নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ঘাসগুলি খুব গোপনে ফোটায় ছোট ছোট সাদা ফুল

উঁকি দাও ফুল!

খারেজি

এইপথে আলো জ্বেলে এ পথেই পৃথিবীর ক্রমমুক্তি হবে, সে অনেক শতাব্দীর মনীষির কাজ.....

খারেজি › বিস্তারিত পোস্টঃ

'খারেজি' কি বস্তু!

২৪ শে জুলাই, ২০১২ রাত ১২:১৬

ইসলাম থেকে খারিজ হয়ে যাওয়া একটা ফেরকার নামে কেন নিজের নাম নিলাম, এই জানায়া একজন মেইল করছিলেন বহু আগে। হঠাত মনে হৈল ব্লগে একটা উত্তর দেই, তারে ব্যক্তিগতভাবে এই ফিরতি মেইলটাই পাঠাইছিলাম।



খারেজি একটা ফিরকা, সন্দেহ নাই। মুসলমানদের মাঝে প্রথম স্থায়ী ফিরকা খারেজিরা, এই অপবাদও সত্য। ফিরকা আসমান থেকে আসে না। দ্বন্দ্ব যখন আসে, তখনই ফিরকার জন্ম হয়। দেখবেন সুন্নী মুসলমানরা ইসলামের প্রথম দ্বন্দ্ব বিষয়ে (উটের যুদ্ধ যাতে প্রথম রক্তপাত ঘটালো মুসলমান মুসলমানের, আয়েশা এক পক্ষের নেতৃত্ব দিয়েছেন উটের পিঠে চড়ে, আরেক পক্ষে হযরত আলী) কাউরে দোষারোপ করে না। কিন্তু স্পর্শকাতর মন এইটা না মাইনা পারে না, মুসলমানের রক্ত ঝরলো (অবুঝের মন প্রথমে মুসলমানের রক্তরেই মনে হয় দামি ভাবে, পরে ক্রমে স্পর্শকাতরতার গুনেই মানুষের রক্তরেই মূল্য দিতে শেখে), মানুষ খুন হৈলো, কিন্তু কেউ দোষী সাব্যস্ত হৈল না কেন?



একটাই ব্যাখ্যা, যারা জিতলেন, তারা যারা পরাজিত, তাদের যোগ্য সন্মান দিলেন। মা আয়েশা সন্মানের সাথে, প্রাচুর্যের মাঝেই বাকি জীবন কাটাতে পারলেন। এইখানে যুদ্ধে নেতৃত্ব দেয়া উভয়পক্ষই আসলে পরস্পরকে আক্রমণ করে মুসলমানদের মাঝে অজনপ্রিয় হবার ঝুঁকি খুব বেশি নিতে চান নাই, তাই যুদ্ধ শেষ হওয়া মাত্র পরাজিত পক্ষও তাজিমের সাথেই গৃহীত হলেন। মা আয়েশা অসংখ্য হাদিস আর ইসলামি ধারণার প্রবর্তনের সাথে যুক্ত, বিশেষত তিনি নারীর অধিকারের পক্ষে যথাসম্ভব লড়াই করছেন।



কিন্তু, মর্যাদার ভারসাম্য যদি এতটা নিকটবর্তী না হয়? যদি যারা পরাজিত, তারা শত্রু হিসেবেও হীনতর হিসেবে চিত্রিত থাকে? দ্বন্দ্বটা যদি স্রেফ খলিফা কে হবেন তা না নিয়ে আরও গভীরতর প্রশ্ন নিয়ে হয়? এত সহজে মিমাংসা তখন আর সম্ভব হয় না। যেমন বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে যারা পরাজিত, পয়লা চোটের ধাক্কা যারা সামলাতে পেরেছিল, তাদের বেশিরভাগটাই কিন্তু খুব দ্রুত ক্ষমতাসীনের নৈকট্যই লাভ করেছিলো। কারণ, যারা যুদ্ধটাতে জিতেছিল, তারা এক ছিল না, তাদের মাঝেও খারেজি ছিল-- জাসদ। জাসদ হলো মুক্তিযুদ্ধের আকাঙ্ক্ষা, যাদেরকে হত্যা করা হবে।



তো, প্রসঙ্গান্তরে না যাই। ইসলামের দুইটা বিষয় সব সময়েই ভিন্ন ভিন্ন তরিকার এবং চিন্তার জন্ম দিয়েছে। সেটা হলো একদিকে তত্ত্বগতভাবে নারীপুরুষ, আরবঅনারব, সাদাকালো, গরিবধনী নির্বিশেষে সকলে আল্লাহর চোখে সমান। অন্যদিকে অনুশীলনে একটা বেজায় পার্থক্য, কোন কোন ক্ষেত্রে তত্ত্বেও এই পার্থক্যকে অনুমোদন।



