নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

জন্মসূত্রে মানব গোত্রভূক্ত; এজন্য প্রতিনিয়ত \'মানুষ\' হওয়ার প্রচেষ্টা। গল্পের \'বায়স্কোপ\', \'পুতুলনাচ\' এবং অনুবাদ গল্পের \'নেকলেস\' বইয়ের কারিগর।

কাওসার চৌধুরী

প্রবন্ধ ও ফিচার লেখতেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি। পাশাপাশি গল্প, অনুবাদ, কবিতা ও রম্য লেখি। আমি আশাবাদী মানুষ।

কাওসার চৌধুরী › বিস্তারিত পোস্টঃ

অমর একুশে গ্রন্থমেলা- ২০২০ ( প্রকাশিত হলো আমার গল্পের \'পুতুলনাচ\' এবং অনুবাদ গল্পের \'নেকলেস\' )।

২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ভোর ৪:২০


ঢাকার বাইরে বসবাস করি বলে প্রতিদিন গ্রন্থমেলায় যাওয়ার সুযোগ হয় না। এ পর্যন্ত পাঁচদিন ঢাকার বইমেলায় ছিলাম, শেষ দু'দিনও থাকবো আশা করছি। দেখা হয়েছে নাম-পরিচয় না জানা অনেক পাঠক ও শুভাকাঙ্ক্ষীর সাথে। সবচেয়ে আনন্দদায়ক ছিল সামুর গুণী ব্লগারদের সাক্ষাৎ পাওয়া। কেউ কেউ স্টলে (উৎস প্রকাশন, প্যাভিলিয়ন ৩২) এসে খুঁজে গেছেন বলে আফসুস করেছি। আর আমাদের নীলদার 'এক রঙা এক ঘুড়ি' স্টলের সামনে ২২ তারিখে অনেকেই এসেছিলেন তাদের সঙ্গ পেয়েছি। ব্লগের সম্মানিত মডারেটর জাদিদ ভাই অসুস্থতা নিয়েও কষ্ট করে দীর্ঘ সময় সেখানে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে সবাইকে সঙ্গ দিয়েছেন এটা সত্যি আমার জন্য অনুপ্রেরণা যুগিয়েছে।

'সরল'। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সদ্য মাস্টার্স করা একজন সাহিত্যপ্রেমী টগবগে যুবক। গত ১৫ ফেব্রুয়ারি উৎস প্রকাশন থেকে 'পুতুলনাচ' বইটি কিনতে গিয়ে আমার সাথে পরিচয়। আমাকে জিজ্ঞেস করলেন সমসাময়িক যারা ভালো লিখছেন তাদের মধ্যে একজন কবি, একজন গল্পকার এবং একজন উপন্যাসিকের নাম বলতে। আমি পছন্দের নামগুলো বললে, তিনি আকাশ থেকে পড়লেন! কি বলছেন, 'উনাদের নাম-ই তো কখনো শুনিনি।' জবাবে বললাম, এখন তো শুনলেন। এবার সম্ভব হলে উনাদের একটি করে বই কিনে নিয়ে যান। ভালো লাগবে পড়ে। এছাড়া সাহিত্যে সাথে সিনেমা, নাটকের দৃষ্টিভঙ্গি এবং সমাজ ভাবনার পার্থক্য নিয়ে কথা হয়। তিনি তিনটিকে এক পাল্লায় মাপলেও আমি দ্বিমত করি এবং কেন সাহিত্য ভাবনা আলাদা তা বুঝিয়ে বলি। আমার কথাগুলো শুনে পছন্দ হওয়ায় কথা দিয়েছেন এ সপ্তাহে এসে পুতুলনাচ পড়ে একটি রিভিউ দেবেন এবং সুযোগ পেলে সাহিত্যের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করবেন। গত পরশু তিনি ফোন দিয়ে দেখা করতে চাইলেন। সামনের উইকএন্ডে বইমেলায় থাকবো জেনে দেখা করার প্রতিশ্রুতি দিলেন।

বইয়ের লেখক হিসাবে এটা আমার দ্বিতীয় বইমেলা। যদিও এখনো নিজেকে লেখক ভাবি না। কমপক্ষে পাঁচটি বছর একাধারে লেখার পর, সাহিত্য সাধনায় নিজেকে সপে দেওয়ার পর যদি পাঠকের স্বীকৃতি মিলে তাহলে হয়তো একটা প্লাটফর্ম পাওয়া যেতে পারে। হুট করে লেখক হওয়ার সর্টকার্ট কোন পথ নেই।

