নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

জন্মসূত্রে মানব গোত্রভূক্ত; এজন্য প্রতিনিয়ত \'মানুষ\' হওয়ার প্রচেষ্টায় আছি। গল্পের \'বায়স্কোপ\' বইয়ের কারিগর।

কাওসার চৌধুরী

প্রবন্ধ ও ফিচার লেখতেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি। পাশাপাশি গল্প, অনুবাদ, কবিতা ও রম্য লেখি। আমি আশাবাদী মানুষ।

কাওসার চৌধুরী › বিস্তারিত পোস্টঃ

রুয়ান্ডার গণহত্যা - (স্বরণকালের ভয়াবহতম হত্যাকাণ্ড)। :(( :(( :(( :(( [Genocide] :(( :(( :(( :((

০৬ ই জুলাই, ২০১৮ দুপুর ২:৪৮


তখন খুব ছোট। বসনিয়া-হার্জোগবিনা-র গণহত্যা, ইরাক-কুয়েত যুদ্ধ, রুয়ান্ডা-র গণহত্যা ইত্যাদি বিষয়ে মানুষের মুখে মুখে অনেক কথা শুনতাম। সে সময় আমাদের বাড়িতে টেলিভিশ না থাকায় রেডিওতে খবর শুনতাম আগ্রহ নিয়ে। বিনোদনের মাধ্যম সীমিত ছিল বলে খবরটা শুনা হত অনেকটা বিনোদন হিসাবে। তখন রুয়ান্ডার গণহত্যার খবর বেশ ফলাও করে রেডিওতে প্রচার করা হত। জানতাম না রুয়ান্ডা কোথায় বা গণহত্যাই বা কি? শুধু এটা বুজতে পারতাম গণহত্যা মানে মানুষকে খুন-খারাবি কিসিমের কিছু একটা হবে। যত বড় হই রুয়ান্ডা নিয়ে আমার কৌতুহল বাড়তে থাকে। এখনও নামটি শুনলে ভয় ভয় লাগে। তখন গণহত্যার নৃশংসতা কত ভয়াবহ ছিল তা বোঝতে পারিনি। গণহত্যা ও যুদ্ধ যে আলাদা জিনিস তা জেনেছি অনেক বছর পর।

গণহত্যা (genoside) হল, কোন প্রাচীন জাতি-গোষ্ঠী, কোন বিশেষ ধর্ম বা ভাবধারার মানুষকে কোন নির্দিষ্ট অঞ্চল অথবা দেশ থেকে চিরতরে তাড়িয়ে দেওয়া বা স্বমূলে ধ্বংস করার পরিকল্পনা। ১৯৪৮ সালের United Nation Genocide Convention-এ গণহত্যার সংজ্ঞা দিতে বলা হয়েছে, "Acts committed with intent to destroy, in whole or in part, a national, ethnic, racial or religious group.

রুয়ান্ডা আফ্রিকা মহাদেশের মধ্য ও পূর্ব আফ্রিকার মাঝামাঝি অঞ্চলে অবস্থিত ছোট একটি দেশ। দেশটির আয়তন মাত্র ২৬,৩৩৮ বর্গ কিলোমিটার। উগান্ডা, তাঞ্জানিয়া, বুরুন্ডি ও রিপাবলিক অফ কঙ্গোর সাথে দেশটির সীমানা রয়েছে। ৭ এপ্রিল ১৯৯৪ সাল থেকে ১৫ জুলাই ১৯৯৪ পর্যন্ত প্রায় ১০০ দিন ব্যপী দেশটিতে যে গৃহযুদ্ধ হয় তা রুয়ান্ডা গণহত্যা নামে পরিচিত। মাত্র তিন মাসব্যাপী এ গণহত্যায় প্রায় আট-দশ লক্ষ মানুষ প্রাণ হারিয়েছিল, যেটি ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ গণহত্যা হিসাবে আজও স্বীকৃত। এ হত্যাযোগ্যে প্রায় ২ লক্ষ মহিলা ধর্ষিত হন, ১ লক্ষেরও বেশী শিশুকে খুন করা হয়। এছাড়া কয়েক লক্ষ মানুষ দেশ ত্যাগ করে প্রতিবেশী দেশগুলোতে আশ্রয় নেয়। গৃহযুদ্ধে তাদের বাড়িঘর, সহায়-সম্পত্তি সব পুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।

রুয়ান্ডাতে মূলত তিনটি জাতির বাস। তারা হল; হুতু (hutu), তুতসি (tutsi) ও তাওয়া (twa)। হুতু মোট জনসংখার প্রায় ৮৫%, তুতসি ১৪% এবং তাওয়া প্রায় ১%। তাদের মধ্যে জাতিগত ভিন্নতা থাকলেও দেশটি বেলজিয়ামের শাসনাধীন হওয়ার আগ পর্যন্ত সবাই শত শত বছর থেকে শান্তিপূর্ণ ভাবে একসাথে বসবাস করে আসছিল। তাদের ভাষা, সংস্কৃতি, গায়ের রং ইত্যাদি প্রায় একই। হুতুদের পেশা ছিল কৃষিকাজ, আর তুতসিদের মূল পেশা পশু পালন করা, তবে তাওয়ারা মূলত শুকর পলত। তুতসিরা সংখ্যায় হুতুদের চেয়ে অনেক কম হলেও শিক্ষা-দীক্ষা এবং অর্থনৈতিক ভাবে বেশী প্রভাবশালী ছিল।

১৮৮৪/৮৫ সালের বার্লিন কনফারেন্সের অধ্যাদেশ বলে রুয়ান্ডা জার্মানির অন্তর্ভূক্ত হয়। জার্মানদের সময়ে হুতু ও তুতসিরা অনেকটা শান্তিপূর্ণ ছিল। এ সময়ে তাদের মধ্যে মত বিরোধ থাকলেও জাতিগত কোন দাঙ্গা হয়নি। পরবর্তী সময় ১৯১৬ সাল থেকে বেলজিয়ামের সেনানাহিনী দেশটির দখল নিতে সামরিক শক্তি প্রয়োগ করতে শুরু করে, অবশেষে ১৯২৩ সালে জার্মানদের কাছ থেকে বেলজিয়াম রুয়ান্ডা দখল করে নেয়। বেলজিয়ামের দখলের পর থেকে মূলত রুয়ান্ডায় জাতিগত বিদ্বেষের বীজ বপন শুরু হয়।


শিক্ষা-দীক্ষা এবং প্রভাব-প্রতিপত্তিতে অগ্রসর হওয়ায় বেলজিয়ানরা সরকারী ও বেসরকারী বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে বেশী সংখ্যক তুতসিদের নিয়োগ দেয়। যার ফলে ব্যাবসা-বাণিজ্যেও তারা হুতুদের চেয়ে আর বেশি অগ্রসরমান হতে থাকে। এ বৈষম্যের ফলে হুতুরা আরো পিছিয়ে পড়ে। এতে দিনদিন তুতসিদের সাথে তাদের অর্থনৈতিক ও সামাজিক বৈষম্য বাড়তে থাকে, যা এক পর্যায়ে এসে ঘৃণা ও প্রতিহিংসায় রূপ নেয়।

এছাড়া বেলজিয়ানদের কিছু ভূল পদক্ষেপ দেশটিতে জাতিগত দাঙ্গা ত্বরান্বিত করে। পদক্ষেপগুলোর অন্যতম ছিল, তুতসিদের দেখতে হালকা-পাতলা, লম্বা নাকের অধিকারী ও অপেক্ষাকৃত ফর্সা হিসেবে চিহ্নিত করা। আর হুতুদের অপেক্ষাকৃত বেশী কাল ও নাকবোচা হিসেবে চিহ্নিত করা। সরকারের এসব বর্ণ বৈষম্য হুতুরা সহজভাবে নেয়নি, এতে তারা অপমানিত ও হতাশ হয়। আর এটি ছিল দেশটির জাতিগত সহনশীলতার কপালে প্রতিহিংসার শেষ পেরেক।

কিছু দিনের মধ্যে শুরু হয় দুই জাতির মধ্যে দাঙ্গা। যত দিন যায় দাঙ্গা বাড়তে থাকে, পাশাপাশি তাদের মধ্যে শত্রুতাও বাড়ে। এছাড়া ১৯৫৭ সালে সরকারের নয় সদস্যবিশিষ্ট একটি উচ্চ পর্যায়ের কমিটি তুতসিদের বনেদি বলে আখ্যায়িত করে। যার ফলে ১৯৫৯ সাল থেকে দেশটিতে প্রচন্ডভাবে জাতিগত দাঙ্গা শুরু হয়, যা ১৯৬১ সাল পর্যন্ত বলবৎ ছিল। দাঙ্গায় লক্ষাধিক মানুষ প্রাণ হারায় এবং প্রায় ২ লক্ষ মানুষ দেশান্তরিত হয়।

১৯৬২ সালে দেশটি বেলজিয়াম থেকে স্বাধীনতা লাভ করে। তখন তুতসিদের ক্ষমতা খর্ব হয় এবং সংখ্যাগরিষ্ট হুতু সমর্থিত সরকার ক্ষমতায় বসে। ক্ষমতা হারানোকে তুতসিরা সহজভাবে নেয়নি, গোপনে তাঁরা আস্তে আস্তে নিজেদের মধ্যে অর্গেনাইজ হতে থাকে। অপরদিকে হুতু সমর্থিত সরকারও তাদের বিরুদ্ধে সামরিক দমন-পীড়ন শুরু করে। ১৯৭৩ সালে দেশটিতে সামরিক শাসন জারি হয়। ফলে দুই জাতির মধ্যে টেনশন আর বাড়তে থাকে। এসময় সরকার তুতসিদের স্পাই ও দেশদ্রোহী হিসেবে প্রচার করে। এমনকি বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেও তখন তুতসিদের খারাপ ও উদ্ভাস্তু হিসাবে উপস্থাপন করা হত।

১৯৯০ সালে কঙ্গো, ফ্রান্স ও বেলজিয়ামের সহযোগিতায় 'রুয়ান্ডান পেট্রিয়টিক ফ্রন্ট' (আরপিএফ) উগান্ডায় দীর্ঘ দিন প্রশিক্ষণ নিয়ে রুয়ান্ডায় প্রবেশ করে। শুরু হয় সরকার ও বিদ্রোহীদের মধ্যে তুমুল যুদ্ধ। যুদ্ধে বিদ্রোহীদের পাশাপাশি হাজার হাজার সাধারন মানুষ প্রাণ হারায়। ১৯৯৩ সালে জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের চাপের মুখে দুই পক্ষ তানজানিয়ায় শান্তি চুক্তি সই করতে সম্মত হয়। কিন্তু সরকারের বেশিরভাগ সমর্থক হুতুরা চুক্তি মানতে অস্বীকৃতি জানায়। তখন প্রথমবারের মতো জাতিসংঘ দেশটিতে ২,৫০০ শান্তিরক্ষী বাহিনী মোতায়ন করে। তারপরও দেশটিতে শান্তি ফিরে আসেনি। শান্তিরক্ষী বাহিনী কার্যত দাঙ্গা থামাতে কোন পদক্ষেপ নেয়নি। তাদের চোখের সামনেই হত্যাযোগ্য চলে।

১৯৯৪ সালের ৬ এপ্রিল রুয়ান্ডার তখনকার প্রেসিডেন্ট সেপ্রেন এন্টারিয়ামিরা শান্তি চুক্তি করে ফেরার পথে কিগালি এয়ারপোর্টে বিমান অবতরনের আগমূহুর্তে আততায়ীর ছোড়া দুইটি মিজাইলের আঘাতে প্রাণ হারান। হুতুরা এ হত্যাকান্ডের জন্য তুতুদের দায়ী করে, যদিও হামলার দায় কেউ স্বীকার করেনি। সেদিন রাত যত বাড়তে থাকে তুতসিদের উপর সরকারী বাহিনী ও হুতুদের সমন্বয়ে হামলার তীব্রতাও বাড়তে থাকে। ক্ষমতাসীন হুতুরা তুতসিদের বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠে।


অনেকের মতে এই হামলা ও হত্যাযোগ্য হুতুদের পূর্ব পরিকল্পিত ছিল। সে রাতেই প্রায় দশ হাজার মানুষ প্রাণ হারায়। সেই কাল রাত থেকে শুরু হয় স্বরণকালের অন্যতম ভয়াবহ হত্যাযোগ্য। সরকারের সামরিক বাহিনী ও সাধারন হুতুরা একযোগে শুরু করে তুতসিদের হত্যা মিশন। দা, চাপাতি, বল্লব, খুন্তি যার যা ছিল তা নিয়ে প্রতিবেশী তুতসিদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। মাত্র তিন মাসে নৃশংশভাবে খুন হয় প্রায় দশ লক্ষ মানুষ। এ নৃশংস হত্যাযজ্ঞে বাদ যায়নি নারী ও শিশুরা পর্যন্ত। লক্ষ লক্ষ নারীদের ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়। ছোট বাচ্চাদের হুতুরা দেয়ালের সাথে মাথা ঠেসে হত্যা করত, অনেকটা দেয়ালের গায়ে পাথর ছুড়ে মারার মত।

মানুষ কত ভয়ংকর হলে এমন বর্বর কাজ করতে পারে তা কল্পনা করা যায় না। এরা সাধারন মানুষকে ধরে একেবারে মেরে ফেলত না, আস্তে আস্তে সময় নিয়ে টুকরো টুকরো করে মারত, যাতে বেশী কষ্ট পায়। কাঠুরে যেমন এলোপাতাড়ি কোপ দিয়ে গাছ কেটে জ্বালানী কাঠ সংগ্রহ করে ঠিক তেমনই। গণহত্যায় তুতসিদের প্রায় ৭০% এবং হুতুদের ২০% লোক প্রাণ হারায়।