আরবে যে জাতিগুলা ইসলাম গ্রহণ করেছিল নানান চাপে, লোভে, আকর্ষণে কিংবা উদ্ধুদ্ধ হয়ে, খুব দ্রুত তাদের একটা বড় অংশ উপলদ্ধি করল যে মদিনাকেন্দ্রিক রাষ্ট্রটাতে যে শুধু মদিনাবাসীরই অংশগ্রহণ সামান্য নয়, বাকি আরবদের জন্যও সেটা ভয়াবহ বৈষম্যমূলক। বিশেষ করে নবীর মৃত্যুর পর এই উপলদ্ধিটা প্রকাশেরও সুযোগ পায়। তার মৃত্যুর পরপরই অসংখ্য বিদ্রোহ, মিথ্যা নবী, নারী নবীর আবির্ভাব ঘটে একেকটা আরব গোত্রে, তারা আসলে তাদের গোত্রের স্বাধীনাতর ওপর মদীনাকেন্দ্রিক রাষ্ট্রের জোয়াল থেকে মুক্ত হবারই আওয়াজ তুলছিলেন। কিন্তু ইসলাম ততদিনে অনেকটাই সংহত, প্রথম খলিফা আবু বকর খুব সহজেই তা দমন করে ফেলেন। সম্পূর্ণ আরব ইসলামের তরবারির শান্তির নিচেই অবস্থান করলো।



কিন্তু বাস্তব বিভাজন আর বৈষম্যটা তো থাকল। এখন একটা সঙ্কট তৈরি হলো যার চেহারাটা এমন: যে গোত্রগুলো কিছুদিন আগেও ছিল স্বাধীনচেতা বেদুইন, তারা এখন একটা কেন্দ্রীভূত ধর্মের অধীন। ফলে স্বাধীন জীবনের বহু সংস্কৃতি তারা ত্যাগ করলেও স্বাধীন স্পৃহাটা ত্যাগ তারা সহজে করে নাই। ফলে ইসলামের ধারণার সেইটাই তারা গ্রহণ করলো, যেটা তার অনুশীলন না, যেটাকে তারা তার মূল্যবোধের সারবস্তু হিসেবে চিনতে সক্ষম হলো।



খারেজিরা যেমন নবীর বহু অনুশীলনকেও, আরবের বহু চর্চা হিসেবে যা বহু কাল ধর ছিল, যেমন বাল্য বিবাহ, অনুমোদন করতো না। কেননা বিবাহ দুইজন মানুষের মাঝে চুক্তি, ইসলামী শরিয়ামতে। কিন্তু বালিকার বাবালেকের তো স্বাধীন মত নাই! তারা আরব অনারবে বিভেদ কিছুতেই মানত না। কুরাইশ-অকুরাইশ বিভেদের তারা শিকার ছিল, কিন্তু সেই বোধটারে তারা আরও যারা লাঞ্ছিত, তাদের পর্যন্ত ছড়িয়ে দিতে সক্ষম হয়েছিল। ভাষা আন্দোলন করা আমরা সেইটা কতদূর পারছি? সাদাকালো বিভেদের উর্ধে উঠতে পারছিল এই রকম আর একটা মত সেই যুগে আপনি পাবেন না। অসম্ভব। নারী-পুরুষ বৈষম্য তারা মানতোই না শুধু, তাদের কোন কোন উপদল মনে করতো নারীরাও খলিফা হবার যোগ্য। হাসিনা-খালেদারে ভোট দিয়া আপনারা খারেজিগো অনুসরণ করা ছাড়া আর কি কর্লেন? সম্পদের বন্টন, ভোটাধিকার তখন ছিল না বটে, কিন্তু সকলের সম্মতিতে সিদ্ধান্ত গ্রহণ এই সব বিষয়েও তারা ছিল সমতাবাদী। গণতান্ত্রিক।





আর কিছু লাগে খারেজি হবার জন্য?



লাগে, তাদের দলে কেমন ছিল, দোদুল্যমান মধ্যচিত্ত এই প্রশ্নটা না কৈরা পারে? বিশ্বাস করেন আর নাই করেন, সংখ্যায গুনলে আরবের বেশিরভাগ মুসলমান গোত্রগুলা খারেজিদের পক্ষে অবস্থান নিছিলেন। সততা, সাহস, ঈমান আর ধৈয্যের পরীক্ষায় তারা যে সব দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন, সেটা শত্রুদেরও পিলে চমকায়া দিত। খারেজিরা জীনে-ভূতে বিশ্বাস করতো না, জাদুটোনায় আস্থা রাখতো না। আমাদের স্টান্ডার্ডে তাদের খুবই কর্কশ আর রূঢ় মনে হবে, কিন্তু মহাশয় খেয়াল রাখবেন, নিষ্ঠূর একটা যুদ্ধের মধ্য দিয়া তাদের শত শত বছর টিকে থাকতে হৈছে। অন্যাযভাবে শত্রুকে খুন করছে, এই রকম নজির তাদের শত্রুরা তেমন একটা দেখান না, রক্তপাতের কথা আছে অবশষ্য প্রচুর। কিন্তু তাদের একটা বাহিনী পরাজিত বা বন্দি হলে কোনদিন মাফ পায় নাই।



খারেজিরা তাইলে কেন হারল? কারণটা খুব সোজা। এইটা এমন একটা আদর্শের ভ্রুন, যেটার জন্য দুনিয়া তখনও পোক্ত হয় নাই। প্রাচীন সাম্যবাদ তাই কখনো টেকে নাই, কারণ মানুষের অবসর আর প্রাচুর্য একই সাথে এই দুই চাহিদা মেটাবার মত প্রযুক্তির বিকাশ তখন হয় নাই। তাই বলে যে আদর্শ এই মাত্র মনে জন্ম নিল, সে কি শুধু ভাবের খেলা হিসেবেই থাকবে? খারেজি নামের ভাব তাই মাঠেও খেলা করতে নামল। আসলে এইটা ছিল একটা স্বাধীনতার যুদ্ধ, ইসলামের রাজনৈতিক ক্ষমতার সাথে ইসলামের আদর্শের বহুস্তরের লড়াইয়ের একটা ফর্ম।



