| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
খোন্দকার সিদ্দিক-ই-রব্বানী
আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থ বিজ্ঞানের অধ্যাপক ছিলাম। ইদানীং বায়োমেডিকেল ফিজিক্স এন্ড টেকনোলজী নামে নতুন একটি বিভাগের জন্মের সাথে জড়িত হয়ে গেছি।পদার্থ বিজ্ঞানের মরহুম অধ্যাপক মো: শামসুল ইসলামের ভবিষ্যৎ দৃষ্টি ও তার সাংগঠনিক নেতৃত্বে আমাদের গত ৩০ বছরের গবেষণা ও উন্নয়ন কাজের সূত্র ধরেই নতুন এ বিভাগের সৃষ্টি। আশে পাশের সব কিছু নিয়েই ভাবি, কোন কোনটির গভীরে যাওয়ার চেষ্টা করি, তখন সবকিছুর মধ্যে অদ্ভুত মিল খুঁজে পাই। অনেক সমস্যার সমাধানই সহজ মনে হয়, যদিও জানি বাস্তবে তা সহজ নয়। তবে সবার সাথে ধারণাগুলো আলোচনা করতে থাকলে এক সময় সমাধানে পৌঁছুবার জন্য যে মানসিক প্রস্তুতি দরকার তা কিছুটা হলেও তো তৈরী হবে। আমার বয়স ব্লগের প্রায় সবার তুলনায় বেশী হলেও তরুণ ছাত্রদের সাথে কাজ করতে গিয়ে নিজেকে তাদের থেকে খুব ভিন্ন মনে হয় না। তাই তরুণদের সাথে আমার ধারণাগুলো আলেচনা করতে আনন্দ পাই।
গত ২৮ আগষ্ট প্রথম আলোয় একজন সাংবাদিক লিখলেন ‘বিষাক্ত’ চিটাগুড়ের সাথে আটা ও চিনি মিশিয়ে রাজশাহীর চারঘাটে ভেজাল গুড় তৈরী হচ্ছে। আর গত ১৫ সেপ্টেম্বরের খবরে দেখা গেল যে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী সেখানে অ্যাকশন চালিয়ে প্রায় ৫ টন এ ধরণের ‘ভেজাল’ গুড় নদী ও ডোবায় ফেলে দিয়েছেন। প্রথমেই প্রশ্ন করি প্রথম আলোর সাংবাদিক এ ‘বিষের’ তথ্য কোথায় পেলেন? আখের রস থেকে চিনি বা গুড় তৈরীর শেষে চিটাগুড় বাই প্রোডাক্ট হিসেবে থেকে যায়। ইন্টারনেট থেকে যে তথ্য পেলাম, তা সাংবাদিকের তথ্যের সম্পূর্ণ বিপরীত। উইকিপেডিয়া
আসলে আমাদের সবার মানসিকতার মধ্যে দেশের যে কোন উদ্ভাবনের প্রতিই একটি বিরূপ মনোভাব আছে। আর তা আরও বহুগুণে বেড়ে যায় যদি উদ্ভাবনটি হয় অল্পশিক্ষিত বা অখ্যাত কারও। যার কারণে দেশে নিজস্ব প্রযুক্তির কোন শিল্প গড়ে উঠছে না। তাই সবার প্রতি আমার অনুরোধ, দেশের সাধারণ কারিগরেরা নতুন কিছু তৈরী করলে পরীক্ষা নিরীক্ষা না করে প্রথমেই তাকে এভাবে বন্ধ ও ধ্বংস করার উদ্যোগ নেবেন না। প্রায় ফেলে দেয়া চিটাগুড় ব্যবহার করে চারঘাটে নতুন যে ‘বিকল্প গুড়’ আবিষ্কৃত হয়েছে তার মধ্যে যদি কোন ক্ষতিকর উপাদান থাকে তা দূর করার জন্য বরঞ্চ দেশের বিজ্ঞানীদেরকে নিয়োগ করুন, কিন্তু মূলেই এ উদ্যোগটিকে ধ্বংস করবেন না।
২|
২০ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:১৩
শেহাব বলেছেন: তাইতো?
৩|
২১ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:৫৭
দূরন্ত বলেছেন: খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয় লিখেছেন। আর একটা বিষয় যে, চিনিকল এলাকায় গুড় তৈরি নিষিদ্ধ। মাঝে মাঝে পত্রিকায় পড়ি যে গুড় তৈরি বন্ধের জন্য অভিযান চালানো হয়। আমি আশ্চর্য হয়ে যাই, চিনিকল যখন আখের দাম দিতে পারে না তখন চাষীরা অন্য কোনো পদ্ধতিতে সে আখের ব্যবহার তো করবেই। স্বাধীন দেশের মানুষদের নিজের জমিতে বৈধভাবে স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্য উৎপাদন করার অধিকার থাকা উচিত।
ধন্যবাদ।
০৩ রা নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:১২
খোন্দকার সিদ্দিক-ই-রব্বানী বলেছেন: একমত। বিদেশী জিনিস আমদানীর সময় মুক্তবাজারের অজুহাত দিই, কিন্তু দেশের সাধারণ মানুষের উৎপাদন বাজারজাত করার সময় সরকারী নিয়ন্ত্রণ।
৪|
০৩ রা নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:২০
শয়তান বলেছেন: এই বিকল্প ভেজাল গুড় কে সাধুবাদ জানালেন ? মোলাসেস এর তোআও ব্যবহার আছে । কিন্তু এভাবে আরেক ধরনের গুড় তৈরি কেন ।
৫|
০৩ রা নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:২০
শয়তান বলেছেন: *আও= আরও
©somewhere in net ltd.
১|
১৩ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১২:৩৬
সোহায়লা রিদওয়ান বলেছেন: ' লোকাল ' শব্দটির প্রতি ই আমাদের এক ধরনের অনীহা আছে ! এটা ঠিক যেন কোন ভালো শব্দ নয়! বরং 'ইন্টারন্যাশনাল' কিংবা একটু সাধারণ ভাবে ভাবলে ' ফরেন' শব্দটা অনেক বেশী আকর্ষনীয়। আমাদের চেতনার দৈন্য দশা এটা থেকেইতো স্পষ্ট খুব! এই দৈন্য দশা প্রতিটা স্তরেই আর সবচে বেশী সমাজের উঁচু স্তরে , আর সবচে বাজে ভাবে প্রকাশ পায় দায়ীত্বশীল মহলে ...... প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে চতুর্থশ্রেনীর কর্মচারীর মধ্যে একি ভাবে !
মনন আর মেধা , শুন্য এখানে!