নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

জন্মসূত্রে মানব গোত্রভূক্ত; এজন্য প্রতিনিয়ত \'মানুষ\' হওয়ার প্রচেষ্টায় আছি। গল্পের \'বায়স্কোপ\' বইয়ের কারিগর।

কাওসার চৌধুরী

প্রবন্ধ ও ফিচার লেখতেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি। পাশাপাশি গল্প, অনুবাদ, কবিতা ও রম্য লেখি। আমি আশাবাদী মানুষ।

কাওসার চৌধুরী › বিস্তারিত পোস্টঃ

দি গিফট অফ দ্যা ম্যাজাই (The Gift of the Magi); ও\' হেনরির (O. Henry) B-) B-) B-) বিখ্যাত এ গল্পের বাংলা অনুবাদ B-) B-) B-)

১১ ই আগস্ট, ২০১৮ রাত ৮:২৪


১ ডলার ৮৭ সেন্ট। সর্বসাকুল্যে। এর মধ্যে ষাট সেন্ট-ই ছিল খুচরো পয়সা। এক-দুই পয়সা করে মোদি দোকানী, সব্জী বিক্রেতা আর কসাইদের সাথে রীতিমত দর কষাকষির যুদ্ধে জয়ী হয়েই পয়সাগুলো সেভ করেছি; দোকানির সাথে দামাদামির ব্যাপারে আমি কখনো এক চুলও ছাড় দিতাম না, শেষ পর্যন্ত চালিয়ে যেতাম।

ডেলা পরপর তিনবার পয়সাগুলো গুনে নিল। হুম, মাত্র ১ ডলার ৮৭ সেন্ট!

অথচ, কালকেই ক্রিসমাস!!

ফলশ্রুতিতে পুরনো ময়লা আর ছোট্ট সোফার মধ্যে বসে বিলাপ করা ছাড়া ডেলার আর কিছুই করার ছিল না, ডেলা তাই করল।

'আসলে জীবন হচ্ছে প্রতিনিয়ত ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কান্না করা, আর মাঝে মাঝে হাসার অভিনয় করার একটি মিশ্রণ, অর্থাৎ হাসি-কান্নার যোগফল', উপলব্ধি করলো ডেলা।

যদিও পরিচর্যার অভাবে বাড়িটি ধীরে ধীরে আরো খারাপের দিকে যাচ্ছে, তবুও দেখে নেয়া যাক ডেলাদের বাড়িটির এখনকার অবস্থা কেমন। একটি সজ্জিত ফ্ল্যাট(তবে সুসজ্জিত নয়), যার ভাড়া প্রতি সপ্তাহে ৮ ডলার। বাড়িটি দেখতে পুরোপুরি ভিক্ষুকদের আবাসস্থল না হলেও আদতে অনেকটা তা-ই।

বাড়ির সদর দরজায় একটি 'চিটির বাক্স' থাকলেও এটি এতো জরাজীর্ণ ছিল যে, কোন চিটিই বাক্সটির মুখ ভেদ করে ভেতরে ঢুকতো না; পাশাপাশি একটি বৈদ্যুতিক সুইচও আছে, যেটিতে আঙুলের সর্বশক্তি খরছ করে কলিংবেল বাজাতে চেষ্টা করলেও কাজ হয় না।

এছাড়া বাড়ির সদর দরজায় একটি ঝোলানো কার্ডে লেখা ছিল, 'মিস্টার জেমস্ ডেলিংহাম ইয়ং।'

একটি সময় যখন 'ডেলিংহামের' ইনকাম তুলনামূলকভাবে বেশি ছিল তখন সে সপ্তাহে ৩০ ডলার বেতন পেত, কিন্তু সপ্তাহে এখন আয় কমে ২০ ডলার হওয়ায় সদর দরজায় লটকানো 'ডিলিংহাম' লেখাটি কেমন যেন বর্ণহীন লাগল। জিম ও ডেলা এজন্য সিরিয়াসলি আরো সাধারন মানের সাদামাটা একটি বাড়ি খুঁজতে মনস্থির করল।

কিন্তু যখনও জেমস ডেলিংহাম ইয়াং বাড়িতে আসেন এবং তার ফ্ল্যাটে পৌঁছান তখন মিসেস জিম তাকে শুধু 'জিম' নামে ডাকেন এবং তার প্রিয়তমা বউ মিসেস জেমস ডেলিংহাম নিয়ম করে তাকে প্রতিদিন ভালবাসার চাদরে জড়িয়ে ধরে সারাদিনের অপেক্ষার প্রহর ঘুচান।

আর মিসেস ডেলিংহাম হলেন 'ডেলা' যাকে ইতিমধ্যে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়েছে।

ডেলা কান্না থামিয়ে দুই গালে পাউডারের প্রলেপ লাগিয়ে বিষন্ন নয়নে জানালার পাশে দাঁড়িয়ে লক্ষ্য করলো একটি ধূসর বিড়াল ধূসর একটি বেড়ার উপর দিয়ে একটি ধূসর রঙের বাড়ির পেছনের দিকের উঠানে হাঁটছে।

'-আ-গা-মী- -কা-ল-কে-ই- ক্রিসমাস ডে'

কিন্তু তার কাছে আছে মাত্র ১.৮৭ ডলার! তা দিয়েই জিমের জন্য ক্রিসমাস গিফট কিনতে হবে। সর্বমোট এই পয়সা সে জমিয়েছে সারা মাসের প্রচেষ্টায়। আসলে সপ্তাহে ২০ ডলার রোজগার ডেলার পরিবারের জন্য মোটেও পর্যাপ্ত নয়; এছাড়া ডেলা মাসের খরছের যে খসড়া হিসাব কষেছিল বাস্তবে খরছ হয়েছে তার চেয়ে ঢের বেশি।

'মাত্র ১.৮৭ ডলার তার জিমের ক্রিসমাস গিফটের জন্য'!!!

কতশত ঘন্টা ডেলা ব্যয় করেছে জিমের জন্য একটি চমৎকার গিফটের কল্পনা করে তা বলা মুশকিল; কত প্লান ছিল তার। ডেলার ইচ্ছা ছিল গিফটি হবে দামী তবে অপ্রতুল এবং আকর্ষণীয়; তার দেওয়া গিফট-টি হবে জিমের খুব পছন্দের এবং নিত্য ব্যবহার্য।

ডেলার ফ্লাটের রুমটির দেয়ালের সাথে লম্বালম্বিভাবে আটকানো একটি আয়না ছিল; অনেকেই হয়তো ৮ ডলার মূল্যের ভাড়া করা ফ্লাট বাড়িতে এমন আয়না দেখেছেন। একজন চটপটে হালকা পাতলা ব্যক্তি যে তার প্রতিবিম্ব সতর্ক দৃষ্টিতে লম্বালম্বিভাবে পর্যবেক্ষণ করে নিজের সম্বন্ধে একটি ধারণা পায়; আর ডেলা হলো এই টাইপের মানুষের একটি সার্থক উদাহরণ।

হঠাৎ ডেলা দ্রুতবেগে জানালা থেকে দৃষ্টি সরিয়ে লম্বা আয়নাটির সামনে দাঁড়ালো। তার চোখ দু'টি উজ্জ্বল হয়ে উঠলো কিন্তু মাত্র ২০ সেকেন্ডের ব্যবধানে তার সুন্দর মুখটি ফ্যাকাসে হয়ে গেল। অন্যকোন ভাবনা না করে ডেলা খোঁপা বাঁধা সুন্দর চুলগুলো দ্রুত বেগে বাঁধন হারা করে দিল।


জিম ও ডেলার অভাবের সংসার হলেও তাদের কাছে দু'টি দামী সম্পত্তি ছিল; একটি হলো জিমের সোনার ঘড়ি, যেটি এক সময় তার দাদার ছিল। পরে তার বাবার হাত ঘুরে এখন জিমের কাছে আছে। আর অপরটি হলো ডেলার মাথার লম্বা চুল। এটা অনেকটা 'কুইন অফ সিবা'র খনির মধ্যে রাখা মণিমাণিক্যের মত। ডেলা মাঝে মাঝে জানালার পাশে দাঁড়িয়ে তার লম্বা চুলগুলো জানালার বাইরে শুকাতে দেয়।

রাজা সলোমন যেমন তার সম্পত্তিগুলো ঘরের মেঝেতে মাটি খুঁড়ে পুঁতে রেখেছিলেন; জিমও তার সখের গোল্ডেন ওয়াচটি লুকিয়ে রাখে এবং প্রতি মুহূর্তে টাইম দেখার ছলে ঘড়ি দেখে।

ডেলার রেশমি লম্বা চুলগুলো চকচকে উজ্জ্বল ঢেউ তোলা পাহাড়ি ঝর্ণার বাদামী জলের মতো মনে হল। চুলগুলো একদম হাঁটুর নীচ অবধি লম্বা হয়ে অনেকটা জামার মত লাগছে। ডেলা চুলগুলো এবার যত্ন করে তুলে খোঁপা বাঁধলো। যখন ডেলা আহত মনে কিছু একটা ভাবছিল তখন দুই-এক ফোঁটা চোখের পানি গরম লাল কার্পেটে পড়ল।

ডেলা এবার পুরাতন বাদামি জ্যাকেট গায়ে দিল, সাথে পুরাতন বাদামি হ্যাট; সাথে তার উজ্জ্বল চকচকে চোখের মত একটি গোলাকৃতির জামা পরলো। ডেলা দ্রুত বেগে ঘর থেকে বের হয়ে বাড়ির সামনের বড় রাস্তায় গিয়ে উঠল।

হঠাৎ একটি সাইনবোর্ড দেখে ডেলা থমকে দাঁড়ালো, তাতে লেখা 'Mme Sofronie' ডেলা দৌড়ে দোকানে ভেতরে ঢুঁকে পড়লো।

'তুমি কি আমার চুল কিনবে?' ডেলা জিজ্ঞেস করলো।

'আমি চুল কিনি', উত্তর দিল ম্যাডামে। 'তোমার মাথায় ক্যাপটি খোল, আগে তোমার চুল দেখতে হবে।'

'টুয়েন্টি ডলার'

ঠিক আছে টাকাটি দেন জলদি, প্লীজ।

ওহ! পরের দুই ঘন্টা ডেলার চমৎকার একটি ঘোরের মধ্যে কাটলো, অনেকটা ডোরাকাটা পরীর মত; সকাল থেকে মনের কোণে জমে থাকা সব দুশ্চিন্তা একদম উবে গেল। ডেলা জিমের জন্য তন্ন তন্ন করে পছন্দের গিফট খুঁজতে লাগল।

'অবশেষে পাওয়া গেল'

ডেলা ভাবলো, এটি সত্যিকার অর্থে শুধু জিমের জন্য তৈরী করা হয়েছে, আর কারো জন্য নয়। এমন সুন্দর জিনিস আর কোন দোকানে ছিল না, ডেলা এটি বের করে নিয়ে আসলো। এটি একটি প্লাটিনাম চেন; খুব সুন্দর ও খাঁটি ধাতু দিয়ে তৈরী। এমনকি এটি ঘড়ির চেয়েও দামী হতে পারে। এজন্য চেনটি দেখার সাথে সাথে তার পছন্দ হয়েছে এবং মনে মনে ধরেই নিয়েছে এটি অবশ্যই জিমের ঘড়ির জন্য উপযুক্ত ম্যাচ হবে।

দোকানি ২১ ডলার দাম নিল; বাকি ৮৭ সেন্ট নিয়ে ডেলা বাড়ির পানে ছুটলো।

'জিম নিশ্চয়ই এটি ব্যবহার করতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করবে এবং অনেক খুশি হবে। সুইট হার্টকে আর লেদারের পুরাতন বেল্ট পরতে হবে না।' ফেরার পথে কল্পনা করলো ডেলা।

ডেলা যখন বাড়ি ফিরলো তখন তার যাবতীয় দুশ্চিন্তা উবে গেল। সে গ্যাসের চুলায় (বাঁকানো লোহার দন্ড) আগুন জ্বালালো। এটা অনেকটা ভালবাসার ক্ষতে প্রলেপ দেওয়ার মতো একটি মহৎ কর্ম যা ভালবাসাকে নতুন করে জাগিয়ে তোলে। এটি সব সময় ভীষণ কঠিন কাজ - সত্যি বলছি বন্ধুরা একটি বিরাট কাজ।

চল্লিশ মিনিটের মাথায় তার মাথাটি ছোট ছোট চুলে ঢেকে গেলে; দেখে অনেকটা স্কুল পালানো বালকের মতো লাগলো। ডেলা গভীর পর্যবেক্ষণে সতর্ক দৃষ্টিতে ঘরের লম্বা আয়নাটির দিকে তাকালো।

'জিম যদি দ্বিতীয়বার আমার দিকে তাকানোর আগেই আমাকে মেরে না ফেলে তাহলে সে নির্ঘাত বলবে, আমাকে কনি আইল্যান্ডের কোরাস গার্ল লাগছে।'

অহ! 'কিন্তু এছাড়া আমার আর কি-ই বা করার ছিল মাত্র ১ ডলার ৮৭ সেন্ট দিয়ে?'

ঠিক সন্ধ্যা সাতটায় ডেলা জিমের জন্য কফি তৈরী করল এবং চপ রান্নার জন্য গ্যাস স্টোভের উপরে ফ্রাই পেন বসালো।


জিম কখনো দেরী করে বাড়ি ফিরে না; ডেলা ধাতব চেইনটি ডাবল করে হাতে রাখলো এবং টেবিলের একদম কোনায় গিয়ে বসলো, যেখান ঘরের সদর দরজা আছে। হঠাৎ ডেলা সিঁড়িতে জিমের পায়ের আওয়াজ শুনতে পেল; মুহুর্তের জন্য তার মুখটি ফ্যাকাশে হয়ে উঠলো। দৈনন্দিন বিভিন্ন বিষয়াদি নিয়ে ডেলার নীরবে প্রার্থনার অভ্যাস আছে, আজো ফিসফিস করে প্রার্থনা করলো,

'হে ঈশ্বর, সে যেন ভাবে আমি এখনো সুন্দরী আছি।'

বাইরে থেকে জিম দরজা খোলে ভেতরে ঢুঁকে আবার দরজাটি বন্ধ করে দিল। তাকে খুব রোগা দেখাচ্ছিলো। মাত্র ২২ বছর বয়সে দারিদ্র্যতা তাকে পুড়িয়ে মারছে। তার একটি নতুন ওভারকোট দরকার; এমনকি এই ঠান্ডায় তার হাতে কোন গ্লাভস পর্যন্ত নেই।

জিম ঘরের মধ্যে পা বাড়ালো, ভেতরে ঢুঁকেই স্থির হয়ে অনুসন্ধানী চোখে অবিচল থাকিয়ে রইলো। তার চোখ জোড়া কেবল ডেলার উপরে স্থির রইলো; তাদের এ চোখা চোখি এতো তীক্ষ্ণ ছিল যা ডেলার পক্ষে ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভবপর নয়।

'এই চাহনীতে নেই কোন রাগ, নেই কোন সারপ্রাইজ, নেই কোন অসমর্থন, নেই কোন ভয়; এমনকি নেই কোন আতঙ্কিত হওয়ার মত লক্ষণ যার জন্য ডেলা ভীত ছিল।'

ডেলা কেবল জিমের মুখের অদ্ভুত অভিব্যক্তির দিকে অপলক থাকিয়ে রইলো।

ডেলা এবার টেবিল থেকে উঠে জিমের মুখোমুখি হল।

ডেলা চিৎকার করে বলে উঠলো, প্রিয়তম 'আমাকে ভুল বুঝ না, প্লীজ', আমি সাধের চুলগুলো কেটে বিক্রি করেছি, কারণ আমি তোমাকে ক্রিসমাসে কোন গিফট না দিয়ে থাকতে পারবো না। দেখো, 'আমার চুলগুলো খুব তাড়াতাড়ি আবার গজিয়ে উঠবে' - 'মাইন্ড করো না, তুমি কি মাইন্ড করেছো?' আমার কাছে আর কোন বিকল্প ছিল না। জানো, আমার চুল অসম্ভব দ্রুতগতিতে বাড়ে।

বলো জিম, 'মেরি ক্রিসমাস!'

