| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আইরিন সুলতানা
***বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতার যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই; রাজাকারদের না বলুন*** ----------------------------- ::: সুস্থ ব্লগিং নীতিমালার সঠিক বাস্তবায়ন চাই ::: -----------------------------
![]()
নারী বন্দনায় কোন কালেই, কোন কথা সাহিত্যিক ছাড় দেননি একরত্তি; সে দেশে হোক বা বিদেশে। পায়ের নখ থেকে শুরু করে চুলের ডগা অব্দি চুলচেরা বিশ্লেষণে কবিকূল ব্যতিব্যস্ত থেকেছেন যুগের পর যুগ। যারা লিখতে জানেন না তাদের মুখে মুখে ছড়িয়ে গেছে নারী বন্দনার সেসব হাজারো পংক্তিমালা। হাজার বছর ধরে হেঁটে বেড়িয়েছে কেবল বনলতা সেনের রূপসূধা পানের তৃষ্ণায় কাতর কোন পথিক! নারী অপ্সরী; নারী প্রেমিকা; নারী আরাধ্য; নারী দেবী!
খু্বই সাম্প্রতিক খবর- যশোহরের নওয়াপাড়া জুট মিলে কোন নারী শ্রমিককে স্থায়ী শ্রমিকরূপে নিয়োগ দেয়া হচ্ছেনা। অস্থায়ী নারী শ্রমিকেরা সর্দারদের ২০/২৫ টাকা ঘুষ দিয়ে কাজ পায় বটে কিন্তু আট ঘন্টার কাজের পারিশ্রমিক মোটে ৬২ টাকা! বেতনভাতার আন্দোলনে নেতৃত্ব দিতে গিয়ে চাকরী খুঁইয়েছে বেঙ্গল টেক্সটাইলের নারী শ্রমিক দিপু।আট ঘন্টার বদলে ষোল ঘন্টা কাজ করে রিজিয়া পায় ৮০ টাকা; সেখানে একজন পুরুষ কর্মী পায় ১২০ টাকা! এলাকার বেশীর ভাগ কারখানাগুলোতে মাতৃত্বকালীন ছুটি পদ্ধতি মানা হয়না! [খবর সূত্র: পৃষ্ঠা-১৬, দৈনিক ইত্তেফাক, ২৫শে অগাস্ট ২০০৯]
নারী-পুরুষের প্রাকৃতিক, বাহ্যিক গড়নের পার্থক্য নারীকে প্রয়োজনের তুলনায় বেশী বেশী নারী করে তোলে। নারী কোমল; নারী পেলব! মেয়ে-ছেলে বা মেয়ে-ছাওয়াল অর্থ্যাৎ নারী হয়ে ওঠার সাথে সাথে বাটোয়ারা হয় কাজে-কর্মে, দ্বায়িত্ববোধে, অধিকারে, জবাবদিহিতায়, দাবিতে, পারিশ্রমিকে ।
অহরহ নারীর উপর খড়গ নেমে আসে ধর্মীয় রীতির, সামাজিক নীতির আর পারিবারিক রেওয়াজের এবং এই পুরো অংশে দোর্দণ্ডপ্রতাপে আধিপত্য বিস্তারকারীরা আর কেউ নয় বরং নারী বন্দনায় নিবেদিত প্রাণ পুরুষকূল। পুরুষেরা সযত্নে নারীর চারপাশে এঁকে দেয় লক্ষণ রেখা! গণ্ডি পার হলেই ঢিঁ ঢিঁ পড়ে যায়! আয়োজন হয় অগ্নি-পরীক্ষার। যুগ যুগ ধরে চলে সতীদাহ! এখনও ক্ষণে ক্ষণে ভেসে আসে ঊনচল্লিশটি দোর্দার আঘাতে জর্জরিত কোন রমনীর আর্তচিৎকার! হুংকারে ফতোয়াবাজ কোন পুরুষ আর নির্বাক দর্শকের ভূমিকায় নপুংসক সমাজ। নারী কুলটা! নারী নষ্ট! নারী বাজারে কেনা-বেচার অধিকার রাখবে কিনা সে ফয়সালা করার আগেই রঙ্গশালায় বিকি-কিনি হয় খোদ নারীই। দালাল কিংবা ক্রেতারূপে পুরুষের তৎপরতা পাশ কাটিয়ে চোখে বিঁধে কেবল স্বস্তা প্রসাধনীর প্রলেপে আবৃত নারী। নারী পতিতা; নারীই ছিনাল!
যুগে যুগে নিয়মনীতির ফাঁক-ফোকড় গলে কিছু নারী উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে নারীকূলকে রক্ষা করেছেন। ফ্লোরেন্স নাইটিংগেল, মাদার তেরেসা কিংবা ভেলরী - নারীর মমতার আশ্রয়ে পুরো বিশ্ব । নারী সেবিকা ! রণক্ষেত্রে নারীর রূদ্রমূর্তি বধ করেছিল শত্রুপক্ষকে। চাঁদ সুলতানাকে নিয়ে কবি নজরুল ইসলাম বলেছিলেন, ”শিখালে কাঁকন, চুড়ি পরিয়াও নারী, ধরিতে পারে যে উদ্ধত তরবারী”। নারী রণরঙ্গীনি ! বেগম রোকেয়া ভেঙ্গে দিয়েছিলেন নারীর উপর চাপিয়ে দেয়া কুসংস্কার। নারী অন্ধকারে আলোর দিশারী! নারী জ্ঞান-পিপাসু, বিদুষী!
নারী অবাধ্য হয় কখনো। নারী ছন্নছাড়া হয় কখনো। নারী তোয়াক্কা করেনা নারীসূলভ জীবন-যাপনের। নারী আঙ্গুল তুলে বসে পুরুষের দিকে। নারী হয়ে যে কথা বলা একেবারেই জায়েজ নয়, নারী তাই বলে বসে সদম্ভে! ভ্রষ্টা নারীর নষ্ট গদ্যে নারীর আরেক পরিচয় দাঁড়ায় তসলিমা নাসরিন!
সংকীর্ণমনা পুরুষ বলে ওঠে ”সুরঞ্জনা, ওইখানে যেওনাকো তুমি, বলোনাকো কথা ওই যুবকের সাথে” । অবশ্য নারীও ধোঁকা দেয় নয়তো নারী হিসেবি হয়ে ওঠে চাওয়া-পাওয়ায়। নারী বরুণা হয়ে খুঁজে নেয় জীবনে অর্থ আর ভবিষ্যতের নিশ্চয়তা। পুরুষের নাম নিজের নামের আশেপাশে জুড়ে নারী পূর্ণতা খুঁজে পায় সমাজের বেঁধে দেয়া নিয়মে। পৃথিবীর আধেক সূধীজন নারীকে দেবে আশীর্বাদ- নারী বাস্তববাদী, নারী সংসারী! আর আধেক দেবে অভিসম্পাত- নারী ছলনাময়ী!
পুরুষের লোলুপতার শিকার নারী হরদম। নারীকে রক্ষায় আইন! সম্ভ্রমহানীর প্রতিবাদে মিটিং-মিছিল। প্রতিবাদের স্বর জোড়ালো হয় পুরুষের কারণেই! নারী যে অবলা!
অথবা নারীই দোষী! কেউ ”দেখালে” অন্যেরা ”দেখবে” না কেন! তাই সমস্যার একমাত্র সমাধান- নারীকে ঢেকে ফেলো আপাদমস্তক! অথচ পুরুষের দৃষ্টির কলুষতা, নিয়তের স্খলণ নিয়ে কেউ ভ্রুকুটি করেনা! কুকর্ম করছে পুরুষ, সামলানো হচ্ছে নারীকে!
নারীকে বাগে রাখতেও আইন! পূণ্যভূমি আরবে বিচারক, স্বামীকে অধিকার দিলেন অমিতব্যয়ী স্ত্রী’র গায়ে হাত তোলার! আফগান সরকার আরো এক কাঠি সরেস! নব্য খসড়া আইন বলে দেয় ২০০৯ সালেও নারীর জন্যে আসলে কিছুই বদলে যায়নি! আফগান নারীকে ঘরের চৌহদ্দির বাইরে যেতে হলে স্বামী নামক পুরুষটির অনুমতি নিতে হবে। এমনকি স্বামীর অনুমতি ব্যতীত চাকরী, শিক্ষা বা চিকিৎসকের কাছে যাওয়া আইন বহির্ভূত ! সন্তানের অভিভাবক হিসেবে নারী নয়, কেবল চাই পুরুষের নাম! তদুপরি স্বামী তার শারীরবৃত্তিয় চাহিদা পূরণে অবজ্ঞাকারী স্ত্রী'কে শাস্তিস্বরূপ অভূক্ত রাখার পূর্ণ অধিকার বহন করে! নারীই কেবল ভোগ্য! নারীর উপভোগ্য বলে কোন স্থান-কাল-পাত্র নেই!
নারী কোথায় যাবে! মৃত্যুর পরে কি নারী তাবৎ ঝুট-ঝামেলা থেকে মুক্তি পাবে? পুরুষের জন্যে জান্নাতে আয়তলোচনা হুরপরীরা ব্যতিব্যস্ত থাকবে, এই বলে বলে মসজিদের ঈমাম পুরুষদের ঈমান সবল করেন! আহ! ইহকাল আর পরকাল - দু’কালেই নারী-ভাগ্য নিয়ে জন্মেছে বটে পুরুষ! নারী কেবল চরণ-দাসী!
নারীকে নিয়ে রঙ্গ! নারীকে নিয়েই ব্যঙ্গ! নারীর উপর ক্ষোভ! নারীতেই আবার প্রীতি। যুগ বদলেছে। রুচি পাল্টেছে। বদলে যাচ্ছে পুরুষ। বদলে যাচ্ছে নারী। নারীকে বদলে দেয়ার মিছিলে শরীক খোদ পুরুষ! পুরুষই বাতলে দিচ্ছে এখন নারীকে বদলাতে হবে! পুরুষই মাপ-ঝোঁক করছে কতটুকু বদলাতে হবে! নারী কি বোধহীন! নারী কি স্বল্প বুদ্ধির অধিকারীনি!
বাসে ছয়টি মহিলা-সিট্ পেলেই নারী অধিকার সংরক্ষিত হয়না একথা কবে বুঝবে নারী! নারীর অধিকার নারীকেই আদায় করে নিতে হবে, নারী বদলাবে কি বদলাবে না, কতটুকু বদলাবে, তার মাপকাঠি নিজের হাতে না রাখতে পারলে কিসের আধুনিকতা তবে! নারী নির্যাতন আইন করলেই নারীর প্রতি অসম্মান বন্ধ হয়ে যাবেনা। নারীকেই বলতে হবে চিৎকার করে , ”বিচার চাই ওই কুলাঙ্গারের”...!
প্রকৃত অর্থে স্বাবলম্বী হও নারী।
জাগো, নারী জাগো বহ্নি শিখা ...!
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:৫৮
আইরিন সুলতানা বলেছেন: ঠিক না সঠিক ?
২|
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:৫০
লুনা ফিরোজ বলেছেন: সত্য সত্য সত্য........
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:৫৮
আইরিন সুলতানা বলেছেন: ধ্রুব সত্য হোক তবে ।
৩|
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:৫০
'লেনিন' বলেছেন: জাগো, নারী জাগো বহ্নি শিখা...
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:০০
আইরিন সুলতানা বলেছেন: জাগো, নারী জাগো বহ্নি শিখা...
৪|
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:৫৪
কক বলেছেন: আহ্ পুরুষ! ওহ্ পুরুষ! উফ্ পুরুষ! ... ... ... হায় পুরুষ !!!
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:০১
আইরিন সুলতানা বলেছেন: তাতো বটেই !
৫|
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:৫৪
মনির হাসান বলেছেন: "নারীই কেবল ভোগ্য! নারীর উপভোগ্য বলে কোন স্থান-কাল-পাত্র নেই!"
বস্ ... স্রেফ অসাধারণ ...
উনচল্লিশ'টা দোররা খাওয়া সেই নারীকে (কিম্বা আরেক'জন দোররা নির্যাতিতা) টিভি'তে দেখলাম ... চরম বাঘিনির মতো যেই শুয়াড় তাকে দোররা মেরেছিল তাকে শাসাচ্ছে/গালি দিচ্ছে ... চরম ভালো লাগছিল ।
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:০২
আইরিন সুলতানা বলেছেন: এর খুবই প্রয়োজন আছে; তবে নারী এখনো নেহায়েত দেয়ালে পিঠ ঠেকে না গেলে এমন অগ্নিরূপে প্রতিবাদ করে না, নির্যাতনই সহ্য করে ! এটাই আফসোস!
৬|
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:৫৪
মহলদার বলেছেন: ভাল লেখা।
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:০৩
আইরিন সুলতানা বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে। লেখাটা বোধগম্য হলে আমারো ভাল লাগবে।
৭|
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:৫৯
সিঁদুরে মেঘ বলেছেন: সঠিক সঠিক সঠিক।
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:০৪
আইরিন সুলতানা বলেছেন: তবে তাই হোক !
৮|
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:০২
পল্লী বাউল বলেছেন: তথাকথিত 'পুরুষ' ঈশ্বরের কাছে যুগে যুগেই জিম্মি নারী তা
ইহকালে কিংবা পরকালে।
+++
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:০৬
আইরিন সুলতানা বলেছেন: নারী বড়জোর পুরুষ কর্তৃক দেবী উপাধি পায় বটে, কিন্তু পুরুষ তার আগেই স্বঘোষিত ঈশ্বর !!! পুরুষ তাই সর্বেসর্বা!!!!
৯|
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:০৫
সততার আলো বলেছেন: উচ্ছৃংখল পোষাকে মিডিয়ায় আবির্ভূত সবার পছন্দের নারীরা কি সম্মানীত? নাকি তারা ব্যবসায়ের পণ্য?
নিজেকে লুকিয়ে রেখে সমস্ত মেধা আর মননের মাধ্যমে যে নারী সমাজকে সৌন্দর্য মন্ডিত করতে চায়, সে কি মৌলবাদী আর মধ্যযূগীয়?
নারী অধিকার ছয়টা সংরক্ষিত সিট দিলে ক্ষুন্য হয় আর সে সিটগুলো আদবহীন লোকজন যখন দখল করে রাখে তখন কি হয়?