এজন্য এবার মন থেকে চাচ্ছিলাম আমাকে খুশি করতে কিংবা সম্পর্কের খাতিরে যাতে কেউ বই না কিনেন। আমি জানি, ঠেকায় পড়ে কেনা এসব বই কেউ পড়ে না। এতে আপনার কষ্টের টাকা তো গচ্চা গেল সাথে আমিও ক্ষতিগ্রস্ত হলাম। আমার সারা বছরের সাধনার ফসল মলাটবন্ধী থাকলে লেখাগুলো পাঠক পর্যন্ত পৌছিবে না। আমি চাই আমার ভাবনাগুলো প্রকৃত পাঠকের হাতে পৌঁছুক, লেখার গঠনমূলক সমালোচনা হোক, লেখক/পাঠক আড্ডায় আলোচিত হোক। এতে লেখকের পরিচিতি বাড়ে, নতুন পাঠক সৃষ্টি হয়। এভাবেই নতুন লেখক পুরাতন হন, লেখা সমৃদ্ধ হয়। আর একটা সময় সাহিত্যের বিশাল ভান্ডারে লেখকের কলমের কালির স্বীকৃতি মিলে। বাংলা সাহিত্যের সেরা লেখকরা এভাবেই তিলেতিলে নিজেদের গড়ে তুলেছেন।

একজন অভিনেতা/সিনেমা পরিচালক/গীতিকার/রেডিও জকি ভালো লেখক/কবিও হতে পারেন। এটা পৃথিবীর অনেক লেখকের বেলায় ঘটেছে। একজন ভালো লেখকও অভিনেতা/পরিচালক হতে পারেন। কিন্তু একজন লেখক পরিচালক/অভিনেতা হলে তিনি কতটুকু ভালো লিখেন সেটা বিবেচনায় আসে না, তিনি কতটুকু ভালো অভিনয়/পরিচালনা করেন সেটাই বিবেচ্য। কিন্তু শুধুমাত্র টিভি, সিনেমা আর ইউটিউবের ফেইমকে ভিত্তি করে কবি/লেখক হলে তাতে পাঠক বিভ্রান্ত হন, নতুন প্রজন্ম দিশেহারা হয়। এই অবস্থা চলতে থাকলে সেফাতুল্লা/সেফুদা কখনো গালির কবিতা/বই লেখলে বইমেলার সর্বকালের সবচেয়ে বিক্রিত বই হবে নিশ্চিত। এতে পরিশ্রমী আর সাহিত্য সাধনায় নিয়োজিত লেখকরা উনাকে ফলো করে পরের বছর গালির কিতাব লিখে ফেমাস হওয়ার চেষ্টা করবেন। বইমেলা/বইলেখা ফাতরামির জায়গা নয়, এটা প্রকৃত লেখকদের আবেগ আর সম্মানের জায়গা।

বেশিরভাগ লেখক/পাঠক অমর একুশে বইমেলা বললেও বাংলা একাডেমির সারাদিনের মাইকে ঘোষণায় একটিবারও বইমেলা বলা হয় না। তাদের ভাষায় এটা 'অমর একুশে গ্রন্থমেলা'। শুধু বইমেলা বললে গ্রন্থমেলার ভারিক্কি হয়তো থাকবে না, তাই বারবার মনে করিয়ে দেওয়া হয় এটা যেনতেন মেলা নয়, ইহা গ্রন্থমেলা। এতে আয়োজক হিসাবে বাংলা একাডেমির মর্যদা বাড়ে, জৌলুস বাড়ে, গাম্ভীর্য বাড়ে। কিন্তু একজন লেখক, একজন কৌতুহলী পাঠক যখন গ্রন্থমেলার অভ্যন্তরে প্রবেশ করেন তখন তিনি সুমধুর কণ্ঠে শুনা গ্রন্থমেলার ঘোষণার সাথে বাস্তবে মিল খুঁজতে গেলে মেলায় অস্থায়ীভাবে বিছানো ইটে উষ্টা খেয়ে উল্টে পড়বেন, নিশ্চিত৷

কৌতুহলবশত খেয়াল করলে দেখবেন বেশি ভীড় হওয়া স্টল/প্যাভিলিয়নে বই কিনতে আসা পাঠকরা অসীম ধৈর্যের সাথে সিরিয়াল মেইনটেন করে লেখকের অটোগ্রাফ/সেলফি সহ যে বইটি কিনছেন তা মোটেও 'গ্রন্থ' নয়। আরো খোলাসা করে বললে, এটি বহুল চর্চিত একটি পণ্য। যে পণ্যটি বইয়ের মোড়কে তরুণ তরুণীরা মুড়ি মুড়কির মতো গিলছে। কেউ ধর্মের মোড়কে পণ্য বিক্রি করছেন, কেউ মটিভেশন বিক্রি করছেন, কেই আউটসোর্সিং বিক্রি করছেন, কেউ আইএলটিসে দশে-দশ পাওয়ার দাওয়াই বিক্রি করছেন!