রাজনৈতিক দর্শনের দিক দিয়া তাই খারেজি নৈরাষ্ট্রিক। খারেজিদের লেখালেখি এমনিতেই ছিল খুব কম, তাও আবার অধিকাংশই পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে। খারেজিরা রক্ষা পেয়েছে তাই শুধু শত্রুর বর্ণনাতেই।



খারেজিদের নিয়া আরও জানতে চান? ড. আহমেদ আমীন এর লেখা দুহহাল ইসলাম নামের কয়েক খন্ডের একটা বই আছে, মিশরী্ রূদ্ধশ্বাস একটা বর্ণনা পাইবেন। ভালকথা, আমীন সাহেবের মত হৈল মুতাজিলি নামের সম্প্রদায়টি আসলে খারেজিদের কিছুটা নাগরিক জ্ঞান-জগতীয় সংস্করণ, কিছু পার্থক্য সমেত। আর পড়তে পারেন লায়লা আহমেদের একটা বই, ওমেন অ্যান্ড জেন্ডার ইন ইসলাম।



আরও বলি, খারেজিদের আর একটা আরও উত্তরসূরি ছিল, তাদের নাম কারামাতিয়া। ধর্মতত্ত্বের হাতিয়ার দিয়া রাষ্ট্রকে লড়াই করার দিক দিয়া তারা ছিল অনন্য।



খারেজিকে নিয়া একটা কবিতা লেখছিলাম, কিন্তু এইটা একট বৈষ্ণবমার্কা হয়া গেছে। কি করা, বঙ্গীয় জলহাওয়ার দোষে দুষ্ট।

এপিটাফ

মন্তব্য ৩৫ টি রেটিং +১১/-০

মন্তব্য (৩৫) মন্তব্য লিখুন

১| ২৪ শে জুলাই, ২০১২ রাত ১২:৪০

পীরসাহেব বলেছেন: এপিটাফ এর লিংকটা একটু ঠিক কৈরা দেন ব্রাদার। আরেকটু রেগুলার হন পারলে। কৈ ডুব মারেন হঠাৎ হঠাৎ? এই লেখাটা আরেকটু বড় কৈরা দেওন যায় না?

২৪ শে জুলাই, ২০১২ রাত ১২:৪৯

খারেজি বলেছেন: ধন্যবাদ পীরসাহেব। কেমনে যানি লিঙ্কটা গড়বড় হয়া গেছিলো, ঠিক কর্লাম।

কিন্তু ঠিক না করলেও হৈত, এই বর্ণনা এখন মনে হচ্ছে খারেজিদের সাথে একদমই যায় না। এইটা আসলে চৈতন্যেদেবের ঢাকাই সংস্করণ, ওই যে হাঁটাবাবা আছেন না একজন, তার টাইপ।

এইটা আসলে যা মেইল করছিলাম, সেইটাই কপি করা। বইগুলা কিন্তু খুব সহজপ্রাপ্য, আমহদ আমীনেরটা অনুবাদ করছিল ইসলামিক ফাউন্ডেশন। ইংরেজিও পাইছিলাম। নেটে থাকার চান্স বিস্তর।

২| ২৪ শে জুলাই, ২০১২ রাত ১২:৪২

পারভেজ আলম বলেছেন: দারুন লিখছেন। খারেজিরা বহুদিক থিকাই সুন্নি, সিয়াদের চেয়ে আমদের চোখে গ্রহণোযোগ্য হবে বেশি। তয় আমাদের চোখে অত্যন্ত গোড়া মনে হবে এমন কিছু বৈশিষ্টও তাদের ছিল। আমি খারেজিদের বিষয়ে তাই আরেকটু নির্মোহ থাকার পক্ষে। আমার আগ্রহ বেশি মুতাজিলাদের নিয়া।

তয় আপনের নাম হিসাবে খারেজি পার্ফেক্ট। ফ্যারকা লাগায়া যান। ফ্যারকার দরকার আছে।

২৪ শে জুলাই, ২০১২ রাত ১২:৫৫

খারেজি বলেছেন: লেখক বলেছেন: আসলে কি আমার কাছে এই্টাই আজব লাগে, আমরা অধিকাংশ ইসলামধর্মাবলম্বী মতামতের দিক দিয়া খারেজি, কোন কোন দিকে মুতাজিলি, কোন কোন জায়গায় এমনকি ওয়াহাবি মতের সুবিধা নেই... কিন্তু ভাবখানা ধরি এমন যেন মদীনার ইসলামই আমার ইসলাম।

ব্লগে আসলাম ভক্তিরস দিতে, আপনে কন ক্যারফা লাগাই!