জিম চলো দিনটি আমরা উদযাপন করি। তুমিতো জানো না 'আমি কত সুন্দর একটি গিফট তোমার জন্য কিনে এনেছি।'

'তুমি চুলগুলো কেটে ফেললে?' জিম জানতে চাইলো।

'আমি চুলগুলো কেটে বিক্রি করে দিয়েছি' উত্তর দিল ডেলা। আবার যোগ করলো, 'তুমি কি আমাকে পছন্দ করছো না, যেমনটি আগে করতে? দেখো আমি তো আমিই আছি, চুল না থাকলেও, তাই না?'

জিম ঘরের চতুর্দিকে উৎসুক দৃষ্টিতে থাকালো।

'তুমি বলছো, তোমার চুলগুলো বিক্রি করে দিয়েছ?' একটি দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে জিম আবার জানতে চাইলো।

ঘরের মধ্যে খুঁজে লাভ হবে না, 'চুলগুলো ইতিমধ্যেই বিক্রি করে দিয়েছি' উত্তর দিল ডেলা।

'চুল বিক্রি হয়ে গেছে - শেষ। আজ ক্রিসমাস ইভ, আসো আনন্দ করি। হতে পারে আমার কয়েগুচ্ছ চুল গচ্ছা গেছে, তাতে কি?'

ডেলা হঠাৎ করে অতি আদুরে গলায় জিমের মুখোমুখি হয়ে বললো, 'পৃথিবীর কেউ তোমার প্রতি আমার ভালবাসার গভীরতা কখনো পরিমাপ করতে পারবে না।'

'আমি কি তোমার জন্য চপ নিয়ে আসবো?' কথাটি ঘোরাতে জানতে চাইলো ডেলা।

ঘোরটা কেঁটে যেতেই জিম স্বাভাবিক হওয়ার চেষ্টা করলো। সে ডেলাকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরলো। চলো ডেলা দশ সেকেন্ডের জন্য আমরা কিছু বুদ্ধিমান পরীক্ষার সাথে বিবেচনা করি অপ্রত্যাশিতভাবে ঘটে যাওয়া বিষয়টিকে অন্য প্রেক্ষাপট থেকে।

সপ্তাহে আট ডলার কিংবা বছরে মিলিয়ন ডলার - পার্থক্য কী? একজন গণিতবিদ অথবা একজন বুদ্ধিমান মানুষ তোমাকে যে উত্তরটি দেবে তা ভুলও হতে পারে। ম্যাজাইরা অনেক দামী গিফট কিনেন, কিন্তু এগুলো তাদের নিজেদের জন্য নয়; এই গাঢ় সত্যটি পরে উদ্ভাসিত হয়।

জিম ওভারকোটের ভেতর থেকে একটি প্যাকেট বের করে টেবিলের উপর ছুড়ে দিল।

'আমাকে ভুল বুঝ না, ডেল', জিম বললো। আমি মনে করি না চুল কাটার বাহারী ডিজাইন, মুখটি সুন্দর করে শেভ করা কিংবা একটি পছন্দের শ্যাম্পু কখনো আমার প্রিয়তমাকে কোন পরিবর্তন করতে পারে। কিন্তু তুমি যদি প্যাকেট-টা খোল তাহলে বুঝতে পারবে কেন আমি কিছু সময়ের জন্য নির্বাক হয়েছিলাম।


সাদা আঙ্গুল এবং ফাঁপা স্ট্রিং এর ছবিযুক্ত কাগজে মোড়ানো প্যাকেট। তারপর ডেলার আনন্দে অতি উৎসাহী চিৎকার; তারপর, হায়!! মেয়েলি কণ্ঠটি তাৎক্ষণিক পরিবর্তিত হয়ে আর্তচিৎকারে রূপ নিল।

চিরুনি চারদিকে ছড়িয়ে আছে - সব ক'টি চিরুনি। এমন চিরুনির জন্য ডেলা দিনের পর দিন জানালার পানে চেয়ে চেয়ে উপাসনা করেছে। 'চমৎকার সুন্দর চিরুনি, খাঁটি জুয়েল রিম; এগুলো সুন্দর পরিপাটি চুলের জন্য আদর্শ। এগুলো নিশ্চিত খুব দামি চিরুনি।' ভাবলো ডেলা।

কিন্তু ডেলা চিরুনিগুলোকে বুকের মধ্যে জড়িয়ে রাখলো; আর নিভু নিভু দৃষ্টিতে জিমের দিকে তাকিয়ে হাসি মুখে বললো,

'আমার চুল দ্রুত বড় হয়ে যাবে!' জিম।

তারপর ডেলা একটি ঝলসে যাওয়া বিড়ালের মত লাফ দিয়ে উঠে কাঁদতে শুরু করলো,

ওহ! উহ!!

জিম তখনো তার সুন্দর গিফট-টা দেখেনি। ডেলা খুশি মনে জিমের জন্য কেনা গিফট বের করে হাতের তালুতে রাখলো। মূল্যবান ধাতুর তৈরি ঘড়ির চেইনটি চতুর্দিকের ফ্লাশ লাইটের মতো ঔজ্জ্বল্য ছড়াতে লাগলো।

জিম নতুন কোন ভাবনায় না গিয়ে সোফার উপর বসে হাসিমুখে পেছনের দিকে হাতটি বাড়িয়ে দিল।

'ডেলা, চল আমরা দু'জনে আমাদের ক্রিসমাস উপহারগুলো দূরে সরিয়ে রাখি এবং এগুলো এতটাই সুন্দর যে, শুধু ক্রিসমাসের গিফট হিসাবে এগুলোকে মানায় না!!'

'আমি ঘড়িটি বিক্রি করে দিয়েছি তোমার চুলের জন্য সুন্দর চিরুনি কেনার টাকা জোগাড় করতে।'

'এখন চপের ব্যবস্থা করতে পার' সাথে যোগ করল জিম।

ডেলা তুমি কী জানো, 'ম্যাজাইরা হলো খুব জ্ঞানী; আশচর্যজনক জ্ঞানী মানুষ। যারা ক্রিসমাস ডে-তে গিফট নিয়ে এসেছিলেন। তারাই সর্ব প্রথম ক্রিসমাস ডে-তে গিফট দেওয়ার প্রথা শুরু করেছিলেন। নির্দিধায় বলা যায় এটি একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ ছিল।' কি বলো তুমি?

আর আজ আমি শিখলাম দু'টি বোকা শিশুর মত দু'জন মানুষের গতানুগতিক কাহিনী; যারা একই ফ্লাটে বসবাস করে অথচ বোকার মতো তাদের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদটি একে অন্যের জন্য বিসর্জন দিল; কিন্তু কারো কোন উপকারে আসলো না।

তবে সব শেষে বলা যায়, আজকের দিনে যারা গিফট দেবে তাদের মধ্যে এই গিফটগুলোই সর্বোৎকৃষ্ট, এতে কোন সন্দেহ নেই। যারা আজকের দিনে গিফট দেয় এবং অন্যের কাছ থেকে গিফট পায় এরা সবাই জ্ঞানী; সর্বত্রই তারা মহাজ্ঞানী। তারা ম্যাজাই।।



লেখক পরিচিতি -

William Sydney Porter যাকে আমরা সবাই O. Henry নামে চিনি; ১৮৬২ খৃষ্টাব্দে ১১ই সেপ্টেম্বর তিনি যুক্তরাষ্ট্রের নর্থ ক্যারোলিনায় (North Carolina) জন্মগ্রহণ করেন। তিনি পৃথিবীর একজন নামকরা ছোট গল্পকার হিসাবে সর্বত্র পরিচিত। তাঁর অন্যান্য বিখ্যাত গল্পগুলো হলো- "The Ransom of Red Chief", "The Cop and the Anthem", "A Retrieved Reformation", "The Duplicity of Hargraves", "The Caballero's Way" ইত্যাদি।
১৯১০ সালের ৫ জুন মাত্র ৪৭ বছর বয়সে নিউইয়র্কে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

এছাড়া তাঁর উল্লেখযোগ্য গল্পগুলোর মধ্যে আছে -

 A Cosmopolite in a Café
 Between Rounds
 The Skylight Room
 A Service of Love
 The Coming-Out of Maggie
 Memoirs of a Yellow Dog
 The Love-philtre of Ikey Shoenstein
 The Furnished Room
 The Last Leaf
 The Poet and the Peasant
 A Ramble in Aphasia
 A Municipal Report
 Proof of the Pudding
 The Green Door


ফটো ক্রেডিট,
গুগল।

চাইলে পড়তে পারেন-
আমার সবচেয়ে পঠিত, লাইক ও কমেন্ট প্রাপ্ত পোস্ট।
গল্প লেখার সহজ পাঠ
সবচেয়ে পঠিত প্রবন্ধ।
আধুনিক কবিতার পাঠ (সমালোচনা)
আলোচিত ফিচার 'দি লাঞ্চিয়ন'।
ব্রিটেনের প্রবাস জীবন- স্মৃতিকথা।
সবচেয়ে পঠিত গল্প।
সবচেয়ে লাইকপ্রাপ্ত গল্প।
ছবি ব্লগ (লন্ডনের ডায়েরি-১)।

মন্তব্য ১৪০ টি রেটিং +৩০/-০

মন্তব্য (১৪০) মন্তব্য লিখুন

১| ১১ ই আগস্ট, ২০১৮ রাত ৯:১৪

রাজীব নুর বলেছেন: আপনাকে ব্লগে পাই না কেন?
কি নিয়ে এত ব্যস্ত?
আপনাকে মিস করি।

১১ ই আগস্ট, ২০১৮ রাত ৯:২১

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



ধন্যবাদ, রাজীব ভাই। আসলে ব্যস্ততার কারণে গত মাস থেকে ব্লগে লেখা কমিয়ে দিয়েছি। তবে পোস্ট কম দিলেও নিয়মিত ব্লগ পড়ি; আপনাদের লেখাগুলো পড়ে, নিয়মিত কমেন্ট করি। অনেক সময় লগইন না করেই পড়ি, এজন্য ব্লগে উপস্থিতি কম লাগে। সময় পেলেই ব্লগের লেখাগুলো পড়ি। আমার কথা মনে আছে এজন্য প্রিয় ভাইকে অনেক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই। আপনারা আছেন বলেই ব্লগ এতো প্রাণবন্ত থাকে।

২| ১১ ই আগস্ট, ২০১৮ রাত ৯:২১

স্রাঞ্জি সে বলেছেন:
গল্পটা আগে পড়ছিলাম। আবার পড়তে সুযোগ দেওয়া জন্য ধন্যবাদ।

১১ ই আগস্ট, ২০১৮ রাত ৯:২৮

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



শুভেচ্ছা রইলো, আমি এই লেখকের অনেকগুলো গল্প পড়েছি; এটি আমার অন্যতম প্রিয় গল্প। গল্পটির মর্ম অনেক গভীর, কেউ সময় নিয়ে গল্পটি পড়লে অনেক বিষয়ে উপলব্ধি করতে পারবে। নিজেকে নিয়ে, সমাজ নিয়ে, বিভিন্ন উপলক্ষে দেওয়া গিফট নিয়ে নতুন করে উপলব্ধি হবে নিশ্চিত। মাত্র ৪৭ বছর বয়সে মারা না গেলে আমরা আরো অনেক কালজয়ী গল্প ও'হেনরির কাছ থেকে পেতাম।

শুভ কামনা রইলো, আপনার জন্য।

৩| ১১ ই আগস্ট, ২০১৮ রাত ৯:২৫

রাকু হাসান বলেছেন:



গল্পটি আগেও পড়ছিলাম ,আবারও পড়লাম । এতটুকু খারাপ লাগেনি তাই বলে । বিখ্যাত গল্পের বাংলা অনুবাদ ভাল লাগলো । অনুবাদধর্মী প্রথম কোন পোস্ট আপনার । শুভকামনা ভাইয়া ,ভাল ভাল অনুবাদ প্রত্যাশা করতেই পারি । :-B ,+++

ভাল থাকবেন ভাইয়া

১১ ই আগস্ট, ২০১৮ রাত ৯:৩৮

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



ধন্যবাদ, প্রিয় রাকু হাসান ভাই। অনুবাদ আসলে খুব কঠিন একটি কাজ; এই গল্পটি অনুবাদ করতে যে সময় লেগেছে, চাইলে এই সময়ে ৩-৪টি গল্প লেখা যেত। শতাধিক বছর পূর্বে লেখা গল্পগুলোর ভাষা ও ভাব বুজতে পারা অনেক কঠিন কাজ। তখনকার সময়ে ব্যবহৃত অনেক শব্দ এখন আর প্রচলিত নয়; এছাড়া গল্প লেখার প্লট ও ধারা অনেক পরিবর্তন হয়ে গেছে। তারপরও চেষ্টা করবো বিখ্যাত গল্পগুলো অনুবাদ করতে।

শুভ কামনা রইলো, আপনার জন্য।

৪| ১১ ই আগস্ট, ২০১৮ রাত ৯:৩২

স্রাঞ্জি সে বলেছেন:
বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র থেকে "ও হেনরির শ্রেষ্ঠ গল্প" নামে একটি বই আছে। আমি এই বই থেকে পড়ছিলাম। আর এখানে যে গল্পগুলো তাও খুব ভাল।

১১ ই আগস্ট, ২০১৮ রাত ৯:৪২

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



আমি লন্ডনে "ব্রিটিশ লাইব্রেরিতে" উনার বই পড়েছি। আমি একবার বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রে গিয়েছিলাম; ১০-১২ বছর আগে হবে। ঢাকায় থাকি না বলে এখন আর যাওয়া হয় না।

৫| ১১ ই আগস্ট, ২০১৮ রাত ৯:৫৮

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: গুরুদেব,

অসম্ভব ভালো অনুবাদ করেছেন। মনে হলনা যে এটা অনুবাদ। আমরা উচ্চ মাধ্যমিকে ইংরেজি টেক্সট বইতে গল্পটা পড়েছিলাম । মনে আছে সবে যৌবনে পা দেওয়া শিক্ষার্থীদের সামনে ইংরেজির স্যার এমন সুন্দর করে ডেলা ও জিমের প্রেম ফুঁটিয়ে তুলেছিলেন যে মনে মনে স্বপ্ন দেখতাম আমিও জিমের মত একজনকে ভালোবাসবো যে আমার জীবনে ডেলা হয়ে উঠবে। তবে সেদিনের সদ্য কৈশোর থেকে যৌবনে পদার্পণের স্বপ্ন ফাঁস করলেও বাকিটা....

