| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
অপ বাক
তবু ও মানুষ কাঁদে অধিকার চায় একটি শিশুর তবুও মানুষ বাঁচে কার হাতে অধিকার মানুষ না যীশুর............ অধিকার সবার চাই, মতপ্রকাশের অধিকার নামান্তরে মতদ্বৈততার আধিকার। ইতিহাস সাক্ষী সর্বদা বিজয়ীর ভাষ্য লেখা হয়, রক্তলোলুপ মানুষেরা তরবারি দিয়ে কেটে ইতিহাস লিখে, আমজনতার কথা লিখে রাখে দীক্ষ দ্রাবিড়, সেসব দ্রাবিড়দের মুখপত্র ইতিহাসে ছিলো না, দ্রাবিড়রা কখনই ক্ষমতার বলয়ে যেতে পারে নি, ফিনিশিয়, সুমেরিয় মিশরিয় ,পারসিয় সভ্যতার কিছু কিছু নিয়ে সেমিটিক ধর্মের উদ্ভব, কালের প্রবাহে সেমিটিক ধর্মই টিকে গেছে, অস্ত্রের জোড়ে, শিল্পের জোড় ছিলো না তাদের, আর অনার্য সবাই পৈত্তলিক, শয়তানের অনুচর হয়ে টিকে আছে একত্ববাদী ধর্মগ্রন্থে, আমি এসব দ্রাবিড়দের অধিকার চাই, সভ্যতার ইতিহাসে এরা শিল্পে সংস্কৃতিতে সব সময় গুরুত্বপুর্ন অবদান রেখেছে, তাদের দাবীর সপক্ষে আমি কণ্ঠ মেলালাম।
সম্পত্তির উত্তরাধিকার আইন বিষয়ে বাংলাদেশে কোনো মিছিল এবং রাজনৈতিক কর্মকান্ড নিষিদ্ধ থাকা সত্ত্বেও ভয়ংকর আন্দোলন হয়ে গেলো। সম্পদে নারীর উত্তরাধিকার পুরুষের সমান হবে। এই বিধি নিয়ে তুলকালাম কান্ড হলো বাংলাদেশে। বাংলাদেশের ধর্মান্ধ জনগন এবং বাংলাদেশের ধর্মীয় উগ্রবাদীরা চমৎকার শক্তির প্রদর্শন করে মসজিদের কার্পেট পুড়িয়ে ফেললো। পুলিশের অস্ত্রহরণ করে তাকে সেই অস্ত্রে ঘায়েল করে মৃত্যুপথযাত্রী করে দিলো।
বাংলাদেশের বর্তমান তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিয়ন্ত্রিত তত্ত্বাবধান করলেন এই অরাজকতার। সম্পদের উত্তরাধিকার বিষয়ে ইসলামী শরিয়া নারীদের কি পরিমাণ অধিকার দিয়েছে? এই পরিমাণ কি এমন যে এটা নিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়ে রাজপথ রক্তরঞ্জিত করা যায়? সাধারণ বিবেচনায় সম্পদে নারীর অধিকার পুরুষের অর্ধেক।
প্রাক ইসলামী যুগের আরবে নারীদের কোনো সম্পদের উত্তরাধিকার ছিলো না- এমনটাই জনদাবী। তবে এর পরেও খাদিজা তার স্বামীর সম্পদের উত্তরাধিকারি হয়েছিলেন। এই বিতর্ক তুলে রেখে আমরা যাচাই করে দেখি, নারীদের ইসলাম কোরাণ আর সুন্নাহর ভিত্তিতে কি পরিমাণ সম্পদের উত্তরাধিকারি করেছে।
সম্পদের কিংবা মৃত ব্যক্তির সম্পদের কি পরিমাণ উত্তরাধিকার বর্তায় নারীর উপরে? এমনিতেই সম্পদের উত্তরাধিকার বিষয়ে নানাবিধ বিধি প্রচলিত। এখানে ঘনিষ্ট রক্তের সম্পর্কের মানুষেরা সম্পদের সরাসরি অধিকার অর্জন করে। যদি কোনো সন্তান - সন্ততি না থাকে তবে তাদের অবর্তমানে সম্পদের উত্তরাধিকারি হবে রক্তের সম্পর্কের ভিত্তিতে কাছাকাছি মানুষেরা। এরপরে যদি এমন কাউকে পাওয়া না যায় শেষ পর্যন্ত সম্পদের উত্তরাধিকারী হবে তার গোত্রের মানুষেরা। যদি তার কোনো গোত্র খুঁজে পাওয়া না যায় তবে তার রেখে যাওয়া সম্পদের উত্তরাধিকারি হবে তার মহল্লার মানুষ।
মৃত ব্যক্তির কন্যা এবং পূত্র সম্পদের উত্তরাধিকারী বিবেচিত হয়। তবে যদি মৃত ব্যক্তির সন্তান সন্ততির মৃত্যু হয় তবে সম্পদের অধিকার বেশী হবে পূত্রের সন্তানদের। এই বিবেচনায় কন্যা সন্তানের সন্তান- সন্ততি দুর সম্পর্কের উত্তরাধিকারী বিবেচিত হবে।
