নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সবাইকে মহান বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা

চল চল চল! ঊর্ধ্ব গগনে বাজে মাদল নিম্নে উতলা ধরণি তল, অরুণ প্রাতের তরুণ দল চল রে চল রে চল চল চল চল।।

কাজল আহমেদ

কাজল আহমেদ › বিস্তারিত পোস্টঃ

নতঝানু পররাষ্ট্রনীতির মতই কি নতঝানু ক্রিকেটনীতিও হবে?

২৪ শে জানুয়ারি, ২০১৪ রাত ২:৪৫

গত ৫ বছর আমরা দেখেছি এই সরকারের ভারতের সাথে নতঝানু পররাষ্ট্রনীতি| গত ৫ বছর ভারতকে আমরা শুধুই দিয়ে গেছি| এর প্রতিদানে কি পেয়েছি, সিমান্তে ফেলানির মত অসংখ্য লাশ| সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী দীপু মনির নতঝানুনীতির কারনে আজ আমাদের বাংলাদেশ বন্ধুহীন রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে|এবার ভারত তার নতুন চাল চালছে!! বাংলাদেশসহ ক্রিকেট বিশ্বের উদীয়মান দেশগুলো যেন ক্রিকেটে পরাশক্তিতে পরিণত হতে না পারে, সেজন্য ভারত ও তার চেলা ইংল্যান্ড এবং অস্ট্রেলিয়াকে নিয়ে তলে তলে চলছে এক নোংরা ষড়যন্ত্র। ক্রিকেট নামক জনপ্রিয় খেলাটিকে কুক্ষিগত করার এক ঘৃণ্য ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছে ভারত-অস্ট্রেলিয়া-ইংল্যান্ড|ভারত নিজেকে বাংলাদেশের বন্ধু দাবি করে, এ কেমন তাদের বন্ধুত্ব? বাংলাদেশের সঙ্গে ক্রিকেট খেলতে ভারত অনীহা দেখায়। আমাদের সাকিবদের আইপিএল নামক জুয়ার বাজারে নিয়ে গিয়ে দিনের পর দিন বসিয়ে রাখে। গত বছর ভারতের এমনি নাক উঁচু ছিল যে, সেই উঁচু নাক পর্যন্ত আমাদের ক্রিকেট বোর্ডের কেউ পৌছাতে পারেনি। ভারতে খেলতে পারেনি বাংলাদেশ। ভারত নামক হাতি গরীবের ঘরে পা রাখেনি! ২০১৩ সালে ভারতসহ ক্রিকেটের মাতবরদের কারণে বাংলাদেশ পুরো বছরের প্রায় বেশিরভাগ সময়ই তেমন একটা খেলতে পারেনি। সর্বদা বাংলাদেশের বন্ধু (???) দাবিদার ভারত, বিশ্বের অন্যতম রেসিস্ট দেশ হিসেবে কুখ্যাত অস্ট্রেলিয়া, আর সেই সঙ্গে এককালের ভিলেন ঔপনেবেশিক শাসক ইংল্যান্ড মিলে সব খেলা নিজেদের মধ্যে ভাগাভাগি করে নিয়েছিল। আর এখন তারা পুরো ক্রিকেটাঙ্গনকে নিজেদের করায়ত্ব করার পায়তারা করছে|‘তিন জমিদারের’ বিশ্ব ক্রিকেট শাসন করার প্রস্তাব ফাঁস হওয়ার পর থেকেই তোলপাড় চলছে ক্রিকেট বিশ্বে|তবে প্রস্তাবিত খসড়ায় যা দেখা যাচ্ছে, তাতে সবচেয়ে করুণ পরিণতি অপেক্ষা করছে বাংলাদেশ ও জিম্বাবুয়ের ভাগ্যেই।প্রস্তাবিত ২১ পাতার খসড়ায় অনুচ্ছেদ আছে ছয়টি। ৪ নম্বর অনুচ্ছেদের ৩ নম্বর পয়েন্টের শিরোনাম—‘আইসিসি র‌্যাঙ্কিং সিস্টেম’। এখানেই বলা হয়েছে, ২০১৫ থেকে ২০২৩ সময়কালে টেস্ট র‌্যাঙ্কিংয়ের ৯ ও ১০ নম্বর দলকে খেলতে হবে আইসিসি ইন্টারকন্টিনেন্টাল কাপে। আইসিসির শীর্ষ সহযোগী দেশগুলোর অংশগ্রহণে প্রথম শ্রেণীর ম্যাচের টুর্নামেন্ট এই ইন্টারকন্টিনেন্টাল কাপ। বর্তমান টেস্ট র‌্যাঙ্কিংয়ে ৩৪ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে ৯ নম্বরে আছে জিম্বাবুয়ে, ১৮ পয়েন্ট নিয়ে দশে বাংলাদেশ। র‌্যাঙ্কিংয়ের আটে থাকা নিউজিল্যান্ডের পয়েন্ট ৮২, সাতে থাকা ওয়েস্ট ইন্ডিজের ৮৭। বছর শেষেও যে জিম্বাবুয়ে ও বাংলাদেশ নয় ও দশ নম্বরে থাকবে, সেটি নিশ্চিতই। টেস্ট ক্রিকেটের বদলে এই দুই দেশকেই তাই চার দিনের ম্যাচ খেলতে হবে ইন্টারকন্টিনেন্টাল কাপে। সর্বশেষ (২০১৩) এই টুর্নামেন্টে খেলেছে আয়ারল্যান্ড, আফগানিস্তান, স্কটল্যান্ড, আরব আমিরাত, নামিবিয়া, কানাডা, কেনিয়া ও নেদারল্যান্ডস। সহযোগী এই আট দেশের সঙ্গে এখন শিরোপা যুদ্ধে নামতে হবে পূর্ণ সদস্য দুটি দেশকে!