নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

জন্মসূত্রে মানব গোত্রভূক্ত; এজন্য প্রতিনিয়ত \'মানুষ\' হওয়ার প্রচেষ্টায় আছি। গল্পের \'বায়স্কোপ\' বইয়ের কারিগর।

কাওসার চৌধুরী

প্রবন্ধ ও ফিচার লেখতেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি। পাশাপাশি গল্প, অনুবাদ, কবিতা ও রম্য লেখি। আমি আশাবাদী মানুষ।

কাওসার চৌধুরী › বিস্তারিত পোস্টঃ

চামড়ার মূল্য- মানুষ ভার্সেস গরু

১৮ ই আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৩:৪৪


২০১০ সালের কথা; তখন পূর্ব লন্ডনের ক্যানরি ওয়ার্ফ (Canory Wharf) এর একটি বাসায় ক্লাস নাইনে পড়া একটি ছাত্রীকে ম্যাথমেটিকস্ পড়াতাম। মেয়েটির আঙ্কেল সময়-সুযোগ পেলে আমার সাথে গল্পগুজব করতেন। একদিন দুইশত পঞ্চাশ পাউন্ডে কেনা নতুন একটি প্যান্টের বেল্ট দেখালে অনেকটা নির্বাক হয়ে ফ্যাল ফ্যাল করে তার দিকে অবাক দৃষ্টিতে তাকিয়ে ছিলাম। একটা সামান্য বেল্টের এতো দাম! হিসাব করে দেখলাম বাংলাদেশী টাকায় প্রায় ৩০ হাজার! বেল্টখানা আগ্রহভরে হাতে নিয়ে দেখলাম উল্টোদিকে খোদাই করে লেখা "হানন্ড্রেড পারসেন্ট কাউ লেদার"; পাশে ছোট্ট করে লেখা "মেড ইন ইন্ডিয়া।" আমার এতো অবাক হবার আসল কারণ হলো তখন পর্যন্ত এক্সপেন্সিভ শপিং মল কিংবা বিখ্যাত কোন ব্রান্ডের সাথে পরিচিত ছিলাম না।

এর কিছুদিন পর লন্ডনের বিখ্যাত হ্যারডসে (Harrods) একটি লেডিস হ্যান্ডব্যাগের দাম দশ হাজার পাউন্ড (১২ লক্ষ টাকা) দেখলাম। তবে এবার গরুর চামড়া নয়; ব্যাগটি নাকি পাইথন সাপের চামড়া দিয়ে তৈরী! এছাড়া জুতা, পার্স সহ নিত্য ব্যাবহার্য অনেক কিছুই পাইথন ট্যাগে দেখলাম। সেদিন হ্যারমিয (Hermes) ব্রান্ডের কুমিরের চামড়া দিয়ে তৈরী একটি হ্যান্ডব্যাগের দাম একশো হাজার পাউন্ড (১ কোটি ২০ লাখ টাকা) ট্যাগ মারা চোখে পড়েছিল। এতো দামী ব্যাগেরও ক্রেতা আছে! কল্পনাকেও হার মানালো। তাহলে বিশ্বব্যাপী অজগর আর কুমিরের চামড়ার রমরমা ব্যবসা আর চোরাকারবারিদের এতো লম্ফ-ঝম্ফের আসল কারণ এই! হঠাৎ মনে হলো, আচ্ছা তাহলে মানুষের চামড়া দিয়ে তৈরী জুতা কিংবা ব্যাগ তো আরো দামী হবার কথা। আছে নাকি?

পরক্ষণে মনে হলো, দেশীয় গরুর চামড়ার জুতা/ব্যাগের চেয়ে অজগর সাপ আর কুমিরের চামড়ার দাম যেহেতু অনেক বেশি সেহেতু দেশীয় সস্তা মানুষের মোটা আর অনুভূতিহীন চামড়া, অজগরের মতো শক্তিশালী আর ভয়ঙ্কর সাপের চামড়ার মতো দামী হবে না। তবে দেশের এলিট ব্যবসায়ী কিংবা রাজনীতিবিদ কিংবা আমলাদের চামড়ার দাম নিশ্চয় আমাদের চেয়ে বেশি হবে। এমনকি পাইথনের চেয়েও বেশী দামী হওয়ার কথা; কারণ এদের দেখলে পাইথনও ভয়ে কুঁকড়ে যায়।

ফ্যাক্ট- কোরবানীর পশুর চামড়া নিয়ে সিন্ডিকেট।

















ফটো ক্রেডিট,
গুগল।

মন্তব্য ৫০ টি রেটিং +৮/-০

মন্তব্য (৫০) মন্তব্য লিখুন

১| ১৮ ই আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৪:১৭

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: এত দাম,!!!! তাও আবার এশিয়ান প্রোডাক্টের!! বেঁচে থাক বিদেশি ব্যবসায়ীরা। শুনতেও ভালো লাগে যে আমাদের ফেলে দেওয়া জিনিস ওখানে এতটা মূল্যবান। অস্বীকার করবো না, এখানে চামড়ার দাম একেবারে তলানিতে গিয়ে ঠেকলেও ফিনিশড প্রডাক্ট বিদেশে মহার্ঘ হওয়াতে পুলকিত বোধ করছি। আমরা ত্যাগ সর্বস্ব জাতি, নিজেরা কৃচছ্রসাধন করলেও বিদেশে যে মূল্য পাচ্ছে এতেই আমরা খুশি। তবে আমার ব্যক্তিগত অভিমত এশিয়ান গরুর চামড়া যদি এতো মহার্ঘ্য হয় সেক্ষেত্রে এশিয়ান মানুষের চামড়ার জুতো নিঃসন্দেহে সর্বাধিক মূল্যের হবে। এটাও হবে এশিয়ান হিসেবে আমাদের একটি গৌরবের বিষয়।
পোস্টে প্রথম লাইক।
শুভকামনা প্রিয় গুরুদেবকে।