১] যদি মৃত ব্যক্তির সন্তান থাকে তবে তার স্ত্রীরা সম্মিলিত ভাবে তার সম্পদের এক অষ্টমাংশের উত্তরাধিকারী বিবেচিত হবেন। যদি মৃত ব্যক্তির কোনো সন্তান না থাকে তবে তার সম্পদের এক চতুর্থাংশের উত্তরাধিকারি হবেন তার স্ত্রীগণ।
২] তবে যদি স্ত্রীর স্থাবর- অস্থাবর সম্পত্তি থাকে তবে স্ত্রীর সন্তান বর্তমান থাকলে সম্পদের এক চতুর্থাংশের উত্তরাধিকারী হবেন স্বামী, এবং কোনো সন্তান না থাকলে স্ত্রীর সম্পত্তির অর্ধেকের উত্তরাধিকারী হবেন স্বামী।
৩] সন্তানের সম্পত্তির এক ষষ্ঠাংশের উত্তরাধিকারী হবেন মাতা- যদি তার সন্তানের মাত্র এক জন ভাই বা বোন থাকে তবে সন্তানের সম্পত্তির এক তৃতীয়াংশের উত্তরাধিকারী হবেন মা।
৪] পিতাও একই বিবেচনায় মৃত সন্তানের সম্পত্তির এক ষষ্ঠাংশের উত্তরাধিকারী হবেন। তবে যদি তার সন্তানের উত্তরাধিকারী না থাকে এবং যদি তার আরও কোনো সন্তান বর্তমান থাকে তবে তাদের দাবি পরিশোধ করবার পরে সকল সম্পদের উত্তরাধিকার পিতার।
৫] ১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইন সংশোধিত অবস্থায় একটা নতুন ধারণা তৈরি করেছিলো। যদি কোনো ব্যক্তির সন্তান মরে যায় তবে মৃত সন্তানের উত্তরাধিকারিরা দাদা কিংবা নানার সম্পত্তির উত্তরাধাকারী বিবেচিত হতো না। এই বিধিকে সংশোধন করে ১৯৬১ সালে প্রবর্তিত মুসলিম আইনে ঘোষণা করা হলো মৃত সন্তানের সন্তান-সন্ততি দাদা- নানার সম্পদের উত্তরাধিকারি হবে- এবং এই প্রাপ্ত সম্পদের পরিমাণ হবে জীবিত অবস্থায় সন্তান যে পরিমাণ সম্পদের উত্তরাধিকারি হতো ঠিক সেই পরিমাণেই। তবে অবহেলিত নারী অবহেলিতই থাকলো। মৃত সন্তানের স্ত্রী এই সম্পত্তির উত্তরাধিকারি নয়। অর্থ্যাৎ যদি স্বামী মরে যায় তবে স্ত্রী শ্বশুরের সম্পত্তির উত্তরাধিকারি হবেন না।
--------------------------------------------------------------------------------
বৈধ উত্তরাধিকারি নির্ধারণে বিবাহ একটা গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। বিবাহ সামাজিক চুক্তি, মুসলিম শরিয়া আইনে বিবাহ সংক্রান্ত বিধান রয়েছে। কার কার সাথে বৈবাহিক সম্পর্ক বৈধ এবং কার কার সঙ্গে অবৈধ এ বিষয়ে বিধান রয়েছে। কোরানের এই ঘোষণাকে অস্বীকার করে না কেউই। এটাই বৈবাহিক সম্পর্কের ভিত্তি।
শিশু কিংবা অপ্রাপ্ত বয়স্ক কন্যা সন্তানের বিবাহ বিষয়ে নানাবিধ বিধান রয়েছে।
১৫ বছর অতিক্রান্ত হলেই কন্যা সন্তান বালেগ বিবেচিত হইবে। যদি বালেগ নাও হয় তবে মুসলিম শরিয়া আইন অনুসারে কন্যা সন্তানের অভিভাবক তার বিয়ে দিতে পারবেন পছন্দসই পাত্রের সঙ্গে। হানাফি মতে যদি কোনো নাবালিকা কন্যার বিবাহ হয় তবে বালেগ হওয়ার পরে সেই নাবালিকা বিবাহ চুক্তি অস্বীকার করতে পারে। অর্থ্যাৎ চাইলেই সে এই বিবাহ বন্ধন থেকে মুক্তি পেতে পারে। এবং যদি বিবাহ সম্পূর্ণ না হয় অর্থ্যাট যদি যৌন সম্পর্ক স্থাপিত না হয় তবে নাবালিকা অন্তত ১৮ বছর বয়েস পর্যন্ত এই সুযোগের অধিকারী থাকবে।