ইন্টারকন্টিনেন্টাল কাপে শিরোপাজয়ী দল এরপর চ্যালেঞ্জ টেস্ট সিরিজ খেলার সুযোগ পাবে ওই সময় টেস্ট র‌্যাঙ্কিংয়ের আটে থাকা দলের বিপক্ষে। দুটি করে টেস্ট ম্যাচের দুটি সিরিজ হবে ‘হোম অ্যান্ড অ্যাওয়ে’ পদ্ধতিতে। এই চ্যালেঞ্জ সিরিজে জয়ী দেশ অষ্টম দল হিসেবে খেলার সুযোগ পাবে টেস্ট ক্রিকেট। হেরে যাওয়া দলকে খেলতে হবে পরবর্তী ইন্টারকন্টিনেন্টাল কাপে। ২০১৫ থেকে ২০২৩, এই আট বছর সময়কালে ইন্টারকন্টিনেন্টাল কাপ হবে দুটি। নতুন নিয়মের প্রথম ইন্টারকন্টিনেন্টাল কাপের শিরোপা নির্ধারিত হবে ২০১৯ সালে। এ বছরের নভেম্বরে জিম্বাবুয়ে সিরিজের পর ২০১৯ সাল পর্যন্ত অন্তত আর টেস্ট খেলতে পারবে না বাংলাদেশ।২০১৯ সালে ইন্টারকন্টিনেন্টাল কাপে বাংলাদেশ যদি চ্যাম্পিয়ন হয়ও, টেস্ট আঙিনায় ফেরা সীমাবদ্ধ থাকতে পারে চ্যালেঞ্জ সিরিজের ওই চার টেস্টেই। চার বছর পর টেস্টে ফিরে হোম অ্যান্ড অ্যাওয়ে সিরিজে টেস্টের ৮ নম্বর দলকে হারানো হবে অসম্ভবের কাছাকাছি। তর্কের খাতিরে ধরে নেওয়া গেল, চ্যালেঞ্জ সিরিজও জিতে টেস্ট ক্রিকেটে আবার উত্তরণ হলো বাংলাদেশের। কিন্তু তখনো কয়টি টেস্ট খেলতে পারবে, সেই সংশয় থাকবেই। এফটিপি বাতিল হয়ে গেলে টেস্ট খেলার জন্য বাংলাদেশকে অপেক্ষা করতে হবে অন্য দেশের দয়ার ওপর। ইন্টারকন্টিনেন্টাল কাপ খেলে উঠে আসা দেশের জন্য অন্য দেশের কাছ থেকে সেই ‘দয়া’ আদায়ও খুব একটা সহজ হবে না। টেস্টে উত্তরণ হলেও তাই টিকে থাকা হবে দুরূহ।এই প্রস্তাব বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশ-জিম্বাবুয়ের ওপর ইন্টারকন্টিনেন্টাল কাপে খেলার খড়্গ নেমে আসছে আগামী বছরই।তবে প্রশ্ন হলো, এই তিনটি দেশের প্রস্তাবিত ষড়যন্ত্রে বাংলাদেশসহ ছোট দেশগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হবে জেনেও আইসিসির ভাইস-প্রেসিডেন্ট জনাব লোটাস কামাল, যিনি কিনা বাংলাদেশ নামক দেশটির নাগরিক তিনি তখন কি করছিলেন? স্বভাবজাত হাত কচলানি, নাকি ওদের হ্যাঁ এর সঙ্গে মাথা দুলাচ্ছিলেন?মুস্তফা কামাল বললেন, তিনি এ ব্যাপারে কিছুই জানতেন না আগে থেকে, ‘আমরা কোনো কাগজও পাইনি। কী হবে, কী হতে যাচ্ছে, সব পত্রপত্রিকা দেখে জেনেছি। যতক্ষণ পর্যন্ত সভায় না বসব, সিদ্ধান্ত না হবে, তখন পর্যন্ত আমার মনে হয় আগাম কোনো বক্তৃতা দেওয়া ঠিক হবে না।’ কামাল এই বলে আশ্বস্ত করতে চাইলেন, সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্য এর বিরুদ্ধে থাকলে ভারত-অস্ট্রেলিয়া-ইংল্যান্ড কিছুই করতে পারবে না, ‘তিনটি দেশ মিলেই কিছু করতে চাইলে করতে পারবে না। কারণ কোনো পরিবর্তন আনতে চাইলে সাতটি দেশের ভোট লাগে।’তবে জনাব পাপনের বক্তব্যে মনে হচ্ছে তিনি সরকারের নতঝানুনীতিকেই অনুসরণ করছেন| তার বক্তব্য হচ্ছে: এফটিপি বাঁচিয়ে রাখার লড়াইয়ে নেমে আগেই খেপিয়ে তুলতে চান না ভারতকে| আইসিসির সংস্কার প্রস্তাবের বিপক্ষে চারটি বোর্ড এখনই প্রকাশ্যে বক্তব্য দিয়েছে। কিন্তু সেই পথে হাটবেন না তিনি। কেন সেই ব্যাখ্যা দিয়েও তিনি ইঙ্গিত করেছেন, মুখে অনেকেই অনেক কিছু বললেও আইসিসির সভায় কেউ ভারতকে চটাতে চায় না। আর তাই আগে পরিস্থিতি বুঝতে চান, তারপর দেখেশুনে নিতে চান সিদ্ধান্ত।]

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.