যদ্দুর দেখেছি, মৌলবাদীরাই বাসে ভীড়ে দলিত হতে থাকা নারীদেরকে সম্মান করে বসার সুযোগ করে দেয়।
আমার মনে হয়, রূপচর্চা নয় মেধার চর্চার মাধ্যমে, সততা আর পবিত্রতার মাধ্যমে নারী হতে পারেন ফ্লোরেন্স নাইটিঙেল কিংবা মাদার তেরেসার মত মহাকালজয়ী।
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:০৯
আইরিন সুলতানা বলেছেন: যদ্দুর দেখেছি, মৌলবাদীরাই বাসে ভীড়ে দলিত হতে থাকা নারীদেরকে সম্মান করে বসার সুযোগ করে দেয়।
========
তাই !!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!! আপনি বাসে চড়েন তো?
নারীর উচ্ছৃংখলতাটুকু খুব চোখে পড়ছে, কিন্তু পুরুষের নোংরামি, ইতরামি, ফাতরামিগুলো?
১০|
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:০৯
তারার হাসি বলেছেন:
মেয়ে তোমার মনে এত প্রশ্ন কেন? এজন্যই বলি, মেয়েদের বেশি পড়ালেখা করতে নেই, স্বামী মানে না, বেশি বেশি বুঝে ফেলে আর তখনি চোখ তুলে কথা বলে।
কবে শিখবে নারী নিজেকে মানুষ ভাবতে ?
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:১৩
আইরিন সুলতানা বলেছেন: মেয়ে-ছাওয়ালদের এতো ভাবতে নেইরে ! ![]()
১১|
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:১১
সততার আলো বলেছেন: ইসলামের প্রতিষ্ঠার জন্য জীবনদানকারী প্রথম মানুষটি ছিলেন একজন নারী। সুমাইয়া ছিল তার নাম। আমরা যারা ইসলামী আন্দোলনকে ভালবাসি তাদের কাছে নারী হল প্রেরণার উৎস। ইসলামের সকল দুর্যোগে নারীদের অবদান রয়েছে। অনেক যুদ্ধে নারীগন তাদের অলংকার ছুড়ে দিয়েছেন জিহাদের জন্য। তাঁরা নিজেরা না খেয়ে মুজাহিদদের খাবারের ব্যবস্থা করেছেন। যুদ্ধক্ষেত্রে অবস্থান করে বাড়িয়ে দিয়েছেন সেবার কোমল হাত। কখনো কখনো সরাসরি যুদ্ধেও অবতীর্ন হয়েছেন। স্বামীর শাহাদাত তাঁদেরকে টলিয়ে দিতে পারেনি বরং তাঁদের সন্তানদেরকেও শাহাদাতের অমিয় সুধা পান করার জন্য যুদ্ধসাজে সাজিয়ে দিয়েছেন নিজ হাতে।
নারী সে তো সত্যিই প্রেরণার নাম।
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:১৬
আইরিন সুলতানা বলেছেন: সুন্দর বলেছেন । এটুকু বোঝার মত তওফিক দান করুক আল্লাহপাক সকল নারীর উপর কর্তৃত্বকারী সকল পুরুষকে। যারা ফতোয়াবাজ তাদের কর্ণকূহরে এই মন্ত্রবাণী প্রবেশ করান।
ধন্যবাদ আপনাকে।
১২|
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:১৩
সততার আলো বলেছেন: অবশ্যই দেখেছি পুরুষের নোংরামী গুলো আর তাইতো ঘৃনা করি তাদেরকে। আর ঘৃনা করি নোংরামী কেও। নোংরা বন্ধুদের ত্যাগ করে, যাদেরকে চিনতাম না তাদেরকে বন্ধু নয় ভাই করে নিয়েছি। সুন্দর সমাজের স্বপ্ন দেখি।
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:২৭
আইরিন সুলতানা বলেছেন: সুন্দর ভাবনা; সবাই এমন রুচিশীল হয়ে উঠুক।
১৩|
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:১৬
সততার আলো বলেছেন: @পল্লী বাউল: ইশ্বর পুরুষ নন, তিনি নারীও নন। পুরুষ বা নারী এ পৃথিবীর জন্তুদের এবং সেরাজীব মানুষের দুটি ভাগ। এটা একটা পরীক্ষাও বলা যায়। ইশ্বরের বানী কোন পুরুষ আর মহিলার জন্য আলাদা নয়, একই কথা কিছু কিছু ক্ষেত্রে ভিন্ন ভাবে বলা হয়েছে। নারীকে বলেছেন নিরাপদ রাখতে আর পুরুষকে বলেছেন নারীকে নিরাপত্তা দিতে।
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:১৯
আইরিন সুলতানা বলেছেন: উনি আদতে ঈশ্বরের সাথে পুরুষকে তুলনা করেননি। তবে বাস্তবতার নিরিখে, প্রভাব-প্রতিপত্তির বিচার বলেছেন, এমনটা বহুক্ষেত্রেই ভাবতে বাধ্য হতে হয়।
১৪|
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:১৮
অ্যামাটার বলেছেন: 'লেনিন' বলেছেন: জাগো, নারী জাগো বহ্নি শিখা...
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:২০
আইরিন সুলতানা বলেছেন: ওটাতো মহামান্য 'লেনিন' বলেছেন, অ্যামাটার তাহলে কি বলেছেন ?
১৫|
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:২৩
সত্যান্বেষী বলেছেন:
নারী হয়ে কেউ জন্মায় না (যারা বুঝেননি তাদেরকে- জন্মায় মানুষ হয়ে), সমাজ তাকে নারী বানায়। - সিমোন দ্যা বেভোয়ার।
[ব্রেকেটবদ্ধ বাক্যটি আমার।]
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:২৯
আইরিন সুলতানা বলেছেন: ধন্যবাদ একটি বাস্তবসম্মত উক্তি শেয়ার করার জন্য।
১৬|
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:৩১
'লেনিন' বলেছেন: লেখক বলেছেন: ওটাতো মহামান্য 'লেনিন' বলেছেন, অ্যামাটার তাহলে কি বলেছেন ?
_________________________
ভুল হলো ওটা আমার কথাও না, এই পোস্ট রচয়িতা নারীরও নয়। বরং বিদ্রোহী কবি নজরুলের। ![]()
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:৪৫
আইরিন সুলতানা বলেছেন: সঠিক সঠিক ![]()
১৭|
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:৩১
অ্যামাটার বলেছেন: রবীন্দ্রনাথের শাস্তি গল্পে পড়েছিলাম, "ঠাকুর, বউ হারাইলে বউ পাইব, কিন্তু আমার ভাই ফাঁসি গেলে তো আর ভাই পাই না"।
আরেকবার প্রথমকালো-তে একটা 'অন্যরকম খবর'-এ দেখেছিালম, ভারতের কোন এক রাজ্যে স্থানীয় ভাষার প্রথম শ্রেণির বোর্ডের পাঠ্য বইয়ে নাকি ছিল, স্ত্রিলোক অপেক্ষা হালের বলদ অধিক লাভজনক, এইরকম!!
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:৪৮
আইরিন সুলতানা বলেছেন: এইরূপ উপমা !!!!! ধরণী, তুমি দ্বিধা হও এক্ষুণি !
১৮|
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:৩২
সততার আলো বলেছেন: সামহোয়ার ইনকে ধন্যবাদ না দিয়ে পারছিনা এই জন্য যে, পুরুষ কিংবা নারী যে ই হোক না কেন, তিনি তাঁর পোস্টে জবাব লিখলে তাতে দেখা যায় "লেখক বলেছেন"।
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:৫০
আইরিন সুলতানা বলেছেন: আপনার মতামত কর্তৃপক্ষের দৃষ্টিগোচরে আনতে ভুলবেন না যেন ...![]()
১৯|
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:৩৪
নকীবুল বারী বলেছেন: সুরঞ্জনা, ওইখানে যেওনাকো তুমি, বলোনাকো কথা ওই যুবকের সাথে..............................
পোস্টে প্লাস....
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:০১
আইরিন সুলতানা বলেছেন: এই লেখাটি কিন্তু এই একটি লাইনেই কেন্দ্রীভূত ছিলনা ...
তারপরও ধন্যবাদ এই ভেবে যে, ধরে নিচ্ছি আপনি পোস্টটি পড়েছেন। ![]()
২০|
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:৩৪
সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন:
সৃষ্টির রহস্যজনিত কারনে কেউ নারী কেউ পুরুষ........
সমস্যা হয় তখনি যখন নারী হয় মেয়ে মানুষ আর পুরুষ হয় শুধু মানুষ.........
পুরুষ নারী নির্বিশেষে সবাই যেদিন মানুষ হবো সেইদিনের অপেক্ষায় ......
উন্নত দেশগুলোতেও পারিশ্রমিক এর ব্যাপারে বৈষম্য ছিলো। সময়ের সাথে বদলে গেছে নিয়ম।
ভালো থাকো আইরিন।
শুভেচ্ছা।
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:০৫
আইরিন সুলতানা বলেছেন: নারী-পুরুষের বৈষম্য তো কেবল আমাদের দেশেই নয়, এটি একটি আন্তর্জাতিক সমস্যা। তবে তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোকে কিংবা যেখানে শিক্ষার হার কম, সেখানে নারী নির্যাতনের হার তুলনামূলক বেশী । সময়ের সাথে বদল কতটা এসেছে আর কত বদলে যাওয়ার আই-ওয়াশ হয়েছে তাও একটি বিবেচ্য বিষয় বটে।
নারীকে মানুষ হিসেবে চিন্তা করার আগে এটুকু বুঝতে হবে, নারীত্ব কোন দূর্বলতা নয়।
মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ সাজি'পু । ভাল থাকবেন। শুভেচ্ছা আপনার জন্যেও ।
২১|
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:৪০
শিট সুজি বলেছেন: aosadharn.
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:১০
আইরিন সুলতানা বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।
২২|
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:৪০
একরামুল হক শামীম বলেছেন:
বাসে ছয়টি মহিলা-সিট্ পেলেই নারী অধিকার সংরক্ষিত হয়না একথা কবে বুঝবে নারী! নারীর অধিকার নারীকেই আদায় করে নিতে হবে, নারী বদলাবে কি বদলাবে না, কতটুকু বদলাবে, তার মাপকাঠি নিজের হাতে না রাখতে পারলে কিসের আধুনিকতা তবে! নারী নির্যাতন আইন করলেই নারীর প্রতি অসম্মান বন্ধ হয়ে যাবেনা। নারীকেই বলতে হবে চিৎকার করে , ”বিচার চাই ওই কুলাঙ্গারের”...!
প্রকৃত অর্থে স্বাবলম্বী হও নারী।
জাগো, নারী জাগো বহ্নি শিখা ...!
এই কথাগুলো আমারও কথা।
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:২৫
আইরিন সুলতানা বলেছেন: আমি ঠিক মহিলা সংরক্ষিত আসনের বিরোধী নই, তবে ২০০৯ -এ এসে এর ৬/৯টি সংরক্ষিত মহিলা আসনের প্রয়োজনীয়তাটুকু প্রমাণ করে আমরা কতটা পিছিয়ে আমাদের মানসিকতার দিক দিয়ে! প্রমাণ করে বাসে দাঁড়িয়ে যাওয়াটা বা পুরুষের পাশে বসাটা কতটা বিব্রতকর হতে পারে নারীর জন্য। উন্নত বিশ্ব শিশু এবং শারীরিক/মানসিক ভাবে অসমর্থদের জন্য বিশেষ আসন বরাদ্দ থাকে । আমরা নারীকেও সেই কাতারে সামিল করেছি অবশেষে।
এই কথাগুলো আমার, তোমার এবং অবশেষ সবার কথা হোক।
২৩|
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:৪৩
সবাক বলেছেন:
নারীরা এরকমই ঝেড়ে কাশুক।
*** সততার আলোর কমেন্টগুলো মনযোগ দিয়ে পড়লাম। (সব উপরওয়ালার ইচ্ছা)
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:১৪
আইরিন সুলতানা বলেছেন: নারীর কাশির উপর আবার কোন ফতোয়া না থাকলেই বাঁচোয়া!
২৪|
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:৪৩
সত্যান্বেষী বলেছেন:
সততার আলো বলেছেন: 'ঈশ্বরের বানী কোন পুরুষ আর মহিলার জন্য আলাদা নয়'
জোক অব দ্যা সেঞ্চুরীজ।
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:৪১
আইরিন সুলতানা বলেছেন: হুমমম।
২৫|
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:৪৩
মর্তুজা আশীষ আহমেদ বলেছেন: ধর্ম ব্যবসায়ীদের বলতে চাই নারীদের নিয়ে ইসলাম ধর্মে একটি সূরা নাযিল করা হয়েছে, সূরা নিসা। কিন্তু পুরুষদের নিয়ে? আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি নারী এবং পুরুষ উভয়ই সৃষ্টিকর্তার সৃষ্টি। তাই স্রষ্টার সৃষ্টিকে প্রত্যেকের সন্মান জানানো উচিৎ। আমার কাছে এ নিয়ে কোনো ভেদাভেদ নেই কারণ পুরুষ যেখান থেকে তৈরি একজন নারীও সেখান থেকেই তৈরি। নারী পুরুষ বলে কথা নয়। মানুষ পরিচয় আসল। তাই আমি পুরুষবাদী যেমন মানিনা তেমনি নারীবাদীও মানিনা। অনেকেই আমার মতের সাথে দ্বিমত পোষন করবেন। কিন্তু সবার উপরে মানুষ সত্য। একজন পুরুষ একজন নারীকে নারী হিসেবে নয়, মানুষ হিসেবে সন্মান করুক এটাই সবার কাছে কামনা।
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০৮
আইরিন সুলতানা বলেছেন: পুরুষবাদী, নারীবাদী - এরকম ভাবনাটাই বিলুপ্ত হওয়া উচিৎ। নাহলে এ দুটি প্রজাতি কেবল একজন কর্তৃত্ব করে আর আরেকজন অধিকার আদায়ের জন্য গলা ফাটিয়েই সময়ক্ষেপন করবে .... উপলব্ধিটাই আসল...যার যার ব্যক্তিগত সুস্থ চিন্তার এবং আকাঙ্খার প্রকাশ বাধাহীনভাবে হওয়াটাই কাম্য।
২৬|
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:৫৫
ফেরারী পাখি বলেছেন: এত সুন্দর করে অনুভব গুলো প্রকাশ করেন, মুগ্ধ না হয়ে পারি না।
সত্যি সবার আগে প্রয়োজন আমাদের মানুষ হওয়া।
প্রকৃত অর্থে মানুষ হও নারী----
হও স্বাবলম্বী ।
জাগো, নারী জাগো বহ্নি শিখা ...!