১৮ ই আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৪:২০

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



ধন্যবাদ, গুরুজি।
আসলে আমরাই সম্ভবত পৃথিবীর সবচেয়ে কমদামী প্রাণী। এই উপমহাদেশে গরুর চামড়ার মূল্য না থাকলেও পশ্চিমা দেশে গরুর মাংসের চেয়ে চামড়ার মূল্য বহুগুণ বেশি। এবারের ঈদে গরুর চামড়া অনেক জায়গায় ১০ টাকাও বিক্রি হয়নি। তাহলে কি পৃথিবীতে চামড়ার চাহিদা কমে গেছে? না, সে সম্ভাবনা আপাতত নেই। আসলে কমে গেছে মানুষ হিসাবে আমাদের গায়ের চামড়ার অনুভূতি। ব্যবসায়ী নামধারী কিছু গন্ডারের চামড়ার জীবের কাছে দেশ আজ জিম্মি।

২| ১৮ ই আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৪:৪৫

জুনায়েদ বি রাহমান বলেছেন: বিশ্বের ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন দেশের, বিভিন্ন মানুষকে টার্গেট করে পণ্য উৎপাদন করে। আমাদের দেশের ব্যবসায়ীরা আমাদের দেশের মানুষকে টার্গেট করে ঠিকমতো পণ্য উৎপাদন করতে না পারলে, খুব সহজে সিন্ডিকেট করে লুটেপুটে খেতে পারে।

১৮ ই আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৫:০২

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



ধন্যবাদ, জুনায়েদ ভাই।
প্রতি বছর কয়েক হাজার কোটি টাকার চমড়া দেশে সংস্থান হলেও তৃণমূল পর্যায়ে চামড়ার কোন মূল্য নেই। অথচ, বাস্তবতা হলো পশুর মাংসের চেয়ে চামড়ার মূল্য বিশ্ববাজারে অনেক বেশি। আমাদের সরকারের উদাসীনতায় সুযোগ নিচ্ছে একটি সিন্ডিকেট। চামড়া ব্যবসায়ীদের কত শত কোটি টাকা ব্যাংকে গড়াগড়ি খাচ্ছে আর বিদেশে পাচার হচ্ছে তা দেখার কেউ নেই।

৩| ১৮ ই আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৪:৫১

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: ১। চামড়ার মুল্য সারা বিশ্বে গগণ ছোয়ে যাচ্ছে সেখানে বাংলাদেশে যে অবস্থা তাতে মনে হচ্ছে বাংলাদেশে কোরবানির পশুর চামড়া এখন অভিশাপ হয়ে দাড়াবে। এই টাকার প্রাপ্য হকদার গরীব মিসিকিন এতিমখানা লিল্লাহ বোর্ডিং এটা আমি যেমন জানি তার চেয়ে বেশী জানে এ পোষ্টদাতা কাউসার চৌধুরী ভাই, সেখানে কাউসার চৌধুরী ভাই জবাব দেবেন এই টাকা কারা আত্মসাৎ করছে?

২। বছরে একটি কোরবানির ঈদে কারা সমগ্র দেশকে সমগ্র দেশবাসীকে জিম্মি করে টাকা আত্মসাৎ করছে?

চামড়ার মুল্য চামড়াজাত দ্রব্যের মুল্য আকাশছোয়া এসব আমরা জানতে চাই না। এগুলো পুরোনো গীত। যা জানতে চাই তা হচ্ছে কারা এই যোগসাজসে কাজ করছে তাদের নাম পরিচয় তাদের সম্পত্তি ও দেশে বিদেশে টাকা গচ্ছিত রাখা ব্যাংকের তালিকা নিয়ে কিছু লিখুন - অনুসন্ধান হোক। নয় তো এই দেশ একদিন সত্যি সত্যি গহীন কর্দমাক্ত গর্তে ডুবে যাবে যেখানে এই চামড়া সহ দেশের সমগ্র সম্পত্তি দেশের। ১৯৭২-২০১৯ পর্যন্ত কোনো সরকারের না। এই সম্পত্তি দেশের জনগণের। আর এই সম্পত্তি এভাবে লুটপাট হবে তা নিয়ে বিদেশিী জুতা ব্যাগের ফিচার প্রয়োজন নাই। যা প্রয়োজন তা হচ্ছে দেশে কারা এই কালোবাজারীতে যুক্ত কতোটি ট্যানারী ও চামড়া ব্যাপারী তাদের নাম তাদের বাড়ী ঘর ভূ-সম্পত্তি ব্যাংক তথ্য চাই - সহজ কথা কাউসার চৌধুরী ভাই সহজ কথা।

