নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

জন্মসূত্রে মানব গোত্রভূক্ত; এজন্য প্রতিনিয়ত \'মানুষ\' হওয়ার প্রচেষ্টায় আছি। গল্পের \'বায়স্কোপ\' বইয়ের কারিগর।

কাওসার চৌধুরী

প্রবন্ধ ও ফিচার লেখতেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি। পাশাপাশি গল্প, অনুবাদ, কবিতা ও রম্য লেখি। আমি আশাবাদী মানুষ।

কাওসার চৌধুরী › বিস্তারিত পোস্টঃ

এ যুগের আধুনিক কবিতার পাঠ (একজন পাঠকের দৃষ্টিতে)। :( :( :( :( [সমালোচনা] :( :( :( :(

০৪ ঠা জুলাই, ২০১৮ রাত ৮:২৩


স্কুলে পড়ার সময় থেকে টুকটাক কবিতা লেখার চেষ্টা করতাম। তবে কলেজে উঠার পর কবিতা লেখার প্রতি টানটা একটু বেড়ে গিয়েছিল। আমাদের বাংলার স্যারও কবিতাপ্রেমী ছিলেন। তিনি কবিতা নিয়মিত লেখতেন এবং বিভিন্ন কবিতা উৎসবে যোগ দিতেন। একদিন কি যেন ভেবে আমার লেখা একটি কবিতা স্যারকে দেখালাম। ষোল লাইনের কবিতাটি পড়ে স্যারের মুখটা কেমন যেন গম্ভীর হয়ে গেল। একটু সময় নিয়ে আমাকে বল্লেন কবিতা লেখার চেষ্টা করা ভাল, তবে আধুনিক কবিতা লেখতে হলে এ যুগের কবিতা বেশি বেশি পড়তে হবে। এ যুগের বিখ্যাত কবিদের লেখা অনুসরণ করতে হবে। তাদের কবিতার ভাষা, ভাব ও লেখার প্যাটার্ন বুঝতে হবে।

সোজা কথায় স্যারের মতে, আমার লেখা কবিতা এ যুগের আধুনিক কবিতার ধারে কাছে যায়নি। আমার মন খারাপ দেখে স্যার দু'টি কবিতার বইয়ের নাম লিখে দিলেন স্থানীয় একটি লাইব্রেরী থেকে কিনে পড়ার জন্য।

"শুধু বিঘে-দুই ছিল মোর ভূঁই, আর সবই গেছে ঋণে।
বাবু বলিলেন, 'বুঝেছ উপেন? এ জমি লইব কিনে'।
কহিকলাম আমি, 'তুমি ভূস্বামী ভূমির অন্ত নাই-
চেয়ে দেখো মোর, আছে বড়জোর মরিবার মতো ঠাই"।।
..........রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (দুই বিঘা জমি)

বই দু'টির নামের অর্থ যদিও বুঝিনি তারপরও কিনে আনলাম। পড়ে তো হতবাক। কবিতাগুলোর ভাষা খুবই দুর্বোধ্য ও কঠিন ছিল। বারবার পড়লাম, তবুও ঠিকমতো বুজতে পারলাম না। একটি বইয়ে স্যারেরও দু'টি কবিতা ছিল। কিন্তু তাঁর দু'টি কবিতা বার বার পড়ার পরও কিছুই বুঝলাম না। তাহলে এগুলো এ যুগের আধুনিক কবিতা? যা বুঝতে হলে উচ্চমার্গীয় দার্শনিক হতে হবে? যা কবি ছাড়া সাধারণ পাঠকের কেউ বুঝতে পারেনা তাই আধুনিক কবিতা? ছোটবেলা থেকে কবিতা চর্চা করেও যদি আধুনিক কবিতা বুঝতে না পারি তাহলে সাধারন পাঠকদের অবস্থা কী হবে? আধুনিক কবিতা কি সব শ্রেণীর পাঠকদের জন্য নয়?

আমার মনে হয় আধুনিক এ কবিতাগুলো শতকরা ১০% পাঠকও বুঝে না। এজন্য পড়বে না, নিশ্চিত। এমনও হতে পারে এ যুগের কবিতা বোঝার মতো আক্কেল আমার নেই। স্বীকার করছি এটা আমার ব্যর্থতা। সেদিন থেকেই আমি কবিতা লেখা ও পড়া বন্ধ করে দেই। তবে স্যারকে এ বিষয়ে কিছু বলিনি, জানতেও চাইনি।

ছোটবেলা থেকে কবিতা লেখার প্রতি আমার ঝোঁক ছিল। লেখতে ভাল লাগত তাই মনের আনন্দে লেখতাম। তবে সেগুলো কবিতা হয়েছে কিনা জানি না। তবে এটা নিশ্চিত করে বলতে পারি সেগুলো আধুনিক কবিতা ছিল না। কারণ যে কেউ পাঠ করলে কবিতাগুলো বুঝতে পারবে। আধুনিক কবিতা তো সাধারন পাঠকদের জন্য নয়! সাধারন পাঠক কবিতা বুঝতে পারলে তা আধুনিক কবিতা হতে পারে না। সেদিন বুঝেছিলাম এখনকার আধুনিক কবিতার নামে যা হচ্ছে তা নিছক পাগলামী। এখানে সাধারন পাঠকদের প্রবেশাধিকার নেই। কবিতার নামে কাল্পনিক, বানোয়াট, উদ্ভোট ও বাস্তবতা বিবর্জিত কিছু লেখার চেষ্ঠা মাত্র।

"গাহি সাম্যের গান-
মানুষের চেয়ে বড় কিছু নাই, নহে কিছু মহিয়ান,
নাই দেশ-কাল-পাত্রের ভেদ, অভেদ ধর্ম জাতি,
সব দেশে, সব কালে, ঘরে-ঘরে মানুষ জাতি"।।
..........কাজি নজরুল ইসলাম (মানুষ)

বেশিরভাগ ক্ষেত্রে নেই লেখার ধারাবাহিতা। দুর্বোধ্য শব্দ আর যত্র তত্র দাড়ি/কমা/সেমিকোলন ইত্যাদির ব্যবহার। আর এটাও বুজেছিলাম বাংলা সাহিত্যে এসব কবিতার স্থান কোন দিন হবে না। তবে সবাই যুগের স্রোতে গা ভাসাননি। অনেক ভাল ভাল কবি এ যুগেও আছেন। তারা মাতৃভূমি নিয়ে, আমাদের মাটি ও মানুষ নিয়ে, সাধারন মানুষের আবেগ অনুভূতি নিয়ে সহজ ও প্রাঞ্জল ভাষায় কবিতা লেখেন। তবে সংখ্যাটি অল্প।


একটি বাংলা কবিতা বুঝতে হলে কতবড় বাংলাবিদ ও দার্শনিক হতে হবে তা আমার ক্ষুদ্র জ্ঞানে কুলায় না। কত শত যুগ ধরে যে বাংলা কবিতা পাঠের তালিম নিয়ে এর অর্থ বোঝতে হবে তা ভেবে শিউরে উঠি। একটা গল্প, উপন্যাস এমনকি প্রবন্ধ পড়তে তো সাধারন পাঠকদের এতো বেগ পেতে হয় না। শুধু কবিতার ক্ষেত্রে খুঁজে খুঁজে কঠিন শব্দগুলো কেন ব্যবহার করা হয় তার যৌক্তিক কোন কারন আছে কি না জানা নেই। যাহোক বোধ্য-দুর্বোধ্য, জঠিল-সরল, মিত্রাক্ষর-অমিত্রাক্ষর, ছন্দময়-ছন্দহীন আকৃতি নিয়ে আধুনিক বাংলা কবিতা এগিয়ে যাক এ কামনা করি।

"হাজার বছর ধরে আমি পথ হাঁটিতেছি পৃথিবীর পথে
সিংহল সমুদ্র থেকে নিশীতের অন্ধকারে মালয় সাগরে
অনেক ঘুরেছি আমি; বিম্বিসার অশোকের ধূসর জগতে
সেখানে ছিলাম আমি; আরো দূর অন্ধকারে বিদর্ভ নগরে;
আমি ক্লান্ত প্রাণ এক, চারিদিকে জীবনের সমুদ্র সফেন,
আমারে দু-দন্ড শান্তি দিয়েছিলো নাটোরের বনলতা সেন"।।
..........জীবনানন্দ দাশ (বনলতা সেন)

বিভিন্ন শব্দ ভান্ডার হতে টুকরো টুকরো শব্দ নিয়ে স্বযত্নে একটি করে চরণ বসিয়ে অথবা দুনিয়ার সব দুর্বোধ্য শব্দ চয়ন করে অন্তমিল গোজামিল যত মিল আছে তা দিয়ে কবিতার আকৃতি দেওয়া যায়। আর আকৃতি দেওয়ার পর যখন মনে হবে কবিতাটি জটিল প্রকৃতির হয়েছে, কবি নিজেও এর শানে-নুযুল ঠিকমত ধরতে পারছেন না তখন বুঝতে হবে কবিতাটি হয়েছে একটি উচ্চমার্গীয় আধুনিক কবিতা।

কবিতাটি পড়ে আমার মত সাধারন পাঠক যখন বলবে কিছুইতো বুঝিনি। জবাবে লেখক বলবেন, কেন আপনি বুঝলেন না? সব কিছু জলের মতো পরিষ্কার। আধুনিক কবিতা বুঝার ক্ষমতা আপনার নেই। অতি হক কথা। কবিতা পাঠের যোগ্যতাই যে আমার নেই।

"ভাল মেয়ে ঠিক কাকে বলে, জানো?
ভালো ছেলে মানে কী?
তুমিও বলবে, সহজ প্রশ্ন মাপকাঠি একটি
যে মেয়ে পেয়েছে অঙ্কে একশো,
যে ছেলে ভূগলে সেরা!
তারাই তো ভালো সবাই বলছে
হীরের টুকরো এরা।
কাগজে ওদের ছবি ছাপা হয়,
টিভিতে দেখায় মুখ।
ওদের জন্য আমারও তো ভাই
আনন্দে ভরে বুক।
তবু কেন জানো, তোমাকে বলছি
দেখে শুনে পাই ভয়।
শুধু এতো এতো নম্বর পেলে
ভাল ছেলে-মেয়ে হয়?"
..........কার্তিক ঘোষ (তুমিও বলবে)

কবি কি লেখবেন তা একান্ত তাঁর ব্যক্তিগত ব্যাপার। কবিতাটি লেখে যদি নিজের ব্যাক্তিগত ডায়রিতে রেখে দিতেন তাহলে পাঠকদের আপত্তি থাকার কথা নয়। আপত্তি হল বই আকারে কবিতাপ্রেমীর হাতে পৌছার পর যখন সাধারন পাঠক বুঝে উঠতে পারেন না কবিতাটির সারমর্ম। পকেটের টাকা খরছ করে পাঠক এমন কোন সাহিত্যকর্ম কিনতে চায় না, যা পড়ে বুঝতে পারেনা।

এটা কবির ব্যর্থতা নয় কি? শুধু কবিতা কেন? গল্প, উপন্যাস, সমালোচনা, প্রবন্ধ যাই লেখেন না কেন তা সাবলিল ও সহজপাঠ্য না হলে কেউ পড়বে না। এটা লেখকদের মাথায় রাখা প্রয়োজন। নিজে শুধু শুধু লেখেই কবি/সাহিত্যিক হওয়া যায় না। পাঠকদের স্বীকৃতিটাই আসল।

কবিতা লেখতে হলে প্রচুর পড়তে হয়; জানতে হয়। টিনেজ বয়সে ছেলে মেয়েদের শারিরীক ও মানসিক পরিবর্তনের ফলে আবেগী মন থেকে যে কবিতা আসে, তাতে বাস্তবতার চেয়ে আবেগের জয়গান বেশি থাকে। এজন্য এগুলো কালজয়ী কবিতা হয় না; টিনেজ মানেই কবি আর কবিতার চাষবাস। এজন্য এই বয়সের তরুণ, তরুণীরা গল্প লেখে না, শুধু কবিতা লেখতে চায়। অনেকে টিনেজ বয়সের এই অপরিপক্ব কবিতা পাকা বয়স অবধি টেনে নেন; ফলে বয়সের সাথে কবিতায় পরিপক্কতা আসে না। ভাল কবি হওয়ার পূর্বশর্ত হলো ভাল পাঠক হওয়া; কবি ও কবিতার ইতিহাস পড়া; আধুনিক গুণী কবিদের কবিতা পড়ে আত্মস্থ করার চেষ্টা করা।

"আসমানীদের দেখতে যদি তোমরা সবে চাও,
রহিমদ্দির ছাট্ট বাড়ি রসুলপুরে যাও।
বাড়িতো নয় পাখির বাসা ভেন্না পাতার ছানি,
একটুখানি বৃষ্টি হলেই গড়িয়ে পড়ে পানি
একটুখানি হাওয়া দিলেই ঘর নড়বড় করে,
তারি তলে আসমানীরা থাকে বছর ভরে"।।
..........জসিম উদ্দিন (আসমানী)


কবিতার ক্ষেত্রে একটি লাইন থেকে পরের লাইনে যাওয়ার সময় যেন একটি যৌক্তিক সূত্র থাকে। কবিতা পড়া শেষে পাঠক যেন একটি অর্থবহ সারমর্ম পায়, যাতে পরিপূর্ণ ভাবে কবিতা পড়ার স্বাদ আসে সেটা কবিদের মাথায় রাখাটা প্রয়োজন। অনেকে অযথা জটিল শব্দ দিয়ে অস্ম্পূর্ণ ভাব বাক্যে কবিতা লেখেন, অনেক সময় একটি লাইনের সাথে পরবর্তী লাইনের বক্তব্যের মিল থাকে না। ফলে পাঠকরা পুরো কবিতা পাঠ করেও কিছুই বুঝতে পারে না। একজন লেখক হিসাবে এ দায়টা এড়িয়ে যাওয়ার কোন সুযোগ নেই।

এখন প্রমিত বাংলার যুগ। মানুষ সহজ কথাটি সহজে বুঝতে চায়। অযথা ঘুরিয়ে পেচিয়ে আর দুর্বোধ্য শব্দ দিয়ে কবিতা লেখলে পাঠকের আগ্রহটা নষ্ট হয়ে যায়। এখন বিনোদনে হাজারো ক্ষেত্র আছে। এজন্য সহজপাঠ্য সাহিত্য না হলে পাঠক মুখ ফিরিয়ে নেয়। তিনিই তো শ্রেষ্ঠ কবি/সাহিত্যিক যিনি কঠিন কথাটি পাঠককে সহজ ভাবে বোঝতে পারেন।

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম, পল্লী কবি জসিম উদ্দিন এবং আধুনিক বাংলা কবিতার পুরোধা জীবনানন্দ দাশের কবিতা বুঝতে তো সাধারন পাঠকদের কোন বেগ পেতে হয় না। এছাড়া বর্তমান সময়ের কবি শামসুর রহমান, কবি নির্মলেন্দু গুণ, কবি আল মাহমুদ ইত্যাদি কবিদের কবিতায় এদেশের মাটি ও মানুষের গন্ধ পাওয়া যায়; কবিতাগুলোও সহজপাঠ্য। পাঠক হিসেবে যেকেউ তার পাঠ উদ্ধার করতে পারে। হাজার হাজার মানুষ আগ্রহ নিয়ে প্রতিদিন তাদের কবিতা পাঠ করে। কবিতায় নিজের জীবন, পরিবার, সমাজ ও ভাব-ভালবাসা খুঁজে পায় পাঠক। জীবনের অনেক না জানা প্রশ্নের উত্তর জানা হয়। তাঁদের কবিতা অল্পশিক্ষিত, উচ্চশিক্ষিত সবাই পড়তে পারে, বুঝতে পারে। এসব কবিতা বুঝতে উচ্চমার্গীয় দার্শনিক হতে হয় না।

"হে বঙ্গ, ভান্ডারে তব বিবিধ রতন;
তা সবে, (অবোধ আমি) অবহেলা করি,
পর-ধন-লোভে মত্ত, করিনু ভ্রমন
পরদেশে, ভিক্ষাবৃত্তি কুক্ষণে আচারি"।।
..........মাইকেল মধুসূদন দত্ত (বঙ্গভাষা)