তবে শরিয়া এবং বর্তমানের আইনের সংঘাত এখানেই- শরিয়া আইন অনুসারে ১৬ বছরের উর্ধের সকল কন্যা তার বিবাহের সম্মতি দিতে পারবে। তবে এর পরেও যার সাথে সে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছে যে এবং যে কাজী যার তত্ত্বাবধানে এই বিবাহ চুক্তি সম্পাদিত হয়েছে তাদের শিশু বিবাহ রোধ আইনে অভিযুক্ত সব্যস্ত করে জেল জরিমানা করা যাবে।
কাকে বিয়ে করা যাবে, অর্থ্যাৎ কোন কোনো বিবাহ বৈধ বিবেচিত হবে এই নিয়ে শরিয়ার প্রথম বক্তব্য হলো মুসলিম পুরুষগণ যেকোনো কিতাবধারী মেয়ের সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হতে পারবে। অর্থ্যাৎ কোনো মুসলিম পুরুষ চাইলেই খ্রীষ্টান এবং ইহুদি মেয়েকে বিবাহ করতে পারবে। তবে সে কোনো পৌত্তলিককে বিবাহ করতে পারবে না। এই বিবাহের কোনো আইনগত বৈধতা নেই। অর্থ্যাৎ যদিও এটা শরিয়া মতে শাস্তিযোগ্য অপরাধ নয় তবে এই বিবাহ অবৈধ এই বিবেচনায় যে এই বিবাহের ফলে জন্ম নেওয়া সন্তানের সব অবৈধ বিবেচিত হবে এবং তারা সম্পদের উত্তরাধিকারি বিবেচিত হবে না কোনো অবস্থাতেই।
তবে মুসলিম নারীদের জন্য বিধান আরও কঠোর। তারা শুধুমাত্র মুসলিম পুরুষের সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হতে পারবে। এবং এর বাইরে যেকোনো পুরুষকে বিবাহ করা তার জন্য অবৈধ। এবং এমন বিবাহের ফলে জন্ম নেওয়া সন্তানেরা সবাই অবৈধ এবং সম্পদের উত্তরাধিকারী হইবে না।
হঠাৎ করেই আশ্চর্য লাগলো এটা ভেবে।
সংশোধিত শিশু ও নারী নির্যাতন বিরোধি আইন ২০০৩ এর ১৩ নং ধারা অনুসারে, ধর্ষণের ফলশ্রুতিতে জন্ম নেওয়া সন্তানকে তাহার পিতৃ পরিচয় দিতে হবে। অর্থ্যাৎ তারা আইনগত ভাবে বৈধ সন্তান বিবেচিত হবে। এবং এমন সন্তানের ভরণপোষণের যাবতীয় ভার রাষ্ট্র বহন করবে।
তারা প্রাপ্ত বয়স্ক কিংবা ২১ বছর বয়সী না হওয়া পর্যন্ত রাষ্ট্র এই ভরণপোষণের ভার বহন করবে। রাষ্ট্র এই প্রদেয় অর্থ ধর্ষণকারীর কাছ থেকে জব্দ করতে পারবে। এমন কি তার ভবিষ্যত উপার্জন থেকেও এই অর্থ কিংবা সম্পদ জব্দ করতে পারবে।
কষ্ট লাগলো আমার বন্ধুর কথা ভেবে। তারা কেউই ধর্ম বিষয়ে অতিরিক্ত আগ্রহ রাখে না। ধর্মের তুলনায় তাদের ভালোবাসার টান বেশী। তবে ভালোবাসা এবং আদালতের স্বীকৃতি থাকলেও তাদের সন্তান শরিয়া আইন অনুসারে অবৈধ সন্তান বিবেচিত হবে।
আমার বাংলাদেশ, এখানে ভালোবাসার সন্তানের রাষ্ট্রীয় অধিকার নেই। আন্তঃধর্মীয় বিবাহ জন্ম নেওয়া সন্তান ধর্ষণের ফলশ্রুতিতে জন্ম নেওয়া সন্তানের তুলনায় আইনগত বিবেচনায় অনেক নীচু অবস্থানে রয়েছে।
ধন্য বাংলাদেশ- ভালোবাসার সন্তান যেখানে অবৈধ হিসেবে পরিচিত হয়।
২|
২৪ শে জুন, ২০০৮ রাত ১২:৩৯
তুষার ০০৭ বলেছেন: "ধন্য বাংলাদেশ- ভালোবাসার সন্তান যেখানে অবৈধ হিসেবে পরিচিত হয়।"
হুম, কুরাইশ বংশের গুনগান গাইতে গাইতে দিন যায়,এইসব তুচ্ছ বিষয় নিয়া আমাদের মাথা ঘামাবার সময় কই
৩|
২৪ শে জুন, ২০০৮ রাত ১২:৪৫
নেমেসিস বলেছেন: +
আইনগুলোর সংশোধনী দরকার ।
৪|
২৪ শে জুন, ২০০৮ রাত ১২:৫৬
দূরন্ত বলেছেন: ঠিক, আইনগুলি জরুরী ভিত্তিতে সংশোধন দরকার।
৫|
২৪ শে জুন, ২০০৮ রাত ১:২৯
বুলবুল আহমেদ পান্না বলেছেন: দূরন্ত বলেছেন: ঠিক, আইনগুলি জরুরী ভিত্তিতে সংশোধন দরকার।
৬|
২৪ শে জুন, ২০০৮ রাত ১:৩৪
অধ্যাপক বলেছেন: ত্রপা কি অবৈধ?
