| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মুখবন্ধঃ কেউ চাইলেই ইতিহাসকে অস্বীকার করতে পারেনা। ইতিহাস বিকৃত করার চেষ্টা হয়, নিজেদের স্বার্থে ইতিহাস বিকৃত করার চেষ্টা হেয়েছে যুগে যুগে। কিন্তু ইতিহাস তার স্বমহিমায় বারে বারে ফিরে আসে। তবে ইতিহাসের দুঃখ, কেউই ইতিহাস থেকে শিক্ষা নেয় না। বেনজির ভূট্রোর জন্ম-মৃত্যু একটি ইতিহাস। তাঁর পিতা জুলফিকার আলি ভুট্ট্রো বাংগালীদের সাথে জঘন্যতম অপরাধ করেছিলেন। তিনি তার কর্মফল ভোগ করেছেন। তবে বাংগালীদের স্বাধীন একটি দেশ পেতে তার ভূমিকাকে উপেক্ষা করা যাবেনা। কারণ স্বাধীনাতা যুদ্ধে তার ভূমিকা বাংগালীদের বিক্ষুব্ধ করেছিলো এবং পাকিস্তানি শাসকদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে করতে প্ররোচিত করেছিলো। তার কন্যা বেনজির ভুট্টো তার যোগ্যতা বলে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন। তাঁর পিতার অপরাধে তাকে দোষী সাবস্ত করে পিতার দ্বায়ভার তাঁর কাধে চাপিয়ে তাকে নিন্দা কিংবা ঘৃনা জানালে ইতিহাস পরিবর্তন হয়ে যাবেনা। বাংগালীদের উপর তার পিতার অন্যায়ের কারণে তাঁকে সম্নান দেখাতে না পারলেও তাকে অসম্মান করার কোন যুক্তি নাই। কারণ আইন পিতার দ্বায়ভার তার সন্তানের উপর চাপিয়ে দেয়না। যা হোক দুঃর্ভাগ্য বশতঃ আমাদের স্বাধীনতার মাসেই তিনি নিহত হন। তিনি কোন অন্যায় করে থাকলে তিনি তাঁর ফল ভোগ করেছেন। মৃত ব্যক্তি সকল ন্যায় অন্যায়ের উর্ধ্বে। তাই মুসলমান হিসেবে আমরা তার রুহের মাগফেরাত কামনা করছি। এই পোস্টকে রাজনৈতিক বিচারে বিচার না করে মানুষ হিসেবে তাঁকে মূল্যায়ন করার অনুরোধ রইলো। কারো ব্যক্তিগত অনুভূতিতে আঘাত হানলে আমি দুঃখিত। আমার সীমাবদ্ধতাকে নিজ গুনে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখার অনুরোধ রইলো। " বিজয়ের এই মাসে আসুন আমরা সোচ্চার হই, বাংলাদেশসহ বিশ্বের সকল যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই")
পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী জুলফিকার আলী ভুট্টোর কন্যা বেনজীর ভুট্টোর মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ২০০৭ সালের ২৭ ডিসেম্বর রাওয়ালপিন্ডির এক নির্বাচনী সমাবেশ শেষে সভাস্থল ত্যাগ করার পর গাড়ীতে আরোহনের পর মুহূর্তে আত্মঘাতী হামলায় তিনি নিহত হন। পাকিস্তান তথা মুসলিম বিশ্বের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী বেনজির ভুট্রোর মৃত্যুদিবসে শ্রদ্ধাঞ্জলি।
১৯৫৩ সালের ২১ জুন পাকিস্তানের এক অবস্থাপন্ন পরিবারে বেনজির ভুট্টোর জন্ম হয়। তার বাবা জুলফিকার আলী ভুট্টো পাকিস্তান পিপলস পার্টির (পিপিপি) প্রতিষ্ঠাতা। বেনজির ভুট্টো হার্ভার্ড ও অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাজনীতির ওপর পড়াশুনা করেন। শিক্ষা শেষে করে ১৯৭৭ সালে দেশে ফেরেন। তার অল্পদিন পরই ক্ষমতা দখল করেন সেনা শাসক জিয়া উল হক।
