নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

জন্মসূত্রে মানব গোত্রভূক্ত; এজন্য প্রতিনিয়ত \'মানুষ\' হওয়ার প্রচেষ্টায় আছি। গল্পের \'বায়স্কোপ\' বইয়ের কারিগর।

কাওসার চৌধুরী

প্রবন্ধ ও ফিচার লেখতেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি। পাশাপাশি গল্প, অনুবাদ, কবিতা ও রম্য লেখি। আমি আশাবাদী মানুষ।

কাওসার চৌধুরী › বিস্তারিত পোস্টঃ

ধর্ষণ ও ধর্ষক - (বাংলাদেশ ও উন্নত বিশ্ব)।...:(( :(( :(( :(( [একটি পর্যালোচনা] :(( :(( :(( :((...

২১ শে জুলাই, ২০১৮ দুপুর ২:৩৫


মানব জাতির গোড়াপত্তনের সঠিক ইতিহাস কারো জানা নেই। বিজ্ঞানীদের ধারণা তা কয়েক মিলিয়ন বছর হতে পারে। পৃথিবী হচ্ছে সৌরজগতের একমাত্র উপগ্রহ যেখানে প্রাণের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। আনুমানিক ৪৫৪ কোটি বছর আগে পৃথিবী গঠিত হয়েছিল। আর প্রায় ১ বিলিয়ন বছরের মধ্যে পৃথিবীতে প্রাণীর আবির্ভাব ঘটে। সাড়ে ৪০০ কোটি বছর আগে দু'টি গ্রহের তীব্র সংঘর্ষ হয়েছিল। সংঘর্ষের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে, এ সময় গ্রহ দু'টি জুড়ে যায়। 'পৃথিবী' নামক গ্রহের সঙ্গে চরম সংঘর্ষ হয়েছিল 'থিয়া' নামের একটি গ্রহের। সংঘর্ষের সময় পৃথিবীর বয়স ছিল ১০ কোটি বছর। সংঘর্ষের জেরে থিয়া ও পৃথিবীর এক সাথে জুড়ে যায়, তৈরি হয় নতুন একটি গ্রহের। সেই গ্রহটিতেই আমরা বাস করছি।

পৃথিবীর সৃষ্টি আর পরবর্তী সময়ে মানুষের আবির্ভাব ও বিচরণের ক্ষেত্রে মানুষের জীবন-জীবিকা, খাওয়া-পরা, সামাজ-সাংস্কৃতিক, শিক্ষা-সাহিত্য, রাস্ট্র-অর্থনীতি, বিজ্ঞান-গবেষণা এবং তথ্যপ্রযুক্তি ও যোগাযোগে হাজারো পরিবর্তন এসেছে; এখনো হচ্ছে; ভবিষ্যতেও তা চলমান থাকবে। মানব সভ্যতার বিশাল এ পরিবর্তনের পরও খুন-ধর্ষণ এবং খুনি-ধর্ষকের মানসিকতার কোন পরিবর্তন হয় নাই। প্রাগৈতিহাসিক কাল থেকে একই রকম আছে। বড়ই সুযোগ সন্ধানী এ মানসিক অসুখটা।

প্রাগৈতিহাসিক জৈবিক ব্যাধি, বটে X(

সাধারনভাবে বলতে গেলে কোন ব্যক্তির অনুমতি ব্যতীত তার সাথে জোরপূর্বক শারীরিক সম্পর্ক করলে বা করার চেষ্টায় লিপ্ত হলে এই আচরণকে আমরা ধর্ষণ হিসাবে গণ্য করি। তবে দেশে দেশে ধর্ষণের সংজ্ঞায় ঊনিশ-কুড়ি পার্থক্য আছে। এছাড়া অজ্ঞান, বিকলাঙ্গ, মানসিক প্রতিবন্ধী কিংবা অপ্রপ্ত বয়স্ক নারী/পুরুষের সাথে যৌন মিলনে লিপ্ত হলে তা ধর্ষণের আওতায় পড়ে। মূলতঃ সারা পৃথিবীব্যাপী পুরুষদের দ্বারাই ধর্ষণ সংগঠিত হয়। তবে পুরুষে পুরুষে, মেয়েতে মেয়েতে ধর্ষণের অভিযোগও আছে। তবে এমন অভিযোগ সংখ্যার বিচারে অল্প।

একটা সমীক্ষায় দেখা গেছে অপরিচিত ব্যক্তিদের চেয়ে পরিচিত ব্যক্তিদের দ্বারা ধর্ষণের হার অনেক বেশি। কারাগারে পুরুষ কতৃক পুরুষ এবং নারী কতৃক নারী ধর্ষণের ঘটনা সারা বিশ্বব্যাপী অহরহ ঘটে। যদিও এগুলো বাইরের জগতের মানুষ তেমন জানে না। একটা সময় যখন দাস প্রথা প্রচলিত ছিল তখন তাদেরকে মালিকরা ধর্ষণ করতো। এখনো গৃহকর্মীরা বিভিন্ন দেশে এমন নির্যাতনের শিকার হয়। তৃতীয় বিশ্বে এ চিত্র ভূরি ভূরি পাওয়া যায়। আরবের তেল সমৃদ্ধ দেশগুলোর বিরুদ্ধে এ অভিযোগ অহরহ পাওয়া যায়।

যুদ্ধ বিগ্রহ, গণহত্যা এবং সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার সময়ে ধর্ষণের ঘটনা বেশী ঘটে X(

বাংলাদেশ দন্ডবিধি আইনের ৩৭৫ ধারায় ধর্ষণের সংজ্ঞায় বলা হয়েছে, "কোনো নারীর ইচ্ছার বিরুদ্ধে অথবা কোনো নারীর সম্মতি ছাড়া অথবা কোনো নারীকে মৃত্যু বা শারীরিক আঘাতের ভয় দেখিয়ে সম্মতি দিতে বাধ্য করলে অথবা নাবালিকা অর্থাৎ, ১৬ বছরের কম বয়স্ক শিশু সম্মতি দিলে কিংবা না দিলে (সে যদি নিজ স্ত্রীও হয়) অথবা কোনো নারীকে বিয়ে না করেই ব্যক্তিটি তার আইনসঙ্গত স্বামী এই বিশ্বাস দিয়ে যদি কোনো পুরুষ যৌন সম্পর্ক স্থাপন করে তাকে আইনের ভাষায় ধর্ষণ বলা হবে"।

ভারতের সর্বোচ্চ আদালত (২০১৭) একটি রায়ে বলেছেন, "স্ত্রীর বয়স যদি ১৮ বছরের কম হয় তবে তার সাথে যৌন কর্ম করা হবে ধর্ষণের সামিল এবং তা শাস্তিযোগ্য অপরাধ"।

ভারতের সুপ্রিম কোর্ট আরেক মামলার রায়ে বলেছেন, "কেউ যদি স্বপ্রণোদিত হয়ে কারো সাথে বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কে জড়ায় তাহলে তা ধর্ষণ হিসাবে গণ্য হবে না"।


২০১২ সালের পূর্ব পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন (এফবিআই) ধর্ষণকে কেবল নারীদের বিরুদ্ধে পুরুষদের দ্বারা সংঘটিত একটি অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করত। তবে ২০১২ সালে তারা ধর্ষণের সংজ্ঞা পরিবর্তন করে বলে, “The penetration, no matter how slight, of the vagina or anus with any body part or object, or oral penetration by a sex organ of another person, without the consent of the victim.”

১৯৯৮ সালে রুয়ান্ডার জন্য গঠিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ধর্ষণের সংজ্ঞা দিতে গিয়ে বলা হয়েছে, "চাপ প্রদানের মাধ্যমে কোনো ব্যক্তির ওপর সংঘটিত যৌন প্রকৃতির শারীরিক আক্রমণ"।


সাম্প্রতিক সময়ে বেশ কিছু আলোচিত ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনা বাংলাদেশ সংঘটিত হয়েছে। টাঙ্গাইল থেকে ময়মনসিংহ যাওয়ার পথে বাসে রূপা খাতুনকে গণধর্ষণ ও পরে নৃশংসভাবে হত্যা। কুমিল্লায় আলোচিত তনু ধর্ষণ ও হত্যা। ঢাকার বনানীতে রেইনট্রি হোটেলের ধর্ষণ মামলা এবং সাম্প্রতিক সময়ে হবিগঞ্জে বিউটি ধর্ষণ ও হত্যা সর্বাধিক আলোচিত হয়েছে।

দক্ষিণ দিল্লিতে ২০১২ সালের ১৬ ডিসেম্বর সন্ধ্যারাতে এক পুরুষবন্ধুর সঙ্গে সিনেমা দেখে বাড়ি ফিরতে বাসে উঠেছিলেন ফিজিওথেরাপির ইন্টার্ন মেয়েটি। বাসে ছিলেন চালক ও তাঁর ভাই-বন্ধু-সহকারী মিলে মোট ছয়জন, একজন তখনো অপ্রাপ্তবয়স্ক। চলন্ত বাসে বন্ধুটিকে গণমার মেরে তাঁরা মেয়েটিকে ক্ষতবিক্ষত করে ধর্ষণ করেন। হাত আর লৌহদণ্ড দিয়ে মেয়েটির অন্ত্র টেনে বের করেন। তারপর দুজনকেই রাস্তায় ছুড়ে ফেলে দেন। ১৩ দিনের মাথায় সিঙ্গাপুরের হাসপাতালে মেয়েটি মারা যান।

ধর্ষণের কারণ অনুসন্ধানে আমরা বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন মতামত দিয়ে থাকি। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে তা অনুসন্ধানমূলক হয় না। আমরা মনগড়া যার যার মতো করে যুক্তি দাঁড় করাই। বিষয়টির গভীরে যাওয়ার চেষ্টা করি না। কারণ- জাতি হিসাবে আমরা শুনতে নয়, বলতে বেশি পছন্দ করি। যুক্তি মানি না, নিজে দিতে পারি না বলে। কোন কথা অর্ধেক শুনার পর পুরোটা বুঝে ফেলি! লেখার শিরোনাম পড়েই মন্তব্য করি। অথচ কোন বিষয় পুরোপুরি বুঝতে হলে কথা আর লেখার শেষ অংশটাই আসল। ধৈর্য ধরে শুনে ও পড়ে মন্তব্য করলে নিজেরও শেখা হতো, মন্তব্যটাও যুক্তিপূর্ণ হতো।

আমাদের এত ধৈর্য নেই। সময় কই X((!!

তবে, একজন রেপিস্টের ধর্ষক হয়ে উঠার মনস্তাত্ত্বিক কারণগুলো জানাটাও খুব জরুরি-

(১) সাইকোপ্যাথিক চরিত্রের লোকেরা রেপ/গণ ধর্ষণ করে। কামপ্রবৃত্তি সম্পন্ন মানসিক বিকারগ্রস্থ লোকেরাও ধর্ষণ করে।
(২) মাদকাসক্তি মানুষের স্বাভাবিক বিবেচনাবোধ লোপ করে। এটিও রেপের আরেকটি কারণ।
(৩) একাকিত্ব বোধ, অক্ষমতাবোধ, রাগ, অপমানজনক অনুভূতি, হতাশা, ব্যর্থতা বা ব্যক্তিজীবনে কষ্ট, অপ্রাপ্তি এসব থাকলে ধর্ষণের আকাক্সক্ষা বৃদ্ধি পায়।
(৪) ধর্ষকদের মনে মেয়েদের প্রতি তীব্র অশ্রদ্ধা, ক্রোধ, আক্রমণাত্মক মনোভাব ও প্রতিহিংসা পরায়ণতা থাকলে তারা রেপ করে।
(৫) যেসব পর্নোচিত্রে মেয়েদের সঙ্গে জবরদস্তিমূলক যৌন সম্ভোগে মেয়েদের তা উপভোগ করতে দেখানো হয় বা মেয়েদের প্রতিবাদ করতে দেখানো হয় না, সেসব দেখে অনেক পুরুষ রেপে উৎসাহিত বোধ করে।
(৬) কখনো কখনো বন্ধুবান্ধবরা একসঙ্গে হয়ে বা শক্তিশালী হয়ে আকস্মিকভাবে কোনো অসহায় মেয়েকে একা পেয়ে আনন্দ-ফুর্তি করার জন্য রেপ করে। ইত্যাদি।
(৭) কোনো মেয়ে প্রেমে বা বিয়ের আগে যৌন সম্পর্কে রাজি না হলে মেয়েটির ‘না’- কে সহ্য করতে না পেরে রেপ করে।
(৮) অপরাধী মানসিকতার লোকেরা খুব সহজে, বিন্দুমাত্র অপরাধবোধ না থাকার কারণে নির্দ্বিধায় রেপসহ যে কোনো অপরাধ করতে পারে, করে। এটি রেপের অন্যতম কারণ।

আমাদের দেশে আরেক পক্ষ উচ্চমার্গীয় সুশীল ধর্ষক আছেন; যাদেরকে পারতপক্ষে আইন আদালত পর্যন্ত ঘাটতে চায় না। উনারা সমাজের উঁচু তলার মহাদেব; এসব মহামান্যদের ঘাটতে নেই। উনাদের কেউ রাজনীতিবিদ; কেউ এমপি/মিনিস্টার; কেউ সরকারি আমলা; কেউ পুলিশের উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা; কেউ করপোরেট বস; কেউ ধর্মীয় লেবাসধারী ভন্ড বাবা; কেউ মুখোশধারী সুশীল; কেউ মানবাধিকার বস; কেউ বা আবার নাটক/সিনেমার প্রযোজক/পরিচালক। বেশির ভাগ ভিকটিম এদের অধীনস্থ কর্মচারী অথবা তাদের দ্বারা সুবিধাভোগী। এজন্য চাকরি হারানো, সামাজিক অসম্মান আর জীবন হারানোর ভয়ে মুখে তালা দিয়ে নীরবে চোখের জল ফেলেন ভিকটিমরা। এদের দাপট এতো বেশী হয় যে, কখনো কখনো আইন আদালতকেও নিজের পছন্দ মতো এরা চালাতে পারে।

আর বাসা/বাড়িতে কাজের মেয়েকে ধর্ষণ করা একটি কমন বিষয় X(

যুদ্ধের সময় রেপকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হতে দেখা গেছে। প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে যুদ্ধের সময় রেপকে শক্তিশালী অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয় এখনো। আমেরিকান বিখ্যাত সাংবাদিক Susan Brownmiller ১৯৭৫ সালে লেখা তাঁর বিখ্যাত "Against Our Will: Men, Women, and Rape" বইতে দেখিয়েছেন যে, ইতিহাসের বিভিন্ন যুগে বিজেতারা বিজিতদের শাস্তি দিতে বা ভয় দেখাতে ধর্ষণকে রাজনীতির অঙ্গ হিসেবে ব্যবহার করেছে। ষষ্ঠ শতাব্দী থেকে অষ্টম শতাব্দী পর্যন্ত ধর্মযুদ্ধে মধ্যপ্রাচ্যে অসংখ্য রেপের ঘটনা ঘটে। একাদশ থেকে ত্রয়োদশ শতাব্দীতে ক্রুসেডের সময় ক্রুসেডররা ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য, উত্তর আফ্রিকা, পার্সি ও কাজাখ অঞ্চলে প্রচুর রেপ করে।

প্রথম মহাযুদ্ধের সময় জার্মান সৈন্যরা বেলজিয়ামের মহিলাদের; দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় হিটলারের ন্যাৎসি বাহিনী কয়েক লক্ষ পোলিশ ইহুদী মহিলা ও শিশুকে ধর্ষণ করে। আমেরিকান সৈন্যরা ভিয়েতনামে আগ্রাসন (১৯৫৯-১৯৭৫) চালানোর সময় ভিয়েতনামী মহিলা ও বালিকাদের; ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি সৈন্যরা আমাদের মেয়েদের; সার্বীয় সৈন্যরা (১৯৯২-১৯৯৫) বসনীয় মেয়েদের; ১৯৯০ সালে কুয়েত দখলের পর ইরাকি সৈন্যরা কুয়েতি মেয়েদের রেপ করে। আইএস দ্বারা ইরাক-সিরিয়া যুদ্ধে (২০১২-২০১৫) হাজার হাজার রেপের ঘটনা ঘটে। এখনো কাশ্মির, আফগানিস্তান, সুমালিয়া, মায়ানমার, নাইজেরিয়া ইত্যাদি দেশে প্রচুর রেপ হয়।


গালফ দেশগুলোতে বাংলাদেশ সহ তৃতীয় বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে যাওয়া মহিলা কর্মীরা দিনের পর দিন পরিবারের ছোট বড় প্রায় সব সদস্যদের দ্বারা যৌন নির্যাতনের শিকার হন বলে অভিযোগ আছে। বন্ধী জীবন যাপন এবং দেশগুলোর আইনের দূর্বলতার কারণে ভিকটিমরা কোন সহযোগিতা পায় না।

আমাদের দেশের বোডিং মাদ্রাসা, এতিমখানা ইত্যাদি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক কর্তৃক ছাত্রদের ধর্ষণের অভিযোগ প্রায়ই পাওয়া যায়। ধর্মীয় বাধার কারণে এরা সহজে মেয়েদের সঙ্গে মিশতে পারে না, নিষিদ্ধ পল্লীতে যেতে পারে না, প্রকাশ্যে প্রেম করতে পারে না। ফলে তাদের অবদমিত যৌন চাহিদার কারণে কখনো কখনো তারা ছাত্রদের রেপ করে। এছাড়া অসহায় এসব শিশুগুলোর ওপর জুলুম করা সহজ। কারণ এরা শারীরিক, মানসিক ও আর্থিক দিক থেকে এরা দুর্বল থাকে। তাই ভয় দেখিয়ে বা জোর করে এদের রেপ করা যায়।

আমাদের দেশে মেয়েরা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই নিকটাত্মীয় ও পরিবারের পরিচিত জনের দ্বারা সবচেয়ে বেশি ধর্ষণের শিকার হয়। এ ক্ষেত্রে অপ্রাপ্ত বয়স্ক মেয়েরাই বেশি আক্রমনের লক্ষবস্তু হয়। স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসা-বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে মেয়েরা সহপাঠী ও বন্ধুদের দ্বারাই সবচেয়ে বেশি ধর্ষণের শিকার হয়। কিছু কিছু ক্ষেত্রে শিক্ষকদের দ্বারাও এমনটা ঘটে! যা চরম ন্যাক্কারজনক। নির্জন রাস্তায়, বনে বাদাড়ে, বিলে-ঝিলে, খেত-খামারেও মেয়েরা ধর্ষণের শিকার হয়। রাতের অন্ধকারে একাকী চলতে গিয়ে, প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে গিয়ে ওৎ পেতে থাকা মানুষরূপী হায়েনাদের দ্বারা এদেশের মেয়েরা সবচেয়ে বেশী ধর্ষণের শিকার হয়।

ইদানিং নাইট বাসে অসংখ্য ধর্ষণ ও হত্যাকান্ড ঘটেছে; যা চরম লজ্জা ও ভীতির। এছাড়া প্রেম ঘটিত কারণেও ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। কিছু কিছু প্রেমিক পুরুষ মেয়েদের সরলতার সুযোগ নিয়ে এমন জগণ্য ঘটনা ঘটায়। অনেক সময় এসব কাপুরুষরা খুন পর্যন্ত করে বসে।

বেপরোয়া জীবন-যাপন করতে গিয়েও মেয়েরা ধর্ষণের শিকার হয় X((

উপরোক্ত কারণগুলো বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ধর্ষণের জন্য ড্রেসকোড খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নয়। নিজের বাসা বাড়িতে যখন কোন মেয়ে নিকটাত্মীয়ের দ্বারা ধর্ষণের শিকার হয়; তখন কী মেয়েটির পোষাকের কোন দায় আছে? তবে মেয়েটির পরিবারের অসতর্কতার দায় অবশ্যই আছে। মেয়েকে অবাধে সবার সাথে মিশতে দেওয়ার দায় আছে। একা বাসায় রেখে যাওয়ার দায়ও অবশ্যই আছে।

স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসা-বিশ্ববিদ্যালয়ের যে মেয়টি সহপাঠী ও বন্ধুদের দ্বারা ধর্ষণের শিকার হলো; এ ক্ষেত্রে কী ড্রেস কোডের কোন দায় আছ? তবে মেয়েটির অতি ডলাডলি ও না বুঝে যার তার সাথে বন্ধুত্ব করা এবং মেসবাড়ি/বাসায় একা বেড়াতে যাওয়ার দায় অবশ্যই আছে। ঠিক তেমনি বাসে, নির্জন স্থানে ও রাতের অন্ধকারে যেসকল ধর্ষণের ঘটনা ঘটে এতে কী তার পোষাকের কোন দায় আছে?

আসলে ধর্ষকের কাছে পোষাক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নয়, সময়-সুযোগটাই আসল। এতে আপনি যে পোষাকেই থাকেন না কেন। এজন্য শিশুরা ধর্ষণের শিকার হয়। বৃদ্ধারা ধর্ষণের শিকার হয়।

পোষাকের শালীনতা?
অনেকে এমন প্রশ্নও করেন। আসলে পোষাকের শালীনতা দেশ, কাল, পাত্র ও সমাজ ভেদে তারতম্য হয়। যেমন আরব দেশগুলোতে স্কার্ফ দিয়ে মাথার চুল ঢেকে রাখা এবং বড় গাউন/বোরকা দিয়ে শরীর ঢেকে রাখা হল শালীনত। এর ব্যত্যয় ঘটলে মানুষ সমালোচনা করে। ইউরোপ-আমেরিকার দেশগুলোতে মেয়েদের জিন্স প্যান্ট-সার্ট পরা, অফিস আদালতে স্যুট-প্যান্ট পরা, হাটু পর্যন্ত ড্রেস পরা এবং টাইট লেগিন্স পরা হচ্ছে শালীন পোষাক। আবার আমাজন জঙ্গল, আফ্রিকা মহাদেশ, পাপুয়া নিউগিনি এবং আন্ধামান-নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে যে সকল আধিবাসী মানুষ প্রায় ন্যাংটা থাকে, মেয়েদের বক্ষ উন্মুক্ত থাকে তাদের কাছে সেটাই শালীন পোষাক।

তার মানে এই নয় যে, আপনি আমাজনের মেয়েদের মত সভ্য সমাজে বক্ষ উন্মুচন করে হাঁটবেন। বাংলাদেশে বসে ইউরোপ-আমেরিকার মেয়েদের মতো ঊরু বের করে, বক্ষ টান টান করে, পেট দেখিয়ে হাঁটবেন। আপনি যে দেশে থাকবেন সে দেশের কৃষ্টি-কালচারকে গুরুত্ব দিতে হবে। ড্রেস কোড ফলো করতে হবে।

লন্ডনে দেখেছি বড় বড় ফ্যাশন শপগুলোতে সবচেয়ে দামী ও আধুনিক পোষাকগুলোর সবচেয়ে বড় ক্রেতা আরব মেয়েরা। এরা সবচেয়ে দামী টাইট জিন্স, টাইট গেঞ্জি, সার্ট, জুতা আর কসমেটিক্স কিনে। পৃথিবীর সবচেয়ে দামী লেডিস হ্যান্ডব্যাগের ক্রেতাও আরব মেয়েরা। শুধু লন্ডন কেন? এ চিত্র প্যারিস, মাদ্রিদ, বার্লিণ, নিউইয়র্ক এবং লসএঞ্জেল্সের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। টাইট জিন্স ও টাইট সার্টের সাথে মাথায় স্কার্ফ দেখে একদিন পরিচিত কুয়তি একটি মেয়েকে কারণ জিজ্ঞেস করেছিলাম। জবাবে বলেছিল, আরব দেশগুলোতে চুল ঢেকে রাখা ট্রেডিশন। তাই বলে টাইট জিন্সের উপর!! তবে নিজেদের দেশে এভাবে চলাচল করতে পারে না বলে জানাল। এজন্য লন্ডনে এসে আরব মেয়োরা খোলামেলা চলাফেরা করে।


তাহলে ধর্ষণের জন্য পোষাকের কী কোন দায় নেই?

