| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
শাড়ির মার্কেটে ঢুকে চঞ্চল হয়ে উঠলো শিরি। দামী কাতান শাড়ির লোভ তার বহুদিনের। তার যে কাতান শাড়ি নেই তা-ও নয়, তবে সেগুলো সস্তা দরের, নিম্ন মানের।
একটা দোকানে ঢুকতেই দোকানী টোল এগিয়ে দিল বসার জন্য। বসতে না বসতেই হরেক রকম শাড়ি বিছিয়ে ধরলো। শিরির অবশ্য সব কটা শাড়িই পছন্দ হচ্ছে। তবে সে এটাও বেশ বুঝতে পারছে যে এগুলোর দাম খুব চড়া হবে, খু-উ-ব। জাহিদের পকেটে কি পরিমাণ টাকা অছে তা সে জানে না। অন্যান্য সময়ে শিরিই হিসাব করে বাসা থেকে টাকা নিয়ে বের হতো। আজ লজ্জায় মানিব্যাগ খুলে টাকার অংক দেখেনি।
সামর্থ্যে কুলাবে না ভেবেই শিরি বললো, না পছন্দ হচ্ছে না। দোকানী তড়িঘড়ি উপরের তাক থেকে আরো উন্নত মানের গোটা কতক শাড়ি নামিয়ে ঝটপট বিছিয়ে ধরলো। এগুলোও পছন্দ হচ্ছে না বলে শিরি উঠে যেতে উদ্যত হতেই দোকানী ব্যাপারটা আঁচ করতে পারলো। বললো, আরে আরে যাচ্ছেন কেন? কম দামী শাড়িও আছে। বসেন দেখাচ্ছি।
তাড়াতাড়ি বের হতে পারলেই বাঁচি, এমন ভাবে শিরি বাইরের দিকে পা বাড়ালো। দোকানী মুখ ভেংচিয়ে অবজ্ঞার হাসি হাসলো। কিন্তু জাহিদের দৃষ্টিতে তা এড়ালো না। সে একটা শাড়ি হাতে তুলে নিল। দোকানীকে জিজ্ঞাসা করলো, দাম বলুন।
এটাই নিবেন? না আর একটু কম দামী একটা দেখাবো?
এটাও নিশ্চয়ই কম দামী, লাখ টাকা তো আর নয়। কি বলেন?
দোকানী থতমত খেয়ে বললো, একদাম বলবো?
আমি দামাদামী করবো না। সঠিক দাম বলুন। খাটলে নিব, না হয় চলে যাব।
দ্বিতীয়বার অপমানিত হবার আশংকায় শিরি বারবার জাহিদের পিঠে চিমটি কেটে বের হয়ে আসতে বলছে। আকাশ-ছোঁয়া একটা দাম চাইবে, কিনতে পারবো না, ঐ ব্যাটা আরেকবার দাঁতে ভেংচি কাটবে।
দোকানী একদামের ব্যাপারে নিশ্চিত হতে না পেরে আরেকবার জাহিদকে জিজ্ঞাসা করলো, একদামে নিবেন তো?
জাহিদ একটু রাগত স্বরে বললো, একদাম চাইতে কি আপনাদের খুব ভয় হচ্ছে নাকি?
