| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সাভারে ধসে পড়া রানা প্লাজার মালিক ও যুবলীগ নেতা সোহেল রানাকে অবশেষে গ্রেফতার করা হয়েছে। ৮ তলাবিশিষ্ট রানা প্লাজা ধসে পড়ার ৫ দিনের মাথায় তাকে গ্রেফতার করা হলো। ভবন ধসের পর থেকেই তিনি পলাতক।
রবিবার দুপুরে র্যাব এক অভিযান চালিয়ে বেনাপোল থেকে তাকে গ্রেফতার করে। তিনি এ সময় বেনাপোল দিয়ে ভারতে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন বলে জানা গেছে।
র্যারেব গোয়েন্দা শাখার প্রধান লে. কর্নেল জিয়াউল আহসান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
সাভারে উদ্ধার অভিযান তদারকিতে নিয়োজিত আওয়ামী লীগ নেতা ও স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী এডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক এ সময় রানার গ্রেফতারের খবর মাইকে ঘোষণা দিয়ে সবাইকে জানিয়ে দেন।
নানক বলেন, প্রধানমন্ত্রী ওয়াদা করেছিলেন অপরাধী যারাই হোক না কেন তাদের আইনের আওতায় আনা হবে। প্রধানমন্ত্রী তার ওয়াদা রেখেছেন।
এ সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু বলেন, যাদের গ্রেফতার করা হয়েছে তাদের বিচারের মুখোমুখি করা হবে। আর যারা এখানো আটক হয়নি, তাদের গ্রেফতার করা হবে। কেউ রেহাই পাবে না।
এ সময় রানার ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত স্থানীয় এমপি তালুকদার মো. তৌহিদ জং মুরাদও সেখানে উপস্থিত ছিলেন।
গ্রেফতারের পর তাকে হেলিকপ্টারে করে ঢাকায় নিয়ে আসা হচ্ছে।
আওয়ামী লীগের স্থানীয় এমপি মুরাদ জংয়ের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত রানাকে গ্রেফতারের জন্য দেশের বিভিন্ন স্থানে গত কয়েকদিন ধরে ব্যাপক অভিযান চালানো হচ্ছিল।
তার সন্ধান দেয়ার জন্য ইতোমধ্যেই তার স্ত্রীসহ বেশ কয়েকজন নিকট আত্মীয়কে গ্রেফতার করা হয়েছে।
এ মুহূর্তের সবচেয়ে আলোচিত এই ব্যক্তির গ্রেফতারের খবর দ্রুতগতিতে সাভারসহ গোটা দেশে ছড়িয়ে পড়ে।
রানার গ্রেফতারের খবর সাভারে ছড়িয়ে পড়ার পর ধসে পড়া রানা প্লাজার ধ্বংসস্তূপে উদ্ধার অভিযানে নিয়োজিত স্বেচ্ছাসেবী উদ্ধারকর্মীরা রানার ফাঁসির দাবিতে বিক্ষোভ শুরু করে।
তারা উদ্ধারকাজ বন্ধ রেখে রানার ফাঁসির দাবিতে নানা স্লোগান দিতে থাকে।
©somewhere in net ltd.