নামটিও যেমন সুন্দর, গল্পটিও তেমনি।

আগের অনেক গল্পের নাম সুন্দর নয়। বিদেশী ছবি ব্যবহার কমালে ভাল হয়।

ধন্যবাদ।

২৭ শে জুন, ২০১৮ দুপুর ১২:২৯

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: ধন্যবাদ, প্রিয় মাইদুল ভাই। এখন থেকে চেষ্টা করবো গল্পের নামগুলো আরো সুন্দর করে রাখতে। আর ছবির বিষয়ে বলি, আমার গল্পগুলো একটু লম্বা হয়। তাই পাঠকদের একটু ব্রেক দিতে ছবিগুলো দেই। তবে চেষ্টা থাকে লেখার সাথে সামঞ্জস্য রেখে ছবিগুলো দেওয়ার। শুভ কামনা আপনার জন্য।

১৪| ২৭ শে জুন, ২০১৮ সকাল ১০:২৩

কথার ফুলঝুরি! বলেছেন: বাহ বাহ আমার প্রিয় ভাই ইদানিং ভালোবাসা নিয়ে গল্প লিখছে :P ভালো লাগল খুব।
জামাল সাহেব তো পুরোই প্রেমিক পুরুষ ছিলেন :P তবে তিনজনের মধ্যে আসলে কাকে তিনি ভালবেসেছিলেন ভাবছি ।

২৭ শে জুন, ২০১৮ দুপুর ১২:৩২

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: "বাহ বাহ আমার প্রিয় ভাই ইদানিং ভালোবাসা নিয়ে গল্প লিখছে :P ভালো লাগল খুব। জামাল সাহেব তো পুরোই প্রেমিক পুরুষ ছিলেন :P তবে তিনজনের মধ্যে আসলে কাকে তিনি ভালবেসেছিলেন ভাবছি। "............

কথা আপুর চমৎকার কথার ফুল। আপনিই বলুন প্রেমিক হিসাবে কে সেরা?
(১) জামাল সাহেব!!
(২) হারুন সাহেব!!!

১৫| ২৭ শে জুন, ২০১৮ সকাল ১১:২৩

পবন সরকার বলেছেন: এক টানেই পড়লাম। খুব ভালো লাগল। ধন্যবাদ

২৭ শে জুন, ২০১৮ দুপুর ১২:৩৩

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: ধন্যবাদ, প্রিয় কবি। আপনার মন্তব্য পেয়ে ভাল লাগলো। শুভ কামনা আপনার জন্য।

১৬| ২৭ শে জুন, ২০১৮ সকাল ১১:৩২

লাবণ্য ২ বলেছেন: সুন্দর সাবলীল গল্প।গল্পের নামটা ও অসাধারন।কিছু মনে করবেন না ভাইয়া গল্পের মাঝখানে ছবি দিলে ভালো লাগে না।

২৭ শে জুন, ২০১৮ দুপুর ১২:৩৬

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: ছবির বিষয়ে বলি, আমার গল্পগুলো একটু লম্বা হয়। তাই পাঠকদের একটু ব্রেক দিতে ছবিগুলো দেই। তবে চেষ্টা থাকে লেখার সাথে সামঞ্জস্য রেখে ছবিগুলো দেওয়ার। শুভ কামনা আপনার জন্য।

গল্পের নামটি আপনার ভাল লেগেছে জেনে খুশি হলাম। গল্পটি পড়ে মন্তব্য করার জন্য ধন্যবাদ আপু। শুভ কামনা রইলো।

১৭| ২৭ শে জুন, ২০১৮ সকাল ১১:৩৫

আহমেদ জী এস বলেছেন: কাওসার চৌধুরী ,





হয়তো প্রতিটি মানুষেরই জীবনের একালে সেকালে এমনই স্মৃতির ঘনঘটা থাকে । স্মৃতির সে দরজায় লাগানো তালা হঠাৎ হঠাৎ খুলে ফেললে জীবনের উঠোনের আলোছায়ার খেলা এমনি করেই চোখে ধরা দিয়ে যায় বোধহয় !