৭|
২৪ শে জুন, ২০০৮ রাত ১:৫৫
এস্কিমো বলেছেন: তবে মুসলিম নারীদের জন্য বিধান আরও কঠোর। তারা শুধুমাত্র মুসলিম পুরুষের সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হতে পারবে। এবং এর বাইরে যেকোনো পুরুষকে বিবাহ করা তার জন্য অবৈধ। এবং এমন বিবাহের ফলে জন্ম নেওয়া সন্তানেরা সবাই অবৈধ এবং সম্পদের উত্তরাধিকারী হইবে না।
- এইটা কি কোন লিখিত আইন, নাকি আপনার নিজের ব্যাখ্যা?
বাংলাদেশের কোন দম্পতি কি কখনও তাদের সন্তানের বৈধতার জন্যে কোন মৌলবীর কাছে যায়? সন্তানের পরিচয়ের জন্যে বার্থসার্টিফিকেটই যথেষ্ঠ। তারপরও যদি সমস্যা হয় - বাবা সন্তানকে সমস্ত সম্পত্তি উইল করে দিতে পারে।
রাষ্ট্রীয় আইন আর ধর্ম এক করা ঠিক না।
২৪ শে জুন, ২০০৮ সকাল ৭:৩৫
অপ বাক বলেছেন: শরিয়া আইন এমনই। মুসলিম পুরুষ যদি পৌত্তলিক নারী বিবাহ করে তবে সেটা বৈধ বিবাহ নয়। এই সম্পর্কের ফলে জন্ম নেওয়া সকল সন্তান অবৈধ। এটা কোরান এবং সুন্নাহ সমর্থিত আইন। আমি নতুন কোনো আইন বানাচ্ছি না।
বাংলাদেশের সম্পদের উত্তরাধিকারি নির্দিষ্ট করবার জন্য শরিয়া আইন বিদ্যমান। এ ছাড়া অন্য কোনো দেওয়ানি সংশোধিত আইন নেই। আকবরের সময়ে প্রচলিত দেওয়ানি আইন কিংবা সম্পত্তি বন্টন আইন মতে কোনো হিন্দু বাবার ছেলে যদি ধর্মান্তরিত হয়ে মুসলিম হয়ে যায় এবং পিতার যদি অন্য কোনো উত্তরাধিকারী না থাকে তবে পিতার সম্পত্তি রাষ্ট্রের সম্পত্তি হয়ে যাবে।
যদি শরিয়া আইন দিয়ে বিবেচনা করি তবে আমি নিজের নামের আগে মরহুম যোগ করে ফেলবো- কারণ আমি সজ্ঞানে ইসলাম ধর্মকে অস্বীকার করছি- এমন কোনো কিছু করলে আলেমদের মতামত অনুযায়ী আমাকে কতল করা জায়েজ।
এটা কি খুব বেশী প্রচলিত? জানি না। তবে শরিয়া আইনের বিকৃত ব্যবহার অনেক বেশী প্রচলিত।
৮|
২৪ শে জুন, ২০০৮ রাত ২:০৯
স্বাক্ষর শতাব্দ বলেছেন: প্রিয় পোস্টে গেল+++
৯|
২৪ শে জুন, ২০০৮ রাত ২:১১
দিশাহারা ওমর সোলাইমান বলেছেন: +
১০|
২৪ শে জুন, ২০০৮ রাত ২:১৪
এস্কিমো বলেছেন: নেমেসিস বলেছেন: +
আইনগুলোর সংশোধনী দরকার ।
- কোন আইনের কথা বলছে? বাংলাদেশে কি এমন আইন আছে - যাতে ভালবাসার সন্তানদের অবৈধ ঘোষনা করা হয়েছে?