এই কথাগুলো আমারও কথা।
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৩:১৬
আইরিন সুলতানা বলেছেন: নারী হয়ে ওঠা কি তবে দূর্বলতা ??? নারীত্বকেও সন্মান করতে হবে, নইলে মনুষত্যবোধ আসবে কোথা থেকে ।
ধন্যবাদ ফেরারী পাখি। শুভেচ্ছা।
২৭|
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ২:০৩
সায়েম মুন বলেছেন: নারী=পুরুষ
নারীকে সামনে রেখেছি। কারণ একজন নারীই আমাকে গর্ভেধারণ করেছেন। জন্ম দিয়েছেন, পরম মমতায় লালনপালন করেছেন। ৫ বছর বয়সে পিতার মৃত্যুর পরও তিনি সব দায়দায়িত্ব একাই পালন করেছেন। যে কাজটা একজন পিতার পক্ষে অনেক কষ্টসাধ্য/ একরকম অসম্ভব।
খুব সুন্দর পোষ্টের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ!
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:৪৪
আইরিন সুলতানা বলেছেন: আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ সায়ম মুন, বিষয়টি এভাবে শেয়ার করার জন্য। এবং আমি ধরেই নিচ্ছি নারীর প্রতি আপনার শ্রদ্ধাবোধ এবং উদারতা প্রবল হবে। এবং আপনার ভবিষ্যত প্রজন্মটিও আপনার মতই নারীকে দেখতে শিখবে।
ভাল থাকুন। আপনার এবং আপনার মায়ের জন্য শুভেচ্ছা।
২৮|
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ৩:৪২
বৈকুনঠ বলেছেন: খুবি দু:খজনক পরিস্থিতির শিকার আপনি যে নারী শ্রমিকদের কথা উল্লেখ করলেন তারা। প্রকৃতপক্ষে একজন শ্রমিক যদি তার শ্রমের উপযুক্ত মূল্য আর মর্যাদা না পায় তাইলে অর্থনৈতিক অবকাঠামো দুর্বল হৈতে বাধ্য। কারন মানুষের হাতে যদি পর্যাপ্ত পয়সা না থাকে তাইলে স্থানীয় অর্থনিতির চাকা স্থবির হৈতে বাধ্য এবং একি সাথে কর্মদাতারা যারা কিনা কোনো না কোনো দ্রব্য উৎপাদন করেন এই অল্পআয়ের শ্রমিকদের খাটায়া, তাদেরো বিদেশী ক্রেতাদের মুখাপেক্ষী হওন ছারা গত্যান্তর থাকে না। এইটা একটা বদ্ধ চক্রের মতন। কোনো কারখানা মালিকও তার একার চেস্টায় এই চক্র থেইকা আমগো দেশের অর্থনিতীরে মুক্তি দিতে পারবো না। কারন এই পরিস্থিতি যেন বজায় থাকে তার জন্য কলকাঠি নাড়নেওয়ালারা থাকে অনেক দুরে। আর আমগো দেশে ওরা বসায়া রাখছে শুধু পুতুল সরকার, জনগনরে মায়ার ঘুম পাড়ানোর লাইগা।
আপনে কি নিয়া এত পাথরে মাথা বাইড়ান? ভাইবা দেখছেন একবার যে আমগো দেশে নারীদের অবস্থান কত উপরে? বিগত ২০ (প্রায়) বছর যাবৎ আমগো সরকার প্রধান নারী। জাতির যারা বিবেক বা চোখ হিসাবে পরিচিত সেই সাংবাদিক কূলের অধিকাংশই নারী। এছাড়াও বিভিন্ন সেক্টারে নারী কর্মীদের সংখ্যা একেবারে ফালায়া দেওনের মত না। এরপরেও যদি এখনো দেশে নারী পুরুষের সমঅধিকার বা সমতা সর্বক্ষেত্রে কায়েম হয়া না থাকে তাইলে সেইটার দায়ভার নারীদেরই লৈতে হৈব।
আমগোদেশের অনেক তথাকথিত প্রগতিশীল মেয়েই নিজের চলনবলনের ঢং পরিবর্তন কৈরা মনে করে যে সে সমাজ পরিবর্তনে বড়ধরনের অবদান রাখল। আলাদাভাবে নারী মুক্তি আন্দোলন করলে এবং পুরুষরে শত্রুপক্ষহিসাবে ধৈরা নিলে সত্যিকার পরিবর্তন আইবো বৈলা মনে হয় না। সবচে' বেশী প্রয়োজন যেইটার সেইটা হৈল উন্নতমানের শিক্ষার প্রসার। আমগোদেশের মানুষ বিশ্ববিদ্যালয়ের সবচে' উচা ডিগ্রী লয়াও থাকে মুর্খ। এইটাও আমগো বিদেশী প্রভূগো চাল।
তথাকথিত শিক্ষিতদের স্বীকার করতে হৈব যে নারীর গর্ভ থেইকা পুরুষের জন্ম, পুরুষের বাম পাঁজরের হাড় থেইকা নারীর জন্ম না।
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ২:০২
আইরিন সুলতানা বলেছেন: ইত্তেফাকে খবরটি পড়ে আমি বুঝলাম, হয়তা বা নিম্নস্তরে তবু নারী শ্রমিকদের নিয়ে বৈষম্য তাহলে এখনো আছে। ধরে নিচ্ছি এখন বিশ্বে অর্থনৈতিক মন্দাভাব চলতে তারই অংশ হিসেবে কারখানার মালিকেরা খরচ বাঁচাতে কিছু পদ্ধতি নিয়েছেন, কিন্তু এর বিরূপ প্রভাব পুরোটাই পড়ছে নারী শ্রমিকদের উপর পুরুষ শ্রমিকের চেয়ে!
কেউ যুক্তি দেখাতে পারে, নারী শ্রমিকের ঘরে তার পুরুষ স্বামীটিও উপার্জন করে. তবে একটা বাস্তবতা হলো নিম্নস্তরের এসব ঘরে, অনেক স্বামীই সংসারে খরচ ঠিকমত দেয়না,কিংবা অনেকগুলো বিয়ে করে, কোন বউকে রেখে চলে যায়, ফলে সংসারকে টেনেটুনে চালাতে হয় স্ত্রী'কেই।
পাথরে মাথা কি আর সাধে ঠুকি রে ভাই !
আপনি নারী অগ্রগতির যে সব উদাহরন দিলেন, সবই ঠিক আছে, আমি নিজেও তো কর্মজীবি, তাই এই পরিবর্তনগুলো আমি দেখি। তবে একটা অফিসে পুরুষের তুলনায় নারীকর্মীর সংখ্যা অনেক কম। এবং চাকরী ক্ষেত্রেও খানিকটা বাছাই করতে হয়, নয়তো পরে সংসার জীবনে জটিলতা তৈরী হয়।
এখন অনেক ছেলেই চাকরীজীবি মেয়ে খোঁজে কিন্তু এখনো অনেক ছেলে কিংবা তার পরিবার মেয়েকে জিগেষ করে, বিয়ের পরও কি মেয়ে চাকরী করতে চায়? এই বাস্তবতাটুকু কিন্তু উড়িয়ে দেয়া যাবেনা ...
আমি তো ছোটবেলা থেকে শুনি বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশ। এখনো দেশটা উন্নত দেশ হলো না ! অথচ এমন অনেক উদাহরণ আছে যা বলতে দেশ এগিয়ে গেছে ....তাহলে সমস্যাটা কোথায় ? উন্নতিটা সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
ঠিক এমনটাই নারী এগিয়ে যাওয়ার বেলাতেও; পরিবর্তনটা ঠিক সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। আমাদের দেশে প্রধান দুটি দলের নেত্রী নারী! তাদের এক ইশারায় ওলোট-পালট হয়ে যায় এমাথা থেকে ওমাথা...কিন্তু নারী'র প্রকৃত অবস্থান/নিরাপত্তা কি সেই হিসেবে উন্নত হয়েছে ?
এজন্য্ই বলেছি, নারীকেই প্রথমে বুঝতে হবে, পরিবর্তন কোথায় দরকার, কতটুকু দরকার, নারীর অধিকার কি , নারী নিজে কি ...নারী যতক্ষণ পর্যন্ত অগোছালো থাকবে তার অধিকার নিয়ে, ততক্ষণ অরণ্যে রোদনই হবে।
ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য বৈকুনঠ ।
২৯|
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৪:৩৮
রাগ ইমন বলেছেন: বিচার চাই ঐ কুলাঙ্গারের - করে তো অনেক দিন চেচাইলাম ।
এইবার মনে হয় বিচার "করতে" চাই ঐ কুলাঙ্গারের বলার সময় এসেছে ।
নিজেদের অধিকার নিজেরা কেড়ে নিতে হবে । বিচারটাও নিজেই করে নিতে হবে ।
যার দিলে অসুবিধা , সে দেবে কেন?
কেউ কোনদিন কাউকে কিছুই দেয়নি। চিরটা কাল লড়াই করে আদায় নয়ত কেড়ে নিতে হয়েছে । এইটাই নির্মম সত্য ।
লেখাটা খুবই ভালো হয়েছে ।
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১০:৩৩
আইরিন সুলতানা বলেছেন: আইন বলে তো কিছু একটা আছে, সেটাকে মেনে নিচ্ছি, নিজ হাতে শাস্তি বলতে যদি প্রহার, চড়-থাপ্পড় কিংবা মুখে রঙ মাখিয়ে সারা পাড়া ঘুরানো হয় তো তা করার সাহস যেন নারী রাখে এবং আরেকজন নারী যেন পাশে এসে দাঁড়ায়, কিন্তু তারপরও আইনের মধ্যে যে সব অপরাধগুলো পড়ে তার বিচার যেন আদালত কর্তৃকই হয় এই দাবিতেও নারীকে সরব থাকতে হবে বৈকি। আমাদের দেশে নারী সংক্রান্ত ঘটনাগুলোতে আদালতে নারীকে নিয়ে অদ্ভূত সব টানা-হেঁচড়ার কারণে নারী আর আদালতে মুখেপেক্ষী হয়না .. আবার যারা যায় তাদের মধ্যে হয়ত নিম্নবিত্ত, একটু কম শিক্ষিতের হার বেশী..মধ্যবিত্ত পরিবারদের সবকিছুতেই টানাপোড়েন চলে আর উচ্চবিত্তের হলো প্রেস্টিজ ইস্যু!!!...এর পরিবর্তন হওয়া চাই ।
নারীর জন্য আইন তো আছে, কিন্তু তার নারীমুখী সুবিধা নিয়ে সরকারের ব্যাপক প্রচারণা চালানো উচিৎ গণমাধ্যমগুলোতে।
৩০|
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৪:৪৮
দেশী পোলা বলেছেন: আফা
আপনেই পারবেন, এক্টু দেখায় দেন কেমনে চলতে হয়, স্বাবলম্বী হইয়া চারটা ঘরজামাই রাখেন, আপনে চাকরী কইরা খাওন আনবেন, তারা ঘরবাড়ি দেখবো।
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১০:১৮
আইরিন সুলতানা বলেছেন: আপনি মনে হয় বেশীই বুঝে ফেল্লেন ! যাই হোক এখানেও দৃষ্টিভঙ্গির ব্যাপার আছে, "ঘরজামাই" শব্দটি টেনে এনে আপনি নারী-পুরুষ উভয়কেই বেকায়দার ফেলার চেষ্টা করছেন। আপনি বোধহয় জানেননা, আজ এই শব্দটি ধোপে টিকে না। একটা সময় স্বামীরা তাদের স্ত্রীর বাড়িতে থাকলে বা আশেপাশে থাকলেই কত কানাঘুষা চালু হতো; হয়ত আপনার পরিচিত গণ্ডিতে এসব দেখেননি কিন্তু আমি দেখেছি, আজকাল অনেকেই স্ত্রী'র সুবিধার্তে স্ত্রী'র পরিবারের সাথেই থাকেন কিংবা তার বাড়ির কাছে বসবাস করেন। অথচ "ঘরজামাই" শব্দটি কিন্তু সেখানে একেবারেই অপ্রসংঙ্গিক।
আপনি হয়ত জানেননা, সংখ্যায় কম হলেও এমন অনেক স্ত্রী তার স্বামীর চেয়ে অফিসে বেশী যোগ্যতা সম্পন্ন পদে আছে এবং বেশী বেতনও লাভ করছেন।
ঘরবাড়ি দেখাটা ? আপনি যেভাবে বললেন, তাতে মনে হচ্ছে, নিজের ঘরবাড়ি দেখাতে পুরুষের জন্য একটা পাপকাজ ! এরপর আর কি বলার থাকতে পারে আমার !
আপনিও পারবেন!
৩১|
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৮:২৬
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:
কোন দ্বিমত নেই । নারীকেই এগিয়ে আসতে হবে, জাগতে হবে নিজেকে সাহায্য করতে, নারীকেই বদলাতে হবে নিজের দিন ।
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৭
আইরিন সুলতানা বলেছেন: ঠিক, আসলে সবার আগে নারীকে বুঝতে হবে, উপলব্ধি করতে হবে,তার নিজের অথবা নারীজাতির অবস্থান কি....প্রসংগ যেহেতু নারীকে নিয়েই তাই নারী বিষয়ক ক্ষেত্রগুলোতে নারীকে মতামত দিতে হবে সবার আগে, কিন্তু তা কম হয়, এটা দু:খজনক। নারী নিজেকে উপলব্ধি করুক পূর্ণাঙ্গরূপে।
ধন্যবাদ আরাশি।
৩২|
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১০:২৯
জেরী বলেছেন: ২টা মাইনাস কি ২টা পুরুষ দিছে নাকি??
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১০:৩৪
আইরিন সুলতানা বলেছেন: ইয়াপ !
আহ্ পুরুষ! ওহ্ পুরুষ! উফ্ পুরুষ! ... ... ... হায় পুরুষ !!! ![]()
৩৩|
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১০:৪৩
মেসবাহ য়াযাদ বলেছেন: নারীর দুঃখে চোখে পানি আইসা গেলো। পুরুষগুলানরেও এইরকোম শাস্তি / পাওনা দেয়া উচিৎ। তাইলে যদি হেরা নারীর দুঃখটা বুঝতে পারে। এইসব আর কতোদিন চলবো ?
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:১৯
আইরিন সুলতানা বলেছেন: আপনার মত করে সব পুরুষেরা যদি ভাবতে শিখতো !!!!!!!!!!
৩৪|
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১০:৪৯
বৃত্তবন্দী বলেছেন: আমাদের নিজেদের চিন্তার ক্ষেত্রটা বাড়াতে হবে। ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতায় দেখেছি শুধু পুরুষই নয়, নারীরাও নারীদের অন্যতম শত্রু। তবে এই শত্রুতার মুলেও পুরুষতান্ত্রিক চেতনা কাজ করে...