শুভকামনা প্রিয় কাওসারভাইকে।

১১ ই আগস্ট, ২০১৮ রাত ১০:২১

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



অনেক অনেক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রিয় গুরুর কমেন্ট পেয়ে। আসলে জিম আর ডেলার প্রেম কাহিনী একটি অমর সৃষ্টি; এটা অনেকটা আমাদের লাইলি-মজনু কাহিনীর মতো; এমন প্রেম কী এ যুগে আছে? ডেলার মতো লক্ষী একটি বউ পাওয়া এ শতাব্দীতে অসম্ভব; কারণ, জিমের মতো হাজবেন্ডও আমরা হতে পারবো না। তারপরও কিছু কাহিনী সবগুলো ছড়িয়ে কালজয়ী হয়; মানুষের মনে গেঁথে থাকে বছরের পর বছর; আর এসব সৃষ্টি লেখককে পাঠকের কাছে অমর করে রাখে। ও'হেনরি সামান্য বয়সে কিছু অনবদ্য সৃষ্টি রেখে গিয়েছেন বলেই আমরা এখনো তাঁকে স্বরণ করি।

শুভ রাত্রি, প্রিয় ভাই-প্রিয় গুরু।

৬| ১১ ই আগস্ট, ২০১৮ রাত ১০:৫০

নীলপরি বলেছেন: এই গল্পটা আমার অন্যতম প্রিয় গল্প । আর আপনি দারুণ অনুবাদ করেছেন । ++

১১ ই আগস্ট, ২০১৮ রাত ১০:৫৯

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা রইলো আপু। গল্পটি আমারও খুব প্রিয়; যখন পড়েিলাম তখন গল্পের ভাবটি ঠিকমত বুঝিনি। একটু তাড়াহুড়ো ছিল। তবে অনুবাদ করতে গিয়ে গল্পটি মনযোগ দিয়ে বেশ কয়েকবার পড়েছি। এতে গল্পের গভীরতা বুঝতে সুবিধা হয়েছে। অনুবাদ আসলে খুব কঠিন একটি কাজ; এই গল্পটি অনুবাদ করতে যে সময় লেগেছে, চাইলে এই সময়ে ৩-৪টি গল্প লেখা যেত।

শতাধিক বছর পূর্বে লেখা গল্পগুলোর ভাষা ও ভাব বুজতে পারা অনেক কঠিন কাজ। তখনকার সময়ে ব্যবহৃত অনেক শব্দ এখন আর প্রচলিত নয়; এছাড়া গল্প লেখার প্লট ও ধারা অনেক পরিবর্তন হয়ে গেছে। তারপরও চেষ্টা করবো বিখ্যাত গল্পগুলো অনুবাদ করতে।

শুভ রাত্রি।

৭| ১১ ই আগস্ট, ২০১৮ রাত ১১:০৬

চাঙ্কু বলেছেন: পিচ্ছিকালে পড়া সেইরাম ভালুবাসার গল্প! সুন্দর অনুবাদের জন্য থাঙ্কু!

১১ ই আগস্ট, ২০১৮ রাত ১১:৩৯

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



প্রিয় চাঙ্কু ভাই, শুভেচ্ছা রইলো; লেখাটি পিচ্ছিকালে পড়েছেন জেনে ভাল। এটি ইংরেজি সাহিত্যের একটি কালজয়ী গল্প; আর ও'হেনরির লেখা সেরা গল্প হিসাবে বিবেচিত। অল্প বয়সে কী ডেলার মতো কোন মানবীর দেখা মিলেছিল? নাকি এখনো তার অপেক্ষায় আছেন?

কমেন্টের জন্য থাঙ্কু ভাইজান। শুভ রাত্রি।

৮| ১১ ই আগস্ট, ২০১৮ রাত ১১:২০

অচেনা হৃদি বলেছেন: অনেক আগেই পড়েছিলাম গল্পটা। প্রথম যেবার পড়েছিলাম সেবারই জিমের জন্য আমার খারাপ লেগেছিল। ডেলার চুল তো একসময় আবার বড় হবে, চিরুনি কাজে লাগবে। কিন্তু জিমের ঘড়ি কি আর ফেরত আসবে? :(

১২ ই আগস্ট, ২০১৮ রাত ১২:০০

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



অচেনা হৃদি আপুটার কাছে এই বিখ্যাত গল্পটি তো অচেনা থাকার কথা নয়। আপনি যে, ইংরেজি সাহিত্য পাঠ করেন তা আগের কিছু পোস্ট দেখেই বুজতে পেরেছি; এটা খুব ভাল অভ্যাস; লেখালেখি করতে হলে বিশ্ব সাহিত্যও নিয়মিত পড়তে হয়। এতে সাহিত্য জ্ঞান সমৃদ্ধ হয়; জানার ও বুঝার পরিধি বাড়ে।

আপনি ঠিকই বলেছেন, ডেলার চুল একটা সময় ঠিকই লম্বা হবে; কিন্তু বেচারা জিমের ঘড়ি তো আর ফেরৎ আসবে না!! আসলে পুরুষদের প্রেমটি বেশি খাঁটি হয়!!! এরা প্রিয়তমাকে নিঃস্বার্থভাবে ভালবাসার বিনিময় দেয়!!!

এখনকার বাংলাদেশের প্রেমিক তরুণরা তো তাদের প্রেমিকাকে নিজে না খেয়ে দামি রেস্টুরেন্টে খাওয়ায়, স্মার্ট ফোন কিনে দেয়, মোবাইলে ব্যালেনস্/এমবি ভরে দেয়; ঘোরাঘুরি করতে নিয়ে যায়; মোটর সাইকেলের পেছনে তুলে ঘুরায়; একদম জিমের মত খাঁটি ভালবাসা থেকে!!!!

আপুনি, শুভ রাত্রি।

৯| ১১ ই আগস্ট, ২০১৮ রাত ১১:২০

পাঠকের প্রতিক্রিয়া ! বলেছেন: লাইক দিলুম। কাল পড়বো ।
বাই বাই!
লগআউট....;)

১১ ই আগস্ট, ২০১৮ রাত ১১:৫৯

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



জানে মন B-)!! এতো বাই বাই কর ক্যা.........!!!
পুরান নিকের চেয়ে নতুন নিকটি তো আরো দুর্দান্ত মনে হচ্ছে; নতুন পোস্ট লেখুন, তবে পুরাতন নিকে। আপনার রাজনৈতিক পোস্ট ও রম্য লেখাগুলো খুব মিস করি। আর পেলাসের +++ B-)+++ জন্য স্পেশাল থাঙ্কু!!

শুভ রাত্রি।

১০| ১২ ই আগস্ট, ২০১৮ রাত ১২:০১

আখেনাটেন বলেছেন: ভালো লেখা। যারা এই ক্লাসিক গল্পগুলো পড়ে নি তাদের জন্য উপকার করেছেন ব্লগে দিয়ে। মোহিত করার মতোই গল্প এটি।

আমি নিজেও উইলিয়াম সিডনি পোর্টার ও গী দ্যা মোঁফাসার ভক্ত অনেক আগে থেকেই। গল্প এত চমৎকার করে , এত হৃদয়গ্রাহী করে লেখা যেতে পারে তা উনাদের গল্পগুলো না পড়লে অজানায় থেকে যেত।

১২ ই আগস্ট, ২০১৮ রাত ১২:১৬

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



শুভেচ্ছা নেবেন, আসলে অনুবাদ করা খুব কঠিন একটি কাজ; বিশেষ করে শত বছর পুরোনা কালজয়ী সাহিত্যের। আমি ও'হেনরির গল্পের খুব ভক্ত; এ পর্যন্ত অনেক গল্প পড়া হয়ে গেছে; এখন ভাবছি পছন্দের গল্পগুলো সময় নিয়ে অনুবাদ করার চেষ্টা করবো।

তবে উইলিয়াম সমারসেট মোম, এ্যালান পো, চাখাব, মার্ক টুয়েন এবং হেমিংওয়ে আমার সবচেয়ে প্রিয় বিদেশী গল্পকার। তবে ফরাসি "গী দ্যা মোপাসার" তেমন উল্লেখযোগ্য কোন লেখা এখনো পড়া হয়নি।

শুভ রাত্রি।

১১| ১২ ই আগস্ট, ২০১৮ রাত ১২:১৬

অলিভিয়া আভা বলেছেন:
দি গিফট অফ দ্যা ম্যাজাই (The Gift of the Magi);
গল্পটি আগে কয়েকবার পড়েছি। তবুও আপনার অনুবাদ দেখে আরেকবার পড়তে ইচ্ছে হলো। খুবই ভালো হয়েছে। ভালোবাসা ও স্যাক্রিফাইসের এক অনন্য গল্প।

১২ ই আগস্ট, ২০১৮ রাত ১২:২৭

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



@ অলিভিয়া আভা, শুভেচ্ছা রইলো; আমার ব্লগে স্বাগতম। আসলে এ গল্পটি আমরা অনেকেই পড়েছি; কিন্তু সবাই শুধু জিম আর ডেলার প্রেম আর ক্রিসমাস ইভে তাদের সবচেয়ে মূল্যবান জিনিস বিক্রি করে গিফট দেওয়াকে ফোকাস করেছেন। কিন্তু বেশির ভাগ পাঠক "The Gift of the Magi" নামটির স্বার্থকতার বিষয়টির গভীরতা অনুধাবন করেন নাই; আপনি গল্পটি পড়ে বুঝতে পেরেছেন জেনে ভাল লাগলো।

শুভ রাত্রি। শুভ কামনা রইলো আপনার জন্য।

১২| ১২ ই আগস্ট, ২০১৮ রাত ১২:২৩

শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: অনুবাদ হলেও গল্প উপস্থাপনা এবং শব্দ চয়ন ছিলো অসাধারন।

১২ ই আগস্ট, ২০১৮ রাত ১২:৪১

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



প্রিয় শাহাদাৎ ভাইকে আমার পোস্টে পেয়ে খুব ভাল লাগছে; আপনি গুণী লেখক, আপনাদেরকে দেখে লেখার প্রেরণা পাই। আপনার লেখাগুলো মনযোগ দিয়ে পড়ি, হয়তো ব্যস্ততার কারণে অনেক সময় কমেন্ট করা হয় না; ভাল থাকবেন সব সময়।

শুভ রাত্রি।

১৩| ১২ ই আগস্ট, ২০১৮ রাত ১২:২৫

এস এম মামুন অর রশীদ বলেছেন: পরিশ্রম করুন, লিখতে থাকুন, অনুবাদ সুন্দর হতে থাকবে। ইংরেজি অনেক শব্দ অনুবাদ উচিত ছিল, যেমন, ইনকাম। কিছু বাক্য ডেলার জবানিতে উত্তম পুরুষে বলা হয়েছে, সেগুলো মূলত লেখকের বক্তব্য, নাম পুরুষে হওয়ার কথা।

১২ ই আগস্ট, ২০১৮ রাত ১২:৩৬

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা আপনার এ মন্তব্যের জন্য। আপনার সাজেশনগুলো ভাল লেগেছে; পরবর্তী অনুবাদের সময় এগুলো কাজে লাগবে। আমি আবারো গল্পটি পড়ে এডিট করবো যাতে ভুলের মাত্রাটা কমিয়ে আনতে পারি। তবে একটি কথা না বললেই নয়; লেখকের মূল গল্পেও কিছু জায়গায় নাম পুরুষের জায়গায় উত্তম পুরুষে লেখা আছে এজন্য আমি কিছুটা কনফিউজড হয়ে গেছি। তারপরও ঠিক করে নেব।

শুভ রাত্রি, প্রিয় "এস এম মামুন অর রশীদ" ভাই।

১৪| ১২ ই আগস্ট, ২০১৮ রাত ১২:৩০

চাঙ্কু বলেছেন: ও'হেনরির আরও বেশ কিছু সুন্দর গল্প আছে। A Retrieved Reformation আর The Duplicity of Hargraves পড়ে দেখতে পারেন। মনে ছুঁয়ে যাবে! ও'হেনরির বেশীর ভাগ গল্পেই শেষের দিকে টুইষ্টগুলো সেইরাম।

ডেলার দেখা পেয়েছি কিনা? কত ডেলা এল আর গেল!! :P

১২ ই আগস্ট, ২০১৮ রাত ১২:৫০

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



ও'হেনরির The Duplicity of Hargraves গল্পটি তো সুপার, এই তো কিছুদিন আগেই পড়লাম; তবে A Retrieved Reformation গল্পটি পড়া হয়নি এখনো। আপনি যেহেতু বলেছন অবশ্যই পড়বো। এছাড়া ও'হেনরির আরো কিছু গল্প পড়তে পারেন ভাল লাগবে -

 A Cosmopolite in a Café
 Between Rounds
 The Skylight Room
 A Service of Love
 The Coming-Out of Maggie
 The Cop and the Anthem
 Memoirs of a Yellow Dog
 The Love-philtre of Ikey Shoenstein
 The Furnished Room
 The Last Leaf
 The Poet and the Peasant
 A Ramble in Aphasia
 A Municipal Report
 Proof of the Pudding

কত ডেলা এল আর গেল!! :P এটি কিন্তু মিথ্যা কথা!!! যদি প্রিয়তমা চলেই যায় তাহলে তো 'ডাইনি' হবে 'ডেলা' নয়!!!

১৫| ১২ ই আগস্ট, ২০১৮ রাত ১২:৩২

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:
আমার উচ্চ মাধ্যমিকে পাঠ্য ছিল। এখনো সময় পেলে নেটে পড়ি।

১২ ই আগস্ট, ২০১৮ রাত ১২:৫৫

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



প্রিয় সাজ্জাদ ভাইকে পেয়ে ভাল লাগলো; আপনি ঠিকই বলেছেন, একটি সময়ে এ গল্পটি ইন্টারে ইংরেজি সাহিত্যে পাঠ্য ছিল। তবে এখন আছে কিনা জানা নেই; ভাল থাকবেন প্রিয় ভাই সব সময়।

শুভ রাত্রি।

১৬| ১২ ই আগস্ট, ২০১৮ রাত ১২:৫৭

আরণ্যক রাখাল বলেছেন: অনুবাদ গল্প কিন্তু স্লিম, ইউনিক এমন আরো কিছু ইংরেজি শব্দ পেয়েছি বলে কিছুটা খারাপ লাগছে৷ আপনি এসবের বাংলা প্রতিশব্দ ব্যবহার করতে পারতেন।
গল্পটা আমার প্রিয়। এটা নিয়ে নাটকও দেখেছি কয়েকটা।
আবার আপনার লেখায় পড়ে লাগল ভালই। তবে অনুবাদে ইংরেজি শব্দ ব্যবহার না করাই উত্তম।
আর ছোটখাট কিছু টাইপো আছে, ঠিক করে নেবেন।
অনুবাদ খুব কঠিন কাজ। সবাই পারে না। আপনি চালিয়ে যান, আপনার অনুবাদের হাত দারুণ

১২ ই আগস্ট, ২০১৮ রাত ১:১৪

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



ধন্যবাদ, প্রিয় আরণ্যক রাখাল ভাই। আপনার সাজেশনটি খুব ভাল লেগেছে। আমি অনুবাদের সময় চেষ্টা করেছি ইংরেজি শব্দগুলোকে বাদ দিতে; কিন্তু বাংলা ভাষায় কিছু ইংরেজি শব্দ এমনভাবে জড়িয়ে গেছে; এগুলোর বাংলা প্রতিশব্দটি অনেকটা অপরিচিত হয়ে গেছে। আপনি যে দু'টি শব্দের কথা বলেছেন এর মধ্যে স্লিম না লেখে শুকনো বা অন্য কিছু লেখলে বাক্যের মূল অর্থটি সেভাবে হয়তো ফুটে উঠবে না। এজন্য অনিচ্ছাকৃত ভাবে বাংলায় অনেক প্রচলিত ইংরেজি শব্দ চলে আসে। তবে কথা দিচ্ছি সামনের লেখাগুলোতে এটি কমিয়ে আনবো। আবার এডিট করলে আশা করি টাইপো সমস্যাটির সমাধান হবে।

শুভ রাত্রি।

১৭| ১২ ই আগস্ট, ২০১৮ রাত ৩:১২

চাঁদগাজী বলেছেন:


নতুন কিছু অনুবাদ করলে ভালো হতো, এটা পড়েনি এমন ব্লগার পাওয়া মুশকিল হবে; হয়তো শুরু নুরু সাহেব পড়েননি কখনো!