"এলেম আমি পিরিতীর সাধে,
এরা চোর বলে বাধে"

ময়মনসিংহের পাগলাই ধূম নামের বিদ্রোহের গান, গৌতম ভদ্র থেকে নিলাম। মিলটা মারাত্মক

৩| ২৪ শে জুলাই, ২০১২ রাত ১২:৪২

জটিল বলেছেন:
জানলাম, ধন্যবাদ খারেজি

২৪ শে জুলাই, ২০১২ রাত ১২:৫৩

খারেজি বলেছেন: ধন্যবাদ, জটিলেশ্বর।

৪| ২৪ শে জুলাই, ২০১২ রাত ১:০৫

পারভেজ আলম বলেছেন: আরে, মিলটা আসলেই মারাত্মক।

হক কথা কইছেন। এটা নিয়া প্রায়ই বলি। দরকার মতো পুজিবাদী আধুনিক, দরকার মতো মদিনার জেহাদী, বাঙালি মুসলমান বলে কথা। তত্ত্ব বা ভাব কোনটারই ঠিক নাই, ঠিক আছে খালি ট্যাগবাজি। এটা নিয়া বিরক্ত হইয়া আজকে কিছুক্ষন আগে পোস্টও দিলাম।

৫| ২৪ শে জুলাই, ২০১২ রাত ১:১৪

ৈসকত ইসলাম বলেছেন: জানার কোন শেষ নাই ,,, ধন্যবাদ সুন্দর একটি পোস্টের জন্য

২৪ শে জুলাই, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:০০

খারেজি বলেছেন: পড়ার জন্যও ধন্যবাদ।

৬| ২৪ শে জুলাই, ২০১২ রাত ১:১৭

অনিক আহসান বলেছেন: উমাইয়া ও হাশিমিরা খেলাফতের পতাকা ভাগাভাগী কইরা নিলো তাইলে আরবের বাকি লোক কি হুদামুদা? খারেজিরা তাদের পয়েন্টে একেবারে ফেলনা না।

২৪ শে জুলাই, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:০২

খারেজি বলেছেন: সেই টাই কথা, যারা ক্ষমতার ভাগ পাইলো না তারা হুদামুদা কেন হবে? এই বঞ্চনার উপলদ্ধি কিন্তু তাদের মাঝে আরও যে সব দার্শনিক মানবিক উপলদ্ধি নিয়ে আসলো, তার ফলাফল সুদূরপ্রসারী। যেমন তারা নারীর সাম্য নিয়ে, সাদাকালো ভেদাভেদ নিয়ে, সম্পদের বন্টন নিয়েও প্রশ্ন তোলা শুরু করল।

৭| ২৪ শে জুলাই, ২০১২ ভোর ৪:১৮

রাজদরবার বলেছেন: বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্য সৌদি আরব খারিজী ফেরকার লোকরাই চালাচ্ছে।

খারেজ শব্দের অর্থ চ্যুত। তারা খিলাফতকে অস্বীকার করেছিল। পরবর্তীতে তারা তাসাউফ এবং মাযহাবের ইমামদের পর্যন্ত অস্বীকার করে। খারেজিরা হল উগ্র, চরমপন্থী। আজকের ওসামা বিন লাদেন খারিজী মতবাদের ফসল।

তারা মনে করে, তারাই মুসলমান আর বাকি সবাই কাফির।

যা সৌদিদের মূল বৈশিষ্ট্য। এরা শবেবরাত ঈদে মীলাদুন্নবীর সময় বিরোধিতায় লিপ্ত হয়। এরা ইসলামের আদি আসল রূপকে পাল্টে নিজেদের ব্যাখা বিশ্লেষণ চালু করতে আগ্রহী। ইসলাম যে গুরুশিষ্য পরম্পরার বিষয়, মাযহাবের ইমামগণের যে শিষ্যত্ব তা তারা মানে না। কারণ তাদের মনে কোন ভক্তিরস নেই, আছে কর্কশ রুক্ষতা।

এই বাংলার মানুষ ওলীআল্লাহর প্রতি ভক্তিশ্রদ্ধায় বিশ্বাসী, মাযহাবের ইমামদের প্রতি অনুগত। আনুগত্য ও কোমলতার বিপরীতে খারেজি মতবাদ উগ্রতা ও নির্মমতার ঝান্ডা বহন করে।


২৪ শে জুলাই, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:০৬

খারেজি বলেছেন: আপনার কথার একটা অংশই খালি ঠিক, বাকি সব ভুল। খারেজিরা মনে করে তারাই খাটি মুসলমান, বাকিরা ভুল। ওয়াহাবীরাও তাই মনে করে বটে।

কিন্তু আর কোন বিষয়ে ওয়াহাবিদের সাথে খারেজিদের মিল নাই। ওয়াহাবিরা মেয়েদের রাস্তায় নামতে দিতে চায় না একেলা, খারেজিরা তাদের খলিফার সন্মানও দিতে রাজি।

কানে কি কিছু পানি গেলেো?