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরদের সময়ে বাংলা ভাষায় সংস্কৃতের প্রভাব অনেক বেশি ছিল, এছাড়া সাধু ভাষার প্রচলন ছিল সর্বত্র। এখনকার মত এত শিক্ষিত মানুষও সে সময় ছিল না। তারপরও তাদের লেখা পড়তে পাঠকদের কোন সমস্যা হয়নি। শত বছর পরও তাদের কবিতা/ছড়া/গীতিকাব্য মানুষ আগ্রহ নিয়ে পড়ে, বছরের পর বছর মনে রাখে, গবেষণা করে। তাদের লেখা কবিতা মানুষের জীবনমুখী ছিলো। সাধারন মানুষের আবেগ অনভূতি, তাদের পাওয়া না পাওয়ার বেদনা, প্রেম ভালবাসা ও প্রকৃতির খেয়াল নিয়ে সহজ ও সাবলিল ভাষায় তারা তা তুলে ধরতেন। এখনো তাদের কবিতায় পাঠকরা নিজেদের জীবনের অস্থিত্ব খুঁজে পায়। তাঁরা কবিতা দিয়েই সমাজ পরিবর্তন করেছেন।

কবিগগুর রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কবিতা, গল্প, প্রবন্ধ, গান সহ বাংলা সাহিত্যের এমন কোন ক্ষেত্র নেই যা তাঁর লেখায় সমৃদ্ধ হয়নি। তারপরও কবি হিসেবেই মূলত বিশ্বব্যাপী তিনি পরিচিত। ১৯১৩ সালে গীতাঞ্জলী কাব্যগ্রন্থের জন্যই তিনি নোবেল পুরষ্কার পেয়েছিলেন। রবীন্দ্রনাথরা সাধারন মানুষকে ভিত্তি করেই কবিতা লেখতেন, সমাজে ঘটে যাওয়া নানা বিষয়-আসয়, অন্যায়-অত্যাচারের কাহিনী অত্যন্ত সাবলীল ও সহজ ভাষায় তুলে ধরতেন। যাতে সাধারন মানুষ সহজে তা বুঝতে পারে।

আমার কেন যেন মনে হয় রবীন্দ্রনাথ, নজরুল, জীবনানন্দ দাশরা এ যুগের আধুনিক কবিতার মর্ম বুঝতে হলে বাংলা অভিধান থেকে উচ্চমার্গীয় শব্দের অর্থ খুঁজতে হতো।

বিদ্যেবোঝাই বাবু মশাই চড়ি সখের বোটে
মাঝিরে কন, "বলতে পারিস সুর্য্যি কেন ওঠে?
চাঁদটা কেন বাড়ে কমে? জোয়ার কেন আসে?"
বৃদ্ধ মাঝি অবাক হয়ে ফ্যালফ্যালিয়ে হাঁসে।
বাবু বলেন, "সারা জীবন মরলেরে তুই খাটি
জ্ঞান বিনা তোর জীবনটা যে ষোল আনাই মাটি।"
..........সুকুমার রায় (ষোল আনাই মিছে)


ফরাসি বিপ্লবের মাধ্যমে ইউরোপে আধুনিক রেনেসাঁর জন্ম হলেও সাহিত্যের ধারায় সেই পরিবর্তন হয়েছে অনেক পরে। পশ্চিম ইউরোপের শিল্প বিপ্লবের ফলে স্থানীয় মানুষের জীবন-জীবিকা, চিন্তা-চেতনা, পরিবেশ-সামাজিকতা এবং রাষ্ট্রীয় কাঠামোয় ব্যাপক পরিবর্তন আসে। হঠাৎ করে নতুন এক জীবন ব্যবস্হায় মানুষ ইউ- টার্ন করে। আর এই ইউ- টার্নই হলো আধুনিক জীবন ব্যবস্হা। যা পরবর্তীতে ইউরোপের শিল্প, সাহিত্য ও কবিতায় প্রতিফলিত হয়েছে। তখন পশ্চিম ইউরোপের দেশগুলোর বিশ্বব্যাপী কলনিয়াল রোলার হিসাবে ছড়িয়ে ছিটিয়ে ছিল।

তবে বাংলা সাহিত্যে আধুনিকতার ছোয়া লেগেছে অনেক পরে; বিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি থেকে। এ ধারাটি শুরু করেছিলেন বাংলা ভাষার সনেট ও অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্থক মাইকেল মধুসূদন দত্ত; কৈশর ও যৌবনে তিনি বাংলা ভাষার পরিবর্তে ইংরেজি ভাষার প্রতি ঝুঁকে পড়েছিলেন বলেই তিনি আধুনিক ইংরেজি সাহিত্যের পাঠ নিয়েছিলেন। এজন্য জীবনের দ্বিতীয় অধ্যায়ে মাতৃভাষায় যখন লেখা শুরু করেন তখন থেকেই তাঁর লেখা কবিতায় ইংরেজি আধুনিক সাহিত্যের ছাপ পড়ে। এ ধারাটি আরো গতিময় হয় বিশ্ব কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের হাত ধরে। মূলতঃ তাদের ইংরেজী সাহিত্যের উপর পড়াশুনা ছিল বলে বাংলা সাহিত্যে আধুনিক কবিতার ধারাটি তাঁদের হাত দিয়ে রোপিত হয়।

তখন থেকেই বাংলা কবিতায় শব্দ গঠন, ভাষাশৈলীর বৈচিত্র্য এবং মানুষের জীবন চিন্তা ভাবনার পরিবর্তন আসে। আধুনিক কবিতার অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো শৈল্পিক ভাবনা ও মানুষের অনুভূতির সতস্ফুর্ত বহিঃপ্রকাশ।

বাংলা ভাষার গত হাজার বছরের ইতিহাস ঘাটলে দেখা যায় বাংলা ভাষাটি "পালি-প্রাকৃত, ওড়িয়া, অসামিয়া, সংস্কৃত, সাধু, চলিত" ইত্যাদি বিভিন্ন ধারায় পরিবর্তন হয়েছে; সর্বশেষ এ ধারায় যুক্ত হয়েছে 'প্রমিত বাংলা'। এগুলোর মাধ্যমে যুগের সাথে তাল মিলিয়ে বাংলা ভাষা লেখার এবং পড়ার রীতি সামান্য পরিবর্তন করা হয়েছে। আধুনিক মানে স্মার্ট । কবিতা যেহেতু এ যুগের স্মার্ট মানুষদের জীবন ও চিন্তা চেতনার বহিঃপ্রকাশ সেহেতু কবিতার ভাষাও স্মার্ট হওয়া বাঞ্ছনীয়। যেমন- গত বিশ বছর আগে যখন স্মার্ট ফোন ছিল না; তখন মোবাইল প্রযুক্তি এখনকার মতো এত উন্নত ছিল না; এখন প্রযুক্তি অনেক উন্নত হয়েছে কিন্তু এর ব্যবহার সহজ হওয়ায় এবং নতুন নতুন ফিচার সংযুক্ত হওয়ায় মোবাইল হয়ে উঠেছে মিনি কমপিউটার। ঠিক তেমনি, যুগের সাথে তাল মিলিয়ে কবিতার কারুকাজ আরো উন্নত হওয়ার পাশাপাশি কবিতা আরো বেশী সুখপাঠ্য হওয়ার কথা ছিল। দুঃখজনক হলেও তা হয়নি।

কবিতা নিয়ে এক্সপেরিমেন্ট আগেও হয়েছে এখনো হচ্ছে, ভবিষ্যতেও হবে। তবে যিনি আধুনিক কবিতা লিখে নিজেই বুঝতে পারেন না, কবিতাকে কঠিন থেকে আরো কঠিন করে তুলতে অভিধান থেকে শব্দ ধার করেন, ভাব-ভাষা আর সময়ের তাল-লয়ে গোলমাল করেন তিনি স্ব ঘোষিত আধুনিক কবি হবেন। তিনি মানুষের কবি নয়। কবিতা লেখা খুব সহজ কিন্তু কবি হওয়া খুবই কঠিন; অনেক সাধনা লাগে। আধুনিক সময়-সমাজ কিংবা আধুনিক পাঠকের কবি তিনি কখনো হতে পারবেন না; যদি না পাঠক নিজেকে কবিতায় আবিষ্কার করতে না পারে । যা আধুনিক জমানার মানুষ বুঝে না, তা আর যাই হোক কবিতা নয়। যিনি আধুনিক পাঠকদের মন-মানষিকতা, সমাজ-রাষ্ট্র, প্রকৃতি-প্রেম আর জীবন-যৌবন নিয়ে কবিতা লেখেন তিনিই এ যুগের কবি।

কবিতার একনিষ্ঠ একজন পাঠক হিসাবে এটি আমার দুঃখ। দিনকে দিন কবিতার ভাষা সহজ হওয়ার পরিবর্তে কঠিন হচ্ছে; তবে তা কেন হচ্ছে তা পাঠকের মনে এক অজানা রহস্য। আমার পরিচিত একজন কবি আছেন; এ বিষয়ে একদিন তিনি বলেন, অনেক সময় কবিতার ছন্দ মেলাতে ডিকশনারি থেকে খুঁজে খুঁজে এমন কিছু দুর্বোধ্য শব্দ বের করেন; যে শব্দটা তিনিও কোনদিন শুনেন নাই।

কবি নির্মলেন্দু গুণের বিখ্যাত 'হুলিয়া' কবিতাটি আমার মতো অনেকেরই প্রিয়। কবিতায় এদেশের মাটি, মানুষ, আবেগ, প্রেম, স্মৃতি সবই আছে। আছে নিজের মতো করে কবিতা লেখার অবাধ স্বাধীনতা। হৃদয় ছোঁয়া কবিতা লিখতে কঠিন হৃদয়ে কঠিন শব্দবানের দরকার নেই। দরকার দেশ-মাতা-মাটির কণ্ঠ বুঝে নিজের মতো করে প্রকাশের ভাবনা।

আমি যখন বাড়িতে পৌঁছলুম তখন দুপুর,
আমার চতুর্দিকে চিকচিক করছে রোদ,
শোঁ শোঁ করছে হাওয়া।
আমার শরীরের ছায়া ঘুরতে ঘুরতে ছায়াহীন
একটি রেখায় এসে দাঁড়িয়েছে।

কেউ চিনতে পারেনি আমাকে,
ট্রেনে সিগারেট জ্বালাতে গিয়ে একজনের কাছ থেকে
আগুন চেয়ে নিয়েছিলুম, একজন মহকুমা স্টেশনে উঠেই
আমাকে জাপটে ধরতে চেয়েছিল, একজন পেছন থেকে
কাঁধে হাত রেখে চিত্কার করে উঠেছিল;- আমি সবাইকে
মানুষের সমিল চেহারার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়েছি।
কেউ চিনতে পারেনি আমাকে, একজন রাজনৈতিক নেতা
তিনি কমিউনিস্ট ছিলেন, মুখোমুখি বসে দূর থেকে
বারবার চেয়ে দেখলেন-, কিন্তু চিনতে পারলেন না।

বারহাট্টায় নেমেই রফিজের স্টলে চা খেয়েছি,
অথচ কী আশ্চর্য, পুনর্বার চিনি দিতে এসেও
রফিজ আমাকে চিনলো না।
দীর্ঘ পাঁচ বছর পর পরিবর্তনহীন গ্রামে ফিরছি আমি।
সেই একই ভাঙাপথ, একই কালোমাটির আল ধরে
গ্রামে ফেরা, আমি কতদিন পর গ্রামে ফিরছি।

আমি যখন গ্রামে পৌঁছলুম তখন দুপুর,
আমার চতুর্দিকে চিকচিক করছে রোদ,
শোঁ-শোঁ করছে হাওয়া।
অনেক বদলে গেছে বাড়িটা,
টিনের চাল থেকে শুরু করে পুকুরের জল,
ফুলের বাগান থেকে শুরু করে গরুর গোয়াল;
চিহ্নমাত্র শৈশবের স্মৃতি যেন নেই কোনখানে।

পড়ার ঘরের বারান্দায় নুয়ে-পড়া বেলিফুলের গাছ থেকে
একটি লাউডুগী উত্তপ্ত দুপুরকে তার লক্লকে জিভ দেখালো।
স্বতঃস্ফূর্ত মুখের দাড়ির মতো বাড়িটির চতুর্দিকে ঘাস, জঙ্গল,
গর্ত, আগাছার গাঢ় বন গড়ে উঠেছে অনায়াসে; যেন সবখানেই
সভ্যতাকে ব্যঙ্গ করে এখানে শাসন করছে গোঁয়ার প্রকৃতি।
একটি শেয়াল একটি কুকুরের পাশে শুয়েছিল প্রায়,
আমাকে দেখেই পালালো একজন, একজন গন্ধ শুঁকে নিয়ে
আমাকে চিনতে চেষ্টা করলো- যেন পুলিশ-সমেত চেকার
তেজগাঁয় আমাকে চিনতে চেষ্টা করেছিল।
হাঁটতে- হাঁটতে একটি গাছ দেখে থমকে দাঁড়ালাম,
অশোক গাছ, বাষট্টির ঝড়ে ভেঙ্গে যাওয়া অশোক,
একসময়ে কী ভীষন ছায়া দিতো এই গাছটা;
অনায়াসে দু’জন মানুষ মিশে থাকতে পারতো এর ছায়ায়৷
আমরা ভালোবাসার নামে একদিন সারারাত
এ-গাছের ছায়ায় লুকিয়ে ছিলুম।
সেই বাসন্তী, আহা, সেই বাসন্তী এখন বিহারে,
ডাকাত স্বামীর ঘরে চার- সন্তানের জননী হয়েছে।

পুকুরের জলে শব্দ উঠলো মাছের, আবার জিভ দেখালো সাপ,
শান্ত-স্থির-বোকা গ্রামকে কাঁপিয়ে দিয়ে
একটি এরোপ্লেন তখন উড়ে গেলো পশ্চিমে – -।
আমি বাড়ির পেছন থেকে দরোজায় টোকা দিয়ে
ডাকলুম,— “মা’।
বহুদিন যে-দরোজা খোলেনি,
বহুদিন যে দরোজায় কোন কন্ঠস্বর ছিল না,
মরচে-পরা সেই দরোজা মুহূর্তেই ক্যাচ্ক্যাচ শব্দ করে খুলে গেলো।
বহুদিন চেষ্টা করেও যে গোয়েন্দা-বিভাগ আমাকে ধরতে পারেনি,
চৈত্রের উত্তপ্ত দুপুরে, অফুরন্ত হাওয়ার ভিতরে সেই আমি
কত সহজেই একটি আলিঙ্গনের কাছে বন্দী হয়ে গেলুম;
সেই আমি কত সহজেই মায়ের চোখে চোখ রেখে
একটি অবুঝ সন্তান হয়ে গেলুম।

[(হুলিয়া কবিতার একটি অংশ)]



ফটো ক্রেডিট,
গুগল।

চাইলে পড়তে পারেন-
আমার সবচেয়ে পঠিত/লাইক/কমেন্ট প্রাপ্ত পোস্ট।
গল্প লেখার সহজ পাঠ।
সবচেয়ে পঠিত প্রবন্ধ।
আলোচিত ফিচার 'দি লাঞ্চিয়ন'।
ব্রিটেনের প্রবাস জীবন- স্মৃতিকথা।
সবচেয়ে পঠিত গল্প।
সবচেয়ে লাইকপ্রাপ্ত গল্প।
ছবি ব্লগ (লন্ডনের ডায়েরি-১)।

[কিছু কথা - আমি আধুনিক কবিতা লেখতে পারি না বিধায় কবিতা লেখি না; কিন্তু কবিতার একজন একনিষ্ঠ পাঠক আমি। বর্তমান সময়ের অধিকাংশ কবিতার ভাব বুঝতে অপারগ হওয়ায় ইদানিং কবিতা পড়া কমিয়ে দিয়েছি; স্বীকার করছি পাঠক হিসাবে এটি আমার ব্যর্থতা। যারা কবিতা লেখেন সবার প্রতি আমার শুভ কামনা রইলো। লেখাটি ব্লগে আসার আগের; তবে ব্লগে বেশ ভাল কয়েকজন কবির কবিতা পড়েছি; পাশাপাশি ছড়াও পড়া হয় নিয়মিত। তবে সময়ের অভাবে হয়তো সব কবিতায় কমেন্ট করা হয় না। আমি কারো নাম নিচ্ছি না; কারো নাম বাদ পড়ে যেতে পারে এজন্য।]

উৎসর্গ - লেখাটি সামু ব্লগের স্টার আমার প্রিয় গুরু ঠাকুরমাহমুদ ভাইকে উৎসর্গ করলাম।