অবশেষে পল কাগমির নেতৃত্বে 'রুয়ান্ডান প্যাট্টিয়টক ফ্রন্ট' দেশটির নিয়ন্ত্রণ নিতে সক্ষম হয়। ততদিনে অনেক দেরী হয়ে গেছে। তিনমাসের এ হত্যাযোগ্যে প্রায় ১০ লক্ষ মানুষ মারা যায়। কয়েক লক্ষ শিশু কিশোর পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়। প্রায় ২০ লক্ষ মানুষ ভয়ে দেশান্তরিত হয়, যাদের অধিকাংশ হুতু।

অবাক করা বিষয় গণহত্যা চলাকালে ১৯৯৪ সালের ২১শে এপ্রিল জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী বাহিনীর ২৫০০ জনের মধ্যে মাত্র ২৭০ জনকে রেখে বাকিদের সরিয়ে অন্যত্র নিয়ে যায়। যেখানে আর বেশি করে শান্তিরক্ষী বাহিনী পাঠানোর কথা, সেখানে জাতিসংঘই কিনা তাদের বাহিনী তুলে নিয়ে গণহত্যার ষোলকলা পূর্ণ করতে উৎসাহিত করল। অনেক বিশেষজ্ঞের মতে জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় একটু দায়িত্ববান হলে এ ভয়াবহ গণহত্যা ঠেকানো হয়ত সম্ভব ছিল।

এখন পর্যন্ত পৃথিবীতে ঘটে যাওয়া গণহত্যাগুলোর (Genocide) মধ্যে সবচেয়ে নৃশংস হচ্ছে, "হোলকাস্ট জেনোসাইড" যেটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ে (১৯৩৯-১৯৪৫) সংঘটিত হয়। জার্মানির ন্যৎসি বাহিনী (হিটলার) এ হত্যাযজ্ঞ চালায়। ধারণা করা হয় এতে ১ কোটি দশ লাখ থেকে ১ কোটি সত্তর লাখ মানুষ প্রাণ হারিয়েছিল। যাদের প্রায় ৪৫% ছিল ইহুদি এবং বাকিদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক পোলিশ ক্যাথলিক খৃষ্টান। বাকিরা ইউরোপীয়ান। তারপর "হলদমর জেনোসাইড" যেটি সোভিয়ের রাশিয়ার ইউক্রেনে সংঘটিত হয় ১৯৩২/৩৩ সালে। এতে প্রায় ৭৫ লক্ষ মানুষ মারা যায়। তৃতীয় হলো "কম্বোডিয়ান জেনোসাইড" যেটি ১৯৭৫-১৯৭৯ সাল পর্যন্ত স্থায়ী ছিল। এতে প্রায় ৩০ লক্ষ মানুষ প্রাণ হারায়।

১৯৭১ সালে পাকিস্তান কর্তৃক বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে প্রায় ৩০ লক্ষ মানুষ নিহত হয়; তবে এ সংখ্যা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে দ্বিমত আছে; সর্বশেষ বিবিসির রিপোর্টেে বলা হয়েছে এ সংখ্যাটি ৩ লক্ষ থেকে সর্বোচ্চ ৫ লক্ষ হতে পারে। । তবে ভারতের টাইমস অফ ইন্ডিয়ার খবরে বলা হয় এ সংখ্যাটি ২,৬৯,০০০ এর কাছাকাছি। এটিও পৃথিবীর অন্যতম ভয়াবহ গণহত্যা। এছাড়া আছে সোভিয়েত কাজাখ জেনোসাইড ১৯৩২, এতে প্রায় ১৭ লক্ষ মানুষ মারা যায়। "আরমেনিয়ান জেনোসাইড" (১৯১৫-১৯২২), এতে ১৫ লক্ষ মানুষ মারা যায়। "গ্রীক জেনোসাইড" (১৯১৪-১৯২২), এতে ৭ লক্ষ মানুষ প্রান হারায়। উল্লেখ্য যে, আরমেনিয়া ও গ্রীস অটোমেন সম্রাজ্যের অধীনে ছিল। তাদের স্বাধীনতা আন্দোলনে অটোম্যানরা (তুরস্ক) এ হত্যাকান্ড চালায়।



তথ্যসূত্র -
Dawidowicz, Lucy (২০১০)
Reitlinger, Gerald (১৯৫৩)
Niewyk, Donald (২০০০)
Rosefielde, Steven (১৯৮৩)
BBC (১৭ মার্চ, ২০১১)
nytimes.com (১৩ ডিসেম্বর, ২০১৭)
cnn.com (২০১৭)
History.com
..........................................
ফটো ক্রেডিট, গুগল।

চাইলে পড়তে পারেন-
আমার সবচেয়ে পঠিত, লাইক ও কমেন্ট প্রাপ্ত পোস্ট।
সবচেয়ে পঠিত প্রবন্ধ।
আধুনিক কবিতার পাঠ (সমালোচনা)
আলোচিত ফিচার 'দি লাঞ্চিয়ন'।
ব্রিটেনের প্রবাস জীবন- স্মৃতিকথা।
সবচেয়ে পঠিত গল্প।
সবচেয়ে লাইকপ্রাপ্ত গল্প।
ছবি ব্লগ (লন্ডনের ডায়েরি-১)।

মন্তব্য ১০৪ টি রেটিং +১৮/-০

মন্তব্য (১০৪) মন্তব্য লিখুন

১| ০৬ ই জুলাই, ২০১৮ বিকাল ৩:০২

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: গুরু আপনার এই পোষ্টটি ড্রাফট এ নিন, আগের পোষ্ট এর বিষয় পরিশ্কার হোক প্লিজ ।।

০৬ ই জুলাই, ২০১৮ বিকাল ৩:১৯

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: থাক :( :( গুরুজী !!! পোস্ট যেহেতু করেই ফেলেছি। আগের পোস্টের বিষয়টি ভুলে যাওয়াটা ভাল। আপনার কী বিজি কমেছে? গুড টু লুক ফরওয়ার্ড; বেটার ওয়ে টু মুভ ফরওয়ার্ড নট টু লুক বেক!!! ছুটির দিনের শুভেচ্ছা।

২| ০৬ ই জুলাই, ২০১৮ বিকাল ৩:০৪

স্রাঞ্জি সে বলেছেন: গণহত্যা, শব্দটা শুনলেই গা ঝিরঝির করে উঠে। ভাগ্য ভাল আমরা অনেক সুখে আছি।
কিন্তু সুখে কি আছি।
প্রতিনিয়ত গভর্নমেন্ট আমাদের মত নিরীহ মানুষদের স্বপ্নকে হত্যা করে যাচ্ছে।
তা কে ভাববে ।

০৬ ই জুলাই, ২০১৮ বিকাল ৪:১১

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: ছুটির দিনের শুভেচ্ছা।


"গণহত্যা, শব্দটা শুনলেই গা ঝিরঝির করে উঠে। ভাগ্য ভাল আমরা অনেক সুখে আছি।" আপনার এ কথাটির অনেক গভীরতা আছে। এর মর্ম খুব ভাবনার। ১৯৭১ সালের পর থেকে এ পর্যন্ত সারা বিশ্বে অনেকগুলো ছোট বড় জেনোসাইড হয়েছে; যুদ্ধ হয়েছে। আমরা লাকি এগুলো আমাদের ছুঁতে পারেনি। তবে, সামনের দিনগুলোতে সে আশংকা আছে; যদি না আমরা সতর্ক না হই।

রুয়ান্ডার গণহত্যার মূলে ছিল দুইটি জাতির মধ্যে চাকরি, প্রভাব-প্রতিপত্তি ও ক্ষমতার লড়াই। আর আমাদের দেশে দুটি মাফিয়া রাজনৈতিক দলের দেশকে লুটপাট করার লড়াই। এ ঈদুর বিড়াল খেলা না থামলে জাতির কপালে নিশ্চিত দুঃখ আছে।

৩| ০৬ ই জুলাই, ২০১৮ বিকাল ৩:২৯

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: গুরু এটা জরুরী ছিলো ড্রাফট এ নিয়ে পরে আবার আপডেট দিতে পারতেন কারন আগের বিষয়টি পরিস্কার হতো তাতে, পরবর্তিতে নতুন পোষ্ট, আমি ভাবছিরাম আপনাকে বলবো এই বিষয়ে পরিস্কার না করে নতুন পোষ্টে না যেতে ব্লগে এসে দেখি ইতিম্যধ নতুন পোষ্ট চলে এসেছে - এখন আপনি বলেন - যা বলবেন তাই হবে ।

০৬ ই জুলাই, ২০১৮ বিকাল ৪:১৯

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: বাদ দেন; বিষয়টি নিয়ে অনেক জলঘোলা হয়েছে। আমি কৃতজ্ঞতার সাথে বলছি, ব্লগের নতুন-পুরাতন সব ব্লগার আমার পাশে ছিলেন; আমাকে উৎসাহ দিয়েছেন। এটাই তো আমার খুশি, তাই না। যারা সামুতে ব্লগিং করেন উনারা সবাই শিক্ষিত। সমাজের পরিচিত ও গুণীজন। উনাদের ভালবাসা ও আশীর্বাদ আছে বলেই ব্লগে লেখতেেছি। এটি একটি পরিবারের মতো।

ছুটির দিনের শুভেচ্ছা ।
.......... আর ফ্রি থাকলে নক করবেন। শুভ কামনা রইলো, গুরু।

৪| ০৬ ই জুলাই, ২০১৮ বিকাল ৩:৩৩

সিগন্যাস বলেছেন: প্রিয় কাওসার ভাই,
আমার রাউটার ইঁদুর খেয়ে ফেলেছে।এইজন্য এই মূহুর্তে আপনার লেখা পড়তে পারছিনা।জানেনই তো বাংলাদেশে সিম কম্পানীর সার্ভিস কত খারাপ

০৬ ই জুলাই, ২০১৮ বিকাল ৪:২৯

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: ছুটির দিনের শুভেচ্ছা।


"প্রিয় কাওসার ভাই,
আমার রাউটার ইঁদুর খেয়ে ফেলেছে।এইজন্য এই মূহুর্তে আপনার লেখা পড়তে পারছিনা।"

আ...হা....,,
শুনে খুব কষ্ট পেলাম। ঈদুর আর মানুষ পেল না; আমার প্রিয় ভাইটার সর্বনাশ করলো!!! মন খারাপ করবেন না, ঠিক হয়ে যাবে।

৫| ০৬ ই জুলাই, ২০১৮ বিকাল ৩:৪৫

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: ছোটবেলা রুয়ান্ডা গণহত্যার কথা শুনতাম, মানুষ কিভাবে এত বর্বর হয়। সুন্দর পোষ্ট ভাল লাগলো।

০৬ ই জুলাই, ২০১৮ বিকাল ৪:৩২

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: ছুটির দিনের শুভেচ্ছা।


আপনি ঠিকই বলেছেন তারেক ভাই। ছোটবেলা এ বিষয়টি শুনে শুনে বড় হয়েছি। এজন্য গণহত্যা নামটি শুনলে ভয় লাগে। এ জাতি যাতে আর কোন গণহত্যার শিকার না হয়। এগুলো মানব জাতির জন্য কলঙ্কিত অধ্যায়।

৬| ০৬ ই জুলাই, ২০১৮ বিকাল ৩:৫০

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: প্রিয় কাওসার ভাই,

অত্যন্ত পরিশ্রমী ও তথ্যবহুল পোষ্ট। লেখককে অনেক পড়াশোনা করতে হয়েছে। ধন্যবাদ আপনাকে। আর গনহত্যাগুলি নিয়ে কিছু বলার নেই। ১৮৮৫ সালে বার্লিন সম্মেলনে আফ্রিকাকে তরমুজের মত যেভাবে ভাগ করা হয়েছিল, তাতে কোথাও না কোথাও এসব ঘটনা যে ঘটবেই। স্বার্থউন্মাদ দৈত্য যতদিন থাকবে এসব চলবে।

তবে আজ মাহমুদ ভাইকে প্রথমে পেয়ে ভালো লাগলো। রাতে খেলা দেখবেন, আশাকরি ।

শুভ কামনা রইল।

০৬ ই জুলাই, ২০১৮ বিকাল ৪:৪৩

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: প্রিয় পদাতিক ভাই।


"১৮৮৫ সালে বার্লিন সম্মেলনে আফ্রিকাকে তরমুজের মত যেভাবে ভাগ করা হয়েছিল, তাতে কোথাও না কোথাও এসব ঘটনা যে ঘটবেই। স্বার্থউন্মাদ দৈত্য যতদিন থাকবে এসব চলবে।"

এই গণহত্যার জন্য বার্লিন সম্মেলনের এই তরমুজি ভাগ বাটোয়ারা অনেকটা দায়ী। তবে, এ আগুনে ঘি ঢেলেছে বেলজিয়ামের শাসকদের হুতু আর তুতসিদের নিয়ে বর্ণবাদী আচরণ। যার চূড়ান্ত পরিণতি এ গণহত্যা। তবে এখন দেশটি ঘুরে দাঁড়িয়েছে। অর্থনৈতিক ভাবে বেশ ভাল করছে।

আর পোস্টটি লেখতে আসলেই অনেক পরিশ্রম করতে হয়েছে; এটি একটি ঐতিহাসিক ঘটনা তাই তথ্যগুলো যাতে সঠিক হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হয়েছে। পাশাপাশি, অনেক পড়াশুনা করতে হয়েছে।

আর গুরুজী মনে হয় আজ কিছুটা ফ্রি আছেন। এজন্য দিনে দুপুরে পাওয়া গেল। রাতে খেলা দখবো। মন বলছে, ব্রাজিল ও উরুগুয়ে জিতবে।

৭| ০৬ ই জুলাই, ২০১৮ বিকাল ৪:০৮

সনেট কবি বলেছেন: কিছুটা পড়লাম, জঘণ্য!