আর বাংলার ইসলামের যা কিছু, তা বাংলারই। তার সাথে ইসলামের সম্পর্ক অতি সামান্য। এই ভক্তিরসের শেকড় স্থানীয় ধর্মঐতিহ্যের মাঝে। আরবে তারে পাওয়া যাবে না, খুব স্বাভাবিক।

তাই ওয়াহাবি হানাফি খারেজি হাম্বলী মুতাজিলী কোন আরব্ উদ্ভুদ মতেই ভক্তিরসের প্রাবল্য নাই। এই্টা সুফিরা পাইছেন পারস্য আর ভারত থেকে।

৮| ২৪ শে জুলাই, ২০১২ ভোর ৫:০৬

ডিজিটাল ভাই বলেছেন: 'খারেজি' কি বস্তু! - ভাই কইবার পারুম না । আপনাদের মত মস্ত বড় জ্ঞানী হইবার চাই না । ঐ জ্ঞানের কোন দরকার নাই, যে জ্ঞান - অতি সূক্ষ তন্তু দিয়ে নিখুঁতভাবে গড়া পৃথিবীর সবচেয়ে আশ্চার্যিত অস্তিত্ব নিজের শরীরকে দেখেও আশ্চার্যন্বিত হতে পারে না - সে জ্ঞান শেখার আমার কোন দরকার নাই । :| :| :|

আচ্ছা, আশ্চার্যন্বিত হবার জন্য আপনাদের আরও কত জ্ঞান অন্বেষণ করা দরকার ? 8-| 8-|

২৪ শে জুলাই, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:০৮

খারেজি বলেছেন: আশ্চর্য হয়া আপন কেশদর্শন করতে থাকো, বেকুব।

যা হৈতে চাও না, সেইখানে ল্যাজটা ঢুকায়া সকলের টাইম নষ্ট কৈর না।

৯| ২৪ শে জুলাই, ২০১২ ভোর ৬:২৭

বিবেকহীন বলেছেন: পাবলিক মাত্রই কোন না কোন ক্ষেত্রে অল্প-বেশী খারেজী, যে ধর্মেরই হোক না। কথা হইলো ঝামেলা তখনই পাকে যখন খারেজীগিরি মাত্রা ছাড়া হয়ে যায়।

২৪ শে জুলাই, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:১৩

খারেজি বলেছেন: প্রথম লাইনটাতে খুবই একমত।

কথা দ্বিতীয় লাইনটা নিয়া। মাত্রাটা আসলে তখনই সীমা ছাড়ে যখন তার কারণ ঘটে। তখন মীমাংসাটা বলপ্রয়োগ ছাড়া হয়ই না।

কিন্তু যে জিতে সেই যেহেতু ইতিহাস লেখে, ফলে নিজের হাতের রক্ত লুকায়া সে পরের নামে রক্তপাত চাপায়া দেয়।

১০| ২৪ শে জুলাই, ২০১২ দুপুর ২:১৬

পারভেজ রবিন বলেছেন: কিন্তু আমি যতদূর জানি খারেজী হল ইসলামী রাষ্ট্র থকে খারজে, ইসলাম থেকে না।

২৪ শে জুলাই, ২০১২ রাত ৯:৫২

খারেজি বলেছেন: লেখক বলেছেন: দেখা যাইতেছে বেশ অনেকদূর ভুল জানেন আপনি। দোষের কিছু নাই। এইটা আসলে একটা জনপ্রিয় ভুল ধারণা।

খারেজি কথাটার মানে বরং উল্টা, যারা প্রত্যাখ্যান করল কিংবা যারা বেড়িয়ে আসলো। মানে তাদেরকে কেউ ধর্ম বা রাষ্ট্র থেকে বের করে দেয়নি, বরং তাদের সমর্থন পেতেই উদগ্রিব ছিল। তারাই উভয়পক্ষকে (মুয়াবিয়া এবং আলী) ইসলাম থেকে বিচ্যুত বলে ঘোষণা দিয়েছিল।

খারেজি বাদে বাকি দুই দলের হিপোক্রেসি হৈল, তারা পরস্পরকে কতল করতেছে কিন্তু এমন চরম অভিযোগের পড়ও তাদের ধর্মচ্যুত বলতে সাহস করতেছে না। কারণ, একই অপরাধে তারা নিজেরাও দায়ভাগী।

কিন্তু খারেজিদের এই হিপোক্রেসিটা নাই বলে বাকি দুই দলই খারেজির বিষয়ে একাট্টা। কিন্তু দেখেন, একমাত্র খারেজিরাই ব্যক্তিগত খেলাফতের জন্য না, আদর্শের জন্য যুদ্ধ করছে।

১১| ২৪ শে জুলাই, ২০১২ বিকাল ৩:০২

নিয়ানডার্থাল বলেছেন: ভালো লাগলো।।
+++প্লাস

২৪ শে জুলাই, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:২১

খারেজি বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ কষ্ট করে পড়ার জন্য।

১২| ২৪ শে জুলাই, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:৪৪

রাজদরবার বলেছেন: আরবের বর্তমান ওয়াহাবী শাসকদের ক্ষমতায় আসার ইতিহাস ১০০ বছরেরও নয়। তাদের আসার আগে আরবে সূফী দরবেশ মাজার শরীফ সবই ছিল। ওহাবী তথা খারেজীরা এসে সেগুলো শহীদ করে। সুতরাং আরব থেকে ভক্তিরস আসেনি, কথাটা ঠিক নয়।

আর খারেজিরা তাদের মেয়েদের স্বাধীনতা দিত আর মুসলমানরা দিত না, এই কথাটা রীতিমতো হাস্যকর।

খারেজিদের খারেজি বলা হয় আল্লাহপাক কর্তৃক মনোনীত খলীফার প্রতি তাদের বিরোধিতার জন্য। অর্থাৎ তারা মনোনীতদের বিরোধিতা করে। যেমন মাযহাবের ইমামগণ মনোনীত। তাদের তারা মানে না। ওহাবীরাও মানে না।

এই দেশে খারেজি হল জামায়াত আর তাবলীগ।

২৪ শে জুলাই, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:৫৯

খারেজি বলেছেন: কি রকম মূর্খ সব কমেন্ট একের পর এক আসতেছে!