২৭ শে জুন, ২০১৮ দুপুর ১২:৪০

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: বাহ!! চমৎকার মন্তব্য আপনার। এটাই সত্যি। বাস্তবতা। এখানে ভালবাসার স্মৃতি সোনালী তালাটি সময়ের কাছে পরাজিত হয়ে জং ধরাকে মানুষের ভালবাসা ও ভালবাসার স্মৃতির সাথে তুলনা করেছি। সময় চলে গেলে একটা সময় আসে যখন ভালবাসায় হারিয়ে ফেলা মানুষটি আর এই হারানো স্মৃতিকে ভুলে যায়। আবার নতুন সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে।

আপনার চমৎকার মন্তব্য প্রীত হলাম। শুভ কামনা আপনার জন্য।

১৮| ২৭ শে জুন, ২০১৮ সকাল ১১:৪২

মোস্তফা সোহেল বলেছেন: কাওসার ভাই,ভালই লাগল গল্পটি।
গল্পের মাঝে ছবি না দিয়ে প‌্যারা করে দিলে ভাল লাগবে বেশি।ছবি একটা প্রথমে দিলেই ভাল লাগবে।

২৭ শে জুন, ২০১৮ দুপুর ১২:৩৮

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: আর ছবির বিষয়ে বলি, আমার গল্পগুলো একটু লম্বা হয়। তাই পাঠকদের একটু ব্রেক দিতে ছবিগুলো দেই। তবে চেষ্টা থাকে লেখার সাথে সামঞ্জস্য রেখে ছবিগুলো দেওয়ার। শুভ কামনা আপনার জন্য। আশা করি, মনে কিছু নেবেন না, সোহেল ভাই।

আপনি গল্পটি পড়েছেন জেনে খুশি হলাম। শুভ কামনা রইলো প্রিয় সোহেল ভাইয়ের জন্য।

১৯| ২৭ শে জুন, ২০১৮ দুপুর ১:৪০

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: গুরু, আমি বিয়ে করেছি ২০০৫ এ, ছেলে মেয়ে নিয়ে সংসার, সুখ দুঃখ-ভালো মন্দ নিয়ে জীবন চলছে জীবনের মতো, ইহো জনমে না পরজনমেও আবার বিয়ে করার শখ নাই বা হুরের ও প্রয়োজন নাই - ভাবতেই ভয়ে শরীরে কাঁটা দেয় শত্তর জন হুর ঈদ বাজারে শপিং করার নামে আমাকে গ্যান্ডারী মেশিনে চিপে যাচ্ছেন ।

আমার একটা হাইপোথিসিস আছে - আমার কাছে মনে হয় যে দেশে যতো সুন্দরী মেয়ে সেই দেশে ততো অশান্তি ও নৈরাজ্য - সিরিয়িা, ইরান, পাকিস্তান, সারভিয়া, তিউনেশিয়া, লেবানন - যুদ্ধ বিগ্রহ দেশ, ভেনিজুয়েলা ও কলোম্বিায়া - মাফিয়াদের নরক, রাশিয়া - সুন্দরী মেয়েদের নাঁচ ছাড়া আয় করার আর কোনো ভালো পথ আছে কি ?

২৭ শে জুন, ২০১৮ রাত ৯:৪০

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: গুরু, আন্নে তো একখান সাদী মোবারক কচ্ছেন!! এহনও তিনখান বাকী আছে শরীয়ত মোতাবেক। সো........ বল এহনও আন্নের কোর্টে।

"ইহো জনমে না পরজনমেও আবার বিয়ে করার শখ নাই বা হুরের ও প্রয়োজন নাই - ভাবতেই ভয়ে শরীরে কাঁটা দেয় শত্তর জন হুর ঈদ বাজারে শপিং করার নামে আমাকে গ্যান্ডারী মেশিনে চিপে যাচ্ছেন।".........