১১|
২৪ শে জুন, ২০০৮ রাত ২:২৩
নেমেসিস বলেছেন: আমি বাংলাদেশে বিদ্যমান মুসলিম পারিবারিক আইন এর কথা বোঝাতে চেয়েছি। আমি এবং আমাদের পরিবার এই আইনের স্বীকার
পোস্টের মুল বক্তব্য বিদ্যমান উত্তরাধীকার আইন নিয়ে ।
১২|
২৪ শে জুন, ২০০৮ রাত ২:৪২
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
এস্কিমো,
হুম আছে।
১। বাংলাদেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ীও আপনি ভিন্ন ধর্মালম্বীদের বিয়ে দিতে পারবেন না। এট লিস্ট এফিডেফিট করে নাম ও ধর্ম পরিবর্তন দেখাতে পারেন। বিয়ে রেজিস্ট্রি করতে গেলেই বুঝবেন।
২। মুসলিম আইন ও হিন্দু বিবাহ আইন কোনটিতেই ভিন্ন ধর্মের বিয়ে হচ্ছে না। ফলে কি মনে করেন- সন্তানেরা মুসলিম/হিন্দু উত্তরাধিকার আওন অনুসারে সম্পত্তির ভাগ পাবে?
৩। বাবা উইল করে দিতে পারেন। কিন্তু- তার আগেই যদি বাবা মারা যান? অনেক সময়ই দাদার সম্পত্তি ভাগ হতে যথেস্ট দেরী হয়। এর মধ্যে যদি বাবা মারা যায়- তবে সন্তান কোন উত্তরাধিকার আইন অনুসারেই সে সম্পত্তি ক্লেইম করতে পারবে না, মানে আদালতের শরনাপন্ন হতে পারবে না। দাদা চাচারা যদি ভালো হন তবে ভিন্ন কথা। কিন্তু এই সন্তানের জন্য কোন আইন গত ভিত্তি নেই।
১৩|
২৪ শে জুন, ২০০৮ রাত ২:৪৮
নাস্তিকের ধর্মকথা বলেছেন:
আমার তিনজন বন্ধু এ ধরণের বিয়ে করেছে। দু ক্ষেত্রে হিন্দু-মুসলমান একক্ষেত্রে বৌদ্ধ-মুসলমান।
একক্ষেত্রে কোর্ট ম্যারিজ রেজিস্ট্রি করতে গিয়ে হিন্দু ছেলেটিকে এফিডেফিট করে নাম ও ধর্ম চেঞ্জ দেখাতে হয়েছে।
অপর দুটি বিয়ে অবশ্য খুব চমৎকার। ব্রাহ্ম বিবাহ আইনে একটি ধারা আছে যে যেকো ধর্মের প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ- যেকোন ধর্মের প্রাপ্তবয়স্ক নারীকে উভয়ের সম্মতিতে বিয়ে করতে পারবে। তারা ব্রাহ্ম বিবাহ আইনে বিয়ে রেজিস্ট্রি করেছে।
১৪|
২৪ শে জুন, ২০০৮ রাত ৩:১১
এস্কিমো বলেছেন: নেমেসিস,
আমি বুঝতে পারছি। কিন্তু পোস্টের শিরোনাম আর শেষ লাইনটা দেখেন।
ধন্য বাংলাদেশ- আন্তঃধর্মীয় বিবাহে জন্ম নেওয়া সন্তান অবৈধ... -
ধন্য বাংলাদেশ- ভালোবাসার সন্তান যেখানে অবৈধ হিসেবে পরিচিত হয়।
অবৈধ সন্তান আর সম্পদের বন্টন কি এক? যদি কোন মেয়ে অন্য ধর্মের কাউকে বিয়ে করে সে তো অবৈধ হচ্ছে না। সে তো তার বাবার সম্পত্তি পেতে অসুবিধা নেই। আর যে সন্তান জন্ম নেবে তার বাবা যেহেতু মুসলমান না - তাই ইসলামী আইন তার জণ্যে অর্থহীন নয় কি?
সুতরাং সন্তানের বৈধতা আর সম্পদ বন্টন দুইটা বিষয় ভিন্ন। এক করে ফেলা হয়েছে এই পোস্টে। ধন্যবাদ।
১৫|
২৪ শে জুন, ২০০৮ রাত ৩:২২
নেমেসিস বলেছেন: অধিকার না পাওয়াটা কি অবৈধতা প্রমান করে না ??? সামাজিক অধিকারবোধ এর প্রথম ধাপ ই তো সম্পদ এ অধিকার । ঐ অর্থে লেখক মনে হয় না তেমন ভুল বোঝাতে চেয়েছেন @ এস্কিমো ভাই ।
১৬|
২৪ শে জুন, ২০০৮ রাত ৩:২৯
বিটলা বলেছেন: সন্তানের বৈধতা আর সম্পদ বন্টন দুইটা বিষয় ভিন্ন। এক করে ফেলা হয়েছে এই পোস্টে তাই-
১৭|
২৪ শে জুন, ২০০৮ ভোর ৪:২২
এস্কিমো বলেছেন: ঠিকাছে।
আসেন এইভাবে দেখি -