বাংলাদেশে ফিচার প্রবন্ধ প্রয়োজন নাই। আসল কথায় আসুন।




১৮ ই আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৫:১১

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



গুরু,
চমৎকার একটি মন্তব্য করার জন্য ধন্যবাদ। কোরবানির চামড়ার সহজলভ্যতা দেশের চামড়া শিল্পের জন্য আশীর্বাদ হলেও গত কয় বছর থেকে চামড়া কেউ কিনছে না। এবার তো ভয়াবহ অবস্থা ছিল। কোন কোন জায়গায় ১০ টাকা দিয়ে কেউ চামড়া কিনেনি। এর দায়ভার কার? সরকার মহাদেব চামড়ার মূল্য নির্ধারণ করেই নাকে সরিষার তৈল মেখে ঘুমিয়ে পড়লেন; ব্যবসায়ীরা সুযোগ বুঝে কোপ দিলেন। একটি গরুর চামড়া থেকে একশোটি চামড়ার জুতা হওয়ার কথা কিন্তু একটি জুতার দামও একটি চামড়া বিক্রি করে আসে না!! এর দায়ভার কার??

৪| ১৮ ই আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৫:০৭

শায়মা বলেছেন: ভাইয়া চামরা কাহিনী অনেক মজা লাগলো কিন্তু শিরোনামটা আরও মজার!

১৮ ই আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৫:১৫

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



চামড়া কাহিনী পইড়া ভালো লেগেছে জেনে খুশি হইলাম। শিরোনামটা তো মনের দুঃখে লিখেছি। এদেশের পাবলিকের চামড়ার চেয়ে সাপের চামড়ার দাম অনেক বেশি। আমরা মানুষ হতে এখনো বাকি।

৫| ১৮ ই আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৫:১০

শায়মা বলেছেন:


ভাইয়া এই ব্যাগটা আমারও আছে....

১৮ ই আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৫:২৫

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:
আমার পিচ্চি একটি LV আছে। বড় সখ করে Oxford Street-এর Selfridge থেকে কিনেছিলাম। Louis Vuitton আমার সবচেয়ে পছন্দের ব্রান্ড। তবে পছন্দের ব্রান্ডের পারফিউম কালেকশন আমার সবচেয়ে প্রিয় সখ; যদিও এসব বোতল চামড়া নয়, কাঁচের তৈরী।

আপনি তো দেশের এলিট। এমন ব্রান্ড আপনাকে চমৎকার মানায়।

৬| ১৮ ই আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৫:২০

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




আপনি তো দায়সারা উত্তর দিয়ে চলে গেলেন, আমার মন্তব্য আবার পড়ুন। সবাই আমরা ভদ্রলোক হয়ে গেলে দেশ গাড্ডায় যাবে। এই দেশে ১৯৫২ সনে কিছু ছাত্র পড়ালেখা বাদ দিয়ে ভদ্রতার মুখোশ ঝেড়ে ফেলে অভদ্র হয়েছিলো সঠিক দাবীতে তারা সোচ্চার হয়ে পথে নেমেছিলো। - তাই বাংলায় কথা বলতে পারছি নয়তো আমি আপনি আজ উর্দুতে আপ হাম লাফাজছে জিন্দেগী বান্ধ হোয়ে হোতে !!! - কি বুঝলেন??? আপনাকে পথে নামতে বলছিনা আপনি সঠিক তথ্য লিখুন। গুচি বস আরমানী হারমেস ব্রান্ড শুনে লাভ নাই।

১৮ ই আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৫:৩৩

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



আবারো মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ গুরু।
আসলে কি বলার আছে বলুন? আমি দেশের খুব নিচুস্তরের একজন প্রাণী। আমার বিচরণ কিংবা উচ্চতা ছ'ফুটে সীমাবদ্ধ। লেখালেখি করে যতটুকু পারি নিজের বিবেকের দায়মুক্তি দেই। সরকার, ব্যবসায়ীরা এখন একাকার। পার্লামেন্টে এখন ৮০% ব্যবসায়ী। যারা দেশের অর্থনীতির বড় সিন্ডিকেট। এদের মধ্য চামড়া ব্যবসায়ীও আছেন। সরকার যখন ব্যবসা করে তখন প্রতিকার কার কাছে চাইবেন? এদেশের রাজনৈতিক নেতৃত্বে অশিক্ষিত আর গলাবাজরা দখল করায় শিক্ষিতরা রাজনীতি বিমুখ। এই সুযোগে ব্যবসায়ীরা আজ রাজার আসনে।

ঠিক বলেছেন, পথে নামতে হবে। আন্দোলন করে দেশকে আবার হানাদার মুক্ত করতে হবে। এখন সিন্ডিকেট ব্যবসায়ী আর সরকার মূদ্রার এপিটওপিট।

৭| ১৮ ই আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৫:৩৯

চাঁদগাজী বলেছেন:



৩য় বিশ্বের বিশৃংখল ক্যাপিটেলিজমে, কমজ্ঞানী এমবিএ, বিবিএ'দের ব্যবসায়িক পদক্ষেপগুলোর একটা হলো, সিন্ডিকেটের মাধ্যমে বাজার থেকে অধিক মুনাফা লাভ।