০৬ ই জুলাই, ২০১৮ বিকাল ৪:৪৬

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: শুভেচ্ছা নেবেন। আসলেই এ গণহত্যা জঘন্য; এর ভয়াবহতা অকল্পনীয়।

৮| ০৬ ই জুলাই, ২০১৮ বিকাল ৪:১৩

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: পদাতিক চৌধুরী ভাই, আমি আন্তরিক ভাবে দুঃখিত গতকাল সারা দিন প্রবল ব্যাস্ত ছিলাম এবং রাত্রে সেই ব্যাস্ততার ক্লান্তি । কাউসার চৌধুরী ভাই, ঐ গুরু একটা কথা লিখে এই পোষ্টে সামিল হচ্ছি : একটি দেশে সম্পদ তথা খনিজ সম্পদ অবস্যই আশির্বাদ তবে এই আশির্বাদ কখনো কখনো ভয়ংকর অভিশাপে রুপান্তর নেয় - তার প্রমাণ রুয়ান্ডা সহ সমস্ত আফ্রিকা ! ইরাক, লিবিয়া ইরান, সিরিয়া আমেদর চোখের সামনে ভষ্মিভুত হচ্ছে ।

০৬ ই জুলাই, ২০১৮ বিকাল ৪:৫১

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:


"পদাতিক চৌধুরী ভাই, আমি আন্তরিক ভাবে দুঃখিত গতকাল সারা দিন প্রবল ব্যাস্ত ছিলাম এবং রাত্রে সেই ব্যাস্ততার ক্লান্তি । কাউসার চৌধুরী ভাই"

গুরু, আন্নে কাইলকা বহুত বিজি আচিলা হেই কথা, মোরা দুডি চৌধুরী ভই বুজবার পারচি। আইজকা রেস্ট নেন গুরু। ফিরি অইলে সাইটে আইসেন; বহুত বাতচিত অইব। B-)

৯| ০৬ ই জুলাই, ২০১৮ বিকাল ৪:২৪

অচেনা হৃদি বলেছেন: স্বপ্ন দেখি সভ্য পৃথিবীর, যেখানে মানুষের মাঝে সত্যিই শুধু মানুষ পাবো, যেখানে মানুষের বেশে কোন অমানুষ থাকবে না ।

০৬ ই জুলাই, ২০১৮ বিকাল ৪:৫৯

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:


"স্বপ্ন দেখি সভ্য পৃথিবীর, যেখানে মানুষের মাঝে সত্যিই শুধু মানুষ পাবো, যেখানে মানুষের বেশে কোন অমানুষ থাকবে না।"

চমৎকার বলেছেন, আপু। তথ্য-প্রযুক্তি আর বিশ্বায়নের এ যুগে পৃথিবীটা আরো আনইভেন হয়েছে। এখন ধনী, ক্ষমতাবান আর প্রযুক্তি নির্ভর দেশগুলো খুব উন্নত হচ্ছে। কিন্তু তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলো সে প্রতিোগিতায় ঠিকতে পারছে না। এজন্য মানুষে মানুষে ব্যবধান বাড়ছে; আর এগুলো থেকেই শুরু হয় সংঘাত। আমরা এমন পৃথিবী চাই না।

ছুটির দিনের শুভেচ্ছা, আপু।

১০| ০৬ ই জুলাই, ২০১৮ বিকাল ৫:০৩

কানিজ রিনা বলেছেন: এইতো মাত্র কয়দিন আগে রহিঙ্গা জেনোসাইড
ঘটে গেল। মায়ানমার সামরীক জান্তাদের
হাতে যার ফলে দশলক্ষ রহিঙ্গারা বাংলাদেশে
আশ্রয় নিয়েছে। নব্বই ভাগ রহিঙ্গাই নারীসহ
শিশুকোলে জীবন বাঁচায় আমাদের দেশে এসে
তাতে হিশাবে আসে নারীদের সব পুরুষ সদস্য
মেরে ফেলা হয় সেই সাথে অসংখ্য নারী
ধর্ষিত ও খুন করা হয়। লক্ষাধীক শিশু পিতা
মাতা হাড়া এপারে পাড় হয়ে আসে।
দশ লক্ষ পুরুষ হত্যার শিকার আন্তরজাতিক
মানবধিকার সংগঠন সেখানে ঢুকতে দেওয়া
হয় নাই এখনও না। নিঃশংস জেনোসাইড
পৃথিবীর কোনও না কোনও স্থানে ঘটেই চলেছে।
ফিলিস্তিনিরা এর বড় দৃষ্টান্ত দখলদারীর রাজত্ব
আর কতকাল। ধন্যবাদ জেনোসাইড পোষ্টে।

০৬ ই জুলাই, ২০১৮ বিকাল ৫:৩২

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:


"এইতো মাত্র কয়দিন আগে রহিঙ্গা জেনোসাইড
ঘটে গেল। মায়ানমার সামরীক জান্তাদের
হাতে যার ফলে দশলক্ষ রহিঙ্গারা বাংলাদেশে
আশ্রয় নিয়েছে। নব্বই ভাগ রহিঙ্গাই নারীসহ
শিশুকোলে জীবন বাঁচায় আমাদের দেশে এসে
তাতে হিশাবে আসে নারীদের সব পুরুষ সদস্য
মেরে ফেলা হয় সেই সাথে অসংখ্য নারী
ধর্ষিত ও খুন করা হয়। লক্ষাধীক শিশু পিতা
মাতা হাড়া এপারে পাড় হয়ে আসে।".............

এটা সম্ভবত, সর্বশেষ ঘটা গণহত্যা। আমরা এমন গণহত্যা আর দেখতে চাই না; মানুষ মেরে আর যাই হোক মানুষ হওয়া যায় না। আপনি ঠিকই বলেছেন, "পৃথিবীর কোন না কোন স্থানে সব সময় গণহত্যা ঘটেই চলেছে।

আপা, ছুটির দিনের শুভে।

১১| ০৬ ই জুলাই, ২০১৮ বিকাল ৫:১৫

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: গুরুদেব বাড়ি ফিরছি, এজন্য বাড়তি সময় আরকি।

০৬ ই জুলাই, ২০১৮ বিকাল ৫:৩৪

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: বাহ!! শুক্রবারে গুরুর বাড়ি ফেরা দেখে মনটা ভাল হয়ে গেল। ভাবীর কাছে শুভেচ্ছা দেবেন।

১২| ০৬ ই জুলাই, ২০১৮ বিকাল ৫:৩৭

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: ঠাকুর ভাই আজ অনেকটা ফ্রি। সম্ভবত খেলা দেখার জন্য আজ বাড়িতে আছেন। যে কারনে একেবারে প্রথমে। আর আমি আবার অটো বদল করলাম। বাড়িতে ঢুকে ব্লগিংএ সমস্যা আছে। ২৭ তারিখ থেকে পুত্রের ফাস্ট টার্ম শুরু । তারউপর আবার দুদুটি খেলা। সবমিলিয়ে বাড়িতে ব্লগিংএ সমস্যা প্রচুর । তবে আপনার প্রেডিকশন কী হয় দেখবো ।

গুরুদেবের জন্য অনেক শুভকামনা।

০৬ ই জুলাই, ২০১৮ বিকাল ৫:৪৫

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: বুজতে পেরেছি। বাড়িতে ভাবীকে খুশি রাখাটা জরুরী। B-) !! বউ খুশি তো দুনিয়া ঠিক। আর বেশি করে ভাবীর প্রশংসা করবেন; দেখবেন সারাদিন ব্লগিং করলে সমস্যা হবে না B-)। আর ছেলের পরীক্ষার জন্য শুভ কামনা রইলো। খেলার রেজাল্ট কী হয়? দেখা যাক।

১৩| ০৬ ই জুলাই, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:১২

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: যেই দেশে নেতা আছে বা নেতা প্রডাকশন হয়েছে সেখানে সামরিক ও বেসামরিক কিলিং ও ম্যাসাকার হয়েছে, আমেরিকা কোনো নেতা নেই প্রেসিডেন্ট আছেন যিনি অমর নন বড়জোর দুইবার প্রেসিডেন্ট হবেন তারপর তাকে হাতে গোনা কিছু মানুষ মনে রাখেন । বারাক ওবামা কে ? - চিনিনা !!!
জর্জ বুশ কে ? - এই নাম প্রথম শুনলাম !!!
শেখ মুজিব কে ? - স্বাধীণতার ঘোষক!!!
জিয়া কে ? - স্বাধীণতার ঘোষক !!!
অং শান সুকি কে ? - তাঁকে চিনেন না ! তিনি মনবতা দরদী মহামানবী পোষ্টার বিলবোর্ডে ছেয়ে যাওয়া একমাত্র মহিলা নেত্রী বর্তমানে রোহিঙ্গা সমস্যায় তার নামে কিছূ অপপ্রচার হচ্ছে !!!
রুয়ান্ডা সমস্যা ? - গণহত্যা রেপ ম্যাসাকার অগ্নিসংযোগ সহ পৃথিবীতে যতো বিড়ল হত্যার ঘটনা আছে সব রুয়ান্ডাতে ঘটেছে, অন্যান্য আফ্রিকান দেশের মৃত্যুর ছবিও নেটে দেওয়া হয়েছে রুয়ান্ডার নামে ।

রাজনীতি চলতে হবে !!!

গুরু, আছি অনলাইনে - - -

০৬ ই জুলাই, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৩২

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:


আপনার চিকনা বুদ্ধির জন্যই তো আপনাকে গুরু বলি। নেতা বা রাষ্ট্র প্রধান যখন নিজের চাকরির রুটিন ওয়ার্কের অনেক উপরে কিছু একটা হয়ে যান; যেমন মহান মতা, জাতির অমুক জাতির তমুক তখন দেশের বারোটা বাজে। পৃথিবীর বড় বড় গণহত্যাগুলোর পেছনে এসব মহান নেতাদের অতি নেতাগিরির একটি বড় কারণ ছিল।

ওবামা, বুশ ও ক্লিনটন শুধু আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ছিল; এর বেশি কিছু না। এজন্য এখন কেই মহামাণ্য নয়। জাস্ট পাবলিক। মাহাথির মোহাম্মদ দেশের জন্য এতকিছু করেও নিজেকে অতিমানব মনে করেননি। এজন্য মালয়েশিয়া এখনো সঠিক লাইনে আছে।

আমাদের এখানে সীকৃত খুনি রাষ্ট্র নায়কও মহান নেতা হয়; জাতির মা বাপ হয়। কোটি কোটি মানুষের পূজনীয় দেবতা হয়। এজন্য আমরা কখনো আমেরিকা, মালয়েশিয়া, জাপান হতে পারবো না। আমরা ব্যক্তি পূজা করি; দেশ পূজা করি না।

১৪| ০৬ ই জুলাই, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৪৪

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: গুরু আমি রুয়াান্ডা নিয়ে আগে কখনো কিছু পড়ি নি, আপনার লেখা এই প্রথম পড়লাম তাও বলতে পারেন সংকলিত - তাই কি ? রুয়ান্ডা হত্য গণহত্যা সব ইতিহাস পড়লে দেখা যাবে ৩৬৫ দিনেও শেষ করা সম্ভব নয়, তবে আফ্রিকা সব একই ঘটনা ক্ষমতার জন্য কোনো মানবতা দরদী মহামানবের হাত আছে যার কারনে উস্কে আছে সাধারণ জনগণ, মিলিট্যান্ট ও সামরিক পোষাকধারী সৈনিক ! ফলাফল - হত্যা - গণহত্যা ।

যেমনটি বাংলাদেশে জাতীয় দুই নেতা (একজন জনগনের নেতা-ভাষানিকে ল্যাং মেরে, আরেকজন সামরিক ল্যাং মেরে জনগনের নেতা) তাদের নামে চলবে হত্যা - অনাদিকাল অনন্তকাল ।

০৬ ই জুলাই, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৫৬

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:


"আপনার লেখা এই প্রথম পড়লাম তাও বলতে পারেন সংকলিত - তাই কি ? রুয়ান্ডা হত্য গণহত্যা সব ইতিহাস পড়লে দেখা যাবে ৩৬৫ দিনেও শেষ করা সম্ভব নয়, তবে আফ্রিকা সব একই ঘটনা ক্ষমতার জন্য কোনো মানবতা দরদী মহামানবের হাত আছে যার কারনে উস্কে আছে সাধারণ জনগণ।"

গুরু ঠিকই বলেছেন। এ গণহত্যার বিবরণ ৩৬৫ দিন পড়লেও শেষ করা যাবে না। আমি পুরো বিষয়টি সংকেপে তুলে ধরেছি মাত্র। এজন্য আমাকে অনেক কষ্ট করতে হয়েছে। অনেক পড়াশুনা করে আগে নিজে বিষয়টি জানতে হয়েছে।

"যেমনটি বাংলাদেশে জাতীয় দুই নেতা (একজন জনগনের নেতা-ভাষানিকে ল্যাং মেরে, আরেকজন সামরিক ল্যাং মেরে জনগনের নেতা) তাদের নামে চলবে হত্যা - অনাদিকাল অনন্তকাল।"

বাংলাদেশে দু'টি ব্যবসা সবচেয়ে লাভজনক; একটি মাজার পূজা X( আর অন্যটি নেতা পূজা। X(

১৫| ০৬ ই জুলাই, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৪৯

জহিরুল ইসলাম সেতু বলেছেন: সুদীর্ঘ পোষ্ট! আপনি কষ্ট করে এতোটা লিখলে, জানার আগ্রহে আমি কি পড়ে শেষ করবো না? :)
পড়ে শেষ করলাম। অনেক তথ্যের সন্নিবেশ ঘটানের জন্য ধন্যবাদ কাওসার চৌধুরী ভাই।

গণহত্যা সভ্য যুগে ভয়াবহ অভিশাপ। ঘৃণ্য, জঘন্য। এর পুনরাবৃতি আর না ঘটুক।

১৯৭১এ এদেশে মুক্তিযুদ্ধে প্রাণ হারানো মানুষের সংখ্যা নিয়ে গোলক ধাঁধাটা নিষ্পন্ন হওয়া প্রয়োজন। ইতিহাসের পাতায় সঠিক ইতিহাস লিপিবদ্ধ না হলে, এ লজ্জা জাতির। আমরা এ থেকে উত্তরণ আশা করি।
শুভেচ্ছা আপনাকে :)