একজন মুসলমান নারী যদি তার ধর্ম পালক করে এবং নিজেকে মুসলমান হিসাবে রাখতে চায় - সে কখনও ক্রশ ম্যারেজে যাবে না। যদি যায় - তাহলে বাই ইসলামী আইনে সে আর মুসলমান থাকে না। সুতরাং মুসলিম পারিবারিক আইন তার জন্যে প্রযোজ্য হবে না। এখানেইতো মামলা শেষ। এখন পুরোটা বিশ্বই তার জন্য খোলা। আর যতটুকু জানি বাংলাদেশের আইনে কোথাও বলা নেই ক্রস ম্যারেজ করা যাবে না। তার সেই মহিলা নিশ্চয় কোন মোল্লার কাছে তার সন্তান বৈধ কি অবৈধ ফতোয়া নিতে যাবে না। তাইলে সমস্যা কোথায়।
এবার আসেন মুসলিম সম্পদ বন্টন আইন। একজন মুসলমাকে এই আইন অবশ্যই পালন করতে হবে - কারন এইটা কোরানিক আইন। একজন যদি স্বেচ্ছায় সেই আইনানুসারে সম্পদ বন্টন করে - আমি কে তাকে না করার। যেমন আমি তাকেও কিছু বলতে পারি না - যে তার সকল সম্পদ এক সন্তানকে দিয়ে দেয়। এই যার যার চয়েজ। শুধু মাত্র ইসলামিক আইন বলেই এইটার বিরোধীতা করতে হবে - আমি তা সমর্থণ করি না।
এখন যদি আমরা মনে করি এই আইনে মেয়েরা বঞ্চিত হচ্ছে - তা হলে কোরানের আইনকে সংশোধন করা প্রয়োজন হবে - যা অসম্ভব।
রাষ্ট্র সহজেই এই সমস্যার সমাধান করতে পারে। কারো উপর কোন কানুন চাপিয়ে না দিয়ে - একাধিক এভিনিউ খুলে দিলে যে যার মতো পছন্দের রাস্তায় যাবে- কেন সংঘাতের সুযোগ থাকবে না।
আশা করি বুঝাতে পেরেছি।
২৪ শে জুন, ২০০৮ সকাল ৭:৪৩
অপ বাক বলেছেন: জীবিত ব্যক্তি তার সম্পদের উত্তরাধিকারী কাকে করবেন এটা বিষয়ে তেমন কোনো সংশয় নেই। যার সম্পদ তিনি যাকে খুশী দান করে যেতে পারেন। সমস্যা মৃত মানুষের সম্পদ বন্টন নিয়ে।
মৃত ব্যক্তির সম্পদের উত্তরাধিকারি নির্ধারিত হবে এই শরিয়া আইন অনুসারে।
আর ভালোবাসার ফলে জন্ম নেওয়া সন্তান অবৈধ- এটাতে কোনো সন্দেহ নেই। অবৈধ সন্তান সম্পদের উত্তরাধিকারি হয় না। তবে আমার আক্ষেপের অন্য একটা কারণ হলো বাংলাদেশ রাষ্ট্র হিসেবে ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের ভেতরে বিবাহজনিত সম্পর্ককে জটিল করে রেখেছে। এক জোড়া মানুষ, যারা ধর্মীয় বিভেদ থাকা সত্ত্বেও পরস্পরকে ভালোবেসে বিয়ে করেছে- তাদের একজন যদি মুসলিম হয়, তবে তাদের বিয়ের বৈধতা কোথায়। যদি সেই মুসলিম অংশ নারী হয় তবে এই বিয়ে বৈধ নয়। এমন কি রাষ্ট্র তার আইনি কাঠামো দিয়ে ধর্ষণের ফলে জন্ম নেওয়া সন্তানকে যেই পরিমাণ অধিকার দিচ্ছে , যে বৈধতা দিচ্ছে সেই সন্তানকে, যে স্বীকৃতি দিচ্ছে, এই বিয়ের ফলে জন্ম নেওয়া সন্তানকে রাষ্ট্র সেই স্বীকৃতি দিচ্ছে না।
১৮|
২৪ শে জুন, ২০০৮ ভোর ৪:৩১
এস্কিমো বলেছেন: আমার তেমন কোন আইন জানা নেই।
- যখন কেউ ক্রশ ম্যারেজে যায় - সেতো জেনেই যায় তার ধর্ম তা অনুমোদ করে না। তাইলে সমস্যাটা কোথায়।
- আগেই যা বললাম - রাষ্ট্রকে অবশ্যই এই বিষয়ে একটা পরিষ্কার অব্স্থানে থাকা দরকার।
- যদি হিসাবে প্রচুর কথা আসতে পারে। সমাধানটা কি?
১৯|
২৪ শে জুন, ২০০৮ ভোর ৪:৩৬
এস্কিমো বলেছেন: উপরের কমেন্ট নাস্তিকের ধর্মকথার জন্যে।
২০|
২৪ শে জুন, ২০০৮ ভোর ৪:৪৯
নেমেসিস বলেছেন: সম্পদ বন্টনের কোরানিক আইন কি একেবারেই অপরিবর্তনীয় ?