রকমারিও যেহেতু ব্যবসা করে তাই বইমেলাকে তারাও ব্যবসায়ের রমরমা সময় ধরে, 'গত সপ্তাহে সবচেয়ে বিক্রিত পণ্যের' তালিকা দিচ্ছে। তারা জানে বইয়ের নামে অনলাইনে যা বিক্রি করছে তাতে বইয়ের সংখ্যা দুই-চারটি মাত্র, বাকিগুলো স্রেফ পণ্য।

আর এবার তো গ্রন্থমেলার বিরাট অংশজুড়ে মুখরোচক খাবারে ভরপুর। আছে আরামসে বসে চৌদ্দগোষ্ঠীকে নিয়ে লাঞ্চ/ডিনার করার সাহেবী ব্যবস্থা। ভ্রমণ পিপাসুরা গ্রন্থমেলায় এসে এক-দুটি বই হাতে নিয়ে বইটি না কিনে সেলফি তুলে ফেইসবুকে পোস্ট দিয়েই বই কেনার দায়িত্ব শেষ করলেন। সবাই বাহবা দিল। আর পকেটের টাকাগুলো ঢাললেন- ফুচকা, গ্রিল, বিরিয়ানী/কাচ্ছি খেয়ে। ফেরার সময় পকেটে সামান্য টাকা অযত্নে পড়ে থাকলে এক-দুটি মটিভেশন কিনলেন। শুধু কি তাই? আরো আছে! অনেক তরুণ লেখক রমরমা এই বাণিজ্যের সুযোগে নিজেকে পণ্য বানানোর নেশায় বেহুশ হয়ে আছেন। কেউ একশো কপি বই সামনে নিয়ে একটি বইয়ে অটোগ্রাফ দিতে দিতে ছবি পোস্ট করছেন, 'মাশাল্লাহ প্রি-অর্ডারে সামান্য একটি অংশের বইয়ে আজ অটোগ্রাফ দিলাম'। কেউ কেউ লিখছেন, 'বইয়ের মোড়ক উম্মোচনের আগেই তৃতীয় মুদ্রণ শেষ'!

সবচেয়ে কঠিন পরিস্থিতিতে আছেন প্রকৃত পাঠকেরা। রমরমা বাণিজ্যের মোড়কে সত্যিকারের বই কোনটি তা তাদের জন্য বিরাট এক ধাঁধা। অনলাইনের প্রচার দেখে কিনে ঠকে যাওয়ার সম্ভাবনা প্রচুর, আবার গ্রন্থমেলায় ভীড় দেখে এই পণ্য কিনতে গেলেই আরো বিপদ। এজন্য অতি প্রচারের ভীড়ে যারা ভালো লিখছেন, সত্যিকারের সাহিত্য সাধনায় নিজেকে সপে দিয়েছেন তাদেরকে পাঠক চিনতে পারছেন না। এই ব্যর্থতা পাঠকের নয়, গ্রন্থমেলার নামে পণ্যমেলার আয়োজকদের। যারা মাইকে সুরেলাকণ্ঠে ঘোষণা দিয়েই নিজেদের দায়িত্ব পালন করছেন। তাদের নেই কোন তদারকি, নেই কোন বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা।

ফটো গ্যালারী-


সবার প্রিয় ব্লগার তানিয়া আপা, ফরিদপুর থেকে অনেক ত্যাগ স্বীকার করে, ছুটি ম্যানেজ করে বইমেলায় আসলেন। মোবাইলে ফোন দিয়ে অনেক কষ্টে স্টলের সন্ধান পেলেন। সাথে হাবিব ভাই (আমাদের হাবিব স্যার, যিনি পুরোটা সময় আপার ক্যামেরাম্যান থুক্কু বডিগার্ড ছিলেন) থাকায় আমার সন্ধান পেতে সুবিধা হয়েছে।


কবি রূপক বিধৌত সাধু। চমৎকার একজন মানুষ। প্রিয় এই ব্লগারের সাথে প্রথম সরাসরি সাক্ষাৎ। মুগ্ধ হয়েছি উনার জ্ঞানের ভান্ডার দেখে। হাতে লিস্টি নিয়ে বইমেলায় এসেছেন, আমার পুতুলনাচ তালিকায় ছিল দেখে খুব খুশি হয়েছিলাম। আবার দেখা হবে চলতি বইমেলায়, অনেক কথা হবে।


ইনি একজন মনোযোগী পাঠক। কিনেই যাবতীয় এটেনশন বইয়ে, লেখককে পাত্তা না দিয়ে!