১৯৭৭ সালে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জিয়াউল হক কর্তৃক তার পিতা ভুট্টোকে একটি রাজনৈতিক হত্যাকান্ডে দোষী সাব্যস্ত করে ফাসিকাষ্ঠে ঝুলিয়ে হত্যার পর তিনি পাকিস্তানের রাজনীতিতে পা রাখেন। জিয়াউল সরকার তাকে বহুবার অন্তরীণ করেছিলেন। ১৯৮৪ সালে তিনি আবার লন্ডন চলে যান তার পর দেশে ফেরত আসেন ১৯৮৬ সালে। সরকার বিরোধী আন্দোলনে বেনজীর ভুট্টো জনমত গঠন করেন এবং অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনে জয়ী হয়ে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন।
তবে আগস্ট ৬, ১৯৯০ সালে তিনি বরখাস্ত হন। পুনরায় ১৯৯৩ সালের নির্বাচনে তিনি জয়লাভ করেন ও দ্বিতীয়বারের মত পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন। ১৯৯৬ সালের ৬ নভেম্বর তাকে পুণরায় বরখাস্ত করা হয়। পরবর্তী ১৯৯৭ সালের নির্বাচনে তিনি হেরে যান।
এরপর সুইজারল্যান্ডের একটি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে ১৯৯৯ সালে বেনজির ও তার স্বামী আসিফ আলী জারদারিকে পাঁচ বছরের জেল ও ৮৬ লাখ ডলার জরিমানা করে পাকিস্তানের একটি আদালত। পরে উচ্চ আদালত এই রায়কে পক্ষপাতদুষ্ট হিসেবে রায় দেয়। আট বছরের স্বেচ্ছা নির্বাসন কাটিয়ে ২০০৭ এর অক্টোবরে বেনজির পাকিস্তানে প্রত্যাবর্তন করেন।
২০০৭ সালের ২৭ ডিসেম্বর রাওয়ালপিন্ডির এক নির্বাচনী সমাবেশ শেষে সভাস্থল ত্যাগ করার পর গাড়ীতে আরোহনের পর মুহূর্তে আত্মঘাতী হামলায় তিনি নিহত হন। তিনি রাওয়ালপিন্ডির লিয়াকত জাতীয় বাগ থেকে র্যালি শেষে ফিরার উদ্যোগ করছিলেন। আত্মঘাতী হামলাকারী প্রথমে তার ঘাড়ে গুলি করে এবং পরবর্তীতে আত্মঘাতী বোমার বিস্ফোরণ ঘটায়। আততায়ী নিজের শরীরে রাখা বোমার বিস্ফোরণ ঘটানোর পূর্বে বেনজীরের ঘাড়ে ও বুকে গুলি করেছে। পুলিশ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে র্যালি শেষে বেনজীর তার এসইউভিতে চড়ে গন্তব্যে যাত্রা করবেন এমন সময় তার গাড়িতে এক বা একাধিক আততায়ী গুলিবর্ষণ করে। যখন অন্য কেউ মনে করছিল বেনজীরকে গুলি করে মারার প্রচেষ্টা সম্পূর্ণ সফল হয়নি তখন এসইউভি'র আশেপাশে কোথাও থেকে বোমা বিস্ফোরণ ঘটায়। বিভিন্ন সূত্র মতে, যে আততায়ী গুলি করেছিল সে-ই নিরাপত্তা রক্ষীদের হাত থেকে বাঁচতে বোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে। স্থানীয় সময় ১৮:১৬ (জিএমটি ১৩:১৬)-তে রাওয়ালপিন্ডি জেনারেল হাসপাতালে নেয়ার পথে বেনজীরকে মৃত ঘোষণা করা হয়।
আত্মঘাতী এই বোমা বিস্ফোরণে দলের কর্মীসহ মোট ২২ জন নিহত হয। উল্লেখ্য এর দুই মাস আগেও একবার বেনজীর হত্যার ব্যর্থ চেষ্টা করা হয়েছিল। মুসলিম বিশ্বের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী ও রাজনীতিবিদ বেনজির ভুট্টোর মৃত্যুদিনে আমাদের শ্রদ্ধাঞ্জলি।
সূত্রঃ Encyclopedia of World Biography
Benazir Bhutto
২৭ শে ডিসেম্বর, ২০১২ দুপুর ১২:৫৬
কোবিদ বলেছেন:
ধন্যবাদ হাসান ভাই।
আপনার মন্তব্যের জন্য
২|
২৭ শে ডিসেম্বর, ২০১২ সকাল ৯:২২
সাকিন উল আলম ইভান বলেছেন: তো ?? ভুট্টো কি আপনার বউ না হওর ছিল?