১২ ই আগস্ট, ২০১৮ রাত ৩:২৪

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



ধন্যবাদ, আপনাকে; আসলে গল্পটি আমার খুব প্রিয় এজন্য অনুবাদ করলাম। সামনের দিনগুলোতে পৃথিবী বিখ্যাত কিন্তু আমাদের পাঠকদের কাছে অপরিচিত গল্পগুলো অনুবাদ করার চেষ্টা করবো। আসলে অনুবাদ খুবই কঠিন কাজ। অনেক সময় ও ভাবনার প্রয়োজন হয়। আপনার জন্য আশীর্বাদ রইলো। আশা করি, চোখের অবস্থা আগের চেয়ে ভাল আছে।

শুভ রাত্রি।

১৮| ১২ ই আগস্ট, ২০১৮ রাত ৩:২০

চাঙ্কু বলেছেন: The Duplicity of Hargraves গল্পটি আসলেই সেইরাম। হাতে যেহেতু লিষ্টি পাইছি, তার গল্পগুলো পড়া শুরু করুম :)

আর প্রিয়তমা/ডেলা বলে কিছু নাই। সব গুজব :-/

১২ ই আগস্ট, ২০১৮ রাত ৩:৩০

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



"আর প্রিয়তমা/ডেলা বলে কিছু নাই। সব গুজব" :-/ কথাটিতে কিন্তু চমৎকার দর্শন আছে; বিষয়টি ভাবনার :(; তবে, যেখানে দেখিবে ছাই, উড়াইয়া দেখিবে তাই, পাইলেও পাইতে পার প্রিয়তমা ডেলা একজন।

১৯| ১২ ই আগস্ট, ২০১৮ সকাল ৭:২৯

ঢাকার লোক বলেছেন: সুন্দর অনুবাদ। ও হেনরির আরেকটা গল্পও আমার খুব প্রিয়, অনেকেই পড়ে থাকবেন, লিস্টে যদিও চোখে পড়ল না, নাকি আমিই মিস্ করেছি, দি নেকলেস্!

১২ ই আগস্ট, ২০১৮ দুপুর ২:৪৮

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



গল্পটি পাঠে এবং কমেন্টের জন্য ধন্যবাদ ভাই। বিখ্যাত 'The Necklace' গল্পটি তো ফরাসি লেখক 'Guy de Maupassant' এর লেখা। গল্পটি আমি পড়েছি; দারুন ভাল লাগার একটি গল্প।

২০| ১২ ই আগস্ট, ২০১৮ সকাল ৯:৪৫

বিজন রয় বলেছেন: আপনার পোস্ট পড়তে হলে আলাদা সময়ের দরকার।

আফসোস আমার তা নেই।

১২ ই আগস্ট, ২০১৮ দুপুর ২:৫২

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



দাদা শুভেচ্ছা রইলো। এতো ব্যস্ততার মাঝে আপনি আমার ব্লগে আসেন এবং কমেন্ট করেন এটা আমার জন্য অনেক সম্মানের। শুভ কামনা রইলো সব সময়। ভাল থাকবেন।

২১| ১২ ই আগস্ট, ২০১৮ সকাল ১০:১৪

রাজীব নুর বলেছেন: ভালো থাকুন। সুস্থ থাকুন।

১২ ই আগস্ট, ২০১৮ দুপুর ২:৫৪

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



আবারো কমেন্টের জন্য ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা রাজীব ভাই।

২২| ১২ ই আগস্ট, ২০১৮ দুপুর ১২:৫০

লায়নহার্ট বলেছেন: {আপনি নিজেও কিন্তু ভালো গল্প লিখতে পারেন; আশা করি সামনে লিখবেন। আর অনুবাদ করা চালিয়ে যান}

১২ ই আগস্ট, ২০১৮ বিকাল ৩:১৩

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



গল্পটি পড়ে কমেন্ট করার জন্য ধন্যবাদ লায়নহার্ট ভাই; আপনি আমার গল্পগুলো পড়েন জেনে ভাল লাগলো। নিজে লেখার পাশাপাশি চেষ্টা করবো পৃথিবী বিখ্যাত গল্পগুলো অনুবাদ করতে। শুভ কামনা রইলো আপনার জন্য।

২৩| ১২ ই আগস্ট, ২০১৮ দুপুর ২:৪২

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন: অন্যতম জনপ্রিয় ও সুন্দর এই গল্পটি কত আগে পড়েছি
আবার পড়লাম। আগের মতই ভাল লাগলো।

লেখায়-মুগ্ধতা।

১২ ই আগস্ট, ২০১৮ বিকাল ৩:২৩

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



কমেন্টের জন্য ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রিয় মোঃ মাইদুল সরকার ভাই। গল্পটি আসলেই খুব সুন্দর, রুমান্টিক এবং বোধের। এটি ভালবাসার জন্য নিজের সবচেয়ে দামী জিনিসটি উৎসর্গ করার এক অনন্য নজীর। এজন্য শত বছর পরও গল্পটির পাঠকপ্রিয়তা রীতিমতো আকাশচুম্বী। ও'হেনরি মাত্র ৪৭ বছর বয়সে মারা না গেলে আরো অসংখ্য কালজয়ী গল্প পাঠকরা পেতেন।

শুভ কামনা রইলো আপনার জন্য। ভাল থাকবেন সব সময়।

২৪| ১২ ই আগস্ট, ২০১৮ বিকাল ৩:২৯

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: আমাদের পাঠ্য ছিল। এটি পড়াতেন সুখদেব বালা স্যার । তখন আমি ঢাকা কলেজের ছাত্র। প্রচন্ড সাহসী আর নিরাপদ সড়ক আন্দোলনের তরুনদের মতো প্রতিবাদি। কত কথা মনে পড়ে গেল। স্যার দারুন পড়াতেন। দুবছরের কলেজ জীব দ্রুত ফুরিয়ে গেছে ।অসাধারণ ভালবাসার গল্পটি পড়ে মনে গহীনে ভালোবাসার ইচ্ছে জেগেছিল । সে অনেক আগের কথা ।

১২ ই আগস্ট, ২০১৮ বিকাল ৫:০৪

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



ধন্যবাদ আপনাকে; আসলেই গল্পটি ভাল লাগার মতো। আর কোন শিক্ষক যখন এমন গল্পগুলো চমৎকারভাবে ছাত্রদের মাঝে উপস্থাপন করেন তখন তা আরো বেশি ভাল লাগে। এমন ভালবাসার গল্প পড়ে মনের কোণে ভালবাসার ইচ্ছা জাগাটাই স্বাভাবিক। আর বয়স উনিশ-কুড়ি হলে তো কথাই নেই!!!

শুভ কামনা রইলো প্রিয় কবির জন্য।

২৫| ১২ ই আগস্ট, ২০১৮ বিকাল ৪:৩৩

ইব্‌রাহীম আই কে বলেছেন: গল্পটা মনে হচ্ছেও আগেও পড়েছিলাম, এখন আবার পড়লাম। ভালোই লাগলো।

১২ ই আগস্ট, ২০১৮ বিকাল ৫:০৬

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



ধন্যবাদ, ইব্‌রাহীম আই কে ভাই। গল্পটি পড়ে থাকতে পারেন; তবে এমন কালজয়ী প্রেমের গল্প বারবার পড়তে মন চায়। শুভ কামনা রইলো আপনার প্রতি।

২৬| ১২ ই আগস্ট, ২০১৮ বিকাল ৪:৩৪

হাসান জাকির ৭১৭১ বলেছেন: চমৎকার একটি প্রেমের গল্প।
অনেক আগে সেই কলেজে পড়েছি, আজ আবার পড়লাম।
খুব ভাল লাগল। ধন্যবাদ ভাই।।

১২ ই আগস্ট, ২০১৮ বিকাল ৫:১০

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



ধন্যবাদ, হাসান জাকির ৭১৭১ ভাই। আসলেই এটি একটি চমৎকার প্রেমের গল্প। আমার পড়া ও'হেনরির লেখা গল্পগুলোর মধ্যে সেরা এটি। শুভ কামনা রইলো আপনার জন্য।

২৭| ১২ ই আগস্ট, ২০১৮ বিকাল ৪:৩৭

ঢাকার লোক বলেছেন: দূঃখিত, ভাই, সত্যি The Necklace গল্পটি Maupassant এর লেখা। ও হেনরী ও মোপাসা দুজনই আমার অতি প্রিয় গল্পকার, সম্ভবত তাই গুলিয়ে ফেলেছি! ধন্যবাদ ভুল ধরিয়ে দেয়ার জন্য। সুভ কামনা।

১২ ই আগস্ট, ২০১৮ বিকাল ৫:১৪

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



আরে কিযে বলেন ভাই; দুঃখিত হওয়ার কি আছে? এটা হতেই পারে। মোফাসোঁ আমারও খুব প্রিয় একজন লেখক। উনার কিছু গল্প অনুবাদ করার ইচ্ছা আছে। ভাল থাকবেন সব সময়।

২৮| ১২ ই আগস্ট, ২০১৮ বিকাল ৫:১২

জোবাইর বলেছেন: সাহিত্যের এই ক্লাসিক্যাল গল্পগুলো কখনো পুরনো হয় না। যতবার পড়ি ততবারই ভালো লাগে।
শুভেচ্ছা রইল।

১২ ই আগস্ট, ২০১৮ বিকাল ৫:২৩

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



ধন্যবাদ, প্রিয় জোবাইর ভাই। আসলেই ক্লাসিক্যাল প্রেমের এ গল্পটি কখনো পুরোনো হবার নয়। এমন গল্প বারবার পড়তে মন চায়; ও'হেনরির লেখাগুতে দারুন টুইস্ট থাকে এজন্য পড়তে খুব ভাল লাগে। মাত্র ৪৭ বছরে মারা না গেলে আমরা এই লেখকের কাছ থেকে আরো অনেক ক্লাসিক্যাল গল্প পেতাম।

শুভ কামনা রইলো জোবাইর ভাই।

২৯| ১২ ই আগস্ট, ২০১৮ বিকাল ৫:২০

সম্রাট ইজ বেস্ট বলেছেন: আহা! একেই বলে সত্যিকারের ভালোবাসা! প্রিয়জনের জন্য নিজের সবচেয়ে প্রিয় জিনিসটি বিলিয়ে দিয়ে তাকে খুশি করার চেষ্টা করার মধ্যে সত্যিকারের ভালোবাসা খুঁজে পাওয়া গেল। চমৎকার গল্প! আপনার অনুবাদও খুব ভালো হয়েছে। এমন সুন্দর আর নিটোল ভালোবাসার সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ কাওসার ভাই।

১২ ই আগস্ট, ২০১৮ বিকাল ৫:৪০

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



ধন্যবাদ, প্রিয় 'সম্রাট ইজ বেস্ট' ভাই। এটি আসলেই ভালবাসার এক জীবন্ত কিংবদন্তি তুল্য গল্প। জিম আর ডেলার ভালবাসা শত বছর পরও পাঠকের মনে দাগ কাটে; পাঠকরা আবেগাপ্লুত হন। আসলে সত্যিকারের ভালবাসা হলো নিঃস্বার্থ। নিজের সবচেয়ে প্রিয় জিনিসটি বিলিয়ে দিয়ে, বিক্রি করে মানুষ ভালবাসার মানুষকে খুশি করতে চায়। এটা প্রেমিক মনে পরিতৃপ্তির পরশ বোলায়; এমন ভালবাসাকে টাকা দিয়ে পরিমাপ করা যায় না।

শুভ কামনা রইলো সম্রাট ভাই।

৩০| ১২ ই আগস্ট, ২০১৮ বিকাল ৫:৩৭

ভ্রমরের ডানা বলেছেন:




নিটোল প্রেমেজর্জর দুটি হৃদয় ভেসে ছিল এক মায়ার, আর ভাসিয়েছিল আমাকেও! আপনি সুন্দর বর্ণনা দিয়েছেন!

১২ ই আগস্ট, ২০১৮ বিকাল ৫:৪৬

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



একজন কবির কমেন্ট তো কবিতার ভাষায় হবে, এটাই প্রত্যাশিত। তবে আপনার লেখা "নিটোল প্রেমেজর্জর দুটি হৃদয় ভেসে ছিল এক মায়ার, আর ভাসিয়েছিল আমাকেও!" লাইনটি আমাকে আপ্লুত করেছে। একদম জিম আর ডেলার প্রেমের মতো অনবদ্য প্রেমের ঝর্ণাধারা।

প্রিয় কবির জন্য শুভ কামনা রইলো; পাশাপাশি কমেন্ট ও প্লাসে কৃতজ্ঞতা।

৩১| ১২ ই আগস্ট, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:১২

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: আরেকটু না বলে পারছিনা ।শ্রদ্ধেয় আখতারুজ্জামান স্যার আমাদের লালসালু পড়াতেন। বাংলা অতটা গুরুত্ব দেইনি কখনো। বিজ্ঞানের ছাত্র। কিন্তু আখতারুজ্জামান ইলিয়াস স্যারের ক্লাস একদিনও বাদ দিইনি। কি চমৎকার ভাবেই পড়তেন তিনি। স্যার বেচে থাকলে আমার কবিতার বই স্যারকে উপহার দিতাম । আমাদের ইংরেজীর স্যার ছিলেন সুখদেব বালা হরষিত বাুখদেব বালা আনিসুর রহমান স্যার। সুখদেব বালা স্যারের কথা এখনও ভাবি। কত চমৎকার ভাবে তিনি ইংরেজি বিষয়ের গল্পগুলো আরও সরস করে পড়াচ্ছেন। আহ সেই দিনগুলো মিস করি খুব । তখন ব্রায়ান লারা শচিনের মত ব্যাটিং করা চেষ্টা করতাম। মানে তাদের স্টাইলে। কোথায় গেল সেই সময় ?

লাগিতো ভালো সবই
চাদের আলো আর ঢলে পড়া রবি
এখন সব মানসপটে ভেসে থাকা ছবি
বসে বসে নিরালায় ভাবি
সে্ই আমার নানা রঙের দিনগুলি
কোথায় গেল চলে
স্বপ্ন বলে বলে......
আছে এক প্রিয়তমা অভিমানি
আর আমি এখন হয়েছি কবি ।

১২ ই আগস্ট, ২০১৮ রাত ৮:৫০

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



আবার কমেন্ট করার জন্য ধন্যবাদ শ্রদ্ধেয়। আসলে সাহিত্যের ক্লাসগুলোতে ভাল মানের শিক্ষকরা না থাকলে সাহিত্যের মজা পাওয়া যায় না; একজন শিক্ষকের বিষয়ভিত্তিক জ্ঞান যত গভীর থাকে, তাঁর সাহিত্যের রস ও বিষয়ভিত্তিক আলোচনাগুলো যথার্থ হয়। আচ্ছা, আখতারুজ্জামান ইলিয়াস স্যার কী জনপ্রিয় সাহিত্যিক "আখতারুজ্জামান ইলিয়াস"?

