| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
তেলসমৃদ্ধ দেশ সৌদি আরব। বিশ্বের অন্যতম সম্পদশালী হিসেবে বিবেচনা করা হয় দেশটিকে। তবে অর্থনৈতিক এই শক্তিমত্তার বিপরীতে সৌদি আরবের ভিন্ন চিত্র তুলে এনেছে ব্রিটিশ দৈনিক ‘দ্য গার্ডিয়ান’।
আজ মঙ্গলবার গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সৌদি আরবের বেশির ভাগ লোক অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী, এমন ধারণা ঠিক নয়। দেশটির জনসংখ্যার এক-চতুর্থাংশ দারিদ্র্যসীমার নিচে বাস করে। তবে সৌদি সরকার এই দারিদ্র্য লুকিয়ে রাখায় সার্বিক অবস্থাটা বোঝা যায় না।
‘গার্ডিয়ান’ জানায়, দ্রুত জনসংখ্যা বৃদ্ধি সৌদি আরবের প্রধান সমস্যা। ক্রমবর্ধমান দারিদ্র্যের মূল কারণও এটি। ১৯৭০ সালে দেশটির জনসংখ্যা ছিল ৬০ লাখ। বর্তমানে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ কোটি ৮০ লাখে। বাড়তি জনসংখ্যার সঙ্গে তাল মিলিয়ে দরিদ্র জনসাধারণকে অর্থনৈতিক সহায়তা দিতে পারছে না সরকার।
খবরে বলা হয়, দরিদ্র জনগণকে সহায়তার জন্য বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার খরচ করেছে বাদশাহ আবদুল্লাহর সরকার। সমালোচকেরা মনে করেন, ওই অর্থ পর্যাপ্ত নয়। তবে নিজেদের সম্মানের কথা ভেবে সরকার লোকজনের অর্থনৈতিক এই দুরবস্থা লুকিয়ে রাখতে মরিয়া। এর প্রমাণ, সৌদি আরবের দারিদ্র্য নিয়ে অনলাইন সিনেমা তৈরির চেষ্টার অভিযোগে ২০১১ সালে তিনজন ভিডিও ব্লগারকে দুই সপ্তাহের জন্য কারাদণ্ড দেওয়া।
দরিদ্র নাগরিকদের সম্পর্কে খুব কম তথ্যই প্রকাশ করে সৌদি সরকার। তবে গণমাধ্যম ও বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থার হিসাব অনুযায়ী, দেশটির ২০ থেকে ৪০ লাখ লোকের দৈনিক গড় আয় ১৭ ডলারের কম।
দারিদ্র্য ও উন্নয়ন নিয়ে কাজ করা সৌদি আরবের গবেষক রসি বশীর ‘গার্ডিয়ান’কে বলেন, রাষ্ট্র খুব ভালোভাবেই দরিদ্রদের লুকিয়ে রাখছে। বিত্তশালী লোকেরা গরিবদের দুর্দশা দেখে না। প্রতিদিন বহু মানুষ ক্ষুধার্ত থাকে।
©somewhere in net ltd.