দোকানী এবার কানে কানে আরেকজনের সাথে কি যেন পরামর্শ করে নিয়ে একটা দাম হাঁকলো।
শাড়ির দাম শুনে শিরির পিলে চমকে উঠলো। এ মুহূর্তে এত টাকা খরচ করার উপায় নেই। কিন্তু শিরিকে আরো অবাক করে দিয়ে জাহিদ পকেট থেকে মানিব্যাগ বের করলো। দোকানীকে বললো, প্যাকেট করুন। তারপর কচকচে নতুন নোটগুলো খচমচ শব্দ করে গুনে দোকানীর হাতে তুলে দিল। প্যাকেট হাতে নিয়ে দোকানীর দিকে একটা বাঁকা হাসি ছুঁড়ে শিরিকে বললো, পছন্দ হয়েছে তো? জাহিদের নিজের পছন্দে কেনা কোন একটা জিনিসে এই প্রথম শিরির মন ভরলো। তা তার অবাক হওয়া চাহনি থেকেই জাহিদ অনুমান করে নিল।
মানুষে গিজগিজ করছে মাকের্টের অলিগলি। ঈদের বাজার বলে কথা। সারা ইতিমধ্যে কান্না জুড়ে দিয়েছে, সেও শাড়ি কিনবে। এ হলো এই মেয়েটার একটা বদ্অভ্যাস, সে দু চোখে যা দেখবে তাই কেনার জন্য পাগল হবে। সওদাগরের কন্যা যেন। সারার দেখাদেখি রকেটও বায়না ধরেছে সে স্যুট কিনবে। তবে সে এখনো কাঁদতে শুরু করেনি।
সারাকে কোলে চেপে ও রকেটকে হাত ধরে টেনে সামনের দিকে এগোতে থাকলো। এক জায়গায় ভিড় কম দেখে দাঁড়ালো। জাহিদের কানের কাছে ঝুঁকে গিয়ে শিরি আস্তে আস্তে বললো, আমার টাকা কটা কিন্তু নিয়ে এসেছি।
ওগুলো খরচ করার আর কি দরকার? রেখে দাও।
নূরজাহানের মাকে একটা কাপড় দেয়া দরকার। কোরান শরীফ পড়ানো তো সেই শেখালো। অথচ কিচ্ছুটা দিতে পারলাম না। ওস্তাদ মানুষ।
নূরজাহানের মায়ের জন্য একটা কাপড় কেনা হলো। শাশুড়ীকেও একটা ভাল কাপড় দেয়া দরকার। তাও কেনা হলো। শেষমেষ শিরি মন্তব্য করলো, একটা মাত্র ভাবী আমার। তাকে একটা শাড়ি না দিলে কেমন দেখায়? অতএব ভাবীর জন্যও কেনা হলো।
শাড়ির মার্কেট থেকে বেরুবার পথেই হ্যাংগারে ঝোলানো একটা শাড়ির উপর শিরির নজর পড়ে গেল। কিছুটা স্বগতোক্তির স্বরে সে মন্তব্য করলো, রংটা বেশ চমৎকার, তাই না? আমাকে মানাবে নাকি বলো তো? অগত্যা সেটিও কিনতে হলো। কিন্তু সমুদয় শাড়ি কেনার অর্থ জাহিদের মানিব্যাগ থেকেই কমতে থাকলো।
সারা শাড়ির কথা ভুলে স্কার্টের নাম করছে। স্কার্ট কিনতে গিয়ে জাহিদ এটা নাড়ে ওটা নাড়ে, কিন্তু পছন্দ হয় না।
ঐ স্কার্টটা কিন্তু দারুণ। একটা ঝোলানো স্কার্ট দেখিয়ে শিরি মন্তব্য করলো।
কিন্তু ওটা পরার জন্য তোমার মেয়েকে আরো বার তের বছর অপেক্ষা করতে হবে।
আরে দূর, আমি কি সারার জন্য বলছি নাকি? তিথিকে খুব মানাবে।
তিথি জাহিদের কনিষ্ঠতম শ্যালিকা। সুন্দরী, স্মার্ট এবং বেজায় ফ্যাশন সচেতন। জাহিদ স্কার্টটা দেখেই আন্দাজ করতে পেরেছে প্রচুর দাম হবে। সে শিরির কথা না বোঝার ভান করে অন্য মনে নীরার জন্য স্কার্ট খুঁজতে থাকে।
স্কার্টটা দাম করো না। টাকা না হয় আমিই দিব। ছোট বোনের জন্য ঈদে কিছু না নিয়ে গেলে কি মুখ দেখানো যাবে?