হ্যা, আছে।
তবে তা ক্ষেত্র বিশেষে।

আমাদের দেশের প্রগতিশীল একটা পক্ষ আছে, যারা পশ্চিমা দেশগুলোর গুণ-কীর্তন করতে করতে মুখে ফেনা তুলে ফেলেন। ধর্ষণের জন্য পোষাক কোন বিষয় নয়, পুরুষের মানসিকতাই আসল বলে বিজ্ঞ মত দেন। উনারা বিশ্বব্যাপী ঘটে যাওয়া ধর্ষণের ফ্যাক্টগুলো কতটুকু জানেন বা বুঝেন জানি না। তবে এ বিষয়ে জানার অনেক ঘাটতি আছে বলে আমি মনে করি।

আপনি কী জানেন, পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি ধর্ষণ হয় কোন কোন দেশে? আপনি বলবেন- কেন? বাংলাদেশ, ভারত, নাইজেরিয়া ইত্যাদি গরীব ও জনবহুল দেশগুলোতে। সহজ উত্তর। আমি যদি বলি ভাই হয়নি। তখন আপনি আমার দিকে তাচ্ছিল্যের দৃষ্টিতে থাকিয়ে বলবেন, মূর্খ কোথাকার! দেশের খবর কিছু রাখ!!

হ্যা, ভাই আপনাকে বলছি। পৃথিবীর মধ্যে সবচেয়ে বেশী ধর্ষণের ঘটনা ঘটে যুক্তরাষ্ট্র, সুইডেন, ব্রিটেন, বেলজিয়াম, অস্ট্রেলীয়া, সাউথ আফ্রকা, বোতসোয়ানা, নিকারাগুয়া ও পানামায়। প্রয়োজনে ইন্টারনেট ঘেটে দেখতে পারেন। এসব দেশে কঠিন আইন থাকার পরও এত এত ধর্ষণের ঘটনার জন্য সবচেয়ে বেশী দায়ী নাইট লাইফ, মেয়েদের অতি স্বাধীনচেতা মানসিকতা, ক্লাবিং এবং অতিরিক্ত মদ্যপান।

পৃথিবীতে ধর্ষণের যত ঘটনা ঘটে তার অতি ক্ষুদ্র অংশ প্রকাশিত হয় X(

লন্ডনের ওয়েস্ট এন্ডে (সিটি) দীর্ঘ ছয়-আট বছরে রাতের বেলা কাজ করার অভিজ্ঞতা থেকে দেখেছি এগুলো। শেষ রাতে ইয়াং মেয়েরা ক্লাব থেকে যখন ড্রাঙ্ক হয়ে বের হয়, তখন হিতাহিত জ্ঞান থাকে না। এ সময় শত শত মেয়ে অপরিচিত ছেলেদেরকে পরিচিত ভেবে, বন্ধু ভেবে তাদের সাথে চলে যায়। সকালে ঘুম থেকে উঠার পর যখন নতুন বিছানা, অপরিচিত সঙ্গী পাশে শুয়ে থাকতে দেখে তখন ধীরে ধীরে বুঝতে পারে, চৈতন্য ফিরে আসে। বিশেষ করে উইকএন্ডে (শুক্র-শনি) অসংখ্য ছেলে ড্রাঙ্ক মেয়েদের পটিয়ে বাসায় নিয়ে যাওয়ার জন্য গাড়ি নিয়ে আসে। এসব ক্ষেত্রে ভিকটিমরা বেশিরভাগ সময় পুলিশি ঝামেলায় যায় না। এটা প্রমাণ করাও সহজ নয় যে, মেয়েটি স্ব ইচ্ছায় ছেলেটির সাথে যায়নি। হিসাব করলে প্রতি মাসে এমন ঘটনা শুধু লন্ডন সিটিতেই কয়েক'শো হবে।

লন্ডন ওয়েস্ট এ্যান্ডে শেষ রাতে ক্লাবিংয়ের পর অন্ধকার চিপা গলিতে অসংখ্য মাতাল মেয়েকে রেপ হতে আমি দেখেছি।

শুধু কী মেয়ে?
পশ্চিমা দেশগুলোতে অনেক ছেলেও ধর্ষণের শিকার হয়।

এসব দেশগুলোতে পারস্পরিক সম্মতি থাকলে পূর্ণ বয়স্ক যে কোন ছেলে-মেয়ে যৌন কর্ম করতে পারে, এতে আইনগত কোন বাঁধা নেই। এ বিষয়ে রিসার্চ করতে গিয়ে দেখেছি, বাংলাদেশে ছেলেদের দ্বারা ছেলেদের রেপের ঘটনা আশংকাজনক হারে বাড়ছে। পাশাপাশি, বাংলাদেশে মেয়েদের দ্বারা মেয়েরাও রেপের শিকার হচ্ছে ইদানিং। তবে তা এখনো উচ্চবিত্ত, ড্রাগি, ধুমপায়ী ও মানসিক বিকারগ্রস্থ মহিলা সমাজে এ প্রবণতা বেশী। এছাড়া নারীবাদী মানসিকতা, পুরুষ বিদ্বেষী মনোভাবও একটি অন্যতম কারণ।

দেশে দেশে ধর্ষকের গায়ের রং ভিন্ন ভিন্ন হলেও চরিত্র এক X(

গবেষণায় দেখা গেছে উন্নত দেশগুলোতে নাইট লাইফ মেয়েদের ধর্ষণের জন্য সবচেয়ে বেশী দায়ী। এছাড়া মেয়েদর অতিরিক্ত মদ্যপান এবং অতি খোলামেলা পোষাক-পরিচ্ছদও কম দায়ী নয়। তবে দিনের বেলায় খোলামেলা পোষাক পরলেও মেয়েদের ধর্ষণের শিকার হওয়ার প্রবনতা খুবই কম। আইনের কড়াকড়ির কারণে এসব দেশের ধর্ষকরা জাতে মাতাল হলেও তালে ঠিক।

এখানে আরেকটি বিষয় আলোচনা করা প্রাসঙ্গিক বলে আমি মনে করি। পশ্চিমা মেয়েরা পূর্ণবয়স্ক হওয়ার পর মোটামোটি সবাই অবাধে বয়ফ্রেন্ডের সাথে মেলামেশা করে। এজন্য ধর্ষণের ঘটনায় তুলনামূলক কম আঘাতপ্রাপ্ত হয়। কিন্তু আমাদের সমাজে একটি মেয়ের কাছে কুমারিত্ব অনেক বড় কিছু। এসব মেয়ে যখন এমন ন্যাক্কার জনক ঘটনার মুখোমুখি হয় তখন মেনে নিতে পারে না। অনেক একরোখা মেয়ে অভিমান করে আত্মহত্যার মতো জঘন্য পথ বেছে নেয়। যা সত্যি বেদনাদায়ক।

ড্রেস কোড ধর্ষণের প্রধান কারণ না হলেও অতিরিক্ত খোলামেলা পোষাক ধর্ষককে উদ্ভোধ্য করে।

উন্নত দেশগুলোতে ধর্ষণের অভিযোগ পেলে পুলিশ সর্বাচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করে। প্রমাণিত হলে শাস্তির ব্যবস্থা হয়। ভিকটিমের পরিচয় গোপন থাকে। তবে ধর্ষক কাপুরুষটির ছবি প্রকাশ করে। আমাদের দেশও এখন ধর্ষণের বিচারগুলো সরকার গুরুত্ব দিয়ে করছেন। অপরাধীরা ধরা পড়ছে। এটা ভাল লক্ষণ। তবে কিছু ব্যতিক্রমও আছে। ভিকটিম মেয়েটার ছবি ও পরিচয় আমরা যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল করি। যা দায়িত্ববোধ থাকলে করতাম না। ভাবুন ভিকটিম মেয়েটি আপনার বোন, আপনারা মেয়ে। এমন অসহায়, বিপর্যস্ত আর কাটা-ছেড়া, পঁচা গলা দেহটি মানুষের কম্পিউটার, মোবাইল, ট্যাবে ঘোরাঘুরি করছে দেখলে নিশ্চয় আপনার ভাল লাগবে না।

আসুন এখন থেকে ভিকটিম নয় ধর্ষকের ছবি ভাইরাল করি। তারা যাতে উপযুক্ত শাস্তি পায় সেজন্য পরিবারটিকে সহযোগীতা করি। তাদের পাশে গিয়ে দাঁড়াই। সমাজকে সচেতন করি।

ধর্ষণ বন্ধ করতে হলে ধর্ষককে সচেতন ও সতর্ক করাটা জরুরী; ধর্ষণের শিকার হওয়া ভিকটিমকে নয়।

ধর্ষনের মতো একটি জঘন্য অপরাধ আমাদের সমাজে হুহু করে বাড়ছে; এর লাগাম টেনে ধরা যাচ্ছে না। অনেক ক্ষেত্রে বিচারহীনতাই এর জন্য দায়ী। ধর্ষককে রক্ষা করার লজ্জাহীন দালালী এই সমাজে খুবই লক্ষণীয়। ধর্ষকের জন্য দল বা গোত্র পরিচয় একেবারে অর্থহীন, বিচারিক দীর্ঘসূ্ত্রীতাও অন্যায়। কেবল কঠোর বিচার এবং এ ব্যপারে জিরো টলারেন্সই পারে ধর্ষকের মনে তুমূল আতঙ্ক সৃষ্টি করতে। ধর্ষকদেরকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে এমন অপরাধ করতে সাহস না পায়। ফলে সমাজে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কাপুরুষরাও সতর্ক হবে। এ দায়িত্ব আমাদের পুরুষদেরই নিতে হবে। প্রতিটা পুরুষ যদি বিবেক তাড়িত হয়, মেয়েদরকে সম্মানের চোখে দেখতে শিখে তাহলে বিশ্বব্যাপী ধর্ষণ উল্লেখযোগ্য হারে কমবে বলে আমি বিশ্বাস করি। এজন্য পুরুষ মানুষের মানসিকতার পরিবর্তন করাটা সবচেয়ে বেশি জরুরী। পাশাপাশি পারিবারিক, ধর্মীয়, সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় বিধি-নিষেধ ও আইন মানার প্রবণতা থাকতে হবে।

একজন বিবেক-বুদ্ধি সম্পন্ন "মানুষ" হওয়াটা সবার আগে দরকার।



তথ্যসূত্র -
U.S. Dept of Justice, (January 6, 2012)
Criminal code, (ডিসেম্বর, ২০১২)
Sexual violence chapter (6) World Health Organization (২০১৫)
The Trauma of Sexual Assault Treatment;
Prevention and Practice. (২০০৩)
The Incidence of Prisoner-on-Prisoner Rape, (FBI statistics)
ডক্টর আকতার বানু আলপনা, (ভোরের কাগজ, মে ২০১৭)
www.trendrr.net (জুলাই ৩, ২০১৮)
Susan Brownmiller Papers, Harvard Library, (June 3, 2010)

ফটো ক্রেডিট,
গুগল।

চাইলে পড়তে পারেন-
আমার সবচেয়ে পঠিত, লাইক ও কমেন্ট প্রাপ্ত পোস্ট।
গল্প লেখার সহজ পাঠ
সবচেয়ে পঠিত প্রবন্ধ।
আধুনিক কবিতার পাঠ (সমালোচনা)
আলোচিত ফিচার 'দি লাঞ্চিয়ন'।
ব্রিটেনের প্রবাস জীবন- স্মৃতিকথা।
সবচেয়ে পঠিত গল্প।
সবচেয়ে লাইকপ্রাপ্ত গল্প।
ছবি ব্লগ (লন্ডনের ডায়েরি-১)।

মন্তব্য ১২৩ টি রেটিং +২৭/-০

মন্তব্য (১২৩) মন্তব্য লিখুন

১| ২১ শে জুলাই, ২০১৮ দুপুর ২:৫৩

একদম_ঠোঁটকাটা বলেছেন:

একদম খাঁটি কথা বলেছেন।

২১ শে জুলাই, ২০১৮ বিকাল ৩:২২

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:


প্রিয় ঠোঁটকাটা ভাই, প্রথম মন্তব্যেে আপনাকে পেয়ে ভাল লাগলো। আমাদের সমাজটা একটু অসচেন ও সেলফিস; অবিবেচক ও আবেগী। এজন্য কোন ছবিটি সামাজিক/প্রিন্ট মিডিয়া/টিভি মিডিয়ায় দিতে হবে, আর কোন ছবিটি ভাইরাল করা অন্যায়, অবিবেচনাপ্রসূত তা আমরা বুঝি না। অনেক সময় বুজলেও ছবির আড়ালে নিজের প্রচার, প্রচারণা চালাই। এজন্য ধর্ষণের শিকার ভিকটিমের ছবি ভাইরাল করি; এটা গুরুতর অন্যায়।

একজন ভিকটমের মর্যাদা ঠিকিয়ে রাখা এবং ধর্ষকের ছবি ভাইরাল করা উচিৎ। এতে সমাজ সচেতন হবে; অপরাধ প্রবণতা কমবে।

২| ২১ শে জুলাই, ২০১৮ দুপুর ২:৫৪

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: আশাকরি ভালো আছেন। পোষ্ট পড়ে আসছি পরে।

২১ শে জুলাই, ২০১৮ বিকাল ৩:৩২

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:


ছুটির দিনের শুভেচ্ছা, প্রিয় ভাইকে। আপনার নতুন প্রফাইল পিকটা সুন্দর হয়েছে। তবে, একটু অপরিচিত মনে হয়। B-)

৩| ২১ শে জুলাই, ২০১৮ দুপুর ২:৫৬

:):):)(:(:(:হাসু মামা বলেছেন: সঠিক কথা।

২১ শে জুলাই, ২০১৮ বিকাল ৩:৪৪

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:


ধন্যবাদ, হাসু মামা। বাংলাদেশে আজও সমাজপতিদের সালিসে ধর্ষণের শিকার নারীকে ‘জেনা’র দায়ে দোর্রা মারা হয়। X( ধর্ষকের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক খোঁজা হয়। X(

৪| ২১ শে জুলাই, ২০১৮ দুপুর ২:৫৮

একদম_ঠোঁটকাটা বলেছেন: আরেকটা জিনিষ খুব লক্ষনীয় হারে বেড়ে গেছে তা হল ধর্ষণের ক্ষেত্রে অপ্রাপ্তবয়স্ক অপরাধী সংখ্যা। ইন্টারনেট ও স্মার্ট ফোন এর বদৌলতে পর্ণ ছোট বাচ্চাদের হাতের মুঠোয়।

২১ শে জুলাই, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:০৪

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:


প্রযুক্তির অপব্যবহার তরুনদের ব্র্যান্ড, ইমেজ ও গ্লামারের প্রতি আকর্ষণ বৃদ্ধি করে। ফলে এটির অনুকরণে যুবসমাজ ভালমন্দের পার্থক্য নির্ণয় করতে পারে না। মানুষের জীবনযাত্রার মান সহজ ও স্মার্ট করার পেছনে ইন্টারনেট, ইউটিউব, ভাইবার, ফেসবুকসহ প্রযুক্তির আরো অনেক মাধ্যমের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকলেও এর আবার বিপরীত ভূমিকাও লক্ষ্য করা যায়। যা যুবসমাজের জন্য হুমকিস্বরূপ।

ইন্টারনেট, ইউটিউব, ভাইবার, পর্ণগ্রাফি আসক্তিতে বাংলাদেশের প্রায় ৬২% যুবসমাজ (১২-১৬ বছর) যৌন হয়রানি ও ধর্ষণসহ বড় বড় অপরাধের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে। যা যুবসমাজের জন্য হুমকিস্বরূপ; একটি গবেষণায় পর্ণ আসক্তিতে প্রতি বছর আমেরিকার স্কুল পড়ুয়া ২,৮০,০০০ শিক্ষার্থী গর্ভবতী হচ্ছে যা শুধু পরিবার নয় তথা পুরো সমাজ ও একটি রাষ্ট্রের জন্য হুমকিস্বরূপ। (সূত্র: ন্যাশনাল ক্রাইম প্রিভেনশন সার্ভে)

আমাদের দেশের তরুণ সমাজও আজ দিশেহারা, উন্নত দেশগুলোর সাথে তাল মেলাতে গিয়ে হতাশ হয়ে বিভিন্ন নেশায় ও পর্ণগ্রাফিতে আসক্ত হচ্ছে। এছাড়া সামাজিক ও ধর্মীয় বিভিন্ন অনুশাসনের জন্য বাঁকা পথে ধর্ষণের মতো খুবই ঘৃণিত অপরাধে জড়াচ্ছে। তরুণদের সঠিক গাইড লাইনের পাশাপাশি বাবা-মাকে সবচেয়ে বেশী সতর্ক থাকতে হবে; ছেলে কার সাথে মিশছে, ঠিকমত স্কুল কলেজে যাচ্ছে কিনা, কোন নেশার আসক্তি আছে কিনা তা খতিয়ে দেখতে হবে।

৫| ২১ শে জুলাই, ২০১৮ বিকাল ৩:২৩

নতুন বলেছেন: সভ্য দেশে নারীরা পুলিশে গেলে তাদের অভিযোগ নেওয়া হয় এবং একশন হয়...

কিন্তু আমাদের দেশে সমাজের মাথারা ছেলেটাকা বাচাতে চেস্টা করে এবং মেয়েকে দোষ দেয়....

আর আরব দেশে নারী ধষ`নের অভিযোগে পুলিশে গেলে অনেক সময় তাকে বিবাহবহিভিত যৌন সম্পক করার কারনে সাজা পেতে হেয়েছে এমন অনেক নজির আছে.... তাই আরবে ধষ`নের অভিযোগ পুলিশের খাতায় কত বেশি থাকবে বলুন???

পশ্চিমা দেশে মাদক/নাইটক্লাব অবশ্যই ধষ`নের হার বাড়াতে খুবই বড় ভুমিকা রাখে....