চশমাওয়ালা আমরা চারজন! আসাদ ভাই, যুনাইদ ভাই, হামিদ ভাই আর আমি হতভাগা!!


পুতুলনাচের প্রথম ক্রেতা এরা। কলেজ ছুটির পর বইমেলায় এসে বইটির কিছু অংশ পড়ে 'কিনবো কি না' ভাবতে ভাবতে শেষমেশ কিনে নিলেন। একটি কপি বাড়তি নিলেন তাদের প্রিয় একজন শিক্ষককে উপহার দেবেন বলে।


হাবিব স্যার, আমার অনুপস্থিতিতে বইটি কিনে নিয়েছিলেন। যেদিন শুনলেন আমি বইমেলায় থাকবো সেদিন হঠাৎ বইটি নিয়ে চুপিচুপি হাজির- 'কাওসার ভাই, অটোগ্রাফ বাকি ছিলো বলে বাসা থেকে বইটি নিয়ে আসলাম!' কৃতজ্ঞতা ভাই, আমি মোটেও সেই মানের লেখক নয়, তবুও যে সম্মান দেখালেন তাতে কৃতজ্ঞ।


তারেক ভাই একা আসেন নাই; সাথে ছিল পুতুলসোনাটা। বইমেলার ধুলাবালি, কিচিরমিচির, ঠেলাঠেলি সহ্য করেও মা-মণিটা খুব হাসিখুশি ছিলো। অনেক অনেক আশীর্বাদ রইলো।


একজন স্কুল শিক্ষিকা। চমৎকার একজন মানুষ। এমন মানুষের কথা শুনলে শ্রদ্ধায় মাথা নত হয়।


নাদিয়া আপা- পেশায় ডাক্তার হলেও কবিতা লিখেন নিয়মিত। 'সামহোয়্যারইন' ব্লগের একনিষ্ঠ পাঠক। এবার পেন্সিল প্রকাশনী থেকে উনার দু'টি কবিতার বই বের হয়েছে। শুভ কামনা রইলো।


প্রিয় ব্লগার 'জ্যোতির্ময় ধর' দাদা। জার্মান প্রবাসী চমৎকার হাস্যোজ্জল একজন মানুষ। বর্তমান দেশের একটা বড় প্রজেক্টের কাজে চট্টগ্রামে থাকেন। বইমেলার ২৮তম দিনে এসে অনেক খোঁজে আমাকে বের করে 'বায়স্কোপ' আর 'পুতুলনাচ' এর দু'টি কপি সংগ্রহ করেন। অনেক অনেক কৃতজ্ঞতা রইলো, দাদা।


সানজিদা শিফা আয়েশা। চমৎকার লিখেন। এবার বইমেলায় তাঁর ব্যতিক্রমধর্মী বই 'চব্বিশ ঘণ্টায় একদিন' বইটি 'বর্ষাদুপুর' প্রকাশনী থেকে বের হয়েছে। এর আগে আরো দু'টি বই বেরিয়েছিল।


কাজী বিশালাক্ষী, অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী। এই বয়সে এতো চমৎকার লিখেন, সত্যি মুগ্ধ না হয়ে উপায় নেই। 'শ্রাবণসন্ধা' তাঁর প্রথম উপন্যাস হলেও পরিপক্বতার ছাপ স্পষ্ট। বইটি 'নাগরী প্রকাশনী' থেকে বেরিয়েছে।


আমাদের সবার প্রিয় ব্লগার কানিজ আপা। এবার তার বইটি মেলায় আসেনি বলে মন খারাপ থাকলেও প্রচুর বই কিনেছেন। যে দু'দিন আমার সাথে দেখা হয়েছে দেখেছি দু'হাতে বইয়ের ভারী ব্যাগ। শেষ দিনে এসে আবার শুভ কামনা জানিয়ে গেলেন।


কষ্ট করে টাইপ করা লাগবে না, ক্যাপশনে লিখে দেওয়া আছে!!


সামহোয়্যারইন ব্লগের একজন নিয়মিত ব্লগার। বইমেলায় প্রথম দেখা। কিন্তু পরিচয় দিতে আপত্তি থাকায় আফসুস রয়ে গেল। আমি নাকি তার অধিকাংশ পোস্টে কমেন্ট করতাম। রহস্যের কোন কুল-কিনারা হয়নি!