প্রথম কথা হলো, খারেজি কথাটার উৎপত্তি নিয়া। সকল ইতিহাসের বইয়েই পাওয়া যাবে ঘটনাটা, এই দলটিকে কেউ খারিজ করেনি, তারাই বাকিদের ইসলামের মূল আদর্শের বিরোধী বলে তাদের থেকে আলাদতা হয়েছে।

দ্বিতীযত, হাবার মত কথা হল আল্লাহ কর্তৃক মনোনীত খলিফার প্রতি বিরোধিতা। আল্লা এই মনোনয়নটা দিলেন কিভাবে? উনি তো কারও সাক্ষাতে এই মনোনয়ন দেন নাই।

তৃতীয়ত, খারেজিরা কিন্তু হযরত আলীর খেলাফতকে ন্যায্য বলে মেনে নিতে রাজি ছিল। কিন্তু যখনআলী নিজে মুয়াবিয়ার সাথে আপোষরফায় গেলেন, তখন তাকে খারেজিরা প্রত্যাখ্যান করে বললেন, ন্যায়ের প্রশ্নে, ধর্মের প্রশ্নে কোন মধ্যস্ততা হতে পারে না। হযরত আলী বলা চলে আল্লাহর উপর ভরসা না রেখে মুয়াবিয়ার শত্রুতায় ভীত হলেন এবং সমঝোতাই করলেন। ফলে এখানে আল্লাহ কর্তৃক নির্ধারিত খলিফার প্রশ্নই আসে না।

মাযহাবের ইমামগণকে কারা নির্ধারণ করলো? কিডা? তাদের এখতিয়ার কি? আমি বা আপনে কেন মাযহাবের নয়া নেতা না? মাযহাবের রাস্তা কবে বন্ধ হৈল? কে তা নির্ধারণ করলো? এইগুলা মাযহাবি শিরক, এর সাথে ইসলামের সম্পর্ক কি?


ওয়াহাবীরা ক্ষমতায় আসার আগে আরবের কর্তৃত্বে ছিল তুর্কীরা। জাতিগতভাবে তারা বিপুলপরিমানে এশীয় লৌকিক সংস্কৃতির অনুসারী ছিলো, সঙ্গত কারণেই ইসলাম গ্রহণ করলেও তাদের সাথে আরব মুসলমাদের পার্থক্য ছিল বিশাল। কোন কোন আরব সুফি মতাদর্শ গ্রহণ করলেও সংখ্যায় তা খুব কম। বরং তুর্কী আর পারসিকদের মাঝেই এর পরিমান বেশি ছিল, সুফিদের অধিকাংশ তত্ত্ব ভারতীয় আর গ্রিক দর্শন থেকে অনুপ্রাণিত, এইটা ইসলামের ইতিহাসের শিশুপাঠকরাও জানে।

এইখানে ওয়হাবী বা সৌদিদের আরব বিজয় আসলে তুর্কীদের শাসনের একটা প্রতিক্রিয়া। বিজয়ী হওয়া মাত্র আরবরা নিজেদের সংস্কৃতিতেই ফিরে গেল, এদের সাথে মিল বরং অনেক বেশি হাম্বলীদের।

আর নারী স্বাধীনতার বিষয়টা আপনি বুঝবেন না,তাই হাসিই পাবে। কোন কোন মজহাবে নারী খলিফা হতে পারবে, বলেন তো?

খারেজিদের বেশ কয়েকটি উপদল নারীদেরও খলিফা হবার যোগ্য বলে মনে করত।

২৪ শে জুলাই, ২০১২ রাত ৮:০৩

খারেজি বলেছেন: আর জামাত আর তাবলিগ এই দেশে খারেজি!! আপনে জামাত, তাবলীগ, খারেজি তিনটার কোন কিছুই বোঝেন না। আন্দাজে দুধ সাদা দই সাদা দুইটাই এক ধরনের বাখোয়াজি করেন।

জামাত হৈল একটা আধুনিক ফ্যাসিস্ট দল। তাবলিগ হৈল বীচিহীন ইসলামি সংস্কৃতি গড়ে তোলার দল।

খারেজি বলে এখন কিছু আর হওয়া সম্ভব না, কারণ তারা যা যা মনে করে, সেই কাজগুলা এখন আর ধর্মীয় আন্দোলনে করা সম্ভব না, এখন এইটা ঘটে রাজনৈতিক আন্দোলনে।