১৮ ই আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৫:৫৩

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



মূল্যবান মতামতের জন্য ধন্যবাদ আপনাকে।
গত কয়েকমাস আগে ক্যাপিটালিজম নিয়ে আপনার একটি লেখা পড়েছিলাম। চমৎকার কিছু যুক্তি ছিলো লেখায়। আসলে ক্যাপিটালিজম বলেন আর ব্রিটিশ পার্লামেন্টারি গণতন্ত্র বলেন; এদের কোনটাই তৃতীয় বিশ্বের সাধারন জনগনের উপকারে আসে না। এর অন্যতম কারণ- জবাবদিহিতার অভাব আর সুশাসনের অনুপস্থিতি। খেয়াল করলে দেখবেন দেশের রাজনীতি আর ব্যবসার নাটাই শিক্ষিত আর বোধসম্পন্ন মানুষের হাতে নেই। এমবিএ, বিবিএ করা লোকজনও যদি এসবের নেতৃত্বে থাকতো তাহলে এতো অরাজকতা হতো না। এদেশে এসএসসি ফেইলরা হলো নীতি নির্ধারক আর এমবিএ করা লোকেরা তাদের অফিসের পিওন।

৮| ১৮ ই আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৫:৫১

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: গুরু, মাইগ্রেশন করে সাদা চামড়ার দেশে যাওয়ার অসংখ্য সুযোগ পেয়েছি, নিজের দেশে ছেড়ে প্রবসাী হবো এটা ঘর জামাই এর অপবাদের মতো আপদ মাথায় নিয়ে জীবন যাপন আপনি বিদেশ থেকেছেন আপনি জানেন। দেশ নিয়ে লিখি বিবেকের তাড়নায়। একসময় সিষ্টেমে ছিলাম আমি জানি আমাদের সিষ্টেম কতোটা ডাইভার্টেড ও কুলুষিত। তারপরও লিখি নিজের দেশ।

না এখন আর রাস্তায় নামতে হবে না। সময় এখন লেখার, লিখুন। লেখালেখির শক্তি অনেক। আপনি ফেসবুকার আবুল হোসেন না !!! আপনি ব্লগার শিক্ষক কাউসার চৌধুরী, যার বিচরন ছ ফুটে সিমাবদ্ধ হলেও তার দৃষ্টি চিলের দৃষ্টি।

যেদিন দেখবেন - খুব ভালো হয়েছে, সুন্দর পোষ্ট, আমারো এমন একখান ব্যাগ আছে গুলিস্তানের চিপা থেকে কিনে বলছি প্যারিস লান্ডান থেকে কিনেছি - তখন বুঝবেন আপনার ব্লগিং পোস্ট আমার আর পড়া হয়না। তেলের ড্রাম দিয়ে চলে যাচ্ছি।

আমি আপনার লেখা প্রতিটি পড়ি, কাউসার ভাই, রাম দা দিয়ে আমড়া শষা কাটে না, আপনি রাম দা। নিজেকে শষা - আমড়া কাটা ১০ টাকার ছুরি চাকু বানাবেন তো শেষ। ২০ বছর পর আমার কথা মনে করবেন তখন আমি হয়তো থাকবো না।

১৮ ই আগস্ট, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:০৯

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



কি প্রতি উত্তর লিখবো, বুঝতেছি না!
মাইগ্রেশন করে আপনি প্রবাসী হতে পারতেন খুব সহজে এটা আমি জানি। আপনার সমসাময়িক অনেকেই সেই সুযোগে এখন হয়তো বেগমপাড়ায় বেগম নিয়ে সুখে শান্তিতে ঢেঁকুর তুলছেন। বাংলা পত্রিকার পরিবর্তে ইংরেজি আর ফ্রেঞ্চ পড়ছেন। ছেলে-নাতি পুতিরা বাংলাকে ব্যাকওয়ার্ডে রেখে নতুন জীবন, নতুন দেশের সংস্কৃতিকে আপন করে নিয়েছেন।

গুরু, আপনিও তাই পারেননি আমিও পারিনি। জানি না এটা দেশপ্রেম কিনা? তবে এই দুঃখী জন্মভূমির মাটিকে কখনো মন থেকে ত্যাগ করতে পারিনি বলে ফিরে আসা। অনেক সমস্যার মধ্যদিয়ে জীবনতরী চলছে তবুও ফিরে আসার জন্য কষ্ট হয় না।

আমি, আপনি সহ অনেকেই লিখি। এতে হয়তো খুব কম মানুষের চোখে পড়ে। তবে যাদের চোখে পড়বে তাদের ভাবনা আর বোধের জায়গাটি পরিশুদ্ধ হলে সমাজে তার প্রতিফলন ঘটবে নিশ্চিত। দেশে এখনো ভালো মানুষের সংখ্যা কয়েক কোটি।

"আমি আপনার লেখা প্রতিটি পড়ি, কাউসার ভাই, রাম দা দিয়ে আমড়া শষা কাটে না, আপনি রাম দা। নিজেকে শষা - আমড়া কাটা ১০ টাকার ছুরি চাকু বানাবেন তো শেষ। ২০ বছর পর আমার কথা মনে করবেন তখন আমি হয়তো থাকবো না।"...... আপনার মূল্যবান উপদেশটি মাথাপেতে নিলাম। আশীর্বাদ করবেন। তবে আপনি আগামী ২০ বছর কেন আরো বহুদিন বেঁচে থাকবেন।

৯| ১৮ ই আগস্ট, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:২৬

চাঁদগাজী বলেছেন:


আপনি মন্তব্যের উত্তর লিখেছেন, "আসলে ক্যাপিটালিজম বলেন আর ব্রিটিশ পার্লামেন্টারি গণতন্ত্র বলেন; এদের কোনটাই তৃতীয় বিশ্বের সাধারন জনগনের উপকারে আসে না। এর অন্যতম কারণ- জবাবদিহিতার অভাব আর সুশাসনের অনুপস্থিতি। খেয়াল করলে দেখবেন দেশের রাজনীতি আর ব্যবসার নাটাই শিক্ষিত আর বোধসম্পন্ন মানুষের হাতে নেই। "