মন্তব্য ১১৫ টি রেটিং +২১/-০

মন্তব্য (১১৫) মন্তব্য লিখুন

১| ০৪ ঠা জুলাই, ২০১৮ রাত ৮:৫৬

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: সহজ কথাটি সহজ করিয়া বলা সহজ কবিতাই মহাকালে স্থায়ী আসন পায়।

বাকী চলমান সময়ের চর্চা হিসেবে রয়ে যায় ঐ সময়ের ঘেরাটোপেই!
আপনার প‌্যাচার ডাসা ডাসা চোখ দুটো দেখেই বুঝেছিলাম - সার্ফ এক্সেল ওয়াশ হবে ;) :P
হুম। হলোও তাই। হাহা হা

সাহিত্য যদি সাধারনের বোধগম্যতায় না আসে তা সার্বজনীন হয়না।
সাহিত্যে যদি সাধারণের কথা না থাকে তাও সর্বজনপ্রিয়তা পায় না।

মহাকালের কষ্টিপাথরে টিকে থাকতে সময়ের প্রয়োজন, সময়ের চাহিদা আর মহাকালের নির্নয়কে
হৃদয়ের গহনে ঠাই দিতে হবে। তখনই হয়তো বেরিয়ে আসবে কালজয়ী কাব্য।

০৪ ঠা জুলাই, ২০১৮ রাত ৯:৫৪

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: প্রিয় বিদ্রোহী ভৃগু ভাই,


চমৎকার একটি কবিতা দিয়ে মনের কথাটি বললেন। কবির ভাব তো কবিতা দিয়েই প্রকাশ করা উচিৎ।

"সাহিত্য যদি সাধারনের বোধগম্যতায় না আসে তা সার্বজনীন হয়না।
সাহিত্যে যদি সাধারণের কথা না থাকে তাও সর্বজনপ্রিয়তা পায় না।"

এটাই আসল কথা। শুভ কামন প্রিয় ভাইয়ের জন্য।

২| ০৪ ঠা জুলাই, ২০১৮ রাত ৯:০৬

স্রাঞ্জি সে বলেছেন: অনেক বড়, পড়ে পড়ব, তাই প্রিয়তে স্থান করে নিলাম।

০৪ ঠা জুলাই, ২০১৮ রাত ৯:৫৭

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: প্রিয় স্রাঞ্জি সে ভাই,


হুম, লেখাটি একটু বড়; সমস্যা নেই যখন সময় হবে পড়বেন। শুভ কামনা আপনার জন্য।

৩| ০৪ ঠা জুলাই, ২০১৮ রাত ৯:১০

রাকু হাসান বলেছেন: শ্রদ্ধেয় কাওসার ভাই!
আপনার লেখার বিষয়বস্তুর সাথে আমার দ্বিমত পোষণ করার কোন সুযোগ নেই । আপনার সাথে একমত । হ্যা কবিতা সহজপাঠ্য হওয়া উচিত ,যাতে সাধারণ পাঠক বুঝতে পারে....আচ্ছা এমন টা কি হতে পারে ,যে সহজ সহজ করতে করতে বাংলা ভাষার বেশ কিছু শব্দকে হারিয়ে ফেলবো ? এমনিতে আমরা খুব বেশি বাংলা ভাষায় কথা বলতে খুব বেশি শব্দ ব্যবহার করি না , পুরাতন শব্দ গুলো মূলত কবিতা,গল্প উপন্যাস পড়লেই পাওয়া যায়..।যদি হারিয়ে যায় তাহলে তো আমরা ক্ষতিগ্রস্ত হলাম । কবিতা যখন কবিরা লিখবে তখন নিশ্চয় পাঠকের ভাল লাগা,খারাপ লাাগকেই প্রাধান্য দিতে হবে ,কেননা তাঁরাই কবিতার প্রাণ ।

০৪ ঠা জুলাই, ২০১৮ রাত ৯:৪৭

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: প্রিয় রাকু হাসান ভাই,


খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়ে জানতে চেয়েছেন আপনি। উত্তরে বলবো, ভাষা পরিবর্তনশীল। যুগের সাথে তাল মিলিয়ে ভাষার পরিবর্তন হয় প্রতিনিয়ত। উপমহাদেশের ইতিহাস ঘাটলে দেখবেন বার শতকের শুরু থেকে অর্থাৎ সুলতানি আমল থেকে আরব, রাশিয়ান ও পার্সিয়ানরা এ উপমহাদেশে ব্যাপক হারে আসার ফলে এসব দেশের সংস্কৃতির পাশাপাশি অনেক শব্দও আমাদের ভাষায় যুক্ত হয়। পরবর্তী সময়ে ইংরেজ আমলে হাজার হাজার ইংরেজি শব্দ যুক্ত হয়। এখন এগুলো আমাদের ভাষার অবিচ্ছেদ্য অংশ।

আপনি খেয়াল করলে দেখবেন, বারশো শতাব্দী থেকে অষ্টাদশ শতাব্দী পর্যনত্ বাংলা সাহিত্যের ধারা আর এখনকার সাহিত্যেের ধারায় অনেক পরিবর্তন এসেছেন। তখনকার সাহিত্যে ব্যাপক হারে প্রচলিত সংস্কৃত সহ উড়িয়া, অসামীয়া ইত্যাদি অনেক শব্দ এখন আর বাংলা ভাষায় প্রচলিত নয়। গত একশত বছর আগেও ব্যাপক প্রচলিত অনেক বাংলা শব্দ এখন আর চলে না; সাহিত্যেও এর প্রভাব ব্যাপক। সাহিত্য তো মানুষের জীবন থেকে নেওয়া; যা সময়ের সাথে পরিবর্তন হয়।

একটু খেয়াল করলে দেখবেন, কবিতায় সবচেয়ে বেশী সংখ্যক অপ্রচলিত শব্দের ব্যবহার হয়। এগুলো ব্যবহারের ফলে কবিতার ভাব ও ভাষা বুজতে পারা অনেক কঠিন হয়ে যায়। এ শব্দগুলো বাদ দিলে বাংলা সাহিত্যের কোন ক্ষতি হবে না। যেমন - তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক অনেক শব্দ এখন বাংলা ভাষায় যুক্ত হয়েছে; যা গত দুই দশক আগেও ছিল না।

মনে রাখতে হবে, মানুষ তার নিজের প্রয়োজনে ভাষার পরিবর্তন করে; শব্দ বা ভাষার জন্য মানুষ পরিবর্তন হয় না।

৪| ০৪ ঠা জুলাই, ২০১৮ রাত ৯:৩৯

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: প্রুয় কাওসার ভাই,

কোথা থেকে শুরু করবো, ঠিক করতে পারছিনা। যদি শেষ থেকেই করি , তাহলে কিছু দুর্বোধ্য শব্দ ব্যবহার করে কবিতাকে সুখপাঠ্য করার পরিবর্তে আরও কঠিন করে পীড়াদায়ক পরিনত করাই যেন কবিদের লক্ষ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। আর একারনে কবিদের মধ্যে যেন একটা অলিখিত প্রতিযোগিতা লেগে থাকে।

সমস্যা হচ্ছে আমাদর।আমরা যারা সাধারন পাঠক, কবিতা পড়তে গিয়ে আমাদের দাঁতমুখ ভেঙে যাওয়ার উপক্রমও হয় কখনওবা। আমার মনে হয়, আমার মত পাঠকদের রক্তাক্ত করার মধ্যে কবিরা আলাদা একটা পরিতৃপ্তি পান। আর তাই আপনার বর্নিত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, কাজি নজরুল ইসলাম, মাইকেল মধুসূদন দত্ত, জসিমউদ্দীন সুকুমার রায়, জীবনানন্দ প্রমুখের কবিতা সুখপাঠ্য হলেও আধুনিক কবিদের সেটা দুষ্পাঠ্যে পরিনত হয়েছে।

তবে এর মধ্যে আমরা অনেক আধুনিক কবি পাই যাদের কবিতা পড়তে ও বুঝতে পেরে আমরা আমাদের অন্তরের শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করি। প্রকাশ করি এক অসম্ভব ভালো লাগার অনুভূতি। তখন কবি ও পাঠকের মধ্যে তৈরী হয় হৃদয়ের আত্মীয়করণ । আর এ আশাতেই আমরা নিরন্তর খুঁজবো আমাদের প্রিয় কবিকে। আমার সমস্ত কবি বন্ধুদের আমার অন্তরের সশ্রদ্ধ সালাম।

অনেক অনেক ভালো লাগা ও শুভ কামনা প্রিয় কাওসার ভাইকে।

০৪ ঠা জুলাই, ২০১৮ রাত ১০:০৫

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: প্রিয় পদাতিক চৌধুরী ভাই।


"সমস্যা হচ্ছে আমাদর।আমরা যারা সাধারন পাঠক, কবিতা পড়তে গিয়ে আমাদের দাঁতমুখ ভেঙে যাওয়ার উপক্রমও হয় কখনওবা। আমার মনে হয়, আমার মত পাঠকদের রক্তাক্ত করার মধ্যে কবিরা আলাদা একটা পরিতৃপ্তি পান। আর তাই আপনার বর্নিত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, কাজি নজরুল ইসলাম, মাইকেল মধুসূদন দত্ত, জসিমউদ্দীন সুকুমার রায়, জীবনানন্দ প্রমুখের কবিতা সুখপাঠ্য হলেও আধুনিক কবিদের সেটা দুষ্পাঠ্যে পরিনত হয়েছে।"

কি বলবো, বলুন। কবিতা হচ্ছে মানুষের আবেগ। কবিতা পড়ে, কবিতা লেখেই এদেশের ছেলে মেয়েদের পড়ালেখায় হাতেখড়ি হয়। কিন্তু কবিতার ভাষা দিনকে দিনে সাধারন পাঠকের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে । বিষয়টি ভাবনার; আতংকের।

চমৎকার কমেন্ট করেছেন আমার প্রিয় ভাই, প্রিয় গুরু। শুভ কামনা সব সময়।

৫| ০৪ ঠা জুলাই, ২০১৮ রাত ৯:৩৯

লায়নহার্ট বলেছেন: {একটা স্পষ্ট হিডেন মেসেজ আছে}

০৪ ঠা জুলাই, ২০১৮ রাত ৯:৫৬

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: প্রিয় লায়ন ভাই,


নামে যেমন লায়ন, কথায়ও তাই। শুভ কামনা ভাই।

৬| ০৪ ঠা জুলাই, ২০১৮ রাত ৯:৫৮

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: পোষ্টটি উৎসর্গ করা হয়েছে, অন্যতম জনপ্রিয় ব্লগার আমাদের অন্তরের অন্তর ঠাকুর মাহমুদ ভাইকে,জানাই অভিনন্দন, শ্রদ্ধা ও ভালোলাগা। সময়টা অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক যে , যে সময়ের আলোচনার বিষয়, চৌধুরীদের যকের ধন। সেখানে কিছুটয় হলেও প্রমানিত যে তারা শুধু নেয়না , তারা দেয়ও। সেই পরিবারের একজন সদস্য হয়ে এহেন উৎসর্গ কার্যে পুলকিত না হয়ে পারিনা।হা হা হা।

আর যথার্থ কার্য সম্পন্ন করার জন্য আমাদের গুরুদেবকে জানাই অন্তরের কুর্নিশ । সঙ্গে গুরুদেবের কাছে অনুরোধ থাকলো সিলেটী রম্য কবিতা বা ছড়া আরও পাওয়ার বাসনা ।

অনেক শুভ কামনা প্রিয় গুরুদেবকে।

০৪ ঠা জুলাই, ২০১৮ রাত ১১:২৭

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:


প্রিয় ভাই, আবার কমেন্ট করায় কৃতজ্ঞতা। যার বিয়ে তার তো কোন খবর নেই দেখছি। B-) :D ভদ্রলোক, থুক্কু গুরুজি মনে হয় কোথাও ধ্যানে আছেন।

শুভ রাত্রি ।

৭| ০৪ ঠা জুলাই, ২০১৮ রাত ১০:১২

ঢাবিয়ান বলেছেন: পোস্টে প্লাস।
ছড়া দিয়ে শুরু হয়েছিল আমাদের শৈশব, এরপর কবিতার চল শুরু হয় স্কুলে।কবিতার কথা মনে হলে তাই তাই নজরুল , রবীন্রনাথ সহ অন্যান্য কবিদের কবিতাগুলোর কথাই মনে পড়ে। ভোর হল দোর খোল, বাশবাগানের মাথার ওপড় চাঁদ উঠেছে ঐ, ঐখানে তোর দাদির কবর শিমুল গাছের তলে, যখন পরবে না মোর পায়ের চিহ্ন এই ..

সুর করে কবিতা মুখস্থ করতাম আমরা। বড় সহজ , সুন্দর ও মর্মভেদী ছিল কবিতাগুলো। বর্তমানে আধুনিক কবিতা বুঝিও না, পড়ার চেষ্টাও করি না।

০৪ ঠা জুলাই, ২০১৮ রাত ১১:২২

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: ধন্যবাদ, প্রিয় ভাই।


"সুর করে কবিতা মুখস্থ করতাম আমরা। বড় সহজ , সুন্দর ও মর্মভেদী ছিল কবিতাগুলো। বর্তমানে আধুনিক কবিতা বুঝিও না, পড়ার চেষ্টাও করি না।" :(

আপনার কমেন্ট পড়ে নষ্টালজিয়ায় আক্রান্ত হয়ে গেলাম। আহা!!! শৈশব। আবার যদি সেই দিনগুলোতে ফিরে যেতে পারতাম!!! জীবনের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে জীবনকে নতুন করে শুরু করতে পারতাম।

৮| ০৪ ঠা জুলাই, ২০১৮ রাত ১০:২০

জুন বলেছেন: আমি যখন অনেক ছোট আমার সাংস্কৃতিমনা আব্বা দুইবিঘা জমি কবিতাটি আবৃতি করে শুনিয়েছিলেন । শেষ অংশটুকু শুনে আমি চোখের জল ধরে রাখতে পারিনি সেই বয়সেও কাওসার চৌধুরি। উপেনরা আজো তাদের নিজ জমি থেকে উচ্ছেদ হচ্ছে যেখানে গড়ে উঠছে বিভিন্ন নামী দামী প্রপার্টির হাউজিং সোসাইটি। লক্ষ লক্ষ টাকার জমির মালিককে দশ বিশ হাজার টাকা হাতে ধরিয়ে বন্দুক এর নল ধলে রাতের মধ্যে এলাকা ছাড়ার হুমকি ।
আমার মন্তব্যটি আপনার লেখার সাথে প্রাসংগিক হলো না শুধুমাত্র দুইবিঘা জমি কবিতাটির জন্য ।
+

০৪ ঠা জুলাই, ২০১৮ রাত ১১:১৭

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: আপু, শুভেচ্ছা রইলো।



আমি "দুইবিঘা জমি" কবিতাটি পড়েছি বড় হওয়ার পর। সত্যি অনেক আবেগঘন একটি কবিতা। কবিতাটি পড়লেই উপেন চরিত্রটি আমাদের চোখের সামনে ভেসে উঠে জীবন্ত হয়ে।

"উপেনরা আজো তাদের নিজ জমি থেকে উচ্ছেদ হচ্ছে যেখানে গড়ে উঠছে বিভিন্ন নামী দামী প্রপার্টির হাউজিং সোসাইটি। লক্ষ লক্ষ টাকার জমির মালিককে দশ বিশ হাজার টাকা হাতে ধরিয়ে বন্দুক এর নল ধলে রাতের মধ্যে এলাকা ছাড়ার হুমকি।"

আপনি ঠিকই বলেছেন। আর কতকাল এমন চলবে কে জানে!! :((

শুভ রাত্রি ।

৯| ০৪ ঠা জুলাই, ২০১৮ রাত ১০:৩১

নিঃশব্দের অটল প্রহরী বলেছেন: সমালুচুনা ভালু হইছে। কিন্তু পোষ্ট উৎসর্গ করার মত লোকের এতটাই আকাল পড়ছে সামুতে?