তিথির জন্য সকার্ট কেনা হলো। টাকা অবশ্য জাহিদের পকেট থেকেই গেল।
একে একে রকেটের জন্য স্যুট, সারার স্কার্ট, আরো ছোট খাটো দুয়েকটা সামগ্রী কেনা হলো।
আব্বু, আমি জুতা কিনবো। জুতার দোকানের পাশ দিয়ে যাবার সময় সারা হাঁক দিল। জুতার প্রতিও সারার একটা দুর্দমনীয় লোভ আছে। লোভটা আবার পিকিউলিয়র ধরণের। জুতার দোকান দেখলে জুতা না কিনে দিয়ে নিস্তার নেই। নতুন জুতা কেনার পর সচরাচর সে আর পুরনো জুতার কদর করে না।
সারার জন্য জুতা কিনতে গিয়ে শিরি খলখলিয়ে উঠলো, এ্যাই দেখছো, এগুলো নতুন মডেলের জুতা। রাজ্জাক ভাবীরও আছে। খুবই রেয়ার মডেল। রাজ্জাক ভাবী তার বোনের জন্য সারা শহর চষে বেড়ালেন, পেলেন না।
দোকানের নামটা মনে রেখো। রাজ্জাক ভাবী এসে নিয়ে যাবেন।
শিরি চুপ হয়ে গেল। একটু পরে সাইড ব্যাগ খুলে টাকা বের করে জাহিদের হাতে দিয়ে বললো, আমার খুব পছন্দ হয়েছে। জুতা জোড়া নিয়ে নিই।
সন্ধ্যা হয়ে আসছে। ইফতারের আগেই বাসায় ফিরতে হবে। পকেট এতক্ষণে চুপসে গেছে। কিন্তু বেশ কয়েকটা দরকারি জিনিস এখনো কেনা হয়নি। ওগুলো না কিনলেই নয়। কিন্তু সন্ধ্যা হয়ে যাওয়ায় অগত্যা বাসায় ফিরে এলো। জাহিদের মনটা এবার একটু খারাপ হতে শুরু করলো। কতগুলো টাকা হাওয়া হয়ে গেল। গত মাসের চেয়ে এ মাসে ঋণ আরো বাড়লো। বোনাসের টাকা ফুরিয়েও আরো কিছু খরচ হয়ে গেছে। তবু সান্ত্বনা, শিরিকে অনেক দিন পরে খুশি করা গেল।
পরদিন জাহিদ আরো কিছু কেনা কাটা করলো। মিরপুর ১২ নম্বরের ছোট বাজারটি থেকে। বাবার জন্য একটা পাঞ্জাবী, মায়ের জন্য এবং বিবাহিতা বোনের জন্য একটা করে পরার কাপড়। পরক্ষণেই মনে হলো, লতিফাকে এ পর্যন্ত কোন কাপড় চোপড় কিনে দেয়নি সে। ভাসুরের কাছে কি একটা কাপড় তার পাওনা হয় না? তা-ও কিনলো। ঐ দোকানেই এক সেট রেডিমেড থ্রি পিস পছন্দ হয়ে গেল। নাফিসাকে বেশ মানাবে। এটা হবে ওর বাড়তি পাওনা। আসল পাওনাটা কেনার জন্য তো আগেই টাকা পাঠানো হয়েছে। কিনে ফেললো।
এবার সে একটা মহাভাবনায় পড়লো। হাসির জন্য কি একটা কিছু কেনা দরকার না? ছোট বোনের মত মেয়েটা। রাত দিন কাজ করে। বাসায় আসা অব্দি শিরিকে বড় একটা খাটতে হয় না। বাসন কোসন ধূতে হয় না। কাপড় চোপড় ধোয়া, ঘর মোছা, সব তো আজকাল হাসিই করছে। নূর ইসলামেরও বেশ বিশ্রাম হয়। আর হ্যাঁ, নূর ইসলামের জন্যও একটা কিছু কিনতে হবে। ওকে তো আর নতুন মার্কেট থেকে চড়া দামের কোন কিছু কিনে দেয়ার দরকার নেই। অতএব রাস্তার ধারে পুরান বাজার থেকে একটা শার্ট আর একটা প্যান্ট কিনলো। খুবই সস্তায় কেনা গেল।
কিন্তু হাসির জন্য কি কেনা যায়? বেশি চিন্তা না করে সুলভ মূল্যের একটা শাড়ি কাপড় কিনে ফেললো।
এত কিছু কেনা কাটার বিবরণ শুনে শিরির তো আক্কেল গুঁরুম। এমনিতেই কত ঋণের মধ্যে আছি। জনে জনে কাপড় বিলানোর দরকারটা কি? পাঞ্জাবীটা দেখে শিরির আরো রাগ হলো। এখনো তো বাবার গায়ের পাঞ্জাবীটা নতুন। এত পাঞ্জাবী দিয়ে কি দুধভাত খাবেন?