হা.....হা....হা.....!! ফান্দে পড়িয়া বগায়....কা...ন্দে......রে....!!!!
ন্যাড়া তাহলে একবারই বেলতলায় যায়। আর সত্তর জন হুরের শপিংয়ের বিষয়টি তো কখনো ভাবি নাই। বিষয়টি ভাবনার; সিরিয়াস ইস্যু, গুরু।

"আমার একটা হাইপোথিসিস আছে - আমার কাছে মনে হয় যে দেশে যতো সুন্দরী মেয়ে সেই দেশে ততো অশান্তি ও নৈরাজ্য - সিরিয়িা, ইরান, পাকিস্তান, সারভিয়া, তিউনেশিয়া, লেবানন - যুদ্ধ বিগ্রহ দেশ, ভেনিজুয়েলা ও কলোম্বিায়া - মাফিয়াদের নরক, রাশিয়া - সুন্দরী মেয়েদের নাঁচ ছাড়া আয় করার আর কোনো ভালো পথ আছে কি ?".......

গোলাপ সংগ্রহ করতে কাঁটার আঘাত সইতে হয়। সুন্দরীদের যুদ্ধ জয়ের মতো করে ছিনিয়ে আনতে পারাটাইতো পুরুষদের সার্থকতা। চিরদিন রাজকুমাররা তো তাই করেছেন। বেস্ট অফ লাক!!!

২০| ২৭ শে জুন, ২০১৮ দুপুর ২:০৫

সম্রাট ইজ বেস্ট বলেছেন: গল্পের শেষ প্যারাটা একটি শিক্ষনীয় জিনিস! বেশ লিখেছেন! আপনার গল্প লেখার হাত সত্যিই অসাধারণ!

২৭ শে জুন, ২০১৮ রাত ৯:২৮

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: কেমন আছেন, সম্রাট ভাই। আপনি ঠিকই বলেছেন, গল্পের শেষ অংশটি আসলে গল্পের মূল বিষয়বস্তু। জামাল সাহেব নিজের জীবনের অবিজ্ঞতা থেকেই বিষয়টি উপলব্ধি করেছেন।

চমৎকার মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ, সম্রাট ভাই।

২১| ২৭ শে জুন, ২০১৮ দুপুর ২:৩৫

মাহমুদুর রহমান সুজন বলেছেন: জামাল সাহেবতো কন্যা রাশির একজন ছিলেন। গল্প ভাল লাগল।

২৭ শে জুন, ২০১৮ রাত ৯:২৩

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: কন্যা রাশি!! হতে পারে। তবে আমি রাশি বুঝি না। অনেক ভাল লাগা প্রিয় সুজন ভাইয়ের জন্য।

২২| ২৭ শে জুন, ২০১৮ বিকাল ৩:১৩

কাছের-মানুষ বলেছেন: গল্পটাতে জামাল সাহেবের এক জীবন খুব সুন্দর করে ফুটিয়ে তুলেছেন।
জামাল সাহেবের জীবনে ভালবাসা মানুষগুলোর আগমন এবং নির্গমনের মাধম্যে
নিজের মধ্যে এক ধরনের জীবন বোধ সৃষ্টি হয়েছে। গল্পের শেষে নাতনী রাহেলাকে উদ্দেশ্য করে
বলা কথাগুলো নিজের জীবনের অভিজ্ঞতারই একটি প্রতিফলন ঘটছে।

গল্পটি একটি সুনিদিষ্ট উদ্দেশ্য নিয়ে এগিয়েছে, আমি বলব গল্প বুননে আপনি সফল এক্ষেত্রে। আমার ভাল লাগা রইল।

২৭ শে জুন, ২০১৮ রাত ৯:২১

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: শুভেচ্ছা নেবেন। গল্পের শেষ কথাটিই গল্পের মূল বিষয়বস্তু। জামাল সাহেব নিজের সারা জীবনের অভিজ্ঞতা থেকে ব্যাপারটি উপলব্ধি করেছেন। আপনি কমেন্টে চমৎকার কয়েকটি কথা বলেছেন।

এত সুন্দর, বিচক্ষণ একটি কমেন্টের জন্য ধন্যবাদ আপনাকে। শুভ কামনা রইলো।

২৩| ২৭ শে জুন, ২০১৮ বিকাল ৪:৩৬

রাজীব নুর বলেছেন: লেখক বলেছেন: প্রিয় রাজীব ভাইয়ের মন্তব্য পড়ে ভাল লাগলো। অনেক ভাল লাগা রাজীব ভাই।