-ক্যাপিটেলিম হলো, একটা অর্থনৈতিক ব্যবস্হা; আর, পার্লামেন্টারি গণতন্ত্র হলো, সরকার পরিচালনার একটা ব্যবস্হা, দুটো আলাদা বিষয়; এগুলোর প্রয়োগ, লেভেল, ফলাফল নির্ভর করে দেশের মানুষের সার্বিক জীবনযাত্রার মানের উপর; আমাদের জীবনযাত্রার মান নীচুতে এনেছে শিক্ষিতরা, ওদের ডিগ্রি ও জ্ঞানের অনুপাত ভালো নয়।

১৮ ই আগস্ট, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৫০

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



আবারো মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
হ্যা, ক্যাপিটালিজম আর গণতন্ত্র আলাদা বিষয়। কিন্তু পশ্চিমা পুঁজিবাদী সমাজে তা কার্যকর করা সহজ হলেও আমাদের মতো তৃতীয় বিশ্বে তা সম্ভব হচ্ছে না। এতে লাভবান হচ্ছে দেশের গুটিকয়েক শিল্পগোষ্ঠী। আমাদের চামড়ার কথাই ধরুন, এসব চামড়ার তৈরী ফিনিস প্রডাক্ট বিভিন্ন হাত আর দেশ ঘুরে পৃথিবীর এলিট শ্রেণীর মানুষের হাতে গিয়ে পৌঁছিবে। এতে লাভবান হবে মধ্যসত্ব ভোগীরা। সেদেশের সরকার ঠিকই পণ্যের উপর থেকে ভ্যাট আদায় করবে। দোকানে অনেক কর্মসংস্থান হবে, তাদের বেতন অনেক বেশি হবে, বিভিন্ন দেশের ক্রেতারা এসে সে খরছ করবে এতে ঐদেশ অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হবে। কিন্তু আমরা চামড়া সাপ্লাই দিয়ে কিছুই পেলাম না, শুধু টেনারী ব্যবসায়ী সবাইকে ঠকিয়ে একাই লাভবান হলো।

আমাদের শিক্ষিতদের একটি বড় অংশই অসৎ আর দেশপ্রেমহীন। সত্য বলেছেন।

১০| ১৮ ই আগস্ট, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৩১

চাঁদগাজী বলেছেন:


আমাদের দেশে ক্যাপিটেলিজম ভিত্তিক অর্থনীতি চালু করে গেছেন জেনারেল জিয়ার সরকার; পশ্চিমে ক্যাপিলিজমের শুরু হয়েছে রুশ বিপ্লবের পরপরই; ফলে, ২টার মাঝে বিশাল পার্থক্য থেকে যাবে। পশ্চিমের লোকজন স্বাভাবিকভাবে আমাদের লোকজন থেকে জ্ঞানী, তার উপরে, ক্যাপিটেলিজমে প্রায় আড়াই'শ বছরের বছরের অভিজ্ঞতা।

আপনি নিজেই ক্যাপিটেলিজমের সমর্থক; আপনি উহাকে কিভাবে দেখতে চান?

১৮ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ৮:৩৭

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



বিশ্ব ব্যাবস্থার সাথে তাল মিলিয়ে চলতে যে মেধা, শ্রম, পরিকল্পনা আর সদিচ্ছা থাকার কথা তা অধিকাংশ তৃতীয় বিশ্বের দেশের নেই ফলে ক্যাপিটালিজমের সুফল থেকে পৃথিবীর সিংহভাগ মানুষ বঞ্চিত। সমাজতান্ত্রিক চীনও গত দুই দশকে তাদের অর্থনীতির চাকা ঘুরিয়েছে ক্যাপিটালিজমকে পুঁজি করে।

পূঁজি বাজার অর্থনীতিতে বাণিজ্য, কারখানা এবং উৎপাদনের উপকরণসমূহের উপর ব্যক্তিগত মালিকানার নিয়ন্ত্রণ থাকে, ফলে এখানে সবার অধিকার নিশ্চিত করতে হয় পরিকল্পনা মাফিক; যা আমাদের দেশে গড়ে উঠেনি। পুঁজিবাদের কেন্দ্রীয় বৈশিষ্ট্য অন্তর্ভুক্ত করে পুঁজির সঞ্চয়ন, প্রতিযোগিতাপূর্ণ বাজার এবং শ্রমিকের মজুরি। এটি হলও সেই সমাজ সংগঠন যাতে পণ্য সম্পর্ক, মানে কেনাবেচার সম্পর্ক জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে ছড়িয়ে পড়ে।

এখানে পরিবার ও রাষ্ট্রের স্বার্থ থাকে। তবে পরিবার ক্রমাগত ক্ষুদ্র নিঃসঙ্গ পর্যায়ে নিছক বাণিজ্যিক বোঝাপড়ার জায়গায় গিয়ে ঠেকে। রাষ্ট্র এখানে জবরদস্তির হাতিয়ারগুলো ধরে রাখে।, তবে ক্রমেই সে বাণিজ্যিক স্বার্থের খপ্পরে পড়ে, তার কার্যক্রম সম্প্রদায়ের পক্ষ হতে সেবা কেনাবেচার দালালিতে গিয়ে ঠেকে।