০৪ ঠা জুলাই, ২০১৮ রাত ১১:১০

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: ধন্যবাদ, ভাই।


লেখাটি পড়েছেন; পাশাপাশি কমেন্ট করেছেন এজন্য খুশি হলাম। শুভ কামনা আপনার জন্য।

শুভ রাত্রি ।

১০| ০৪ ঠা জুলাই, ২০১৮ রাত ১০:৪৫

অচেনা হৃদি বলেছেন: যত কঠিন হবে ভাষা, ততই সে আধুনিক কবিতা ! =p~

০৪ ঠা জুলাই, ২০১৮ রাত ১০:৫৭

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: আপুনি, B-)


"যত কঠিন হবে ভাষা, ততই সে আধুনিক কবিতা!!" =p~

হ্যা, বিষয়টি আমাকেও ভাবায়। কবি যতই সরল হোন না কেন, কবিতার ভাষা হতে হবে ইস্পাত কঠিন :(। আমার মনে হয় কোন কোন কবি মনে করেন, পাঠকরা যদি সহজে কবিতা বুঝতে পারেন তাহলে কবিতার মর্যাদা কমে যায়। এজন্য হয়তো চলে কঠিন ভাষায় লেখার প্রতিযোগিতা।

১১| ০৪ ঠা জুলাই, ২০১৮ রাত ১০:৫৩

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: বরাবরের মতো ভালো পোস্ট। পোস্ট টি কবিতা নিয়ে এবং মাতৃভাষার সেরা কবি দের নিয়ে তাই একটু বেশি ভালো লেগেছে। সুন্দর।+

০৪ ঠা জুলাই, ২০১৮ রাত ১১:০৭

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: শুভেচ্ছা রইলো, স্যার।


আপনারা কবিতা লেখেন বলেই; নতুন পরজন্ম কবিতা পাঠে আগ্রহ পায়। কবিতা বাঙালিদের আবেগের জায়গা, ভালবাসার জায়গা। কবিতা হোক সুখ পাঠ।

শুভ রাত্রি ।

১২| ০৪ ঠা জুলাই, ২০১৮ রাত ১১:৩৮

বিচার মানি তালগাছ আমার বলেছেন: এক কথায় আধুনিক কবিতা মানে ছন্দ থাকতে পারবে না, মনে যা আসে তা মাধুরী দিয়ে লিখতে হবে। অথচ রবীন্দ্রনাথ, নজরুল, জীবনানন্দ সবাই ছন্দে অন্ত্যমিল ঠিক রাখতেন। এই যুগে আপনার একটু শব্দের দখল থাকলেই কবি হতে পারবেন। সবাই এভাবেই নাকি খায়...
(আরেকটা কথা। অশ্লীল, চটি ভাষা ব্যবহার করলেও নাকি আধুনিক কবিতাতে কোন অপরাধ হয় না। সেইসব কবিতা আরো উচ্চমার্গীয়)

০৪ ঠা জুলাই, ২০১৮ রাত ১১:৫৬

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: শুভেচ্ছা রইলো,


"অশ্লীল, চটি ভাষা ব্যবহার করলেও নাকি আধুনিক কবিতাতে কোন অপরাধ হয় না। সেইসব কবিতা আরো উচ্চমার্গীয়)"

আধুনিক কবিতার নামে অশ্লীলতা আমদানী করে কবি নাধারী কিছু @@ কবিতাকে শেষ করে দিয়েছেন। এরা অনেকে এখন হাই রেটেড কবি। এটা দুর্ভাগ্যজনক। ভেলিড কারণ ছাড়া কবিতায় অশ্লীলতা আনলে তা চটি কবিতার শামিল।

১৩| ০৫ ই জুলাই, ২০১৮ রাত ১:৪৭

রাকু হাসান বলেছেন: খুব খুশি হয়েছি..এত সুন্দর করে ,ধৈর্য সহকারে বুঝিয়ে বলার জন্য । ঠিক তাই যে শব্দ হারিয়ে যাবার তা হারাবেই , তা আমরা
চাইলেও আকঁড়ে ধরে রাখতে পারবো না .. এবং যা দরকার তার আগমন হবে । কৃতজ্ঞতা শ্রদ্ধেয় কাওসার ভাই ।

একটু বেয়াদবী করছি ,ক্ষমা করবেন । জনাব ‘‘বিচার মানি তালগাছ আমার’’ ভাইয়ের কমেন্টের আলোকে বলতে চাই ... কবিতায় ছন্দের মিল টা আপনি কতটা জরুরি বলে মনে করেন ? এটাও তো ভাল দিক বলে মনে হয়,তা কি দিন দিন হারাতে যাচ্ছি! কিছু কবিতার কবিতা পড়ে ,বমি আসেেএত নোংরামী ...।এঁদের বই আবার অগ্রিম ও বিক্রি হয়,দেশের সুনাম ধন্য পত্রিকাও স্পন্সর হয় ! কিভাবে সম্ভব !! হয়তো বুঝতে পেরেছেন কার বা কাদের কথা বলছি শ্রদ্ধাভাজন , আমি কৌতূহল নিয়ে কিছু কবিতা পড়েছিলাম অনলাইনে আর সেটা ছিল অামার কবিতা পাঠের তিক্ত অভিজ্ঞতা । অামরা সে দিকেই যাচ্ছি ..কোথায় রবীন্দ্রনাথ ! কোথায় নজরুল ! এই সব কবিরা ই বা কোন দিকে নিয়ে যাচ্ছে ! আবার পাঠকের ও অভাব নেই ,ভাল বই বিক্রি হয় । অদ্ভূত :|

০৫ ই জুলাই, ২০১৮ রাত ২:১৯

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:


কি যে বলেন, বেয়াদবী হবে কেন? এখন এ টাইপের কবিরা তো জাতীয়ভাবে মর্যাদা পান। বাজরে তাদের বইয়ের অনেক চাহিদা। এটা দুভাগ্যজনক।

০৫ ই জুলাই, ২০১৮ রাত ২:২৫

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: আর কবিতায় ছন্দ মিল থাকতে হবে এমন কোন নিয়ম নেই। তবে, কবিতাটি যদি হাস্যরসের হয়; হালকা বিষয়ের উপর হয়; ছোট ছোট বাচ্চাাদের জন্য লেখা হয় তবে ছন্দ মিল থাকলে ভাল। তবে কবিতাটি যদি কাহিনী নির্ভর বা কোন বিষয়ভিত্তিক হয় তবে ছন্দ মিল না হলেও চলবে। এখানে কাহিনী বা কবিতার মূল বিষয়টিকে ফোকাস করতে হবে। কবিতাটি হতে হবে সহজপাঠ্য।

১৪| ০৫ ই জুলাই, ২০১৮ রাত ৩:০৪

এমজেডএফ বলেছেন: ব্যতিক্রমধর্মী লেখাটির জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যাবাদ। আমরা বুঝি আর নাবুঝি আধুনিক কবিরা কিন্তু বসে নেই, মানুষ পড়ুক আর না পড়ুক সমানে লিখে যাচ্ছেন! বই মেলায় প্রকাশিত গ্রন্থের মধ্যে সংখ্যার দিক দিয়ে দ্বিতীয় স্থানে আছে কবিতার বই! (প্রথম স্থানে উপন্যাস)। আমাদের ব্লগের দিকে তাকালেও আমার মনে হয় দুই-একটি ব্যতিক্রম ছাড়া বেশির ভাগ কবিতায় পাঠক কম। তারপরেও তুলনামূলকভাবে পোস্টে কবিতার সংখ্যা খুব কম নয়। এই অগণিত কবিতার মধ্যেই কোনো এক সময় কোনো কালজয়ী কবিতা সৃষ্টি হলেও হতে পারে। সেদিনের প্রত্যাশায় রইলাম।

০৫ ই জুলাই, ২০১৮ ভোর ৪:০২

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই,


"আধুনিক কবিরা কিন্তু বসে নেই, মানুষ পড়ুক আর না পড়ুক সমানে লিখে যাচ্ছেন!" আমিও চাই কবিরা লেখতে থাকুন; পাশাপাশি কবিতা যেন সহজপাঠ্য হয়। মানুষ কবিতা পড়ে যেন সাহিত্যের রস পায়। কবিতা হোক সমাজ পরিবর্তনের হাতিয়ার। B-)

"এই অগণিত কবিতার মধ্যেই কোনো এক সময় কোনো কালজয়ী কবিতা সৃষ্টি হলেও হতে পারে। সেদিনের প্রত্যাশায় রইলাম।"

এটা আমিও প্রত্যাশা করি সামু ব্লগের কবিরা একদিন দেশ বিখ্যাত হবেন। তবে, এখনই বেশ কয়েকজন খুব ভাল মানের কবি ও ছড়া লেখক সামুতে আছেন। সবার জন্য শুভ কামনা রইলো।

১৫| ০৫ ই জুলাই, ২০১৮ ভোর ৪:০৭

চাঁদগাজী বলেছেন:


সম্পুর্ণ ভুল ধারণার উপর ভিত্তি করে লেখা পোষ্ট; আসলে, কবি জীবনান্দ দাস, কবি শামসুর রহমান, হুমায়ুন আজাদ, নির্মলেন্দু গুণ থেকে শুরু করে শহীদ কাদরী সবাই আধুনিক কবিতা লিখেছেন। কবি নজরুলের সময়, রবি ঠাকুরের সময় নিশ্চয় হাজার হাজার বাংগালী কবিতা লিখেছেন; সবাই নজরুল হননি, সবাই রবী ঠাকুর হননি।

আপনি না বুঝলে, সেটা বেঠিক, এটা একটা নতুন নিয়ম।

আপনার পোষ্টে ১ম কমেন্টকারী ব্লগার "বিদ্রোহী ভৃগু" নিজেই আধুনিক কবিতা লিখেন; ব্লগে শতশত কবি ভালো কবিতা লেখেন।

আপনি মুল্যহীন লম্বা "চমৎকার" কমেন্ট করেন (কমেন্ট মাইনিনফ) বলে, বিদ্রোহী ভৃগুও নিজের অবস্হান ছেড়ে দিয়ে আপনাকে খুশী করেছেন হাউকাউ কমেন্ট করে।

আপনি "চাঁদের দুরত্ব" লিখতে গিয়ে, একক হিসেবে "বর্গ কিলোমিটার" ব্যবহার করেছেন; ২ বার ইংগিত দেয়ার পরও বুঝতে পারেননি, আপনি "আধুনিক কবিতা"র উপর পোষ্ট দিচ্ছেন?

আপনার ভাবনায় মৌলিক সমস্যা আছে।

০৫ ই জুলাই, ২০১৮ ভোর ৪:৩২

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:


আমার লেখা আপনার কাছে মান হীন মনে হতে পারে। এটা আপনার বিষয়। আপনি এত বুঝেন যেহেতু এ বিষয় গুলো নিয়ে লেখেন। আর আমার কোন পোস্টে মন্তব্য না করলে খুশি হবো। (ধন্যবাদ)

"আপনি "চাঁদের দুরত্ব" লিখতে গিয়ে, একক হিসেবে "বর্গ কিলোমিটার" ব্যবহার করেছেন; ২ বার ইংগিত দেয়ার পরও বুঝতে পারেননি, আপনি "আধুনিক কবিতা"র উপর পোষ্ট দিচ্ছেন? "
এগুলো কেমন কথা। আমি কী আপনার ছাত্র । নাকি আমি আপনার বাসার কাজের ছেলে? নাকি এই ব্লগ আপনার বাপ-দাদার সম্পত্তি!! নিজেকে এত পন্ডিত ভাবেন কেন? একটি কথা মনে রাখবেন মূর্খরা নিজেদের সবচেয়ে পন্ডিত মনে করে।

০৫ ই জুলাই, ২০১৮ ভোর ৪:৪৪

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: কবি শামসুর রহমান, হুমায়ুন আজাদ, নির্মলেন্দু গুণ থেকে শুরু করে শহীদ কাদরী সবাই আধুনিক কবিতা লিখেছেন।"

আপনি যে তিনজন কবির কথা লেখেছেন উনাদের বিষয়ে তো বলিনি উনারা বাজে কবিতা লেখেন!!! আমি তো লেখায় স্পষ্ট বলেছি এ সময়কার অনেক ভাল ভাল কবি আছেন, যাদের লেখা আমি পড়ি। কিন্তু সংখ্যায় এরা সীমিত। এটা বলা অন্যায়!!! এত পন্ডিতি করেন কেন?

০৫ ই জুলাই, ২০১৮ সকাল ৭:২৭

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: আরেকটি তথ্য দেই, ইউনিভার্সিটিতে ইভিনিং সেশনে MBA ক্লাসে আপনার বয়সি আমার অনেক ছাত্র পাঠ নিতে আসেন। আপনিও চাইলে ভর্তি হতে পারেন। জীবনে শেখার অনেক কিছু বাকী আছে আপনার।

১৬| ০৫ ই জুলাই, ২০১৮ ভোর ৪:১৯

চাঁদগাজী বলেছেন:



@সেলিম আনোয়ার,
আপনি বলেছেন, " বরাবরের মতো ভালো পোস্ট। পোস্ট টি কবিতা নিয়ে এবং মাতৃভাষার সেরা কবি দের নিয়ে তাই একটু বেশি ভালো লেগেছে। সুন্দর।+ "

-আপনি ব্লগের আধুনিক কবি; কমেন্ট মাইনিং'এর ফাঁদে পড়ে নিজকে ভুলে গেছেন? এই পোষ্টে আধুনিক কবিতাকে ও কবিদের ছোট করা হয়েছে; না পড়ে, গড়ে হরিবোলের কমেন্ট করছেন?

০৫ ই জুলাই, ২০১৮ ভোর ৪:৪৭

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: এখন তো দেখছি @সেলিম আনোয়ার স্যারকে টেনে এনে মাটিতে নামিয়ে দিচ্ছেন!!!

১৭| ০৫ ই জুলাই, ২০১৮ ভোর ৪:৪০

চাঁদগাজী বলেছেন:



অবশ্যই মুর্খেরা নিজকে পন্ডিত ভেবেই "আধুনিক কবিতা ও কবি"কে ছোট করে পোষ্ট দেয়া হচ্ছে!
কবি জীবনান্দ দাস, কবি শামসুর রহমান, হুমায়ুন আজাদ, নির্মলেন্দু গুণ থেকে শুরু করে শহীদ কাদরী সবাই আধুনিক কবিতা লিখেছেন।

কবি সেলিম আনোয়ার ও বিদ্রোহী ভৃগু আধুনিক কবিতা লেখেন; উনারাও দেখছি আপনার "কমেন্ট মাইনিং"এর ফাঁদে পড়ে, পোষ্ট বুঝার চেষ্টা করেননি।

০৫ ই জুলাই, ২০১৮ ভোর ৪:৫০

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: যাক, আপনি কমেন্ট করলে আমার "কমেন্ট মাইনিং" হবে। লাভটা তো আমারই হবে। কমেন্টের সংখ্যা হু হু করে বাড়বে। আমার এই উপকারটি করার জন্য ধন্যবাদ আপনাকে।

০৫ ই জুলাই, ২০১৮ ভোর ৫:০০

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: এখন আপনার দায়িত্ব হলো যেসব সম্মানিত সহ ব্লগার ও পাঠক আমার লেখা পড়েন এবং কমেন্ট করেন উনাদের বাড়ির ঠিকানায় উপস্থিত হয়ে বুজানো যে, অল্প দিনে এই ব্লগারটি এত ভাল ভাল লেখা পোস্ট করছে যে, আমি @চাঁদগাজী পুরাই ফ্লপ!! আপনারা দয়া করে শুধু আমার লেখা "ম্যাডাম থেরাপি বিষয়ক" পোস্ট পড়বেন। আমি এই জ্বালা সইতে পারছি না। পিলিজ!! পিলিজ!!!

