| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আমরা দেখে এসেছি ক্লাশমেট দের মাঝে প্রেম হলে ছেলে প্রতিষ্ঠিত হতে হতে মেয়ের সন্তানের মামা ডাক শোনার জন্য প্রস্তুতি নেয়া লাগে। প্রেক্ষাপট বিবেচনায় এটা খুবই বাস্তব একটা চিত্র। আজ ২০১৮ সালে এসেও এর খুব একটা পরিবর্তন দেখা যায় না। সভ্যতার ব্যাপক অগ্রগতি হলেও এখনো সমাজে মেয়েদের বয়স কুড়ি পার হলে বিয়ে না হওয়া নিয়ে কানাঘুষা শুরু হয়। এ ভয়ে অভিভাবক রা সবকিছু ভুলে মেয়েকে বিয়ে দিতে উঠে পরে লাগে।
এবার আসুন একটু ভিন্ন চিত্র দেখি।
সমাজের এহেন পরিস্থিতি মোকাবেলা করে যারা এখনো ক্লাশমেট প্রেম কে জিইয়ে রেখেছেন তাদের বর্তমান অবস্থা। আমি বলছি ক্লাশমেট হলেও যারা পোস্ট-গ্রাজুয়েশন বা বয়সের কোটা ২৫ পার করেছে এমন কিছু চিত্র।
এদের পরিবারগুলো হয় আধুনিক, মানে বয়সটাকে বড় কিছু মনে করে না। কিছু কিছু ক্ষেত্রে ব্যাতিক্রম হয়ে থাকে। তবে সেক্ষেত্রে মেয়েকে চরম ভোগান্তির স্বীকার হতে হয়। যারা এখন এমন অবস্হায় পৌছেছেন, সেইসব ছেলেদেরকে দেখতে পারা যায় মেয়ের বয়সের এবং ফিটনেস এর সাথে মিলিয়ে চলার জন্য বিভিন্ন ভাবে নিজেকে বদলে নিয়ে সামঞ্জস্য করতে হয়। কখনো দেখা যায় এরা ইচ্ছের বিপরিতে মুখে দাড়ি রাখছে। আবার কখনো এরা নিজেকে বয়স্ক প্রমাণ করার জন্য তার সব কাজকর্ম কে একঘেয়ে বুড়ো বুড়ো করে তুলছে। ইচ্ছে করেই মোটা গ্লাস পরছে। সাদা শার্ট ইন করে পরে ভদ্র সাজতে চাইছে।
বাস্তবে দেখা কয়টা উদাহরণ আমার সামনে ঘটছে তা হলো........
আমার একজন বান্ধবি এমন একটা প্রেমে মশগুল। মেয়ের তুলনায় ছেলেটা শুকনো। আমার বান্ধবির জন্য মানিয়ে নিতে সে দিন দিন ইয়া মুটকো হওয়ার পথে। লম্বায় সে আমার বান্ধবির চেয়ে একটু খাটো। তাই উনাকে সবসময় উচু জুতো পড়তে দেখা যায়। আর রেখেছেন মাশরাফি মার্কা দাড়ি। কথাবার্তা এবং ভাবসাব এমন যে, সে অনেক সিনিয়র।
আরেকজন বান্ধবির প্রেমিক আমার বান্ধবির প্রেমে পরে রঙ্গিন পোশাক পড়া বাদ দিয়েছেন। মোটা চশমা চোখে দিয়ে এককালার শার্ট পড়ে ইন করে জীবন চালিয়ে দিচ্ছে। আগে দেখতাম একটা বাইসাইকেল চালাতো,আমার বান্ধবির ভয়ে সে ওটা ছেড়ে দিয়েছে। এখন সে রীতিমতো হেটেই চলে। আর আমাদের সাথে কখনো বসলে টাকা থাকুক আর না থাকুক বিল দেয়ার ভাবটা সে ঠিকই নিবে।
আরেকজন বান্ধবি খাটো আর মোটা। তার বয়ফ্রেন্ড বেচারা ভালোই লম্বা। লজ্জায় আমাদের সামনেই আসে না সে শুকনো বলে। আমরা বড্ড মজা পাই এটা দেখে যে, ওর বয়ফ্রেন্ড কে ওর ছেলের মতো লাগে। কিন্তু তবু বেচারা দমবার পাত্র নন। ঠিকই মুরব্বী ভাব নেয়।
আমার একজন বন্ধু তো রীতিমতো নিজের বয়স ৩৫+ বানিয়ে ফেলেছেন শুধুমাত্র রিলেশনের জন্য। আড্ডা দেয় গিয়ে বড় ভাই দের সাথে। কথাবার্তা শুনলে মনে হয় হয় যেনো দাদুর বয়সী। আর ওর জিএফ আরও নিজেকে বুড়ো প্রমান করতে বলে।
ওদের জন্য বড্ড কষ্ট লাগে আমার। 
ছবি ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত।
১০ ই অক্টোবর, ২০১৮ দুপুর ১:৪১
Kowshik Neo বলেছেন: উনারাও বিচিত্র। তবে এক্ষেত্রে তাদের মৌলিকতা খুব বেশি পরিবর্তন হয় না শুধুমাত্র রং চং বদলানো ছাড়া।
২|
১০ ই অক্টোবর, ২০১৮ দুপুর ১:৩৯
ফেনা বলেছেন: আমাদের বাংগালীদের চিন্তা চেতনায় অনেক সমস্যা রয়েছে। বদলাবে বলে মনে হয় না।
১০ ই অক্টোবর, ২০১৮ দুপুর ১:৪৫
Kowshik Neo বলেছেন: সময় লাগবে।
৩|
১০ ই অক্টোবর, ২০১৮ দুপুর ১:৫৯
লাবণ্য ২ বলেছেন: শুভ ব্লগিং!
৪|
১০ ই অক্টোবর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:৪৬
রাজীব নুর বলেছেন: সময়ের সাথে সাথে মানুষের সব কিছু বদলে যায়।
©somewhere in net ltd.
১|
১০ ই অক্টোবর, ২০১৮ দুপুর ১:৩২
কে ত ন বলেছেন: আর যেসব বুড়ো ধারিরা অল্প বয়েসী মেয়েদের বিয়ে করার জন্য জুলপিতে কলপ মাখে, সকাল বিকাল জগিং করে, তাঁদের বেলায় কি?