আমাদের সবার প্রিয় ব্লগার শাহিন ভাই। স্টলে আমাকে না পেলেও পুতুলনাচের একটি কপি কিনলেন, পথিমধ্যে দেখা হলে বুকে জড়িয়ে ধরলেন, অনেক গল্প হলো। সত্যি চমৎকার একজন মানুষ তিনি। এমন মানুষের সাথে বারবার দেখা হোক।


প্রিয় ব্লগার আমাদের শ্রদ্ধাভাজন সুরঞ্জনা মায়া আপা। আপার একটি বই এবারের বইমেলায় প্রকাশিত হয়েছেন। চমৎকার একজন মানুষ তিনি। সদাহাস্যজ্বল এবং ব্যক্তিত্ত্ব সম্পন্ন একজন ব্লগার।




















































আগামী ২৮, ২৯ ফেব্রুয়ারি (শুক্র-শনিবার) গ্রন্থমেলার শেষ দু'দিন উৎস প্রকাশন (প্যাভিলিয়ন-৩২) এবং শিখা প্রকাশনীতে (স্টল ৫১৭-৫২০) থাকবো।

মন্তব্য ৩৯ টি রেটিং +৮/-০

মন্তব্য (৩৯) মন্তব্য লিখুন

১| ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ভোর ৬:২৪

গড়ল বলেছেন: অভিনন্দন, উৎকর্ষতার দিকে এগিয়ে যান এই কামনা করি।

০৩ রা মার্চ, ২০২০ রাত ১২:০৪

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



ধন্যবাদ, ভাই। দেরীতে প্রতিউত্তর দেওয়ার জন্য দুঃখিত। মোবাইল নেটওয়ার্ক দিয়ে সামুতে প্রবেশ করতে পারিনি বলে মন্তব্যগুলো পড়তে পারিনি। আশীর্বাদ করবেন। আগামীতে দেখা হবে নিশ্চয়ই।

২| ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ভোর ৬:৪৯

চাঁদগাজী বলেছেন:


আপনার সাফল্য কামনা করছি

০৩ রা মার্চ, ২০২০ রাত ১২:০৮

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



ধন্যবাদ, আপনাকে। বইমেলায় আপনার সাথে সাক্ষাৎ হলে খুব ভালো লাগতো। হয়তো ভবিষ্যতে কোন একদিন দেখা হবে। আশীর্বাদ করবেন, যাতে ভালো লিখতে পারি। আপনার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করছি।

৩| ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ সকাল ৭:৪৬

ইসিয়াক বলেছেন: অভিনন্দন রইলো প্রিয় ব্লগার।
শুভকামনা।

০৩ রা মার্চ, ২০২০ রাত ১২:০৯

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:
ধন্যবাদ, প্রিয় ভাই। আশা করছি আগামী বইমেলায় দেখা হবে।

৪| ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ সকাল ৭:৫৫

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: বইমেলার একেবারে শেষ পর্বে গুরুদেবকে ক্লান্তিমনে পরিতৃপ্তির অভিব্যক্তিতে আনন্দ পেলাম।
বাকি দুদিন শুধু নয় আগামী দিনগুলোতেও ঝরে পড়ুক এমন সুখানুভূতি।
ছবিগুলি খুব সুন্দর। শেষের আগের ছবিতে পরিচয় না দেওয়া আপিটাকে আমার হৃদয়েও একটু অচেনা অচেনা লাগছে।
পোস্টে লাইক।

শুভকামনা প্রিয় গুরুদেবকে।

০৩ রা মার্চ, ২০২০ রাত ১২:১২

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



গুরুজি, ভালো আছেন নিশ্চয়ই। এই কয়দিন বিজি থাকায় খবর নিতে পারিনি। কিন্তু মনের টান আর ভাইয়ের প্রতি ভালোবাসার কমতি ছিলো না। আশা করি, আগামী বইমেলায় দেখা হবে। আপনার বইও প্রকাশ পাবে। সে অপেক্ষায় রইলাম।

৫| ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ সকাল ৯:২১

রাজীব নুর বলেছেন: লেখালেখিতে আপনি সাফল্য পাবেন। অবশ্যই পাবেন।
অতীতে দেখেছি- যারাই ব্লগ থেকে লেখা লেখি করে বই প্রকাশ করে তারা সাফল্য পায়।
বহু ব্লগার আজ লেখালেখিতে অনেক সম্মান কুড়িয়েছে।

০৩ রা মার্চ, ২০২০ রাত ১২:১৫

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



ধন্যবাদ, রাজীব ভাই। আপনি খুব ভালো মনের একজন মানুষ। সিনিয়র ব্লগার হিসাবে ব্লগে খুব জনপ্রিয়। আপনার আশীর্বাদ আমার জন্য অনেক বড় অনুপ্রেরণা। ভালো থাকুন। আশা করেছিলাম বইমেলায় দেখা হবে। সামনের কোন একদিন দেখা হবে নিশ্চয়ই।