কিন্তু আমাদের দেশে সাজা না হওয়ার কারনে মানুষের মনে ভিতি কম তাই ক্ষমতাওয়ালারা ধষনের মতন কাজ করতে দ্বিধা করেনা।

২১ শে জুলাই, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৫২

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



"সভ্য দেশে নারীরা পুলিশে গেলে তাদের অভিযোগ নেওয়া হয় এবং একশন হয়; কিন্তু আমাদের দেশে সমাজের মায়েরা ছেলেকে বাঁচাতে চেস্টা করে এবং মেয়েকে দোষ দেয়।"

আপনি ঠিকই বলেছেন নতুন ভাই। আমাদের দেশে বিষয়টিকে নেতিবাচকভাবে দেখা হয়; আইন আদালতও ভিকটিমের সহায়ক নয়; আছে নানা রকম হয়রানি আর বিচারিক দীর্ঘ সূত্রিতা। আছে ছবি ভাইরাল হওয়ার ভয়; এজন্য ভিকটিম ও তার পরিবার বেশিরভাগ সময় আইন, আদালত ও মিডিয়াকে এভয়েড করে। নীরবে চোখের জল ফেলে, এতে ধর্ষক আর শক্তিশালী হয়, বিচার না হওয়ায় নতুন করে আরেকটি ঘটনার জন্য প্রস্তুতি নেয়।

৬| ২১ শে জুলাই, ২০১৮ বিকাল ৩:২৫

নতুন বলেছেন: আরেকটা বিষয় আমাদের দেশে যে নারীরা বিয়ের প্রলভনে ধষনের মামলা করে সেটা বন্ধ করা উচিত।

নিজের ইচ্ছায় সম্পক` করে পরে বিয়ে না হলে যদি ছেলের বিরুদ্ধে ধষনের মামলা করে সেটা ভন্ডামী এবং আমাদের দেশের নারীরা আইনের সুবিধা নিচ্ছেন।

২১ শে জুলাই, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:০৪

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:


আমি মনে করি, বিবাহ বহির্ভূত কোন শারীরিক সম্পর্ক শর্ত সাপেক্ষে হতে পারে না; কোন প্রাপ্ত বয়স্ক নারী নিজের ইচ্ছায় এমন সম্পর্কে জড়ালে এর দায় তারই; এজন্য ধর্ষণ মামলা করা যাবে না। ভারতের সুপ্রিম কোর্টও একটি মামলার রায়ে এমন আদেশ দিয়েছে। অনেক মেয়ে ছেলেদের হয়রানি করে। এগুলো বন্ধ হওয়া উচিৎ।

৭| ২১ শে জুলাই, ২০১৮ বিকাল ৩:২৬

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: সুপ্রিয় কাওসারভাই,

আপনার আজকের পোষ্টটি, সবকালে সবদেশে অত্যন্ত দরকারি সচেতনতা মূলক পোষ্ট।

আজই আমাদের এখানে পেপারে দেখলাম, গতচারদিন ধরে হরিয়ানায় বাইশ বছরের একজন গৃহবধূকে চাকরি দেওয়ার টোপ দিয়ে হোটেলে আটকে চল্লিশজনমিলে রেপ করেছে। নির্যাতিতার বয়ান অনুযায়ী স্বামীর বন্ধুকে বিশ্বাস করে শহরে কাজে এসে এহেন পরিস্থিতির মধ্যে পড়েছে। হরিয়ানা পুলিশ হোটেলের ম্যানেজার ও কেয়ারটেকারকে গ্রেপ্তার করে আপাতত তদন্তে এগোচ্ছে । যাক আলোচনা চলতে থাকুক।

শুভকামনা জানবেন ।

২১ শে জুলাই, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:০৯

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:


ঘটনাটি ধিক্কারজনক। আশাকরি, এসব হয়েনাদের উপযুক্ত শাস্তি হবে।

গত ৫ দিন আগে আমার এলাকার একটি ঘটনা নিম্নেে দিলাম........ X(

জকিগঞ্জে শরবতের সঙ্গে ঘুমের ট্যাবলেট মিশিয়ে খাইয়ে অচেতন করে এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে মসজিদের ইমামকে আটক করেছে পুলিশ। মসজিদের ইমামের খাটের নিচ থেকে হাত- পা, মুখ বাঁধা অবস্থায় চতুর্থ শ্রেণীর ঐ স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার করে ইমামকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে এলাকাবাসী। রবিবার রাত নয়টার দিকে উপজেলার কালিগঞ্জ এলাকার হাজারীচক পশ্চিম মহল্লা নতুন পাঞ্জেগানা জামে মসজিদ সংলগ্ন ইমামের বসতঘরে এই ঘটনা ঘটে। রাতে মেয়েটির বাবা হাজারীচক গ্রামের জুবের আহমদ বাদী হয়ে বারঠাকুরী ইউপির দৌলতপুর গ্রামের কুতুব উদ্দীনের ছেলে ইমাম হাসান আহমদ (২৫)কে আসামি করে শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেছেন। সোমবার পুলিশ আটক ইমামকে জকিগঞ্জ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে প্রেরণ করলে আদালত জেলহাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন। জানা গেছে, কথিত ইমাম জকিগঞ্জ থানা পুলিশের ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের মুখে সে স্বীকার করে জানিয়েছে, স্কুল ছুটির পর মেয়েটিকে ডেকে নিয়ে যায় তার রুমে। পরে শরবতের সঙ্গে ঘুমের ট্যাবলেট মিশিয়ে খাওয়ায়। এরপর মেয়েটি অচেতন হয়ে গেলে সে একবার ধর্ষণ করে।

৮| ২১ শে জুলাই, ২০১৮ বিকাল ৩:৩০

হাঙ্গামা বলেছেন: এই দেশের আইন "বালছাল" টাইপের।
আইনের লোকগুলা তো পুরাই "বাঞ্চোত" টাইপের।
যদি ও সবাই না।
ধর্ষনের শাস্তি আরো কঠোর থেকে কঠোর করা দরকার ছিলো।
সহজে প্রমানিত হয় অথবা হাতেনাতে ধৃত পিশাচ গুলাকে মৃত্যুদন্ড দিয়ে দিলে দেখা যাইতো কোন রেপিষ্টের লিঙ্গে কত জোর।
এট লিষ্ট গোড়া থেকে কাইটা দেয়ার আইন থাকলে ও হইতো।

২১ শে জুলাই, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:১৬

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



এক জরিপের বরাত দিয়ে প্রতিষ্ঠানটির কর্ণধার সালমা আলী বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘নানা কারণে ধর্ষণ মামলার ৯০ শতাংশ আসামি খালাস পেয়ে যায়। বিচার প্রক্রিয়া স্বস্তিদায়ক নয় বলেই এসব মামলার বিচার হয় না। এছাড়া প্রভাবশালীরা ভিকটিম বা তার পরিবারের সঙ্গে প্রভাব খাটিয়ে অথবা ভয় দেখিয়ে যে কোনও প্রকালে সমঝোতা করে নেয়। অনেক মামলা আদালত পর্যন্তও যায় না। ফলে অপরাধীরা বারবার অপরাধ করছে।’

‘অনেক সময় বলা হয়, যার অপরাধ তাকেই প্রমাণ করতে হলে ‘ফাঁসিয়ে দেওয়া’র সুযোগ তৈরি হতে পারে। এসব ক্ষেত্রে মনিটরিংয়ের ব্যবস্থা করা মোটেই কঠিন কিছু না। কোনও ভিকটিমের মানসিক অবস্থা বিবেচনার কথা কোনও আইনে সুনির্দিষ্ট করা হয়নি। আমাদের এখানে ভিকটিম সাপোর্ট বলে আসলে কিছু দাঁড়ায়নি।’

এটা দুর্ভাগ্যজনক; এর অবসান হওয়া প্রয়োজন। কমেন্টেেে জন্য ধন্যবাদ হাঙ্গামা ভাই।

৯| ২১ শে জুলাই, ২০১৮ বিকাল ৩:৪৬

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: গুরুদেব,
প্রতিমন্তব্যে আবার আসা।
আমরা আজ অর্ধদিবস করে ফিরছি।তবে আজ একটি বিশেষ কাজে অনেকটা দূরে যেতে হচ্ছে। বাসে বসে বসে টাইপ করছি। বাড়ি ফিরতে সন্ধ্যে হবে ।

একেতো মমতার সভা ধর্মতলায়, তার উপর প্রবল বৃষ্টিতে মারাত্মক ভোগান্তি। সবমিলিয়ে যা তা অবস্থা। আমাদের আগামীকাল রবিবার ছুটি থাকে। আর আমার রবিবারে সবচেয়ে বেশি কাজ থাকে। কাজেই ছুটি বোধহয় আপাতত নেই বলা চলে।

২১ শে জুলাই, ২০১৮ রাত ৮:০৯

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:


"আমরা আজ অর্ধদিবস করে ফিরছি।তবে আজ একটি বিশেষ কাজে অনেকটা দূরে যেতে হচ্ছে। বাসে বসে বসে টাইপ করছি। বাড়ি ফিরতে সন্ধ্যে হবে। একেতো মমতার সভা ধর্মতলায়, তার উপর প্রবল বৃষ্টিতে মারাত্মক ভোগান্তি। সবমিলিয়ে যা তা অবস্থা। আমাদের আগামীকাল রবিবার ছুটি থাকে। আর আমার রবিবারে সবচেয়ে বেশি কাজ থাকে। কাজেই ছুটি বোধহয় আপাতত নেই বলা চলে।"

প্রিয় ভাইয়ের এতো ব্যস্ততা দেখে মনটি খারাপ হয়ে গেল। আশা করবো, কালকের ছুটির দিনটি পরিবারের সবাইকে নিয়ে সুন্দর ও উপভোগ্য হবে। শুভ কামনা রইলো।

১০| ২১ শে জুলাই, ২০১৮ বিকাল ৩:৫৫

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: সমস্যা হলো উন্নত বিশ্বে মৌখিক ভাবে কিছু বলা বা কর্মক্ষেত্রে আপত্তিকর ইমেইল পাঠানোও ধর্ষন বা যৌন হ্যারাসের মধ্যে পড়ে কিন্তু কোরানে ধর্ষনের সংজ্ঞার অনুপস্থিতি (কারন ইসলামে অসম্মতিসূচক সেক্স বৈধ) ও বর্বর শরীয়া আইনে ডিএনএ স হ ফরেনসিক টেস্ট অনুমোদন নেই বলে বেশীর ভাগ সেগুলো ধর্ষনের মধ্যেই পড়ে না বরংচ চাক্ষুষ সাক্ষী দেখাতে না পারলে সেটা ব্যাভিচার হিসেবে গন্য হবে। এক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে সৌদী আরবে প্রতি ১০ টা মেয়েতে প্রায় ৯ জনই যৌন হেনস্থা না শুধু, সরাসরি ধর্ষনের শিকার তাও তাদের নিকাটাত্মীয় এবং নিজের বাবার কাছে। বাংলাদেশে প্রতি ৫০ জনে ৪৫ জন যার কোনোটাই রিপোর্টে আসে না। এই সমীক্ষা করেছিলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটা ছেলে।

জঙ্গি মুসলিম দেশে কিভাবে ধর্ষন ব্যাভিচারে পরিনত হয়ে সমীক্ষার পাশা পাল্টে যায় সেটা নিয়ে বিষদ বর্ননা পাবেন এখানে। এভাবেই ইসলাম বাঁচাতে জঙ্গি মুসলমানেরা নারীদের ক্রিতদাসীনি বানাবে আবার বলবে ব হুত সম্মান দিছি। তার চেয়ে বড় কথা এদের সবগুলো দেশই পেডোফাইলের দেশ।

২১ শে জুলাই, ২০১৮ রাত ৮:১৬

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



ধন্যবাদ, উদাসী স্বপ্ন ভাই। এ বিষগুলোর উপর বেশ কিছু জার্নাল পড়েছি; এছাড়া বিবিসি ও ডি ডব্লিউ তে কিছু ডকুমেন্টারি দেখেছি। এ রিপোর্টগুলো কতটুকু সত্য বা মিথ্যা তা জানি না। এসব দেশের সোসাইটি ও তাদের বিচারিক আদালত বাইরের দুনিয়ায় তেমন প্রচারিত হয় না; অনেকটা ক্লোজ সোসাইটি। আশা করবো, মানুষ সচেতন হবে, পরিবারকেও সচেতন করবে।

১১| ২১ শে জুলাই, ২০১৮ বিকাল ৪:১৬

রাজীব নুর বলেছেন: চমৎকার লিখেছেন। বেশ পরিপাটি লেখা।

কিন্তু আজ পর্যন্ত কোনো কিছুতেই ধর্ষণ বন্ধ হয়নি। অন্যায় অপরাধ কিছুই বন্ধ হয়নি।
কোনোদিন হবে বলেই মনে হয় না।

২১ শে জুলাই, ২০১৮ রাত ৮:২০

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:


"কিন্তু আজ পর্যন্ত কোনো কিছুতেই ধর্ষণ বন্ধ হয়নি। অন্যায় অপরাধ কিছুই বন্ধ হয়নি।
কোনোদিন হবে বলেই মনে হয় না।"

রাজীব ভাই আপনি ঠিকই বলেছেন। এ ব্যাধি আগেও ছিল, এখনও আছে, ভবিষ্যতেও থাকবো। আমাদের উচিৎ মানুষকে সচেতন করা; আইনের সর্বোচ্চ প্রয়োগ এবং ভিকটিমকে সহযোগিতা করা। মানুষ সভ্য হলে ধর্ষণের মতো ঘটনা কমবে।

১২| ২১ শে জুলাই, ২০১৮ বিকাল ৪:৪১

ঢাবিয়ান বলেছেন: অত্যন্ত বাস্তবসম্মত ও তথ্যসমৃদ্ধ একটি পোস্ট। প্রতিটি দেশে সংঘটিত এই জঘন্য অপরাধের প্রেক্ষাপট ভিন্ন। বিষয়টা খুব সুন্দরভাবে তুলে ধরেছেন

২১ শে জুলাই, ২০১৮ রাত ৮:২৩

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:


প্রতিটি দেশে, প্রতিটি সমাজে প্রতিটি ব্যবস্থায় ধর্ষণকে সবথেকে বড় এবং ঘৃণ্য অপরাধ বলে ধরে নেওয়া হয়। ধর্ষণের বিরুদ্ধে শাস্তির বিধানও তেমনভাবেই ঠিক করা হয়। কোথাও কোথাও আবার এই বিষয়টিকে সামাজিক ব্যধি বলেও ধরে নেওয়া হয়। এই শাস্তির ফলে নিগৃহীতার জীবনেও নেমে আসে নানা ধরনের বাধা।

তবে, বিশ্বে এমন কতগুলি দেশ আছে যেখানে ধর্ষণের সাজা মারাত্মক। আসুন দেখেনি সেখানে কেমন সাজা দেওয়া হয়-

চিন: কমিউনিজিমে বিশ্বাসী এই দেশটিতে ধর্ষণের সাজা শুধুমাত্র মৃত্যুদণ্ডই। ধর্ষণ প্রমাণ হলেই আর কোনও সাজা নয়, সরাসরি মৃত্যুদণ্ড। আর তা কার্যকর করা হয় অত্যন্ত দ্রুত।

ইরান: হয় ফাঁসি, না হয় সোজাসুজি গুলি। এভাবেই এদেশে শাস্তি দেওয়া হয় ধর্ষককে। কারণ তারা মনে করে, দোষী ধর্ষিতা নন, ধর্ষকই এই কাজে আসল দোষী।

আফগানিস্থান: এই দেশটির কথা উঠলেই মনে পরে তালিবানী শাসন। কিন্তু, অদ্ভুত বিষয় আফগানিস্থানে ধর্ষণের হার অত্যন্ত কম। তবে, সেখানে ধর্ষণের সাজা শুনলে আপনিও আঁতকে উঠবেন। কারণ, ধর্ষণ করে ধরা পড়লে সোজা মাথায় গুলি করে মারা হয় ধর্ষককে।

ফ্রান্স: নির্যাতিতার শারীরিক অবস্থার ওপর নির্ভর করে ধর্ষকের সাজা ঠিক করা হয় এখানে। তবে, ধরা পড়ার পর এবং অপরাধ প্রমাণিত হলে কমপক্ষে ১৫ বছরের জেল। অপরাধ গুরুতর হলে তা বেড়ে হতে পারে ৩০ বছরও।

উত্তর কোরিয়া: এদেশে ধর্ষণের সাজা শুধুই মৃত্যুদণ্ড। অভিযোগ, গ্রেফতার আর তারপর অভিযোগ প্রমাণ হলে গুলি করে হত্যা করা হয় ধর্ষককে।

সৌদি আরব: এখানেও ধর্ষণের কঠোর সাজা দেয়া হয় । ধর্ষককে প্রকাশ্যেই বেত্রাঘাত করে শাস্তি দেয়া হয় এদেশে। আর তাই এখানেও ধর্ষণের সংখ্যা অনেকটাই কম।

প্রিয় ভাই লেখাটি পড়ায় এবং কমেন্ট করায় ধন্যবাদ।

১৩| ২১ শে জুলাই, ২০১৮ বিকাল ৫:১৩

চাঁদগাজী বলেছেন:


আপনি ১ম লাইনে বলেছেন, "মানবজাতির গোড়াপত্তনের সঠিক ইতিহাস কারো জানা নেই। বিজ্ঞানীদের ধারণা তা কয়েক মিলিয়ন বছর হতে পারে।"

১ মিলিয়ন = ১০ লাখ
যেই টাইমলাইনে শারীরিক ও মানসিকভাবে আমাদের প্রজাতিকে "মানুষ হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে", সেটা ২ লাখ বছর আগে ঘটেছে। ২ লাখ ও "কয়েক মিলিয়ন" সমান নয়। মানব সমাজ ২ লাখ বছর প্বথিবীতে আছে।

২১ শে জুলাই, ২০১৮ রাত ৮:২৫

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:


প্রথম লাইন পড়েই মন্তব্য করার জন্য ধন্যবাদ আপনাকে। আপনি যে বিষয়টি নিয়ে বলছেন, তা খতিয়ে দেখবো।

১৪| ২১ শে জুলাই, ২০১৮ বিকাল ৫:২৭

এমজেডএফ বলেছেন: অল্প পরিসরে অনেক তথ্যের সমাহারে ধর্ষণ বিষয়ক লেখাটি ভালো লেগেছে। সময় নিয়ে পরিশ্রম করে এ ধরনের লেখার জন্য কাওসার ভাইকে ধন্যবাদ।
"পৃথিবীর মধ্যে সবচেয়ে বেশী ধর্ষণের ঘটনা ঘটে যুক্তরাষ্ট্র, সুইডেন, ব্রিটেন, বেলজিয়াম, অস্ট্রেলীয়া, সাউথ আফ্রকা, বোতসোয়ানা, নিকারাগুয়া ও পানামায়।"
উল্লেখ্য, উপরল্লোখিত উন্নত দেশসমূহে ধর্ষণজনিত প্রায় সব ঘটনা পুলিশের কাছে অভিযোগ করা হয়। কারণ সেখানে ধর্ষণজনিত ঘটনায় ভিকটিমকে সামাজিকভাবে হেয় চোখে দেখা হয় না। বরংচ পরিবার, আত্মীয়-স্বজন, সমাজ ও পুলিশ সবাই ভিকটিমকে সহযোগীতা করে। তাছাড়া শিশুদেরকে প্রাইমারী স্কুলেই শিক্ষা দেওয়া হয় যে তাদের সাথে কেউ ধর্ষণ জাতীয় আচরণ করলে যেন সাথে সাথে শিক্ষককে জানায়। আর আমাদের বাংলাদেশে পুরো উল্টো। প্রথম: ভিকটিম নিজেরাই লজ্জায় এ ধরনের ঘটনা কাউকে বলে না। দ্বিতীয়: ভিকটিম মা-বাবাকে বললেও সামাজিক লাজ-লজ্জার কারণে তা প্রকাশ করে না। আবার অনেকে মেডিকেল টেস্ট, মামলা, সাক্ষী ইত্যাদি ঝামেলার কারণে পুলিশের কাছে যায় না। শুধুমাত্র ধর্ষণজনিত ঘটনায় মারাত্মক জখম হয়ে হাসপাতালে আসলেই তা পুলিশের খাতায় ও পত্রিকার পাতায় আসে! অর্থাৎ বাংলাদেশে ধর্ষণজনিত ঘটনার খুব সামান্য অংশই পরিসংখ্যানে আসে। তাই পরিসংখ্যানে ধর্ষণের ঘটনা বাংলাদেশে উন্নত বিশ্বের অনেক দেশ থেকে কম হলেও বাস্তবতা কিন্তু তার বিপরীত।

২১ শে জুলাই, ২০১৮ রাত ৮:৩৩

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:


একজন নারী ধর্ষণের শিকার হয়ে আদালতে বিচার চাইলেই বিরুদ্ধপক্ষ তার চরিত্র নিয়ে প্রশ্ন তুলে থাকে। বাদীকে মানসিকভাবে হেনস্তা করতেই মূলত প্রতিপক্ষ এমনটা করে থাকে।

আর আইনও ওই নারীকে ‘দুশ্চরিত্রা’ বলে আখ্যায়িত করার অনুমতি দিয়ে রেখেছে প্রতিপক্ষকে। আদালতে এভাবে মান-ইজ্জত নিয়ে ‘টানাহেঁচড়া’ দেখে অনেকেই বিচার চাইতে গিয়ে দ্বিধায় পড়ে যায়। সওয়াল-জবাবের নামে আইনজীবীর ‘আপত্তিকর জেরা’ এড়াতে তারা আদালতের দ্বারস্থ হতে চায় না।

ব্রিটিশ আমলে ১৮৭২ সালে প্রণীত সাক্ষ্য আইনের ১৫৫ (৪) ধারা অনুযায়ী এই ‘দুশ্চরিত্র’ শব্দটি বলা যায়। মানবাধিকার কর্মীরা দীর্ঘদিন ধরেই ধারাটি বাতিলের দাবি জানিয়ে আসছেন। এমনকি প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহাও ধারাটি বাতিলের দাবি তুলেছেন। কিন্তু কোনো কিছুই কাজে আসেনি।

বাংলাদেশ মহিলা আইনজীবী সমিতির নির্বাহী পরিচালক অ্যাডভোকেট সালমা আলী কালের কণ্ঠকে বলেন, “দেশের জন্য এটি খুবই অপমানজনক ব্যাপার। যারা এই আইন প্রণয়ন করেছিল, সেই ব্রিটিশরা কিন্তু নিজের দেশে সেটি সংশোধন করে নিয়েছে।

এই আইন নামক জিনিসটি বড়ই ঝামেলা এদেশে ধর্ষকের বিচার করতে। আপনার সুচিন্তিত কমেন্টের জন্য ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা ভাই।

১৫| ২১ শে জুলাই, ২০১৮ বিকাল ৫:৩৪

হাঙ্গামা বলেছেন: এদেরকে বাচিয়ে রাখার পেছনে কোন যুক্তি আছে?

২১ শে জুলাই, ২০১৮ রাত ৮:৩৫

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: আপনার দেওয়া লিঙ্কের সংবাদটি পড়লাম; ধিক্কার জানাই এই পিশাচদের। আশা করি, আদালত এদের চরম শাস্তি দেবে।

১৬| ২১ শে জুলাই, ২০১৮ বিকাল ৫:৩৫

পাঠকের প্রতিক্রিয়া ! বলেছেন: অর্ধেক পড়লুম।
@নতুন
@হাঙ্গামা

সহমত।

জোরপূর্বক তো আছেই!
ইদানিং বালিকারা বড় বেশী উদার হইয়া গিয়াছে। প্রেমের নামে রিক্সা, পার্ক, চিপাচাপা, ফোনসেক্স, ভিডিওকল.... রুমডেট..... এর মাধ্যমে নিজের দানশীলতার পরিচয় দিচ্ছে। সবাই তো আর আমার মত নয় যে রুমে একা পাইয়াও ছাড়িয়া দিবে... :P

২১ শে জুলাই, ২০১৮ রাত ৮:৪০

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:


"ইদানিং বালিকারা বড় বেশী উদার হইয়া গিয়াছে। প্রেমের নামে রিক্সা, পার্ক, চিপাচাপা, ফোনসেক্স, ভিডিওকল.... রুমডেট..... এর মাধ্যমে নিজের দানশীলতার পরিচয় দিচ্ছে।"

এ বিষয়গুলো ইদানিং বেড়ে গেছে; অল্প বয়সী স্কুলে পড়ুয়া মেয়েদের এমন কিছু বাজে ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে দেখি; ভীত হই। আশা করি মা-বাবারা তাদের টিনেজ মেয়েদের ব্যাপারে আরো সতর্ক হবেন। আর মেয়েরাও চলার পথে, বন্ধু নির্বাচনে আরো সতর্ক হবে।

১৭| ২১ শে জুলাই, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:০৪

চাঁদগাজী বলেছেন:


গত সাড়ে ৩ বছরে, ধর্ষণের উপরে সামুতে ৫'শতের বেশী পোষ্ট পড়েছি ; কোনটাতে "গবেষণামুলক" শব্দটা ছিলো না; আপনারটাতে আছে; কোন কারণ?