আজকের খারেজি ধরেন অকুপাই ওয়াল স্ট্রিট মুভমেন্ট।

১৩| ২৪ শে জুলাই, ২০১২ রাত ১০:১৮

পারভেজ আলম বলেছেন: আজকের খারেজি ধরেন অকুপাই ওয়াল স্ট্রিট মুভমেন্ট।

আপনের এই লাইনটা থেকে আসলে খারেজিদের আপনি ঠিক কোন দৃষ্টিকোন থেকে দেখতাছেন সেটা আরো পরিস্কার হইলো। আপনের মূল পোস্টের চেয়ে অনেক বেশি পরিস্কার বক্তব্য। আপনে খারেজিদের যাস্ট ইসলামের ইতিহাসের ভিতর দিয়া দেখতাছেন না। সমাজতত্ত্বের ইতিহাস আর ননকনফর্মিস্ট সংগ্রামের জায়গা থেকে দেখতাছেন। হুম, খারেজি শব্দটারে ধারনা হিসাবে নিয়া এই আঙ্গিকে ব্যাবহার করলে খারাপ হয়না।

২৪ শে জুলাই, ২০১২ রাত ১০:৪৫

খারেজি বলেছেন: দ্যাখেন, আমি কিন্তু পোস্টেই বলছি, জাসদ ছিল মুক্তিযুদ্ধের খারেজি। আকাঙ্ক্ষা যা একটা যুদ্ধের আদর্শটাকে আকড়ে ধরেছে এবং যুদ্ধের বিজয়ীদের অনুশীলনকে বর্জন করেছে। আওয়ামী লীগ হলো মুয়াবিয়ার দল, আর সিপিবি-ন্যাপ হলো কনফরমিস্টরা যারা আদর্শের কথা বললেও কার্যত ওই আমলের সব কার্যকলাপরে জায়েজ করছে। এইটা একটা তুলনার চেষ্টা, যদিও ঘটনা দুইটার বৈচিত্র এত বেশি যে তুল্যমূল্য করা যায় না, কিন্তু সাদৃশ্যটা বোঝা যায়। খারেজিদের তত্ত্বের কিছুটা অবিকাশের সাথেও, মোটা দাগে সব কিছু চিহ্নত করার সাথেও জাসদের একটা মিল আছে।

কিন্তু এই রোমান্টিকতার আহ্বান এড়ানো মুশকিল। তাহের তাই আমার হিরো। আমাদের খারেজি।

আর ঐতিহাসিক সমাজতাত্ত্বিক দিক দিয়া বিচার করলে, এই কথাটাও পোস্টে আছে, খারেজিরা এমনকি নবীর বহু অনুশীলনকেও, সাহাবা আর খলিফাদের বহু সিদ্ধান্তকেও বাতিল করলো ইসলামের মৌল আদর্শের বিরোধী হিসেবে। এইটা তাইলে আদর্শ আর ক্ষমতাসীনের অনুশীলনের বিরোধে যে বজ্রবিদ্যুত জন্ম নেয়, তারই ঝলক।

মার্কিন ওয়াল স্ট্রিট ওয়ালারা ঠিক কম্যুনিস্ট না। তাদের বড় একটা অংশের বক্তব্য ফাউন্ডিং ফাদারদের আদর্শ থেকে যুক্ত রাষ্ট্র সরে গিয়েছে, তারা এখন কর্পোরেটের দখলে। এই দিক দিয়া তারাও মার্কিন অনুশীলন আর তার জন্মতত্ত্বের যে সাম্যের ঘোষনা, তারই দ্বন্দ্বটাকে দেখায়া দেয়।

১৪| ২৫ শে জুলাই, ২০১২ দুপুর ২:১১

রাজদরবার বলেছেন: সুফিদের অধিকাংশ তত্ত্ব ভারতীয় আর গ্রিক দর্শন থেকে অনুপ্রাণিত, এইটা ইসলামের ইতিহাসের শিশুপাঠকরাও জানে।

ইসলামের ইতিহাসের শিশুপাঠকরা জানে যে ইমাম গাজ্জালী রহমাতুল্লাহি আলাইহি, যিনি সূফীদের মধ্যে সর্বপ্রথম সারির, গ্রীক দর্শনের বিরোধিতা করেছেন।

আর সূফীদের কারণেই ভারতের হিন্দুরা মুসলমান হয়েছে। হিন্দুদের যোগী ঋষিরা প্রস্রাব পায়খানা খেয়ে থাকে। হিন্দুদর্শনের সাথে তাসাউফের বিস্তর ফারাক।

তাসাউফ কোন দর্শন বা মতবাদ নয় এটি ইসলামের অঙ্গ।

গ্রীক বা ভারতীয় দর্শনের কথা বলাটা অবান্তর। অনেকেই ওহাবী সম্প্রদায়ের দোহাই দিয়ে দাবি করে মধ্যপ্রাচ্যে তাসাউফ নেই, মাজার নেই, শবেবরাত নেই। অথচ সব একশ বছর আগেও ছিল।

হাম্বলীরা সূফী নয়! হযরত বড়পীর সাহেব রহমাতুল্লাহি আলাইহি কোন মাযহাবের ছিলেন জানেন? চার মাযহাবের সবই বিশুদ্ধ। খারিজীরা এর বাইরে।


জামাত হৈল একটা আধুনিক ফ্যাসিস্ট দল। তাবলিগ হৈল বীচিহীন ইসলামি সংস্কৃতি গড়ে তোলার দল।