১৮| ০৫ ই জুলাই, ২০১৮ ভোর ৪:৫৮

চাঁদগাজী বলেছেন:


কমেন্ট মাইনিং'এর ফলে অনেকে লেখা পড়েন না, কৃতজ্ঞতা দেখাতে এমনিতে কমেন্ট করেন; ফলে, লেখার মান ম্যাঁওপ্যাঁও থেকে যায়; "চাঁদের দুরত্ব ৩৮৪৪০৩ 'বর্গ কিলোমিটার' " থেকে যায়; ৫৬ জন কমেন্টকারী পোষ্ট না পড়ে করেন্ট করে।

আমি কমেন্ট মাইনিং করি না।

০৫ ই জুলাই, ২০১৮ ভোর ৫:০৩

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: আমি কিন্তু আপনার পোস্ট নিয়মিত পড়ি এবং মনযোগ সহকারে। আজকেরটাও পড়েছি। আমার ভাল লেগেছে পড়ে। আমি কিন্তু আপনার লেখার ফ্যান।

০৫ ই জুলাই, ২০১৮ ভোর ৫:০৯

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: এক লাফে চাঁদে উঠতে গেলে পা মচকে পড়ে যাওয়ার ভয় আছে; এ শিক্ষাটি আমার আছে। এজন্য ধীর পদক্ষেপে এগিয়ে যেতে চাই। আমি জানি, ট্রাকটার দিয়ে চাঁদে যাওয়া যায় না; রকেট লাগে। এজন্য আমেরিকার Space X কে রকেট বানাতে দিয়েছি।

১৯| ০৫ ই জুলাই, ২০১৮ ভোর ৬:৪৭

সোহানী বলেছেন: ভাই চাঁদগাজী, আপনি একজন শ্রদ্ধেয় ব্যাক্তিত্ব এ ব্লগে। অযথা কেন ক্যাচাল করে লিখার মুড নস্ট করে দিচ্ছেন নতুনদের। প্লিজ এবার থামুন। আপনার যদি কাউসারের লিখা ভালো না লাগে তাহলে ওর লিখা না পড়াই ভালো। ও তো পাঠ্যপুস্তক লিখছে না, সাধারন ব্লগ লিখছে। এর ভালো মন্দ থাকতে পারে তার জন্য গঠনমূলক সমালোচনা করেন। আর বাকিরা কমেন্ট মাইনিং করছে নাকি তেল দিচ্ছে সেটা তাদের বিষয়। এটাতে নাক গলানোর দরকার কি? আপনি আমি কাউসার সবাই একই কাতারের সাধারন ব্লগার... কেউ কারো শিক্ষক নই, গুরু নই বা কারো পয়সায় ও ব্লগ করি না। তাহলে কেন এমন উল্টা পাল্টা মন্তব্য করে লেখকের মন খারাপ করে দেন। আপনার যদি লিখার বিষয়ে কোন বক্তব্য থাকে তাহলে পাল্টা যুক্তি দিন, গঠনমূলক সমালোচনা করেন। আমরা তা উপভোগ করি, নিজের জ্ঞানের পরিধি বাড়াই। প্লিজ আসুন সবাই মিলে ব্লগের চমৎকার পরিবেশ বজায় রাখি, নতুনদের উৎসাহ দেই, পুরোনদেরকে ধরে রাখি।

অনেক ভালো থাকুন।

০৫ ই জুলাই, ২০১৮ সকাল ৭:০৪

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: আপু, শুভেচ্ছা নেবেন।



কি বলবো বলুন? আমাকে কী কারো মনের মতো করে ব্লগে লেখতে হবে? মতের বিরোধ্যে গেলে আক্রমনের শিকার হতে হবে? এটা কেমন শিষ্টাচার? আমি ব্লগে সবার সাথে ভদ্র আচরণ করি, এটা অন্যায়? কমেন্ট করে ব্লগারদের উৎসাহ দেই, এটা অন্যায়? কমেন্টে কিছু বলতে চাইলে কার্টেসি মেইনটেন করি, এটা অন্যায়?

আমি জীবনে একটি ছোট বাচ্চাকেও কখনো তুই বলি না। বড়দের সম্মান করি। এখন দেখছি এগুলো ভুল? এদেশের অনেকে এগুলোকে দূর্বলতা মনে করে!!! যাক, নিজেকে এই বলে সান্তনা দেই " দূর্জন বিদ্বান হলেও পরিত্যাজ।"

একজন সিনিওর সিটিজেন ও সিনিওর ব্লগারের কাছ থেকে এমন আচরণ আশা করিনি। বিষয়টি খুব দুঃখজনক।

২০| ০৫ ই জুলাই, ২০১৮ সকাল ৭:৩৩

সিগন্যাস বলেছেন: প্রিয় কাওসার ভাই,
বাংলা সাহিত্যে উচ্চমার্গীয় কবির সংখ্যা বেশ কম।যেমন রবিন্দ্রনাথের কথায় ধরুন।রবি ঠাকুর খুবই উচ্চমানের একজন কবি।এইজন্য নবেল পুরষ্কার পেয়েছেন।তাই তার ভক্তকুল অনেক।ফলে বহুযুগ পরেও আমরা উনার কবিতা পড়ি,বর্তমান কবিরা রবিঠাকুরের কবিতা অনুসরণ করে কবিতা লিখেন।কিন্তু এতে একটা সমস্যা তৈরি হয়েছে।রবি ঠাকুরকে অনুসরণ করে কবিতা লেখার কারণে উনার কবিতার বহু শব্দ বাংলা সাহিত্যে একদম মিশে গেছে।যে শব্দগুলো রবি ঠাকুরের সময়ে ভীষণ প্রচলিত ছিল সেগুলো আজকে দুর্বোধ্য।আর এই দুর্বোধ্য শব্দগুলো প্রতিনিয়ত ব্যবহার হচ্ছে কবিতায়।এতে করে যদিও কবিতার সৌন্দর্য বৃদ্ধি পাচ্ছে তবু,এমন সৌন্দর্য বৃদ্ধি পাওয়ার কি লাভ যদি আমরা সেই সৌন্দর্য উপভোগ না করতে পারি?

০৫ ই জুলাই, ২০১৮ সকাল ৭:৫২

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: শুভ সকাল, প্রিয় ভাই।


আধুনিক কবিতার শুরুটা 'মাইকেল মধুসূদন দত্ত' করলেও 'কবিগুরুর' কাছে আধুনিক কবিতা নতুন দিক নির্দেশনা পায়। এই ধারাটি এখনো বাংলা কবিতায় প্রচলিত। তখন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সে সময়কার মানুষের জীবনকে তখনকার সমাজে প্রচলিত শব্দ ভান্ডার থেকে শব্দ বাছাই করে সাধারন মানুষের জন্য কবিতা লেখতেন। এজন্য অল্প শিক্ষিত মানুষও তখন কবিগুরুর কবিতা বুঝতে পারতেন; এখনও পারেন।

কিন্তু গত পঞ্চাশ বছরে বাংলা লেখায় ও পড়ায় ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে। এখন তো প্রমিত বাংলার সময়। এজন্য বর্তমানে কঠিন ও দুর্বোধ্য ভাষায় লেখা কবিতাগুলো সাধারন পাঠক বুঝতে পারে না। আর বেশিরভাগ কবিতায় নেই সাধারন মানুষের জয়গান। আছে কাল্পনিক ভাবনা আর অনাচার।

ভাষা ও মানুষের চিন্তা চেতনার পরিবর্তনের সাথে নতুন কবিতার দিক পরিবর্তন হয় নাই। এজন্য এ কবিতাগুলো সার্বজনীন হতে পারেনি। সাধারন মানুষকে কবিতা বিমুখ করেছে।

২১| ০৫ ই জুলাই, ২০১৮ সকাল ৭:৩৬

ব্লগ মাস্টার বলেছেন: প্রিয় কাওসার ভাই লেখা প্রিয়তে রাখলাম ।সময় করে পড়ে শেষ করতে হবে ।তবে বড় দুঃখের কথা কাওসার ভাই কিছু লোক
কখনো নিজেকে পূর্ব থেকে পশ্চিমে নিতে পারবে না। এদের স্বভাব সারাজীবন এক রকমই থাকবে ।সোহানী আপুর মন্তব্যে লাইক।

০৫ ই জুলাই, ২০১৮ সকাল ৮:০২

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: শুভ সকাল, প্রিয় ভাই। আপনার মন্তব্যে মনটা খুশি হয়ে গেল। আজ মনে হচ্ছিল ব্লগের নিজের চিন্তা ভাবনা প্রকাশ করে কী অপরাধ করলাম? যাক প্রিয় 'সোহিনী' আপু বিষয়টি বুঝতে পেরে দুইবার কমেন্ট করে গেছেন। এজন্য কৃতজ্ঞতা।

অনেক শুভ কামনা আপনার জন্য।

২২| ০৫ ই জুলাই, ২০১৮ সকাল ৭:৪৬

সোহানী বলেছেন: প্রিয় কাওসার ভাই, অামার দীর্ঘ ১০ বছরের উপরে ব্লগ জীবনে অল্প কয়জনকেই সত্যিকারের প্রতিভাবান মনে হয়েছে। আপনি তাদের একজন। আপনি দেখুন ৯৯.৯৯% আপনার লিখা পছন্দ করে, তাই দু'একজনের অপছন্দে নিরাশ হবার কিছু নেই। এবং প্রতিমন্তব্য, সহব্লগারদেরকে সন্মান, পজিটিভ মনোভাব আপনার ব্যাক্ত্বিকে সবার কাছে সহজেই গ্রহনযোগ্য করে তুলেছে। তাই কিছু সমালোচনাকে পজিটিভলি নেয়ার অনুরোধ থাকলো।

প্রিয় গাজি ভাই, আমি আপনার কাছে সবসময় চমৎকার মন্তব্য পেয়ে এসেছি। আপনি আমার একজন শ্রদ্ধেয়। অাপনার লিখা, ভাবনা, দেশের প্রতি মমত্ববোধ এক কথায় অসাধারন। যে যাই বলুক আমি আপনার কাছে সবসময় পজিটিভ বিহেবই আশা করি।

০৫ ই জুলাই, ২০১৮ সকাল ৮:০৫

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: আপু, অনেক আশীর্বাদ আপনি, ভাইজান ও সন্তানদের জন্য। আপনার প্রতি সম্মান সব সময় ছিল এখন আরো বাড়লো। শুভ কামনা সব সময়।

২৩| ০৫ ই জুলাই, ২০১৮ সকাল ৮:০৩

ঢাবিয়ান বলেছেন: আপনি খালেদা জিয়ার তীব্র সমালোচনা করে একটা পোস্ট দেন। =p~ ব্লগার চাদগাজী দুই দিনেই আপনার বিড়াট ভক্ত হয়ে যাবে।

০৫ ই জুলাই, ২০১৮ সকাল ৮:১৪

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: শুভ সকাল, ভাই।


কোন লাভ হবে না ভাই। তিনি বিরল কিসিমের একজন বাঙালি। শুনেছি সারা বিশ্ব এমন মানুষ হাতে গোনা কয়েকজন আছেন।

২৪| ০৫ ই জুলাই, ২০১৮ সকাল ৯:৪৫

নীলপরি বলেছেন: ভালো টপিক নিয়ে লিখেছেন ও ভালো লিখেছেন ।
আমি আবার কবিতার গ্রামার বেশী বুঝি নাহ । সবসময়ই বলি ,মনে যা আসে তাই লিখি । সেটা কবিতা হয় কিনা বা আদৌ কবিতা হয় কিনা জানিনা ।
শুভকামনা রইলো

০৫ ই জুলাই, ২০১৮ দুপুর ২:২৬

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: দিদি শুভেচ্ছা রইলো,


আমি বিষয়টি একজন সাধারণ পাঠক হিসাবে নিজের মতামত ও চাওয়াটুকু তুলে ধরেছি। আমরা চাই কবিতা পড়ে তৃপ্ত হতে; যেমনটা আগের আধুনিক কবিদের কবিতা পড়া আনন্দ পেতাম। কবিতা দিনকে দিন চলে যাচ্ছে সাধারন পাঠকদের ধরা ছোয়ার বাইরে। একজন কবিতা প্রেমী সিবাবে আমি তা চাই না।

২৫| ০৫ ই জুলাই, ২০১৮ সকাল ১০:০৩

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
অনেক বিখ্যাত কবির কবিতা পাওয়া গেল।

০৫ ই জুলাই, ২০১৮ দুপুর ২:২৭

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: ধন্যবাদ, মাইদুল ভাই। শুভ কামনা রইলো।

২৬| ০৫ ই জুলাই, ২০১৮ সকাল ১০:০৮

রাজীব নুর বলেছেন: ভাই আমি কোনো মন্তব্য করবো না।
তবে আপনার পোষ্ট এবং পোষ্টে সব মন্তব্য গুলো মন দিয়ে পড়লাম।
সবার জন্য শুভ কামনা।

০৫ ই জুলাই, ২০১৮ দুপুর ২:৩৬

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: প্রিয় রাজীব ভাই, মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। ব্লগের একজন সিনিওর ও জনপ্রিয় ব্লগার হিসাবে আপনার কাছে আশা করবো মিস্টার চাঁদগাজী যেভাবে আমার সাথে আচরণ করছে এই বিষয়ে একটি কমেন্ট করতে। লোকটা কেন কোন কারণ ছাড়াই আমার সাথে ইতরামি শুরু করলো বুঝতে পারছি না; না হলে আমি ব্লগের মডারেটরদের কাছে বিষয়টি নিয়ে যাব।

২৭| ০৫ ই জুলাই, ২০১৮ সকাল ১১:৪৭

ঢাবিয়ান বলেছেন: @চাদ্গাজী, শামসুর রহমান, হুমায়ুন আজাদ, নির্মলেন্দু গুণ থেকে শুরু করে শহীদ কাদরী সবাই আধুনিক কবি। দূঃখজনক যে তাদের কবিতা আমার কাছে একেবারেই দুর্বোধ্য এবং অখাদ্য বলে মনে হয়। পাঠক হিসেবে কারো লেখার প্রসংসা করার অধিকার যেমন আমার আছে তেমনি সমালোচনা করার অধিকারো আমার আছে।

আপনি এই পোস্টের ব্লগারের পোস্টের সমালোচনা করছেন না আপনি যেটা করছেন সেটা ব্যক্তিগত আক্রমন যেটা কোন অবস্থাতেই গ্রহনযোগ্য নয়।

০৫ ই জুলাই, ২০১৮ দুপুর ২:৪৭

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: "পাঠক হিসেবে কারো লেখার প্রসংসা করার অধিকার যেমন আমার আছে তেমনি সমালোচনা করার অধিকারো আমার আছে।" ............... মিস্টার চাঁদগাজী, আশা করি আপনার কমেন্টের পড়বেন। আর এই শিক্ষাও নেবেন যে, সাহিত্যের সমালোচনা করা মানে কবিদের অপমান করা নয়। এই অধিকার পাঠকদের আছে। আর সমালোচনা আছে বলেই কবি সাহিত্যিকরা নিজেদের শুধরাতে পারেন।

আর ইতারামি, চুলকানি ও অন্যের সম্মান নিয়ে টানাটানি করাকে সমালোচনা বলে না; বলে মূর্খতা ও বেয়াদবী; যা চাঁদগাজী করছেন।

২৮| ০৫ ই জুলাই, ২০১৮ দুপুর ১২:৫৪

জুনায়েদ বি রাহমান বলেছেন: কাওসার ভাই, আমি সময় পেলে কবিতা পড়ি। গল্প-উপন্যাসের চাইতে কবিতার প্রতি আমার ঝোক বেশি। আপনি বলছেন, আধুনিক কবিতার ভাববস্তু বুঝে না বলেই পাঠক কবিতা থেকে সরে যাচ্ছে। হতে পারে। তবে আমার মনে হয়, এখন কবিতা সব সেক্টরই পাঠক শূন্য। আর ব্লগ ফেইসবুকের যুগে সাধারণ পাঠকরা বই কিনে টাকা নষ্ট করতে যাবেন বলেও মনে হয় না।

আধুনিক কবিতাকে কোনো নির্দিষ্ট সংজ্ঞায় সংজ্ঞায়িত করার পক্ষপাতীও আমি নই। যদিও খ্যাতিমান অনেক কবিই আধুনিক কবিতা বিভিন্ন সংজ্ঞায় সংজ্ঞায়িত করেছেন। তবে হ্যা, আধুনিক কবিতায় একধরণের চাপা ভাব,রস,ছন্দ,দ্যোতনা থাকে; অনেকটা চোখটেপা বা ইংগিত ধর্মী। পাঠক সেটা বের করতে পারলে তৃপ্ত হবেন। না পারলে নিরাশ। তাছাড়া, আধুনিক কবিতা ছড়া-কবিতাকে আলাদা করে দিয়েছে।
যাইহোক, শেষে আধুনিক কবিতা বা কবি নিয়ে রবার্ট ফাস্টের বক্তব্যে তাল মিলিয়ে বলবো, ব্যস্ত পৃথিবীরর আধুনিক মানুষজন যে কবিতা
পড়ে তৃপ্ত হন সেটাই আধুনিক কবিতা।

০৫ ই জুলাই, ২০১৮ বিকাল ৩:১৫

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: জুনায়েদ ভাই,


"আধুনিক কবিতার ভাববস্তু বুঝে না বলেই পাঠক কবিতা থেকে সরে যাচ্ছে। হতে পারে। তবে আমার মনে হয়, এখন কবিতা সব সেক্টরই পাঠক শূন্য। আর ব্লগ ফেইসবুকের যুগে সাধারণ পাঠকরা বই কিনে টাকা নষ্ট করতে যাবেন বলেও মনে হয় না।"