০৬ ই জুলাই, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:০৭

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:


"১৯৭১এ এদেশে মুক্তিযুদ্ধে প্রাণ হারানো মানুষের সংখ্যা নিয়ে গোলক ধাঁধাটা নিষ্পন্ন হওয়া প্রয়োজন। ইতিহাসের পাতায় সঠিক ইতিহাস লিপিবদ্ধ না হলে, এ লজ্জা জাতির। আমরা এ থেকে উত্তরণ আশা করি।" :)

প্রিয় সেতু ভাই, আপনার কমেন্টের শেষ অংশটি দিয়ে শুরু করলাম। আমারা স্বাধীনতার এত বছর পরও মুক্তিযুদ্ধের শহীদ হওয়া মানুষের তালিকা করতে পারিনি; প্রকৃত মুক্তযোদ্ধাদের তালিকা করতে পারিনি; হারিয়ে যাওয়া মানুষের তালিকা করতে পারিনি; দেশ ছাড়া মানুষের তালিকা করতে পারনি X( X( X( । শুধু পেরেছি এগুলো নিয়ে ব্যবসা করতে, আর জাতিকে দুই টুকরো করে ভাঙতে।

ছুটির দিনটি শুভ হোক,
........ প্রিয় সেতু ভাই।

১৬| ০৬ ই জুলাই, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৫০

রাজীব নুর বলেছেন: এই পোষ্ট পড়ে ৭১ যেন দেখতে পেলাম।
বুকের মধ্যে মোচড় দিয়ে উঠলো।

০৬ ই জুলাই, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:১১

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:


১৯৭১ সালে পাকিস্তান কর্তৃক বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে প্রায় ৩০ লক্ষ মানুষ নিহত হয়; তবে এ সংখ্যা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে দ্বিমত আছে; সর্বশেষ বিবিসির রিপোর্টেে বলা হয়েছে এ সংখ্যাটি ৩ লক্ষ থেকে সর্বোচ্চ ৫ লক্ষ হতে পারে। । তবে ভারতের টাইমস অফ ইন্ডিয়ার খবরে বলা হয় এ সংখ্যাটি ২,৬৯,০০০ এর কাছাকাছি।


ছুটির দিনটি শুভ হোক,
......প্রিয় রাজীব ভাই।

০৬ ই জুলাই, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:১৪

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: এ বিষয়ে আপনার মতামত কী, রাজীব ভাই!! :(

১৭| ০৬ ই জুলাই, ২০১৮ রাত ১০:১০

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: হাঃ হাঃ হাঃ আবার শুরু হবে ফ্রাইডে ফ্রাই !!! গুরু বাংরাদেশ স্বাধীন হয়েছে ১৬ই ডিসেম্বর ১৯৭১ আর ভারতীয় সৈনিক সদলবলে বাংলাদেশ প্রবেশ করে ০৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ তারপরও ভারত নিউজ - ইন্দো পাক ওয়ার ১৯৭১ !!! গান্ধি পোকার রাজনীতি আর কতো সইবো ???

০৬ ই জুলাই, ২০১৮ রাত ১০:২৭

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:


"বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে ১৬ই ডিসেম্বর ১৯৭১ আর ভারতীয় সৈনিক সদলবলে বাংলাদেশ প্রবেশ করে ০৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ তারপরও ভারত নিউজ - ইন্দো পাক ওয়ার ১৯৭১ !!! গান্ধি পোকার রাজনীতি আর কতো সইবো ???"...........

একটু আগেও এ নিউজটি পড়লাম। কী আর বলবো!! শুধু X( X( X( !!! সব কিছুর একটা সীমা থাকা উচিৎ।। ভারতের এ বাড়াবাড়ি টু মাচ[email protected]@

১৮| ০৬ ই জুলাই, ২০১৮ রাত ১০:৩৪

জুন বলেছেন: কাওসার চৌধুরী বিভিন্ন গনহত্যা নিয়ে আপনার লেখাটি কাল পড়ে মন্তব্য করবো বলে বুকমার্ক করে রাখলাম। এমনিতেই রাত হয়ে গেছে তার উপর উরুগুয়ের পরাজয়ে বড়ই ব্যাথিত :(
এখন অন্য দিকে মন না দিয়ে আপনি বসনিয়া- সার্বিয়া যুদ্ধের সময় আমেরিকান ফাইটার প্লেন ভুপাতিত হয় সার্বিয়ায় । সেই আমেরিকান ফাইটার প্লেনের পাইলটকে উদ্ধার করা নিয়ে রুদ্ধশাস ম্যুভি বিহাইন্ড দ্যা এনিমি লাইন দেখেন যদি না দেখে থাকেন।
আর নাহলে আমার নিজের চোখে দেখা নমপেনের গনহত্যার ঘটনার উপর লেখা দুটো পড়েন । আশাকরি খারাপ লাগবে না। এটা ম্যাগাজিনেও ছাপা হয়েছিল ।
ক্যাম্বোডিয়ায় চার বছর ত্রাসের রাজত্ব সৃষ্টির খলনায়ক পলপট ও তার কুখ্যাত বন্দী শিবির তোল স্লেং/ এস-২১ জেনোসাইড মিউজিয়ামে এক বেলা ( ছবি আর ইতিহাস)
প্রথম পর্বের নীচে ২য় পর্বের লিংক ।

০৬ ই জুলাই, ২০১৮ রাত ১০:৪০

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:


আপু, আমি পলপটের উপর বেশ কিছু ডকুমেন্টারি দেখেছি। আপনার দেওয়া লেখাটি পড়বো। আর আমিও উরুগুয়ের সমর্থক ছিলাম আজ; হেরে গেলাম!!! :(( :((

শুভ রাত্রি ।

১৯| ০৬ ই জুলাই, ২০১৮ রাত ১০:৫৬

জুন বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপনি পড়ে মতামত জানালে অনেক খুশী হবো । দ্বীতিয় পর্ব মুলত ছবিই কথা বলে গেছে ।

০৭ ই জুলাই, ২০১৮ রাত ১২:০৭

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: এখন খেলা দেখছি আপু, খেলা শেষ হলে পড়বো।

২০| ০৬ ই জুলাই, ২০১৮ রাত ১১:০৯

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: বাংলাদেশ থেকে যে সকল ছাত্র ছাত্রী জাপানে মনবুশো স্কলারশিপ নিয়ে যায় তুখোড় ছাত্র ছাত্রী হিসেবে চিনি, স্কলারশিপের জন্য এ্যম্বাসীতে কঠিন কঠিন প্রশ্ন নিয়ে ইন্টাভিউর সম্মুখিন হতে হয়, তদানিন্তন পাকিস্তান সরকার আমলে পূর্ব পাকিস্তানের তুখোড় মেধা আর পরিশ্রমী ছাত্ররা নানা বাধা বিপত্তি পেড়িয়ে পাকিস্তান আর্মিতে সুযোগ পায় র‌্যাংক পায় - প্রবল পরিশ্রমে বন্দুর পথে চলা প্রাপ্তি !!! যেখানে বাংলাদেশে সাধারণ জনগনে সরকারী চাকুরীতে সাধরণ ক্লার্ক চাকুরী পেয়ে সাত স্বর্গ হাতে পেতো !!! সেখানে মেজর, কর্ণেল - ব্যাপার স্যাপার মনে করি !!!

১৯৭১ বাংলাদেশ ৯ মাস রক্তক্ষয়ি ১৬ ডিসেম্বর আত্মসমর্পন দলিলে সাইন করেন Lieutenant General Jagjit Singh Aurora, the GOC-in-C of the India Army's Eastern Command, led the Indian full thrust into East Pakistan. ... On 16 December 1971, Pakistan ultimately called for unilateral ceasefire and surrendered its combined military to the Indian Army– hence ending the Indo-Pakistani war of 1971.

জেনারেল গনি ওসমানী সাহেব ছাড়াও বাংলাদেশে ত্যাজী সেক্টর কমান্ডার ছিলেন তারা কেউ মুক্তিযুদ্ধ দলিলে সই করার সুযোগ পেলো না, সই করেন লে জে জগজিত সিং আরোরা !!! - ১৯৭১ যুদ্ধ ভারত পাকিস্তান যুদ্ধ দলিল !!!

অনল চৌধুরী ভাই বলেছেন আমি কি পত্রিকা পড়ি কি না !!! - নাতো পড়ি না তো - অনল ভাই পত্রিকা কি ? রদ্দি কাগজ ! রদ্দি কাগজ কেনো পড়বো ? ভারতীয় তথ্য বিস্বাস করার মতো কোনো কারণ দেখি না, শেখ সাহেব দেশে ফিরে ভারতীয় সৈনিক নিজ নিজ ডেরায় চলে যেতে অনুরোধ করেন গান্ধী জি কে

০৭ ই জুলাই, ২০১৮ রাত ১২:২৫

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



"১৯৭১ বাংলাদেশ ৯ মাস রক্তক্ষয়ি ১৬ ডিসেম্বর আত্মসমর্পন দলিলে সাইন করেন Lieutenant General Jagjit Singh Aurora, the GOC-in-C of the India Army's Eastern Command, led the Indian full thrust into East Pakistan. ... On 16 December 1971, Pakistan ultimately called for unilateral ceasefire and surrendered its combined military to the Indian Army– hence ending the Indo-Pakistani war of 1971."

এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আবদুল করিম খন্দকার যিনি এ.কে. খন্দকার নামে পরিচিত উনার বইয়ে এ বিষয়ে পড়েছিলাম। তিনিও এ বিষয়ে দীর্ঘ একটি নিবন্ধ লেখে উনার ক্ষোভ জানিয়েছেন।

"জেনারেল গনি ওসমানী সাহেব ছাড়াও বাংলাদেশে ত্যাজী সেক্টর কমান্ডার ছিলেন তারা কেউ মুক্তিযুদ্ধ দলিলে সই করার সুযোগ পেলো না, সই করেন লে জে জগজিত সিং আরোরা !!! - ১৯৭১ যুদ্ধ ভারত পাকিস্তান যুদ্ধ দলিল !!!"

এটা জাতি হিসাবে আমাদের চরম লজ্জার। জেনারেল এমএজি ওসমানী সাহেব মুক্তি বাহিনীর প্রধান হওয়ার পরও এ সময় দৃশ্যপটে নেই X( X( । অনেকটা মগের মুল্লুকের মত!!!

২১| ০৬ ই জুলাই, ২০১৮ রাত ১১:১৭

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: ১৯৭১ মুক্তিযুদ্ধ সংক্রান্ত ভারতীয় যেকোনো ধরনের তথ্য বিবেচনাহীন ও বর্জনীয় - আবর্জনা সামিল ।

২২| ০৭ ই জুলাই, ২০১৮ রাত ৩:১৬

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:

২য় বিশ্বযুদ্ধে রাশিয়ার ২ কোটি লোক প্রাণ হারিয়েছিল।
২য় বিশ্বযুদ্ধ সময়কালে ইউরোপ ও ভুমধ্যসাগর অঞ্চলে মোট ৬০ লাখ ইহুদী মারা হয়েছিল।
মাওসেতুং উথ্যান পরবর্তি সময় চীনে দুর্বিক্ষে ১ কোটির বেশী লোক না খেয়ে মারা গেছিল।

এসবগুলোই রাউন্ড ফিগার। লাশ কেউ গুনে দেখেনি।
তবুও এগুলো বাস্তব সত্য, চির সত্য। সেসব দেশের কেউ বা অন্যকেউ, এমনকি নাৎসি সমর্থক মহলগুলোও এসব নিয়ে সন্দেহ করে না। কেউ করে না। কারন গণহত্যা বাস্তব সত্য, একুরেট সংখা, তালিকা করা অসম্ভব ও অপ্রয়জনীয়।

বাংলাদেশ বাদে পৃথিবীর কোন দেশ নিজ দেশবাসিদের উপর নৃসংস আচরনকারি খুনিদের সমর্থন করে না।
নিজদেশে নিজ দেশবাসির উপর হানাদার দ্বারা গণহত্যা অস্বীকার করে না।
আমাদের দুর্ভাগ্য এসব দেখতে হচ্ছে।

আমাদের দুর্ভাগ্য যুদ্ধকরে জয়লাভের পরও পরাজিত পাপিষ্ঠ যুদ্ধাপরাধী স্বাধীনতা বিরোধীদের ও তাদের সমর্থক বড় একটি দলের দেশ বিরোধী আস্ফলন দেখতে হচ্ছে।
আগে শুশিল বা বিরোধী রাজনৈতিক ছোট বড় নেতারা এসব বিতর্ক এড়িয়ে যেত। সুধু ফেবু-ব্লগে ছেচড়া কুকুরগুলো এসব নিয়ে মাতামাতি করতো।
এখন নামজাদা ব্লগাররাও এসব শুরু করছে।

০৭ ই জুলাই, ২০১৮ ভোর ৪:০১

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:


"তবুও এগুলো বাস্তব সত্য, চির সত্য। সেসব দেশের কেউ বা অন্যকেউ, এমনকি নাৎসি সমর্থক মহলগুলোও এসব নিয়ে সন্দেহ করে না। কেউ করে না। কারন গণহত্যা বাস্তব সত্য, একুরেট সংখা, তালিকা করা অসম্ভব ও অপ্রয়জনীয়।"...