আর খারিজীরাও ফ্যাসিস্ট, চরমপন্থী। তাসাউফের সাথে তাদের সম্পর্ক নেই বলেই তারা নপুংসক। সূফীদের হাত দিয়ে যে ইসলামী সংস্কৃতি এবং কাব্য সাহিত্যের জন্ম হয়েছে তা কিন্তু খারিজীদের দিয়ে হয় নি হবেও না। যেমন হচ্ছে না জামাতি তাবলিগী দিয়ে। আমি তাদের খারিজী বলেছি ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে। এর একটি বড় কারণ তারা তাসাউফের সিলসিলা থেকে খারিজ বা বিচ্যুত।

তাসাউফের সিলসিলা বা শাজরা সম্পর্কে আপনি কি জানেন? কয়টি তরিক্বা আছে, তাদের নাম কি, কিংবা তাদের সিলসিলা সম্পর্কে না জেনে কতগুলো বিভ্রান্তিমূলক তথ্যের জোরে আপনারা গেনী সাজতে চান। গায়ের জোরে তাসাউফকে গ্রীক দর্শনের সাথে মিলানোটা খুবই হাস্যকর।

১৪ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ১১:১৭

খারেজি বলেছেন: রাজুভাই, খামাখা সময় নষ্ট কৈরেন না। গ্রিক দর্শন বলতে একক কোন দর্শন নাই। এইখানে আধ্যাত্মবাদী ম্যালা ছিল, মরমীবাদী বহু ছিল। রোমান দখলদারিত্বের সুবাদে মধ্যপ্রাচ্য গ্রিক দর্শনের স্রোতে ভেসে গিয়েছিল, সেমেটিক ধর্ম আর গ্রিক দর্শন মিলে বহু নতুন নতুন তত্ত্ব জন্ম নিয়েছিল।

ইহুদীদের মাঝে প্রচলিত কাবালা মত সম্পর্কে ধারণা আছে? সেটার প্রভাব সুফিদের ওপর? তাসাউফ শব্দটা নবী ব্যবহার করতেন তো? যে সব সাম্প্রদায়িক পোস্ট দিয়ে ব্লগ ভরিয়ে ফেলছেন, সুফিবাদ থেকে নিজে কতদূরে বোঝেন তা? সুফীরা যে একক কোন পথ না তা বোঝেন?

গাজ্জালি গ্রিক দর্শন বলতে গ্রিক সায়েন্সকেই বুঝিয়েছেন, প্রকৃতিবিজ্ঞান। নব্যপ্লেটোনিক গ্রিক-সেমেটিক মরমীবাদকে না।

আর একশ বছর আগে মাজার টাজার আরবে থাকা নিয়া আগের কমেন্টেও বলছি, আবার বলি, ওইটা ছিল তুর্কী প্রভাবের ফল। তুর্কীরা এশিয়, এবং যাই হোক বাকিটা আগের কমেন্ট আবার পৈড়েন।

আর খারেজিদের জন্ম কেন হৈল, সেই বিষয়টাই আসলে আপনি ধরতে পারেন নাই। ফলে এইটাকে কতিপয় দুষ্টু লোকের কাজ বলে ভাবছেন। কি আর করা।

১৫| ১০ ই আগস্ট, ২০১২ বিকাল ৩:১৯

তরু বলেছেন: মাশাল্লা! খারেজিরে দেখলাম তাইলে। খারেজি কী বস্তু সেইটা দিয়াই...মাশাল্লা।

আছো কেমন? এখন তো দেহি আরো লেখা আছে ২০১২-তে। আমি একাই গ্যাঞ্জামে ছিলাম তাহালে। বাবা মারা যাবার পর অনেকগুলো সমস্যা আর ব্যস্ততা...চেষ্টা কইরাও নিয়মিত হইতে পারলাম না।

আমার কী হবে খারেজি?

সত্যিই খুব ভালো লাগলো। সম্ভব হইলে নিয়মিত হবো আবার। আত্মপ্রেমী খারেজির দেয়ালে খারেজি ছাড়াও আর একজনের একটা লেখা ঝুলতেসে। মনে বেদম আনন্দ হইলো।

১৪ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ১১:২০

খারেজি বলেছেন: তোমারে দেখি না বৈলাই তোমার লেখা শোকেসে ঝুলাইছিলাম।

দেখা যখন হৈল, অচিরেই সরায়া ফেলব।

আত্মপ্রেমী বৈলা কথা।


পিতা একটা অদ্ভুদ বিষয়। পিতার মৃত্যুর মত ঘটনা মনে হয় আর নাই।

১৬| ০৯ ই জানুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৪:৪৫

শিকস্তি বলেছেন: বহুদিন পর আপনার লেখা পড়লাম। কেমন আছেন ইদানিং?

১৭| ১৩ ই জুন, ২০১৩ রাত ৯:৪৫

ShusthoChinta বলেছেন: বাপ্রে,কই দিয়া কই যায়! খারেজি একখান জিনিস বটে!

১৮| ১৩ ই জুন, ২০১৩ রাত ৯:৪৫

ShusthoChinta বলেছেন: বাপ্রে,কই দিয়া কই যায়! খারেজি একখান জিনিস বটে!

১৯| ১৩ ই জুন, ২০১৩ রাত ৯:৪৫

ShusthoChinta বলেছেন: বাপ্রে,কই দিয়া কই যায়! খারেজি একখান জিনিস বটে!

২০| ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৬ রাত ১০:৩৯

সৌরভ খান (বিমূর্ত) বলেছেন: এই সাহসী রচনার জন্য আপনাকে অজস্র ধন্যবাদ ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.