আপনি বইয়ের প্রসঙ্গে বলেছেন ফেইসবুক ও ব্লগের কারণ বই কিনতে মানুষের আগ্রহ কমে গেছে; কথাটি সত্য। কিন্তু কবিতার প্রতি সাধারন পাঠকের অনীহার অন্যতম কারণ কবিতার ভাব-ভাষা বুঝতে না পারা। এজন্য নেটেও কবিতার পাঠক কম।

"আধুনিক কবিতায় একধরণের চাপা ভাব,রস,ছন্দ,দ্যোতনা থাকে; অনেকটা চোখটেপা বা ইংগিত ধর্মী। পাঠক সেটা বের করতে পারলে তৃপ্ত হবেন। না পারলে নিরাশ। তাছাড়া, আধুনিক কবিতা ছড়া-কবিতাকে আলাদা করে দিয়েছে।"

এই ভাব রসটি পাঠকরা আর ইদানিং কবিতায় পাচ্ছে না। আর রবার্ট ফসট্ যথার্থই বলেছেন, "ব্যস্ত পৃথিবীরর আধুনিক মানুষজন যে কবিতা পড়ে তৃপ্ত হন সেটাই আধুনিক কবিতা।"

২৯| ০৫ ই জুলাই, ২০১৮ দুপুর ১:৫২

পান-সুপারি বলেছেন: আপনারে আগেই বলছিলাম যে কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরে ব্লগাইতে দেক্লে চাঁদগাজী নিজেরে আর কোনভাবেই সামলাইতে পারেনা তারে সামু থিক্যা খেদানো পর্যন্ত। এইটা চাঁদগাজীর পুরান নোংরামি, সে জানে একটা সময় আপনি নিজেরে সামলাইতে পারবেন না, বাজে উত্তর দিবেন আর সামু তখন আপনারে ব্লক করবে কিন্তু চাঁদগাজীর একটা চুলও ছিড়বে না। আপনি মডুরে চাঁদগাজীর ব্যাপারে রিপোর্ট করেন। নাইলে আপনারে সে ছাড়বে না যতক্ষণ না রাজীব নূর আর ঠাকুর মাহমুদের মত চাঁদগাজীরে ধুমায়া তেল দেওয়া শরু না করেন।

০৫ ই জুলাই, ২০১৮ বিকাল ৩:২৫

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: ধন্যবাদ, ভাইজান।


হ্যা, আপনি আগের পোস্টে এ বিষয়টি বলেছিলেন। তবে, একটি কথা বলি আমাকে যতই রাগাতে চেষ্টা করুক না কেন আমি তার ট্রাপে পা দেব না। ইতিমধ্যে একজন মডারেটরের সাথে আলাপ করেছি; তিনি আগে থেকেই আমার খুব পরিচিত। তিনি বিষয়টি দেখছেন।

৩০| ০৫ ই জুলাই, ২০১৮ দুপুর ১:৫৭

পান-সুপারি বলেছেন: কাউসার ভাই, হেরে সিনিয়র সিটিজেন বইলা সম্মান করার কিছু নাই। এর বিদ্যা খুবই সীমিত, আপনার নখের সমানও হইতে পারব না কোনদিন। নিজের আজাইরা বকবকানি ঝারার যায়গা পাইছে সে সামুরে। নিজেরে মুক্তিযুদ্ধা দাবি করে, কিন্তু যুদ্ধ নিয়া একটা লাইনও আজ পর্যন্ত কোনদিন লেখে নাই, লেক্তে কইলে পিছলায় সবসময়। উল্টা দুই বছর আগে দুই চিন্হিত জামাতি ব্লগাররে সরাসরি সাপোর্ট করছিল যারা হেরে তেলাইত।

০৫ ই জুলাই, ২০১৮ বিকাল ৩:৩০

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: কি করবো বলুন? আমার জীবনে এমনটি ঘটেনি বলে কাউকে অপমান করাকে শিখিনি; আর একজন শিক্ষক হিসাবে একটি মূল্যবোধ ও আদর্শ সব সময় ধরে রাখার চেষ্টা করি। আমার পরিচিত সবাই বিষয়টি জানেন। কিন্তু ব্লগে তো অপরিচিত; যিনি এমনটি করছেন আমার বিষয়ে জানলে এমন বেয়াদবী করা থেকে বিরত থাকতেন।

৩১| ০৫ ই জুলাই, ২০১৮ দুপুর ১:৫৮

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: প্রিয় কাউসার চৌধুরী ভাই, আমাকে সামহোয়ােইনব্লগে যেই সম্মানটুকু দিয়েছেন তার জন্য আমি আন্তরিক ভাবে কৃতজ্ঞ, আজ বৃহস্পতিবার গুরু ব্যাবসার কাজে সামান্য ব্যাস্ত আছি রাত্রে আপনার সাথে কবিতা নিয়ে গুরুতে গুরেতে ফাইট হবে - মনে রাখবেন গুরু জলে কুমির ডাঙ্গায় বাঘ, আপনি বাঘ হলে আমি কুমির আর আপনি কুমির হলে আমি বাঘ, আজকে কবিদের গুষ্টি উদ্ধার করে ছাড়বো ইনশাল্লাহ আর সাথে সব ব্লগারভাইদের বলছি “যার কাছে যা আছে তা নিয়ে তৈরি থাকুন দুই চারটা কবি আজকে স্যালাইন বানিয়ে খাবো সবাই মিলে - এবারের সংগ্রাম কবি খাওয়ার সংগ্রাম, কবি ফ্রাই করে খাওয়ার সংগ্রাম !!! কবি ভাই রা সাবধানে থাকবেন আগামী কাল আসলেই ফ্রাইডে অতএব ফ্রাই হয়ে যেতেও পারেন ।

০৫ ই জুলাই, ২০১৮ বিকাল ৩:৩৫

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: সারা রাত ওয়েট করলাম; কিন্ত না গুরুর কোন খবর নেই। এর ফাঁকে হলাম অপমানিত। যাক শেষ বেলায় পেলাম গুরুজিকে। বুঝতে পেরেছি বিজি ছিলেন। রাতে হবে আলাপ।

৩২| ০৫ ই জুলাই, ২০১৮ দুপুর ২:০১

কথার ফুলঝুরি! বলেছেন: লেখাটি পড়ে ভেবেছিলাম কবিতা নিয়ে মন্তব্য করবো কিন্তু মন্তব্য গুলো পড়ার পর আরও দু একটি কথা না বলে পারছিনা।

শুধুমাত্র লেখা না, যে কোন কিছুর ক্ষেত্রেই সমালোচনা কারী রা থাকবে। আর সমালোচনা শুধুমাত্র নেগেটিভ না, কিছু সময় সমালোচনা আমার জন্য পজিটিভ ও হতে পারে। তবে সবকিছুর ই একটা সৌন্দর্য থাকে। যে কোন সমালোচনাও যদি সুন্দর ভাবে করা হয় সেটি যাকে নিয়ে করা হচ্ছে তার জন্য আশীর্বাদ স্বরূপ হতে পারে কারন সমালোচনার মাধ্যমে নিজেকে শুধরানোর বিষয়গুলো খুজে পাওয়া যায়। ভুল কিংবা কমতি যে কোন কিছুতেই থাকতে পারে, আমরা এগুলোর উর্ধে না, কিন্তু, কথা বা মন্তব্য করার ধরনের উপর অনেক কিছু নির্ভর করে। যে কোন কিছু সুন্দর ভাবে উপস্থাপন করলে সেটি আর দৃষ্টিকটু লাগেনা।

এবার আসি কবিতায়, কথা সত্যি ভাইয়া। এখনকার কিছু কবিতার ভাষা আর শব্দ এত কঠিন যে কিছুই বুঝিনা। তখন দু এক লাইন পড়ে আর ইচ্ছে ও করেনা পড়তে।

আসলে ভাইয়া এটা নির্ভর করে লেখকের চাওয়ার উপর। যেমন, কেউ হয়তো চায় তার কবিতায় নতুন নতুন শব্দ নিয়ে এসে পাণ্ডিত্য জাহির করতে যে সে অনেক জানে, কিন্তু এটি করতে গিয়ে পাঠক কবিতা টি বুঝবে কিনা সেই বিষয়টা ভুলে যায়। হয়তো এই লেখকের কবিতা লেখার সার্থকতা ও সন্তুষ্টি এখানেই যে সে অন্যদের চেয়ে কিছু নতুন নতুন শব্দ তার লেখায় নিয়ে এসেছে, পাঠকের সন্তুষ্টি তার কাম্য নয়।

আবার কেউ আছে সহজ সরল ভাষায় লিখে যায়। নতুন শব্দ নিয়ে আসলো কি আসলো না, পাণ্ডিত্য জাহির হল কি হল না তা নিয়ে তার চিন্তা নেই। তার সন্তুষ্টি ও সার্থকতা পাঠক বোধগম্য তে। পাঠক যদি পড়ে বলে ভালো লাগে তাতেই সে খুশী। যেমন আমি :P
আমিতো কবিতা লিখিনা :P মাঝে মাঝে দু এক লাইন মাথায় আসে তাই জোড়াতালি দিয়ে দেই । অনেকে সেটি কে কবিতা ভেবে ভুল করে :P


০৫ ই জুলাই, ২০১৮ বিকাল ৩:৪৫

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: আপু শুভেচ্ছা রইলো,


"শুধুমাত্র লেখা না, যে কোন কিছুর ক্ষেত্রেই সমালোচনা কারী রা থাকবে। আর সমালোচনা শুধুমাত্র নেগেটিভ না, কিছু সময় সমালোচনা আমার জন্য পজিটিভ ও হতে পারে। তবে সবকিছুর ই একটা সৌন্দর্য থাকে। যে কোন সমালোচনাও যদি সুন্দর ভাবে করা হয় সেটি যাকে নিয়ে করা হচ্ছে তার জন্য আশীর্বাদ স্বরূপ হতে পারে কারন সমালোচনার মাধ্যমে নিজেকে শুধরানোর বিষয়গুলো খুজে পাওয়া যায়। ভুল কিংবা কমতি যে কোন কিছুতেই থাকতে পারে, আমরা এগুলোর উর্ধে না, কিন্তু, কথা বা মন্তব্য করার ধরনের উপর অনেক কিছু নির্ভর করে। যে কোন কিছু সুন্দর ভাবে উপস্থাপন করলে সেটি আর দৃষ্টিকটু লাগেনা।"

সাহিত্যের সমালোচনা করা মানে কবিদের অপমান করা নয়। এই অধিকার পাঠকদের আছে। আর সমালোচনা আছে বলেই কবি সাহিত্যিকরা নিজেদের শুধরাতে পারেন। আর কমেন্টের নামে ইতারামি, চুলকানি ও অন্যের সম্মান নিয়ে টানাটানি করাকে সমালোচনা বলে না; বলে মূর্খতা ও বেয়াদবী। এটা দুঃজনক।

"আসলে ভাইয়া এটা নির্ভর করে লেখকের চাওয়ার উপর। যেমন, কেউ হয়তো চায় তার কবিতায় নতুন নতুন শব্দ নিয়ে এসে পাণ্ডিত্য জাহির করতে যে সে অনেক জানে, কিন্তু এটি করতে গিয়ে পাঠক কবিতা টি বুঝবে কিনা সেই বিষয়টা ভুলে যায়। হয়তো এই লেখকের কবিতা লেখার সার্থকতা ও সন্তুষ্টি এখানেই যে সে অন্যদের চেয়ে কিছু নতুন নতুন শব্দ তার লেখায় নিয়ে এসেছে, পাঠকের সন্তুষ্টি তার কাম্য নয়।"

বিষয়টি আমাকেও ভাবায়। বেশিরভাগ কবি হয়তো মনে করেন সাধারন পাঠক যদি আমার কবিতার সবটুকু বুজতে পারেন তাহলে কবির মর্যাদা কমে যায়। একটা ভাব জন্মানো যে, কবিতা পড়তে আগে গবেষক হও; তারপর কবিতা পড়ার চেষ্টা করো।

৩৩| ০৫ ই জুলাই, ২০১৮ বিকাল ৩:৫৫

ঠ্যঠা মফিজ বলেছেন: যে যাই বলুক,মন্দ লোকের কথায় কান দিবেননা, আপনি আপনার মত করে লেখে যান।

০৫ ই জুলাই, ২০১৮ বিকাল ৪:০৬

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রিয় মফিজ ভাই। আপনার কমেন্ট পড়ে অনুপ্রাণিত হলাম। শুভ কামনা রইলো সব সময়। ভাল থাকবেন।

৩৪| ০৫ ই জুলাই, ২০১৮ বিকাল ৪:৪৫

রাজীব নুর বলেছেন: লেখক বলেছেন: প্রিয় রাজীব ভাই, মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। ব্লগের একজন সিনিওর ও জনপ্রিয় ব্লগার হিসাবে আপনার কাছে আশা করবো মিস্টার চাঁদগাজী যেভাবে আমার সাথে আচরণ করছে এই বিষয়ে একটি কমেন্ট করতে। লোকটা কেন কোন কারণ ছাড়াই আমার সাথে ইতরামি শুরু করলো বুঝতে পারছি না; না হলে আমি ব্লগের মডারেটরদের কাছে বিষয়টি নিয়ে যাব।


প্রিয় কাওসার ভাই শান্ত হোন।
চাদগাজী আপনাকে খুব পছন্দ করেন। আমিও প্রথমে উনার মন্তব্য পরে খুব রাগ করতাম। মনে হতো উনি আমাকে খোঁচা দিচ্ছেন অপমান করছেন। আসলে তা না। প্রতিটা ব্লগারের প্রতি উনার ভালোবাসা আছে। উনি মনে প্রানে চান প্রতিটা ব্লগার ভালো লিখুক। সুন্দর লিখুক। উনি মাঝে মাঝে খোঁচা দেন যেন ব্লগাররা ভালো লিখেন।
প্লীজ ভাই আমার আপনি শান্ত হোন। ট্রাই টু আন্ডারসটেন্ড।
কাওসার ভাই , আপনি একজন সহজ সহজ পরিচ্ছন্ন এবং ভালো ব্লগার। খুব অল্প সময়ে আপনি অনেকের কাছে প্রিয় হয়ে উঠেছেন। আপনি বুদ্ধিমান মানুষ, বিবেকবান মানুষ।

আমার মা একটা কথা প্রায়ই বলেন, কয়জন বড় না, সয়জন বড়।
আপনি শান্ত থাকেন।
আমি শ্রদ্ধেয় চাঁদগাজীর সাথে আলোচনা করবো।

০৫ ই জুলাই, ২০১৮ বিকাল ৫:০৪

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: ধন্যবাদ, প্রিয় রাজীব ভাই। উনার প্রতি শুরু থেকেই অনেক সম্মান ছিল। কিন্তু কমেন্টে আমাকে পার্সোনালি আক্রমণ করে নিজের সম্মানটা ধুলোয় মিশিয়ে দিলেন। এগুলো অপ্রত্যাশিত।

ঠিক আছে আমি আর বিষয়টি নিয়ে কিছু বলবো না; আশা করবো তিনি নিজে থেকেই এগুলো বন্ধ করবেন।

৩৫| ০৫ ই জুলাই, ২০১৮ বিকাল ৫:০৯

কল্পদ্রুম বলেছেন: সাহিত্যের সব ধারা সবার জন্য নয়।সব উপন্যাসও সবার জন্য নয়,সব কবিতাও সবার জন্য নয়।আবার একই লেখকের সব লেখাও তার সব পাঠকের জন্য নয়।

০৫ ই জুলাই, ২০১৮ বিকাল ৫:১৬

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: হ্যা। মানছি আপনার যুক্তি। কিন্তু একজন লেখকের লেখাটি পড়ে যদি সাধারন পাঠক না বুঝেন তাহলে এই লেখার কোন সার্থকতা নেই। লেখা পছন্দ না হওয়া আর লেখার ভাব বুঝতে না পারা কিন্তু এক জিনিস নয়।

ধন্যবাদ, আপনাকে।

৩৬| ০৫ ই জুলাই, ২০১৮ বিকাল ৫:২৯

জাহিদ অনিক বলেছেন:


পোষ্টটা অনেকটা ঝাপসা আমার কাছে।




ভাল কবিতা খারাপ কবিতা কেমন করে বুঝি
তখনই কেবল লিখি একটু যখন নিজেরে খুঁজি।

০৫ ই জুলাই, ২০১৮ বিকাল ৫:৩৪

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: লেখাটি পড়েছেন, এজন্য ধন্যবাদ। তবে, কেন ঝাপসা লাগলো তা বুঝলাম না। তবে আপনার কবিতার লাইন দু'টি আমার ভাল লেগেছে।

৩৭| ০৫ ই জুলাই, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:২৩

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:
কাওসার ভাই আপনার লেখাটি আমার পছন্দ হয়েছে,
এক ছাতার নিচে গ্রথিত করেছেন বাংলার সেরা কবিদের।
তাদের সম্পর্কে স্বল্পবিস্তর আলোচনায় সমৃদ্ধ হয়েছে আপনার প্রবন্ধটি।
সুধুবাদ জানাই আপনাকে চমৎকার উপস্থাপনার জন্য।

তবে সহব্লগার হিসেবে আপনাকে একটি উপদেশ রাগবেন না, রাগলেন তো হেরে গেলেন,
কুকুরের কাজ কুকুরে করেছে কামড় দিয়েছে পায়,
তাই বলেকি কুকুরে কামড়ানো মানুষের শোভা পায়!