২১ শে জুলাই, ২০১৮ রাত ৮:৪৬

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:


আপনার প্রথম কমেন্টের উত্তর দেওয়ার আগে দ্বিতীয় কমেন্ট করলেন, এজন্য আবারও ধন্যবাদ। প্রথম কমেন্ট ছিল "প্রথম লাইন" নিয়ে, আর দ্বিতীয় কমেন্ট "শিরোনাম" নিয়ে। লেখাটি পড়ে কমেন্ট করলে খুশি হতাম।

এভাবে কমেন্ট করাকে নিশ্চয় 'কোয়ালিটি কমেন্ট' বলা যাবে না; ফলে কমেন্টের মান উন্নয়নের জন্য আরো আরো পোস্ট দিলেও কমেন্টের মান উন্নয়ন হওয়ার কোন সম্ভাবনা থাকবে না।

১৮| ২১ শে জুলাই, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৪২

ক্স বলেছেন: আজকের বাংলাদেশে যে ধর্ষণের মহামারী, আজ থেকে ২০ বছর আগে তা কল্পনাও করা যেতনা। তখন যুবকেরা মুরুব্বি দেখলে সালাম করত, তাদের চোখে চোখ রেখে কথা বলতে সঙ্কোচ বোধ করত। আগেকার দিনে গ্রামের মেয়েরা একা চলাফেরা করত না। একজন বাবা/ভাই অথবা আকজন বান্ধবী নিয়ে চলত। ইদানিং গ্রামের বাড়িতে বেড়াতে গেলে গ্রামের সেই অবোধ মেয়েদের মধ্যে আর স্বভাবসুলভ লজ্জাশীলতা, শালীনতা খুঁজে পাইনা - বরং তাদের চলাফেরায় কেমন একটা উগ্রতা লক্ষ্য করি। এরকম একটা মেয়েকে যদি কোন মাস্তানের মনে ধরে, প্রেম নিবেদন করে এবং প্রত্যাখ্যাত হয়, তাহলে তার কাছ থেকে আমরা কি আচরণ আশা করতে পারি?

ধর্ষণের মহামারি ঠেকানোর আপাতত কোন উপায় দেখতে পাচ্ছিনা। তবে আরব দেশে এবং স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশে ধর্ষণ হয়না বললেই চলে। এর কারণ, আরবে আইনের শাসন খুব কড়া এবং মেরুর দেশের অধিবাসীরা খুব সুখী জীবন যাপন করে। এর কোনটা আমাদের জন্য উপযোগী হতে পারে, জানেন কেউ?

২১ শে জুলাই, ২০১৮ রাত ৮:৫৮

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:


দেশে উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনা। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত চার মাসে দেশে প্রায় দেড় হাজার ধর্ষণ, হত্যা ও নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে ২৫৮টি ধর্ষণ ও ৫৫টি গণধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এ ছাড়া ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনা ১৫টি ও ধর্ষণচেষ্টার ৬০টি ঘটনা ঘটেছে।

বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ এ তথ্য জানিয়েছে। পরিষদের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৭ সালের প্রথম চার মাসে ধর্ষণ, গণধর্ষণ, এসিড নিক্ষেপ, নারী ও শিশু পাচার, যৌন নিপীড়ন, আত্মহত্যা, বাল্যবিবাহ, অপহরণ ছাড়াও বিভিন্নভাবে এক হাজার ৫৬৬টি নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে। চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে ৫৮ জন, ফেব্রুয়ারিতে ৬২, মার্চে ৭১ ও এপ্রিল মাসে ৬৭ নারী ধর্ষণের শিকার হয়েছেন।

আমরা এমন সংবাদ দেখতে চাই না; আমরা চাই, প্রতি বছর এ সংখ্যাটি উল্লেখযোগ্য হারে কমবে। কমেন্টের জন্য ধন্যবাদ, ক্স ভাই।

১৯| ২১ শে জুলাই, ২০১৮ রাত ৮:৪২

চাঁদগাজী বলেছেন:


লেখক বলেছেন, "প্রথম লাইন পড়েই মন্তব্য করার জন্য ধন্যবাদ আপনাকে। আপনি যে বিষয়টি নিয়ে বলছেন, তা খতিয়ে দেখবো। "

-গবেষণামুলক লেখার ১লা লাইনে যদি "মৌলিক ভুল" থাকে, কতদুর আর পড়া যায়?

২১ শে জুলাই, ২০১৮ রাত ৮:৪৮

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: লেখায় আপনি মৌলিক ভুল খুঁজে পেয়েছেন এজন্য ধন্যবাদ।

২০| ২১ শে জুলাই, ২০১৮ রাত ৮:৪২

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
কোরান হাদিস ভিত্তিক খাটি ইসলামী আইনে ধর্ষণের সংগা বা শাস্তি নেই।
আছে জেনার (বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক)

২১ শে জুলাই, ২০১৮ রাত ৮:৫০

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:


হাসান ভাই, শুভেচ্ছা রইলো। এ বিষয়টি আমার জানা নেই। সময় সুযোগে এগুলো পড়ে দেখবো।

২১| ২১ শে জুলাই, ২০১৮ রাত ১০:২৭

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: বিশাল গবেষনা ধর্মী পোষ্টের জন্য ধন্যবাদ
খূঁটিনাটি পর্যালোচনা পোষ্টটিকে ঋদ্ধ করেছেন।
তবে উদাসী স্বপ্ন ভায়ার ইসলাম নিয়ে বরাবরের মতো বাকী সব বিষয়ে ভুল ধারনার মতো এই বিষয়েও দেখলাম
ভুল ধারনা নিয়েই বসে আছে। হাসান কালবৈশাখী ভায়াও কাছাকাছি!

উনারা বিজ্ঞ জ্ঞানী মানুষ। উনাদের ভূল ভাঙ্গানো আমার কম্মো নয়। তবে আমার মতো সাধারন পাঠক
যারা মন্তব্য পরছেন অথচ সময় নেই অনেক কিছূ ঘেটে যাচাই করার সকলের জন্য সামান্য তথ্য যোগ করলাম।

ইসলামে ধর্ষণের সংজ্ঞা:

ইসলাম ধর্ষণকে ভিন্নভাবে সংজ্ঞায়িত করেনি। কারণ ইসলামে ধর্ষণ ভিন্ন কোনো অপরাধ নয়। বরং বিবাহবহির্ভূত যে কোনো যৌন সঙ্গমই ইসলামে অপরাধ। যাকে “যিনা” শব্দে উল্লেখ করা হয়েছে।

যিনা সুস্পষ্ট হারাম এবং শিরক ও হত্যার পর বৃহত্তম অপরাধ। আল-কুরআনে আছে:

وَالَّذِينَ لَا يَدْعُونَ مَعَ اللَّهِ إِلَٰهًا آخَرَ وَلَا يَقْتُلُونَ النَّفْسَ الَّتِي حَرَّمَ اللَّهُ إِلَّا بِالْحَقِّ وَلَا يَزْنُونَ ۚ وَمَن يَفْعَلْ ذَٰلِكَ يَلْقَ أَثَامًا ﴿٦٨﴾ يُضَاعَفْ لَهُ الْعَذَابُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ وَيَخْلُدْ فِيهِ مُهَانًا ﴿٦٩﴾ إِلَّا مَن تَابَ وَآمَنَ وَعَمِلَ عَمَلًا صَالِحًا فَأُولَٰئِكَ يُبَدِّلُ اللَّهُ سَيِّئَاتِهِمْ حَسَنَاتٍ ۗ وَكَانَ اللَّهُ غَفُورًا رَّحِيمًا ﴿٧٠﴾
এবং যারা আল্লাহর সাথে অন্য উপাস্যের এবাদত করে না, আল্লাহ যার হত্যা অবৈধ করেছেন, সঙ্গত কারণ ব্যতীত তাকে হত্যা করে না এবং ব্যভিচার করে না। যারা একাজ করে, তারা শাস্তির সম্মুখীন হবে। কেয়ামতের দিন তাদের শাস্তি দ্বিগুন হবে এবং তথায় লাঞ্ছিত অবস্থায় চিরকাল বসবাস করবে। কিন্তু যারা তওবা করে বিশ্বাস স্থাপন করে এবং সৎকর্ম করে, আল্লাহ তাদের গোনাহকে পুন্য দ্বারা পরিবর্তত করে এবং দেবেন। আল্লাহ ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু। (ফুরকান, ৬৮-৭০)

অন্যত্র আল্লাহ তায়ালা বলেন,

وَلَا تَقْرَبُوا الزِّنَا إِنَّهُ كَانَ فَاحِشَةً وَسَاءَ سَبِيلًا ﴿الإسراء: ٣٢﴾
আর ব্যভিচারের কাছেও যেয়ো না। নিশ্চয় এটা অশ্লীল কাজ এবং মন্দ পথ। (ইসরা, ৩২)

ইমাম কুরতুবী বলেন, “উলামায়ে কিরাম বলেন, ‘যিনা করো না’ –এর চেয়ে ‘যিনার কাছেও যেয়ো না’ অনেক বেশি কঠোর বাক্য।”

এর অর্থ যিনার ভূমিকা যেসব বিষয়, সেগুলোও হারাম।

যিনার শাস্তি

ইসলামে যিনার শাস্তি ব্যক্তিভেদে একটু ভিন্ন। যিনাকারী যদি বিবাহিত হয়, তাহলে তাকে প্রকাশ্যে পাথর মেরে মৃত্যুদন্ড দেয়া হবে। আর যদি অবিবাহিত হয়, তাহলে তাকে প্রকাশ্যে একশত ছড়ি মারা হবে। নারী-পুরুষ উভয়ের জন্য একই শাস্তি।

الزَّانِيَةُ وَالزَّانِي فَاجْلِدُوا كُلَّ وَاحِدٍ مِّنْهُمَا مِائَةَ جَلْدَةٍ وَلَا تَأْخُذْكُم بِهِمَا رَأْفَةٌ فِي دِينِ اللَّهِ إِن كُنتُمْ تُؤْمِنُونَ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ وَلْيَشْهَدْ عَذَابَهُمَا طَائِفَةٌ مِّنَ الْمُؤْمِنِينَ ﴿النور: ٢﴾
ব্যভিচারিণী নারী ব্যভিচারী পুরুষ; তাদের প্রত্যেককে একশ’ করে বেত্রাঘাত কর। আল্লাহর বিধান কার্যকর কারণে তাদের প্রতি যেন তোমাদের মনে দয়ার উদ্রেক না হয়, যদি তোমরা আল্লাহর প্রতি ও পরকালের প্রতি বিশ্বাসী হয়ে থাক। মুসলমানদের একটি দল যেন তাদের শাস্তি প্রত্যক্ষ করে। (নূর: ২)

হাদীসে আছে,

البكر بالبكر جلد مائة، ونفي سنة، والثيب بالثيب جلد مائة والرجم
অবিবাহিত পুরুষ-নারীর ক্ষেত্রে শাস্তি এক শত বেত্রাঘাত এবং এক বছরের জন্য দেশান্তর। আর বিবাহিত পুরুষ-নারীর ক্ষেত্রে একশত বেত্রাঘাত ও রজম (পাথর মেরে মৃত্যুদন্ড)। (সহীহ মুসলিম)

এই হাদীস থেকে অন্য ফিক্বহের ফকীহগণ বলেন, যিনাকারী অবিবাহিত হলে তার শাস্তি দুটো। ১. একশত বেত্রাঘাত। ২. এক বছরের জন্য দেশান্তর।
আর হানাফী ফকীহগণ বলেন, এক্ষেত্রে হদ (শরীয়ত কর্তৃক নির্ধারিত শাস্তি) হলো একশত বেত্রাঘাত। আর দেশান্তরের বিষয়টি ক্বাযী বা বিচারকের বিবেচনাধীন। তিনি ব্যক্তি বিশেষে তা প্রয়োগ করতে পারেন।

ধর্ষণের শাস্তি

ধর্ষণের ক্ষেত্রে একপক্ষে যিনা সংঘটিত হয়। আর অন্যপক্ষ হয় মজলুম বা নির্যাতিত। তাই মজলুমের কোনো শাস্তি নেই। কেবল জালিম বা ধর্ষকের শাস্তি হবে।
ধর্ষণের ক্ষেত্রে দুটো বিষয় সংঘটিত হয়। ১. যিনা ২. বলপ্রয়োগ/ ভীতি প্রদর্শন।

প্রথমটির জন্য পূর্বোক্ত যিনার শাস্তি পাবে। পরেরটির জন্য ফকীহদের একটি অংশ বলেন, মুহারাবার শাস্তি হবে।

মুহারাবা (محاربة) হলো, পথে কিংবা অন্যত্র অস্ত্র দেখিয়ে বা অস্ত্র ছাড়াই ভীতি প্রদর্শন করে ডাকাতি করা। এতে কেবল সম্পদ ছিনিয়ে নেয়া হতে পারে, আবার কেবল হত্যা করা হতে পারে। আবার দুটোই হতে পারে।

মালেকী ফকীহগণ মুহারাবার সংজ্ঞায় সম্ভ্রম লুট করার বিষয়টিও যোগ করেছেন।

তবে সকল ফকীহই মুহারাবাকে পৃথিবীতে অনাচার সৃষ্টি, নিরাপত্তা বিঘ্নিত করণ, ত্রাস সৃষ্টি ইত্যাদি অর্থে উল্লেখ করেছেন।

মুহারাবার শাস্তি আল্লাহ এভাবে উল্লেখ করেছেন,

إِنَّمَا جَزَاءُ الَّذِينَ يُحَارِبُونَ اللَّهَ وَرَسُولَهُ وَيَسْعَوْنَ فِي الْأَرْضِ فَسَادًا أَن يُقَتَّلُوا أَوْ يُصَلَّبُوا أَوْ تُقَطَّعَ أَيْدِيهِمْ وَأَرْجُلُهُم مِّنْ خِلَافٍ أَوْ يُنفَوْا مِنَ الْأَرْضِ ذَٰلِكَ لَهُمْ خِزْيٌ فِي الدُّنْيَا وَلَهُمْ فِي الْآخِرَةِ عَذَابٌ عَظِيمٌ ﴿المائدة: ٣٣﴾
যারা আল্লাহ ও তাঁর রসূলের সাথে সংগ্রাম করে এবং দেশে হাঙ্গামা সৃষ্টি করতে সচেষ্ট হয়, তাদের শাস্তি হচ্ছে এই যে, তাদেরকে হত্যা করা হবে অথবা শূলীতে চড়ানো হবে অথবা তাদের হস্তপদসমূহ বিপরীত দিক থেকে কেটে দেয়া হবে অথবা দেশ থেকে বহিষ্কার করা হবে। এটি হল তাদের জন্য পার্থিব লাঞ্ছনা আর পরকালে তাদের জন্যে রয়েছে কঠোর শাস্তি। (মায়িদা: ৩৩)

এখানে হত্যা করলে হত্যার শাস্তি, সম্পদ ছিনিয়ে নিলে বিপরীত দিক থেকে হাত-পা কেটে দেয়া, সম্পদ ছিনিয়ে হত্যা করলে শূলীতে চড়িয়ে হত্যা করা – এরূপ ব্যখ্যা ফকীহগণ দিয়েছেন। আবার এর চেয়ে লঘু অপরাধ হলে দেশান্তরের শাস্তি দেয়ার কথা উল্লেখ করেছেন।

মোটকথা, হাঙ্গামা ও ত্রাস সৃষ্টি করে করা অপরাধের শাস্তি ত্রাস ও হাঙ্গামাহীন অপরাধের শাস্তি থেকে গুরুতর।

এ আয়াত থেকে বিখ্যাত মালেকী ফকীহ ইবনুল আরাবী ধর্ষণের শাস্তিতে মুহারাবার শাস্তি প্রয়োগের মত ব্যক্ত করেছেন।

উল্লেখ্য, ধর্ষক যদি বিবাহিত হয়, তাহলে এমনিতেই তাকে পাথর মেরে মৃত্যুদন্ড দেয়া হবে। কিন্তু সে বিবাহিত না হলে তাকে বেত্রাঘাতের পাশাপাশি বিচারক চাইলে দেশান্তর করতে পারেন। কিংবা অপরাধ গুরুতর হলে বা পুনরায় হলে অবস্থা বুঝে মুহারাবার শাস্তিও প্রদান করতে পারেন।

আশাকরি ইসলাম ধর্ষনকে কোনভাবেই ক্ষমা করেনি। বরং তারচে বেশী শুদ্ধতার জন্য বহুগামীতাকেও অনুৎসাহিত করেছে।
বৈধ ভাবে একাধীক বিবাহের অনুমতি থাকলেও তা যথেষ্ট কঠিন শর্তসাপেক্ষ। সো কথায় কথায় ইসলামের ছিদ্র অন্বেষন না করে বরং তার মর্মার্থ অনুভবের চেষ্টা জীবনকে অনেক বেশী পূর্ণতা দিতে পারে বলেই বিশ্বাস।

পোস্টে +++++++

২২ শে জুলাই, ২০১৮ রাত ১:৩৩

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:


'অ্যান্টি-ইসালামিস্ট’, ‘অ্যান্টি-হিন্দুইস্ম’ আর ‘নাস্তিকতা’র মধ্যে আকাশ পাতাল তফাৎ! কারণ ‘অ্যান্টি’ দিয়ে যখন কিছু শুরু হয়ে তখন তা উগ্রতায় পরিণত হয়! গঠনমূলক সমালোচনা যদি করতেই হয়, যারা ধর্মের অপব্যাবহার করে যাচ্ছে তাঁদেরকে ধর্মের রেফারেন্স দিয়ে চোখে আঙ্গুল দিয়ে ভুলটা ধরিয়ে দেয়া উচিৎ! এভাবে কী নিরপেক্ষ ও গঠনমূলক সমালোচনার মাধ্যমে অনাকাঙ্খিত ঘাঁত-প্রতিঘাত এড়ানো সম্ভব নয়?

বিশ্বাসী আর অবিশ্বাসী! এই দুই এর মধ্যে মতের অমিল আজ নতুন কিছু নয়! গোলমাল’টা শুরু হয় যখন অন্যের বিশ্বাসটা ভুল প্রমাণের জন্য কিছু মানুষ উঠেপড়ে লেগে যায়, যা কেউ কেউ উপেক্ষা করতে পারে না। কারো কলমের এক খোঁচায় কারো মন ভেঙে যায়, আবার কেউ অন্ধ বিশ্বাসের জোরে কারো জীবন কেড়ে নেয়! এই ঘাত প্রতিঘাতের অবসান হোক। একে অন্যের ধর্ম অথবা বিশ্বাসকে (আস্তিকতা অথবা নাস্তিকতা) সম্মান দেওয়া বাঞ্ছনীয়!

আমাদের সবার সামাজিক স্বহাবস্থানের কোন বিকল্প নেই, তাই বিতর্কের জন্ম দিয়ে আমাদের সবার ক্ষতি! উন্নয়নশীল একটা দেশে স্পর্শকাতর বিষয়গুলো ছাড়া অনেক বৃহত্তর বিষয় রয়েছে যেখানে সবার মিলে মিশে মগজ ঢালা উচিৎ!

প্রিয় বিদ্রোহী ভৃগু ভাই, আমি মানুষের ধর্মীয় বিশ্বাস, আস্তিকতা ও নাস্তিকতা নিয়ে গত কয়েক বছর অনেক পড়েছি; চাইলে ব্লগে এ বিষয়ে বড় বড় পোস্ট দিয়ে ব্লগকে মাতিয়ে তুলতে পারি। কিন্তু আমি কখনো এসব বিষয় নিয়ে লেখবো না। আস্তিক, নাস্তিক বিতর্ক আগেও ছিল, এখনো আছে, ভবিষ্যতে আরো বাড়বে। এজন্য ব্লগে এমন পোস্ট দেখলে চুপিচুপি পড়ি; কোন কমেন্ট করি না।

শুভ রাত্রি।

২২| ২২ শে জুলাই, ২০১৮ রাত ১২:২২

বিচার মানি তালগাছ আমার বলেছেন: প্রথমেই দুঃখিত যে আপনার লেখায় আমি নতুন কিছু পেলাম না। 'ধর্ষণ' বিষয়ে গতানুগতিক যে লেখাগুলো দেখা যায়, সেগুলোরই পুনরাবৃত্তি। শেষ লাইনের আগের লাইনে শুধু একবার 'ধর্মীয়' শব্দটা ব্যবহার করা ছাড়া এই বিষয়ে(ধর্মীয়) কোন গুরুত্বারোপ করেননি।
আপনি এক লাইনে লিখেছেন - বাসা বাড়িতে কাজের মেয়েকে ধর্ষণ করা একটা কমন বিষয়। আমার কাছে এটা বাহুল্য মনে হয়েছে। এছাড়াও যেভাবে ঘর বাড়ি, ভার্সিটিতে মেয়েদের ধর্ষণের উদাহরণ টানলেন মনে হয় বাংলাদেশ ফ্রি সেক্সের একটা দেশ হয়ে গিয়েছে। ৩/৪ টা উদাহরণ দিয়ে পুরো সমাজ ব্যবস্থা সম্পর্কে ধারণা করা যাবে না।
তবে হ্যাঁ, আমাদের দেশে মিউচুয়াল সেক্স(যেটা আপনার লেখায় রাজনীতিবিদ/বস/শিক্ষক/বিয়ের প্রলোভনে সেক্স অংশে আছে) বেড়ে গিয়েছে যেটা কখনোই ধর্ষণের ক্যাটাগরিতে ফেলতে পারেন না আপনি

২২ শে জুলাই, ২০১৮ রাত ১:০৬

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:
আপনার সুচিন্তিত কমেন্ট পড়ে ভাল লাগলো, ভাই। ভাল থাকবেন।

২৩| ২২ শে জুলাই, ২০১৮ সকাল ৭:৪৯

সনেট কবি বলেছেন: সঠিক কথা।

২২ শে জুলাই, ২০১৮ দুপুর ১:২০

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: ধন্যবাদ, প্রিয় কবি। অনেক শুভ কামনা আপনার জন্য।

২৪| ২২ শে জুলাই, ২০১৮ সকাল ৯:৩৭

রাজীব নুর বলেছেন: লেখক বলেছেন:


"কিন্তু আজ পর্যন্ত কোনো কিছুতেই ধর্ষণ বন্ধ হয়নি। অন্যায় অপরাধ কিছুই বন্ধ হয়নি।
কোনোদিন হবে বলেই মনে হয় না।"

রাজীব ভাই আপনি ঠিকই বলেছেন। এ ব্যাধি আগেও ছিল, এখনও আছে, ভবিষ্যতেও থাকবো। আমাদের উচিৎ মানুষকে সচেতন করা; আইনের সর্বোচ্চ প্রয়োগ এবং ভিকটিমকে সহযোগিতা করা। মানুষ সভ্য হলে ধর্ষণের মতো ঘটনা কমবে

বড় ভাই, শিক্ষার দিকে মনোযোগ দিতে হবে। একজন শিশুকে জন্মের পর থেকে ভালো শিক্ষা দিতে হবে।
কুসংস্কার বিশ্বাস থেকে মুক্ত হতে হবে।

২২ শে জুলাই, ২০১৮ দুপুর ১:১৯

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



"শিক্ষার দিকে মনোযোগ দিতে হবে। একজন শিশুকে জন্মের পর থেকে ভালো শিক্ষা দিতে হবে। কুসংস্কার বিশ্বাস থেকে মুক্ত হতে হবে।"

রাজীব ভাই, একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বলেছেন। সমাজকে সচেতন করতে সুশিক্ষার কোন বিকল্প নেই।

২৫| ২২ শে জুলাই, ২০১৮ সকাল ৯:৫৫

এ.এস বাশার বলেছেন: অনেক কিছু শিখলাম.........................