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১১
আইরিন সুলতানা বলেছেন: আমি আমার লেখায় সমাজ শব্দটা উল্লেখ করেছি, অবস্থান যাই হোক না কেন নারীও দূর্ভাগ্যক্রমে সেই সমাজেরই অংশ। নারীরাও নারীদের অন্যতম শক্র-- একদম সহমত। এর কারণ , তাদের বোধদয়ের অভাব, তারা সেভাবেই ভাবে, যেভাবে তাদের ভাবতে শেখানো হয়। হ্যা, বলা যায় নারী হয়েও পুরুষতান্ত্রিক ভাবনা।
ধন্যবাদ বৃত্ত, সংক্ষেপে সুন্দর করে বোঝানোর জন্য।
৩৫|
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:০০
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: কথাগুলো এত নির্মম সত্য যে, কী মন্তব্য করব বুঝতে পারছি না।
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১৩
আইরিন সুলতানা বলেছেন: তাহলে মন্তব্য নিস্প্রয়জন হোক । তবে ভাবনা যাতে প্রসারিত, উদার থাকে , ওটাই মূখ্য।
৩৬|
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:০৮
নাজনীন১ বলেছেন: মুশকিল হলো নারীরা ঘরে কি বাইরে ক্ষমতায় থাকলেও সিদ্ধান্ত নিতে অনেক সময় পুরুষের উপর নির্ভর করে, আজন্ম অভ্যাস পরিবর্তন করতে পারেনি এখনো। নিজের সত্তার উপর নারীর পূর্ণ অধিকার, এটা নারীদের বুঝতে হবে, চর্চা করতে হবে।
আমরা শুধু পরিবার থেকে, পুরুষদের থেকে অধিকার চাই। যেন তারা দয়া করে দিলে তবে আমরা পাব। কিন্তু এই চেয়ে থাকাটাকে আমি সমর্থন করি না। নিজের যোগ্যতা, বুদ্ধি, শিক্ষা এই সব দিয়ে নিজের পাওনাগুলো নিজেকেই জোগাড় করে নিতে হবে।
তবে পারস্পরিক সহযোগিতা ও অধিকারের যে ব্যাপারগুলো আছে, সেটা নারী উপর পুরুষের রয়েছে, পুরুষের উপর নারীর আছে।
৩৭|
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:০৯
মুক্তপাখী বলেছেন: নারী পুরুষ সমান অধিকার এইটা না বলে প্রাপ্য অধিকার/ সুষম অধিকার বলা উচিত। কারন একজন নারীই শুধু মাতৃত্বের দ্বায়িত্ব পালন করতে পারে, একজন পুরুষ কি সেটা পারবে? এমনি করে এমন অনেক ভুমিকা আছে যা অনন্য। তবে মানুষ হিসেবে যে অধিকার নারী/পুরুষের প্রাপ্য, তা তাকে দিতে হবে..এখানে ভিন্নতা করা চলবেনা।
৩৮|
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:১০
ভাবসাধক বলেছেন: সুন্দর লেখা । নারী সর্ম্পকে আরো একটি সাম্প্রতিক উদাহরন লেখিকার বাদ রয়ে গেছে - তা হলো – ভারতের তামিলনাড়– রাজ্যে বিবাহের পূর্বে নারীর সতীত্ব / কুমারীত্ব পরিক্ষার ব্যপারে ঐ রাজ্যের হাইকোর্টের রায় । হাইকোর্ট রায় দিয়েছে পাত্র ইচ্ছে করলে বিবাহের পূর্বে পাত্রীর কুমারীত্ব মেডিকেল টেস্টের মাধ্যমে যাচাই করতে পারবে।
আর আফগানিস্তানের যে আইনটি লিখলেন তা শুধু মাত্র শিয়া মুসলিমদের জন্য প্রযোজ্য এটা আপনি উল্লেখ করেন নি ।
যাহোক আমি শেখ নজরূল এর সাথে একমত । সুমন সাহেব কাজী নজরুলের কবিতা কি আর আমরা এখন মানছি ? সজল শর্মার সাথে আমি দ্বিমত ।
আমি চাই নারীর পূর্ন স্বাধীনতা , চাই সে আমার সাথে শেয়ার করুক ৫০%-৫০% সবকিছু । তাকে আমি চাই আমার কর্মে আমার জীবিকায়, আমার দায়িত্বে , আমার জীবন যুদ্ধে সমঅংশীদার হিসেবে । যেমনটি আছে ইউরোপ- আমেরিকায় !
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:০০
আইরিন সুলতানা বলেছেন: ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্যে। আপনি বোধহয় শেখ নজরুল এবং সজল দা'র প্রথম আলো ব্লগের মন্তব্যের কথা বলছিলেন। যেহেতু এখানে উনি মন্তব্য করেননি, তাই এর যুক্তিখন্ডন এখানে সম্ভব নয়। তবে প্র.আ. ব্লগে সজল দা আপনার মন্তব্যে উত্তর করেছেন বলেই দেখেছি।
৩৯|
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:১৭
কঁাকন বলেছেন: প্রকৃত অর্থে স্বাবলম্বী হও নারী।
৪০|
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১২:০৫
জূয়ারি বলেছেন: ওফ! পুরুষ,ওফ! পুরুষ, হায় নারী!! হায় নারী!!
৪১|
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:১২
ভাঙ্গন বলেছেন: আহ্ নানী ! ওহ্ নানী ! উফ্ নানী ! ... ... ... হায় নানী !!!
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:৪৫
আইরিন সুলতানা বলেছেন: ভাঙ্গনের শব্দ শুনি ...!!!
৪২|
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:১৩
নুভান বলেছেন: "অ্যামাটার বলেছেন: 'লেনিন' বলেছেন: জাগো, নারী জাগো."
"নেপোলিয়ান বলেছেনঃ রান্না ঘরে ফিরে যাও।"![]()
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৩
আইরিন সুলতানা বলেছেন: আফসোস !!!! ![]()
৪৩|
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:২৪
শ্রাবনসন্ধ্যা বলেছেন: কবে যে এদেশের মেয়েরা স্বাবলম্বী হবে! সত্যিকারের স্বাবলম্বী!
কবে যে মেয়েরা ন্যকামী বন্ধ করে নারী থেকে মানুষ হবে!
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৩:৪০
আইরিন সুলতানা বলেছেন: নারী হয়ে ওঠাটাও কিন্তু দূর্বলতা নয় আপু। নারী মানে ন্যাকামি এই ধারনা থেকে আমাদের বার হয়ে আসতে হবে। না হলে মনুষত্য আসবে কোথা থেকে !
ধন্যবাদ আপু আপনার মন্তব্যের জন্য। ভাল থাকুন। শুভেচ্ছা।
৪৪|
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:২৫
মুহাম্মদ মামুনুর রশিদ বলেছেন: ধন্যবাদ আমাকে মন্তব্য করার সুযোগ দেওয়ার জন্য ।আমার মনে হয় আপনি নারী,নারী করতে গিয়ে পুরুষদেরকে প্রতিপক্ষ বানিয়ে ফেলেছেন ।পুরুষ বা নারী দুজনকেই আগে মানুষ হিসেবে দেখতে হবে।
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:৩২
আইরিন সুলতানা বলেছেন: সেক্ষেত্রে আপনাকে বলতে হয়, এই লেখাটি আপনার একেবারেই বোধগম্য হয়নি। আমি কোথাও এমন কট্টরপন্থি অবস্থান নেইনি। যদি তাই হতো তবে পরিশেষে পুরুষকেই বদলাতে বলতাম, নারীর উদ্দেশ্যে কোন আহ্বান করতাম না।
নারীর প্রতি এতো এতো অবমাননা পাশ কাটিয়ে আপনি কেবল পুরুষ-বিদ্দেষি মনোভাবটাই দেখলেন ! এটা সত্যিই দু:খজনক।
নারী-পুরুষ দুজনেই তো মানুষ। তবে নারীত্ব কিন্তু দূর্বলতা নয়, এ কথাটিও বুঝতে হবে।
৪৫|
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:৩০
জাতি জানতে চায় বলেছেন: কথিত নারীবাদীদের সুরে গতানুগতিক আর একপেশে পোস্ট!! শপিং মল আর চাকর নির্যাতনের বিষয়টা নিয়ে আসলে ভাল হত না??
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:৪০
আইরিন সুলতানা বলেছেন: আপনার মন্তব্যটিও পুরুষবাদীদের সুরে গতানুগতিক এবং একপেশে! লেখাটি আপনার মস্তিস্কে প্রবেশ করেনি তা বলাবাহুল্য। যা নিয়ে আমাকে লিখতে বলছেন, মনে হচ্ছে, সে বিষয়টি আপনি বেশ ভাল জানেন, তাই অনুগ্রহ করে আপনি লিখুন না।
জাতি তবে জানুক।
৪৬|
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:৩০
তাজা কলম বলেছেন: আপনার লেখাটি মন ছুয়েঁ গেল। +
পুরুষ শাসিত সমাজ ব্যবস্থায় সত্যিকার অর্থে নারী জাগরণ কি আদৌ সম্ভব। যে প্রাচ্য দাবী করে তারা স্বাধীনতা দিয়েছে নারীতে সেখানকার সমাজকেও গভীর পর্যবেক্ষণে দেখেছি নারীরা কতোবেশী নিযাতিত। চল্লিশোর্ধ তথা যৌবন উত্তর নারীরা সেখানে সমাজে উপেক্ষিত। সেখানকার single mother -দের দু:খ-দূর্দশায় যে কোন সংবেদনশীল মানুষকে হতে হয় দু:খকাতর।
আসলে নারী স্বাধীনতার ক্ষেত্রে তথাকথিত নারীবাদ নয় বরং আমাদেরকে খুঁজতে হবে ভিন্নপথ। জানি না কোন সে পথ!
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৩:২৫
আইরিন সুলতানা বলেছেন: ঠিক...ব্যাপারটা নারীবাদ বা পুরুষবাদে হলে একটা পাল্টাপাল্টি অবস্থান হয়ে যায়। তাতে একজন আরেকজনকে ঝোপ বুঝে বেকায়দায় ফেলতে চায় যেন। একটা দেশের নাগরিক সুযোগ-সুবিধার নিশ্চয়তা নারী এবং পুরুষ উভয়ের জন্যই নিশ্চিত করতে হবে। হৈ-হৈ-রৈ-রৈ আন্দোলনের চেয়ে সমাজের স্তরে স্তরে মানসিকতার পরিবর্তন কতটুকু হচ্ছে সেই হার যাচাই করতে হবে প্রতিনিয়ত। আর সঠিক সচেতনতা খুবই প্রয়োজন, বিশেষত নারীর ক্ষেত্রে, নারী নিজেই যদি তার সঠিক গুরুত্ব, ক্ষমতা, চিন্তাভাবনার প্রকাশ বুঝতে না পারে, তাহলে কি করে হবে !
আপনার মন্তব্যে উল্লেখিত প্রেক্ষাপটটি তুলে ধরাটাও প্রয়োজনীয় ছিল। ধন্যবাদ আপনাকে তাজা কলম।
৪৭|
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:৩০
নির্বাসন বলেছেন: আমাদের মত দেশে যেখানে নারীরা এখনো চরম ভাবে অবহেলিত সেখানেই কিন্তু গত প্রায় ২০ বছর ধরে ২ নারী ই দেশের ক্ষমতার শীর্ষাসনে।
আর এবার তো প্রায় সব ক'টা গুরুত্বপূর্ণ পদে নারীরাই আছেন...
কিন্তু তারপরেও চিত্র বদলাচ্ছেনা...
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ২:২৯
আইরিন সুলতানা বলেছেন: নারী এগিয়ে নি:সন্দেহে, কিন্তু পরিবর্তনটা সুষম নয়, ছাড়াছাড়া...সামঞ্জস্যহীন। এর অর্থ স্বাধীরতা, অধিকারবোধের প্রকৃত সংজ্ঞা নিয়ে নারী-পুরুষের চিন্তা-ভাবনায় ঘাপলা আছে।
৪৮|
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:৫১
সুবিদ্ বলেছেন: আমাদের সমাজের যে চেহারা দেখা যায় তা একটি পুরুষের মুখ.......মাল মুহিতের কথা.......
আশা করি একদিন মুখটা মানুষের হবে.......
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৩:১৭
আইরিন সুলতানা বলেছেন: আপনার মন্তব্যটির অর্থ ঠিক পরিস্কার নয় আমার কাছে ...
৪৯|
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:৫৫
ফালাক বলেছেন: ক্লাস ফাইভ / সিক্স পাটি গনিত করতাম-
৮ জন পুরুষ মানুষের কাজ সমান ১২ জন স্ত্রীলোকের কাজ। তাহলে ১৮ জন স্ত্রী লোক আর ৬ জন পুরূষ একটি কাজ কত দিনে .........
এই কারনেই হয়তো মালিক পক্ষ মজুরি কম দেয়।
আহা উহু ইহি লিখাটা ভালো হইসে। প্লাস।
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ২:২৬
আইরিন সুলতানা বলেছেন: আপনার উদাহরণটি বেশ গুরুত্বপূর্ন মনে হলো। দেখুন, এমনকি পাঠ্য-পুস্তকেও জ্ঞাত-অজ্ঞাতসারে নারীকে দূর্বল দেখানো হচ্ছে !!
৫০|
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ২:০৫
কাব্য বলেছেন:
অনেক বড়
![]()
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ২:২৩
আইরিন সুলতানা বলেছেন: আস্তে-ধীরে পড়তে থাকো। প্যারা-প্যারা ভাগ করে। তাহলেই শেষ হবে কয়েকদিনের মধ্যে
৫১|
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ২:১৭
জাতি জানতে চায় বলেছেন: বুঝতে চাইলে আড়াই লাইনেই বুঝতেন!! এত ঘটা কইরা কাহিনী বর্ণনা দিতেছেন, অথচ কাহিনী মাত্র এক জায়গায় সেইটা হইল মানসিকতায়, যেটা কিনা আবার বিত্তের উপর নির্ভর করে বিভিন্ন রকম হয়। আপনের পোস্ট ২০বছর আগে হইলে তাও একটা কথা ছিল, এখন কাহিনী অনেক দূর গড়াইছে! এখন অনেক ক্ষেত্রেই আফনেরাই ডিসিশন মেকার! এহনও যদি কন পোলারাই সব ঠিক কইরা দেয় তাইলে কি এইটা স্বীকার কইরা লইতাছেন যে আপনাদের মস্তিস্কের কার্যকারিতা সাধারনত বেশি সুবিধার না!!! এখন মধ্যবিত্ত বা তার উপরের শ্রেণী গুলোতে পরিবেশ অনেকটাই মুক্ত হয়েছে, নারীর আচরনও পরিবর্তন হইছে, কিন্তু মস্তিস্ক সেই নারীই রয়ে গেছে!! চারপাশের দোষ দেয়াটা নিজেদের অযোগ্যতা ঢাকার চেষ্টার মতই!! তসলিমার মত উদোর পিন্ডি বুধোর ঘাড়ে চাপাইলে এরকমই হয়!!!