২১|
২৪ শে জুন, ২০০৮ ভোর ৪:৫৪
এস্কিমো বলেছেন: যদি পরিবর্তন হয় তবে সেইটা তো আর কোরানিক আইন থাকবে না। রাষ্ট্র যদি মনে করে সেই রাষ্ট্রের জন্যে নিজস্ব আইন দরকার - সেইটা তারা করতেই পারে। কিন্তু কারো উপরে চাপানো ঠিক হবে না। যা আগে বললাম - অনেকগুলো বিকল্প তৈরী করা যায় - যাতে সবাই সবার পছন্দ মতো বেছে নিতে পারে।
২২|
২৪ শে জুন, ২০০৮ ভোর ৪:৫৯
এস্কিমো বলেছেন: কানাডার সম্পত্তির আইনের কথাই ধরুন। যদি এখানে কেউ উইল না করে মারা যায় তবে মৃত্যুর পর তার সম্পদ কোর্টের অধীনে চলে যায়। কোর্ট মৃত ব্যক্তির সকল পাওয়া দেনা ( ক্রেডিট কার্ড, বাড়ীর মর্টগেজ, গাড়ীর লোন আর শেষকৃত্যের খরচ ) নিয়ে। তারপর কোর্ট অপেক্ষা করে কেউ উত্তরাধিকার আছে কিনা তার আবেদনের জন্যে। শুনানীর পর কোর্ট সম্পদ ভাগ করে।
বাংলাদেশেও কি এই রকম করা যেতে পারে?
২৩|
২৪ শে জুন, ২০০৮ ভোর ৫:১১
নেমেসিস বলেছেন: এস্কিমোভাইয়ের বক্তব্য অস্পষ্ট ।
অবশ্য এই ধরনের অস্পষ্টাই আমাদের সমাজে বিদ্যমান । আমাদের বেলাতেই দেখেছি । সম্পদ বন্টনের জন্য শহুরে জীবনে আশ্রয় নিতে হয়েছে আদালতের । আবার গ্রমে বসেছিল ফতোয়াবাজদের সালিশ ।
ছোট ছিলাম । তারপরেও অবাক হয়েছি একদেশে দুই ধরনের আইনি ব্যাবস্থায় ।
আমি মনেকরি রাস্ট্রের অস্পষ্টতাই এই জাতীয় দ্বৈত আইনের সৃষ্টি করে ।
২৪|
২৪ শে জুন, ২০০৮ সকাল ৭:৫২
মানবী বলেছেন: "তবে মুসলিম নারীদের জন্য বিধান আরও কঠোর। তারা শুধুমাত্র মুসলিম পুরুষের সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হতে পারবে। এবং এর বাইরে যেকোনো পুরুষকে বিবাহ করা তার জন্য অবৈধ। এবং এমন বিবাহের ফলে জন্ম নেওয়া সন্তানেরা সবাই অবৈধ এবং সম্পদের উত্তরাধিকারী হইবে না। "
- ইসলাম ধর্ম মেনে চললে একজন মুলিম নারী ভিন্ন ধর্মাবলম্বীকে বিয়ে করতে আগ্রহী হলে তাঁকে ধর্মান্তরিত হয়ে ইসলাম ধর্ম গ্রহন করতে হবে, এটা ধর্মীয় বিধান।
তবে ধর্মীয় বিধানের বাইরে গিয়ে হলেও আমাদের দেশে মুসলিম নারী এবং অমুসলিম পুরুষের সংসারের দৃষ্টান্ত আছে। বাংলাদেশের বেশ পরিচিত দম্পতি, ফেরদৌসী মজুমদার এবং রামেন্দু মাজুমদার, রাষ্ট্র কি তাঁদের স্বীকৃতি দেয়না?
তাহলে তাঁদের সন্তানের বাবা মা'র সম্পত্তির প্রতি বৈধ কোন অধিকার নেই?