হাসান ভাই, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ আর মাওসেতুংয়ের চীনের সাথে বাংলাদেশকে তুলনা দিলেন!!! আপনি যদি এ তুলনাটা ভিয়েতনাম যুদ্ধ, পলপটের সময়ের কম্বোডিয়ার গৃহযুদ্ধ, জাপান-কোরিয়া যুদ্ধ, যুগোশ্লাভিয়ার সাথে বসনিয়ার যুদ্ধ, অটোম্যানদের সাথে গ্রিসের ও আলবেনিয়ার যুদ্ধ, ইরাক-সিরিয়া আইএসের সাথে যুদ্ধের তুলনা দিতেন তাহলে মানানসই হতো।

প্রায় ১ কোটি বর্গ কিলোমিটার আয়তনের বিশাল চীন আর দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পটভুমি মেলানো কী সম্ভব অথবা এগুলো কী এক? উপরের যে যুদ্ধগুলোর কথা বলেছি সেগুলো বাংলাদেশের প্রায় সমান আয়তন অথবা কিছু বড় এলাকা নিয়ে যুদ্ধে জড়িয়ে ছিল। এজন্য এসব যুদ্ধে শহীদ হওয়া মানুষের একুরেট সংখ্যা নিয়ে খুব বেশি দ্বিমত নেই। সংখ্যার হেরফের সর্বোচ্চ ৩ থেকে ৫ লাখ। কিন্তু আমাদের ক্ষেত্রে তা বহু বহু গুন বেশি।

"সর্বশেষ বিবিসির রিপোর্টেে বলা হয়েছে এ সংখ্যাটি ৩ লক্ষ থেকে সর্বোচ্চ ৫ লক্ষ হতে পারে। তবে ভারতের টাইমস অফ ইন্ডিয়ার খবরে বলা হয় এ সংখ্যাটি ২,৬৯,০০০ এর কাছাকাছি।"

আপনার কী মনে হয় বিবিসি কারো কথায় এমন প্রতিবেদন করে? তাদের এ হিসাবের পক্ষে নিশ্চয়ই জোরালো কোন যুক্তি আছে। (৩০-৫)=২৫ লাখ!!! নিশ্চয় এ হিসাবটি অস্বাভাবিক!!! তাহলে কী বলবো বিবিসি রাজাকারদের দালাল?

সত্য কথা বললে এদেশে রাজাকার হতে হয়; কোটা বিরোধী ন্যায় সঙ্গত আন্দোলন করলে রাজাকার বলা হয়; অথচ মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কথা বলে ছাত্রদের রগ কাটলে, হাতুড়ি দিয়ে কোমর ভেঙ্গে দিলে রাজাকার হয় না।

হাসান ভাই, দেশটার অংশীদার এ দেশের কয়েক কোটি জনতা। দেশের সঠিক ইতিহাস জানার অধিকার সবার আছে; এই জানতে চাওয়া অপরাধ নয়; এতে সত্যটা বেরিয়ে আসে। ইতিহাস কারো কথায়, কারো সুবিধায় লিপিবদ্ধ হয় না; এখন মিডিয়ার যুগ, এজন্য ইতিহাসের বিকল্প ইতিহাসও রচিত হয়। এগুলোকে বুঝতে হবে।

আমি রাজকারদের দলের কোন সমর্থক বা শুভাকাঙ্ক্ষী নই। আমি মুক্তিযুদ্ধকে বুকে লালন করে কোন দলীয় ইতিহাস নয়; সঠিক ইতিহাস জানতে চাই।।

২৩| ০৭ ই জুলাই, ২০১৮ ভোর ৪:০২

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
বিবিসি নিজে কোন গবেষনে করেনি।
বিবিসি র সুত্র এসেছে মুলত জামাতি লবিষ্ট বাষ্টার্ড বার্গম্যান, ক্যাডম্যান। যারা এক ভাড়াটে লেখক শর্মিলা বসু্র একটি বই থেকে রেফারেন্স দিয়েছে বিবিসিকে।
লেখক শর্মিলা বসু্ কোন গবেষনা তো দুরের কথা কখনো বাংলাদেশেই আসে নি।
একবারও বাংলাদেশে না এসে কোন সুত্র, রেফারেন্স উল্লেখ না করেই তার বইয়ে ৩ মিলিয়ন সংখাটিকে নজিরবীহিন বলেছেন। জনসংখার ৪% নিহত হওয়া 'অবিশ্বাস্য', বলে আসছেন।
চতুর ভাড়া করা ফরমাসেয়ি লেখক এদেশে না এসে মাঠপর্যায়ে কোন অনুসন্ধান না করে এসেই কথিত টেবিল গবেষনা দিয়ে কিভাবে আমাদেরকে বিভ্রান্ত করছে ভাবাই যায় না।

৭২ এ ৮ই জানুয়ারী মুক্ত হয়ে বংগবন্ধু লন্ডনে বিবিসির কাছে সাখ্যাতকারে, হঠাৎ না জেনেই ৩০ লাখের কথা বলেন নি।
১০ তারিখ ঢাকায় ফিরেও একই কথা বলেছেন।

মুক্তিযুদ্ধের প্রথমদিকে মে মাসে গ্রানাডা টিভিতে একটি ডকুমেন্টারিতে খালেদ মোশাররফ বলেছিলেন ১০ লাখের বেশী নিহতের সম্ভাবনা। (প্রথম দু মাসেই ১০ লাখ!)

১৯৭১ সালের ২৫ এপ্রিল ও ৭ জুন মাওলানা ভাসানী সোভিয়েত রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট কাছে পাকিস্তান বাংলাদেশের জনগণের ওপর যে বর্বরোচিত অত্যাচার চলছে তার বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করেন। মওলানা ভাসানী বিবৃতিতে আরো বলেন, বাংলাদেশের সব অঞ্চল আজ দশ লাখ বাঙালির রক্তে স্নাত এবং এই রক্তস্নানের মধ্য দিয়েই বাংলার স্বাধীনতা আসবে।

৭১ এর ২৫সে মার্চের পর পাকি সামরিক জান্তা সকল বিদেশী সাংবাদিক ঢাকা থেকে বিতারিত করেছিল। এরপর কোন বিদেশী ঢুকতে দেয়া হয়নি।
পরে মার্কিন টেলিভিশন CBS News ও ন্যাসানাল জিওগ্রাফিক পত্রিকা 'প্রকৃতি গবেষনার' কথা বলে যুদ্ধের মাঝামাঝি সময়ে ঢাকা এসে রিপোর্ট লিখেছিল -
পুর্বপাকিস্তানে ভয়াবহ গণহত্যা হচ্ছে, নিহতের সাম্ভ্যাব্য সংখা ২ মিলিয়ন ক্রস করতে পারে। (যুদ্ধের মাঝামাঝি সময়েই ২০লাখ)

কবি আসাদ চৌধুরী ৭১ এর মাঝামাঝি সময়ে “বারবারা বিডলারকে” নামে একটি অসাধারণ কবিতা লেখেন, সেখানে নিহতের সংখ্যা ১৫ লাখ উল্লেখিত ছিল।

লন্ডনে প্রকাশিত হ্যাম্পস্টেড এন্ড হাইগেট এক্সপ্রেস পত্রিকা, ১ অক্টোবর ১৯৭১ সালে ২০ লাখ মানুষকে হত্যার কথা বলেছে।

১৬ ডিসেম্বর বিজয়ের গৌরবময় খবর প্রথম পাতায় ছাপিয়ে তাশ বার্তা সংস্থার বরাত দিয়ে সোভিয়েট পত্রিকা প্রাভদা লিখেছিল ৩ মিলিয়ন (৩০ লাখ) নিহত হওয়ার কথা। ঢাকার ইংরেজি দৈনিক অবজারভার পত্রিকা প্রাভদায় ছাপা প্রতিবেদনের আলোকে ৩০ লাখ উল্লেখ করে একটি রিপোর্ট ছাপে।

৭১ এর ডিসেম্বরে বালাদেশের পুর্বদেশ ও আজাদ পত্রিকায়ও ৩০ লাখের কথা কয়েকবার এসেছে।
ডিসেম্বর জুড়ে রেডিওতে বিপুল জনপ্রীয় চরমপত্রে ১৬ই ডিসেমবরের পর "৩০ লাখ ও একসাগর রক্তের বিনিময়ে" বলা হতে থাকে।


৪ জানুয়ারী ৭১, দৈনিক আজাদ।


ঢাকার ইংরেজি দৈনিক অবজারভার পত্রিকা ৪ জানুয়ারী ৭১ প্রাভদা পত্রিকার উধৃতি দিয়ে নিহত ৩০ লাখ উল্লেখ করে।


কম্বোডিয়ার খেমারুজরা ২৬০ দিনে তাদের দেশের জণসংখার ২১% খতম করেছিল,
রুয়ান্ডায় ১০০ দিনের দাংগায় মোট জনসংখ্যার ২০% নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছিল।
চীনের নানকিং শহর মাসাকারে এক মাসেই ৩ লাখ নিহত হয়েছিল,
আর্মেনিয়ায় জনসংখ্যা ছিল ৪৩ লাখ। তুর্কি যোদ্ধারা জোড়পুর্বক বাস্তুচুত করে ভিন্ন স্থানে সরিয়ে দিতে নৃসংস ভাবে প্রায় ১৫ লাখ আর্মেনিয় (জনসংখ্যার ৩৫%) হত্যা করেছিল।

আর বাংলাদেশে, ৮ কোটি জনগণের দেশে অপর্যাপ্ত অবকাঠামো, বিধ্বস্ত চিকিৎসাসেবা (মানুষ স্বল্প আহত হলেই বিনা চিকিৎসা ঔসধপত্রের অভাবে মৃত্যু) আর দেড় লাখ পাকি সৈনিক আর দুই লাখ প্রশিক্ষিত মুজাহিদ-রাজাকার নিয়ে নির্বিচার হত্যা করে ৩০ লাখ ফিগার, মোট জনসংখ্যার মাত্র ৪% মানুষের মৃত্যু এদের কাছে অবিশ্বাস্য অসম্ভব মনে হয় কোন কারনে?
১ কোটি শরনার্থি ভারতে যাওয়ার পথেই তো অনেক অসুস্থ বয়বৃদ্ধ মারা পরেছিল। ভারতীয় শরনার্থি শিবিরেও লক্ষাধিকের মৃত্যু হয়েছিল। যেভাবে আর্মেনিয়াতে একই অবস্থা হয়েছিল।

পাকিস্তান যুদ্ধ শেষে পরাজয়ের কারন অনুসন্ধান করতে "বিচারপতি হামিদুর রহমান তদন্ত কমিশন" প্রতিবেদনে দেখা যায় - পূর্ব পাকিস্তানে নিয়জিত সামরিক-আধাসামরিক সেনা সদস্যদের নির্বিচারে হত্যা, অগ্নিসংযোগ ও ধর্ষনের যতেচ্ছ স্বাধীনতা দেয়া হয়েছিল। হিন্দু ও আওয়ামী সমর্থকদের দেখা মাত্র হত্যা করতে নির্দেশ ছিল। আর ইয়াহিয়া নিয়াজি সহ সব জেনারেলরা ঘোষনাই দিয়েছিল পুর্বপাকিস্তানে লক্ষাধিক হত্যা করতে। লাহরে পাকিস্তানি সেনাদের এক বৈঠকে ইয়াহিয়া খান বলেছিলেন, ‘Kill 3 million of them and the rest will eat out of our hands’. এখানে সুস্পষ্ট যে পাকিস্তানি বাহিনীর প্রথম থেকেই পরিকল্পনা ছিল লক্ষ লক্ষ বাঙালিকে হত্যা করে জনসংখার বড় একটি অংশ কমিয়ে ফেলতে।

১৯৭০-৭১ এ বিপুল সংখক মানুষ হঠাৎ নিহত বা নিখোজ হওয়ার অকাট্য প্রমান পাওয়া যায় UNDP এর পপুলেশান গ্রোথ ইন্ডেক্সে মানে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার তালিকায়, হঠাৎ ড্রপ। 6.5 মিলিয়ন মিসিং ৬৫ লক্ষ মানুষের হিসাব মিলছে না। ৭০ এর ঘূর্ণিঝড় ও ৭১ গণহত্যায় বিপুল সংখক নিহতের সমর্থনে এটাই সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য দলিল।

কিন্তু এতকিছু বলেও লাভ হবেনা। কুলাঙ্গার এদেশীয় পাকি সমর্থকরা আবার নতুন স্টোরি তৈরি করবে।
বঙ্গবন্ধু তখন সুধু ৩ লক্ষ বা ১ লক্ষ বললেও লাভ হত না, ওরা তখন আরো কমিয়ে শুধু ৩ হাজার বলতো, তালিকা দাবি করতো।
সম্পুর্ন তালিকা করা হলেও ওরা বিশ্বাস করত না, ডেথ সার্টিফিকেট দাবি করতো।

০৭ ই জুলাই, ২০১৮ ভোর ৫:০৬

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:


ধন্যবাদ, হাসান ভাই। এত সুন্দর একটি রিপোর্ট পড়ে অনুপ্রাণিত হলাম। বিষয়টি নিয়ে ব্লগে আলোচনা না হলে আপনিও কমেন্ট করতেন না; এই লেখাটিও কমেন্ট বক্সে দিতন না। এখন দেখুন এই গঠনমূলক আলোচনা সমালোচনার দরকার আছে কিনা?

আমি এ বিষয়ে আরো জানতে চাই; এজন্য পড়াশুনা করবো। হাসান ভাই, আমরা এখানে যারা ব্লগ লেখি, ব্লগে পড়ি সবাই কমি বেশি শিক্ষিত। আমি চাই বিষয়ভিত্তিক গঠনমূলক আলোচনা হোক; এতে আমাদের চিন্তা শক্তির বিকাশ ঘটবে; তবে অনেকে এগুলো না করে লেখককে আক্রমন করে বসেন; এটা মোটেও ঠিক না। সহ ব্লগার/লেখকদের প্রতি রেসপেক্ট থাকতে হবে; ভাষা ভদ্র ও যুক্তি নির্ভর হওয়া বাঞ্ছনীয়।

অনেক শুভ কামনা রইলো হাসান ভাই,
....…............................শুভ রাত্রি।

২৪| ০৭ ই জুলাই, ২০১৮ সকাল ৯:১০

আমিনভাই বলেছেন: আগামিতে আওয়ামীলীগ হাসিনা সয়তান হ্মমতায় থেকে গেলে এমন একটা বাংলাদেশে বীজ বনা শুরু হতে পারে বা হয়ে গেছে। কোটাই তার ইসপষ্ট প্রমান।

০৭ ই জুলাই, ২০১৮ সকাল ১০:৫৫

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: এখন এই সরকারের বিরোধীতা করা মানেই "স্বাধীনতার ইতিহাসের বিরোধীতা করা"। এখন আওয়ামী লীগের নাম ধরে খুণ-ধর্ষণ করলেও চেতনা, লুটপাট করলেও চেতনা (তবে মুজিব কোট পরতে হবে)। যার কারণে, এ. কে. খন্দকার এখন রাজাকার।

২৫| ০৭ ই জুলাই, ২০১৮ সকাল ৯:৪৩

রাজীব নুর বলেছেন: লেখক বলেছেন: এ বিষয়ে আপনার মতামত কী, রাজীব ভাই!!