গাইতে ভালো লাগে@ কেমতে অইব! মাথার মধ্যে ঐ মস্তিস্কটাই যে এমন!!!
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ২:২২
আইরিন সুলতানা বলেছেন: আপনি একটু গায়ে পড়ে তর্ক করতে আসছেন মনে হয়, পোস্টটি পড়ে থাকলে সেখানে কিছু খবর আছে, দেশ-বিদেশের যেগুলো খুবই সমসাময়িক, ২০ বছর আগের নয়। আপনি জোর করে কিছু চাপিয়ে দিলেই তো আর সেটা গ্রহণযোগ্য হয়ে যায়না। ঘটনা কিন্তু সেই হলো, আপনি বলছেন ব্যাপক পরিবর্তন হয়েছে, এখন সেটা মেনে নিতেই হবে। চোখ-কান একটু খুলে কথা বলুন। কট্টরপন্হি মন্তব্য থেকে বিরত থাকুন।
আমারো সেই একই কথা, মানসিকতার পরিবর্তন দরকার। দু:খিত আপনাকে আড়াই লাইনে বোঝাতে পারলাম না।
৫২|
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ২:২৮
সেতূ বলেছেন: @তাজা কলম বলেছেন: আপনার লেখাটি মন ছুয়েঁ গেল। +
পুরুষ শাসিত সমাজ ব্যবস্থায় সত্যিকার অর্থে নারী জাগরণ কি আদৌ সম্ভব। যে প্রাচ্য দাবী করে তারা স্বাধীনতা দিয়েছে নারীতে সেখানকার সমাজকেও গভীর পর্যবেক্ষণে দেখেছি নারীরা কতোবেশী নিযাতিত। চল্লিশোর্ধ তথা যৌবন উত্তর নারীরা সেখানে সমাজে উপেক্ষিত। সেখানকার single mother -দের দু:খ-দূর্দশায় যে কোন সংবেদনশীল মানুষকে হতে হয় দু:খকাতর।
বিশ্বের উন্নত দেশ USA ..USA Army তে এখন প্রচুর নারী কর্মরত, তারা সমান দায়িত্তে নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে . কিন্তু সেখানেও তারা বিভিন্ন ভাবে নির্জাতিত হচ্ছে, তাদের পুরুষ-সহকর্মিদের থেকে...
আসলে নারী স্বাধীনতার ক্ষেত্রে তথাকথিত নারীবাদ নয় বরং আমাদেরকে খুঁজতে হবে ভিন্নপথ। জানি না কোন সে পথ!
২৯ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:৪৩
আইরিন সুলতানা বলেছেন: নারীবাদ এবং পুরুষবাদ শব্দটিই একে অন্যের প্রতিপক্ষ, আর যখনই প্রতিপক্ষ হয়ে যাবে এ দুটি প্রজাতি, তখনই আসলে কেউই নিজের এবং অপরের সঠিক অবস্থানটি অনুধাবন করবেনা প্রকৃতপক্ষে, এটা সত্য।
দু'পক্ষকেই বুঝতে হবে, জগতে যা কিছু সৃষ্ঠি অপার, চির কল্যাণকর/অর্ধেক তার করিয়াছে নারী, অর্ধেক তার নর।
৫৩|
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ২:৫৭
নাজনীন খলিল বলেছেন:
প্রিয়তে।
৫৪|
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৩:০৫
জাতি জানতে চায় বলেছেন: ভাই, আমি কট্টরপন্থা মোটেই পছন্দ করি না, বরং প্রসঙ্গের ফাঁক চোখে পড়লে সেটা বলি। আমি আপনাকে সম্মোধন না করে মহিলা জাতিকে বুঝাইছি!! আপনের "কট্টরপন্থা" শব্দটার ব্যবহারের কারনটাও বুঝলাম না!! বরং কাট মোল্লাগো মতই তসলিমারেও আমার কাছে কট্টর মানসিকতার মনে হয়!!
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৩:১৪
আইরিন সুলতানা বলেছেন: তসলিমা নাসরীন কট্টর নয় এমন কিছু তো আমি বলিনি। আমার লেখাটিও কট্টরপন্থি নয় একদমই। তা হলে লেখার উপসংহার অন্যরকম হতো। প্রসংঙ্গের ফাঁকে যেটুকু চোখে পড়ে সেখানে আপনার আমার মতোবিরোধ হতেই পারে, তবে তা চাপিয়ে দেয়ার মানসিকতায় নয়। পরিবেশ-পরিস্থতি কোথায়-কতটুকু বদলেছে বা বদলাচ্ছে তা তো আমিও কম-বেশী জানছি, বুঝছি। আপনার উপরের মন্তব্যগুলো দেখুন, তাহলেই বুঝবেন কেন আপনাকে কট্টরপন্থি বলেছিলাম। আপনি তেমন না হলে দু:খিত, কিন্তু আপনার মন্তব্য প্রকাশে ধরনে তা আমার কাছে মনে হয়নি।
ধন্যবাদ আপনাকে।
৫৫|
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৩:১৬
তাজা কলম বলেছেন: নারী-পুরুষ ধারণার উর্দ্ধে উঠে মানুষ যেদিন নিজেকে মানবিক মানুষ হিসেবে ভাবতে শিখবে সেদিনই আসবে সত্যিকার মানবের স্বাধীনতা।
৫৬|
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৫:০০
জেড ইসলাম বলেছেন: আসু আপা কেমন আছেন ?
লেখা দিয়ে তো একেবারে কাপিয়ে দিয়েছেন। আপনার এই লেখার বিরূদ্ধে আমারও কিছু বলার ছিল। সময়ের অভাবে দিতে পারলাম না।
অনেকদিন থেকে আপনাকে একটা কথা বলবো বলে আর বলা হয়নি।
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০৪
আইরিন সুলতানা বলেছেন: কাঁপাকাঁপি করার জন্যে তো লিখিনি, বোঝার জন্য লেখা দিয়েছি। সময় হলে বিরুদ্ধচারণ করে যেতে পারেন।
৫৭|
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৫:২৬
নৌশীন বলেছেন:
ও! ওয়াও!!!
ও মাই গুডনেস!!!!
ভেংগে গেলো রোজা!
কথা বলি সোজা
অমৃত পেলাম যে
তর সহেনা রে
চেটে পুটে খেলাম তত
অসন আসন বসন বাসন যত
হেঃ হেঃ হেঃ!
হারিয়ে দ্বিকবিদিক ,
পূরো দস্তুর সাহিত্যক
দেখি আগে নিক,
ও- আইরিন সুলতানা!
আপু প্লাস ছাড়া
কিছুই দেবোনা
কিন্তু ১টা'তে যে মন ভরেনা!!!!!!!!!!!!!
৫৮|
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১৬
মেঘ বলেছেন: আইরিন, তোমার জ্ঞাতার্থে একটা মজার কথা বলি - পড়ি তখন ক্লাশ নাইনে। স্কুলের বড় হুজুরকে জিজ্ঞেস করলাম (তখন আমার কোরআনের বাংলা কয়েকবার পড়া শেষ, মনে অনেক প্রশ্ন) বেহেশতে ছেলেদের জন্য হুর থাকবে, আমার জন্যে কি থাকবে? উনি বললেন, কিশোর থাকবে। আমি আবার প্রশ্ন করলাম, কিশোর দিয়ে একজন পূর্ণ বয়স্ক নারীর কি হবে??
উনি আমকে ধমকে থামিয়ে দিলেন।
আদতে কিছু পাওয়ার জন্য তো ধর্ম পালন নয়, ধর্ম নিজের আত্মার সাথে নিজের যোগাযোগের একটি মাধ্যম মাত্র।
সেটাকেও আমরা মানবতন্ত্রের বাইরে এনে জেন্ডারইজ করে ফেলেছি।
অধিকাংশ নারীই তার নিজের বিষয়ে যেমন সচেতন নয় তেমনি ইচ্ছুক নয় নিজের দায়িত্ব নিজে নিতে।
এগুলো আদৌ কখনো অতিক্রম করতে পারবে কি না সমগ্র নারী সমাজ তা নিয়ে আমার সন্দেহ আছে।
এ বিষয়ে আমাদের বিস্তারিত আলাপ হতে পারে।
তোমার লিখায় অবশ্যই প্লাস।
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ৯:৩৪
আইরিন সুলতানা বলেছেন: হাহাহা.. আমি এখন পর্যন্ত শুনিনি যে বেহেস্তে মেয়েদের জন্য কিশোর থাকবে !!! কোরআনের বাংলা তরজমাতেও আমি কেবল আয়তলোচনা হুরের কথাই পড়েছি। হুরই থাকুক আর কিশোর, ধর্মীয় রীতি পালনে পরকালে হুর/কিশোর প্রত্যাশা কখনই মূখ্য হওয়া উচিৎ নয়।
হয়ত কেউ কেউ আদতেই সচেতন হয়, কেবল মানসিকভাবেই, কিন্তু কাজে-কর্মে তার প্রভাব ফেলতে পারেনা সামাজিক কারনে। ঠিক জেনেও হার মানতে হয়। তাই অতিক্রম করেও অতিক্রান্ত হয়না দূর্ভোগকাল।
ধন্যবাদ বান্ধবী।
৫৯|
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩৩
কাব্য বলেছেন:
লেখার শিরোনামের মতো লেখাটাও একপেশে হয়ে গেছে!!
আর আপনের লেখায় যে হতাশা ফুটে এসেছে,যা কিনা যুগ যুগ ধরে চলে আসছে তার কিন্তু একমাত্র(আমি মনে করি) কারন আপনার লেখাতেই চলে এসেছে।
"নারী-পুরুষের প্রাকৃতিক, বাহ্যিক গড়নের পার্থক্য নারীকে প্রয়োজনের তুলনায় বেশী বেশী নারী করে তোলে।"
তবে এই কথার সাথে আর একটু যোগ না করে পারছিনা।যখন কোনো একটা ব্যাপারকে একটু আলাদা করে প্রকাশ করা হয়,আলাদা ভাবে দাবি করা হয়,আলাদা ভাবে অঙ্গুলির তীর দিয়ে দেখানো হয়--সর্বসাধারন সেই ব্যাপারগুলোকে একটু আলাদাভাবেই দেখে,আর তার মাঝ থেকে আলাদাভাবে আলাদারকম দূর্বলতা খুঁজে বেরায়।আমার মনে হয় নারীর ক্ষেত্রেও এর ব্যতিক্রম ঘটেনি।
নারী-পুরুষের বর্তমান বিভেদের ক্ষেত্রে পুরোটা অবদান যেমন শুধু পুরুষের নয় ঠিক তেমনি নারীর অবদানও একেবারে শূণ্যের কোঠায় নয়।
পরিশেষে ---
প্রকৃত(?!) অর্থেই স্বাবলম্বী হও নারী।
জাগো, নারী জাগো বহ্নি শিখা ...!
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২৩
আইরিন সুলতানা বলেছেন: লেখাটা ঠিক কি হলে একপেশে না হয়ে দুই পেশে হবে? খুব গতানুগতিক একপেশে একটা মন্তব্য হয়ে গেল এই "একপেশে" শব্দটি চাপিয়ে দেয়ার জন্য।
হতাশা ? হুমম....খামোখা আনন্দিত বা গদগদ হওয়ার কি খুব কারণ আছে। ব্যাপারটা আই-ওয়াশ মনে হবে আমার কাছে তবে।
নারীর গড়ন-আকৃতি-প্রকৃতি ভিন্ন, ভিন্ন বলে তাকে ভিন্ন অবশ্যই ভাবা যাবে। কিন্তু সেই ভিন্নতাকে দূর্বলতার পর্যায়ে দাঁড় করিয়ে দেয়াটা তো সমর্থন যোগ্য নয়।
ঠিক, নারীর পিছিয়ে থাকা অবস্থানে নারীর নিজেরও ভূমিকা আছে বটে। আমি যখন সমাজ শব্দটি পোস্টে উল্লেখ করেছি, সমাজের অন্তর্গত নারীও বটে। এবং মূলত নারীদের চিন্তা-ভাবনার সীমিততা নারীকে শেষ পর্যন্ত প্রতিবাদী, সাহসী করেনা।
প্রকৃত অর্থে আধুনিকতা কি, অধিকার কি, স্বাবলম্বী হওয়া কি, এটা নারীকেই ঠিক করতে হবে, এসব ব্যাপারে বারবার পুরুষ কিংবা পুরুষতান্ত্রিক চিন্তায় বাঁধা পড়া নারী ও সমাজ আগ বাড়িয়ে দাঁড়ি, কমা, সেমি-কোলন টেনে দেয় বলেই পরিস্থিতির পরিবর্তন সামঞ্জস্যহীন।
৬০|
২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:০১
মনির হাসান বলেছেন: Click This Link
২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১২:০৪
আইরিন সুলতানা বলেছেন: আপনার লিংকটি পড়েছি মাত্র। সময় থাকলে আজকের পত্রিকার এই খবরটিও পড়ে দেখুন ---
Click This Link
৬১|
২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ২:৪০
ভাস্কর চৌধুরী বলেছেন:
কথাগুলো ঠিক বলেছেন।
নারী নির্যাতন এর ঘটনা শুনলে আমরা খুব প্রতিবাদী হই! আবার আমরাই কোন না কোন ভাবে নারী নির্যাতনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করি। তাই আপনি কথাগুলো একদম ঠিক বলেছেন। নারী নির্যাতন আইন করলেই নারীর প্রতি অসম্মান বন্ধ হয়ে যাবেনা। আপনার মত আমিও বলব-
.............................প্রকৃত অর্থে স্বাবলম্বী হও নারী।
.............................জাগো, নারী জাগো বহ্নি শিখা ..........................!
২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫২
আইরিন সুলতানা বলেছেন: মানসিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়াটা জরুরী ।
৬২|
২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ২:৪২
কাব্য বলেছেন: এই সবগুলান পিলাচ আপনের.. ওক্কি?