আসলে আমরা না চাইলেও ক্যাপিটালিজমকে ছাড়তে পারবো না। কারণ, বিশ্বের বৃৃহৎ অর্থনীতি আর আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো এই নীতিতেই চলছে। আমাদের সরকার এ বিষয়ে সচেতন হতে হবে। ব্যবসায়ীদের ন্যায্য মজুরী দিতে বাধ্য করতে হবে, উৎপাদনমুখী কাঁচামালের দেশীয় সরবরাহকারীদের ন্যায্য পাওনা নিশ্চিত করতে হবে। যারা শ্রমিকের পয়সা মেরে বিদেশে পাচার করছে তাদের উপযুক্ত শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। আইনের শাসন নিশ্চিত করতে হবে।

১১| ১৮ ই আগস্ট, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৪৮

রাজীব নুর বলেছেন: আমাদের দরিদ্র দেশ। আমরা বিলাসিতা করি না।

১৮ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ৮:৪৬

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



ধন্যবাদ, রাজীব ভাই। আমরা অতি দরিদ্র দেশ এটা ধ্রুব সত্য; তবে তার চেয়েও ধ্রুব সত্য হলো ঢাকায় প্রতিদিন যে পরিমাণ টাকা উড়ে তা লন্ডন, নিউইয়র্ক কিংবা টোকিওতে উড়ে না। এসব টাকা গরীবের পকেট কেটে ঠকিয়ে কিছু মোটা চামড়ার পাঠা হাওয়ার মিঠাইয়ের মতো চেটে খায়। ঢাকায় যত বিলাসবহুল ফ্লাট আছে তা লন্ডনের চেয়ে অনেক অনেক বেশি। আমরা কেউ টাকা খেয়ে বদহজম করছি আর কেউ টাকার অভাবে ফুটপাতে মরছি।

একটি হারামী আর চোর-বাটপার নিয়ন্ত্রিত স্বাধীন দেশ আমাদের।

১২| ১৮ ই আগস্ট, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৫৩

রাজীব নুর বলেছেন: এ কুরবানিতে মাত্র ১০০০০ পিস চামড়া নষ্ট হয়েছে।
কতটুকু নির্লজ্জ হলে এতো বড় ডাহা মিথ্যা বলতে পারে...!!!

১৮ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ৮:৫০

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



কয়েক হাজার কোটি টাকার চামড়া নষ্ট হলো। এগুলো কে দেখবে? কার ভুল ছিল? সরকার কি দায় এড়াতে পারবে? যারা এজন্য দায়ী তাদের শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। সরকারের মাথায় চড়ে যারা মিথ্যার বুলি আওড়ায় তাদের বিচার আগে হওয়া উচিৎ।

১৩| ১৮ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ৮:২১

জুন বলেছেন: ব্যাংককের ফিনডিগিতে চামড়ার প্রচুর জিনিস বিক্রি হয়। সবচেয়ে কম দামের মানিব্যাগ ৩ হাজার বাথ মানে ৭হাজার ৫০০ টাকা। বুঝেন তাইলে আমরা কত বড়লোক যে এইসব দামী চামড়া আমরা ডাস্টবিনে ফেলে দেই।
ভালো লিখেছেন কাউসার চৌধুরী।

১৮ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ৮:৫৭

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



ধন্যবাদ, আপা। আমি কখনো ব্যাংকক যাইনি। তবে আপনার দেওয়া তথ্যটি শতভাগ সঠিক। একটি মানিব্যাগের দাম ৭ হাজার টাকা কোন বিষয় নয়। মানিব্যাগ, লেডিসব্যাগ, বেল্ট ইত্যাদি মূলত গরুর চামড়া দিয়ে তৈরি হয়। অথচ, আমরা এতো দামী চামড়াকে বাধ্য হয়ে মাটিচাপা দিচ্ছি! কে নেবে এর দায়ভার? কে চাইবে জাতির সামনে এসে ক্ষমা?

আমরা লিখছি; আর কিই বা করার আছে?

১৪| ১৮ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ৮:২৯

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: দারুন মেরেছেন ভায়া!

ফিনিশিং টাচে মুগ্ধ ;)

=p~

কত বড় উজবুক স্বার্থপর আর দেশদ্রোহী এই জানোয়ার গুলান!
ভাবলে রাগে গা শির শির করে ওঠে!!
কুকুরেও মূখ দেবেনা বোধ করি এসব কুলাঙ্গারদের চামরায়! X(( X(

১৯ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ১:০৪

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



গুরুর মতো গুগলি দিলেন!
শেষ টাচটা হার্টে টাচ করেছে দেখে ভালো লাগলো।
এরাই এখন চেতনার দন্ডধারী, সাধু পুরুষ।
সাদা ধবধবে পাঞ্জাবি, পায়জামা পরে দেশটাকে লুটে নিচ্ছে।
আপনি যথার্থই বলেছেন, "কুকুরেও মূখ দেবেনা বোধ করি এসব কুলাঙ্গারদের চামড়ায়।"