শুভ সকাল প্রিয় কাওসার ভাই।
মতামত দেওয়ার মতো যোগ্যতা এখনও অর্জন করতে পারি নি। প্রতিনয়ত আপনাদের কাছ থেকে শিখছি।

০৭ ই জুলাই, ২০১৮ সকাল ১০:৫৯

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:


কি যে বলেন আপনি? যাক, ছুটির দিনটি সুন্দর হোক। এই কামনা করছি।

২৬| ০৭ ই জুলাই, ২০১৮ সকাল ১১:০২

অালপিন বলেছেন: আপনাকে চাঁদগাজী একটি লেখায় বলেছিল, ''ব্লগার কাওসার সাহেব ব্লগে খুবই নতুন; প্রথমে পপুলার কিছু পোষ্ট লিখে এখন গল্পের দিকে মনোযোগ দিয়েছেন; সময়ের সাথে উনি কোথায় নিজের ডোমেইন খুঁজে পাবেন, সেটা দেখার বিষয়। উনার শেষ পোষ্ট হচ্ছে, গল্প লেখা নিয়ে; আমি ২ বার পড়েছি, কমেন্ট করিনি; কারণ, আমার মনে হয়েছে যে, উনি এই পোষ্টে পিপড়ার মতো, নিজের থেকেও বেশী ওজনের কিছু বহন করার চেষ্টা করছেন।''

যা জানেন না তা নিয়ে পণ্ডিতি দেখাতে যাওয়া ছাগলামীর লক্ষণ। আপনার অনেক পোস্টই দেখছি এই দোষে দুষ্ট। যদিও অনেক ব্লগারই এই সব লেখায় আপনাকে অাসমানে তুলে দিয়েছে।

মুক্তিযুদ্ধে ৩০ লাখ শহীদ হয় নি; এই তথ্যে আপনি বিবিসি, টাইমস অব ইন্ডিয়ার দুটি অার্টিকেল পড়ে রেফারেন্স টেনে কটাক্ষ করতে চাচ্ছেন। এখন চাঁদগাজীর ঐ পিঁপড়ে তত্ত্বের কথা চিন্তা করুন। নিজের চাইতে অধিক ভার বহন করছেন কিনা।

মুক্তিযদ্ধ এ দেশের মানুষের আবেগ; এ নিয়ে কথা বলার আগে আরো সচেতন হওয়া দরকার। আরো পড়াশুনা করা দরকার।

আশা করি নিজের হামবড়া ভাবটা একটু কমে চাঁদগাজীর (এই ভদ্রলোকের অনেক লেখার সাথেও আমি একমত না) পিঁপড়ে তত্ত্বকে গুরুত্ব দিবেন। লাভবান হবেন, একথা নিশ্চিতভাবে বলতে পারি।

০৭ ই জুলাই, ২০১৮ সকাল ১১:২১

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:


ভাই, আমি দুটি রেফারেন্স দিয়েছি লেখায়। কিন্তু লেখেছি ৩০ লাখ শহীদের কথা। এটা মহা অন্যায় হয়ে গেল? ভাই ব্লগেও বিষয়টি নিয়ে আলাপ করা যাাবে না? আমি বই লেখে প্রমাণ করার চেষ্টা করিনি। এই ফিক্সড চেতনা কী এতই জোরালো যে, মুক্তি যুদ্ধের কোন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা যাবে না? ইতিহাস নিয়ে পর্যালোচনা করা যাবে না?

আমি তো ভাই ইতিহাস লেখি না। এই আলোচনা করায় অন্যায়টা কোথায়!

মুক্তিযুদ্ধ এ দেশের মানুষের আবেগ? তাহলে আমি কী এই দেশের কেউ না!!! এই আবেগ নিয়ে কথা বলা যাবে না!!! ভাই, এ দেশে মুক্তিযুদ্ধের আদর্শের কথা বলে প্রতিনিয়ত ব্যবসা আর লুটপাট চলছে। এত আবেগ আবেগ নিয়ে বলেন, তাহলে এদেশে হাজার হাজার ভূয়া মুক্তিযোদ্ধা কেন? তখন আপনাদের এই আবেগ কই থাকে?

এখন তো দেখি কোন এক পাংচার ট্রাকটারের মহান বাণিগুলো আপনি টেনে আনলেন!!! ভাই, এই দেশটা আপনার মত আমারও, এই দেশ নিয়ে, এই আবেগ নিয়ে কথা বলার অধিকার আমার আছে; দেশটা এখনো উত্তর কোরিয়া হয়ে যায়নি।

২৭| ০৭ ই জুলাই, ২০১৮ সকাল ১১:১৩

নাজিম সৌরভ বলেছেন: বুড়া চাঁদগাজী একাই আপনার পোস্ট আলোচিত লিস্টে তুলে ছাড়ছে । এখন থেকে আপনি ব্লগে পোস্ট করার সময় এমন কয়েকটা লাইন লিখবেন যেটা দেখে চাঁদগাজী কমেন্টের বন্যা বইয়ে দিবে । ;)

০৭ ই জুলাই, ২০১৮ সকাল ১১:২৭

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:


নাজিম ভাই, শুভ সকাল। আপনি হাসালেন ভাই। বিষয়টি নিয়ে আমিও ভাবছি। এই কয়টা লাইন না লেখলে পোস্ট হিট হতো না। না হয় রাজাকারই হলাম; একটু হিটের নেশায়। এখন দেখুন আমার লেখার মূল বিষয় নিয়ে কোন আলোচনা নেই। সবাই এটি নিয়ে পড়ে আছেন। আবেগ বলে কথা......... B-)

২৮| ০৭ ই জুলাই, ২০১৮ সকাল ১১:৪৫

অালপিন বলেছেন: ভাই, আমি দুটি রেফারেন্স দিয়েছি লেখায়। কিন্তু লেখেছি ৩০ লাখ শহীদের কথা। এটা মহা অন্যায় হয়ে গেল? ভাই ব্লগেও বিষয়টি নিয়ে আলাপ করা যাাবে না? আমি বই লেখে প্রমাণ করার চেষ্টা করিনি। এই ফিক্সড চেতনা কী এতই জোরালো যে, মুক্তি যুদ্ধের কোন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা যাবে না? ইতিহাস নিয়ে পর্যালোচনা করা যাবে না? -- আপনি আপনার ইগোকে এখনও আকাশে তুলে রাখছেন। আমি বলি নি যে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে আলোচনা করা যাবে না; বরং আলোচনা হওয়ায় উচিত। কিন্তু এই ডিসকোর্সটা যারা করবে তাদের ভিত্তিটাও শক্ত হওয়া চাই।

ধরুন, আপনি যুদ্ধে যাচ্ছেন অথচ গায়ে বর্ম নেই, ঢাল-তলোয়ার নেই। হাতে একটি লাঠি নিয়ে লুঙ্গিতে গিঁট দিয়ে হুঙ্কার দিয়ে মাঠ গরম করার চেষ্টা করছেন। আপনি কি এই যুদ্ধে টিকবেন? নাকি আপনার এই ধরণের অসম যুদ্ধে যাওয়া উচিত।

আপনি মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে অালোচনা করতে চাচ্ছেন; যুক্তি দেখাচ্ছেন ৩০ লাখের জায়গায় ৩ লাখ। অথচ আপনার গায়ে বর্ম নেই মানে সঠিক পঠন পাঠন নেই। এটা কি পিঁপড়ের মতো হয়ে গেল না।

আপনি 'দেশে মুক্তিযুদ্ধের আদর্শের কথা বলে প্রতিনিয়ত ব্যবসা আর লুটপাট' , 'ভূয়া মুক্তিযোদ্ধা' ইত্যাদি নিয়ে কথা বলতে চাচ্ছেন। এখন দেখুন আপনি এই কথাগুলো বলার মতো যথেষ্ট নৈতিক শক্তির অধিকারী কি না। আপনি নিজে যদি সেই বিশ্বাস-মূল্যবোধ-নৈতিকতা (সেটা যত ছোট নৈতিক বিষয়ই হোক না কেন? ) থেকে বিচ্যূত থাকেন। তাহলে আপনার এই কথাগুলো বলা কি মানাবে? এ দেশের বেশির ভাগ মানুষই 'নিজে মানে না , অথচ অন্যকে মানতে পরামর্শ দেয়'। অাপনার অবস্থান কতটা দৃঢ় এই মানদণ্ডে। তারপরে ঐ সব অাদর্শ নিয়ে অালোচনা হতে পারে। আপনি কি বলতে পারেন যে আপনি কোনো অনৈতিক (অল্প হলেও) কাজ করছেন না।

উপরের বিষয়গুলো যদি আপনার শক্ত হয় এবং যথেষ্ট জ্ঞান ধারণ করেন ঐ বিষয়ে, তাহলেই আপনার কথা বলার অধিকার আছে। এবং অবশ্যই আমরা সকলেই শুনব সে কথা ব্লগার চৌধুরী।

০৭ ই জুলাই, ২০১৮ দুপুর ১২:৫১

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:


আলপিন ভাই; এগুলো জাস্ট আলোচনা; এগুলোকে সিরিয়াসলি নেওয়ার প্রয়োজন নেই। আসুন দুই ভাই পরিচিতি পর্বটা কোলাকোলি দিয়ে করি। দেখুন, আমি- আপনি কিন্তু নতুন প্রজন্মের মানুষ; ইতিহাস নিয়ে জানার চেষ্টা করছি। যাক, আপনার ব্লগ ঘুরে আসলাম।

শুভ কামনা রইলো।

২৯| ০৭ ই জুলাই, ২০১৮ দুপুর ১:৫৭

তারেক ফাহিম বলেছেন: এজন্যইতো বলি কাউছার ভাই পোষ্টে এত সময় নিয়ে পড়া লাগে ক্যা? ;)

মুল পোষ্টটি যা বুঝেছি বাকিটুকু বোঝা যায় চাঁদগাজী আর কাউছার ভাই’র মতামতে :|

আপনাদের প্রতিটি পোষ্টেই এই ধরনের ক্যাচাল আশা করছি।
অনেক কিছুই জানা হয় মাঝে মাঝে রম্যও লাগে।

০৭ ই জুলাই, ২০১৮ দুপুর ২:১৫

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: হা.... হা...... !! একটু ফান; পাশাপাশি কিছু শেখার চেষ্টা। আপনার জন্য শুভ কামনা রইলো।

৩০| ০৭ ই জুলাই, ২০১৮ দুপুর ২:১২

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:


তিন-চারদিন ব্যক্তিগত কিছু ব্যস্ততার জন্য ব্লগে আসতে পারবো না। সম্মানিত সহ ব্লগার ও পাঠকদের জন্য শুভ কামনা রইলো। ব্লগ হোক আলোচনার জায়গা; অজানাকে জানার জায়গা; বুদ্ধি ভিত্তিক চর্চার জায়গা।

ভাল থাকবেন সবাই,
........... কাওসার।

৩১| ০৭ ই জুলাই, ২০১৮ দুপুর ২:১৯

তারেক ফাহিম বলেছেন: আশা করছি খুব শ্রিঘ্রই ফিরবেন।

জানতে হবে না B-)

১২ ই জুলাই, ২০১৮ রাত ১০:০৯

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: তারেক ফাহিম ভাই। খোঁজ নেওয়ার জন্য ধন্যবাদ।

৩২| ০৭ ই জুলাই, ২০১৮ দুপুর ২:২৩

ব্লগ মাস্টার বলেছেন: খুব জঘণ্য হত্যা কান্ড।

১২ ই জুলাই, ২০১৮ রাত ১০:১১

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: হ্যা, আসলেই জঘন্য হত্যাকান্ড। আমরা এমন হত্যাকান্ড আর দেখতে চাই না।

৩৩| ০৭ ই জুলাই, ২০১৮ বিকাল ৫:৩৫

অর্থনীতিবিদ বলেছেন: রুয়ান্ডার গণহত্যায় নিহতদের প্রতি সমবেদনা রইলো। আপনার পোস্টটা বেশ তথ্যবহুল। অনেক কিছুই জানলাম। ধন্যবাদ।

১২ ই জুলাই, ২০১৮ রাত ১০:১২

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: ধন্যবাদ, প্রিয় অর্থনীতিবিদ ভাই।

৩৪| ০৭ ই জুলাই, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৫৯

আহমেদ জী এস বলেছেন: কাওসার চৌধুরী ,




আপনার লেখাটি পড়েছি অনেক আগেই যখন ২/৩টি মন্তব্য ছিলো পোস্টে । তখন মন্তব্য করা হয়নি । পরে সময় করে এসে দেখি, বাংলাদেশের গণহত্যা বিষয়ে মন্তব্যে বেশ ঝড়ের দাপট ।
মনে রাখতে হবে , বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ , সকল মুক্তিযোদ্ধাদের, তাদের পরিবারের এবং ৬০ বছরের উপরের সকল মানুষের একটি "স্পর্শকাতর" ও " সংবেদনশীল জায়গা । তাই আর কোনও দেশের ( যা আপনি উল্লেখ করেছেন সংখ্যা দিয়ে, যাচাই বাছাই না করে ) গণহত্যার ব্যাপারে প্রশ্ন না তুলে শুধুমাত্র বাংলাদেশের ব্যাপারে প্রশ্ন তোলা আপনার উদ্দেশ্যকে প্রশ্নবিদ্ধ করবে স্বাভাবিক ভাবেই । যেটা চাঁদগাজী করে ফেলেছেন।

আপনার লেখাতে আপনিই বলেছেন, রুয়ান্ডার গৃহযুদ্ধে ৩ মাসে ১০ লক্ষ লোক প্রান হারিয়েছিলো । তাহলে সোজা হিসেবে বাংলাদেশে ৯ মাসে ৩০ লক্ষ লোকেরই প্রান হারানোর কথা । এই হিসেবটা "শর্মিলা বসু" র নিজের দেয়া অংকের হিসেবে করা । আপনি কিন্তু প্রশ্ন তোলেননি, ৩ মাসে ১০ লক্ষ লোক কেমন করে প্রান হারায় !