৬| ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ সকাল ৯:২৯

ঢাবিয়ান বলেছেন: ভাল বই এর সীকৃতি পাওয়া আজকাল খুব কঠিন হয়ে পড়েছে হাজারো বই এর ভীরে। লেখক বাড়ছে , কিনতু পাঠক কমছে । এটাই আজকের দিনে সবচেয়ে বড় সমস্যা হয়ে দাড়িয়েছে।

আপনার বই এর সাফল্য কামনা করছি। ব্লগে আপনার বই এর রিভিউ পড়তে চাই ।

০৩ রা মার্চ, ২০২০ রাত ১২:২০

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



ধন্যবাদ, প্রিয় ভাই। বইমেলায় মিস করেছি, দেখা হলে ভালো লাগতো। আপনি ঠিকই বলেছেন, ভালো বই খোঁজে পাওয়া দুষ্কর। শতশত বাজারি বই, বাজারি লেখক আর প্রচার সর্বস্ব বইয়ে আসল বই চাপা পড়ে গেছে। তবে কালের সাক্ষী হয়ে এসব বই ঠিকে থাকবে অবশেষে। নতুন প্রজন্ম এসে এসব বই খোঁজে বের করবে। ব্লগে ইতিমধ্যে একটা রিভিউ চোখে পড়েছে।

৭| ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ সকাল ৯:৩৪

সোহানী বলেছেন: আহ্, এতো কাছে এসেও মিস করতে হলো...............

০৩ রা মার্চ, ২০২০ রাত ১২:৩৩

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



'ক্যাচ মিস তো ম্যাচ মিস'- আমার বেলায় তাই হলো। আপনি এভাবে ঝড়ের গতিতে এসে আবার সাইক্লোন গতিতে হাওয়ায় মিলিয়ে যাবেন তা কল্পনায়ও আসেনি। জানলে একদিনের নোটিশেই ঢাকা যেতাম। সারা বইমেলা মন খারাপ ছিল এজন্য। এভাবে মিস করবো, কল্পনায়ও আসেনি। ভবিষ্যতে এভাবে চলে যাওয়া চলবে না।

৮| ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ সকাল ১১:০৩

দেবদাস বাবু বলেছেন: চমৎকার লাগলো, ইশ! যদি যেতে পারতাম প্রিয় লেখকের বইয়ের পাতায় অটোগ্রাফ সহ একটি বাঁধাই করা ছবি পেতাম।
আশা হারাচ্ছিনা বেঁচে থাকলে একদিন দেখা হবেই।

০৩ রা মার্চ, ২০২০ দুপুর ১২:২৮

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:
আগামীতে কোন না কোন বইমেলায় দেখা হবে। সময়-সুযোগ হলে আসবেন। ভালো থাকুন।

৯| ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ সকাল ১১:১৮

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: পুতুলনাচ এখনো পড়া হয়নি,সামু ব্লগে লেখালেখির সুবাদে মেলাতে এখন অনেক পরিচিত মানুষের সাথে দেখা হয়। আর আপনার সাথেতো সবচেয়ে বেশি দেখা হয়েছে আমার, যাই সুন্দর কাটুক বইমেলার দিনগুলো। আপনার বইদুটির সাফল্য কামনা করছি।

০৩ রা মার্চ, ২০২০ দুপুর ১২:২৬

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



তারকে ভাই, শুভেচ্ছা রইলো। বইমেলায় এসে আমাকে খোঁজে বের করলেন, বইটি কিনে নিয়ে গেলেন। এতে যে আন্তরিকতার ছাপ ছিলো তার জন্য সত্যি কৃতজ্ঞ। আগামী বছর আপনার বই পাব সেই প্রত্যাশা রইলো।

১০| ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ সকাল ১১:৪৮

পদ্ম পুকুর বলেছেন: আপনার লেখা না পেতে পেতে ভাবছি বইমেলাটা দ্রুত শেষ হলেই ভালো হয়... :D

০৩ রা মার্চ, ২০২০ দুপুর ১২:২৩

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



কেমন আছেন আপনি? আশা করি ভালোই আছেন। বইমেলা অবশেষে সমাপ্ত হলো। এবার লিখবো। আশীর্বাদ করবেন আমার জন্য।

১১| ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ দুপুর ২:৫৯

নেওয়াজ আলি বলেছেন: এক রাশ ভালো লাগা

০৩ রা মার্চ, ২০২০ দুপুর ১২:২১

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:
ধন্যবাদ, ভাই। শুভ কামনাআপনার জন্য।

১২| ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৫:৩৭

ম্যাড ফর সামু বলেছেন: ইশ্ কী মিস করলাম। দেখি ২৮ বা ২৯ তারিখের কোন একদিন সংযুক্ত থাকতে পারি কি না আপনাদের সঙ্গে।