২৭ শে ডিসেম্বর, ২০১২ দুপুর ১২:৫৭
কোবিদ বলেছেন:
ব্যবহারে বংশের পরিচয়।
ভদ্রতার বিকাশ হয় পরিবারে
আপনার পরিবার সম্পর্কে খুব
একটা ভালো ধারণা করতে পারছিনা
বলে দুঃখিত।
৩|
২৭ শে ডিসেম্বর, ২০১২ সকাল ৯:৩৯
সবখানে সবাই আছে বলেছেন: শালা মানুষজন আর উপাধি খুজে পায় না। বিশ্বের প্রথম মহিলা প্রধান্মন্ত্রী হলেও কথা ছিল। শেষ পর্যন্ত খুজে বের করসে মুসলিম বিশ্বের প্রথম মহিলা প্রধান মন্ত্রি। একটা খানকি দুর্নীতিবাজ প্রধান মন্ত্রী মরসে, যে মরার আগে তার ছেলেরে বানাইসে তার দলের চেয়ারম্যান। পাকিস্তানের প্রতি দরদ উথলায় পড়লে পাকিস্তানের ব্লগে গিয়ে পোস্ট কর তুই। যেই মহিলার বাবার হাতে এই দেশের ত্রিশ লক্ষ মানুষের রক্ত লেগে আছে, যে এটা নিয়ে বিন্দুমাত্র ক্ষমা চায় নাই সেই মাগীরে নিয়ে তুই বিজয়ের মাসে পোস্ট দিসিস হারামী। ওর লাশের গোয়ার মধ্যে তোর মাথা না ঢুকাইসি
২৭ শে ডিসেম্বর, ২০১২ দুপুর ১২:৫৮
কোবিদ বলেছেন: বৃক্ষ তোমার নাম কি?
ফলে পরিচয়।
আপনি কোন বৃক্ষ তা
আমি সহ যারা এই পোস্ট
পাঠ করেবেন তারা বুঝতে
পারবে।
কাউকে সম্মান দিতে পারেন না সে আপনার দীনতা
তাই বলে কাউকে অসম্মান করেন কোন স্পর্থায়?
৪|
২৭ শে ডিসেম্বর, ২০১২ সকাল ৯:৪৪
আশফাকুল তাপস বলেছেন: কিসের ঘোড়ার ডিমের শ্রদ্ধাঞ্জলী ভুট্টোর মেয়ের জন্য?ফাজলামির আর জায়গা পান না।
২৭ শে ডিসেম্বর, ২০১২ দুপুর ১:০০
কোবিদ বলেছেন:
আল্লাহ তাকেই সম্মানিত করেন যাকে সম্মানিত করতে চায়।
প্রয়াত বেনজির ভুট্টো পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন, এটা
কিন্তু ফাজলামি নয়।
৫|
২৭ শে ডিসেম্বর, ২০১২ সকাল ৯:৪৭
সাকিন উল আলম ইভান বলেছেন: সকল ফাকিস্তানী নাগরিক আপনার কাছে ভাই বোন ,বাট আমার কাছে বেশ্যা এবং বেশ্যার দালাল ইজ ইট ক্লীয়ার? ? আপনার শখ হইলে ফাকিস্তানে গিয়া মরেন ।
২৭ শে ডিসেম্বর, ২০১২ দুপুর ১:০৩
কোবিদ বলেছেন: শুধু পাকিস্তানী নয় সকল মুসলমান অন্য
মুসলমানের ভাইবোন এটাই ধমীয় শিক্ষা।
কে কোথায় মরবে তা নির্ধারিত সৃষ্টিকর্তার কাছে।
আপনি আমি চাইলেই ইচ্ছা মতো মরতে পারবোনা।
আমার ইচ্ছা পবিত্র মক্কানগরী কিংবা মদীনা শরিফে
মৃত্যু হোক, তা কি সম্ভব যদি সৃষ্টিকর্তা না চান?
৬|
২৭ শে ডিসেম্বর, ২০১২ সকাল ৯:৫৮
দায়িত্ববান নাগরিক বলেছেন: ভুট্টোর মাইয়ার জন্য দরদ কি জন্য? শ্রদ্ধাঞ্জলি, খাইছে, কেনো?? শুধু কি পাকি বলে নাকি অন্য কিছু?