জার্মানী, ইউক্রেন, কম্বোডিয়ার জেনোসাইডে নিহতের সংখ্যা নিয়ে আপনার কেন কো্নও প্রকার দ্বিধা হয়নি ? কেন প্রশ্ন জাগেনি , এগুলো ঠিকঠাক মতো তদন্ত/গবেষণা/তত্ত্বের ভিত্তিতে করা হয়েছে কিনা ? আপনি বলতে পারতেন- এই এই ভাবে তদন্ত , এই এই সব গবেষণা, এই এই সব তত্ত্বের ভিত্তিতে ( সূত্র সহ ) জার্মানী, ইউক্রেন, কম্বোডিয়ার জেনোসাইডে নিহতের সংখ্যা ঠিক আছে ; শুধু বাংলাদেশে তা মানা হয়নি । তা হলেও না হয় বুঝতুম । তা করেন নি ।

এবং এক মন্তব্যে এও বলেছেন - তবে আমার পারসোনাল অপিনিয়ন হলো- সংখ্যাটি কোন অবস্থাতে ১০ লক্ষের অধিক নয়। তাই যদি হয়, তবে ঐ ৩ লাখের প্রশ্ন কেন তুললেন ? স্ব-বিরোধী হলো কিনা !

আপনি সত্যটা জানতে চেয়েছেন ।
সহব্লগার হাসান কালবৈশাখী চমৎকার করে সব দেখিয়ে দিয়েছেন কোন তদন্ত/গবেষণা/তত্ত্বের ভিত্তিতে এই সংখ্যাটি এসেছে । মনে হয় সত্যটা এখানেই ।

অবশ্য ঠাকুরমাহমুদ এর সাথে আমিও এখানটাতে অনেকাংশে একমত - "১৯৭১ মুক্তিযুদ্ধ সংক্রান্ত ভারতীয় যেকোনো ধরনের তথ্য বিবেচনাহীন ও বর্জনীয় - আবর্জনা সামিল ।" ( যে কোনও নয়, অধিকাংশ )

তবে শেষে এটাই অনুরোধ -- মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে সংশয় সৃষ্টি হয় এবং দেশকে বিভাজিত করে এমন কিছু লেখা থেকে সবাই দূরে থাকুন । দেশকে ভালোবাসলে এর কোনও বিকল্প নেই । এটা আমার - আপনার দেশেরই স্বার্থ , আর কারো নয়। আমাদের বিভাজনটাকে কমিয়ে আনবে তা । দেশ হয়তো একদিন "এক দেহ - এক প্রান" হবে, যেটার জন্যে আমরা আফসোস করি হর-হামেশাই । আর যদি দেশের স্বার্থ আপনার কাছে কোনও স্বার্থই মনে না হয় কেবল ব্যক্তিস্বার্থটাই চরম বলে মনে হয় তবে বলার কিছু নেই আপনাকে ধিক্কার দেয়া ছাড়া ।

যেটুকু নিয়ে আলোচনা করলুম সে বিষয়টি বাদে আপনার বাকী লেখাটি তথ্যমূলক । ভালো তো বটেই ।
শুভেচ্ছান্তে ।

১৬ ই জুলাই, ২০১৮ দুপুর ১:২৭

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: কমেন্টের জন্য ধন্যবাদ, @ আহমেদ জী এস সাহেব;)



মনে রাখতে হবে , বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ , সকল মুক্তিযোদ্ধাদের, তাদের পরিবারের এবং ৬০ বছরের উপরের সকল মানুষের একটি "স্পর্শকাতর" ও " সংবেদনশীল জায়গা । তাই আর কোনও দেশের ( যা আপনি উল্লেখ করেছেন সংখ্যা দিয়ে, যাচাই বাছাই না করে ) গণহত্যার ব্যাপারে প্রশ্ন না তুলে শুধুমাত্র বাংলাদেশের ব্যাপারে প্রশ্ন তোলা আপনার উদ্দেশ্যকে প্রশ্নবিদ্ধ করবে স্বাভাবিক ভাবেই

এটি মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পরিবারের "স্পর্শকাতর" ও " সংবেদনশীল" জায়গা কথাটি শতভাগ সঠিক; কারণ আমিও এই পরিবারেরই একজন। আমার বাবা যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন; উনার বেদনা, দেশের জন্য ভালবাসা আর হাহাকারগুলো নিজ চোখে দেখেছি নীরবে ৷এজন্য মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে লোক দেখানো অনুভূতি/চেতনা আমার নেই যা আছে বাবার দেওয়া শিক্ষা আর আদর্শের বীজ।

৭১-এর গণহত্যা নিয়ে কথা বলা আর গণহত্যাকে সমর্থন করা এক জিনিস নয় ৷আবার এই গণহত্যায় কতজন মানুষের মৃত্যু হয়েছে তার সংখ্যা নিয়ে কথা বলা আর এ বিষয়ে বই লেখে প্রমাণ করার চেষ্টা করা এক বিষয় নয়। আমি এখানে কমেন্টে আলোচনা করেছি মাত্র ৷যখন বিবিস, ইনডিপেনডেন্টের মতো বিশ্ব মিডিয়া এ বিষয়ে রিপোর্ট করে তখন এ বিষয়ে আলোচনা করা নিশ্চয়ই অপরাধ নয়।

৭১ পরবর্তী এ দেশকে বিভক্ত করেছে কতিপয় রাজনৈতিক দল ও মিলিটারী শাসন, যা এখনো পুরোদমে চলছে। এ বিভক্তি মুক্তিযোদ্ধা বা তাদের পরিবার করেনি ৷ ভূয়া মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকাভুক্তি প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধারা করেনি করেছে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা আর কিছু রাজনীতিবিদ।

আমার বাবাকে যখন শুনতে হতো আপনি আসলেই মুক্তিযোদ্ধা কিনা তখন নিশ্চয়ই উনার অনুভূতিতে আঘাত আনতো, তিনি কষ্টে ও দুঃখে আহত হতেন ৷ এখনো আমাদের পরিবারকে এই কথাগুলো শুনতে হয়।

নিশ্চয়ই মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে আমাদের চেয়ে ধারালো অনুভূতি অন্য কারো হওয়ার কথা নয় ৷এখন এই অনুভূতিও রাজনীতিকরণ হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে দলীয়করণ করা হয়েছে ৷এই চেতনার রাজনীতি করে দেশকে বিভক্ত করছে রাজনীতিবিদরা ৷কিন্তু এ বিষয়গুলো সুশীলদের অনুভূতিতে আঘাত করে না।


[ইউনিভার্সিটিতে ব্যস্ততার জন্য কমেন্টের উত্তর দিতে কিছুটা দেরী হলো, এজন্য দুঃখিত]

৩৫| ০৮ ই জুলাই, ২০১৮ রাত ৯:১১

কলাবাগান১ বলেছেন: আপনাকে এক পোস্টে দেখেছিলাম যে ১৯৭১ সনে বিহারীদের হত্যাকে ইতিহাসের গন হত্যার সাথে তুলনা করছেন...তাহলে ৩০ লক্ষ বাংগালী হত্যা আর বিহারীদের হত্যাকে এক কাতারে ফেলছেন???? লেজ লুকিয়ে রাখা কঠিন.....

১২ ই জুলাই, ২০১৮ রাত ১০:১৯

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।


"আপনাকে এক পোস্টে দেখেছিলাম যে ১৯৭১ সনে বিহারীদের হত্যাকে ইতিহাসের গন হত্যার সাথে তুলনা করছেন...তাহলে ৩০ লক্ষ বাংগালী হত্যা আর বিহারীদের হত্যাকে এক কাতারে ফেলছেন?"

আমি বিহারীদের নিয়ে ব্লগে কোন লেখা পোস্ট করিনি; এমনকি আমার কোন লেখায় ১৯৭১ সালের বিহারীদের বিষয়ে কিছুই লেখিনি। হয়তো অন্য কোন ব্লগারের লেখাকে আমার লেখা মনে করে কমেন্ট করেছেন।

৩৬| ১০ ই জুলাই, ২০১৮ দুপুর ১:৩২

কথার ফুলঝুরি! বলেছেন: গত কয়েকদিন থেকে আমার প্রিয় ভাইয়া কে দেখছিনা ব্লগে। নতুন কোন লেখাও নেই ভাইয়ার আর কোন পোস্ট এর মন্তব্য তেও ভাইয়া নেই। তাই আসলাম ভাইয়ার খোঁজ নিতে। আর এসে দেখি লেখা ও মন্তব্বে এলাহি কাণ্ড :||
কখন ভাইয়ার নতুন লেখা চোখ এড়িয়ে গেল টের ই পেলাম না । আর ভাইয়া ও দেখি ব্লগ থেকে ছুটি নিয়েছে কয়েকদিনের জন্য :( ছুটি শেষ করে তাড়াতাড়ি ফিরে আসুন ভাইয়া :(

১২ ই জুলাই, ২০১৮ রাত ১০:০৭

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: এই তো ফিরলাম। স্যরি, একটি বিজি ছিলাম। ব্লগে এসে খবর নেওয়ার জন্য আপুকে ধন্যবাদ।

৩৭| ১০ ই জুলাই, ২০১৮ বিকাল ৪:৫৭

রাজীব নুর বলেছেন: আপনি কোথায়?

১২ ই জুলাই, ২০১৮ রাত ১০:০৩

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: একটু বিজি ছিলাম; এজন্য ব্লগে আসতে পারিনি।

৩৮| ১১ ই জুলাই, ২০১৮ সকাল ১০:৪৬

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
কোন গণহত্যাই কাম্য নয়।

১২ ই জুলাই, ২০১৮ রাত ১০:০২

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: হ্যা, কোন গণহত্যাই কাম্য নয়। আমরা চাই গণহত্যাহীন পৃথিবী।

৩৯| ১২ ই জুলাই, ২০১৮ রাত ১০:২৯

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:
স্মরণকালের সব চেয়ে বড় গণহত্যা বাংলাদেশেই হয়েছে। পাকি ও তাদের দোসরদের দ্বারা। তবে এটার প্রচার কম।

১২ ই জুলাই, ২০১৮ রাত ১০:৩৬

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: ৭১ এর গণহত্যা নিয়ে আরো বেশি তথ্যবহুল লেখা আমরা চাই। আশা করি, ইতিহাসবিদরা জাতির সামনে ভয়াবহ এ হত্যাকান্ডের সঠিক ইতিহাস তুলে ধরবেন। ধন্যবাদ, প্রিয় সাজ্জাদ ভাই।

৪০| ১৩ ই জুলাই, ২০১৮ দুপুর ১২:৪৫

সিনথিয়া আফরিন বলেছেন: তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ হয়তোবা এসকল সংখ্যাকে হার মানাবে ।

১৪ ই জুলাই, ২০১৮ রাত ১২:২২

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: ধন্যবাদ, আপু | শুভেচ্ছা রইলো | আমরা চাই না তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধহোক | তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ হোক ক্ষুধা আর দারিদ্র্যের বিরুদ্ধে | শুভ কামনা রইলো আপনার জন্য |

৪১| ১৩ ই জুলাই, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৪৫

পাঠকের প্রতিক্রিয়া ! বলেছেন: কাওসার ভাই? আমি মন্ডল..:)

ব্লগে আপনাকে না পেয়ে খারাপ লাগছে। সামনের সপ্তাহ আমি অনিয়মিত থাকবো! আপনার ব্যস্ততা কমলে, অবস্যই ব্লগে আসবেন এবং লিখবেন!!

ভালো থাকবেন।

১৪ ই জুলাই, ২০১৮ রাত ১২:৪৮

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: অহ!!! মন্ডল ভাই!!! নিকটি চমৎকার!!! একটু বিজি ছিলাম; এজন্য গত এক সপ্তাহ ব্লগে আসতে পারিনি | খোঁজ নেওয়ার জন্য অনেক ধন্যবা, প্রিয় মন্ডল ভাই | শুভ কামনা রইলো আপনার জন্য | চেষ্টা করবেন নিয়মিত ব্লগে আসতে; না হলে সামু পানসে হয়ে যাবে | আমি খুব মিস করবো |

৪২| ১৪ ই জুলাই, ২০১৮ রাত ১২:১৬

রাকু হাসান বলেছেন: কাওসার ভাই ! মিস করছি..।এসে পড়লাম এখানে । বিশ্বের গণহত্যা সর্ম্পকে বেশ তথ্য পেলাম । সেই সাথে বাংলাদেশের গণহত্যার ব্যাপারে বিশ্বাস করার মত রেফারেন্স সহ লেখা পেলাম । বাড়তি ভাল লাগা । সত্য ইতিহাস জানলাম । কমেন্ট পড়ে খারাপ লাগলো । লেখাটি প্রিয় তে রাখলাম , এই লেখা কাজে লাগবে তাই। আপনি জানেন কি আমার প্রিয় তালিকায় রাখা পোস্ট সমূহের মধ্যে তিনটিই আপনার ? এখন পর্যন্ত ৯২২ বার পড়া হলো অন্তত ৫ হাজার বার পড়া হলে আমি খুশি হতাম । পোস্ট করেছেন ৬ জুলাই আজ ১৩ জুলাই ,কোন পোস্ট নেই ব্যস্ততা যদি লেখা নিয়ে হয় তাহলে আরও প্রাণভরে পড়ার লেখা পেতে যাচ্ছি । শুভকামনা শ্রদ্ধেয় ।
শুভরাত্রি ।

১৪ ই জুলাই, ২০১৮ রাত ১২:৫৫

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:


প্রিয় রাকু হাসান ভাই, গত এক সপ্তাহ ইউনিভার্সিটিতে খুব বিজি থাকায় ব্লগে সময় দিতে পারিনি | আপনি আমাকে মিস করেছেন জেনে মনটি ভাল হয়ে গেল | লেখার প্রেরণা পেলাম | আশা করছি আগামী দিন থেকে নতুন লেখা পোস্ট করবো | অনেক শুভ কামনা আমার প্রিয় ভাইয়ের জন্য |

৪৩| ১৪ ই জুলাই, ২০১৮ দুপুর ১২:২১

আব্দুল্লাহ্ আল মামুন বলেছেন: মানবাধিকার আর মানবতা আজ কোথায়?