০৩ রা মার্চ, ২০২০ দুপুর ১২:২০

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



শেষ দু'দিন অপেক্ষা করেছি। আসলে, দেখা হলে ভালো লাগতো। আশা করি আগামীতে দেখা হবে। ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন।

১৩| ০১ লা মার্চ, ২০২০ সকাল ১০:৪৬

নীল আকাশ বলেছেন: খুব সুন্দর পোস্ট। আমি আপনার বইগুলির সাফল্য কামনা করছি।
ধন্যবাদ।

০৩ রা মার্চ, ২০২০ দুপুর ১২:১২

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:
ধন্যবাদ, প্রিয় ভাই। আশা করি, শবনম পাঠক প্রিয় হয়েছে। আবার দেখা হবে।

১৪| ০৩ রা মার্চ, ২০২০ রাত ১:৩৭

এ্যাক্সজাবিয়ান বলেছেন: বাহঃ সুন্দর সুন্দর মেয়েদের ছবি দেখতে পেলুম আপনার বইয়ের বিজ্ঞাপণের মাধ্যমে। তবে নিজের ঢোলটুকু একটু কম পিটুলে হয় না? নিজের গুণগান যেভাবে করজেন তাতে আপনার পোস্ট পড়তেও লজ্জা লাগজে যে।

০৩ রা মার্চ, ২০২০ দুপুর ১২:০৭

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



বইয়ের বিজ্ঞাপণে সুন্দরীদের ছবি দেখে আপনি পুলকিত হবেন নাকি লুজার হবেন তাতে আমার কী? আপনাকে তো দাওয়াত করে আনিনি সুন্দরীদের চেহারা দেখাতে। নিজের চরকায় তৈল মর্দন করেন। আর যদি কোন সুন্দরীর ছ্যাঁকা খেয়ে উন্মাদ হয়ে থাকেন তাহলে বিরহী কবি হওয়ার চেষ্টা করুন। এতে হাজারে হাজারে সুন্দরী জুটবে। আমার এই কয়জন সুন্দরী দেখে আর হার্ট এ্যাটাক হবে না।

১৫| ০৩ রা মার্চ, ২০২০ রাত ১:৪৩

এ্যাক্সজাবিয়ান বলেছেন: রেমান্টিক লেখক বটে পাঠকের চেয়ে পাঠিকা বেশী লুতু পুতু লুতু পুতু। আপনার সর্বাঙ্গিন সুস্থতা কমনা করি ও দিন দিন আপনার আরো অগনিত পাঠিকা হউক যাতে আপনার পোস্টে মেয়ে মানুষের ছবিতে লুতু পুতু লুতু পুতু হয়ে যায়।

০৩ রা মার্চ, ২০২০ দুপুর ১২:১০

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



এবার লেখা শুরু করুন। লেখায় থাকবে চরম রুমান্টিকতা। আর বিছানা দৃশ্য থাকবে পাতায় পাতায়। এতে লেখক হিসাবে সফল হবেন। আমার পাঠিকা নিয়ে আপনার চুলকানি না বাড়লেও চলবে।

১৬| ০৩ রা মার্চ, ২০২০ দুপুর ১২:৩০

মুক্তা নীল বলেছেন:
কাউসার ভাই ,
আপনার বইয়ের সাফল্য কামনা করছি । বাইস্কোপ এরপর
পুতুল নাচ এবং নেকলেস পড়ার আশা রাখছি। রকমারিতে মনে হয় একটু দেরিতে পুতুল নাচ এসেছে কারণ আমি যখন বই
অর্ডার করেছিলাম তখন লিস্টে দেখি নাই আবার এখন দেখছি।
শুভকামনা রইলো ।

০৪ ঠা মার্চ, ২০২০ রাত ১২:১৭

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



ধন্যবাদ। অনেকদিন পর আপনার কমেন্ট পেলাম। ভালো আছেন নিশ্চয়ই। 'পুতুলনাচ' ৬ ফেব্রুয়ারিতে বইমেলায় আসলেও রকমারিতে আসছে আরো সপ্তাহখানেক পর। এগুলো হলো প্রকাশকের দায়িত্বহীনতার ফলাফল। আর 'নেকলেস' তো বইমেলায় এসেছে ১৯শে ফেব্রুয়ারিতে; এখনো রকমারিতে যায়নি। প্রকাশকরা পেশাদার না হলে যা হয়। আমরা তো তাদের কাছে অনেকটা জিম্মি।

ভালো থাকুন, সব সময়। শুভ কামনা রইলো।

১৭| ১৪ ই এপ্রিল, ২০২০ সকাল ৯:০৬

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: প্রিয় গুরুদেব,


আমি আপনার নামে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কাছে মিসিং ডায়েরি করেছি। চৌঠা মার্চের পর থেকে আপনার কোন খোঁজ নাই। যে কারণে বলা, ভুল করেও ব্লগে আসবেন না। এলে কিন্তু আমি আপনাকে ধরে ফেলমু।হেহহেহে