২৭ শে ডিসেম্বর, ২০১২ দুপুর ১২:৪৯
কোবিদ বলেছেন: দরদ ভুট্রোর মেয়ের জন্য নয়
একজন মুসলমান হিসেবে তার
রুহের মাগফেরাত কামনা করছি আর
ইতিহাস তুলে ধরার চেষ্টা করছি।
৭|
২৭ শে ডিসেম্বর, ২০১২ সকাল ১০:০১
লিঙ্কনহুসাইন বলেছেন: আশফাকুল তাপস বলেছেন: কিসের ঘোড়ার ডিমের শ্রদ্ধাঞ্জলী ভুট্টোর মেয়ের জন্য?ফাজলামির আর জায়গা পান না।
২৭ শে ডিসেম্বর, ২০১২ দুপুর ১২:৪৫
কোবিদ বলেছেন: ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য
৮|
২৭ শে ডিসেম্বর, ২০১২ সকাল ১০:১৪
ashik বলেছেন: বেনজির ভূট্টো কোন চ্যডের বাল - হরিদাশ পাল যে ওর মৃত্যুতে আমার শোক করতে হইব।
আপনি বোধহয়(!) বাংলাদেশী হতেও পারেন, চিন্তা করে দেখেন তো বেনজির এই উপমহাদেশের জন্যে কি করছে? কিচ্ছু না।
বেনজির ইসলামের জন্যেও কোন সরিষা পরিমাণ অবদান রাখে নাই। তার যা অবদান, তা সব আপনার পেয়ারের ফাকিস্তানের তথা নিজের রাজনৈতিক অবস্থানের জন্যে।
তো ধর্মীয় অনুভুতি ব্যবহার করে ভূট্টোর প্রতি আপনার এই মমতা তৈরির অপচেষ্টাকে আমি উত্তম রূপে গদাম দিলাম।
২৭ শে ডিসেম্বর, ২০১২ দুপুর ১২:৪৫
কোবিদ বলেছেন: ধন্যবাদ,
নানান মানুষ নানান মত
মত ও পথের পার্থক্য থাকবেই
তাই বলে তাঁর মৃত্যু দিবসকে কি
অস্বীকার করা যাবে। এটা ইতিহাস
আমি ইতিহাসকে তুলে ধরেছি। যদি
সাহস থাকে তা হলে ইতিহাস পরিবর্তন করেন।
৯|
২৭ শে ডিসেম্বর, ২০১২ সকাল ১০:১৬
তানভীর চৌধুরী পিয়েল বলেছেন: ফাকিস্থানের ইতিহাস রক্তক্ষরনের ইতিহাস
ফাক ফাকিস্তান
ফাক ফাকি লাভারস
২৭ শে ডিসেম্বর, ২০১২ দুপুর ১২:৩৭
কোবিদ বলেছেন: ধন্যবাদ
আপনার মন্তব্যের জন্য।
শালীন ভাষা সবার জানা থাকবে তা
বিশ্বাস করা বাতুলতা।
১০|
২৭ শে ডিসেম্বর, ২০১২ সকাল ১০:৩৯
মাহমুদডবি বলেছেন:
২৭ শে ডিসেম্বর, ২০১২ দুপুর ১২:৪৮
কোবিদ বলেছেন: কী বলে আপনার রাগ প্র্রশমন করি বলেনতো?
কিসে তুষ্ট হবেন আপনি?
১১|
২৭ শে ডিসেম্বর, ২০১২ সকাল ১১:০৪
কাজী রহমতুল্লাহ বলেছেন: যার বাপ ভুট্টো পাব্লিক মিটিং এ আমাদের সব বাঙ্গালীদের "শুয়োরের বাচ্চা" বলে গালি দেয়েছিল?
২৭ শে ডিসেম্বর, ২০১২ দুপুর ১২:৩৬
কোবিদ বলেছেন: কুকুরের কাজ কুকুর করেছে
কামড় দিয়েছে পা'য়,
তাই বলে কী কুকুরে কামড়ানো
মানুষের শোভা পায়।
©somewhere in net ltd.
১|
২৭ শে ডিসেম্বর, ২০১২ সকাল ৯:১৮
মাহমুদুল হাসান (সুমন)। বলেছেন: মুসলিম বিশ্বের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রীর মৃত্যুদিনে শ্রদ্ধাঞ্জলি।
+++