জাহিদ বললো, যা দেবার এই ঈদেই দিলাম। কোরবানীর ঈদে আর না দিলেও হবে।
অপরের জন্যই তোমার যত দরদ উথলে পড়ে। আমার জন্য তা খাটে না। এক জোড়া জুতা কিনলাম, তা-ও নিজের টাকায়।
কথা শুনে জাহিদ হেসে দিল। শিরি আপন মনে বলতে থাকলো, পুরুষ মানুষের শখ থাকতে হয়। বউকে মানুষ কত কিছু কিনে দেয়। কত মনোহারী জিনিস আজকাল বাজারে পাওয়া যায়। ইমিটেশনের চূড়িগুলো পরলে কেউ বলতে পারবে না যে সোনার নয়। সুন্দর সুন্দর পূতির মালাগুলো দেখলে তাকিয়েই থাকতে ইচ্ছে করে। আমার ভাগ্যে তো আর ওসব নেই। পুরুষ মানুষের শখ লাগে।
এভাবে কিছুক্ষণ গুঞ্জন করার পর বললো, হাসিকে কোন কিছু দেয়ার দরকার নেই। ওকে পরে দেয়া যাবে।
জাহিদ শিরিকে থামিয়ে দিয়ে বললো, চুপ করো। হাসি শুনলে কষ্ট পাবে।
অবশেষে সিদ্ধান্ত হলো, হাসির জন্য কেনা শাড়ি হাসিকেই দেয়া হবে। তবে অতিরিক্ত আরো একটা শাড়ি কিনতে হবে, শিরির দূর সম্পর্কীয় এক ফুফুর জন্য। শিরিদের বাড়িতে কাজ করে খায়। শত হলেও তো ফুফু। নিষাদের জন্মের সময় যারপরনাই কষ্ট করেছিল। কিচ্ছুটুকুন দেয়া হয়নি। মানুষের কাছে ঋণী থাকা কি ভালো?
২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:৫৮
খলিল মাহ্মুদ বলেছেন: আপনাকেও প্লাস![]()
শুভেচ্ছা।
২|
২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:৫৭
রথে চেপে এলাম বলেছেন: ![]()
খুব ভাল লিখেছেন। +++
২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:৫৮
খলিল মাহ্মুদ বলেছেন: ধন্যবাদ রচেএ। ভালো থাকুন। শুভেচ্ছা।
৩|
২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:৫৯
আলঝেইমার ক্রিস্টোসান বলেছেন: জাহিদের জন্য আমার কষ্ট লাগে, তাকে কি আমরা মেরুদন্ডহীন বলতে পারি? নাকি বিবাহিত সব পুরুষের এটাই নিয়তি?
২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪২
খলিল মাহ্মুদ বলেছেন: সংসার সুখের হয় রমণীর গুণে। আর পুরুষ যেখানে সংসারের কর্তা অর্থাৎ পোষণকারী, সেখানে পুরুষের আচরণ ও সমঝোতার মনোভাবের কারণে সংসার টিকে থাকে। জাহিদ এ্যাজ এ হাজব্যান্ড ইজ এ্যাকোমোডেটিভ, শিরি সেরকম না। শিরির মতো জাহিদ হলে সংসার টিকতো না হয়তো। আর গরীবের সংসার টিকিয়ে রাখার জন্য জাহিদকে অনেক কিছুর সাথে কমপ্রোমাইজ করতে হয়।
আশার কথা, এটা আমাদের সামগ্রিক চিত্র অবশ্য নয়, কোনো এককালে অনেকটা ছিল এরকম। আর এ গল্পে সুক্ষ্ম অন্য একটা টার্ন আছে, যেটা হয়তো অনেকেই খেয়াল করবেন না।
আপনার অনুভূতির জন্য ধন্যবাদ। শুভেচ্ছা থাকলো।
৪|
২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০৪
কুচ্ছিত হাঁসের ছানা বলেছেন: ভাই বিয়ে করতে ভয় পাচ্ছি। ![]()
২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪৩
খলিল মাহ্মুদ বলেছেন: পরাজয়ে ডরে না বীর। কেবল সংসপ্তকরাই বিয়ে করেন। ![]()
![]()
৫|
২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০৫
ফেরদাউস আল আমিন বলেছেন: ঈদে কোন দোকানে যাই না, কোন কাপড় কিনি না। সম্মানিত স্ত্রী ঐ দায়িত্বটুকু পালন করতেন। এবার তিনি বিদেশে থাকায়, আমাকে দায়িত্বটুকু পালন করতে হয়। আমি সবাইকে ক্যশ দিয়ে দিয়েছি। যে যার পছন্দমত কিনে নিক।