২৫|
২৪ শে জুন, ২০০৮ সকাল ৮:০৭
এস্কিমো বলেছেন: এখানে কাজটা রাষ্ট্রের - বিবাহের সংজ্ঞা নির্ধারন করবে। উত্তরাধিকারের সংজ্ঞা নির্ধারন করবে আর সম্পদ বন্টনের পদ্ধতি সুস্পস্ট করবে।
যতদিন রাষ্ট্র সেই কাজটা করতে না পারছে - ততদিন প্রচলিত আইনের উপরই চলতে হবে।
কোরানিক আইন পরিবর্তনের চেয়ে রাষ্ট্রীয় আইন পরিবর্তন করার চিন্তাটাই বাস্তবসমন্মত।
যার যার ধর্ম মতে চলতে দিয়ে - যারা ধর্ম না মানে তাদের জন্যেও একটা পরিষ্কার স্থান রাখতে হবে। তা না হলে রাষ্ট্র সার্বজনীন হয় না।
২৬|
২৪ শে জুন, ২০০৮ সকাল ১১:১৫
এস্কিমো বলেছেন: নেমেসিস বলেছেন: এস্কিমোভাইয়ের বক্তব্য অস্পষ্ট ।
- দুঃখিত, কাজের মধ্যে থেকে কমেন্ট করেছি তাই অনেক কথা আগোছালো হয়েছে। ভবিষ্যতে চেষ্টা করবো স্পষ্ট করে বলতে।
২৭|
২৪ শে জুন, ২০০৮ বিকাল ৩:১৪
দ্বিতীয়নাম বলেছেন: বার বার রাষ্ট্রীয় আইন পরিবর্তনের কথা বইলা কোন লাভ আছে? সামান্য উত্তোরাধিকার আইন সংস্কার নিয়া কত কি হইয়া গেল। সরকার বর্বর অশিক্ষিত মোল্লাদের পা ধরতে যায়। ধর্ম যদি আইন আর সংষ্কৃতের ভিত্তি হয়, সেখানে এগুলি বাস্তবায়ন সম্ভব না।
২৮|
২৪ শে জুন, ২০০৮ বিকাল ৩:৫৬
কাঙ্গাল মুরশিদ বলেছেন: এখানে মৌলিক প্রশ্নটা হচ্ছে আপনি কোনটিকে অধিক গুরুত্বপুর্ণ মনে করছেন- ধর্ম না আপনার ভাললাগা? যদি আপনার কাছে ধর্ম গুরুত্বপুর্ণ হয় - তাহলে ভাললাগা বিষর্জন দিতে হবে - করাণ ধর্ম আপনাকে নিষেধ করেছে। আর যদি ভাললাগাকে প্রাধান্য দিতে চান - তাহলে ধর্ম ত্যাগ করতে হবে - বাংলাদেশে কার ধর্ম ত্যাগ করার উপর নিষেধাজ্ঞা আছে বলে জানা নাই।
আপনি একই সাথে দুটোই পেতে চাইবেন - গাছেরও খাবেন তলারও কুড়াবেন - তা হতে পারে না। এটা করতে গিয়েই যত সমস্যার উদ্ভব হয়।
তবে আমার মতে ভাললাগার চেয়ে ধর্ম-সমাজ-সংস্কৃতি অনেক বেশী গুরুত্বপুর্ন। ভালবাসা অর্থ কল্যান কামনা। ভাল লাগলেই বিয়ে করতে হবে বা শারীরিক সম্পর্ক করতে হবে এমন কোন শর্ত থাকা উচিৎ নয়। বিয়েটা শুধুমাত্র দুজন মানুষের জন্য নয় - বিয়েটা একটা সামাজিক দ্বায়িত্ব/বন্ধন যার মাধ্যমে দুটি পরিবারের মধ্যে আন্তরিক সম্পর্ক তৈরী হয় - এবং জালের মত ছড়িয়ে থাকা এ'রকম হাজারো সম্পর্কের মাধ্যমেই একটা সমাজের মানুষ পরস্পরের সাথে জড়িয়ে থাকে - সামাজিক বন্ধন দৃঢ়তর হয়। কিন্তু যদি বিয়ে করতে গিয়ে দুই পরিবার এবং সামাজিক সম্পর্কের অবনতি হবার আশংকা থাকে তাহলে সে বিয়ে না করাই উভয়ের জন্য ভাল - এবং সেক্ষেত্রে বিয়ে না করাটাই ভালবাসার দাবি - কারণ ভালবাসা হচ্ছে কল্যান কামনা - ভালবাসার দোহাই দিয়ে কার অকল্যান করা উচিত নয় - এতে শেষ পর্যন্ত কেউ লাভবান হয় না।
ঠিক একই কারনে আন্ত:ধর্ম বিয়েও গ্রহনযোগ্য নয়। আর কোর্টে ধর্মান্তরিত হয়ে যে বিয়ে হয় তা তো চরম ভন্ডামী - মানুষের বিশ্বাস কি এতই ঠুনকো যে শুধুমাত্র বিয়ে করার জন্য বিশ্বাস বদলে ফেলতে হবে? এরা প্রকৃত পক্ষে ধর্মহীন - সুতরাং এ'দের জন্য কোন ধর্মীয় বিধানের প্রয়োজন নেই।
২৯|
২৫ শে জুন, ২০০৮ সকাল ৭:৩০
শয়তান বলেছেন:
@ কাঙ্গাল মুরশিদ আপনার কাছে ধর্ম বড় না মানবিকতা বড় ?
বি স্ট্রেইট । এবং বুঝে উত্তর দেবেন আশা রাখি ।
©somewhere in net ltd.
১|
২৩ শে জুন, ২০০৮ রাত ১১:৩১
কানা বাবা বলেছেন:
জীবিতাবস্থায় সন্তানের নামে উইল করে গেলে সেক্ষেত্রে হিসাবটা কেমন দাঁড়াবে? রাষ্ট্র এসে বাগড়া দেবে?
পুস্টে পিলাচ...