ভালো থাকুন ।‌সুখে থাকুন সব সময়।

১৫ ই এপ্রিল, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:০৯

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



গুরুজি,
হোম কোয়ারান্টাইনে আছি গত একমাস হলো। এই সময়ে ব্লগিং করা যাবে সে নির্দেশনা সরকারের তরফ থেকে না থাকায় ব্লগ বাড়িতে অনুপস্থিত ছিলাম! অবশেষে মেট্রোপলিটন পুলিশের সদয় অনুমতিপত্র হাতে নিয়ে সামুতে প্রবেশ করিলাম!! আর একবার যেহেতু ব্লগে আসিয়া পড়েছি আর থামিবার কোন কারণ নেই। সুযোগ পেলেই আপনার ব্লগ বাড়িতে হানা দেব।

ভালো থাকুন, বাড়িতেই থাকুন, প্রিয়জনকে কাছে রাখুন।

১৮| ০৪ ঠা মে, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৫১

খায়রুল আহসান বলেছেন: আরও দুটো বই প্রকাশের সাফল্যে আপনাকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাচ্ছি। ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহ থেকে মার্চ পর্যন্ত দেশের বাইরে থাকায় এবারের বইমেলায় আমার কোন বই বের হয় নাই। তবে প্রবাস থেকে বইমেলাকে খুব মিস করেছি।
ছবিগুলো দেখেও খুব ভাল লাগলো। তবে নীচের দিকে যেসব ছবি দিয়েছেন, সেগুলোতেও কিছু পরিচিতি তুলে ধরলে মনে হয় আরো ভাল হতো। কেউ পরিচিতি দিতে না চাইলে নিদেনপক্ষে আপনার কিছু কথা ক্যাপশন হিসেবে জুড়ে দিতে পারতেন, হয়তো পারেন এখনও।
একটি বই এর পান্ডুলিপি যতক্ষণ লেখকের হাতে থাকে, ততক্ষণই সেটা একটা ইন্টেলেচুয়াল প্রপার্টি হিসেবে থাকে। যেইমাত্র সেটা প্রকাশকের হাতে চলে যায়, তৎক্ষণাৎ সেটা হয়ে যায় একটা মারচেন্ডাইজ। সে বই এর সাফল্য লেখকের লেখার গুণের উপর যতটা নির্ভরশীল, তার চেয়ে বেশী বোধ করি নির্ভর করে লেখক ও প্রকাশকের যৌথ সুদক্ষ বিপণন কৌশলের উপর।

০৬ ই মে, ২০২০ দুপুর ১:১১

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



ধন্যবাদ, স্যার। বইমেলায় মনে মনে আপনাকে খুঁজেছি। এছাড়া আপনার নতুন কোন বই প্রকাশ হলো কিনা খবর নিয়েছি। আশা করি, প্রবাসের দিনগুলো আনন্দময় ছিল। বইমেলা চলাকালীন অনেক ছবি তুলেছি। অনেকের সাথে পরিচয় থাকায় ছবির ক্যাপশনে লিখে দিয়েছি। যাদের সাথে পরিচয় নেই উনাদের নামটাও মনে নেই এজন্য ক্যাপশনে কিছুই না লিখে খালি রেখেছি।

ভালো থাকুন, হোম কোয়ারান্টাইনের দিনগুলো সুন্দর হোক।

১৯| ০৪ ঠা মে, ২০২০ রাত ৮:৩২

ডার্ক ম্যান বলেছেন: আপনার বই পড়া হয় নি। গত একবছর কোন বই কেনা হয় নি। প্রতি বছর বই বের না করে বিরতি দিয়ে চেষ্টা করুন ।
যে নারী ব্লগার পরিচয় দেয় নি , উনাকে সম্ভবত চিনতে পেরেছি।

০৬ ই মে, ২০২০ দুপুর ১:১৭

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



ধন্যবাদ। আশা করি, আগামী বইমেলায় দেখা হবে। বই কেনার দরকার নেই। আসবেন, পরিচিত হওয়ার সুযোগ হবে। আর প্রতি বছর বই বের করতে হবে এমন ভাবনা আমরা নেই। যদি লেখাগুলো মানসম্মত মনে হয় তাহলে কেবল বইয়ের কথা ভাববো। তবে একজন লেখকের বছরে কমপক্ষে একটি করে বই বের করা ভালো। এতে পাঠকরা খুশি হন, নতুন নতুন পাঠক তৈরী হয়।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.