আপনি বিজ্ঞানের ছাত্র হলেও আপনার সাহিত্য রস, সাহিত্য জ্ঞান অসাধারন। আপনার গদ্য কবিতাগুলো আমার খুব ভাল লাগে। আপনি যেমন ভদ্র-সজ্জন, তেমনি জ্ঞানী। শচীন ও ব্রায়ান লারা তো আমারও খুব প্রিয়। তবে, এখন কোহলির খেলা খুব ভাল লাগে।

৩২| ১২ ই আগস্ট, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৫৫

রাজীব নুর বলেছেন: লেখক বলেছেন:
আবারো কমেন্টের জন্য ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা রাজীব ভাই।

ভাই ঈদের পর বেড়াতে ঢাকার বাইরে যাচ্ছি। দোয়া করবেন।

১২ ই আগস্ট, ২০১৮ রাত ৮:৫৬

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



ঈদের ছুটিতে ভাবী আর মেয়েকে নিয়ে ঘুরে আসুন; ছুটির দিনগুলো চমৎকার হোক, নিরাপদ হোক এই কামনা করি। অগ্রীম ঈদ শুভেচ্ছা রইলো পরিবারের সবার জন্য।

৩৩| ১২ ই আগস্ট, ২০১৮ রাত ৮:১৩

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: গত বইমেলা থেকে অনেক গুলি অনুবাদ বই কিনে বিরাট ধরা খেয়েছিলাম। আমাদের গুগল ট্রান্সলেটও এর চেয়ে ভাল অনুবাদ করে।
গল্পটি ইন্টারে আমাদের পাঠ্য ছিল। আপনার অনুবাদ পড়ে মনে হল এটাই জথার্থ অনুবাদ।

১২ ই আগস্ট, ২০১৮ রাত ৯:১০

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



প্রিয় ছড়াকরের কমেন্ট পেয়ে খুব ভাল লাগছে। আসলে অনুবাদ খুব কঠিন একটি কাজ; এই গল্পটি অনুবাদ করতে যে সময় লেগেছে, চাইলে এই সময়ে ৩-৪টি গল্প লেখা যেত। শতাধিক বছর পূর্বে লেখা গল্পগুলোর ভাষা ও ভাব বুজতে পারা অনেক কঠিন কাজ। তখনকার সময়ে ব্যবহৃত অনেক শব্দ এখন আর প্রচলিত নয়; এছাড়া গল্প লেখার প্লট ও ধারা অনেক পরিবর্তন হয়ে গেছে।

আমি কিছুদিন আগে মার্কিন সাহিত্যিক 'এডগার এলান পো'র বিখ্যাত কিছু গল্পের অনুবাদ বই পড়েছিলাম; অনুবাদটি এতটাই বাজে ছিল যে, সাহিত্যের কোন কিছুই হয়নি। মন খারাপ হয়ে গিয়েছিলো। এলান পোর মতো উচু মানের সাহিত্যিকের লেখা অনুবাদ করতে হলে লেখককে অনেক খাটতে হবে; জানতে হবে।

আসলে অনুবাদ খুব কঠিন একটি শিল্প; আমি চেষ্টা করবো যাতে অনুবাদ করার সময় ভুলের পরিমানটি কম হয়, লেখার শিল্পগুন বহাল থাকে। আর সবচেয়ে বড় কথা লেখাটি যাতে সুখপাঠ্য হয়। (ধন্যবাদ)

৩৪| ১২ ই আগস্ট, ২০১৮ রাত ৮:৪০

পাঠকের প্রতিক্রিয়া ! বলেছেন: ডেলার চুল কেটে ফেলাটা আমার পছন্দ হয়নি। তবে জিমের ঘড়ি বেঁচাতে খুব একা অবাক হইনি।

আচ্ছা চেইনের সাথে ঘড়ির কী সম্পর্ক??

আমার কাছে দামী গিফটের চেয়ে দশ টাকার বাদাম খেতে খেতে আড্ডা দেবার মূল্য বেশী। যেসব মেয়ে মেকাপ, শপিং, গয়না, দামী রেস্টুরেন্ট পাগল ওদের আমি বিয়েই করবো না।:P

১২ ই আগস্ট, ২০১৮ রাত ৯:৩০

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



গুরুকে আবার পেলাম; এজন্য প্রণাম B-) B-) B-)!!
ডেলার চুল বিক্রি করাটা কেন পছন্দ হয়নি? একসময় তো ইউরোপ-আমেরিকায় মেয়েরা লম্বা সুন্দর চুল বিক্রি করে অনেক পয়সা পেত; এখনো এ নিয়মটি আছে। তবে কমে গেছে। কিন্তু আমি জিমের ঘড়ি বিক্রি করা দেখে অবাক হয়েছি; এটি তার তিন পুরুষের স্মৃতিচিহ্ন!! আর ঘড়ি বিক্রি করে চিরুনি কেনাটা হয়তো মানানসই নয়; তবে জিমের প্রিয়তমা বউয়ের সবচেয়ে সুন্দর আর শখের চুলের জন্য গিফট কিনতে এটি হয়তো জিম করেছে!!!

আর জিমের ঘড়িটি কিন্তু হাতে পরার জন্য নয়; তখনকার সময়ে চেইনের অনেক ঘড়ি ছিল যেগুলো মানুষ কোটের পকেটে রাখতো; ড্রয়ারে কিংবা টেবিলে রাখতো। এজন্য ঘড়ির পাশাপাশি চেইনটিও ভাল মেটালের ও সুদৃশ্য হলে আরো ভালো লাগতো। তবে বাস্তবে হাতঘড়ি না হলে চেইনের কোন উপযোগিতা নেই।

"আমার কাছে দামী গিফটের চেয়ে দশ টাকার বাদাম খেতে খেতে আড্ডা দেবার মূল্য বেশী। যেসব মেয়ে মেকাপ, শপিং, গয়না, দামী রেস্টুরেন্ট পাগল ওদের আমি বিয়েই করবো না"।:P

দশটাকার প্রেম এখনো আছে, তখনো ছিল। তবে জিম আর ডেলার ক্রিসমাস ইভ যদি বাদামের উপরে দিয়ে যেত তাহলে এতদিন এই প্রেমের গল্প কেউ পড়তো না; আর ও'হেনরিও গল্পটি লেখে বিশ্বখ্যাত হতে পারতেন না।:P

৩৫| ১২ ই আগস্ট, ২০১৮ রাত ৮:৪২

মিথী_মারজান বলেছেন: বেশ ঝরঝরে অনুবাদ।
আম্মুর কাছে সবার প্রথম গল্পটা শুনেছিলাম। এটা নাকি তখন তাদের পাঠ্যবইয়ের অন্তর্ভুক্ত ছিলো।
আমাদের পাঠ্য সিলেবাসে গল্পটা কখনো পাইনি তারপরও গল্পটা পড়া হয়েছিলো আমার।
ভালোবাসার যতগুলো গল্প হৃদয়ের অনুভূতিতে আজীবন কড়া নাড়বে, দ্য গিফ্ট অফ দ্য ম্যাজাই ততদিন আমাকে মন্ত্রমুগ্ধ করে রাখবে।


১২ ই আগস্ট, ২০১৮ রাত ৯:৩৮

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



মিথী_মারজান আপুর কমেন্ট পেয়ে খুব ভাল লাগলো। আপনি চমৎকার একটি কথা বলেছেন, "ভালোবাসার যতগুলো গল্প হৃদয়ের অনুভূতিতে আজীবন কড়া নাড়বে, দ্য গিফ্ট অফ দ্য ম্যাজাই ততদিন আমাকে মন্ত্রমুগ্ধ করে রাখবে।" B-)

শুভ কামনা রইলো আপু।

৩৬| ১২ ই আগস্ট, ২০১৮ রাত ৯:০৭

ঢাবিয়ান বলেছেন: পোস্টে প্লাস। কলেজের দিনগুলোর কথা মনে করিয়ে দিলেন। উচ্চমাধ্যমিকে আমাদের এই গল্পটি ছিল। ইংলিশের টিচারগুলোও ছিল সেই রকম। একেবারে অন্য জগতে নিয়ে যেতেন গল্পগুলো পড়াতে পড়াতে।

১২ ই আগস্ট, ২০১৮ রাত ৯:৪০

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



ধন্যবাদ, প্রিয় ঢাবিয়ান ভাই। আসলে সাহিত্যের ক্লাসগুলোতে ভাল মানের শিক্ষকরা না থাকলে সাহিত্যের মজা পাওয়া যায় না; একজন শিক্ষকের বিষয়ভিত্তিক জ্ঞান যত গভীর থাকে, তাঁর সাহিত্যের রস ও বিষয়ভিত্তিক আলোচনাগুলো যথার্থ হয়।

শুভ কামনা রইলো।

৩৭| ১২ ই আগস্ট, ২০১৮ রাত ৯:১৭

তারেক ফাহিম বলেছেন: বিখ্যাত গল্পকারের অনুবাদ।

অনুবাদ ভালোলাগলো। গল্পটি পড়ে হৃদয় ছুয়ে গেলো।


অনুবাদ করে পড়ার সুযোগ দেওয়ায় অনেক ধন্যবাদ প্রিয়া কাউসার ভাই।

১২ ই আগস্ট, ২০১৮ রাত ৯:৪৩

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



কমেন্ট করার জন্য ধন্যবাদ তারেক ফাহিম ভাই। আসলে অনুবাদ খুব কঠিন একটি কাজ; এই গল্পটি অনুবাদ করতে যে সময় লেগেছে, চাইলে এই সময়ে ৩-৪টি গল্প লেখা যেত। শতাধিক বছর পূর্বে লেখা গল্পগুলোর ভাষা ও ভাব বুজতে পারা অনেক কঠিন কাজ। তখনকার সময়ে ব্যবহৃত অনেক শব্দ এখন আর প্রচলিত নয়; এছাড়া গল্প লেখার প্লট ও ধারা অনেক পরিবর্তন হয়ে গেছে।

শুভ কামনা রইলো।

৩৮| ১২ ই আগস্ট, ২০১৮ রাত ৯:২৩

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: একে অন্যের প্রতি কতাট গভীর ভালবাসা পোষন করে তাই যেন গল্পে পরিস্ফুট!
কি অসম্ভব গভির প্রেম।

সব ছাড়িয়ে দারুন ভাললাগা :)

+++

১২ ই আগস্ট, ২০১৮ রাত ৯:৪৭

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



ধন্যবাদ বিদ্রোহী ভৃগু ভাই। প্রিয় কবিকে অবশেষে পেয়ে ভাল লাগলো। আপনি যথার্থই বলেছেন, "একে অন্যের প্রতি কতাট গভীর ভালবাসা পোষন করে তাই যেন গল্পে পরিস্ফুট!
কি অসম্ভব গভির প্রেম।" এটাই সত্যিকারের প্রেম।

শুভ কামনা রইলো, প্রিয় কবি ।

৩৯| ১২ ই আগস্ট, ২০১৮ রাত ১০:৩০

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: কি করি, প্রামানিকদা, শায়মাদের কিছু পোস্টে দুচার লাইনের ছড়ায় মন্তব্য করেছি বটে তবে আমি ছড়াকার নই।
ম্যাক্সিম গোর্কির মা,আকবর দা গ্রেট, ম্যাগ্নিফিসেন্ট সুলতান সুলেমান। অনুবাদকের নাম বললাম না, তবে এ বইগুলি ১০, ১২ পাতা পড়েই মনে হয়েছে নিজেকে মেন্টাল টর্চার করেছি। =p~

১২ ই আগস্ট, ২০১৮ রাত ১০:৪২

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



আবারো কমেন্ট করার জন্য কৃতজ্ঞতা জানাই। আসলে বিভিন্ন মন্তব্যে আপনার ছড়াগুলো পড়ে ভাল লাগে; এজন্য ভেবেছিলাম রম্যের পাশাপাশি আপনি ছড়াও লেখেন নিয়মিত; একজন তো বলছিলেন আপনার ছড়ার বইও বাজারে আছে। আমি ম্যাক্সিম গোর্কির মা পড়েছিলাম, তবে পুরটো পড়া হয়নি। আর আকবর দা গ্রেট, ম্যাগ্নিফিসেন্ট সুলতান সুলেমান পড়া হয়নি।

আসলে অনুবাদ খুব কঠিন একটি শিল্প; আমি চেষ্টা করবো যাতে অনুবাদ করার সময় ভুলের পরিমানটি কম হয়, লেখার শিল্পগুন বহাল থাকে। আর সবচেয়ে বড় কথা লেখাটি যাতে সুখপাঠ্য হয়। আমাদের দেশে উঁচু মানের অনুবাদকারীর অভাব আছে; বইয়ের অনুবাদ মানে ট্রেন্সলেশন নয়।

৪০| ১২ ই আগস্ট, ২০১৮ রাত ১০:৫৫

যুক্তি না নিলে যুক্তি দাও বলেছেন: উচ্চ মাধ্যমিকে পড়েছিলাম। আবার পড়ার সুযোগ হওয়াতে লেখককে প্রাণঢালা ফুলেল শুভেচ্ছা।

১২ ই আগস্ট, ২০১৮ রাত ১১:২০

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



গল্পটি পড়ে কমেন্ট করার জন্য ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা রইলো। গল্পটি আমারও খুব প্রিয়; যখন পড়েিলাম তখন গল্পের ভাবটি ঠিকমত বুঝিনি। একটু তাড়াহুড়ো ছিল। তবে অনুবাদ করতে গিয়ে গল্পটি মনযোগ দিয়ে বেশ কয়েকবার পড়েছি। এতে গল্পের গভীরতা বুঝতে সুবিধা হয়েছে। অনুবাদ আসলে খুব কঠিন একটি কাজ; এই গল্পটি অনুবাদ করতে যে সময় লেগেছে, চাইলে এই সময়ে ৩-৪টি গল্প লেখা যেত।

শতাধিক বছর পূর্বে লেখা গল্পগুলোর ভাষা ও ভাব বুজতে পারা অনেক কঠিন কাজ। তখনকার সময়ে ব্যবহৃত অনেক শব্দ এখন আর প্রচলিত নয়; এছাড়া গল্প লেখার প্লট ও ধারা অনেক পরিবর্তন হয়ে গেছে। তারপরও চেষ্টা করবো বিখ্যাত গল্পগুলো অনুবাদ করতে।

শুভ রাত্রি।

৪১| ১২ ই আগস্ট, ২০১৮ রাত ১১:৫৮

শাহারিয়ার ইমন বলেছেন: আরেকটু সহজ সরল ভাষায় লিখলে ভাল হত মনে হয় ।

১৩ ই আগস্ট, ২০১৮ রাত ১২:০৫

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



ধন্যবাদ "শাহারিয়ার ইমন" ভাই। আসলে অনুবাদ করার সময় লেখকের বর্ণনার ধরণ, লেখার সময়, লেখার বিষয়বস্তু এবং লেখকের মূল ভাবনাকে মাথায় রেখেই অনুবাদ করতে হয়; না হলে গল্পের মৌলিকতা নষ্ট হয়। এজন্য অনুবাদ করতে সতর্ক থাকতে হয়। আমি অনেক সীমাবদ্ধতার মাঝেও চেষ্টা করেছি গল্পটি সুখপাঠ্য করতে। আশা করি, একটু ধৈর্য্য ধরে পড়লে গল্পটি বুঝতে কষ্ট হবে না।

শুভ রাত্রি।

৪২| ১৩ ই আগস্ট, ২০১৮ রাত ১২:১২

শাহারিয়ার ইমন বলেছেন: আমি বুঝেছি ।ইংলিশ গল্প পড়তে অনুবাদের চেয়ে ভাল লাগে আমার । যাই হোক আপনার অনুবাদ ভাল হয়েছে ।