আপনাকে আমি মনে প্রানে বড় ভাই মানি।

২৭ শে জুন, ২০১৮ রাত ৯:১৭

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: প্রিয় মানুষের এমন কমেন্ট আমার মত সাধারন মানুষের জন্য অনেক সম্মানের। আপনি হচ্ছেন সামু ব্লগের নিউক্লিয়াস। শুভ কামনা প্রিয় রাজীব ভাইয়ের জন্য।

২৪| ২৭ শে জুন, ২০১৮ রাত ৯:২৫

কথার ফুলঝুরি! বলেছেন: @লেখক বলেছেন--------- বলুন প্রেমিক হিসাবে কে সেরা?
(১) জামাল সাহেব!!
(২) হারুন সাহেব!।।-------- ভাইয়া, হারুন সাহেব কে মনে করতে পারছিনা তো :((

২৭ শে জুন, ২০১৮ রাত ৯:৩০

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: হারুন সাহেব আগের গল্পের নায়ক। হাজবেন্ড হিসাবে এই দুই জনের মধ্যে কে সেরা!!

২৫| ২৭ শে জুন, ২০১৮ রাত ১১:০৬

মনিরা সুলতানা বলেছেন: বাহ!! মিষ্টি লেখা ।

২৮ শে জুন, ২০১৮ রাত ২:০১

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা আপা। ভাল থাকুন সব সময়।

২৬| ২৮ শে জুন, ২০১৮ সকাল ৭:০৩

সোহানী বলেছেন: হুম স্মৃতিচারণ গল্প। মধ্য বয়সে একবার হিসেব নিকেশ চলে, শেষের দিকে আবার............. । আর চলে প্লাস মাইনাস এর ব্যালেন্স।..... গল্পে ভালোলাগা........

২৮ শে জুন, ২০১৮ বিকাল ৪:০৯

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: ধন্যবাদ, আপু। আপনার নতুন লেখা পেয়ে আজ খুব খুশি। একটা কমেন্ট এইমাত্র করে আসলাম। অনেক ভাল লাগা রইলো।

২৭| ২৮ শে জুন, ২০১৮ বিকাল ৪:৩৮

দৃষ্টিসীমানা বলেছেন: ব্লগে আপনার পরিচয় পর্বটি অনেক ভাল লাগল । শুভ কামনা ।

২৮ শে জুন, ২০১৮ বিকাল ৪:৪৪

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: ধন্যবাদ, প্রিয় ভাই।
পরিচয় পর্বটি আপনার ভাল লেগেছে জেনে খুশি হলাম।

"স্বপ্ন দেখি সত্যিকারের স্বাধীনতার চেতনায় দেশ একদিন পরিচালিত হবে। আমি বিশ্বাস করি, একমাত্র ভালবাসা দিয়েই পৃথিবীটাকে বসবাসযোগ্য, নিরাপদ আর ক্ষুধামুক্ত করা সম্ভব; হিংসা, ঘৃণা, যুদ্ধ আর বৈষম্য দিয়ে নয়।".....

এটা আমি মনে প্রাণে বিশ্বাস করি। শুভ কামনা রইলো আপনার জন্য।

২৮| ২৮ শে জুন, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:১২

মোঃ আবু বকর ছিদ্দিক বলেছেন: আপনার গল্পটি অসাধারন লেগেছে ভাই।সবাই আমার নতুন ব্লগে আমন্ত্রিতইসলামে দাসপ্রথা ছিল কি?

২৮ শে জুন, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:১৫

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: আমার ব্লগে স্বাগতম, প্রিয় আবু বকর ভাই। হ্যা, আপনার চমৎকার লেখাটি আগেই পড়ছি এবং একটি কমেন্ট করেছি। শুভ কামনা রইলো ভাই।

২৯| ২৯ শে জুন, ২০১৮ রাত ৯:৩৩

লিট্রিমিসটিক বলেছেন: আসলে আমরা সবাই জামাল সাহেবের মত। কেউ জামাল, কেউ কামাল..। ভাল লাগল।

৩০ শে জুন, ২০১৮ রাত ১২:৪৫

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: হ্যা, ঠিকই বলেছেন ভাই। আমরা কোন না কোন ভাবে জামাল সাহেবের চরিত্র নিজেদের মধ্যে ধারণ করি। শুভ কামনা রইলো ভাই।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.