২২ শে জুলাই, ২০১৮ দুপুর ১:১৬

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: ধন্যবাদ, এ. এস বাশার ভাই। শুভ কামনা আপনার জন্য।

২৬| ২২ শে জুলাই, ২০১৮ সকাল ১০:০৫

গড়ল বলেছেন: আজ পর্যন্ত যেহেতু চুরি, ডাকাতি, হত্যা, মিথ্যা বলা, আইন না মানা কোন অপরাধই বন্ধ হয় নাই তাই শুধু ধর্ষণ নিয়ে গবেষণা কেন?

২২ শে জুলাই, ২০১৮ দুপুর ১:১৪

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: গড়ল ভাই, শুভেচ্ছা রইলো। আসলে, এগুলো ইদানিং বেড়ে যাচ্ছে। একটি সভ্য পৃথিবীতে আমরা এমনটি দেখতে চাই না; আমরা এ বিষয়টি নিয়ে লেখতেও চাই না। তারপরও সমাজকে সচেতন করতে, ভিকটিমকে সহযোগিতা করতে; অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনতে জোরালো ভূমিকা রাখতে এমন পোস্ট লেখতে হয়।

২৭| ২২ শে জুলাই, ২০১৮ সকাল ১০:২৮

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
মানুষ সচেতন হোক।

এসব ন্যাক্কারজনক কাজ বন্ধ হোক।

২২ শে জুলাই, ২০১৮ দুপুর ১:০৮

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: ধন্যবাদ, মাইদুল ভাই। এসব ন্যাক্কারজনক কাজ বন্ধ হোক। মানুষ সচেতন হোক।

২৮| ২২ শে জুলাই, ২০১৮ সকাল ১১:০৭

সিগন্যাস বলেছেন: প্রিয় কাওসার ভাই
কাল ব্লগে ছিলাম না । তাই লেখাটা চোখ পড়ে নি । আজ ব্লগে ঢুকেই আপনার পোষ্টে এলাম । পোষ্টটা তো দানবীয় আকারের হয়ে গেছে । সময় নিয়ে পড়তে বসেছি । পড়া শেষ করে আসছি

২২ শে জুলাই, ২০১৮ দুপুর ১:০৬

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:


স্যরি, প্রিয় সিগন্যাস ভাই। হুম, লেখাটি একটু বড়; তবে কষ্ট করে পড়লে অনেক বিষয়ে জানা যাবে। লেখাটি বড় হলেও সুখপাঠ্য হবে বলে আমি করি। আশা করি ভাল আছেন, ভাই।

২৯| ২২ শে জুলাই, ২০১৮ সকাল ১১:৫৮

আখেনাটেন বলেছেন: আপনার পুরো লেখাটি বেশ মনোযোগ দিয়ে পড়লাম। লেখা ভালো হয়েছে বলার চেয়ে আমি বলব সমাজের এই দুষ্টক্ষতটা নিয়ে ভেবেছেন ও লিখেছেন। সেজন্য অবশ্যই আমার পক্ষ থেকে আপনার জন্য শুভেচ্ছা।

তবে লেখা পড়ে প্রথমেই যে খটকাটা আসে তা শিরোনামে। যেহেতু আপনি লিখছেন ‘গবেষণা’, তাই আমার আগ্রহটাও ছিল বেশি। কারণ এই ‘গবেষণা’ শব্দটা নিয়ে আমারও বিশাল উৎসাহ। আমার ব্লগের লেখার একটি বড় অংশ এ নিয়ে।

যেহেতু আপনি কোনো প্রাথমিক তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে এ সেনসিটিভ বিষয়টির উপর কনক্লুশন টানেন নি, তাই বলা যায় এটা পরিমাণগত (Quantitative) গবেষণা নয়, তাহলে গুণগত (Qualitative) গবেষণা হবে। কিন্তু দুঃখের সাথে বলতে হচ্ছে গুনগত রিসার্সের যে ক্রাইটেরিয়া, সেগুলোর উপস্থিতিও এখানে নেই। তাহলে কী ধরণের গবেষণা করে এই ফাইন্ডিংটা পেলেন? আবার গবেষণাই হলে এর ইনফারেন্স, রিকামেন্ডেশন কই। যা আপনার গবেষণার সারবস্তু।

সেক্ষেত্রে আমি মনে করি এগুলো ব্যক্তির মতামত। আর এ মতামত যে কোনো ব্যক্তি দিতে পারে। আর গবেষণা হলে তথ্যের সুবিন্যাস্ত রূপের উপর আলোকপাত থাকবে।

আপনি এখানে যা করেছেন তা হচ্ছে অন্তর্জাল ঘেটে কিছু এক্সিংটিং ফ্যাক্টকে (যেটাকে আমরা ফ্যাক্ট হিসেবে বিবেচনা করছি তা ফ্যাক্ট নাও হতে পারে; গুগল মামার উপর ভরসা করা কতটা যুক্তিযুক্ত তা বিবেচনার বিষয়;) কিংবা বলা চলে নিজের অভিজ্ঞতালব্ধ জ্ঞান ও সেকেন্ডারী তথ্যের উপর ভিত্তি করে এর সমাধান টেনেছেন।

আর তাই আপনার লেখাতে ধর্ষনের প্রকৃত কারণ ও এর প্রতিকার এগুলো নিয়ে কোনো জোরালো বক্তব্য পরিলক্ষিত হচ্ছে না। গতানুগতিক কিছু বিষয় উঠে এসেছে মাত্র যা বেশির ভাগ লোকেরই অজানা নেই। এগুলো গবেষণা নয়। এগুলোকে বলা যেতে পারে রিভিউ আর্টিকেল কিংবা বড়জোর স্কলারি আর্টিকেল।
যদিও লেখাতে অনেক সেলফ-কন্ট্রাডিক্টরি বাক্য দেখছি। সেদিকে যাচ্ছি না।

তবে সমাজের এই অন্ধকার দিকটি নিয়ে ভেবেছেন ও লিখেছেন বলে আবারো সাধুবাদ জানাই। আপনার সাথে একইভাবে বলতে চাই ‘ধর্ষকেরা নিপাত যাক। মনুষত্বের জয় হোক’।

*আর ‘গবেষণা’ শব্দটা শিরোনাম থেকে উইথড্র করাই যুক্তিযুক্ত মনে করি। এমনিতেই বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার হালহকিকত দেখে যারপরনাই বিরক্ত। বাংলাদেশের ছাত্রতো বটেই বেশিরভাগ ইউনি শিক্ষকেরাও এই ‘গবেষণা’ শব্দ নিয়ে আতঙ্কে থাকে এর মানে উদ্ধার করতে। আর ‘রিয়াল গবেষণা’ তো বহুৎ দূর কী বাত!! কয়দিন আগের এই রিপোর্টটি দেখেন। অথবা গবেষণার গরু নিয়ে লেখা আমার এই লেখাটি ও বিজ্ঞ ব্লগারদের মন্তব্যগুলোও দেখতে পারেন যদি ইচ্ছুক হোন।

শুভকামনা ব্লগার কাওসার চৌধুরী।

২২ শে জুলাই, ২০১৮ দুপুর ১:০২

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:


প্রিয় আখেনাটেক ভাই, আপনি সময় নিয়ে লেখাটি পড়েছেন এবং দারুন একটি একটি মন্তব্য করেছেন, এজন্য ধন্যবাদ। আপনার কমেন্ট আমার পছন্দ হয়েছে।

"যেহেতু আপনি কোনো প্রাথমিক তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে এ সেনসিটিভ বিষয়টির উপর কনক্লুশন টানেন নি, তাই বলা যায় এটা পরিমাণগত (Quantitative) গবেষণা নয়, তাহলে গুণগত (Qualitative) গবেষণা হবে। কিন্তু দুঃখের সাথে বলতে হচ্ছে গুনগত রিসার্সের যে ক্রাইটেরিয়া, সেগুলোর উপস্থিতিও এখানে নেই। তাহলে কী ধরণের গবেষণা করে এই ফাইন্ডিংটা পেলেন? আবার গবেষণাই হলে এর ইনফারেন্স, রিকামেন্ডেশন কই। যা আপনার গবেষণার সারবস্তু।"

আমি কিছুদিন আগে এ বিষয়টির উপর দীর্ঘ ১৬০ পৃষ্ঠার একটি গবেষণা পত্র তৈরী করেছিলাম, সেখান থেকে বেছে বেছে কিছু বিষয় নিয়ে এ পোস্ট করেছি। এজন্য গবেষণার মৌলিক অনেক বিষয় এ নিবন্ধে পাওয়া যাবে না। এজন্য শিরোনামের সাথে বিষয়বস্তুর বর্ণনায় এ নিবন্ধে কুয়ানটেটিভ ফ্যাকটগুলো ডিটেলে আসেনি; আপনি এ বিষয়টি উত্থাপন করেছেন বলে আমি কারণটি খোলাসা করতে পেরেছি।

তারপরও যদি আপনি মনে করেন, আমার শিরোনাম পরিবর্তন করা প্রয়োজন তাহলে পাল্টা কমেন্ট করে জানালে খুশি হবো; প্রয়োজনে আমি শিরোনাম পরিবর্তন করবো। আপনার লেখার লিঙ্কগুলো গুরুত্ব দিয়ে পড়বো।

ভাই, কৃতজ্ঞতা রইলো এমন একটি মন্তব্য করার জন্য। শুভ কামনা রইলো।

৩০| ২২ শে জুলাই, ২০১৮ দুপুর ১:৪২

এ আর ১৫ বলেছেন: আপনি এই আর্টকেলে একটা মুল্যবান বিষয়ে নিয়ে এসেছেন , যেটা হোল পশ্চিমা বিশ্বের ধর্ষন কেসে মূল কারন । আপনি যেটা বলেছেন ঐ সমস্ত দেশে ধর্ষন হওয়ার মূল কারন -- নাইট ক্লাব কালচার , অতিরিক্ত মদ পান এবং মহিলাদের স্বাধীনচেতা মনোসিকতা , এই বিষয়টা কিন্তু আমাদের দেশের হুজুর সম্প্রদায় বিশ্বাষ করে না , তারা মনে করে মেয়েদের খোলামেলা পোষাক নাকি ধর্ষনের কারন ।
আমি মনে করি পোষাক হোল অনেক গুলো ধর্ষন হওয়ার কারনের মধ্য একটা এবং এটা অন্যতম প্রধান কারন নহে । আমাজান বা আফ্রিকাতে যে সব জাতি প্রায় নগ্ন অবস্থাতে থাকে , সেখানে কিন্তু ধর্ষন এতো ব্যপক ভাবে হয় না ।
আপনার এই লিখা হুজুর সম্প্রদায়েদের পছন্দ হবে না এবং এই ব্লগের হুজুর মার্কা যারা আছেন তারা কিন্তু চুপ করে আছেন ।

২২ শে জুলাই, ২০১৮ বিকাল ৩:০৬

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:


"আপনি এই আর্টকেলে একটা মুল্যবান বিষয়ে নিয়ে এসেছেন , যেটা হোল পশ্চিমা বিশ্বের ধর্ষন কেসে মূল কারন । আপনি যেটা বলেছেন ঐ সমস্ত দেশে ধর্ষন হওয়ার মূল কারন -- নাইট ক্লাব কালচার , অতিরিক্ত মদ পান এবং মহিলাদের স্বাধীনচেতা মনোসিকতা।"

আসলে এ বিষয়টি নিয়ে ধার্মিকরা ধর্মীয় বিভিন্ন রীতি নীতি, নিষেধ, উপদেশ ইত্যাদির আলোকে বক্তব্য দেন, লেখেন। এর অন্যতম কারণ হলো, ধর্মগুলোতে এ বিষয়টিতে অনেক দিকনির্দেশনা আছে। আমি নিরপেক্ষ দৃষ্টিতে বিষয়টি নিয়ে ভাবার চেষ্টা করেছি; কারণগুলো বের করার চেষ্টা করেছি। আসলে ধর্মীয় দৃষ্টিতে হোক, আর সেকুলার মানসিকতায় হোক সবাই সমাজকে সচেতন করার চেষ্টা করেন।

"আমি মনে করি পোষাক হোল অনেক গুলো ধর্ষন হওয়ার কারনের মধ্য একটা এবং এটা অন্যতম প্রধান কারন নহে । আমাজান বা আফ্রিকাতে যে সব জাতি প্রায় নগ্ন অবস্থাতে থাকে, সেখানে কিন্তু ধর্ষন এতো ব্যপক ভাবে হয় না।"

এ বিষয়টিতে অনেকে পোষাককে একমাত্র বা অন্যতম কারণ বলে থাকেন; আমি বিনয়ের সাথে এ মতামতকে ভুল বলে থাকি। একজন ধর্ষকের কাছে উপযুক্ত সুযোগ পাওয়াটাই আসল, পোষাক নয়।

৩১| ২২ শে জুলাই, ২০১৮ দুপুর ১:৫০

এ আর ১৫ বলেছেন: ২১ নং কমেন্টের জনাব বিদ্রোহী ভৃগু ভাইকে প্রশ্ন করছি --- ধর্ষন প্রমাণ করতে শরিয়া আইণের শর্ত গুলো কি কি এবং কি ভাবে ঐ শর্ত গুলো দিয়ে ধর্ষকে শাস্তির আওতায় আনা যায় , এ ব্যপারে যদি বিস্তারিত কিছু বলেন তাহোল খুব খুশি হই ।
আপনি ধর্ষন বিষয়ের অনেক কিছু হাইলাইট করেছেন , ধর্ষন কাহাকে বলে শরিয়া অনুযায়ি এবং ধর্ষকের শাস্তি কি কি ইত্যাদি --- কিন্তু ধর্ষন প্রমাণ করতে হলে শরিয়া আদালতের সামনে কি কি শর্ত এবং এভিডেন্স নিয়ে আসতে হয় সে বিষয়ে কিছুই বলেন নি , দয়া করে ঐ বিষয়টা ক্লিয়ার করুন , ধন্যবাদ

২২ শে জুলাই, ২০১৮ বিকাল ৩:১০

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: বিদ্রোহী ভৃগু ভাই কমেন্ট পড়লে আশা করি আপনার প্রশ্নের উত্তর দেবেন।

৩২| ২২ শে জুলাই, ২০১৮ দুপুর ২:১১

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: গুরু,
ধর্ষণ নিয়ে যা লিখার সবতো লিখে দিলেন সব, কিছু তো বাদ দেওয়া উচিত ছিলো নাকি ? - আমরা ব্লগার, আমরা দুই একটা কমেন্ট টমেন্ট করবো “আপনি একটু কম বুঝেন আমি একটু বেশী বুঝি, অথবা আপনি হেন কথাটি লিখেননি এই নিন আমার এই মন্তব্য এবং বুঝুন আমি ধর্ষণ বিষয়ে বিশেষজ্ঞ (বিশেষ ভাবে অজ্ঞ) অথবা ধর্ষণে আমার পিএইচডি আছে !!!

শৈবাল দিঘিরে বলে উচ্চ করি শির, লিখে রেখো, এক ফোঁটা দিলেম শিশির॥

এই হচ্ছে ব্লগের অবস্থা, গুরু !!!

***বাংলাদেশ পর্ণো ভিডিও, পর্ণো স্থির ছবি অনেক অগ্রগামী সাধারণ ইউটিউব আর ফেসবুক কে পর্যন্ত বাংলাদেশের দামাল ছেলে মেয়েরা ছাড়ে নি, এখন ইউটিউব আর ফেসবুক হয়ে যাবে রেষ্টিকটেড, আশাকরি ২০২৫ নাগাদ বাংলাদেশে পর্ণোগ্রাফী ছবি ও ভিডিও করে প্রচুর বৈদিশেক মুদ্রা আয় করবে !!! মানণীয় অর্থমন্ত্রী সংসদে দাড়িয়ে গলা ফাটিয়ে গলা কাঁপিয়ে বক্তৃতা দেবেন - বাংলাদেশে রেমিটেন্স এর নতুন দিগন্ত উন্মোচন হয়েছে - বাংলার তথাকথিত মাতাপিতা আপনারা একটু খোঁজ নেবেন কি আপনার এ্যাইট নাইনে থেকে ইন্টারে পড়া ছেলে মেয়ে সাইবার ক্যাফে, বন্ধুর বাসা খালি পেয়ে অথবা বাসার ছাদে, বাসার সিড়ি ঘরে ভিডিও করে দেশের মুদ্রা অর্জনে সহায়ক ভুমিকা রাখছে না তো - তাহলে তো আপনাদের বড়োই গর্বের বিষয় - আপনারা দেশের সি আই পি মাতাপিতা !!! দেশের অর্থমন্ত্রী আপনাদের পর্ণোগর্ভা মাতাপিতা পুরস্কারে ভূষিত মাল্যদান করে ক্রেষ্ট হাতে তুলে দিবেন !!!!

সেইসব মাতাপিতা ও তাদের সন্তানদের উদ্দেশ্যে বস্তির সবচেয়ে নোংরা গালিটি দিচ্ছি “বিপ - বিপ - বিপ” (শেষ পর্যন্ত সেন্সর করলাম গুরু)

- জয় বাংলা, বাংলাদেশ জিন্দাবদ, বাংলাদেশ দির্ঘজীবি হউক - সবাইকে খুশী রাখতে হয় তাই বাংলা নিয়ে সব উক্তি ঝেড়ে কাশি দিতে হলো !!!


২২ শে জুলাই, ২০১৮ বিকাল ৫:১৩

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:


স্যরি, গুরু :( উত্তর দিতে একটু দেরী হয়ে গেল।))

"ধর্ষণ নিয়ে যা লিখার সবতো লিখে দিলেন সব, কিছু তো বাদ দেওয়া উচিত ছিলো নাকি ? - আমরা ব্লগার, আমরা দুই একটা কমেন্ট টমেন্ট করবো “আপনি একটু কম বুঝেন আমি একটু বেশী বুঝি, অথবা আপনি হেন কথাটি লিখেননি এই নিন আমার এই মন্তব্য এবং বুঝুন আমি ধর্ষণ বিষয়ে বিশেষজ্ঞ (বিশেষ ভাবে অজ্ঞ) অথবা ধর্ষণে আমার পিএইচডি আছে" !!!

গুরু, এগুলো মনে হয় আমাদের বাঙালীয় স্বভাব দোষ, আমি যে অন্যের চেয়ে বেশি বুঝি; তা সব সময় কথায়, লেখায় বুঝাতে চাই। কিন্তু একজন মানুষ এত পরিশ্রম করে একটা বিষয় নিয়ে লেখলো তার গুরুত্ব দেই না। বিদেশীরা এ বিষয়ে আমাদের চেয়ে অনেক বেশি সচেতন।

"আশাকরি ২০২৫ নাগাদ বাংলাদেশে পর্ণোগ্রাফী ছবি ও ভিডিও করে প্রচুর বৈদিশেক মুদ্রা আয় করবে !!! মানণীয় অর্থমন্ত্রী সংসদে দাড়িয়ে গলা ফাটিয়ে গলা কাঁপিয়ে বক্তৃতা দেবেন - বাংলাদেশে রেমিটেন্স এর নতুন দিগন্ত উন্মোচন হয়েছে - বাংলার তথাকথিত মাতাপিতা আপনারা একটু খোঁজ নেবেন কি আপনার এ্যাইট নাইনে থেকে ইন্টারে পড়া ছেলে মেয়ে সাইবার ক্যাফে, বন্ধুর বাসা খালি পেয়ে অথবা বাসার ছাদে, বাসার সিড়ি ঘরে ভিডিও করে দেশের মুদ্রা অর্জনে সহায়ক ভুমিকা রাখছে না তো - তাহলে তো আপনাদের বড়োই গর্বের বিষয় - আপনারা দেশের সি আই পি মাতাপিতা" !!!

এ বিষয়টি আমাকেও খুব ভাবায়; ফেইসবুক ছাড়লাম। মনে হচ্ছে এবার ইউটিউব ছাড়তে হবে। টিনেজ বাংলাদেশী ছেলে মেয়েদের ফোন....**.... ইউটিউব উপচে পড়ছে। আছে, কতশত কিসিমের ইমো ভিডিও; নিজেদের আকাম কুকামের ধারা বিবরণী আর ফেইসবুক ও ইউটিউব লাইভ। ছোট ছেলে মেয়েদের ইউটিউব দেখতে বারণ করার সময় এসে গেছে।

এদের গুণধর পিতামাতা কই থাকেন X(!!!!

৩৩| ২২ শে জুলাই, ২০১৮ দুপুর ২:৪৪

নীলপরি বলেছেন: অনেক তথ্য জানতাম না । আপনার পোষ্ট পড়ে জানতে পারলাম ।
ধন্যবাদ ।

২২ শে জুলাই, ২০১৮ বিকাল ৪:৫৬

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: আপু শুভেচ্ছা রইলো। অনেক দিন পর গুনী আপুকে আমার পোস্টে পেলাম। কমেন্ট করে অনুপ্রাণিত করার জন্য কৃতজ্ঞতা রইলো। শুভ কামনা করছি।

৩৪| ২২ শে জুলাই, ২০১৮ বিকাল ৫:২২

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: এদের গুণধর পিতামাতা কই থাকেন ???
- এদের গুণধর পিতামাতাও একই কাজে ব্যাস্ত !!!