১৩ ই আগস্ট, ২০১৮ রাত ১২:৪৩

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



আপনি ঠিকই বলেছেন, আমারও মনে হয় অনুবাদ গল্পের চেয়ে মূল ভাষায় লেখা গল্প পড়তে বেশি ভাল লাগে। প্রতিটি ভাষার সাহিত্যের আলাদা রূপ-রস থাকে; এগুলো অনুবাদের সময় সেভাবে তুলে আনা সম্ভব হয় না। এজন্য বাঙালি পাঠকরা রবীন্দ্রনাথের সাহিত্য ইংরেজি বা অন্য কোন ভাষায় অনুদিত হলে তা পড়তে ভাল লাগবে না। মূলতঃ অনুবাদগুলো করা হয় যারা ভাষার সীমাবদ্ধতার জন্য বিদেশী সাহিত্য পড়তে পারেন না তাদের জন্য।

৪৩| ১৩ ই আগস্ট, ২০১৮ ভোর ৪:৩২

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: এইটা তো মনে হয় ইন্টারে ছিলো আমাদের। তবে অনুবাদ জবরদস্ত। ১০ এ ১০

১৩ ই আগস্ট, ২০১৮ ভোর ৪:৪৬

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



আপনার নটিফিকেশন পেয়ে তো একটু ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম। বাঁচলাম বকাঝকা খেতে হয়নি বলে; আপনি নিয়মিত লেখুন। একজন মানুষ লেখক হওয়ার পূর্ব শর্ত হলো- (১) ভাল পাঠক হওয়া; (২) বিচক্ষণতা; (৩) নতুন নতুন আইডিয়া বের করা; (৪) ইতিহাস-ঐতিহ্য জানা; (৫) জানার আগ্রহ থাকা; (৬) পৃথিবীর সৃষ্টি-কৃষ্টি-মানুষ-আবিষ্কার-রাষ্ট্র-সমাজ-ধর্ম ইত্যাদি বিষয়ে সাম্যক ধারণা থাকা; (৭) নিজস্ব বোধের সৃষ্টি ইত্যাদি; আপনার মধ্যে এগুলো বিদ্যমান আছে। শুধু শুরুটা করতে পারলেই হবে।


শুভ সকাল, ভাই।

৪৪| ১৩ ই আগস্ট, ২০১৮ ভোর ৪:৫০

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:

১৩ ই আগস্ট, ২০১৮ ভোর ৪:৫৯

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:
গুরুর উপহারের ফিরতি কি দেওয়া যায় তা নিয়ে ভাবতে ভাবতে হঠাৎ মনে পড়লো; ঘরে তো এক খাঁচা টাটকা "সিলেটর খমলা" আছে; যেই ভাবা সেই কাজ। গিন্নির চাপাচাপিতে পুরো ঝুড়ি-টাই দিয়ে দিলাম। গিন্নির এক কথা, "খম দিলে সিলেটির বদনাম অইবো, যা আছে সবগুলো খমলা তানে দিলাও, দরখার অইনে বিয়ানে গাছ থাকি আরো ফাড়মু"!!!

৪৫| ১৩ ই আগস্ট, ২০১৮ ভোর ৫:১৭

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: গুরু দেখতে হবে না “বোন টা কার” ? আমার ছোটবোনের জন্য রইলো বাড়ীর সবচেয়ে প্রিয় “চিত্রা পিঠা” আমার বোনের জন্য রইলোগুরু দেখতে হবে না “বোন টা কার” ?

১৩ ই আগস্ট, ২০১৮ ভোর ৫:৩৩

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:

প্রিয় ভাবীর লাগি আফনার ছোট বইনর আতর বানাইল 'ফুলি ফিঠা' ও 'ছুঙ্গা পুড়া' দিলাম; গুরু, আফনার ছোট বইন ভাবিরে দাওত দিছই সামনর কুরবানীর ইদো বাসাত আইবার লাগি, সময় ফাইলে ভাবিরে লইয়া আমরার বাড়িত বেড়ানিত আইনজানি। আইলে খুব কুশি অইমু।

৪৬| ১৩ ই আগস্ট, ২০১৮ ভোর ৫:২৭

সোহানী বলেছেন: ভালো লাগলো অনুবাদ কাউসার ভাই। ও হ্যানরি আমার অসম্ভব প্রিয় রাইটার।

সরি আপনার অনেক লিখা মিস করছি। একটু বিজি সাথে মন খারাপ তাই সামুতে সময় কম দিচ্ছি। সময় মতো ফিরে আসবো। অনেক আলোচনা আছে।

অনেক ভালো থাকেন।

১৩ ই আগস্ট, ২০১৮ ভোর ৫:৫১

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



আপুনি!!!
অনেক দিন পর আমার মেন্টরকে পেলাম। আপনি ভাল থাকেন এই আশীর্বাদ সব সময় করেছি; এই সামু ছাড়া যোগাযোগের আর কোন মাধ্যম নেই, এজন্য অসহায় হয়ে অপেক্ষায় ছিলাম। অবশেষে পেলাম, এতেই আমি খুশি B-)


"একটু বিজি সাথে মন খারাপ তাই সামুতে সময় কম দিচ্ছি। সময় মতো ফিরে আসবো।" আমি তো জানি না কেন আপনার মনটি খারাপ জানলে হয়তো সাহস দিতাম, অনুপ্রাণিত করতাম; আশা করি মন ভাল হয়ে যাবে, পরিবারের সবার জন্য আশীর্বাদ রইলো।

টেক কেয়ার ইওয়রসেল্ফ; বি স্মাইলি ওলওয়েজ :-B

৪৭| ১৩ ই আগস্ট, ২০১৮ বিকাল ৪:২২

নাবিলা নিতু বলেছেন: গল্পটি আগেও পড়েছিলাম, আবারও পড়লাম।

১৩ ই আগস্ট, ২০১৮ বিকাল ৪:৩৬

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:

কমেন্টের জন্য ধন্যবাদ আপনাকে; সামুতে পথ চলা সুন্দর হোক। নিয়মিত ব্লগে সময় দেন, ভাল মানের লেখা পোস্ট করুন এবং সহ ব্লগারদের পোস্টে যুক্তিযুক্ত কমেন্ট করে পরিচিতি বাড়ান। আশা করি, অল্প দিনেই সেফ হবেন। (ধন্যবাদ)

৪৮| ১৩ ই আগস্ট, ২০১৮ বিকাল ৪:৩৫

করুণাধারা বলেছেন: গল্পটা আমাদের এইচএসসিতে পাঠ্য ছিল। বহুদিন পর আবার পড়তে পেরে ভালো লাগলো। অনুবাদ খুবই ভাল হয়েছে, বাড়তি পাওনা ছবিগুলো! ছবিসহ এই গল্প আগে পড়া হয়নি, তাই ধন্যবাদ এমন ছবি সহ গল্প উপহার দেবার জন্য।

১৩ ই আগস্ট, ২০১৮ বিকাল ৪:৪৭

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



আপু, কেমন আছেন? হোপ, ভাল। আপনার মতো অনেক সহব্লগারের পাঠ্যসূচীতে গল্পটি ছিল; এটা শুনে ভাল লাগছে। শত বছর পূর্বে ও'হেনরি গল্পটি লেখলেও এখনো তার আকর্ষণ ব্যাপক। এটি একটি ক্লাসিক প্রেমের গল্প; ভালবাসার জন্য সর্বোচ্চ ত্যাগ। এটাই সত্যিকারের ভালবাসার প্রকাশভঙ্গী। আর ছবিগুলো তো গল্পের সাথে খাপ মিলিয়ে গুগল থেকে সংগ্রহ করেছি।

শুভ কামনা রইলো।

৪৯| ১৩ ই আগস্ট, ২০১৮ বিকাল ৫:১০

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: হা। ইলিয়াস স্যার আমাদের লাল সালু পড়াতেন। তিনি এত নামকরা লেখক তখন অবশ্য জানতাম না । স্যার কলম দিয়ে না লেখে টাইপরাইটারে লিখতেন ।

উপরের কমেন্টে দৃষ্টিকটু টাইপো আছে মুছে দিয়েন।

যথার্থ বলেছেন। অসাধারণ লিখতেন ।

১৩ ই আগস্ট, ২০১৮ বিকাল ৫:১৭

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:
আখতারুজ্জামান ইলিয়াস স্যার খুব উঁচু মানের সাহিত্যিক ছিলেন। মাত্র ৪৭ বছর বয়সে চলে গেলেন :(; তিনি আরো কয়েক বছর বেঁচে থাকলে বাংলা সাহিত্য অনেক সমৃদ্ধ হতো।

৫০| ১৩ ই আগস্ট, ২০১৮ বিকাল ৫:২৪

মোস্তফা সোহেল বলেছেন: গল্পটা শুধু শোনা ছিল আজ পড়লাম।
শেয়ারের জন্য ধন্যবাদ ভাই।

১৩ ই আগস্ট, ২০১৮ বিকাল ৫:২৭

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



মোস্তফা সোহেল ভাই; অনেক দিন পর আপনাকে পেলাম। আশা করি ভালই আছেন। গল্পটি পড়ে আপনার ভাল লেগেছে জেনে খুশি হলাম; কমেন্টের জন্য কৃতজ্ঞতা রইলো।

৫১| ১৩ ই আগস্ট, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:১১

কথার ফুলঝুরি! বলেছেন: গল্পটি কখনো পড়া হয়নি। অনেকের মুখে শুনেছিলাম এবং গল্পটি নিয়ে বানানো মিউজিক ভিডিও দেখেছিলাম। যাক, এবার ভাইয়ার উসিলায় পড়াও হয়ে গেল।

গল্পের বিষয়টি যদিও মন খারাপ করে দেয় কিন্তু যখন দুইজন মানুষ সত্যিকার ভাবে একজন আরেকজনকে ভালোবেসে পাশাপাশি থাকে তখন যে কোন পরিস্থিতি সামলে নেওয়া যায় সহজভাবেই। পরিস্থিতি যেমনই হোক, পাশের মানুষটির ভালোবাসা আর সাপোর্টই পারে সব কষ্ট দূর করে দিতে।

১৩ ই আগস্ট, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:১৯

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



ক-থা-আ-পু-
কমেন্টে প্রিয় আপুকে পেয়ে মনটা উদ্বেলিত হলো। হয়তো ব্যস্ততা বেড়ে যাওয়ায় আগের মতো ব্লগে পাইনা, নিয়মিত লেখাও চোখে পড়ে না। আশা করি ভাল আছেন। অফিসের ব্যস্ততা কমলে পোস্ট দেবেন। মিস করি আপনার লেখা।

৫২| ১৩ ই আগস্ট, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:২৮

পাঠকের প্রতিক্রিয়া ! বলেছেন: কাওসার ভাই!

আপনাকে শান্তিমত মন্তব্য করতে পারছি না। মন্তব্য করার সময় মনে হয় মাষ্টার মানুষের সাথে লুলামি করবো??:(


এখন আমি করমু কি??

পুনশ্চঃ বিয়া করবেন কবে??:P

১৩ ই আগস্ট, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৩৭

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



কি যে বলেন??:( আফনে আমার জানে দোস্ত B-), ফরানের ফরান; মন্তব্যের কোন রীতি নীতি আফনার লগে কি মানায়???

চলুক লুলামি, চুলামি, খ্যাতামি আনলিমিটেড :-B; নো ফবলেম এটোল B-))

পাত্রী দেইখেন; ইউক্রেনের মাইয়া বিয়া করুম :P!! না পাইলে রংপুর/দিনাজপুর হইলেও ছইলবো B:-)

৫৩| ১৩ ই আগস্ট, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৪৪

বলেছেন: আনন্দ এবং দুঃখের সংমিশ্রণ- জীবন

আপনি বিজ্ঞতার সঙ্গে অনুবাদ করেছেন

১৩ ই আগস্ট, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৪৭

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



মন্তব্যে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রিয় রহমান লতিফ ভাই। শুভ হোক আপনার আগামীর পথ চলা; জীবন হোক সফলতায় পরিপূর্ণ।

৫৪| ১৩ ই আগস্ট, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৪৯

কথার ফুলঝুরি! বলেছেন: কয়েকদিন হল সময় করে উঠতে পারছিনা ভাইয়া :( আপনার লেখাটি দেখেছি কিন্তু পুরোটা পরে তারপর মন্তব্য করতে চাচ্ছিলাম । আমি দেখেছি প্রিয় ভাইয়া যে আমার ব্লগে গিয়ে খোঁজ নিয়ে এসেছে :P ভাল লাগে খুব ভাবতেই যে ব্লগেও আমার প্রিয় মানুষগুলো আমাকে ভালোবাসে !:#P
কিছু লেখা আছে ভাইয়া, কিন্তু তাড়াহুড়ো করে সেগুলো পোস্ট করতে চাইনা। তাতে লেখার মান খারাপ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে খুব। তাই সময় নিয়ে ঠাণ্ডা মাথায় লেখা পোস্ট করতে চাই । আমিওযে ভাইয়ার মত লেখার কোয়ালিটি নিয়ে ভাবি, কোয়ানটিটি নয়।


@পাঠকের প্রতিক্রিয়া বলেছেন "আপনাকে শান্তিমত মন্তব্য করতে পারছি না। মন্তব্য করার সময় মনে হয় মাষ্টার মানুষের সাথে লুলামি করবো??:(" - প্রিয় কাজিন, আমাদের কাওসার ভাই শিক্ষক মানুষ হলেও অনেক অমায়িক আর মজার মানুষ আর ভালো মানুষ । আপনি একদম মন খুলে দিল দরিয়া ভাবে মন্তব্য করতে পারেন, তিনি কিছু মনে করবেন না, আমি বললাম আপনাকে :P তবে স্ল্যাং ওয়ার্ড অবশ্যই না X(( আমি চাইনা আপনি আবার ব্যান খান X((

১৩ ই আগস্ট, ২০১৮ রাত ১০:৪৫

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



"কিছু লেখা আছে ভাইয়া, কিন্তু তাড়াহুড়ো করে সেগুলো পোস্ট করতে চাইনা। তাতে লেখার মান খারাপ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে খুব। তাই সময় নিয়ে ঠাণ্ডা মাথায় লেখা পোস্ট করতে চাই । আমিওযে ভাইয়ার মত লেখার কোয়ালিটি নিয়ে ভাবি, কোয়ানটিটি নয়।".........


আমি আপুনির সাথে শতভাগ একমত লেখার কোয়ানটিটির চেয়ে কোয়ালিটির গুরুত্ব অনেক বেশি। মার্কিন "এলান পো"-কে বলা হয় পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ ছোট গল্পকার; অথচ ৪০ বছর বয়সে তিনি পরলোকগমন করেন!!! আরো কয়েক বছর বাঁচলে পৃথিবীর সাহিত্য জগৎ আরো অনেক বেশি সমৃদ্ধ হতো। ১০টি বই লেখার চেয়ে মানসম্পন্ন ১টি বই শ্রেয়; ব্লগের বেলায়ও তা প্রযোজ্য। অপেক্ষায় রইলাম পরবর্তী ব্লগের জন্য।

শুভ কামনা রইলো।

৫৫| ১৩ ই আগস্ট, ২০১৮ রাত ১১:৩৪

পাঠকের প্রতিক্রিয়া ! বলেছেন: @ইউক্রেনের মাইয়া বিয়া করুম!! না পাইলে রংপুর/দিনাজপুর হইলেও ছইলবো ।
... ইউ কেরেনের কেউ ছ্যাঁক দিছে নাকি??:P
(কেরেনের মেয়েরা আপনাকে বিয়ে করবে না। বিয়ে করলেও দেশে থাকবে না।)

রংপুরের মেয়েরা যদি রংবাজ হয়!!!! আপনাকে তো দড়ি দিয়ে ঘুরাবে???:( তার চেয়ে দিনাজপুরের দীন মেয়েরাই ভালো। তবে আমার বাড়ি থেকে যে অনেক দূর!! আমার দ্বারা ঘটকালি হইবে না...:(


@ কথার ফুলঝুরি!বলেছেন: .....তবে স্ল্যাং ওয়ার্ড অবশ্যই না। আমি চাইনা আপনি আবার ব্যান খান।
.. স্ল্যাং ম্যাং বুঝিনা।
রাগলে মোর মাথা ঠিক থাকেনা।
মডুদের ভয় পাব আমি?
কাভি নেহি......:P


পুনশ্চঃ এবার ব্যান করলে আপুর নিকে আসবো। তখন কয়েক জনকে নাকে দড়ি দিয়ে ঘুরাবো.... :P

১৪ ই আগস্ট, ২০১৮ রাত ১২:০৭

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



@ জানেমন,........
রাশিয়ান ব্লকের মাইয়ারা আসলে সেই রম রুপসী!!! বিশেষ করে ইউক্রেন, বেলারুশ, লাটভিয়া ও এস্তনিয়ার মাইয়ারা; এছাড়া হাজবেন্ডকে কেয়ার করে। পশ্চিম ইউরোপের মাইয়াদের মতো সকাল-বিকাল পালায় না!!! অনেক লক্ষী মাইয়া!!! আর ইউক্রেনের মাইয়া পছন্দ করার আরেকটি কজ আছে!!! কইতাম নায়, সিক্রেট!!!