১৫| ১৮ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ৮:৫৩

ঢাবিয়ান বলেছেন: খুব ভাল কিছু উদাহরন তুলে ধরেছেন বিশেষ করে LV পুরো বিশ্বজুড়ে অসম্ভব জনপ্রিয় একটি ব্র্যন্ড। এই ব্র্যন্ডের ব্যাগ এবং অন্যান্য সামগ্রীর মুল উৎস হচ্ছে গরুর চামড়া। ১০০ ডলারের নীচে এদের কোন পন্য নাই। মুসলিম প্রধান দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশী গরু কুরবানি হয় মুলত বাংলাদেশে । অথচ এই মহামূল্যবান চামড়ার কোন মুল্যই এখন নাই। অনেকেই বলছে সরকারের অদুরদর্শিতা বা অব্যবস্থাপনার কথা। আসলে এইসব কথা বলে উলটো ডিফেন্ড করা হচ্ছে ঘৃন্য একটা ক্রাইমকে। কয়েক বছর আগেও দেখেছি কুরবানির সময় মাদ্রাসা এবং পাড়ার বখাটেদের মধ্যে মারামারি লেগে যেত কে চামড়া পাবে। বখাটে মাস্তানেরা অনেক সময়ে বাসায় এসে হুমকিও দিয়ে যেত চামড়া যেন তাদের কাছেই কেবল বিক্রি করা হয় । এতটাই রমরমা ছিল চামড়ার বাজার ।সেই সময়ে কি দেশে খুব দুরদর্শীসম্পন্ন সরকার ছিল? না ছিল না। সুশাশন এই দেশে কোন কালেও ছিল না। তবে পার্শ্ববর্তী দেশের আজকের মত অনায্য আধিপত্য ছিল না ।

১৯ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ১:১০

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



ধন্যবাদ, প্রিয় ভাই আমার।
LouisVuitton আমার সবচেয়ে প্রিয় ব্রান্ড; যদিও এই ব্রান্ডের প্রোডাক্ট কেনার সামর্থ্য রাখি না। ফরাসি এই ব্রান্ড বিশ্বজুড়ে বিখ্যাত। গরুর চামড়ার তৈরী এসব ব্যাগ, জুতাি আর বেল্ট সারা পৃথিবীতে খুব মূল্যবান। আসলে একটা সময় চামড়া নিয়ে কাড়াকাড়ি হতো, এখন কেউ মাগনা নিতে চায় না! নিশ্চয় কোথাও বড় ভুল হচ্ছে পরিকল্পনায়। সরকারের উচিৎ সতর্ক হওয়া।

১৬| ১৮ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ৯:০১

আরোগ্য বলেছেন: কমেন্ট পড়তে পড়তে কি কমেন্ট করবো তা ই বুঝতে পারছি না।

১৯ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ১:১৩

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



ভাই আরোগ্য;
কমেন্ট করতে গিয়ে কমেন্ট পড়ে কোন যুতসই কিছু না পেয়েও নিজের উপস্থিতি জানিয়ে গেলেন; এটাই কম কিসে? আপনার জন্য অনেক অনেক শুভ কামনা রইলো। ভালো থাকুন সবসময়।

১৭| ১৮ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ৯:৪৬

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: মানুষের চামড়া দিয়ে বইয়ের কভার করা ও মানিব্যাগ তৈরির কথা অনেক আগে পড়েছিলাম।
তাছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের একটা কোম্পানি মানুষের চামড়া দিয়ে ব্যাগ ও জ্যাকেট তৈরির পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে বলে জানি।

১৯ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ১:১৯

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



ধন্যবাদ, প্রিয় রম্যের যাদুকর।
মানুষের চামড়া দিয়ে বইয়ের কভার করলে মন্দ হতো না! আইডিয়াটা কিউট। তবে মানিব্যাগ বানালে টাকা চুরি হওয়ার ভয় থাকবে! সবচেয়ে ভালো হয় মানুষের চামড়া দিয়ে পায়ের মোজা বানালে। এছাড়া গলায় তাবিজ জুলিয়ে, কপালে ঠিপ পরে, পায়ে নূপুর পরে ঘুরে বেড়ালে খারাপ দেখাবে না নিশ্চয়ই।

১৮| ১৮ ই আগস্ট, ২০১৯ রাত ১১:৫৮

রাকু হাসান বলেছেন:

ঠিক বলেছেন আমাদের আমলা -কামলা -আমড়া কাঠের ঢেঁকিদের চামড়ার দাম অনেক বেশি । ঠাকুরমাহমুদ ভাইয়ের আহবান টা ভালো । যার যার জায়গা থেকে লেখা উচিত । চেষ্টা করা উচিত । আামাদের জায়গা তো একটাই । কিন্তু যতই চিল্লা পাল্লা করি দেখবেন রাজপথে কেউ নেই । বীরের জাতি ট্যাগটা এখন ভুল প্রমাণিত করছে বারংবার । পরের কোনো পোস্টে কথা হবে । আশা করছি ভালো আছেন । শুভরাত্রি ।

১৯ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ১:২৭

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



ধন্যবাদ, প্রিয় রাকু ভাই।
আমাদের আমলা-কামলা-উজির-নাজিররা মহা পরাক্রমশালী। এদের হাত এতোই লম্বা যে এরা চাইলে দেশকে অচল করে দিতে পারে। এদের গায়ে মানুষের কোন চামড়া নেই; সবই গন্ডারের চামড়া। আমদের হাত খুব ছোট। একটু লিখে মনের জ্বালা নিরসন করার ব্যর্থ চেষ্টা করি। এদেশে রাজপথে নামলে কোন লাভ হবে বলে মনে হয় না; গত কয় বছরে রাজপথের আন্দোলনগুলো নিয়ে অনেক আশাবাদী হলেও ফলাফল আশানুরূপ ছিলো না।

ভালো থাকুন, প্রিয়ভাই। শুভ রাত্রি।

১৯| ১৯ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ১:৪৬

মানতাশা বলেছেন: *****************************************************************************************
ভালো পোস্ট
*****************************************************************************************

২০ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ১:০৫

কাওসার চৌধুরী বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।

২০| ১৯ শে আগস্ট, ২০১৯ ভোর ৫:৪৯

স্বামী বিশুদ্ধানন্দ বলেছেন: গরুর চামড়ার কাবাব নয়, ওই হারামখোর সিন্ডিকেটের সদস্যদের চামড়ার কাবাব বানানো উচিত !