২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪৬
খলিল মাহ্মুদ বলেছেন: প্রবাসী ভাবীকে ঈদের শুভেচ্ছা। আপনাকেও। আপনি একটা ভালো কাজ করেছেন এবার। আমি ব্যক্তিগত ভাবে মাঝে মাঝে ক্যাশ দিয়ে দেয়ার পক্ষপাতী। কিন্তু গ্রহীতারা (কন্যাসহ) বস্তুকেই প্রেফার করেন। ভালো থাকুন। ধন্যবাদ।
৬|
২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১৩
লালসালু বলেছেন: আমিও ভয় পাচ্ছি
২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪৮
খলিল মাহ্মুদ বলেছেন:
উদয়ের পথে শুনি কার বাণী, ভয় নাই ওরে, ভয় নাই
নিঃশেষে প্রাণ যে করিবে দান ক্ষয় নাই তার ক্ষয় নাই। ![]()
![]()
৭|
২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫৩
বাগসবানি বলেছেন: আচ্ছা সংযমের মাসে আমরা এত অসংযমী আচরণ করি কেন?
যার আছে সে আরও পায়, যার নাই ....
২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০০
খলিল মাহ্মুদ বলেছেন: সংযমের সংজ্ঞা বুঝি, কিন্তু সংযম চর্চা করি না আমরা।
যার আছে সে আরো পায়, যার নাই.... একটা গল্প শোনেন।
এক কৃষকের ক্ষেতে পোকায় ফসল নষ্ট করলে সে পেলো ১১ মাসের ফসল। বাকি ১ মাস কিভাবে চলবে, এ নিয়ে তার কান্নাকাটি। ঐ সময়ে ঐ কৃষকের পাশ দিয়ে যাচ্ছিল আরেক কৃষক। তার ফসলেও পোকা ধরেছিল, কিন্তু সে পেয়েছে মাত্র ১ মাস চলার ফসল। তো, সে কী করলো, তার ১ মাসের ফসল ঐ আগের কৃষককে দান করে দিল এই ভেবে- তাকে তো এমনিতেই ১১ মাস না খেয়ে চলতে হতো; না হয় সে ১২ মাসই এখন না খেয়ে থাকবে। অন্যদিকে ঐ কৃষক এই ১ মাস দিয়ে তার ১২ মাস পুরা করে সুখে শান্তিতে থাকুক।
এটা হলো জীবন দর্শন, যে যেভাবে নেয়।
৮|
২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫৪
এনটনি বলেছেন: নারীর অধিকার বলে কথা ...
২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১৯
খলিল মাহ্মুদ বলেছেন: ![]()
৯|
২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০৫
দি ফ্লাইং ডাচম্যান বলেছেন: আমি তো অন্য "শখ" ভাইবা ঢুকসিলাম ![]()
পোষ্টে প্লাস!
২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১৮
খলিল মাহ্মুদ বলেছেন: বুঝতাম পারছি ![]()
![]()
![]()
১০|
২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০৮
বাবুনি সুপ্তি বলেছেন: ঈদ মোবারক ![]()
২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১৭
খলিল মাহ্মুদ বলেছেন: ঈদ মোবারক।
১১|
২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪০
ওয়ার হিরো বলেছেন: এই হয়, আমিও এমন অনেক দেখছি আমার আশেপাশে।
পুরুষ মানুষের শখ থাকতে হয়।
২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪৬
খলিল মাহ্মুদ বলেছেন: আসলেই, পুরুষ মানুষের শখ থাকতে হয়।
©somewhere in net ltd.
১|
২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:৫৫
আমড়া কাঠের ঢেকি বলেছেন: প্লাস