রংপুরের মাইয়ারা রং হবে ক্যান?.........< তবে নোয়াখাইল্লা, বরিশাইল্যা মেয়েও খুব পছন্দ করি........ বাট নট সিলটি মাইয়া.......!!!

৫৬| ১৪ ই আগস্ট, ২০১৮ রাত ১:১১

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: ইউক্রেনের মাইয়া পছন্দ করার আরেকটি কজ আছে!!! কইতাম নায়, সিক্রেট!!!

রাশিয়ান ব্লকের মুর্তি (মেয়ে) বিয়ে করা মানে বিয়ের সাফল্য !!! বাকিটুকু আমিও বলবো না - সিক্রেট!!!

১৪ ই আগস্ট, ২০১৮ রাত ১:৩৬

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: টপ সিক্রেট....৷৷.....গুরু......৷৷
ও গো বিদেশিনী
তোমার চেরীফুল দাও আমার শিউলী নাও
দুজনে প্রেমে হই ঋণী।।

লা লা লা লা…….
দুটি মনের একটি আশা তারই নাম ভালবাসা
কেন বুঝ না ওগো নীলনয়না
তুমি আমার মনোহারিনী।।

কিছুদিনের একটু স্মৃতি অনুরাগ অনুভুতি।
ভুলে যেও না ওগো মৌ ললনা
অভিসারের এই কাহিনী।।

৫৭| ১৪ ই আগস্ট, ২০১৮ সকাল ১০:৩০

কথার ফুলঝুরি! বলেছেন: আমাদের দেশের মাইয়ারাকি সব মরছে নাকি X(( নাকি ভালো আর সুন্দর মাইয়ার আকাল পরছে X(( এত ইউক্রেন, রাশিয়া অমুক তমুক জায়গায় মাইয়া নিয়া ফালাফালি ক্যান X(( যত ইউক্রেন, রাশিয়া নিয়া নাচানাচি কর, বাঙ্গালী মাইয়া বেস্ট :#) তবে বাঙ্গালী ছেলেগুলা একদম খাটাশ X(( X(( X((

১৪ ই আগস্ট, ২০১৮ বিকাল ৩:৪২

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: আপুনি............, "আমাদের দেশের মাইয়ারাকি সব মরছে নাকি X(( নাকি ভালো আর সুন্দর মাইয়ার আকাল পরছে " মাইয়ারা মরেও নাই অকালও পড়ে নাই, কিন্তু.... :(


এতো গোল্ডেন অর্ণামেন্ট কেমনে দেই!!! বউয়ের চেয়ে গহনার ওজন বেশি!!! :-B.... এত কিছু দিয়ে বিয়ে করতে পারুম না, কইলাম৷সো, ফরেন পাত্রী পছন্দ করি... B-)
শুধু কি হাতে আর গলায় গয়না? গয়নার জুতা ও লেহেঙাও নাকি ইদানিং লাগে!!! তার উপরে আছে যৌতুক থুক্কু দেনমোহর; অনেক মাইয়ার পরিবার বিবাহের সময় তো নগদে দেনমোহর চায়; B-)) আর বিয়ের শাড়ী!!! অনুষ্ঠান!!! গায়ে হলুদ!!!! বৌভাত!!!!! কত্ত কী?


বিদেশী ম্যাম বিয়ে করলে এসব খরছের বালাই নেই; এরা ঝগড়াটে নয়; উল্টো চাকরি করে হাজবেন্ডকে সহযোগিতা করে..... B-) B-) .... আরো আরো কত্তো সুবিধা!!!


৫৮| ১৪ ই আগস্ট, ২০১৮ বিকাল ৩:১৭

গড়ল বলেছেন: গল্পটা এইচ এস সি এর ফার্ষ্ট পেপার এর পাঠ্য বইতে ছিল, অতএব সবারই পড়ে থাকার কথা। তবে অনুবাদটা চমৎকার হয়েছে।

১৪ ই আগস্ট, ২০১৮ বিকাল ৩:৫৫

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



এটি আসলেই ভালবাসার এক জীবন্ত কিংবদন্তি তুল্য গল্প। জিম আর ডেলার ভালবাসা শত বছর পরও পাঠকের মনে দাগ কাটে; পাঠকরা আবেগাপ্লুত হন। আসলে সত্যিকারের ভালবাসা হলো নিঃস্বার্থ। নিজের সবচেয়ে প্রিয় জিনিসটি বিলিয়ে দিয়ে, বিক্রি করে মানুষ ভালবাসার মানুষকে খুশি করতে চায়। এটা প্রেমিক মনে পরিতৃপ্তির পরশ বোলায়; এমন ভালবাসাকে টাকা দিয়ে পরিমাপ করা যায় না।

কমেন্ট করার জন্য ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা রইলো, দাদা...... B-)......

৫৯| ১৪ ই আগস্ট, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:১৭

মনিরা সুলতানা বলেছেন: কলেজ সময় মনে করিয়ে দিলেন!
আহা স্যার যে কি সুন্দর করে পড়াত!!
আপনার অনুবাদ ও মনকাড়া ।
শুভেচ্ছা সতত।

১৫ ই আগস্ট, ২০১৮ রাত ১২:১৮

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:
আপু শুভেচ্ছা রইলো, আমি ২-১ দিন পরপর আপনার ব্লগ ভিজিট করি; কিন্তু না :(, নতুন কোন পোস্ট নেই!!! জানি আপনি খুব ব্যস্ত থাকেন; তারপরও গুণী ব্লগারদের লেখা নিয়মিত পেলে আমাদের জানার পরিধিটা বাড়ে; এতে আমাদের লেখার হাত ভাল হয়৷ আপু, আশা করবো সময় সুযোগে নিয়মিত লেখবেন৷

শুভ কামনা রইলো, আপনার বাচ্চাদের জন্য; আর কৃতজ্ঞতা সহ ধন্যবাদ কমেন্ট করে অনুপ্রাণিত করার জন্য৷ শুভ রাত্রি৷

৬০| ১৫ ই আগস্ট, ২০১৮ দুপুর ১২:৩০

ওমেরা বলেছেন: ছোট বেলায় আমার আব্বুর কাছে জীম ডেলার গল্প শুনতে শুনতে আমার বেড়ে উঠা । অনেকদিন পর সেই গল্পটা পড়ে খুব মনে পরল ছোট বেলার সেই সময়ের কথা। অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া।

১৫ ই আগস্ট, ২০১৮ দুপুর ১:৩০

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:
Kiitos kommentista. The gift of the magi, yksi parhaista rakkaustarinoista. Toivon, jatka blogia epäröimättä.

Hyvät toiveet; Hyvää bloggausta.

৬১| ১৫ ই আগস্ট, ২০১৮ রাত ৯:২৬

পদ্ম পুকুর বলেছেন: ইন্টারে আমাদের ইংলিশের স্যার 'মাদার ইন ম্যানভিলে লাঞ্ছন, অ্যানশিয়েন্ট মেরিনার আর এই গিফট অব ম্যাজাই' (পুংটা পোলাপান অবশ্য ম্যাজাই এর বানানে 'জি আই' কে 'গি' উচ্চারণ করতো.. :-B ) খুবই সুন্দর করে পড়াতেন। আমাদের একদমই পাঠ্য মনে হয়নি, গল্পই মনে হয়েছিলো।

আপনার চমৎকার উপস্থাপনায় বহুদ্দিন বাদে আজ আবার সেই চৈত্রের উদাসী দুপুর ফিরে আসলো যেনো। মনে হচ্ছে সেই স্যারই বইটা হাতে ক্লাসময় হেটে হেটে গল্পটা পড়াচ্ছেন, বাইরে ভীষণ রোদ, পেটে অনন্ত ক্ষুধা। কিন্তু সব ভুলে আমরা জিম আর ডেলায় মজে আছি....

কাওসার ভাই,
যুগে যুগে এই ব্লগে বিভিন্ন ব্লগার অনন্য এক দায়িত্ব পালন করে গেছে। তাঁরা ব্লগটাকে যেমন ফেসবুক বা চটি সাইট হওয়া থেকে যেমন বাঁচিয়েছে, তেমনি আবার এটাকে পত্রিকার অনলাইন ভার্সনও হতে দেয়নি। এই দায়িত্ব পালনের জন্য তাঁদেরকে অসম্ভব পরিশ্রম করে এমন সব পোস্ট দিতে হয়েছে, যেগুলো একই সাথে বিনোদনদায়ী, সাহিত্যের মানদণ্ডে উত্তীর্ণ, সমসাময়িক এবং সুপাঠ্য। হাজার হাজার অপোস্টের মধ্যে এগুলোই ব্লগকে জীবিত রেখেছে। সত্যিকারের পাঠক-ব্লগার সৃষ্টি করেছে। হাজার হাজার 'চানাচুর ব্লগারের মধ্যে এই ব্লগাররাই সত্যিকার ভিত্তি নির্মাণ করে। টিকে থাকে।

আজকে একসাথে আপনার বেশ কয়েকটা পোস্ট পড়লাম। আমি নিশ্চিত, প্রবাহমান সময় আপনার উপর সেই গুরু দায়িত্ব অর্পণ করেছে এবং আপনিও খুবই সুচারুভাবে সেই দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। আপনি একে কমপ্লিমেন্টস ভাবলে ভাবতে পারেন। কিন্তু এটাই সত্য। আমার অভিনন্দন গ্রহণ করুন।

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: গুরুদেব,
অসম্ভব ভালো অনুবাদ করেছেন। মনে হলনা যে এটা অনুবাদ। আমরা উচ্চ মাধ্যমিকে ইংরেজি টেক্সট বইতে গল্পটা পড়েছিলাম।
আমি তো জানতাম, আপনি ওয়েস্ট বেঙ্গলের মানুষ, আপনাদেরও কি ইন্টারের টেক্সট বইয়ে এ্টা পাঠ্য ছিলো @ পদাতিক চৌধুরি?

১৬ ই আগস্ট, ২০১৮ রাত ১:৪৫

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



দাদা শুভেচ্ছা রইলো; নটিফিকেশনে আপনার কমেন্ট পেয়ে খুব খুশি হলাম; পাশাপাশি, একটু শংকাও মনের মধ্যে উঁকি দিয়েছিল৷ ব্লগে আসার পর থেকে সিনিয়রদের কাছ থেকে যে সহযোগিতা পেয়েছি তা নিঃসন্দেহে আমার জন্য প্রেরণা যুগিয়েছে; আপনাদের বিভিন্ন পরামর্শ ও গঠনমূলক সমালোচনা আমার ব্লগীয় দূর্বলতা কাটিয়ে উঠতে সহায়ক হয়েছে৷ আর শংকার কারণ হলো, লেখায় হয়তো কোথাও কোন দূর্বল পয়েন্ট আছে, অথবা লেখার মান ভাল হয়নি এমনটি হয়তো বলবেন৷

কিন্তু না, আপনার কমেন্ট পেয়ে সত্যি সত্যি খুব আনন্দিত হলাম; পাশাপাশি দায়িত্ববোধও বেড়ে গেল৷ আমি একটা সময় একনিষ্ঠ পাঠক ছিলাম; একটা সময় মনে হলো- আমি যা জানি, যা নিয়ে ভাবি তা গুছিয়ে লেখলেই তো হয়৷ কিন্তু যখন লেখতে শুরু করলাম তখন তো কলম চলে না!! আর যা লেখি প্রচুর বানান ভুল হয়৷ কারণ অনুসন্ধান করতে গিয়ে দেখলাম; অনেক বছর থেকে বাংলা লেখার চর্চা না থাকায় এমনটি হচ্ছে৷ শুরু করলাম বাংলা বানান রীতি নিয়ে পড়াশুনা করা; এজন্য বেশ কয়েক মাস লেগেছে৷ এখনো বানানে, শব্দ চয়নে, বাক্য গঠনে সমস্যা হয়৷ চেষ্টা করছি এগুলো কমিয়ে আনতে৷

ফেইসবুক দিয়ে লেখা শুরু হলেও এখন প্রায় সব মাধ্যমে লেখালেখি করি; আর সামু তো আমার প্রাণের ব্লগ৷লেখাগুলো কতটুকটু মানসম্পন্ন হয় জানি না; তবে প্রচুর পরিশ্রম করি লেখার মান উন্নত করার জন্য; আমি খুব বেশি না লেখে অল্প লেখায় ভাল মান ধরে রাখতে চাই৷ নতুন লেখাতে আগের লেখাকে ছড়িয়ে যেতে চাই৷আমি জানি, লেখালেখিতে এখনো পাড়ার গলির রাস্তায় আছি; হাইওয়েতে উঠতে অনেক পথ পাড়ি দিতে হবে৷ এজন্য হাইওয়েতে চলতে যাতে পর্যাপ্ত পেট্রল, গ্যাসের যোগান থাকে; ড্রাইভিংয়ের হাত যাতে আরো পাকা হয় সেজন্য প্রশিক্ষণ নিচ্ছি৷

দাদা, আশীর্বাদ করবেন যাতে ভবিষ্যতে লেখা চালিয়ে যেতে পারি৷ লেখার মানটা ভাল করতে পরি৷ ব্লগের জন্য ভাল পোস্ট লেখতে পারি৷ আপনার প্রেরণা আমার আগামীর লেখাগুলোতে পজেটিভ মোটিভেশন দেবে৷

শুভ রাত্রি; আপনার জন্য শুভ কামনা রইলো দাদা৷

৬২| ১৮ ই আগস্ট, ২০১৮ ভোর ৪:০৬

চঞ্চল হরিণী বলেছেন: পদ্মপুকুর ভাই আপনাকে একদম যথার্থ কমপ্লিমেন্ট দিয়েছেন, কাওসার ভাই। হাজার হাজার অপোস্ট এবং পত্রিকার অনলাইন ভার্সন হওয়া থেকে সামুকে একটি স্বচ্ছ এবং মানসম্পন্ন ব্লগ হিসেবে টিকিয়ে রাখতে আপনার উপর গুরুভার পড়েছে এবং আপনিও ভীষণ আন্তরিকতার সাথে সেই দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করে যাচ্ছেন। যদিও আপনি নিজেই স্বীকার করেছেন দীর্ঘদিন ইংরেজি চর্চার ফলে বাংলা লিখতে শুরুতে আপনার খুব সমস্যা হয়েছিলো এবং এখনো কিছু সমস্যা হয়। কিন্তু শক্তিশালী ব্লগিং এর একটা পটেনশিয়ালিটি, সময় এবং ভীষণ ধৈর্য প্রয়োজন যা আপনার মধ্যে আছে। সময়ের বিষয়টা জানি না, কিন্তু বাকি দুটো স্পষ্ট আছে দেখতে পাই। তাই আমিও আপনাকে অন্তর থেকে অভিনন্দন জানাই। অত্যন্ত সমৃদ্ধ হয়ে উঠুক আপনার ব্লগবাড়ি এবং ব্লগিং জীবন।