খুশ হুয়া? ![]()
![]()
![]()
![]()
![]()

২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫৩
আইরিন সুলতানা বলেছেন: খাইছে তুমি একা মানুষ এতো পিলাচ কেমনে দিলা !! সামু'র সিসটেম হ্যাক করসো নাকি ! রিফুর্ট করা লাগবে দেখি !!! ![]()
৬৩|
২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৩:০৯
শাওন৩৫০৪ বলেছেন: কমেন্টাইয়া রাখলাম...ঘুইরা আইসাই এইটা পড়ুম...![]()
৬৪|
২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৪:৫৩
মনির হাসান বলেছেন: আপনার লিঙ্ক'টি দেখলাম ... কিচ্ছু বলার নেই ...
৬৫|
২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৫:০২
অন্যরকম বলেছেন: আহেই পড়েইছিলাম অফলাইনে...... +
২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪৩
আইরিন সুলতানা বলেছেন: পড়সো আগে আর কমেন্টাইলা এখন !!!!!!!!!!!! এতোদিনে বুঝলাম, কাছিম আর খোরগোশের দৌড়ে কাছিমই কেন জিতসিলো !!!! ![]()
৬৬|
২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫৬
মানুষ বলেছেন: এই কথাগুলো কয়েকদিন আগে তোমাকে বলেছিলাম
২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০৬
আইরিন সুলতানা বলেছেন: কথা "মানুষ" না বললে আর কে বলবে !
৬৭|
২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০৩
তাহসিন আলম বলেছেন:
In Show Case and + , as usual
৬৮|
২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১৭
সন্ধি বলেছেন:
জাগো নারী , জাগো বহ্নি শিখা ...!
এই কথাগুলো শুধু লিখলে চলবে না। এই কথা গুলো তাদের কর্ণ কুহরে পৌচে দিতে হবে আমাদরে। তাহলেই হয়তো নারীকে জাগানো সম্ভব হবে ।
অসাধারন লেখার জন্য লেখিকাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ
২৯ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:৪০
আইরিন সুলতানা বলেছেন: খুব প্রয়োজনীয় কথা, খালি লেখার চেয়ে অনুধাবনটাই বড়, এবং কর্ণ কুহরে পৌঁছানোটাই আসল, নয়তো এসব যুক্তি-তর্ক বৃথা, কেবলই বৃথা !
ধন্যবাদ আপনাকে।
৬৯|
২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:১৮
দুরন্ত স্বপ্নচারী বলেছেন: মেরি ও'লস্টোনক্রাফ্টের নামটা উচ্চারিত হতে পারতো। রামমোহন রায় ও ইশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কি পুরুষ বলেই অনুচ্চারিত থাকলো?
এধরনরে রচনা কিন্তু আমরা মাঝে মাঝেই পড়ে থাকি। সমস্যা থেকে উত্তোরণের জন্যে গুচ্ছ গুচ্ছ শব্দমালাই কিন্তু যথেষ্ট নয়, প্রয়োজন কার্যকর উদ্যোগ। আর এগিয়ে আসতে হবে সবাইকেই, এবং সর্বাগ্রে শিক্ষিত নারীকে।
প্রিয়তে, অলৈঙ্গিক বিশ্ব সভ্যতার প্রত্যাশায়।
২৮ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৫:২৮
আইরিন সুলতানা বলেছেন: হ্যা, কিছু নাম লেখার সময় বাদ গেছে, যেগুলো লেখাটিতে আরেকটু সম্মৃদ্ধ করতে পারতো। পুরুষ বলেই রামমোহন রায় এবং ইশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর এর নাম বাদ গেছে এটা ঠিক নয়, খানিকটা লেখার দৈর্ঘ্যের দিকেও খেয়াল রাখছিলাম বটে।
তা ঠিক, এরকম রচনা আমরা মাঝে মাঝেই পড়ে থাকি এবং আগামীতেও কেউ না কেউ আবারো লিখবেন, হয়ত আরো তথ্যপূর্ণ করে, যার মূল বক্তব্য একি থাকবে। তবে মাঝে মাঝেই এরকমটা লেখা উচিৎ, নচেৎ মনোভাবগুলো সামনে আসবে না, পরিবর্তনটা ধোঁয়াটে থেকে যাবে।
শিক্ষা আসলেই খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং তারচেয়েও গুরুত্বপূর্ণ সুশিক্ষা এবং শিক্ষাকে সঠিক উপায়ে কাজে লাগানো।
ধন্যবাদ আপনাকে।
৭০|
২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:২৪
দুরন্ত স্বপ্নচারী বলেছেন: মেঘ বলেছেন: বেহেশতে ছেলেদের জন্য হুর থাকবে, আমার জন্যে কি থাকবে? উনি বললেন, কিশোর থাকবে। আমি আবার প্রশ্ন করলাম, কিশোর দিয়ে একজন পূর্ণ বয়স্ক নারীর কি হবে??
উনি আমকে ধমকে থামিয়ে দিলেন।
@ যতদুর পড়েছি, কোরআনে কোথাও বর্ণিত নেই একজন বেহস্তবাসী নারী কি পাবে। পুরুষের না হয় সম্ভোগের অবারিত সম্ভাবনা, নারী কেন ধর্মীয় অনুশাষন পালন করে?
৭১|
২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:৫১
মেঘ বলেছেন: আগেই বলেছি ধর্ম সেটা যে ধর্মই হয় হোক নিজের আত্মার সাথে যোগাযোগের মাধ্যম মাত্র।ধর্মীয় অনুশাসন বলে কিছু নেই। যেগুলো আছে সেগুলো সামাজিক নিয়ম। এগুলোকে যেন মানুষ প্রশ্নাতীতভাবে বিশ্বাস করে তাই ধর্মের সুগার কোটিং দেয়া হয়।
এ মুহূর্তে আমি সুরার নামসহ কোট করতে পারছি না, তবে নারীর জন্য কিশোর থাকবে তার উল্লেখ আসলেই আছে।
ধর্মগ্রন্থে লোভ না দেখালে ভালো লাগতো। ভালো যারে বাসি না, তাকে ভোগ করব কিভাবে??৭০জন হুর দিয়ে কি হবে?? আমার মনে তো বসত একজনের। যারা ৭০জন হুর বা কিশোরকে ভোগ করবে, তারা তো মানুষ হিসেবে জন্মায় নাই। সো এধরনের ধর্ম নিয়া আমার কোনকালেই মাথাব্যথা ছিল না আজো নাই।:-) কারো ক্ষতি না করা, সত উপার্জন, সত জীবনযাপন, অন্যকে বিরক্ত না করে নিজের ধর্মপালন ; এ কয়টা নীতি মানি। ব্যস্, এর বেশি মনে হয় আর কিছুর প্রয়োজন নেই। @দুরন্ত স্বপ্নচারী
৭২|
২৮ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ২:১০
নুবিয়া বলেছেন: নারীদের যে এতো জাগাইতে কইছেন, এদের হাঁটার বা বসার জায়গা দেবেন কই। এর চে এরা যেমন আছে তেমন ঘুমাইতে দেন। শরীর স্বাস্থ্য নিরাপদ থাকব। বুঝলেন। যত্তসব নারী দরদী!
৭৩|
২৮ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ২:১৪
নুশেরা বলেছেন: এতো ভালো একটা লেখা পড়ে এসে মন্তব্য করতে হচ্ছে যেখানে, তার ঠিক ওপরেই মন-মেজাজ খারাপ হওয়ার মতো কথাবার্তা। নিজের স্ত্রী দূরে থাক, মা আর কন্যাসন্তানের জন্যও কেমন অনুভূতি মানুষ পোষণ করতে পারে, বুঝতে পারিনা!
২৮ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ২:১৭
আইরিন সুলতানা বলেছেন: কারো কারো একটু গাত্রদাহ হবেই আপু, তাই না ?
আপনার মন্তব্য পড়েও যদিও তাদের চিন্তার এঙ্গেলগুলো একটু নড়চড় হয়, খানিক বিনয় জাগে, শ্রদ্ধা জাগে ।
ভাল থাকুন আপু। ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।
৭৪|
২৮ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৫:২০
শাওন৩৫০৪ বলেছেন: পড়লাম....বড় কমেন্টের ইচ্ছা ছিলো...কিন্তু দেখলাম সব শেষে ঘুরাইয়া ফিরাইয়া একমতটাই পোষন করা হবে, আর কিছুই না..
ভালো লিখছেন, ভালো থাকেন..
৭৫|
২৮ শে আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১৬
কাব্য বলেছেন:
গুণীজনেরা কইয়া গেছে,"অপরের জন্য ভালো করতে/ভাবতে/চাইতে নাই"
।আসলে তারা মিথ্যা বলেন নাই
।
যারে এত্তোগুলা পিলাস দিলাম,আর হেয় কয় আমারে রিফুর্ট করবো
![]()
![]()
এই দুঃখ কই রাখিবো
![]()
৭৬|
২৮ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ৮:১৬
আবু সালেহ বলেছেন: হায় হায় রে নারী.................
৭৭|
২৮ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ৮:১৭
সন্ধি বলেছেন:
অভিনন্দন
১৫০ তম পোষ্টের জন্য.......
২৯ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:৪৪
আইরিন সুলতানা বলেছেন: হ্যা, তাইতো ! ১৫০ !
ধন্যবাদ আপনাকে খেয়াল করার জন্য।
৭৮|
২৯ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ৮:২৮
স্বপ্নকথক বলেছেন: সহমত।সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ লেখা।যারা বুঝে নাই,তাদেরই গায়ে আগুন ধরেছে।
৩০ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৩:০৯
আইরিন সুলতানা বলেছেন: দৃষ্টিভঙ্গিটা নিরপেক্ষই হওয়া উচিৎ আসলে, তা সে নারীই হোক বা পুরুষের...কারণ -
বিশ্বে যা কিছু সৃষ্টি মহান, চির কল্যাণকর
অর্ধেক তার করিয়াছে নারী, অর্ধেক তার নর।
৭৯|
৩০ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৩:৫১
চিটি (হামিদা রহমান) বলেছেন: কি বলবো আইরিন। এ সমস্যাটা পৃথিবীর সবত্রই। বিশেষ করে তৃতীয় বিশ্বে। তোমার এমন তথ্যবহুল পোষ্টে আর কিছু বলার সাহস পাচ্ছি না। মনটা খারাপ হয়ে গেলো।
৩০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১০:৩০
আইরিন সুলতানা বলেছেন: কিছু পরিসংখ্যান দিলে লেখাটি হয়ত একটি ভিন্নরুপ পেতো, কিন্তু আমি চেয়েছিলাম, বিষয়টিতে পরিসংখ্যানের চেয়েও আবেগের মিশেল দিতে। কারণ ঘটনাগুলো সম্পর্কে আমি-আপনি-আমরা কম-বেশী ওয়াকেবহাল। একটু বিবেকসম্পন্ন হলেই কিন্তু অনেক বৈষম্যের সুরাহা হয়।
ধন্যবাদ আপু আপনার মন্তব্যের জন্য।
৮০|
৩১ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ২:০৩
কুয়াশা ভোর বলেছেন:
"বিশ্বে যা কিছু মহান সৃষ্টি চির কল্যাণকর
অর্ধেক তার করিয়াছে নারী অর্ধেক তার নর"
........ সুন্দর বিশ্লেষন ! সময়াভাবে আরও কিছু বলতে পারলাম না ।
০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:২৫
আইরিন সুলতানা বলেছেন: "বিশ্বে যা কিছু মহান সৃষ্টি চির কল্যাণকর
অর্ধেক তার করিয়াছে নারী অর্ধেক তার নর"
======
সহমত
৮১|
৩১ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৫:০০
হিমালয়৭৭৭ বলেছেন: একটা অফটপিক কমেন্ট: রেটিংয়ের মত শিশুতোষ কনসেপ্টটা নিয়ে কর্তৃপক্ষের পুনর্ভাবনার সময় চলে এসেছে বোধহয়। "পোস্টটি ৩৭ জনের ভাল লেগেছে, ৪ জনের ভাল লাগেনি"....এ ধরনের পরিসংখ্যান দেখলে মেজাজ খারাপ হযে যায়।।।
এবার অর্ধটপিক: সমস্যাটা আসলে বেশ জটিল, পরিস্থিতিটা এমন যে নারীদের পক্ষে কথা বলতে গেলে "নারীবাদী" ট্যাগিং হয, আবার বাস্তবতা অনুযায়ী বললে "সুবিধাবাদী" ট্যাগিং হয়....যেজন্য প্রকৃত অবস্থা নিয়ে আলোচনার অবকাশটা অধিকাঙশ ক্ষেত্রেই থাকেনা.....অবশ্য এসব ক্ষেত্রে আলোচনাটাও তেমন জরুরী নয, যেটা জরুরী সেটা হচ্ছে অবস্থার পরিবর্তনে উদ্যোগ নেয়া।।। আপনার লেখার বিষয়গুলো রূঢ বাস্তবতা, কিন্তু এই বাস্তবতা লিখেও আদতে বিশেষ কোন ফলাফল আসবেনা....এই লেখাগুলো যারা পড়ছে, তাদের মোটামুটি একটা লেভেল আছে- 'শিক্ষিত মধ্যবিত্ত শ্রেণী"....নারী-পুরুষ বৈষম্য বা নারীর প্রতি প্রহসন এই মধ্যবিত্ত শ্রেণীতেও আছে, তবে সেটা এক্সট্রিম পর্যায়ে উচ্চবিত্ত ও নিম্নবিত্তদের ক্ষেত্রে...যারা এই লেখা পড়ার কথা নয়.....সেক্ষেত্রে এই লেখাটি কি ব্যর্থ? আসলে লেখার প্রেক্ষাপটটা সার্থকতা বা ব্যর্থতা নিয়েও নয়, মনের ক্ষোভগুলো একটা পয়েন্ট থেকে বলার চেষ্টা করা.....অবশ্য আমাদের মত সাধারণ মানুষদের পক্ষে এর থেকে বেশি কি করা সম্ভব, সেটাও একটা প্রশ্ন হতে পারে....।। তবে আমি মনে করি, এই সমস্যা ও বৈষম্য বিষয়ে সবাই অবগত. বরঙ এর থেকে উত্তরণের উপায় নিয়েই বেশি লেখা উচিৎ. তাতে যদি একজনেরও পরিবর্তন হয সেটাই লেখার-ভাবনার সার্থকতা..........আশা করি, এই বিষয়ে আরও একটি লেখা আসবে আপনার থেকে, যেখানে বাস্তবানুগ উত্তরণ বিষয়ে আপনার ভাবনা থাকে....."জাগো, নারী জাগো বহ্নি শিখা ...!"...এই শ্লোগান লিখে বিশেষ ফায়দা নেই, শ্লোগানের ইম্প্লিমেন্টটাই জরুরী...