গুরু, কথাটি শুনতে নির্মম মনে হলেও প্রকট সত্য বচন, আমি সমাজকে বাইনোকুলার দিয়ে দেখার চেষ্টা করি ।

২২ শে জুলাই, ২০১৮ বিকাল ৫:৩০

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:


:( :( :( "এদের গুণধর পিতামাতাও একই কাজে ব্যাস্ত" :( :( :(

ভাবনায় ফেলে দিলেন, গুরু।

৩৫| ২২ শে জুলাই, ২০১৮ বিকাল ৫:৫৮

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: ব্লগে আপনাকে ভাবনায় ফেলে দেওয়া আমার একটি মহৎ কাজ !!!

আপনাকে একটি গল্প বলতে হয়: - অনেক অনেক দিন আগের কথা এক দেশে ছিলেন এক রাজা আর রাজার ছিলো অতি রুপসী এক রাজকন্যা, রাজা তাঁর প্রজাদের পানির কষ্ট নিবারনের জন্য বিশাল দিঘী খনন করালেন আর টলমলে পানি ভরা দিঘী দর্শনে রাজা ও তার রুপসী রাজকন্যা যখন উপস্থিত হলেন হঠাৎ রাজকন্যা পা পিছলে দিঘীর অথৈ পানিতে !!! রাজকন্যা আর রাজার বাঁচাও বাঁচাও চিৎকারে ভীতু গ্রামবাসীর কেউ পানিতে ঝাপিয়ে পরতে রাজি নয়, বরং সবাই তারস্বরে বাঁচাও বাঁচাও করে চেচিয়ে যাচ্ছে !

আমি ঠাকুর মাহমুদ ভাবলাম “চলো কাউসার চৌধুরী ভাইয়ের একটা গতি করে দেই” ! অমতবস্থায় কাউসার ভাইকে ধাক্কা দিয়ে দিঘীর পানিতে ফেলে দিলাম - কাউসার চৌধুরী ভাই যথারিতি পানিতে পরে নিজে বাঁচলেন তবে রাজকন্যাকেও বাঁচালেন দুজনে ঠান্ডা পানিতে কা্বু - রাজা সভা ডেকে ঘোষণা দিলেন এই বীরপুরুষের সাথে তিনি তার রাজকন্যা বিয়ে দিতে আগ্রহী সঙ্গে অর্ধেক রাজ্য !!!

কাউসার ভাই চিৎকার দিলেন সভাসদে “আরে রাখেন, আপনার রাজকন্যা আর অর্ধেক রাজ্য” !!! আগে বলেন কোন পোংটা আমারে ধাক্কা দিয়া এই ঠান্ডা পানিতে ফালাইছে !!!

- কাউসার ভাই, বাইনোকুলার ধারী পোংটা লোক বন্ধু হয়ে থাকে ।

২২ শে জুলাই, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৪৩

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



কবি বলেছিলেন -
“কত রূপ স্নেহ করি বিদেশী কুকুর ধরি দেশি ঠাকুর ফেলিয়া”

আর জীবনানন্দ বলেছিলেন,
“আবার আসিব ফিরে ধান সিঁড়িটির তীরে-এই বাংলায়।
হয়তো বা মানুষ নয়-হয়তো বা শঙ্খচিল শালিকের বেশে;
হয়তো বা ভোরের কাক হয়ে এই কার্তিকের নবান্নের দেশে,
কুয়াশার বুক ভেসে একদিন আসিব এ কাঁঠাল-ছায়ায়।”

এরকম একটি গল্পের কথা বলছি গুরু | কালাম ও জামাল দুজনেই একইসঙ্গে দেশের একটি নামকরা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগদান করলো | দুজনেই তাদের শিক্ষা, গবেষণা ও ছাত্রদের প্রতি আন্তরিকতার মাধ্যমে খুব দ্রুত সবার কাছে জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিতি পেলো | সবাই তাদের অর্জনে খুশি হলো | তারা উচ্চ শিক্ষার জন্য আমেরিকায় গমন করলো | সেখান থেকে দুজনেই পিএইচডি ডিগ্রী অর্জন করলো | এদের মধ্যে কালাম দেশের টানে তার বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিরে আসার সিদ্ধান্ত নিলো | তার মধ্যে আরেকটি বিষয় কাজ করছিলো তা হলো, যে দেশ তাকে একজন মানুষ হিসেবে গড়ে তুলেছে তার প্রতি তার একটা দায়বদ্ধতা রয়েছে | সে তার বিবেক দ্বারা তাড়িত হয়ে বিষয়টি অনুভব করলো | দেশ ও দেশের মানুষকে সেবার মহান ব্রত নিয়ে সে দেশে ফিরে বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগদান করলো | একদিন সে কালক্রমে অধ্যাপক হলো | দেশ তার দ্বারা উপকৃত হলো, দেশের গন্ডি পেরিয়ে তার সুখ্যাতি বিদেশেও ছড়িয়ে পড়লো | তার অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ তিনি একদিন জাতীয় অধ্যাপকের সম্মানে ভূষিত হলেন | মাজহারের মনোভাব ছিল সম্পূর্ণ বিপরীত | সে দেশের চেয়ে বিদেশকে বেশি প্রাধান্য দিলো | সে বলে বেড়াতে লাগলো “দেশ আমাকে কি দিলো সেটি বড় কথা নয়, আমি দেশকে কি দিলাম সেটি বড়কথা” এটা সে বিশ্বাস করে না | সে আরো বলতে লাগলো “দেশের কোনো ভবিষৎ নেই | ওখানে গিয়ে কি হবে আমার নিজের স্বার্থটা আগে দেখতে হবে, দেশের আবার স্বার্থ কি?” সে তার মাতৃভূমিকে অবজ্ঞা করলো | কিন্তু বাস্তবতা ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন আর কঠিন | আমেরিকায় প্রথমে সে যার তত্বাবধানে পিএইচডি করেছিল তার একটি দুই বছরের প্রজেক্টে চাকুরী নিলো | প্রজেক্ট শেষ হলে তাকে বলা হলো আজ থেকে তোমার চাকুরী নেই | এরপর মহা বিপদ তার জীবনে নেমে আসলো | সে দ্বারে দ্বারে ঘুরে কোনো চাকুরী পেলোনা | তৃতীয় শ্রেণীর নাগরিক হিসেবে সে কোনোমতে একটা ট্যাক্সি চালানোর চাকুরী পেলো | সবসময় মার্কিন সরকারের নজরদারির মধ্যে তাকে থাকতে হলো | এতো বড় ডিগ্রী পেয়ে সে মার্কিন সরকারের সন্দেহের মধ্যে পরে গেলো আর সে এখন একজন গাড়ির ড্রাইভার | সে হতাশাগ্রস্ত হলো | সে যে নিজের দেশে যে বিশ্ববিদ্যালয়ে ছিল সেখানে আবার যোগদান করার আকুতি জানালো | কিন্তু সময় খুব নির্মম যেমন সে একসময় নির্মম ছিল তার দেশের প্রতি আনুগত্যে | একদিন হতাশায় ভূগতে ভূগতে ব্রেন স্ট্রোক করে সে কম বয়সে মারা গেলো | হয়তো এটাই ছিল প্রকৃতির বিচার | তবে এর ভিন্নতাও ঘটতে পারে তবে সেটা হাতেগোনা | এ. পি. জে. আবদুল কালাম আজাদ এমন একজন প্রতিভাবান মানুষ ছিলেন তাকে কিন্তু আমেরিকার মতো দেশ কিনতে পারেনি | এর কারণ ছিল তার দেশপ্রেম | ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও মহাকাশযানবাহী রকেট উন্নয়নের কাজে তাঁর অবদানের জন্য তাকে "ভারতের ক্ষেপণাস্ত্র মানব" বা "মিসাইল ম্যান অফ ইন্ডিয়া" বলা হয় | তিনি ভারতের সফল রাষ্ট্রপতি ছিলেন | এ. পি. জে. আবদুল কালাম আজাদ বলেছিলেন “তিনজন মানুষ পারেন একটি দেশ বা জাতিকে বদলাতে। তাঁরা হলেন, বাবা, মা এবং শিক্ষক।” আমরা শিক্ষকরা কি তা পারছি নাকি দেশের স্বার্থের চেয়ে আমরা ব্যক্তি স্বার্থকে প্রাধান্য দিতে গিয়ে বিদেশ বিভুয়ে পরদেশী পরজীবী হয়ে দিন যাপন করছি | কেননা তিনি বলেছিলেন “যদি সূর্য হতে চাও তবে সূর্যের মতো নিজেকে পোড়াও।” আমরা দেশে থেকে নিজেকে পোড়াতে পোড়াতে একদিন সোনা হতে চাই |

গুরুর ভাবুক মনের উত্তর দেওয়া তো সোজা কথা নয় | তাই আমার অপরিপক্ব মগজ ধোলাই করে আরেকটি গল্প উপহার দিলাম | গুরুর ভাল লাগলেই আই B-)-হে-প্পি-B-)

৩৬| ২২ শে জুলাই, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:০৬

পবিত্র হোসাইন বলেছেন: আমরা মূলত ফ্রয়েডের তত্ত্বের ওপর দাঁড়িয়ে যৌনতাকে ব্যাখ্যা করে থাকি। কিন্তু সভ্যতার অগ্রগতি আর সময়ের পরিবর্তনে যৌনতার তত্ত্ব আরও বিস্তৃত এবং পরিশীলিত হয়েছে। যেহেতু ধর্মে-সমাজে, রাষ্ট্রে-আইনে যৌনতা নিষিদ্ধ নয়, তাই এটা থাকবে। কিন্তু এ ক্ষেত্রে দরকার নৈতিক অনুষঙ্গ। নৈতিক মোড়ক না থাকলেই দেখা দেবে বিশৃংখলা। তাই সামাজিক ও জাতীয় জীবনে নৈতিক মূল্যবোধ সুগঠিত ও সুসংগঠিত করতে হবে। তথ্যপ্রযুক্তির অপব্যবহার ও অশুভ বিস্তার ঠেকাতে হবে। বিশ্ব সংস্কৃতির নেতিবাচক উপাদানও নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। এসবের দায়িত্ব প্রধানত রাষ্ট্রের। রাষ্ট্রকে সমাজ ও পরিবার সাহায্য করতে পারে। পাশাপাশি আমাদের বহু ঐতিহ্যের পারিবারিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য লালন করতে হবে। তাহলে যদি অশুভের এই সুনামি প্রতিরোধ করা যায়।

২২ শে জুলাই, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৫০

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:


"যেহেতু ধর্মে-সমাজে, রাষ্ট্রে-আইনে যৌনতা নিষিদ্ধ নয়, তাই এটা থাকবে। কিন্তু এ ক্ষেত্রে দরকার নৈতিক অনুষঙ্গ। নৈতিক মোড়ক না থাকলেই দেখা দেবে বিশৃংখলা। তাই সামাজিক ও জাতীয় জীবনে নৈতিক মূল্যবোধ সুগঠিত ও সুসংগঠিত করতে হবে।"

পবিত্র হোসাইন ভাই, শুভেচ্ছা নেবেন। আপনি অল্প কথায় খুব দামী কিছু কথা বলেছেন। তবে আমি বলবো নৈতিকতার পাশাপাশি, বিবেকের শিক্ষাটা বেশি জরুরী। এছাড়া পরিবার ও সমাজের কাঠামো মেনে চলা উচিৎ। আর নিজেকে একজন মানুষ হিসাবে গড়ে তোলাও দরকারী।

৩৭| ২২ শে জুলাই, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:১৬

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: গুরু,
আপনার গল্পকে সাধুবাদ জানাই, এটি একটি পূর্ণাঙ্গ পোষ্ট হতে পারতো - ধন্যবাদ গুরু ।

ঢাকা সহ সমস্ত বাংলাদেশে বিজ্ঞাপনি বিলবোর্ডে ছেয়ে আছে ! কিন্তু কোনো বিলবোর্ডে দেখবেন না “ধর্ষণ মুক্ত বাংলাদেশ চাই” লিখে নিচে ছোট করে অমুক প্লাষ্টিক, তমুক মোবাইল - না না না হতেই পারে না, কারণ তারাই আসল ধর্ষক !!!!

তারা প্রাষ্টিকের বিজ্ঞাপণে প্লাষ্টিকের চেয়ার বিক্রি বিজ্ঞাপনের নামে চেয়ার দেখাচ্ছে নাকি মেয়ে মানুষ দেখাচ্ছে তা ভাবনার বিষয় !!! আর তারাই এক বা একাধিক মেয়েকে পণ্য করে বিলবোর্ডে ছেরে দিচ্ছে - সেই মেয়ে একদিন আমেরিকার পি এইচ ডি ধারী ড্রাইভার হয়ে বেড়ান - - ।

গুরু, প্রবাসী আর বিজ্ঞাপণ মডেল মুখের জোড়ে বড় বড় কথা বলেন তবে কৃতকর্ম তো চাপা থাকে না, প্ররবাস আর পরবাসী তো কম দেখলাম না এই জীবনে - না কি বলেন ???

২২ শে জুলাই, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৩১

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



"ঢাকা সহ সমস্ত বাংলাদেশে বিজ্ঞাপনি বিলবোর্ডে ছেয়ে আছে ! কিন্তু কোনো বিলবোর্ডে দেখবেন না “ধর্ষণ মুক্ত বাংলাদেশ চাই” লিখে নিচে ছোট করে অমুক প্লাষ্টিক, তমুক মোবাইল - না না না হতেই পারে না, কারণ তারাই আসল ধর্ষক" !!!!

আপনি ঠিকই বলেছেন, কয়েক বছর আগে লন্ডনে পাবলিক বাসের বাইরের দিকে বিভিন্ন মডেলের বিশাল বড় প্রায় নগ্ন ছবি দিয়ে, পাশে পণ্যটির ছোট একটি ছবি বসিয়ে দিত। উদ্দেশ্য পরিষ্কার, মানুষ যখন এই নারী মডেলের বিশাল ছবিটার দিকে আগ্রহ নিয়ে থাকাবে তখন তাদের পণ্যটিও দৃষ্টি গোচর হবে :-*

এ বিষয়টি নিয়ে তাদের সংসদে ব্যাপক বিতর্ক হয়; ফলাফল স্বরুপ এসব এ্যাড বন্ধ হয়ে যায়। কিন্তু আমাদের দেশে এই নোংরামির পাবলিসিটি বন্ধ করার কেউ নেই।

৩৮| ২২ শে জুলাই, ২০১৮ রাত ১০:৩১

রাকু হাসান বলেছেন: প্রিয়তে নিলাম +++ , অনেক সুন্দর ভাবে উপস্থাপন করেছেন । আপনি একজন পরিশ্রমি ব্লগার

২২ শে জুলাই, ২০১৮ রাত ১১:৫১

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:


ধন্যবাদ, প্রিয় রাকু হাসান ভাই। আমি একটা সময় প্রচুর পড়াশুনা করতাম; পাঠ্য বইয়ের চেয়ে অপাঠ্য বই বেশি পড়া হতো। একটা সময় মনে হলো আমি যে বিষয়গুলো জানি সেগুলো নিয়ে লেখলে কেমন হয়!!! কিন্তু লেখতে গিয়ে পড়লাম বিপদে। লেখতে গেলেই বানান ভুল; বাক্য গঠনে সমস্যা; শব্দ নির্বাচনে সমস্যা; আরো কত কী!!! এর করণ হলো একটানা ১০-১২ বছর বাংলায় পড়া ও লেখা থেকে দূরে থাকা; এখনো বেশিরভাগ সময় ইংরেজি বই ও ইংরেজি নিউজপেপার পড়তে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি। বাংলা লেখা ঠিকঠাক করতে অনেক শ্রম দিতে হয়েছে।

এজন্য মনে মনে সংকল্প করি যা লেখবো তা যেন মান সম্পন্ন হয়। এজন্য প্রতিটি লেখা অনেক সময় নিয়ে লেখি, বিষয়টির উপর পড়াশুনা করি, তথ্য উপাথ্যগুলো নির্ভূল দেওয়ার চেষ্টা করি। এতে আমারও শেখা হয়। একজন লেখক মানেই একজন একনিষ্ঠ পাঠক। ভাল পাঠক না হলে ভাল লেখক হওয়া যায় না।

এখন মানুষের ব্যস্ততা অনেক বেশি, বিনোদনের ক্ষেত্র অনেক। এজন্য মান সম্পন্ন লেখা না হলে ভাল মানের পাঠকরা পড়বে না; এছাড়া একজন লেখক হিসাবে আমার দায়বদ্ধতা হলো পাঠকের সন্তুষ্টি অর্জন করা; বিশ্বাসের মর্যাদা রাখা। এজন্য আমি প্রতিটি লেখায় আগের লেখাকে ছাড়িয়ে যেতে চাই। চাই বিষয়ের আরো আরো সমৃদ্ধ পোস্ট লেখতে। যতদিন লেখবো আমার এ প্রচেষ্টা থাকবে।

শুভ রাত্রি।

৩৯| ২২ শে জুলাই, ২০১৮ রাত ১১:০০

অচেনা হৃদি বলেছেন: ধর্ষন এমন একটা টপিক, যেটা দেখলে আমার আর খবরের কাগজ পড়তে ইচ্ছে করে না ।
কোন কোন পশ্চিমা দেশে নাকি একটা কথা প্রচলিত আছে, ধর্ষনকে প্রতিরোধ করতে না পারলে উপভোগ করো ।
এই অসভ্যতার কি শেষ হবে না ?
:(

২৩ শে জুলাই, ২০১৮ রাত ১২:০২

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:


আসলে এ বিষয়টি নিয়ে লেখতে ও পড়তে ভাল লাগে না; কিন্তু এ প্রাগৈতিহাসিক ব্যাধি সমাজে আছে বলেই, সমাজকে সচেতন করতে লেখতে হয়; ভিকটিমকে সাহায্যে করতে হয়; অপরাধীকে শাস্তির আওতায় আনতেও পত্রিকায় লেখতে হয়। মানুষ বিবেকবান হলে, সমাজ সচেতন হলে, সুশিক্ষিত হলে, রাষ্ট্রের আইন মানলে এ উপসর্গ কমবে। তবে, একে সমূলে উৎপাটন করা প্রায় অসম্ভব।

"কোন কোন পশ্চিমা দেশে নাকি একটা কথা প্রচলিত আছে, ধর্ষনকে প্রতিরোধ করতে না¡¡ পারলে উপভোগ করো।" এ তথ্যটি ভুল।

শুভ রাত্রি, আপু B-)


৪০| ২৩ শে জুলাই, ২০১৮ রাত ১২:২৮

রিফাত হোসেন বলেছেন: আলোচনার কোন সুযোগই রাখেন নাই। :) আপনি ভাল একজন আইনবিদ হতে পারবেন।
অনটপিক: চোখ বন্ধ করে একমত।

২৩ শে জুলাই, ২০১৮ রাত ১২:৪৪

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:


রিফাত ভাই, লাইক বাটনে আপনার নাম দেখে আপনার প্রফাইলে গিয়ে তো আমার আক্ষেল গুড়ুম অবস্থা। আপনার ব্লগিংয়ের বয়স এক যুগ পেরিয়ে গেছে B-); আর আপনার ব্লগে ভিজিটর বেশ কয়েক লাখ B-); বিশ্বাস করেন, নিজেকে খুব লাকি মনে হলো; সিনিয়র গুণী ব্লগাররা আমার লেখা পড়ে কমেন্ট দেন, লাইক দেন এটা আমাকে ভীষণ প্রেরণা দিয়েছে।

আশীর্বাদ করবেন রিফাত ভাই যাতে লেখার মানটি আরো বাড়াতে পারি।
শুভ রাত্রি।

৪১| ২৩ শে জুলাই, ২০১৮ রাত ১২:৩৬

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: গুরু,
খুবই দুঃখ ও পীড়া দেয় - স্কুল কলেজ হচ্ছে মানুষ গড়ার কারখানা, আর সেখানেই স্কুলের নাবালিকা অবুঝ ছাত্রী সহ কলেজ এমনকি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাপ্তবয়স্ক ছাত্রী যারা ক্রাইম সম্পর্কে যথেষ্ট জ্ঞান রাখে তারাও শিক্ষক দ্বারা লাঞ্চিত ও প্রতারিত হচ্ছে প্রতিনিয়ত, কিছু কিছু শিক্ষক রুপে জানোয়ার আছে যারা ছাত্রীদের নিয়মিত ব্লাকমেল করে থাকে, আরো ভয়ংকর ব্যাপার হচ্ছে এইসব শিক্ষককে সুযোগ করে দেওয়ার সহকারী হচ্ছে স্কুল কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষিকা !!! !!! একজন মহিলা হয়ে একজন জানোয়ার কে সহযোগিতা করছে এই ধরনের প্রতারণা নোংরামী ও জঘণ্য কাজে !!! !!!