পুরো ঘটনাতেই প্রশাসন থেকে শুরু করে হোমরা-চোমরা ব্যবসায়ী ও নেতাদের একটি সিন্ডিকেট জড়িত তা একটি পাগলও বুঝতে পারবে | আমাদের মরালিটি বা নৈতিকতা, ধর্মীয় বিশ্বাস বা ঈমান যে কোন তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে তার প্রমান হচ্ছে চামড়া নিয়ে দুই নম্বরির এই ঘৃণ্য কারসাজি | কোরবানির মতো একটি ধর্মীয় ও চরম আত্মত্যাগপূর্ণ উদযাপনের মধ্যেও ইতর ব্যবসায়ী, আমলা ও নেতৃত্বের সিন্ডিকেট এর মধ্যে নিজেদের আখের ( ! ) ঘোচানোর পথ খুঁজে পেয়ে গেছে !!!!!

২০ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ১:১০

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



চমৎকার মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ আপনাকে। আসলে আমরা জাতি হিসাবে এতোই নিম্নমুখী যে আমাদের গায়ের চামড়া গন্ডারের চামড়াকেও হার মানায়। আমাদের চামড়ায় কোন অনুভূতি নেই। সম্ভাবনাময় একটি শিল্প নিয়ে এই উদাসীনতা আর সিন্ডিকেটবাজি দেখার কেউ নেই। যারা এর সাথে জড়িত তাদের শাস্তি কে নিশ্চিত করবে?

২১| ১৯ শে আগস্ট, ২০১৯ সকাল ৭:১৯

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: সততা আর দেশপ্রেম কোনটাই আমাদের মাঝে নেই।

২০ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ১:১৩

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



দেশপ্রেম, সততা, আইনের শাসন, জবাবদিহিতা, দায়বদ্ধতা কিছুই নেই এ জাতির। একটি দেশকে এগিয়ে নিতে এসব বৈশিষ্ট্য থাকতে হয়। আমরা মানুষ হিসাবে খুব নিম্নমানের জাতি।

২২| ১৯ শে আগস্ট, ২০১৯ দুপুর ২:৩৪

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন: গরীবের চামড়া তুলে নিব আমরা -এই নীতিতেই বুঝি বিশ্ব চলছে।

+++

২০ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ১:২১

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



ধন্যবাদ, মাইদুল ভাই।
আগে বলা হতো পুলিশের কথা; আর এখন বলতে হবে মানুষের চামড়ার কথা। এই রক্তচোষা জাতির ভবিষ্যৎ সংকটময়। আমরা এখনো মানুষ হতে বহু বছর বাকি। যাদের জন্য চামড়া নষ্ট হলো তাদের শরীরের চামড়া ছুলে বিদেশে রপ্তানী করা হোক। ভালো দাম পাওয়া যাবে।

২৩| ১৯ শে আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৩:০৬

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: কেনো যে চামড়ার দাম এমনভাবে কমে গেলো আফসোস

২০ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ১:১৯

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



ধন্যবাদ, আপা।
বাংলাদেশ সরকারের চামড়া শিল্প নিয়ে চরম অবহেলা আর উদাসীনতা এর জন্য মূলত দায়ী। দ্বিতীয়ত, দায়ী টেনারী আর ফটকা ব্যবসায়ীরা। এ শিল্প নিয়ে সরকারের কোন দায়বদ্ধতা আমরা দেখিনি। যার ফলাফলস্বরূপ আমরা হাজার হাজার পিস চামড়ার নষ্ট হয়ে যেতে দেখলাম।

২৪| ২০ শে আগস্ট, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৩৯

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: দুটা শব্দ পড়ে শরমিন্দা বোধ করছি।

২১ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ১১:২২

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



ধন্যবাদ, লিটন ভাই।
শুধু শরমিন্দা হলে চলবে? গরু বনাম মানুষ হলে চামড়ার মূল্যে গরু মানুষকে টেক্কা দেবে নিশ্চিত। আমাদের গরু নিয়ে সিন্ডিকেট করা গুরুরা গরুদের চেয়ে শক্ত চামড়ার অধিকারী।

২৫| ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ দুপুর ২:৩৩

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: কাওসার ভাই,
গরমে চরম উমথাইতেছে! পায়ে চামরার জুতোর প্রভাব বলা যায়।


(আপনি একটা মেইল কইরেন তো ভাই)

০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৯ রাত ২:০৬

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



এতো গরম ক্যান!! ইয়াং মানুষ জুতা না পইরা দৌড়ান, গরম কমবে নিশ্চিত। গরুর মাংস এই গরমে পরিত্যাগ করুন। সবজি আর কলা খান দেখবেন শরীর শীতল হয়ে গেছে। আর পারলে একখান সাদী করুন!!

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.