এবার লেখা নিয়ে কিছু বলি। প্রথমেই বানান নিয়ে একটি ছোট ভুলের কথা বলি, যা প্রায়ই বলবো বলবো করেও আপনাকে বলা হচ্ছিলো না। আপনি সবসময় 'লেখতাম' লেখেন যা একটি ভুল শব্দ। যেমন, আপনার একটি বাক্য তুলে দেই, "আমি যা জানি, যা নিয়ে ভাবি তা গুছিয়ে লেখলেই তো হয়৷ কিন্তু যখন লেখতে শুরু করলাম তখন তো কলম চলে না!!" এটার সঠিকটা হবে, "আমি যা জানি, যা নিয়ে ভাবি তা গুছিয়ে লিখলেই তো হয়৷ কিন্তু যখন লিখতে শুরু করলাম তখন তো কলম চলে না!!" লেখতাম, লেখতে, লেখছেন, লেখবো, লেখেছি এগুলো ভুল , সঠিক হল- লিখতাম, লিখতে, লিখেছেন, লিখবো,লিখেছি । 'লেখা' মূলত বিশেষ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয় যেমন, লেখাপড়া, লেখালেখি বা শুধুই কোন লেখা। কিন্তু ক্রিয়া হিসেবে ব্যবহৃত হলে সেটা লিখা হয়ে যায়। যেমন, 'আমি গল্প লেখছি' নয় 'আমি গল্প লিখেছি বা লিখছি' হবে। একজন গুণী ব্লগার হিসেবে অন্য কেউ আপনাকে কিছু বলার আগেই আমি একান্ত আন্তরিক মনে বন্ধু হিসেবে আপনাকে এগুলো বললাম। আশা করি আমাকে ভুল বুঝবেন না #:-S :)। এই গল্পে আরও কিছু বানান ভুল আছে কিন্তু সেগুলো আশা করি লিখতে লিখতেই আপনার ঠিক হয়ে যাবে। এটা একটা কমন ভুল ছিল আপনার সব লেখায় এবং মন্তব্যগুলোতে, তাই তুলে ধরলাম, প্রিয় কাওসার ভাই।

গল্পটা দারুণ। আমার ছোট খালার পাঠ্য ছিল ইন্টারে এবং খালার মুখেই এই গল্প প্রথম শুনেছিলাম। কিন্তু গল্প শোনার মাঝে অনেক কিছু বাদ পড়ে যায় যা পড়ার মাঝে পাওয়া যায়। আপনার এটা বাংলায় পড়লেও অনেক কিছুই যেন ভাবার মত পেলাম। খুব ভালো লাগলো। অনুবাদ নিয়ে সবাই খুব প্রশংসা করেছে। অনুবাদ প্রশংসনীয়ই হয়েছে। তবে আমি শুধু একটা শব্দ যোগ করবো, সেটা হল তুলনামূলক প্রশংসনীয়। অর্থাৎ যে ধরণের অনুবাদ এদেশে বেশিরভাগ হয় সে তুলনায় আপনারটা অনেক ভালো হয়েছে। আপনি নিজে গল্পকার বলে অনেক জায়গায় খুব সুন্দর করে লিখেছেন। কিন্তু তারপরেও চমৎকার অনুবাদ সাহিত্য বলতে যা বোঝায় সেখানে একটা কমতি থেকে গেছে। বেশ কিছু বাক্য গল্পকারের অনুবাদ না হয়ে ভাষার অনুবাদ হয়ে গেছে। আমার দৃঢ় বিশ্বাস আপনি নিজেও সেগুলো বোঝেন এবং আপনার আন্তরিক ইচ্ছে আছে সেগুলো কাটিয়ে ওঠার।

পরিশেষে বলবো, এই অসাধারণ ক্লাসিক গল্পগুলো অনুবাদ করে ব্লগে শেয়ার করার যে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সেজন্য মাথা নুয়ে আপনাকে কুর্নিশ জানাই । ধন্যবাদ বা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কম হয়ে যাবে। অন্তরের অন্তঃস্থল অন্তঃস্থল থেকে আপনার জন্য ভালোবাসা ও শুভকামনা জানাই। এমন চমৎকার একটি মন নিয়ে দীর্ঘদিন বাঁচুন। অনেক অনেক ভালো থাকুন, প্রিয় কাওসার ভাই।

১৮ ই আগস্ট, ২০১৮ ভোর ৫:১০

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



দিদি, শুভেচ্ছা রইলো ৷আপনার মহা মূল্যবান কমেন্ট আমার জন্য খুবই প্রেরণাদায়ক এবং শিক্ষনীয় ৷এজন্য স্বশ্রদ্ধ অভিবাদন গ্রহণ করুন ৷দিদি, আমি যে বাংলা লেখতে পারবো তা ছিল আমার কল্পনারও অধিক; আমরা যখন বাংলা পড়েছি তখনকার বাংলা বানান রীতির সাথে এখনকার বানান রীতির বেশ কিছু পার্থক্য লক্ষনীয় ৷' প্রমিত বানান রীতিতে' বেশ কিছু পরিবর্তন এসেছে; এজন্য কোলকাতার বানান রীতির সাথে আমাদের কিছুটা পার্থক্য দখা যায় ৷তবে দিদি কথা দিচ্ছি, ভুলের মাত্রাটা কমিয়ে আনতে সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাব ৷আপনার দেওয়া সাজেশনগুলো অবশ্যই ঠিকঠাক মেনে চলবো ৷

এবার এ গল্পের বিষয়ে বলি, বেশ কয়েক বছর আগে গল্পটি পড়েছিলাম ৷তখন শুধু জিম আর ডেলার প্রেম এবং তাদের মহা মূল্যবান সম্পদগুলো বিক্রি করে একে অন্যের জন্য গিফট কিনে আনাকেই মূল গল্প ভেবেছিলাম; কিন্তু 'দি গিফট অফ দ্যা ম্যাজাই গল্পের' আসল শিক্ষাটার মানে বুজেছি অনুবাদ করতে গিয়ে ৷অনুবাদ করা যে কত কঠিন কাজ তা অনুবাদ না করলে বুঝতাম না ৷এটা অনেক সময় সাপেক্ষ ও অত্যন্ত দূরুহ কাজ; এজন্য কাজটি খুব বিচক্ষণতার সাথে করতে হয় ৷আর শত বছর পুরোনো বিদেশী সাহিত্যের ভাষা, প্লট ও ভাবধারা বুঝা এবং তা নিজের ভাষায় সহজপাঠ্য হিসেবে লেখতে বেশ বেগ পেতে হয় ৷নিজের কাঁচা হাতে গুরুগম্ভীর মহান সাহিত্যিকদের এ কাজটি করতে অনিচ্ছাকৃতভাবে অনেক ভুল হয়ে যায়; হয়তো সময়ের প্রেক্ষাপটে ঠিক হয়ে যাবে ৷এজন্য আশা করি পাঠক সমাজ এ ভুলের জন্য ক্ষমা করবেন ৷

আমি কতটুকু পারবো জানি না; তবে চেষ্টা করবো আপনাদের বিশ্বাস ও ভালোবাসার প্রতিদান দিতে ৷সবে হাঁটতে শুরু করলাম, যেতে হবে বহু দূর; ডিঙাতে হবে পাহাড়-পর্বত, মরুভূমি আর বিশাল ঢেউ খেলা সমুদ্র ৷আপনাদের সংশোধনী আর সহযোগিতা আমার বড়ই দরকার এই শুরুর দিনগুলোতে ৷আমার বিশ্বাস সে ভালবাসা টুকু পাব সব সময় ৷

শুভ কামনা রইলো প্রিয় দিদির জন্য; শুভ রাত্রি ৷

৬৩| ১৮ ই আগস্ট, ২০১৮ সকাল ১১:৪১

অর্থনীতিবিদ বলেছেন: ইন্টারমিডিয়েটে থাকতে এই গল্পটা পাঠ্য ছিলো। অসাধারণ গল্প। পড়তে পড়তে গল্পের প্রতিটি লাইন প্রায় মুখস্তই করে ফেলেছিলাম। আরো কয়েকটা গল্পের কথা মনে পড়ে গেলো। দা এইনশান্ট মেরিনার, দা লাঞ্চন, মাদার অফ ম্যানভিল। প্রত্যেকটা গল্পই ছিলো অসাধারণ।

১৯ শে আগস্ট, ২০১৮ সকাল ৭:৫৭

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



প্রিয় অর্থনীতিবিদ ভাইকে অনেক দিন পর ব্লগে পেয়ে ভাল লাগছে ৷দা এইনশান্ট মেরিনার, দা লাঞ্চন, মাদার অফ ম্যানভিল গল্পগুলো আমারও খুব প্রিয় ৷বিশেষ করে মাদার অফ ম্যানভিল গল্পটি ৷

শুভ সকাল ৷

৬৪| ১৮ ই আগস্ট, ২০১৮ দুপুর ২:২৮

এস এম মামুন অর রশীদ বলেছেন: মোপাসাঁ অনুবাদ করেন একটা, La Parure.

১৯ শে আগস্ট, ২০১৮ সকাল ৭:৫২

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:
কমেন্টের উত্তর দিতে এসে দেখি আপনার কমেন্টে 'La Parure' অনুবাদ করতে বলেছেন; আজ গল্পটির অনুবাদ ব্লগে দিয়েছি!! এটি কাকতালীয় হলেও আমার খুব ভাল লাগছে আপনার মত গুণী মানুষের ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটাতে পেরেছি বলে।

শুভ সকাল।

৬৫| ১৮ ই আগস্ট, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:১৮

অয়ি বলেছেন:


এই গল্পটা প্রত্যেকবারই সুন্দর । খুব নিষ্পাপ প্রেম ।

১৯ শে আগস্ট, ২০১৮ সকাল ৮:০১

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:
গল্পটি মনযোগ দিয়ে পড়ে চমৎকার একটি কমেন্ট করার জন্য ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা আপনাকে ৷শুভ হোক ব্লগে পথ চলা ৷

৬৬| ১৮ ই আগস্ট, ২০১৮ রাত ১১:০৭

কথাকথিকেথিকথন বলেছেন:






স্পেশাল দিনে ওরা একে অপরকে দিতে পেরেছে মহা মূল্যবান- ভালবাসা। অকৃত্তিম প্রেম।
অনুবাদ বেশ ভাল লেগেছে।

১৯ শে আগস্ট, ২০১৮ সকাল ৮:০৪

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



প্রিয় কথাকথিকেথিকথন ভাই,আপনাকে কমেন্টে পেয়ে মনটা ভীষণ ভাল হয়ে গেল ৷আপনি খুব চমৎকার একটি কথা বলেছেন, "স্পেশাল দিনে ওরা একে অপরকে দিতে পেরেছে মহা মূল্যবান- ভালবাসা। অকৃত্তিম প্রেম।" এটাই সত্যিকারের প্রেম ৷

৬৭| ২৯ শে আগস্ট, ২০১৮ বিকাল ৩:৩১

রূপক বিধৌত সাধু বলেছেন: হৃদয় স্পর্শ করে গেল।

২৯ শে আগস্ট, ২০১৮ রাত ১০:৪১

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



রূপক বিধৌত সাধু ভাই৷ গল্পটি পড়ে কমেন্ট করেছে এজন্য ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা রইলো৷

৬৮| ২৯ শে আগস্ট, ২০১৮ রাত ১০:১৪

শামচুল হক বলেছেন: এ গল্পটিও আমার কলেজে পাঠ্য তালিকা ভুক্ত ছিল। আপনার অনুবাদ খুবই ভালো লাগল। ধন্যবাদ

২৯ শে আগস্ট, ২০১৮ রাত ১০:৪৪

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



প্রিয় শামচুল হক ভাই, এটি আসলেই ভালবাসার এক জীবন্ত কিংবদন্তি তুল্য গল্প। জিম আর ডেলার ভালবাসা শত বছর পরও পাঠকের মনে দাগ কাটে; পাঠকরা আবেগাপ্লুত হন। আসলে সত্যিকারের ভালবাসা হলো নিঃস্বার্থ। নিজের সবচেয়ে প্রিয় জিনিসটি বিলিয়ে দিয়ে, বিক্রি করে মানুষ ভালবাসার মানুষকে খুশি করতে চায়। এটা প্রেমিক মনে পরিতৃপ্তির পরশ বোলায়; এমন ভালবাসাকে টাকা দিয়ে পরিমাপ করা যায় না।

৬৯| ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ দুপুর ২:০৮

জুন বলেছেন: এই গল্পটি দেখছি আমার মত অনেকেরই পাঠ্যসুচীতে ছিল কাউসার চৌধুরী । বিখ্যাত ছোট গল্প লেখক ও হেনরী আমার অনেক প্রিয় একজন লেখক। আপনি যে গল্পগুলো উল্লেখ করেছেন পোষ্টের শেষে সেখনে আমার একটি প্রিয় গল্পকে তন্ন তন্ন করেও খুজে পেলাম না। গল্পটির নাম green door ।
প্রাঞ্জল অনুবাদ গল্পটিতে ভালোলাগা রইলো।
+

১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৩:৪৭

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



আপু, শুভেচ্ছা রইলো; ইদানিং আপনাকে ব্লগে কম পাচ্ছি৷আমি ভ্রমণ কাহিনী পড়তে খুব পছন্দ করি; এজন্য আপনার অনেক লেখা আমি চুপিচুপি পড়েছি৷আশা করি, নতুন কোন ট্রাভেল কাহিনী পোস্ট করবেন; এবার "গিফট অফ দ্যা ম্যাজাইা" প্রসঙ্গে আসি৷গল্পটির অনুবাদ আপনার ভাল লেগেছে জেনে খুশি হলাম৷আর "T h e G r e e n D o o r" গল্পটি আপনার খুব প্রিয় তা জানতাম না৷আপুর প্রতি সম্মান জানিয়ে গল্পটি তালিকায় যুক্ত করলাম৷আশা করি খুশি হবেন ৷(ধন্যবাদ)

৭০| ১৪ ই নভেম্বর, ২০১৮ সকাল ৯:৫৮

ইরাবতী (ভূতের পেত্নী) বলেছেন: গল্পটা অনেক শুনেছি ৷ ছোট আকারে ম্যাসেজ বা ফেসবুকেও পড়েছি আর সম্পূর্ণটা পড়লাম ৷ ভালো লাগলো ৷

১৪ ই নভেম্বর, ২০১৮ সকাল ১১:০২

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



আমার ব্লগে আপনাকে স্বাগতম। গল্পটির সারসংক্ষেপ আগে পড়েছেন জেনে ভাল লাগলো। এটি দারুন মুগ্ধ করার মত একটি নিখাদ ভালবাসার গল্প। বাস্তবে এমন গল্প মানুষের জীবনে আছে কিনা জানি না। লেখকের চমৎকার উপস্থাপনা আর টুইস্টেড সমাপ্তী গল্পটিকে অন্য মাত্রায় নিয়ে গেছে।

শুভ কামনা রইলো আপনার জন্য।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.