পুরোপুরি অনটপিক: লেখার বিষয়বস্তু ও উপস্থাপন ভাল লাগল।।।
০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:১৭
আইরিন সুলতানা বলেছেন: অফটপিক উত্তর : কিছু কিছু পোস্টে রেটিং এর চেয়ে আলোচনাটা আসলেই খুব বেশী প্রয়োজনীয়। তবে রেটিং ক্ষেত্রবিশেষে ফান। আছে বলেই ব্যবহার চলছে, না থাকলে এমন কোন অভাববোধ হতো না।
অর্ধটপিক উত্তর : সমস্যাটি বেশ বলেছেন। নারীদের নিয়ে বললেই নারীবাদি ট্যাগিং হয়ে যায় এবং যার অর্থ দাঁড়ায় পুরুষবিরোধী। লেখাটিতে ওমন কড়া দোষারোপ করার প্রবনতা এড়িয়েই যেতেই চেষ্টা করেছি। কারণ, পিছিয়ে থাকার যে ব্যর্থতা তার দায়ভার থেকে নারীও মুক্ত নয়। কেউ এসে তো কাউকে সব সময় এগিয়ে নেবে না। নিজের মধ্যে তাই নেই বোধ চাই। স্বাবলম্বী মনোভাব চাই। একবার ভেবেছিলাম, বিভিন্ন সাইট থেকে পাওয়া নারী নির্যাতনের পরিসংখ্যান তুলে দেব। লেখার দৈর্ঘ্য এড়াতে এবং লেখাটিকে অনেক বেশী প্রবন্ধরুপ না দেয়ার ইচ্ছেতেই তা করা হয়নি। একই সাথে ভেবেছি, পরিসংখ্যানটার চেয়ে প্রয়োজন আশেপাশের ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলোর উপলব্ধি।
এখানে এই অসমতা থেকে উত্তরণের আহ্বান আছে, কিন্তু উপায় বাতলে দেয়া হয়নি। আসলে, এক অর্থ উপায় হলো ওই একটাই, নারীকে বলিষ্ঠ মনোভাবের হতে হবে, পুরুষকে এক তরফা কর্তত্বপরায়ণ মনোভাব ত্যাগ করতে হবে। এবং দু'পক্ষের জন্য যেটা প্রয়োজন, তা হলো, নারী এবং পুরুষ , পৃথীবিতে এই দুই প্রজাতির সম বিচরণের প্রয়োজনীয়তাকে উপলব্ধি করা। কাউকে দাবিয়ে কারো আধিপত্য হবে ভারসাম্যহীনতা।
অনটপিক উত্তর : অনেক ধন্যবাদ অবশেষে আপনার মন্তব্যের জন্য।
৮২|
০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৪১
ফারা তন্বী বলেছেন: লেখাটা এত দেরীতে কেন পড়লাম?? নিজেকে মাইনাস। আপনাকে প্লাস।
৮৩|
০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:২২
আহমেদ রাকিব বলেছেন: লেখাটা অনেক ভালো লাগলো। অনেক ধন্যবাদ। ভালো থাকবেন।
৮৪|
০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:১২
লেখাজোকা শামীম বলেছেন: আপনি অনেক সিনিয়র ব্লগার।
আপনার ও অন্য ব্লগারদের সুচিন্তিত মতামত চাই।
Click This Link
৮৫|
০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:১২
ডেলফ বলেছেন: ধন্যবাদ
৮৬|
০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:০৮
পারভেজ বলেছেন: "নারীকে মানুষ হিসেবে চিন্তা করার আগে এটুকু বুঝতে হবে, নারীত্ব কোন দূর্বলতা নয়।"
এটাই মোদ্দা কথা। নারী ও পুরুষের মধ্যের ভিন্নতা কোন তুলনীয় ভিন্নতা নয়; আপেক্ষিক ভিন্নতা নয়। দুজন দুটি আলাদা স্বাবলম্বী স্বত্তা।
এই রূপটুকু প্রকৃতভাবে চিনে নেয়াটাই মানবিকতার পর্যায়ে পড়ে।
তখনই হয়তো আমরা বার বার তুলনা করার চেষ্টা থেকে সরে আসতে পারবো।
৮৭|
১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৩০
মেহবুবা বলেছেন: আইরিন , তোমার লেখাটা পড়ে অনেক কিছু মনে আসছিল , লেখা হল না ।
তোমার মঙ্গল কামনা করি ।
৮৮|
১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৫৯
প্রিয়সখা বলেছেন: ভাল লেগেছে, খুব ভাল লেগেছে, সত্যি ভাল লেখা। +++++++
৮৯|
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:১৫
কাঙাল বলেছেন: সঠিক সঠিক
এখন বলুন, আপনার বিবাহ পূর্ব জীবন আর বিবাহ পরবর্তী জীবনের মধ্যে পার্থক্য কেমন
এ নিয়া কি একটা পুস্ট দেয়া যায় না?
ধন্যবাদ
৯০|
০১ লা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:০১
ছায়ার আলো বলেছেন: স্যালুট!
প্রিয়তে নিলাম...
(ইয়ে মানে এই লেখার সাথে দাম্পত্য কলহ ব্যাপারটার কোনো যোগ নাইতো?! )
০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:২৪
আইরিন সুলতানা বলেছেন: (আপনার ঘরের যোগ-বিয়োগের কথা আমি কেমনে বলি !)
৯১|
০১ লা অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১১:৪০
সোনালীডানা বলেছেন: গাহি সাম্যের গান.....
নারীবাদী বা পুরুষবাদী নয়,আমি সাম্যবাদী।
একজন মানুষ হয়ে বাঁচতে চাই।
পোষ্টে প্লাস
(আপু লেখাটা অনেক আগেই পড়েছিলাম
& ফেভারিটে এড করেছিলাম।কমেন্ট
করা হয় নি।)
৯২|
০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:৪৪
আলমগীর কুমকুম বলেছেন: নারীদের সমমর্যাদার বিষয়ে একমত কিন্তু আপনারা মেয়েরা কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় পাশ দিয়ে বিয়ে করার জন্য খুজেন আপনার থেকে শিক্ষায় বা উপার্জনে নিজেদের থেকে এককাঠি বড় পাত্র, অর্থ্যাৎ যতই নারীবাদ বা সমানাধিকারের কথা বলুক অধস্তন হয়ে থাকার সুবিধাবাদি মানসিকতা থেকে কেউ বের হয়ে আসতে পারছে না। ব্যতিক্রম অবশ্যই আছে তবে সেটা লাখে বা হাজারে একটি।
আর সমমর্যাদার কথা উঠলে চাকুরিতে বা বাসে সীট রিজার্ভ রাখার প্রশ্ন আসছে কেন?
০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:৫২
আইরিন সুলতানা বলেছেন: রিজার্ভ সিটের প্রয়োজনীয়তা প্রমাণ করে বাসে দাঁড়িয়ে গেলে বা ওঠা-নামার সময় মেয়েদের বিব্রতকর হয়রানিগুলোকে। রিজার্ভ সিট যে প্রকৃত সমমর্যাদা যে দেয় না সেটা আমি আমার লেখাতেই আভাস দিয়েছি। এটি বস্তুত সঠিক সমাধান নয় বরং গা বাঁচিয়ে চলা।
৯৩|
০২ রা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:৩৫
সব যদি আজ বদলে যেত বলেছেন: "লেখক বলেছেন: অহরহ নারীর উপর খড়গ নেমে আসে ধর্মীয় রীতির, সামাজিক নীতির আর পারিবারিক রেওয়াজের এবং এই পুরো অংশে দোর্দণ্ডপ্রতাপে আধিপত্য বিস্তারকারীরা আর কেউ নয় বরং নারী বন্দনায় নিবেদিত প্রাণ পুরুষকূল।"
এইসব চিন্তাধারা কিন্তু অনেক আগেই করা হয়েছে। সবাই দেখলাম আপনাকে সমর্থনও করছে তাদের মন্তব্যে।আপনার লেখা পড়ে মনে হলো, নির্যাতিত নারীদের জন্য আপনি যতটা না ব্যথিত তারচেয়ে বেশী ব্যস্ত পুরুষদের দোষ বের করাতে।
আসল ব্যাপারটা কিন্তু পাশ কাটিয়ে যাওয়া হলো। আপনি দেখলাম নারীর উপর খড়গ নেমে আসার জন্য পুরুষকুলকে কাঠগড়ায় দাৎড় করালেন। ঘটনা কিন্তু সেটা না।
আমাদের প্রায় সবার বাসাতেই কম বয়সী(৫-১২) মেয়ে রাথা হয় বাসার কাজে সাহায্য করার জন্য। দৈনিক পত্রিকাতে প্রায়ই আসে বাসার কাজের মেয়ে(অনেক ক্ষেত্রে কম বয়সী ছেলে-ও)কে নির্যাতনের স্বীকার।অধিকাংশ নির্যাতনই কিন্তু করছে বাসার গ্ৃহিনী। আমি আমার নিজের চোখেই কম করে হলেও ৬টি এইরকম ঘটনার প্রত্যক্ষ্দ্বর্সী। এখানে কিন্তু পুরুষদের ভুমিকা কম।
মানবজাতিকে নারী-পুরুষ বিভক্ত না করে বরং বলা উচিৎ খারাপ মানুস-ভালো মানুষ।
যারা অন্যায়-অত্যাচার করছে বা সাপোর্ট করছে তারা খারাপ মানুস, বাকিরা ভালো।
আপনার কাছ থেকে এইরকম দ্ৃষ্টিভঙ্গিই আশা করেছিলাম।
৯৪|
১৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:৩৮
সুদীপ্ত শর্মা বলেছেন: হুমায়ুন আজাদ বলেছেন, '“নারীকে ঘৃণা করতে শিখতে হবে সম্ভোগের সামগ্রী হ’তে, এবং হ’তে হবে সক্রিয়, আক্রমণাত্মক। নিজের ভবিষ্যৎ সৃষ্টি ক’রে নিতে হবে নিজেকে...নারীর ভবিষ্যৎ মানুষ হওয়া, নারী হওয়া নারী থাকা নয়।”'
Click This Link
৯৫|
২৩ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:২৩
অবিরাম বলেছেন: জাগো নারী জাগো,
লজ্জা শরম রাখো,
উঠে এসো তীরে,
শিক্ষার নগরীতে।.............
বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতার যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই; রাজাকারদের না বলুন**
৯৬|
৩০ শে অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১২:০৩
শেরিফ আল সায়ার বলেছেন: বাসে ছয়টি সিট মহিলা সিট দেখে আমার মনে একটি প্রশ্ন জেগেছিল সেটা হলো, এটাকি নারীকে আলাদা করে দেয়ার অরেকটি পদক্ষেপ?
ছয়টি সিট মানেই ছয়টি সিট। ছয়জনের বেশী নারী আসলে কোন পুরুষ তাদের সিট ছেয়ে দিতে বাধ্য নয়। এমনটাই তো বোঝায়!
নারী নিয়ে বন্দনার শেষ নেই।
আমার মা একটি কথা বলেন, অধিকার চেয়ে নিজেকে দূর্বল ভাববো কেন? নিজের অধিকার আদায় করে নেবো। নিজের শক্তির প্রকাশ ওখানেই হবে।
সুন্দর লেখা আপু। যদিও অনেকদিন পরে পড়লাম তাও পড়া হলো। ![]()
ভালো থাকবেন।
১০ ই নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১০
আইরিন সুলতানা বলেছেন: বাসের ৬/৯টি আলাদা মহিলা আসনের পক্ষপাতি আমি নই। তবে আমি কেবল এর বিরোধীতা করছিনা। কারণ অন্তত্য ৬/৯ জন তো একটু ঠিকঠাক মত বসতে পারলো বাসে। এখনও আমাদের দেশের অনেক মধ্যবিত্ত মেয়েরা বাসে উঠতে চায়না এই ভিড় এবং বিব্রতকর পরিস্থিতির কথা ভেবে।
একটা ব্যাপার খেয়াল করেছি যে, অনেকেই বলছে, নারীরা সম-অধিকার চায় তো কেন ৬/৯টা আসন ! আমি যতটুকু বুঝি, মহিলা আসন এর সাথে অধিকারের কোন যোগসূত্র থাকা উচিৎ নয়। এটা একটা বিশেষ পরিস্থিতি বিবেচনা করে একটা বিশেষ ব্যবস্থা কেবল। নচেৎ, বিদেশে বাসে এরকম আলাদা আসন রাখা হয়, প্রতিবন্ধী এবং শিশুদের জন্য, সুস্থ-সবল নারী-পুরুষের জন্য নয়।
পড়ার জন্য ধন্যবাদ শেরিফ।
৯৭|
০৯ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:২৫
বিষুন বলেছেন: আমি শারীরিক চিহ্নে পুরুষ এবং বলাবাহুল্য মন , মানসিকতা একজন গড়পরতা সাধারণ পুরুষেরই। সচেতন নারী-পুরুষের সাথে আলাপ আলোচনার সুযোগ ব্লগে যত পাই অন্য যায়গায় পাবার সুযোগ তেমন নেই। মুখখু মানুষের তো আর তেমন যোগাযোগ ঘটে না ।
আমার একটু অন্য ভাবে দেখার ইচ্ছে হয় । আপনার এবং আপনার মত অন্যান্ন সচেতন নারীদের মতামত জানলে যারপর নাই উপকৃত হব। লিখেই ফেলি ( অর্থহীন, অবান্তর মনে হ'লে লেখাটির ওপর থুতু ছিটিয়ে মুছে দেবেন ) -
আমার দেশে এক সময় অতি বামপন্থী আন্দোলনের এক অশান্ত সময়ে দেয়াল লিখন দেখতাম - ' অধিকার চাইলে পাওয়া যায় না , অধিকার ছিনিয়ে নিতে হয় '। কথাটার মধ্যে এক ধরনের আগ্রসী মনোভাব থাকলেও উক্তিটির বিরোধিতা করা যায় না, সে আন্দোলন সম্পর্কে কিছু জানা থাক বা না থাক। ছিনিয়ে নেবার জন্য প্রয়োজনীয় সাহস আমি কখনই সঞ্চয় করতে পারিনি অর্থাৎ আমার বহু অধিকার পাওয়া থেকে আমি এখনও অনেক দূরে । আপনি যে কারখানায় ৮০ টাকা পান আর আমি ১২০ সেখানে আমাকেও শ্রমিক সর্দারকে ঘুষ দিতে হয়। তার চামচাগিরি করতে হয় , সহকর্মিদের বিরুদ্ধে গুপ্তচরবৃত্তি করতে হয় , তার মদ কিনে এনে দিতে হয়, তার বেলেল্লা জীবনের অংশীদার হতে হয় নিদেন পক্ষে দর্শক হিসেবে। তারপর জানেন ,একদিন আমিও তার উচ্ছিষ্ঠ ভক্ষনে অভ্যস্ত হতে থাকি।মানুষের জীবন সেও নয়। অধিকার প্রাপ্তির দিল্লি কোন্ গ্রহের শহর আমারও জানা নেই ।এই প্রসঙ্গে একটা কথা - যেখানে ৮০ টাকা দিয়ে শ্রমিক পাওয়া যাচ্ছে সেখানে ১২০ টাকার শ্রমিক কেন নেওয়া হয়? শ্রমিক পিছু ৪০ টাকা মুনাফার লোভ ত্যাগ করার লোক তো তারা নয়। তার মানে কিছু একটা ফাঁক আছে । আগে সেই ফাঁকটা ভরাট কোরে ফেলতে হবে । তারপর, ' আয় দেখি ' বলতে সুবিধা বেশী।
এবার আসছে , অধিকার কি এবং কি কি আমার অধিকারের মধ্যে পড়ে ?যেমন , ' আমি প্রকাশ্যে বিবসন হেঁটে যেতে চাই ' এই ইচ্ছে ব্যাক্তি স্বাধিনতা নয় । কিন্তু নারী এমন তো দেখা যায় , ' হু হু বাবা বিবসন বলতে পারবে না ' ধরনের পোষাক পরতে , পুরুষ এমন তো দেখা যায় , প্রকাশ্যে মুত্র ত্যাগ করতে ,তখন কি ভাবে দেখব ? মায়েরাও কণ্যা শিশুকে আবৃত আর পুত্র শিশুকে অনাবৃত রাখার অভ্যাস বদল করার কারন খুঁজে পান না। একটিতে যদি নিরাপত্তার বোধ জন্মায় অন্যটি কিন্তু আগ্রাসনের দিক নির্দেশ করতেই পারে ।সে ক্ষেত্রে কোথা থেকে শুরু করব তা নিয়ে ভাবার অবকাশ থাকছে। যে সব আদিবাসী সমাজে পোষাকের ধারনা খুব স্পষ্ট নয় এবং তাঁদের অভিধানে ধর্ষন শব্দটি অস্তিত্ব নেই ,ছবিতে দেখা যায় সেখানেও নারীর একটি কটি বস্ত্র আছে। এই ফারাকের উৎস কি ?