১৫ ই জুলাই, ২০১৮ দুপুর ১:০৩

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: মানবাধিকার আর মানবতা আজ টাকা, পলিটিক্স ও পেশি শক্তির কাছে অসহায়।

৪৪| ১৫ ই জুলাই, ২০১৮ দুপুর ২:২২

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: চমৎকার পোস্ট।
হুতু ও তুতসিদের ঘটনা নিয়ে মুভিও তৈরি হয়েছে।

ক্ষমতাসীন আওয়ামীরীগ দেশটাকে গৃহযুদ্ধের দিকে ঠেলে নিয়ে যাচ্ছে।
এদের ক্ষমতা লিপসা আর বৈষম্যবাদী নীতি দেশের মানুষের জন্য ভয়াবহ রকমের ক্ষতিকর।

এদের থেকে পরিত্রাণের কি কোন পথ নাই?

১৫ ই জুলাই, ২০১৮ দুপুর ২:৩৯

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: ধন্যবাদ, স্যার চমৎকার মন্তব্যের জন্য।


"ক্ষমতাসীন আওয়ামীরীগ দেশটাকে গৃহযুদ্ধের দিকে ঠেলে নিয়ে যাচ্ছে। এদের ক্ষমতা লিপসা আর বৈষম্যবাদী নীতি দেশের মানুষের জন্য ভয়াবহ রকমের ক্ষতিকর।"

আমি যখন হুতু আর তুতসীদের নিয়ে লেখছিলাম তখন বাংলাদেশের বর্তমান রাজনীতি নিয়ে আতংকিত হয়ে পড়ি!! কোথায় যেন রুয়ান্ডার সাথে এদেশের রাজনীতির একটি মিল আছে!!! যেভাবে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার নামে লুটপাটের জন্য দেশকে বিভক্তি চলছে, কখন যে এর বিস্ফোরণ হবে কেউ জানে না!!! আমরা রুয়ান্ডা হতে চাই না, আশা করি রাজনীতিবিদরা এ বিষয়ে আরো সতর্ক হবেন!!!

৪৫| ১৬ ই জুলাই, ২০১৮ দুপুর ২:৪০

পবিত্র হোসাইন বলেছেন: স্যার, দোয়া করি, এভাবে লিখে যান আপনার লেখা আমাদের নতুনদের অনেক প্রেরণা যোগায়

১৬ ই জুলাই, ২০১৮ বিকাল ৫:০৫

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: ধন্যবাদ, প্রিয় হোসাইন ভাই। শুভ হোক সামুতে পথচলা। ভাল থাকবেন, সব সময়।

৪৬| ১৬ ই জুলাই, ২০১৮ দুপুর ২:৫০

কথার ফুলঝুরি! বলেছেন: ভাইয়ার কি ব্যস্ততা কমেনি ? :( কতদিন নতুন কোন লেখা নেই।

১৬ ই জুলাই, ২০১৮ বিকাল ৫:১১

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: ভাইয়ার কি ব্যস্ততা কমেনি ? :( আমার প্রিয় আপুু আমার খোঁজটা নিয়মিত নেন; এজন্য অনেক কৃতজ্ঞতা :( ব্লগে সময় দেব, তবে হয়তো খুব বেশী সময় থাকতে পারবো না :( ব্যস্ততা আগের চেয়ে বেড়ে যাওয়া এর কারণ। তবে প্রতিদিন সময় করে ব্লগে আসবো।

৪৭| ১৬ ই জুলাই, ২০১৮ বিকাল ৫:১৯

ঢাবিয়ান বলেছেন: এতটা বিষদ জানা ছিল না রুয়ান্ডার এই গনহত্যা সম্পর্কে। বিষের করে হুতু ও তুতসিদের সম্পর্কে ডিটেলস জানলাম। অসংখ্য ধন্যবাদ তথ্যসমৃদ্ধ এই পোস্টের জন্য।

১৬ ই জুলাই, ২০১৮ বিকাল ৫:২৩

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: প্রিয় ভাই, লেখাটি পড়েছেন জেনে ভাল লাগলো। শুভ কামনা আপনার জন্য।

৪৮| ১৬ ই জুলাই, ২০১৮ রাত ৮:৩৫

জুন বলেছেন: হুতু আর তুতসী বিদ্রোহের একটি ঘটনা জেনে আমি আঁতকে উঠেছিলাম কাউসার চৌধুরী । এক জীবিত বন্দীর হাত গরম পানিতে সেদ্ধ করে পাশে বসে বসে খাচ্ছে, হুতু না তুতসী কে খাচ্ছিল সেটা মনে নেই তবে এটা ঐ দুই আদিবাসী গোত্রেরই ঘটনা। কি নির্মম ভাবতেও পারি না ।
অনেকদিন কোন লেখালেখিতে দেখছি না আপনাকে ? ব্যাস্ত নাকি ? ভালো থাকুন আর লিখুন নিয়মিত ।

১৬ ই জুলাই, ২০১৮ রাত ৯:০০

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:


ধন্যবাদ, আপু। গত এক সপ্তাহ খুব বিজি ছিলাম এজন্য ব্লগে লেখা হয়নি, তবে আপনার পুরাতন দু'টি লেখা পড়েছি। তবে সময়ের অভাবে কমেন্ট করা হয়নি। আপনার লেখাগুলো আমাকে মুগ্ধ করে; আরো পড়বো সময় করে।

হুতু আর তুতসীদের গণহত্যার ইতিহাস পড়লে ভয়ে আৎকে উঠতে হয়। এরা প্রতিপক্ষকে জবাই করে তাজা রক্ত বাটি/বালতিতে ভরে শরবতের মতো পান করতো X(

একটি ঘটনা এরকম, হুতুরা একটি বাড়িতে আক্রমণ করে তুতসী একজন নব বিবাহিতা স্ত্রীকে ধরে ফেলে; মেয়েটির স্বামী হুতু হওয়ায় তাকে ছেড়ে দেয়। লোকটির সামনে তার বউকে ধারালো কুঠার আর ছুরি দিয়ে গরুর মতো ছাল তুলে হত্যা করে আর তাজা রক্ত দিয়ে পিপাসা নিবারণ করে। পরে কোরবানীর গরুর মতো টুকরো টুকরো করে টুকরো গুলো দিয়ে ফুটবল খেলে; এসবই তার স্বামীকে দেখতে বাধ্য করে। X((

৪৯| ১৬ ই জুলাই, ২০১৮ রাত ৮:৩৬

চাঁদগাজী বলেছেন:


আপনি আমার মন্তব্য মুছে ফেলেছেন ২ বার; এটা ভালো ব্লগারের লক্ষণ নয়।

১৬ ই জুলাই, ২০১৮ রাত ৮:৪৪

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: আমি চাই না এ বিষয়টি নিয়ে অযথা পেঁচানো কোন কমেন্ট হোক; এজন্য মন্তব্য মুছে দিয়েছি। আপনার কমেন্টের উত্তর দেওয়া মানে আবার এ বিষয়টি টেনে আনা। এজন্য, দুঃখিত। আশা করি কিছু মনে করবেন না।

৫০| ১৬ ই জুলাই, ২০১৮ রাত ৯:১৯

চাঁদগাজী বলেছেন:


লেখক বলেছেন, " আমি চাই না এ বিষয়টি নিয়ে অযথা পেঁচানো কোন কমেন্ট হোক; এজন্য মন্তব্য মুছে দিয়েছি। আপনার কমেন্টের উত্তর দেওয়া মানে আবার এ বিষয়টি টেনে আনা। এজন্য, দুঃখিত। আশা করি কিছু মনে করবেন না। "

-সবকিছুতে কিছু অলিখিত নিয়ম থাকে; আমাকে গালি দিলেও আমি কমেন্ট মুছি না।

১৬ ই জুলাই, ২০১৮ রাত ৯:৪৪

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: স্যরি, মাইন্ড করবেন না।

৫১| ১৬ ই জুলাই, ২০১৮ রাত ৯:৩১

আহমেদ জী এস বলেছেন: কাওসার চৌধুরী ,



প্রতিমন্তব্যে ধন্যবাদ, দেরী করে ফেলেছেন বলে দুঃখ প্রকাশের কিছু নেই ।

আমার বাবাকে যখন শুনতে হতো আপনি আসলেই মুক্তিযোদ্ধা কিনা তখন নিশ্চয়ই উনার অনুভূতিতে আঘাত আনতো, তিনি কষ্টে ও দুঃখে আহত হতেন ৷ এখনো আমাদের পরিবারকে এই কথাগুলো শুনতে হয়।
---- এটা পড়েই আমারই তো দাঁত কিরমির করছে , ইচ্ছে করছে ঐসব বেজন্মাগুলোকে খুন করি । আপনার তো আরো করবেই । কারন -- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ , সকল মুক্তিযোদ্ধাদের, তাদের পরিবারের এবং ৬০ বছরের উপরের সকল মানুষ সহ আমারও একটি "স্পর্শকাতর" ও " সংবেদনশীল জায়গা । এই জায়গাটাতে আপনার মতো আমিও ছাড় দিতে রাজী নই মোটেও ।
তাহলে এই বেজন্মাগুলোর হাতে কেন তুলে দিলেন মুক্তিযুদ্ধকে প্রশ্নবিদ্ধ করার হাতিয়ারটি ?

আপনার পরিবারের জন্য আমার সহানুভূতি রইলো । মানুষ জানেনা, প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধারা কখনই সার্টিফিকেটে বিশ্বাস করেনা , করেনা মুক্তিযোদ্ধাদের লিষ্টেও । তারা যুদ্ধ করেছে কিছু পাওয়ার জন্যে নয় , দেশকে মুক্ত করার জন্যে ।

৭১ পরবর্তী এ দেশকে বিভক্ত করেছে কতিপয় রাজনৈতিক দল ও মিলিটারী শাসন, যা এখনো পুরোদমে চলছে। এ বিভক্তি মুক্তিযোদ্ধা বা তাদের পরিবার করেনি ৷ ভূয়া মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকাভুক্তি প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধারা করেনি করেছে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা আর কিছু রাজনীতিবিদ।
আপনার সাথে শুধু শতভাগ নয় আরো আরো বেশী সহমত । তাই আমাদের এমন কিছু কথা বলা উচিৎ নয় যা নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলো , ভূয়া মুক্তিযোদ্ধারা মুখ খুলে মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধাদের হেনস্থা করে দেশকে বিভক্ত করা্র এতোটুকু সুযোগ পায় । আপনি কিন্তু নিজের অজান্তেই সেই সুযোগটি করে দিয়েছেন হতচ্ছাড়া সুবিধাবাদীদের ।
যেমন, আপনার ঐ জাতীয় বক্তব্যে আপনার প্রতিও আমি সন্দিগ্ধ হয়ে উঠেছিলুম । কারন আপনার মতো বিদগ্ধ একজনের কাছ থেকে অমন কথা আশা করিনি । একজন মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের লোক হয়ে আমারই যদি এমনটা মনে হয় তবে নাছারা অ-মুক্তিযোদ্ধা, ভুয়া মুক্তিযোদ্ধারা তো আপনার ঐ কথাতে বগল বাজাবেই ।

আশা করি আপনি বুঝবেন , একজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হয়ে ভুলটি কোথায় করেছেন ।
আর নয় ।
শুভেচ্ছান্তে । ভালো থাকুন ।

১৬ ই জুলাই, ২০১৮ রাত ৯:৫৫

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



"তাহলে এই বেজন্মাগুলোর হাতে কেন তুলে দিলেন মুক্তিযুদ্ধকে প্রশ্নবিদ্ধ করার হাতিয়ারটি?"

আসলে আমি চেয়েছিলাম বিবিসি, ইনডিপেনডেন্ট ও ভারতীয় মিডিয়ার তোলা এসব অভিযোগের বিপরীতে জোরালো কোন বক্তব্য ; কিন্তু আমার মনোভাব অনেক কমেন্টকারী বুঝতে পারেনি। এজন্য আমাকে ভুল বুঝেছেন। যখন বিষয়টি বুঝতে পারি তখন অনেক দেরী হয়ে যায়।

আশা করি আমাকে ভুল বুঝবেন না। এজন্য দুঃখিত। শুভ কামনা রইলো আপনার জন্য। ভাল থাকবেন সব সময়।

৫২| ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ দুপুর ১:১৮

সাহাদাত উদরাজী বলেছেন: গনহত্যার বিচার হয় না কেন?

১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ভোর ৪:০০

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



ধন্যবাদ @ সাহাদাত উদরাজী ভাই৷আপনি খুব দরকারি একটি প্রশ্ন করেছেন; বিষয়টি আমাকে খুব ভাবায়৷অনেক কষ্ট লাগে৷এসব হত্যাকাণ্ডে লক্ষ লক্ষ মানুষ মরলে, গৃহহীন হলে, ধর্ষিত হলে, দেশহারা হলেও অপরাধীদের বিচার তেমন একটা হয়নি৷মাঝে মাঝে বিচারের নামে কিছু প্রহসন চলে মাত্র৷এটা খুব দুঃখজনক :(:(:(:(

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.