গুরু, উন্নত দেশে ধর্ষনের সংখ্যা সম্পর্কে জরিপ হয়, মেয়েরাও মুখ খুলে - তাই আমরা জানতে পারি, বাংলাদেশে মেয়েরা মুখ খুলে না আর তাই আমরা জানিও না, আরো ভয়ংকর একটি কথা না বললেই নয় - অবস্য আপনি উল্লেখ্যে করেছেন এই বিষয়ে - “মেয়েরা তাদের আত্মীয় পরিজন থেকেও নিরাপদ নয়” শুধু এই বিষয়ে গণসচেতনতায় বাংলাদেশে পিন্টিং মিডিয়া সহ সকল গণমাধ্যেমে প্রচার হওয়া উচিত মেয়েদের চেয়ে মেয়েদের পিতামাতার সচেতনতা বেশী জরুরী - ভয়ংকর জরুরী - কারণ এই একটি বিষয়ে ভীকটিম কখনো মুখ খুলবে না, লজ্জায় ও পারিবারিক সম্মানের ভয়ে মাতাপিতাও মুখ খুলে না এবং ভীকটিমকেও দেবে না ।

২৩ শে জুলাই, ২০১৮ রাত ১:১৫

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:


গুরু........ B-)
"খুবই দুঃখ ও পীড়া দেয় - স্কুল কলেজ হচ্ছে মানুষ গড়ার কারখানা, আর সেখানেই স্কুলের নাবালিকা অবুঝ ছাত্রী সহ কলেজ এমনকি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাপ্তবয়স্ক ছাত্রী যারা ক্রাইম সম্পর্কে যথেষ্ট জ্ঞান রাখে তারাও শিক্ষক দ্বারা লাঞ্চিত ও প্রতারিত হচ্ছে প্রতিনিয়ত, কিছু কিছু শিক্ষক রুপে জানোয়ার আছে যারা ছাত্রীদের নিয়মিত ব্লাকমেল করে থাকে।"

ইদানিং স্কুলের মেয়েরা না বুঝে; অল্প বয়সের আবেগী মনের জন্য ভুল পথে পা বাড়াচ্ছে। আপনি অবাক হবেন, এ তালিকায় ষষ্ঠ শ্রেণীর মেয়েরাও আছে। এ বয়সের মেয়েরা সাধারণত প্রাইভেট টিচার, সিনিয়র ছাত্র, প্রতিবেশী ছেলে, নিকটাত্মীয় এবং কোন কোন সময় স্কুলের শিক্ষক দ্বারা ভিকটিমাইজ হয় X( X( ¡¡

এজন্য বাবা মায়ের উদাসিনতার পাশাপাশি, মোবাইলের ব্যবহার, ফেইসবুক, ইমো, হোয়াটসআপ, ইউটিউব দায়ী। এতে ছেলে মেয়েরা চ্যাটিং করতে করতে অভ্যস্ত হয়ে যায়। এছাড়া গুগল সার্চে *** সহজলভ্যতাও কম দায়ী নয়।

"গুরু, উন্নত দেশে ধর্ষনের সংখ্যা সম্পর্কে জরিপ হয়, মেয়েরাও মুখ খুলে - তাই আমরা জানতে পারি, বাংলাদেশে মেয়েরা মুখ খুলে না আর তাই আমরাও জানি না।"

হুম, আপনি ঠিকই বলেছেন, গুরু। সেসব দেশে পুলিশ ধর্ষণের কোন কেস পেলে সবার আগে ভিকটিমকে মনোবিদকে দিয়ে ট্রিটমেন্ট করে; তার গোপনীয়তা রক্ষা করে; পুলিশ ভিকটিমকে কোন প্রকার হয়রানী করে না; ভিকটিম নিজে কেইস করতে হয় না, যা করার পুলিশ করে; ভিকটিমের পরিবারকে সব সময় আপডেট দেয় নিজে থেকে। আর কোর্টে প্রমাণ হলে অপরাধী বাধ্যতামূলক সাজা খাটতে হয়; পাশাপাশি, ভিকটিমকে বড় অঙ্কের টাকা পে করতে হয়।

এছাড়া, তাদের সোসাইটি চলে অনেক উন্নত আইন আর উন্নত মানসিকতার মানুষের দ্বারা; এজন্য ভিকটিমকে কেউ খারাপ চোখে দেখে না। কিন্তু আমাদের সোসাইটি এখনো পুরো সভ্য নয়; এজন্য ভিকটিমকে ব্লেইম বেশী করে; এতে সে মানসিকভাবে আরো ভেঙ্গে পড়ে; সমাজে দুশ্চরিত্রা মেয়ে হিসাবে তাকে প্রচার করা হয়। এতে মেয়েটি ও তার পরিবার আতঙ্কিত হয়ে পড়ে; মেয়েকে বিয়ে দিতেও সমস্যা হয়।

এছাড়া আইন আদালতও অনেক সময় ভিকটিমকে উল্টা অপরাধী বানায়; টাকায় সব হয় এ সোনার বাংলায়। আমরা এখনো জাতি হিসাবে শতভাগ মানুষ হতে পারিনি।

৪২| ২৩ শে জুলাই, ২০১৮ রাত ২:২৩

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: বাংলাদেশে ইলেকট্রনিক জগতের আধুনিক এক একটি ধাপ আসে আর বাংলাদেশের জনতা তার অপব্যবাহার করে মাল্টিপল আকারে, চীন জাপানে কথা বলার জন্য ফোন কলে প্রচুর টাকা খরচ হতো - হোয়াটসআ্যাপ, ইমো, উইচ্যাট, লাইন, ভাইবার, স্কাইপি আসায় মনে মনে ভাবলাম বাঁচা গেলো - বছর না ঘুরতে ঘুরতেই মনে মনে বলতে হচ্ছে মারা যাবো - মানুষকে দেখে সম্ভবত পশু ও লজ্জা পায় !!!

গুরু, রেষ্ট্রিকশান আর আইন করে মানুষ শুধরোবে না, তাহলে মানুষ শুধরোবার পন্থা কি ???

২৩ শে জুলাই, ২০১৮ রাত ৩:০৩

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:


গুরু বড়ই জটিল একখান কুয়েশশন করেছেন.... B-)

পরিবার ও বিভিন্ন সামাজিক প্রতিষ্ঠানগুলো হয়ে উঠবে প্রতিটি তরুণের শিক্ষালয়। শৈশব থেকে তাদের জীবনের প্রকৃত লক্ষ্য কী, কীসে মানুষের চূড়ান্ত সফলতা, কীসে তার জীবন সার্থক হবে সেই শিক্ষা প্রদান করতে হবে। তারা জানবে অন্যান্য সৃষ্টির সঙ্গে তার পার্থক্য কী? তার জীবনের মূল্য কী? পরিবারগুলো হবে সুখের আধার। কোনো মানুষই অন্য মানুষকে অবিশ্বাস করবে না, অচেনা মানুষকেও সে সন্দেহ করবে না; শ্রদ্ধা, প্রেম আর ভালোবাসায় ঘেরা থাকবে একেকটি পরিবার। বৃদ্ধ পিতা-মাতাকে কেউ বৃদ্ধাশ্রমে রেখে আসবে না, স্বার্থপর একক পরিবার প্রথা চলে গিয়ে আবার যৌথ পরিবার ব্যবস্থার চর্চা হবে।

এখানে কেবল শাস্তির ভয়ে নয় বরং আত্মার তাগিদেই মানুষ যাবতীয় অপরাধ থেকে নিজেকে নিবৃত রাখবে। উত্তম বিবেকের শিক্ষা ও আইনের শাসন- উভয়ের সম্মিলিত প্রভাবে এই সমাজে অপরাধ কমতে কমতে প্রায় শূন্যের কোঠায় গিয়ে ঠেকবে; তরুণরা ভাল ও মন্দ বিচার করতে পারবে। প্রতিষ্ঠিত হবে জীবন ও সম্পদের পূর্ণ নিরাপত্তা। এখানে ধর্ষণ তো দূরের কথা, নারীর প্রতি ন্যূনতম অবমাননকর ইঙ্গিত করাও হবে অবিশ্বাস্য ঘটনা। টেকনাফ থেকে তেতুলিয়া পর্যন্ত একজন সুন্দরী যুবতী নারী একা ঘুরে বেড়াবে, তার দিকে মন্দ দৃষ্টিতে তাকানোর স্পর্ধাও কেউ করতে পারবে না। স্কুলফেরত ছোট শিশুটি শহরের ফুটপাত ধরে নিশ্চিন্তে বাড়ির পথে হেঁটে যাবে।

ঢালাও ভাবে বিজাতীয়/বিদেশি সংস্কৃতি বর্জন করলে লাভের চেয়ে আমাদের ক্ষতিই বেশি হবে। বিশ্বের সাথে প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ব আমরা। কারণ বর্তমান সময়ে মানুষের অর্থনৈতিক ও সামাজিক অগ্রগতির ক্ষেত্রে সাংস্কৃতিক আদান প্রদান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। আর অপসংস্কৃতি, তা দেশী হোক অথবা বিদেশী তা অবশ্যই বর্জনীয়। যেমন- মঞ্চ নাটক আমাদের বাঙালি সমাজে দীর্ঘ দিনের সংস্কৃতি চর্চার একটি অংশ, কিন্তু মঞ্চ নাটকের নামে নারীদের শরীর প্রদর্শন ও অশ্লীল নৃত্য পরিবেশন করলে তা হবে অপসংস্কৃতি। দুঃখজনক হলেও সত্য ভারতীয় টিভি চ্যানেলের কিছু সিরিয়াল, অনুষ্ঠান ও আইটেম সঙ আমাদের সমাজকে প্রতিনিয়ত ক্ষত-বিক্ষত করছে। এ থেকে পরিত্রাণ পেতে সরকারের পাশাপাশি আমাদের সবাইকে সচেতন হতে হবে। এ বিষয়ে আমাদের নিজেদের পরিবারকেও সচেতন করা প্রয়োজন।

আরো কিছু কঠোর নিয়ম ফলো করতে হবে -
(১) বয় ১৮ হওয়ার আগ পর্যন্ত ফেইসবুক, হোয়াটসআপ, ইমো, ভাইভার ইত্যাদির ব্যবহার নিষিদ্ধ করতে হবে X(
(২) স্মার্ট ফোন বয়স ১৮ হওয়ার আগে ব্যবহার করা যাবে না X(
(৩) ১৮ বছরের আগে রাতে মোবাইল নিয়ে ঘুমাতে যেতে দেওয়া যাবে না X(
(৪) ইন্টারনেট ব্রাউজারগুলোতে ১৮+ বিষয়গুলো লক থাকবে; ইউজার বয়স প্রমাণ করে তা আনলক করবে X(
(৫) বাবা মা সন্তানদের সময় দিতে হবে; বন্ধুর মতো খোলামেলা কথা বলতে হবে B-) !!
(৬) গ্রাম ও শহর উভয় জায়গায় ধর্ম, বর্ণ নির্ভিশেষে যাতে সবাই একসাথে মিশতে পারে সে জন্য প্রতিটি এলাকায় "কমিউনিটি হল" বানাতে হব B-)
(৭) তরুণ তরুণীদের খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও ভ্রমনের পর্যাপ্ত সুযোগ করে দিতে হবে B-)
(৮) বেকারত্ব কমিয়ে আনতে হবে; তরুণদের কাজ দিতে হবে B-)

B-) সর্বাপরি, তরুণ তরুণীদের ভাল মন্দ বাছ বিচার করে চলতে হবে B-)

৪৩| ২৩ শে জুলাই, ২০১৮ রাত ২:৪১

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: অবশেষে আপনার লেখার হেডলাইন পরিবর্তন করতে হলো !!!

আমার পূর্বের কমেন্টের কিছু অংশ এখানে জোড়াতালি দিতে হচ্ছে - ধর্ষণ নিয়ে যা লিখার সবতো লিখে দিলেন সব, কিছু তো বাদ দেওয়া উচিত ছিলো নাকি ? - আমরা ব্লগার, আমরা দুই একটা কমেন্ট টমেন্ট করবো “আপনি একটু কম বুঝেন আমি একটু বেশী বুঝি, অথবা আপনি হেন কথাটি লিখেননি এই নিন আমার এই মন্তব্য এবং বুঝুন আমি ধর্ষণ বিষয়ে বিশেষজ্ঞ (বিশেষ ভাবে অজ্ঞ) অথবা ধর্ষণে আমার পিএইচডি আছে !!!

শৈবাল দিঘিরে বলে উচ্চ করি শির, লিখে রেখো, এক ফোঁটা দিলেম শিশির॥
এই হচ্ছে ব্লগের অবস্থা, গুরু !!!

গুরু, আপনার আর আমার মনে হয় এখনো আক্কেল দাঁত গজায় নাই, দাঁতের ডাক্তারের কাছে চলেন “দুইটা করে দাঁত শহীদ করে আসি” !!!

২৩ শে জুলাই, ২০১৮ রাত ৩:১২

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



আপনি নিশ্চয়ই কমেন্টের উত্তরটিও পড়েছেন? আপনার কি মনে হয় আমার দেওয়া উত্তরটি উপযুক্ত ছিল? পরে, নিজের সাথে অনেক বিতর্ক করে নিজে থেকেই পরিবর্তন করলাম। লেখক হিসাবে পাঠকের ইচ্ছাকে সম্মান দিলাম!!! আপনি তো জানেন লেখকদের বিনয়ী হওয়া বাঞ্ছনী!!!

গুরুর মতামত কী??

৪৪| ২৩ শে জুলাই, ২০১৮ রাত ৩:৩৭

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: যথার্থ - লেখার মান মুল্যায়ন করবেন পাঠক - লেখক না । তবে এই লেখায় আপনি যেই শ্রম দিয়েছেন তা কল্পনাতীত, আপনি বেশ কয়েকবার আমাকে প্রস্তাব করেছেন ফিচার লিখতে - গুরু আপনাকে মনোক্ষুন্ন করা আমার কাজ না, তবে আমি ফিচার লিখি না পাবলিক আমার পোষ্টের বাপের নাম ভুলিয়ে দেবে - অর্থাৎ হেডলাইন বদলে দেবে ।।

সর্বোপরি বলতে চাই “আপনি লেখায় যেই শ্রম দিচ্ছেন তা যেনো অবস্যই অবস্যই সার্থক হয়” - ভবিষ্যতে আপনার কোনো এক নাতী আমার কোনো এক নাতীকে বলবে “দেখ আমার দাদা কি লেইখা গেছে !!! - আমার নাতী প্রত্যুত্তর দেবে হঁ আমার দাদা কি কি কমেন্ট করছে তা পড়লি নাহঃ” !!!

যবনিকা: - মেয়েরা মাল না, তাদের আসল পরিচয় তারা মা

২৩ শে জুলাই, ২০১৮ রাত ৩:৪৯

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



"ভবিষ্যতে আপনার কোনো এক নাতী আমার কোনো এক নাতীকে বলবে “দেখ আমার দাদা কি লেইখা গেছে !!! - আমার নাতী প্রত্যুত্তর দেবে হঁ আমার দাদা কি কি কমেন্ট করছে তা পড়লি নাহঃ” !!!

গুরু বিষয়টি তো খুব ইন্টারেসটিং!!! আপনার নাতির অংশটিই সবচেয়ে ভাল লেগেছে; আমি ফিচার লেখায় এতো মনযোগী হওয়ার পেছনে এই পাকনা নাতিটার দাদার অবদান অপরিসীম; আপনি এ ব্লগের সবচেয়ে ওজনদার কমেন্টকারী; কমেন্ট পড়লে বুঝা যায় আসল গুরু কে? B-)

B-) গুরু পেলাস গুরু ইকুয়ালটু মহাগুরু B-)
শুভ রাত্রি ॥

৪৫| ২৩ শে জুলাই, ২০১৮ বিকাল ৫:৪৯

চাঁদগাজী বলেছেন:


তা'হলে লেখাটি কি "গবেষণামুলক" নয়?

২৩ শে জুলাই, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:০৭

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:


আপনি এখনো শিরোনাম নিয়ে আছেন!!! লেখাটি পড়ে দেখেন, কিছু শিখতে পারবেন; শেখার কোন বয়স নেই; ব্লগ হলো লেখার ও শেখার জায়গা; আশা করবো কমেন্ট করলে গঠনমূলক করবেন; এমন ছেলেমানুষী কমেন্ট আমি পছন্দ করি না; আশা করি, কমেন্ট করার আগে এ বিষয়টি খেয়াল রাখবেন॥

২৩ শে জুলাই, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:১০

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:
এ বিষয়ে আর কোন কমেন্ট করলে ডিলেট করে দেব॥ (ধন্যবাদ)

৪৬| ২৪ শে জুলাই, ২০১৮ রাত ১২:৩৯

বলেছেন: আপনার লিখা আমি পড়ে বুঝেছি আপনি অসাধারন প্রতিভাবান ব্যক্তিত্ব যিনি সত্যিকারের দেশ প্রেমিক।

২৪ শে জুলাই, ২০১৮ রাত ১:০২

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:


আপনার সমৃদ্ধ ব্লগ বাড়ি ঘুরে আসলাম। সাড়ে ৯ বছর থেকে ব্লগিং করছেন B-) B-) এজন্য স্পেশাল থ্যাংকস। কমেন্টে তো আমাকে মহা লজ্জায় ফেলে দিলেন? আমি মোঠেও প্রতিভাবান নয়; আপনাদের মতো সিনিয়রদের লেখা পড়ে নিজের শেখার লেভেলটুকু একটু বাড়িয়ে নিচ্ছি; আসলে জীবনটাই তো একটা পাঠশালা; এখানে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত শিখতে হয়, জানতে হয়।

শুভ রাত্রি,
'ল'-ভাই।

৪৭| ২৪ শে জুলাই, ২০১৮ রাত ২:১২

চাঁদগাজী বলেছেন:


এই পোষ্টে পড়ার মতো নতুন কিছু ছিলো না; আপনি যা যলিখেছেন, এগুলো এই ব্লগে ২০০/৩০০ বার লেখা হয়েছে, আলোচিত হয়েছে।

২৪ শে জুলাই, ২০১৮ রাত ২:২৫

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:


দেখুন, আপনারা হলেন অনেক অভিজ্ঞতা সম্পন্ন মানুষ; আমার এ পোস্টে হয়তো নতুন কিছু আপনার চোখে পড়েনি; আর না পড়াটি হয়তো অস্বাভাবিক নয়; আমি আপনার পোস্টগুলো মনযোগ দিয়ে পড়ি; এতে আমার জানার পরিধি বাড়ে। এমনকি কোন পোস্ট পছন্দ না হলেও পড়ি; অথবা মানসম্পন্ন মনে না হলেও অনেক সময় পড়ি। এতে লেখকের কোন উপকার না হলেও আমার হয়।

আমি আপনার অধিকাংশ লেখাই পছন্দ করি, তবে সবগুলো লেখাই পড়ি। সব লেখায় নতুনত্ব না পেলেও কোন বিশেষ বাক্য থেকেও অনেক কিছুর শেখার থাকে।

৪৮| ২৪ শে জুলাই, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:১৭

বলেছেন: @ চাঁদগাজী
Anne Frank এর অসম্ভব সুন্দর একটি উক্তি আছে, ‘Look at how a single candle can both defy and define the darkness.’
আফ্রিকান বচনে আছে, “If you want to walk fast walk alone, if you want to walk far, walk together!”

একটি গ্লাস অর্ধেক পূর্ণ দেখার চেয়ে অর্ধেক খালি দেখা সব সময় সহজ। তবে মানুষের মধ্যে ইতিবাচক মনোভাব তৈরি করার শক্তি রয়েছে। একে অপরকে সম্মান দেখান।

সবকিছুর মাঝে ভালো-টা খুঁজে নেওয়া সফল মানুষদের অনন্য একটি গুণ।

সহমত @ চৌধুরী ভাই সব লেখায় নতুনত্ব না পেলেও কোন বিশেষ বাক্য থেকেও অনেক কিছুর শেখার থাকে।

২৪ শে জুলাই, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৪০

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



আবারও ব্লগে আসার জন্য ধন্যবাদ আপনাকে। উনার প্রথম কমেন্ট ছিল লেখার প্রথম লাইন নিয়ে; দ্বিতীয় কমেন্ট লেখার শিরোনাম নিয়ে; আবার তৃতীয় কমেন্টও হলো শিরোনাম নিয়ে। উনার ভাষায় এগুলো "কোয়ালিটি কমেন্ট":(!!! আর চতুর্থ কমেন্ট হলো আমার লেখাটিকে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করে।

মোট কথা তিনি আমার লেখাটি না পড়েই উদ্দেশ্য প্রণোদিত হয়ে এ কমেন্টগুলো করেছেন; এতে উনার কী লাভ হলো আমার জানা নেই; পাঠকরা নিশ্চয়ই বিষয়টি খেয়াল করেছেন। এসব কমেন্টের একমাত্র উদ্দেশ্য হলো লেখককে পাঠকদের কাছে হাস্যকর ও তাচ্ছিল্যভাবে উপস্থাপন করা।

"সব লেখায় নতুনত্ব না পেলেও কোন বিশেষ বাক্য থেকেও অনেক কিছুর শেখার থাকে।" আমি তাই করি, এতে আমার জানার পরিধি বাড়ে।

শুভ কামনা আপনার জন্য।

৪৯| ২৪ শে জুলাই, ২০১৮ রাত ৮:০৭

বলেছেন: It would be easy to become a victim of our circumstances and continue feeling sad, scared or angry; or instead, we could choose to deal with injustice humanely and break the chains of negative thoughts and energies, and not let ourselves sink into it.”
আমাদের সমাজ থেকে শ্রদ্ধাবোধ বিষয়টি প্রায় বিলুপ্ত হওয়ার পর্যায়ে চলে গেছে। কারণে-অকারণে একজন আরেকজনকে অশ্রদ্ধা-অসম্মান করেন
চাঁদগাজী যাদের তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করে বিদ্রূপাত্মক মন্তব্য করেছেন, দেশ ও জনগণের প্রতি দায়াবদ্ধতা, নিষ্ঠা-সততা-নৈতিকতা, অন্য যে কারও উনার চেয়ে কম নয়,
চাঁদগাজী সাহেবের ---উদ্দেশ্য প্রণোদিত হয়ে এ কমেন্টগুলোর
চারটি কারণ থাকতে পারে,
১) বিনয় থেকে,
২) আত্মঅহমিকা থেকে
৩) সত্যি বোঝেন না বলে।
বা
৪) অপর কে হাস্যকর ও তাচ্ছিল্যভাবে উপস্থাপন করা

জানার অপেক্ষায় রহিলাম -----

২৪ শে জুলাই, ২০১৮ রাত ৮:৪২

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



"we could choose to deal with injustice humanely and break the chains of negative thoughts and energies, and not let ourselves sink into it.”