পান-সুপারি ভাইয়ের মূল্যায়ন ঠিক আছে। চাঁদগাজীর সঠিক কমেন্টের নামে ব্যক্তি আক্রমণ কোনদিন কেউ বন্ধ করতে পারে নাই। ঐ আশা করলে ভুল করবেন।

গায়ে মানেনা আপনি মোড়ল স্বভাবের গাজীসাব
কানে দিয়েছেন তুলো,
পিঠে বেধেছেন কুলো!!

তবে তার একটি দিক আমার ভালো লাগে
আর সেটি হলো তার অযাচিত জ্ঞানদান।
যদিও তা অপাত্রে দান করেন।

০৫ ই জুলাই, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:০৫

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: ধন্যবাদ, নূরু ভাই।


"এক ছাতার নিচে গ্রথিত করেছেন বাংলার সেরা কবিদের।
তাদের সম্পর্কে স্বল্পবিস্তর আলোচনায় সমৃদ্ধ হয়েছে আপনার প্রবন্ধটি।
সুধুবাদ জানাই আপনাকে চমৎকার উপস্থাপনার জন্য।"

আমি একজন সাধারন পাঠকের দৃষ্টিতে এ বিষয়টি নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা করেছি; কেন সমালোচনা করছি তাও বলেছি। সাহিত্যের সমালোচনা করা মানে কবি/লেখকদের অপমান করা বুঝায় না। এই অধিকার পাঠকদের আছে। আর সমালোচনা আছে বলেই কবি সাহিত্যিকরা নিজেদের শুধরাতে পারেন।

আর অন্য বিষয়টির ভূক্তভোগী আপনি অনেক বেশি। আপনি একজন সজ্জন ও গুণী লেখক তারপরও আপনার সাথে এমনটি হয়েছে; আর আমি তো ব্লগে সদ্য জন্ম নেওয়া দুধের শিশু।

৩৮| ০৫ ই জুলাই, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৩১

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: আপনার পোস্টে ক্যাচাল দেখে হতাশ হলাম।
কবিতা সাহিত্যের সব চেয়ে কঠিন শাখা।

০৫ ই জুলাই, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৫৭

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: প্রিয় সাজ্জাদ ভাই,


কি আর বলবো, বলুন। ভাবছিলাম ব্লগ শিক্ষিত আর রুচিশীল মানুষদের জায়গা; ফেইসবুকের চেয়ে অনেক উন্নত। এক দুইজনের জন্য আসলে ব্লগটি পরিবেশ হারাচ্ছে। তবে এগুলো থাকবেই; এখন থেকে এভয়েড করার চেষ্টা করবো।

আসলে সবাই সম্মান পাওয়ার যোগ্যতা রাখে না; সম্মানের অর্থ বুঝে না বলে।

৩৯| ০৫ ই জুলাই, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:২৫

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:
লেখক বলেছেন: আর অন্য বিষয়টির ভূক্তভোগী আপনি অনেক বেশি।
আমার কাছে যদি কারো লেখা অসংগতি ঠেকে তা হলে আমি কিন্তু ছাড় দিয়ে কথা বলিনা,
যুক্তি তর্কে আমাকে পরাস্ত করতে পারলেই কেবল আমি তার বশ্যতা স্বীকার করি অন্যথায় নয়।
আমি তাকে নিয়ে অনেক সময় ব্যয় করেছি নার নয়।

০৫ ই জুলাই, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৩৪

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: "আমার কাছে যদি কারো লেখা অসংগতি ঠেকে তা হলে আমি কিন্তু ছাড় দিয়ে কথা বলিনা, যুক্তি তর্কে আমাকে পরাস্ত করতে পারলেই কেবল আমি তার বশ্যতা স্বীকার করি অন্যথায় নয়।"

হ্যা, ঠিকই বলেছন আপনি। কিন্তু বিষয়টি যদি লেখা নিয়ে না হয়ে ব্যক্তিগত আক্রমন হয় তাহলে বিষয়টি মোকাবেলা করা খুব কঠিন। কারণ, তার তার লক্ষ্যবস্তু আপনার লেখা নয় আপনি। এরা খুব বিপজ্জনক।

৪০| ০৫ ই জুলাই, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৩৫

তারেক ফাহিম বলেছেন: প্রথম বার চোখ বুলালাম মন্তব্য করিনি, জানি আলোচিত পাতায় আসবে।

আর একটু বড়ই ছিলো তাই হয়তো শেষ করতে আমার চারবার পড়া লাগছে ;) আসলে সময়ও কম ছিল।

গল্প নিয়ে যেটা লিখলেনা তাও অনেক ভালো লাগলো।

কবিতা এমনিতে আমি কম বুঝি।

তবে আপনার কথার সাথে মত প্রকাশ করছি, কবিতা সহজ ভাষায় হলে পাঠকের সুবিধা হয়।

০৫ ই জুলাই, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৪৯

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: তারেক ফাহিম ভাই, আপনি আমার লেখাগুলো এত গুরুত্ব দিয়ে পড়েন শুনে অনেক ভাল লাগলো। আর লেখাটি একটু বড় হওয়ায় হয়তো কষ্ট হয়েছে পড়তে। আপনার সাথে আমিও একমত। কবিতার 'ভাব-ভাষা' সহজ না হলে সাধারন পাঠক কবিতা বিমুখ হয়ে যাবে; যা আমরা কেউ চাই না।

৪১| ০৫ ই জুলাই, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৫৭

সনেট কবি বলেছেন: সব রকম কবিতার সমজদার রয়েছে। সে জন্য যে যেমন চায় তেমন লিখে থাকে। হয়ত কেউ যুগ পাল্টাতে চায় সেজন্য অন্য রকম কিছু লিখতে চায়। কোন লেখককে চোট করার দায়িত্ব কারো নেই। বাজারে দেখেছি যে কাপড় আমি অপছন্দ করে রেখে এসেছি সেটাও অন্যকেউ পছন্দ করে কিনে নিয়ে যায়। বাস্তব হলো মানুষের রুচির ভিন্নতা রয়েছে। আপনি যা অপছন্দ করেন হয়ত অন্য কেউ সেটা পছন্দ করে। আশাকরি আপনি এ সহজ বিষয়টা বুঝার চেষ্টা করবেন। আর নিজের পছন্দের দায় অন্যের ঘাড়ে চাপানোর চেষ্টা করা ঠিক নয়।

০৫ ই জুলাই, ২০১৮ রাত ৮:০৯

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: ধন্যবাদ, প্রিয় কবি। একজন পাঠকের দৃষ্টিতে বর্তমান সময়ের কবিতার উপর আমার মতামত দিয়েছি। একজন পাঠক হিসাবে এই মতামত দেওয়ার অধিকার সবার আছে। আর সমালোচনা হচ্ছে সাহিত্যের পরিশীলনের অংশ। আমি লেখাটিতে বলেছি এ সময়ের লেখা বেশিরভাগ কবিতা আমি বুঝি না; হতে পারে এটা আমার অপারগতা।

আর নিজের মতামত জানানো তো চাপিয়ে দেওয়া নয়, তাই না। আমি তো লেখাটিতে বলিনি আপনারা কেউ নতুন কবিদের কবিতা পড়বেন না। কবিরা সমালোচনাকে সহজভাবে নিলে তাদের কবিতা জনমুখী হবে। এতে কবি ও পাঠক উভয়ই লাভবান হবেন।

৪২| ০৫ ই জুলাই, ২০১৮ রাত ৮:২৫

সনেট কবি বলেছেন: আমি চর্যাপদের পাঠক। কহ্নপার ভক্ত। কিন্তু কাবতা কিছুই বুঝিনা। তবে ভাললাগে। সব কবিতা বুঝার জন্য নয়। কিছু কবিতা ভাল লাগার জন্য। আর অবোধ্য কবিতারও পাঠক রয়েছে। সাধারণ পাঠকের জন্যও কবিতা লেখা হয়। আবার বিশেষ পাঠকের জন্যও কবিতা লেখা হয়। যার রুচি যেমন তার খাবার তেমন। আমি আগে গোপের একটা কাটিং পছন্দ করতাম। নাপিতের পছন্দ হতনা। সে বলত স্যার এভাবে গোঁপ কাটলে খারাপ দেখা যায়। আমি বলতাম খারাপ দেখার জন্যইতো কাটছি। তোমার ভাল আমার দরকার নেই। কথা হলো বাস্তবতার নিরিখে বলতে গেলে বলতে হয় সব কবিতার পাঠক রয়েছে। কাজেই যার যেমন মন চায় সে লিখুক। আমার মা বলতেন, দুনিয়া আনন্দময় যার মনে যেমনে লয়।

০৫ ই জুলাই, ২০১৮ রাত ৮:৩২

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: স্যার, আপনার সনেট আমি নিয়মিত পড়ি। এজন্য আমার এ লেখাটির নিচে এ বিষয়টি ইঙ্গিত করেছি; ব্লগে তো অনেকে ভাল কবিতা লেখেন। এখন এক-দুই জনের নাম উল্লেখ করলে বাকিরা মাইন্ড করবেন এজন্য কারো নাম বলিনি। আপনার কমেন্ট পড়ে খুব ভাল লেগেছে। বিষয়গুলো নিয়ে ভাববো। শুভ কামনা রইলো আপনার জন্য।

৪৩| ০৫ ই জুলাই, ২০১৮ রাত ৮:৪৭

সনেট কবি বলেছেন: জনাব চাঁদগাজী আমাকে একবার মন্তব্যে বলেছেন, ‘কার কোরবানীর ছাগল ব্লগে এসে পন্ডিৎ হলো?’ আমি তাঁর মন্তব্য নেতিবাচক দিক থেকে গ্রহণ করিনি। আমার মনে হয় তাঁর সে মন্তব্য আমার ব্লগিং এর উন্নয়নের ক্ষেত্রে ভাল কাজে লেগেছে। চলমান পোষ্টে আপনি আপনার রুচিকে পাঠকের রুচি হিসেবে চালাতে চেষ্টা করেছেন। ব্যক্তিমতকে সমষ্টির মত বলে চালাতে চেয়েছেন। আপনি ব্লগিং এ যথেষ্ট উন্নতি করেছেন। তবে আপনার আরো উন্নতির অবকাশ রয়েছে। সে জন্য মনে হয় আপনাকে আরো ঠান্ডা হওয়া প্রয়োজন। কারণ গরম হলে সব কিছু গলে যায়। আর ঠান্ডা হলে জমে যায়। উভয় অবস্থার যথেষ্ট প্রভেদ রয়েছে।

০৫ ই জুলাই, ২০১৮ রাত ১১:৫৫

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: স্যার, আপনার পরামর্শ অবশ্যই পালনীয়। কিন্তু আমি এরকম ব্যক্তি আক্রমনে অভ্যস্ত নয়; বিশেষ করে শিক্ষিত সমাজে এ ভাষাগুলো চরম লজ্জার। এর প্রতিবাদ না করা মানে একজন বেয়াদবকে প্রশ্রয় দেওয়া; আর এতদিন এমনটি হয়েছে বলে উনি আরো সুযোগ পেয়েছে। আর যাই হোক স্যার আমার সাথে ইতরামি করলে এর যোগ্য জবাব দেব।

৪৪| ০৫ ই জুলাই, ২০১৮ রাত ৮:৫৮

শাহিন বিন রফিক বলেছেন:



বেশি সিরিয়াস হয়ে যাচ্ছেন আপনারা--
তাই একখানা ক(বিতা) :#)


নয়নের জল উঠিল কপালে---





পা দুখান বাঁধা ছিল কদমের ডালে

০৬ ই জুলাই, ২০১৮ রাত ১২:০৫

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: শাহীন ভাই,


শুভেচ্ছা নেবেন। মন্ডল ভাইয়ের পোস্টে আপনার একটি কমেন্ট পড়ে খুব হাসি পেয়েছিল। যাক এখন নিশ্চয়ই এগুলো ভুলে গিয়ে নতুন সংসার নিয়ে সুখে আছেন। শুভ কামনা আপনার জন্য।

৪৫| ০৫ ই জুলাই, ২০১৮ রাত ৯:৩৪

শামচুল হক বলেছেন: যুগের সাথে তাল মিলিয়ে কবিতা লেখা হয়, পাঠক বুঝুক আর না বুঝুক। বর্তমানে আধুনিক কবিতার কবি অনেক কিন্তু পাঠক কম কারণ কবিতার অর্থ উদ্ধার করতে দাঁত ভেঙে যাওয়ার উপক্রম হয়, অপর দিকে ছড়া লেখার লোক কম কিন্তু পাঠক বেশি কারণ ছড়া সহজেই বোধগম্য হয়।

০৬ ই জুলাই, ২০১৮ রাত ১২:০২

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: প্রিয় শামচুল ভাই,


"বর্তমানে আধুনিক কবিতার কবি অনেক কিন্তু পাঠক কম কারণ কবিতার অর্থ উদ্ধার করতে দাঁত ভেঙে যাওয়ার উপক্রম হয়, অপর দিকে ছড়া লেখার লোক কম কিন্তু পাঠক বেশি কারণ ছড়া সহজেই বোধগম্য হয়।"

এ+ দেওয়ার মতো মন্তব্য। দার্শনিকের মতো ব্যাখ্যা।

৪৬| ০৫ ই জুলাই, ২০১৮ রাত ৯:৫১

আহমেদ জী এস বলেছেন: কাওসার চৌধুরী ,



একজন পাঠকের দৃষ্টিতে কবিতার সমালোচনা মোটেও হেসে উড়িয়ে দেয়ার মতো নয় । কবিতা কি , কেমন তা নিয়ে নানা মুনির নানা মত রয়েছে । তার মানে এ মতামত কেবল বোদ্ধাদের , আমাদের মতো সাধারন পাঠকদের কাছে এসব মতামত কবিতার মতোই দূর্বোধ্য ।
একজন না-কবি পাঠক, এই যা বলেছেন তেমনটাই ভাববেন ----- "একটি বাংলা কবিতা বুঝতে হলে কতবড় বাংলাবিদ ও দার্শনিক হতে হবে তা আমার ক্ষুদ্র জ্ঞানে কুলায় না। কত শত যুগ ধরে যে বাংলা কবিতা পাঠের তালিম নিয়ে এর অর্থ বোঝতে হবে তা ভেবে শিউরে উঠি। একটা গল্প, উপন্যাস এমনকি প্রবন্ধ পড়তে তো সাধারন পাঠকদের এতো বেগ পেতে হয় না। শুধু কবিতার ক্ষেত্রে খুঁজে খুঁজে কঠিন শব্দগুলো কেন ব্যবহার করা হয় তার যৌক্তিক কোন কারন আছে কি না জানা নেই।

ইদানিং কালের (ব্লগে) অনেক কবিতা এমনই, যেমনটা আপনি বলেছেন -- কবিতার ক্ষেত্রে একটি লাইন থেকে পরের লাইনে যাওয়ার সময় কোনও যৌক্তিক সূত্র থাকেনা। কবিতা পড়া শেষে পাঠক কোনও একটি অর্থবহ সারমর্ম পায়না অনেকে অযথা জটিল শব্দ দিয়ে অস্ম্পূর্ণ ভাব বাক্যে কবিতা লেখেন, অনেক সময় একটি লাইনের সাথে পরবর্তী লাইনের বক্তব্যের মিল থাকে না। ফলে পাঠকরা পুরো কবিতা পাঠ করেও কিছুই বুঝতে পারে না।
মনে হয় নীচের লিংকটিতে আপনার মন মতো কথা খুজে পাবেন -----
কবিতার গুষ্টি-জ্ঞাতি .....

এও বলেছেন ---- "একজন লেখক হিসাবে এ দায়টা এড়িয়ে যাওয়ার কোন সুযোগ নেই।" আসলেই নেই ।
কবিতা হলো , স্প্রীংয়ের খাটের মতো , বসলেই দোলা দিয়ে যাবে । ভাবকে শব্দ ও ছন্দে গেঁথে যদি মালা বানানো যায় তবে তাই-ই কবিতা হয়ে ওঠে । ব্যাখ্যাতীত এক সন্ধ্যেয় অব্যক্ত কথাগুলোর শ্রুতিময় রূপই হলো কবিতা । কবিতার প্রধান দু'টি গুন থাকে- ধ্বনিময়তা আর চিত্রময়তা । যে সব কবিতার কথা বলেছেন সেখানে এসবের অনুপস্থিতি রয়েছে ।

আসলে যা কিছু কবিতা নয়, তা থেকে মুক্তি দিতে হবে কবিতাকে । যে ভাষা অধিকাংশ মানুষের পক্ষে সংবাদ - জ্ঞাপনের নির্বিশেষ বাহন মাত্র, স্বভাবের বিরোধীতা করে তাকে রূপান্তরিত করতে হয় ছন্দোবদ্ধ ও চরিত্রবান কবিতায় । সেখানে শব্দের ব্যঞ্জনা থাকতে হবে । এই রকম শব্দগুলি যখন পাশাপাশি বসবে আর দুলিয়ে দিয়ে যাবে মনখানাকে , তখন তা কবিতা হয়ে উঠবে । তাই ভাষার সাথে সাথে ভাবনাও থাকতে হবে ।

ভালো লেখা ।

০৬ ই জুলাই, ২০১৮ রাত ১২:২১

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: প্রিয় @ আহমেদ জী এস....….…..,,


"একজন পাঠকের দৃষ্টিতে কবিতার সমালোচনা মোটেও হেসে উড়িয়ে দেয়ার মতো নয় । কবিতা কি , কেমন তা নিয়ে নানা মুনির নানা মত রয়েছে । তার মানে এ মতামত কেবল বোদ্ধাদের , আমাদের মতো সাধারন পাঠকদের কাছে এসব মতামত কবিতার মতোই দূর্বোধ্য।"

আপনি যথার্থই বলেছেন। একজন পাঠক হিসাবে যখন কবিতার উপরে মতামত দেওয়া হয় তখন পাঠকদের মনোভাব ফুটে উঠে। কিন্তু যখন কোন কবি কবিতার উপর মতবাদ দেন তখন এটি কবিতার মতো দূর্বোধ্য হয়ে উঠে। এজন্য এমতামত পাঠকের দেওয়া উচিৎ।

"কবিতা হলো , স্প্রীংয়ের খাটের মতো , বসলেই দোলা দিয়ে যাবে । ভাবকে শব্দ ও ছন্দে গেঁথে যদি মালা বানানো যায় তবে তাই-ই কবিতা হয়ে ওঠে । ব্যাখ্যাতীত এক সন্ধ্যেয় অব্যক্ত কথাগুলোর শ্রুতিময় রূপই হলো কবিতা । কবিতার প্রধান দু'টি গুন থাকে- ধ্বনিময়তা আর চিত্রময়তা । যে সব কবিতার কথা বলেছেন সেখানে এসবের অনুপস্থিতি রয়েছে।"

আপনি যথার্থই বলেছেন। কিন্তু কবির এলোমেলো ভাবনাগুলো সাধারন মানুষের জীবন নির্ভর না হলে; পাঠক পড়ে তৃপ্ত না হলে এ ভাবনায় কবিতা লেখে হয়তো কবির অস্তির মনে প্রশান্তি আসে। কিন্তু পাঠকের কোন উপকারে আসবে না। আপনার কথার সাথে মিলিয়ে বলবো, "কবিতার প্রধান দু'টি গুন থাকে- ধ্বনিময়তা আর চিত্রময়তা" , লেখার সময় এ বিষয়গুলো কবিকে মাথায় রাখতে হবে।

"আসলে যা কিছু কবিতা নয়, তা থেকে মুক্তি দিতে হবে কবিতাকে।"

৪৭| ০৬ ই জুলাই, ২০১৮ রাত ১২:৪৫

প্রামানিক বলেছেন: আপনার পুরো লেখাটাই আমি পড়েছি। আমার মনের কথাগুলোই যেন এ লেখায় তুলে ধরেছেন। বর্তমানে আধুনিক কবিতার দুর্বোধ্যতা এবং পাঠক বিমুখতা সাহিত্য জগতে বড়ই সমস্যার সৃষ্টি করেছে। বর্তমানে প্রচুর আধুনিক কবির জন্ম হলেও সেই তুলনায় আধুনিক কবিতার পাঠক জন্ম নিচ্ছে না। তার কারণ হলো পাঠক যদি কবিতা পড়ে রস না পায় সেই কবিতার প্রতি পাঠকের রুচি থাকে না। আগের কবিদের কবিতায় রসের অভাব না থাকায় এখনও সেই সব কবিতা পাঠক প্রাণ ভরে পাঠ করে এবং ছন্দের দোলায় দুলে উঠে। বর্তমান কবিরাও যদি কবিতায় দুর্বোধ্যতা পরিহার করে সহজবোধ্য পাঠক উপযোগী কবিতা উপহার দেয় এখনও পাঠকের অভাব হবে না।

০৬ ই জুলাই, ২০১৮ রাত ১২:৫৭

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: প্রিয় প্রামানিক ভাই,


আমার পোস্টে আপনার কমেন্টের নটিফিকেশন পেয়ে একটু ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম; কারণ, আপনি আমার খুব প্রিয় একজন কবি। একজন উঁচু মানের কবি হিসাবে আপনাকে মনে করি। ব্লগে যে কয়জন প্রিয় কবি আছেন আপনি তার মধ্যে অন্যতম। আপনার কমেন্ট পড়ে খুব খুশি হয়েছি। এখন কবিদের দায়িত্ব কবিতাকে সাধারন মানুষের দোরগোেড়ায় নিয়ে যাওয়া।

৪৮| ০৬ ই জুলাই, ২০১৮ বিকাল ৩:০০

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: কাউসার চৌধুরী ভাই, গতকাল বুহস্পতিবার থাকায় ও নানা কাজের ব্যাস্ততায় ব্লগে আসতে পারিনি রাত্রেও সম্ভব হয়নি বেশ ক্লান্ত ছিলাম, গুরু আমি আন্তরিক ভাবে দুঃখিত, আমার সময় ও অনুপস্থিতি অনুগহ করে মার্জনা করবেন - প্রসঙ্গে আসি আপনার এই লেখার কিন্তু সামাধান হয়নি, তাহলে গুরু আর একটি পোষ্ট কেনো দিলেন ? আপনি আমাকে গুরু বলেন কথা ঠিক ? আমি ও আপনাকে গুরু বলি, এখানে কেউ কারো শিষ্য নই, তাহলে গুরুতে গুরুতে লড়াইটা জরুরী হয়ে পড়েছে আসুন মাঠে - - - - --

০৬ ই জুলাই, ২০১৮ বিকাল ৩:৩৫

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: আপনি আমার খুব প্রিয় একজন মানুষ; আপনার প্রতিভার খোঁজ অনেক আগেই পেয়েছি বলেই গুরু বলি। মাঝে কয়েকটা দিন আপনাকে নেটে পাইনি এজন্য মনটা খারাপ হয়ে গিয়েছিল। তাই লেখাটি আপনাকে উৎসর্গ করে একটু প্রেরণা দিতে চেয়েছি। আমার দেওয়া এ সামান্য উৎসাহ যদি আপনার মনটি ভাল করে তাই। একজন মানুষ হিসাবেও আপনি অনেক বড় মাপের যা আপনার পোস্ট ও কমেন্ট পড়ে বুঝতে পেরেছি।

৪৯| ০৬ ই জুলাই, ২০১৮ বিকাল ৪:০৬

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: গুরু আপনার দেয়া সম্মান আমি মাথা পেতে নিলাম, আমি ভাগ্যবান মানুষ আপনার মতো একজন বন্ধু পেয়েছি, আপনি নিজে একজন বড় মাপের মানুষ তাই বড় মাপের মানুষ চিনতে ভুল করেন না, একটা কথা আছে রতনে রতন চিনে মানিকে মানিক ।

০৭ ই জুলাই, ২০১৮ দুপুর ১:০৪

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: গুরুতে গুরুতে, মহা দোস্তি। আর আগামী ৩-৪ দিন পারসোনাল কিছু ব্যস্তাতার কারণে ব্লগে আসবো না। শুভ কামনা রইলো, সবার জন্য ।

৫০| ০৭ ই জুলাই, ২০১৮ সকাল ১১:৫০

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:
ভণ্ডদের এড়িয়ে চলুন, চলার পথ মসৃন হবে।
দুষ্ট বন্ধুর চেয়ে একা থাকা শ্রেয় কথাটি আপনার
জানা বলে আমার বিশ্বাস,। তোয়াজ কারীদের
পরিহার করুন। সত্য জানতে পারবেন।

০৭ ই জুলাই, ২০১৮ দুপুর ১:০২

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:


"ভণ্ডদের এড়িয়ে চলুন, চলার পথ মসৃন হবে।
দুষ্ট বন্ধুর চেয়ে একা থাকা শ্রেয় কথাটি আপনার
জানা বলে আমার বিশ্বাস।"

নূরু ভাই, আপনি আমার গুরুজন। আপনার সাজেশন মেনে চলার চেষ্টা করবো। আগামী ৩-৪ দিন পারসোনাল কিছু ব্যস্তাতার কারণে ব্লগে আসবো না। শুভ কামনা রইলো, সবার জন্য ।

৫১| ০৯ ই জুলাই, ২০১৮ বিকাল ৫:৫৫

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন:

আহমেদ জী এস ভাইয়ের মন্তব্যই আমার মন্তব্য।

পাশাপাশি, ব্লগে সমালোচনা, কট্টর সমালোচনা হয়। এটা নিয়ে মন খারাপ করার কিছু নাই। অনুরোধ করব, কট্টর সমালোচনাকে ব্যক্তিগতভাবে না নিয়ে, সমালোচনার জবাব যুক্তির মাধ্যমে দেয়ার জন্য। ব্যক্তিগত পেশা, ব্যক্তি বিশেষের সাথে ব্লগীয় যোগাযোগের কোন সম্পর্ক নাই। আপনি নিজের লেখা, নিজের মত প্রকাশের উপর আত্মবিশ্বাসী থাকুন। আমার লেখা সবার ভালো লাগবে, এমন কোন কারন নাই। এখনও আমি কোন পোস্ট দিলে নেতিবাচক মন্তব্যের ব্যাপারে চিন্তিত থাকি।

মনে রাখবেন, সরাসরি ব্যক্তি আক্রমন, কুরুচিপূর্ন বাক্য বিনিময় ব্লগ নীতিমালা বিরুদ্ধ। কেউ কারো বিরুদ্ধে এমন কিছু করলে সেই ব্যাপারে আমরা দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহন করে থাকি।

১২ ই জুলাই, ২০১৮ রাত ৯:৪৯

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:


ধন্যবাদ, কাল্পনিক_ভালোবাসা ভাই। গত পাঁচদিন ব্যক্তিগত কিছু ব্যস্ততার জন্য ব্লগে আসতে পারিনি। আজ ব্লগ অপেন করেই আপনার কমেন্টের নটিফিকেশন। এই প্রথম আমার কোন পোস্টে আপনার কমেন্ট পেলাম এজন্য ভাল লাগছে।

আপনার চমৎকার কমেন্ট পেয়ে অনুপ্রাণিত হলাম। আমি চাই আমার লেখার উপর গঠনমূলক সমালোচনা করা হোক; আমি সাধ্যমত চেষ্টা করবো বিষয়গুলোর ব্যাখ্যা দেওয়ার। আর কোন বিষয়ে দ্বিমত থাকলে সুন্দর করে ভদ্র ভাষায় কারণটি জানালে আমি চেষ্টা করি আমার বক্তব্য তুলে ধরতে। এটি আমিও অন্যের পোষ্টের বেলায় করে থাকি।

"মনে রাখবেন, সরাসরি ব্যক্তি আক্রমন, কুরুচিপূর্ন বাক্য বিনিময় ব্লগ নীতিমালা বিরুদ্ধ। কেউ কারো বিরুদ্ধে এমন কিছু করলে সেই ব্যাপারে আমরা দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহন করে থাকি।"

আপনার সাথে সহমত। ভাল থাকবেন, সব সময়।


৫২| ০৯ ই জুলাই, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:১২

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: পাশাপাশি, আপনার অনেকগুলো লেখা আমরা নির্বাচিত করেছি, আমাদের সামহোয়্যারইন ব্লগের অফিসিয়াল সাইটে শেয়ার করার জন্য। আপনার পোস্টে অনেকেই আছেন, যারা ছদ্ম নামের আড়ালে ব্লগে নোংরামি করে থাকেন। যাদেরকে তারা পছন্দ করেন না, তাদের পোষ্টে গিয়ে অভাবনীয় নোংরামী করে থাকেন। ব্লগার চাঁদগাজীও সেই নোংরামীর স্বীকার হয়েছেন, এবং সেটা আপনার আমার স্বাভাবিক কল্পনারও বাইরে। আপনি আমি হলে বহু আগে ব্লগ ছেড়ে বাঁচতাম। কিন্তু তিনি ধৈর্য ধরে ব্লগিং করেছেন, এই সব আবর্জনাকে ইগনোর করেছেন। উনার কাছে ধৈর্য এবং ব্লগিং এর শক্তি অনেকেই শিখেছি। এই ধরনের আক্রমন বাংলা ব্লগে আর কারো উপর করা হয় নি। আপনি নিজে জানেন, আপনার আপনার সম্পর্কে। ভার্চুয়াল লাইফে কে কি ভাবল, এটা দেখার সময় আপনার নিশ্চয়ই নেই। শুভ ব্লগিং।

১২ ই জুলাই, ২০১৮ রাত ৯:৫৬

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: আপনার চমৎকার কমেন্ট পেয়ে অনুপ্রাণিত হলাম। মনের কষ্টটা হালকা হলো। আমি চেষ্টা করবো আপনার দেওয়া গাইডলাইনটি ফলো করতে। শুভ কামনা রইলো, আপনার জন্য। আশীর্বাদ করবেন, যাতে লেখার মান আরো ভালো করতে পারি। (ধন্যবাদ)

৫৩| ২০ শে জুলাই, ২০১৮ রাত ১১:৪৬

চাডেরনুর বলেছেন: চাদগাজির মন্তব্য অনেকাংশে ঠিক, তবে রূঢ় টাইপের। রাজিব সাহেবের আতলামি মার্কা মিডল ম্যানগিরি হাস্যকর

২১ শে জুলাই, ২০১৮ রাত ১২:০০

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:


ভাই, শুভেচ্ছা রইলো। একটু আগেই আপনার ব্লগ ঘুরে আসলাম; অবাক হলাম আপনার কোন পোস্ট নেই। সময় সুযোগ করে লেখুন, আমরা পড়তে পারবো। আমি ব্লগের পোস্টগুলো মনযোগ দিয়ে পড়ার চেষ্টা করি মনযোগ দিয়ে, যাতে নতুন কিছু শিখতে পারি।

আপনি লেখেন, আপনার সে প্রতিভা আছে।
শুভ রাত্রি।

৫৪| ২১ শে জুলাই, ২০১৮ বিকাল ৪:৪৯

মহসিন ৩১ বলেছেন: কবিতার বইটাই তো আসল । কোন বইটা ফেলে কোনটা যে নেই। আমার আবার মেমরি-র সঙ্কট। তাই ধরেই সুচিপত্রে মুভ করি আগে। ভাবি তারপর-- নিজের বই কবে হবে।

২১ শে জুলাই, ২০১৮ বিকাল ৫:৩০

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: মহসিন ভাই, আমার ব্লগে স্বাগতম। আমি আসলে এখনকার কবিতার বই তেমন একটা পড়ি না; কবিতার ভাব, ভাষা বুঝি না বলে। তবে আগের দিনের বিখ্যাত কবিদের কবিতা পড়ি সময় সুযোগ পেলে।

৫৫| ১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ ভোর ৪:১৩

বলেছেন: সহমত ভাই,

কবিতার ভাষা হোক সহজ সরল।


নিন্দুকের মুখে ছাই।


আ লা ভিউ কাওছার ভাই +++

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.