আপনি চমৎকার একটি কথা বলেছেন; আমি এ বিষয়গুলোকে ওভারকাম করার চেষ্টা করি; যদিও মানসিকভাবে কিছুটা কষ্ট পাই। আমি পেশায় একজন শিক্ষক; লন্ডনেও শিক্ষকতা করেছি। এখন ইউনিভার্সিটিতে আছি; এজন্য সব সময় ব্যক্তিত্ত্ব ধরে রাখার চেষ্টা করি। মানুষকে সম্মান দিয়ে কথা বলি; রেসপেক্ট করি। এজন্য আমি বাজে কোন আচরণের শিকার হলে কষ্ট পাই।

আপনি এখানে যে কারণগুলো দিয়েছেন তার সাথে কিছু সংযুক্ত করবো-
(১) পরশ্রীকাতরতা;
(২) কমনসেন্সের অভাব;
(৩) প্রতিহিংসা;
(৪) বয়সের সাথে ব্যবহারের পরিপক্বতা না আসা;
(৫) নিজের ব্যক্তিগত, পারিবারিক অসুখী জীবন;
(৬) স্বভাব দোষ।

৫০| ২৪ শে জুলাই, ২০১৮ রাত ৮:৪৬

বলেছেন: Feel proud for you
#LOVE
#RESPECT

২৪ শে জুলাই, ২০১৮ রাত ৮:৫১

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: অনেক শুভ কামনা আপনার জন্য;
আর বেশি করে ব্লগে লেখুনB-)

৫১| ২৪ শে জুলাই, ২০১৮ রাত ৮:৫৫

কথাকথিকেথিকথন বলেছেন:




ধর্ষণ এক নিম্নশ্রেণীর আদিম কু-প্রবৃত্তি। হাজার হাজার বছর ধরে চলে আসা একটা চর্চা। এই চর্চা বন্ধ করতে হলে দরকার জিরো টলারেন্সের প্রয়োগ। যুদ্ধ চলাকালিন শত্রুপক্ষের নিকট কোন আইন থাকে না। তাই তারা ধর্ষণের মত খারাপ কাজেও জড়িয়ে পড়তে পিছপা হয় না। কিন্তু একটি যুদ্ধহীন স্বাধীন রাষ্টে, যেখানে সুগঠিত আইন রয়েছে সেই রাষ্টে এমন গর্হিত অপরাধ মেনে নেয়া যায় না। এতে বোঝা যায় দেশের অবকাঠামো কত দুর্বল এবং ভঙ্গুর।

আপনার গবেষণামূলক আলোচনা ভাল লেগেছে।

২৪ শে জুলাই, ২০১৮ রাত ৯:০৮

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



ধর্ষকের হাত থেকে তিন বছরের শিশুরাও রেহাই পাচ্ছে না। পরিচিতজনদের মাধ্যমে ধর্ষণের ঘটনাও বাড়ছে। সবকিছুর মূলে আছে মূল্যবোধের অভাব। অবাধে X(পর্নোগ্রাফির X( বিস্তার, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে স্বল্প পরিচয়ের পর ওই ছেলের সঙ্গে বাছবিচার না করে মেলামেশা, বিভিন্ন চ্যানেল, বিশেষ করে পাশের দেশের বিভিন্ন চ্যানেলে যা দেখানো হয়, তা-ও ধর্ষণের মতো অপরাধকে উসকে দিচ্ছে X(। বিজ্ঞাপন দেখে একটি ছোট ছেলেও জানতে পারছে, শরীরকে উত্তেজিত করতে হলে কী খেতে হবে। ছেলেমেয়েরা ইন্টারনেটে কোন সাইট দেখছে, তা-ও অভিভাবকেরা কখনো নজরে আনছেন না B:-)

এই সমাজ শুধু ধর্ষণের শিকার নারীর দিকে আঙুল তুলে তা-ই নয়, ওই নারীকেই প্রমাণ করতে হয়, তিনি ধর্ষণের শিকার হয়েছেন X(। ধর্ষণের পরীক্ষায় X(‘টু ফিঙ্গার টেস্ট’ X( নিয়ে এত আলোচনার পরও তা বন্ধ হয়নি। বর্তমানে ধর্ষণের শিকার হয়ে অনেকেই সাহস করে মামলা করছেন। তবে ‘লিগ্যাল প্রসিকিউশন’ এখন পর্যন্ত নারীবান্ধব হয়নি।

একটি ধর্ষণের ঘটনা ঘটার পর বিভিন্ন গণমাধ্যম এমনভাবে খবরটা প্রকাশ বা প্রচার করছে, তাতে বিষয়টিতে অন্যদের আরও বেশি করে সুড়সুড়ি দেওয়া হচ্ছে X(। এ প্রবণতা থেকে বের হতে হবে। ধর্ষণ প্রতিরোধে পরিবার এবং নারীদের সচেতনতাও বাড়াতে হবে।

ধন্যবাদ, কথাকথিকেথিকথন ভাই। চমৎকার মন্তব্যের জন্য কৃতজ্ঞতা।

৫২| ২৫ শে জুলাই, ২০১৮ ভোর ৬:২৪

সোহানী বলেছেন: যেহেতু বিষয়টি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে লিখছি তাই একটু গভীরে আলোচনা করছি।

আপনার প্রতিটি পয়েন্টে দ্বিমত করার অবকাশ নেই। ধর্ষনের ইতিহাস, এর পিছনের মনোস্তাত্বিক বা সামাজিক বা রাস্ট্রীয় কারন, বর্তমানের অবস্থা সবই ফুটিয়ে তুলেছেন বিস্তারিত ব্যাখা সহ। এবং এর রোধের উপায় বলেছেন শেষ প্যারায়। কিন্তু সত্যি বলি কি আমার আগ্রহ এর ব্যাখায় নয় এর রোধে। কিভাবে কোন অবস্থায় এ সামাজিক অবক্ষয় রোধ করা যাবে তাই দরকার বিস্তারিত ভাবে। তারপরও আপনার মতো যারা লিখছেন বলে এর সচেতনতা বাড়ছে ও আরো বাড়বে।

তবে কিছু বিষয় নিয়ে একটু কথা বলি, যেমন বেশী ধর্ষিত দেশের তালিকায় যাদের কথা বলেছেন তা নিয়ে একটু ব্যাখ্যা করি। ইউএন এ তালিকা তৈরী করেছে পুলিশ, মামলা বা বিচারের ভিত্তিতে। যেসব ঘটনার কোন মামলা হয়নি কা কিন্তু ইউএন এ তালিকায় আসেনি। সেসব তালিকাহীন ইন্সিডেন্ট কন্সিডার করলে ভারত, বাংলাদেশ, পাকিস্তান কে ছাড়িয়ে সবার উপরে থাকতো আরব দেশের তালিকা। কারন আমাদের দেশে যদিও কিছু রিপোর্ট হয় আরব দেশেতো তার ছিটেফোটাও হয় না। কারন যে মেয়ে রিপোর্ট করবে সবার আগে তার বিচার হবে.... একটা বর্বর রাস্ট্র। আমাদের দেশ থেকে যে হাজার মেয়েরা গেছে ওদের কি কোন ধর্ষন রিপোর্ট কেউ দেখেছে???? না দেখেনি!!!!! কিন্তু সেসব মেয়েদের কষ্টের ডকুমেন্টারীগুলো দেখলে কাঁদতে বসি। আলজাজিরা ও বিবিসির বেশ কিছু ডকুমেন্টারী আছে। কিন্তু ওদের চুলের আগাতে ও কেউ হাত দিতে পারেনি।

কারন??? এটা আমাদের রাষ্ট্রীয় ব্যর্থতা। ফিলিপাইন আগে আরবে লোক পাঠাতো কিন্তু এ ধরনের অত্যাচারের কারনে ওরা রাস্ট্রীয় পর্যায়ে কঠিন নিয়ম করেছে।আপনার শিশু সন্তানকে কিভাবে বাচাঁবেন নরপশুদের হাত থেকে !!!!!-(রি-পোস্ট)
................ আর কথা বাড়াই না। সবার মন্তব্য ও আলোচনা ভালোলাগছে। বিশেষ করে গাজীভাইয়ের প্রতিউত্তরে আপনার ধৈর্য্য প্রশংসনীয়। অনেক কিছুই বুঝি কিন্তু বলতে চাই না। কে কেন কি কারনে কি করে তা দীর্ঘদিন সামুতে থেকে ভালোই বুঝি।

আমার ছোট্র একটা লিখা শেয়ার করলাম এ বিষয়ে। যদিও এ লিখাটি এতো বেশি ভাইরাল হয়েছে তবে আমার নাম উল্লেখ ছাড়া।

অনেক অনেক ভালো থাকেন।

(অ:টি: প্রোপিক ভালো লেগেছে....... চেইন্জটা দরকার ছিল।)

২৫ শে জুলাই, ২০১৮ সকাল ৭:১৭

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



"যেমন বেশী ধর্ষিত দেশের তালিকায় যাদের কথা বলেছেন তা নিয়ে একটু ব্যাখ্যা করি। ইউএন এ তালিকা তৈরী করেছে পুলিশ, মামলা বা বিচারের ভিত্তিতে। যেসব ঘটনার কোন মামলা হয়নি কা কিন্তু ইউএন এ তালিকায় আসেনি। সেসব তালিকাহীন ইন্সিডেন্ট কন্সিডার করলে ভারত, বাংলাদেশ, পাকিস্তান কে ছাড়িয়ে সবার উপরে থাকতো আরব দেশের তালিকা। কারন আমাদের দেশে যদিও কিছু রিপোর্ট হয় আরব দেশেতো তার ছিটেফোটাও হয় না। কারন যে মেয়ে রিপোর্ট করবে সবার আগে তার বিচার হবে.... একটা বর্বর রাষ্ট্র;

এ বিষয়টি আমিও লেখার সময় ভেবেছি; তবে এখানে একটি বিষয় বলি, শুনেছি আরব দেশগুলোতে ঘরের কাজের মেয়েদের সাথে ★★★ নাকি ধর্মীয় রীতিতে বৈধ X(; এর জন্য কোন মামলা হয় না; বাংলাদেশ সহ তৃতীয় বিশ্ব থেকে যেসকল মেয়ে সেসব দেশে যায় সেখানে এগুলো অনেকটা রীতি হিসাবে প্রচলিত; এ বিষয়ে আরব ফেরত অনেকের কাছে জানতে চেয়েছিলাম, এর সত্যতাও পেয়েছি; তবে, এগুলো ধর্ম মতে জায়েজ কিনা আমার জানা নেই।

এক কথায় এগুলো চরম বর্বরতা; বাংলাদেশ সরকারের উচিৎ এসব দেশে নারী গৃহকর্মী পাঠানো বন্ধ করা; পাশাপাশি মেয়েদেরকে এসব দেশে যেতে বারণ করতে হবে।

আপু, কারো আচরণ সংশোধন করা যেহেতু আমার নাগালের বাইরে সেহেতু নিজেক গুটিয়ে রাখাটাই শ্রেয়; আর কেন এগুলো করা হচ্ছে তার কারণও বুঝি; এজন্য পাছে লোকের পানে চেয়ে নিজের মূল্যবান সময় নষ্ট করার কোন মানে হয় না।

আর প্রোপিকটা অনেক দিন থেকে ভাবছিলাম চেঞ্জ করবো; কিন্তু কি দেওয়া যায় তাই খুঁজে পাচ্ছিলাম না; অবশেষে অন্ধকারের মাঝে নিভুনিভু আলোর পিকটা সিলেক্ট করলাম; এর পেছনে অনেকগুলো কারণ আছে। ভাইটার জন্য একটু আশীর্বাদ করবেন যাতে নজর না লাগে; লেখালেখির মানটি আরো উপরে তুলতে পারি।

শুভ রাত্রি ।

৫৩| ২৫ শে জুলাই, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:২৫

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: তথ্যবহুল সুন্দর পোস্ট ।+

২৬ শে জুলাই, ২০১৮ রাত ১:০০

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা রইলো আপনার জন্য; ভাল থাকবেন; আজকের আপনার কবিতা দুটি খুব পছন্দ হয়েছে B-)

৫৪| ২৬ শে জুলাই, ২০১৮ সকাল ৯:৩০

বিপরীত বাক বলেছেন: ওই লোক ঠিকই বলেছিল। ধর্ষনের হা র সবচেয়ে বেশি বাংলাদেশ, পাকিস্তান, ভারতে। পশ্চিমা দেশে না। কেননা উপমহাদেশে যত ধর্ষনের ঘটনা ঘটে তার ৩০-৪০% প্রকাশিত হয়। কিংবা তারও কম। ইন্টারনেট পরিসংখ্যান এখানে অকার্যকর।

শেষে আবার একজন কে দেখলাম ধর্ম নাজিল করছেন। সব জায়গায় দুর্গন্ধ না ছড়ালে এদের মনে হয় হজম হয় না। আর পড়লাম না কমেন্ট।

২৭ শে জুলাই, ২০১৮ রাত ৩:৩১

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



ধন্যবাদ, বিপরীত বাক ভাই। আমার পোস্টে আপনাকে প্রথম বারের মতো পেলাম; এজন্য ভাল লাগলো। আপনি যে তত্ত্বটি দিয়েছেন তা অনেকটাই সত্য; এদেশে ভিকটিমরা বেশিরভাগ সময়ই থানা পুলিশ করে না। এজন্য প্রকৃত সংখ্যাটি বহুগুনে বেশি। আর যারা ধর্মের কঠোর অনুশাসন মেনে চলেন, উনার এ বিষয়টি ধর্মীয়ভাবে বিচার বিশ্লেষণ করার চেষ্টা করেন; এখানে যুক্তির চেয়ে বিশ্বাস আর ধর্মীয় নীতিই
বেশি গুরুত্ব পায়।

আশীর্বাদ রইলো।

৫৫| ২৬ শে জুলাই, ২০১৮ সকাল ১০:০২

কথার ফুলঝুরি! বলেছেন: ভাইয়ার পোস্ট টা আগেই দেখেছিলাম ও পড়েছিলাম কিন্তু মন্তব্য করতে আসলাম অনেক পরে । ভাইয়া আজ পর্যন্ত অনেক বিষয়ে তথ্য বহুল পোস্ট দিয়েছেন কিন্তু ভালো লাগলো ধর্ষণের মত সেনসিটিভ একটা বিষয় নিয়ে এমন তথ্য নির্ভর পোস্ট পেয়ে।

ধর্ষণের সবচেয়ে দুঃখজনক বিষয় হচ্ছে, ধর্ষণকারী কে নিয়ে যত না আলোচনা হয় তার চেয়ে বেশী খারাপ খারাপ আলোচনা হয় ধর্ষিতা কে নিয়ে। আমরা দোষটাও চাপিয়ে দেই ধর্ষিতার ঘাড়েই, মেয়েটি রাত করে বাড়ী ফিরছিল কেন? এমন পোশাক পরেছিল কেন? আরও কত কি ।
ধর্ষণকারীর চেহারা দেখার জন্য আমরা উদগ্রীব থাকিনা, থাকি ধর্ষিতার চেহারা দেখার জন্য। পত্র পত্রিকায় ধর্ষণকারীর ছবি ছাপা হয়না, হয় ধর্ষিতার ছবি। আর সাঁজাও তেমনি ধর্ষণকারী কে না, ধর্ষিতাকেই পেতে হয়, সমাজ থেকে আর পরিবার থেকে।
আমি মনে করি, একজন ধর্ষণকারী সমাজের সবচেয়ে নিকৃষ্ট শ্রেণীর মানুষ।

২৭ শে জুলাই, ২০১৮ রাত ৩:৩৯

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



স্যরি, আপু আপনার কমেন্টর নটিফিকেশন না পাওয়ায় কমেন্ট দেখিনি; এজন্য দেরীতে প্রতি উত্তর দেওয়ায় দুঃখিত। আপনি বিজি থাকেন, তারপরও খুঁজে খুঁজে কমেন্ট করেন এজন্য কৃতজ্ঞতা রইলো। আসলে আমাদের পুরুষতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থায় নারীদের দোষটাই চোখে পড়ে; এজন্য এ বিষয়ে ভিকটিমকে সবাই দোষী বানাতে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। এটা দুঃখজনক X(

৫৬| ২৮ শে জুলাই, ২০১৮ রাত ১২:৩৯

ইব্‌রাহীম আই কে বলেছেন: অনেক গভীর পর্যালোচনা ছিল। তবে হয়ত শেষ পর্যন্ত এসব আলোচনার মধ্যেই থাকবে। না আমাদের সচেতনতা বাড়বে না মেয়েদের দায়িত্বজ্ঞান বাড়বে।

২৮ শে জুলাই, ২০১৮ রাত ১২:৪৮

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



আসলে প্রাগৈতিহাসিক এ ব্যধিটি হয়তো পুরোপুরি নির্মুল কখনো হবে না; তারপরও সচেতনতা বাড়াতে সভা-সেমিনার হয়, গবেষণা হয়, লেখালেখি হয়; এসবের উদ্দেশ্য হলো জঘন্য এ অপরাধটি কমিয়ে আনা, যারা এর সাথে জড়িত তাদের বিচারের আওতায় নিয়ে আসা; উপযুক্ত শাস্তি নিশ্চিত করা; এছাড়া ভিকটিমকেও সতর্ক করা এবং সাপোর্ট দেওয়া।

শুভ রাত্রি, ইব্রাহীম ভাই।

৫৭| ২৮ শে জুলাই, ২০১৮ দুপুর ১:১৮

ভেলকি বলেছেন: ভাই,,একটা ছোটো মেয়েকে যদি কিছু কেন্ডি বা টেডি দিয়ে পটিয়ে তার স্পর্শকাতর জায়গায় স্পর্শ করা হয়,, ওটা কি অপরাধ নাকি অরাধ না?

২৮ শে জুলাই, ২০১৮ বিকাল ৩:৪৩

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



বাংলাদেশ দন্ডবিধির ৩৭৫ নং ধারা অনুযায়ী, কোনো নারীর ইচ্ছার বিরুদ্ধে অথবা কোনো নারীর সম্মতি ছাড়া অথবা কোনো নারীকে মৃত্যু বা শারীরিক আঘাতের ভয় দেখিয়ে শারীরিক সম্পর্কে সম্মতি দিতে বাধ্য করলে অথবা নাবালিকা অর্থাৎ ১৬ বছরের কম বয়স্ক শিশু সম্মতি দিলে কিংবা না দিলে (সে যদি নিজ স্ত্রীও হয়) অথবা কোনো নারীকে বিয়ে না করেই ব্যক্তিটি তার আইনসঙ্গত স্বামী এই বিশ্বাস দিয়ে যদি কোনো পুরুষ যৌন সম্পর্ক স্থাপন করে তাকে আইনের ভাষায় ধর্ষণ বলা হবে।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (সংশোধিত ২০০৩) এর ৯ ধারা অনুযায়ী, ধর্ষণের অপরাধে যে সকল শাস্তির বিধান রয়েছে তা হলো, ধর্ষণের ফলে কোনো নারী বা শিশুর মৃত্যু হলে ধর্ষণকারীর জন্য রয়েছে মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড এবং ইহার অতিরিক্ত অন্যথায় এক লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডের বিধান। একাধিক ব্যক্তি দলবদ্ধভাবে কোনো নারী বা শিশুকে ধর্ষণ করলে ধর্ষণকালে বা ধর্ষণের পর যদি তার মৃত্যু ঘটে তবে উক্ত দলের সকলের জন্যই এই শাস্তি প্রযোজ্য হবে।

ধর্ষণের চেষ্টা করলে ধর্ষণকারীর সর্বোচ্চ দশ বছর এবং সর্বনিম্ন পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং এর অতিরিক্ত অর্থদণ্ডের বিধানও আছে। একটি শিশুকে পটিয়ে তার স্পর্শকাতর জায়গায় স্পর্শ করা হলো ঘৃণীত অপরাধ, এটি অবশ্যই শাস্তিযোগ্য অপরাধ; তবে তা ধর্ষণ হিসাবে গণ্য হবে না।

লেখাটি পড়ায় এবং কমেন্ট করায় ধন্যবাদ, ভাই।

৫৮| ১২ ই নভেম্বর, ২০১৮ রাত ১০:৪৫

তারেক ফাহিম বলেছেন: প্রিয় কাউছার ভাই’র এ রকম একটি বিশ্লেষনধর্মী পোষ্ট আগে পড়তে পারিনি বলে মনে মনে দুঃখ প্রকাশ করছি।

পোষ্টটি অনেক ধীরে পড়ছি, মন্তব্যগুলোও পড়েছি। আপনার পোষ্টগুলোকে সুন্দর করার জন্য যথেষ্ট পরিশ্রম করেন। আপনার এ ধরনের পোষ্ট থেকে অনেক কিছু শেখার আছে। আপনার মত একজন গুনি ব্লগারের সাথে একই ফ্ল্যাটপর্মে ব্লগিং করে ভেবে অনেক পুলকিত হই।

১৩ ই নভেম্বর, ২০১৮ রাত ২:২০

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



বেশ কয়েকদিন আগের একটি পোস্ট পড়ে মন্তব্য করার জন্য ধন্যবাদ 'তারেক ফাহিম' ভাই। পোস্ট আপনার পছন্দ হয়েছে জেনে খুব ভাল লাগছে। আমি প্রতিটি পোস্ট খুব যত্ন করে লিখি। চেষ্টা করি বিষয়ের গভীরে গিয়ে উপলব্ধি করতে।

পোস্টের পাশাপাশি মন্তব্যগুলোও মনযোগ দিয়ে পড়েছেন জেনে প্রীত হলাম। আমি চাই, সম্মানিত পাঠকরা যাতে লেখা থেকে ইতিবাচক কিছু খুঁজে পান। উনাদের মূল্যবান সময় নষ্ট হোক তা আমি কখনো চাই না।

আর, আমি মোটেও গুণী ব্লগার নয়। একজন সাধারন পাঠক মাত্র।

৫৯| ১৩ ই নভেম্বর, ২০১৮ রাত ২:৪৪

অনেক কথা বলতে চাই বলেছেন: আপনি বলেছেন 6th - 8th শতাব্দীতে মধ্যপ্রাচ্যে religion-ঘটিত কারনে হওয়া যুদ্ধে অনেক রেইপের ঘটনা ঘটে। আপনি কাদের কথা mean করছেন? কারা ঘটিয়েছিল ঐসব ঘটনা?

১৩ ই নভেম্বর, ২০১৮ দুপুর ২:০০

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



শুভেচ্ছা রইলো ভাই। "অনেক কথা বলতে চাই" কিন্তু কলম রাজি হয় না। তাই কিছু নীরবতা বুঝে নিতে হয়। অপ্রিয় সত্য কথা বলতে নেই। আর বলেই বা কি হবে। ভাল থাকুন সব সময়।

৬০| ১৩ ই নভেম্বর, ২০১৮ রাত ১১:০২

অনেক কথা বলতে চাই বলেছেন: আমার কথাটা এড়িয়ে গেলেন।

১৩ ই নভেম্বর, ২০১৮ রাত ১১:৪২

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: স্যরি, ভাই।

৬১| ১৩ ই নভেম্বর, ২০১৮ রাত ১১:০৪

অনেক কথা বলতে চাই বলেছেন: আপনি যদি ইংগিত দিয়ে থাকেন যে সাহাবাগন ওমন কাজ করেছিলেন, তাহলে আমি আর কিছু লিখব না আপনার এখানে।

১৩ ই নভেম্বর, ২০১৮ রাত ১১:৪৫

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: এ বিষয়টি নিয়ে আমি কিছু বলতে চাচ্ছি না। মাইন্ড করবেন না, প্লীজ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.