এর বাইরে কিছু আলোচনা - পুরুষের কারনে কি কি অধিকার পাচ্ছি না( কারখানার মালিকেরা অধিকাংশই পুরুষ ) বা পুরুষ কি কি ভাবে অপমান করছে( বাসে , কর্ম ক্ষেত্রে ,সংসারে ) তার সাথে বা আগে ১) পুরুষ কে আকর্ষণ করার উদ্দেশ্যে পোষাক বা রূপ চর্চা করব না। ২)পুরুষকে নারী হিসেবে খুশী কোরে , সামাজিক প্রতিপত্তির সিঁড়িটি খুঁজবো না।৩) পুরুষের মোবাইকে বা গাড়ীতে চড়ে ঘোরার সময় জ্বালানি খরচ আমিও বহন কোরব এবং অনেক ক্ষেত্রে আমি চালাব নয়তো চড়ব না। ৪) রেস্তোঁরার খরচ শুধু তার নয় আমারও ।
এই রকম অনেক কিছু নিশ্চই আপনার মাথায়ও আছে।এভাবে ভাবার কথা কি বলা যায় ? এসব যে আত্মসম্মান বোধের মধ্যে পড়ে তা কি দাবী করা যায় ?ফারাক গুলো কমিয়ে আনা যায়? মনে হয় ' জাগো, নারী জাগো বহ্নি শিখা ...! ' -র জন্য জমি অনেক শক্ত থাকে পায়ের নিচে। ব্লগের মেগা বাইট, টেরাবাইট গিলে কি কোরব ! এছাড়া , ' জাগো বহ্নি শিখা ' জাতীয় শব্দ চয়নে যে রোম্যান্টিসিজ়ম থাকে তাও আমার কাছে মূল বিষয়বোধের অন্তরায় মনে হয়। আলো হাওয়ার মত সহজ কথাই শ্রেয় বোধ করি । ওই জাতীয় শব্দাবলী রাজনৈতিক নেতা-টেতাদের পেশাদারী জিহ্বার জন্যই থাক। আমরা দুটি ডাল-ভাতের মানুষ।
যদি লেখায় কোন ত্রুটি থেকে থাকে, যদি আমায় নারী বিদ্বেষী মনে হয় তাই আগাম মাফ চাই। ভাল থাকুন । শুভেচ্ছা।
১০ ই নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০৫
আইরিন সুলতানা বলেছেন: মতামতকে আমি প্রাধান্য দেই অবশ্যই। সেজন্যই তো ব্লগে লেখা। নয়তো কথাগুলো নিজের ডায়রীতেই থেকে যেতো। আপনি আমার বিরুদ্ধাচারণ করলেই আমি আপনার মতামতকে এক্কেবারে পুরুষবাদি আখ্যা দেব তা নয়। অশ্লীল এবং আপত্তিকর হলেও কেবল মন্তব্য মুছে দেয়া বা থুথু ছিটানোর কথা আসে আসলে।
আমি বলছি না যে, ১২০ টাকা পাওয়া একজন পুরুষ খুব আরামে আছে, আর ৮০ টাকা মজুরীতে একজন নারী দূর্দশায় দিনাতিপাত করছে। ব্যাপারটা হলো এই নারী-পুরুষ বেতন-স্কেলের বৈষম্যটি কর্মক্ষেত্র থেকেই নির্ধারণ হচ্ছে। বাকি যেমন ঝক্কিগুলো বললেন, সেরকম কিছু বিষয় তো একটি কারখানার মহিলা শ্রমিকদের ক্ষেত্রে আরো আপত্তিকরভাবেও হতে পারে।
আমরা কতগুলো ভুল ধারণা নিয়ে নিজেরা এবং ক্ষেত্র বিশেষে নারীদেরও বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করি। সাজগোজ ব্যাপাটা সার্বজনীন। নারী কেবল পুরুষের জন্যই সাজে? নারীর সাজ আর পুরুষের সাজে পার্থক্য আছে বটে কিন্তু তাই বলে কি পুরুষ সাজে না? কোথাও গেলে ফিটফাট হয়ে পোষাক পড়েনা? চুলটা ঠিক করে আঁচড়ে নেয় না? আমি ক'দিন আগে আমার এক বান্ধবীর কোলের শিশুকে উপহার দিতে একটা জামা কিনলাম। সেটাও বেছে নিলাম, জামার রং -এটা না ওটা! শিশুটি তো সাজগুজের কিছু বোঝেনা। কিংবা তাকে তো আর কেউ অন্য দৃষ্টিভঙ্গিতেও দেখতে আসছেনা। সাজগোজ ব্যাপারটা তো একটা দৃষ্টিনন্দন ব্যাপার মাত্র। এরকম করেই ভাবা উচিৎ। কোন নারীও যদি মনে করে থাকে যে কেবল পুরুষের জন্যই সাজগোজ, তাহলে সেই নারীও বোকার স্বর্গেই বাস করছেন।
বাইকের জ্বালানি খরচ কিংবা রেস্টুরেন্টের খরচ যোগানে? মনে হয়না মেয়েরা তাতে খুব আপত্তি করবে। তবে এই রকম অভিযোগটা পুরো ব্যাপার না ভেবেই কেবলমাত্র অভিযোগ করে বসা। খরচ যোগানের জন্য তো মেয়েদের উপার্জন করতে হবে। উপার্জন করলে কেবল বাইক বা রেস্টুরেন্টের খরচ কেন, সংসারের অনেক খরচেই মেয়েরা সাহায্য করতে পারে। কিন্তু মেয়েদের এই উপার্জন করার ব্যাপারে আবার অনুমতি প্রয়োজন হয়। আজকাল মেয়েদের বাবা-মা মেয়ের চাকরীতে আপত্তি করেননা। কিন্তু বিয়ে সংক্রান্ত ব্যাপারের সময় খতিয়ে দেখতে হয়, ছেলে-পক্ষ মেয়ের চাকরীতে আপত্তি করবে কিনা।
জাগো নারী জাগো বন্হি শিখার মত কিন্তু রোমান্টিকতা দরকার আছে। কারণ এটি একটি লেখা, মানুষকে একটি লেখাতে নানাভাবে ভাবাতে হয়। যুক্তি দিয়ে, আবেগ দিয়ে। আমাদের একটা স্বভাব আছে, নারীর পক্ষে লিখলেই নারীবাদি বলা হয়। আমি লেখাতে যে গান.কবিতার কিছু চরণ উল্লেখ করেছি, সেগুলো কোন নারীর লেখা নয় বরং একজন পুরুষ কবির লেখা। লেখা দিয়েও উৎসাহ দেয়া যায়, তা সেই প্রাচীন, রক্ষণশীল কালেও কিছু লেখকেরা লিখে গেছেন। আমরা তাই মাঝে মাঝে স্বরণ করিয়ে দিতে চেষ্টা করি আরকি।
ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য।
৯৮|
২৮ শে নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩৪
অদ্বিতীয়া সিমু বলেছেন: ভীষণ ভালো লাগলো.....আজই পড়লাম...
Click This Link
৯৯|
২৯ শে নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩৪
আজম মাহমুদ বলেছেন: এমন সত্যি কয়জন বলে পারে?
ধন্যবাদ।
Click This Link
১০০|
২২ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:০৬
রোমি খান বলেছেন: নারী হচছে "মা"এর জাত..কিন্তু আমি বিশ্বাস করিনা।
আমার কষ্ট গুলো "মা"র কাছ থেকেই পাওয়া।
০৯ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:৫০
আইরিন সুলতানা বলেছেন: আপনার মন্তব্যটি কোন ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ভিত্তি করে, তাই এ নিয়ে বিস্তারিত জানতে চাইবো না। ভালমন্দ সব চরিত্রেই আছে, তা নারী হোক আর পুরুষ। কোন একটা ঘটনা দিয়েই সামগ্রিক অবস্থা বিচার করলে তো চলবে না ভাই।
আমার পোস্টের বিষয়টা সামগ্রীক ঘটনা, চিন্তা-ভাবনা আর অবস্থান নিয়েই ছিল।
আপনাকে ধন্যবাদ । ভাল থাকুন।
১০১|
০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:৪২
সজল৯৫ বলেছেন: লেখক বলেছেন: নারীর কাশির উপর আবার কোন ফতোয়া না থাকলেই বাঁচোয়া!
: কাশিতে যদি যক্ষার মত জীবানু না থাকে তবেতো...........
ভুমিকা ছাড়াই বলতে অভ্যস্থ তাই.... নারী আসলে কি চায়????
যে দেশে সরকার প্রধান নারী। বিরোধী দলের প্রধান ও নারী। স্বরাষ্টমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী তাও নারী। নির্বাচনে সকল আসনে নারী প্রতিদন্ধীতা করতে পারার পরও ৪৫টি সংরক্ষিত আসন। ইউনিয়ন পর্যায়, উপজেলা, ওর্য়াড সর্বত্রই একই সুবিদা পাচ্ছে। বাসে নারী যেকোনো সিটেই বসতে পারে তার পরও অতিরিক্ত ৬/৯ থাকছে। বিদ্যালয়ে মেয়েদের চাকরীর জন্য ৬০ভাগ বরাদ্ধ থাকছে। কোথায় নারীকে পিছিয়ে রাখা হচ্ছে???
বাসে চলার পথে অনেক সময় দেখেছি ষাটোর্ধ পুরুষ ও সিট ছেড়ে মেয়েদের বসতে দেয়। হতে পারে নারীর বয়স কম/বেশি। মেয়ের বয়সি নারীকে পূরুষ বসতে দিলেও ছেলের বয়সি পুরুষের ছেড়ে দেয়া সিটে নারী বসে অনায়াসে। এই সন্মান দেখিয়ে পুরুষ গর্বিত হয়। অনেক নারী ভাবে "আমাদের দুর্বল ভাবা হচ্ছে", পুরুষের কি তবে এরূপ সন্মান দেখানো ছেড়ে দেয়া উচিত?
রাস্তা-ঘাটে কোথাও নারী বিপদে পড়লে পুরুষ এগিয়ে যায়। নারীর ক্ষেত্রে এমন দৃশ্য বিরল।
যাক এসব সবারই জানা। যেটা বলতে চাই তা হল:- নারীর অনেক পরিনামের ক্ষেত্রে নারী নিজেই দায়ী। নিজাকে পন্য হিসাবে, পুরুষের ভোগ্য করে তুলে ধরার প্রায়াসে কিছু কিছু নারী সস্তা করে ফেলছে নিজেদের।
অন্য নারীরা সেদিকে না গিয়ে দোষ ধরছে পুরুষের। অথচ নিজেরা সচেতন হয়ে অন্যদেরও সচেতন করতে পারে।
এরা যা করছে তা এক অঘোষিত যুদ্ধ পুরুষের বিরুদ্ধে। আর এতেই সৃষ্টির সেরা জীব হয়ে যাচ্ছে দ্বিধাবিভক্ত।
"নারী-পুরুষ পরের কথা
আগে হল মানবতা"
সবাই মিলেই আমরা মানব জাতি। কোন পুরুষ যদি নারী অবজ্ঞা(নারীর প্রতি অন্যায় আচরন) করে তবে সে মানবতাকেই ............. তেমনি কোন নারী যদি অনুরূপ করে তবে সেও....... উভয়ই মানবতার শত্রু । আমাদের উচিত উভয়কেই বয়কট করা।
তাকে আমরা নারী/পুরুষ হিসাবে চিহ্নিত না করে মানবতার শত্রু হিসাবেই দেখব।
পরস্পর কাদা ছোড়াঁছুড়ি না করে মানবতার জন্য ক্ষতিকর সব ঝঞ্জাল একসাথে সরাব এমনই হওয়া উচিত প্রত্যয়।
সব সময় হীনমন্মতায় ভুগলে চলবে না। পরকালে পুরুষ হুর পাবে নারীকে ঠকানো হয়েছে। এসব ভেবে কেবল সমস্যা জটিল করা হচ্ছে।
অনেক কিছু মনে আসে লিখতে গেলে গুছিয়ে লিখতে পারিনা অল্প সময়ের মাঝে। সময় ও পাই কম তাই এলোমেলো হয়ে যায় লিখা গুলো। কোমল মনে পরবেন আশা করি।
অনেক ধন্যবাদ এত সুন্দর একটা পোস্ট দেয়ার জন্য। +++.......+
১০২|
০৯ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:০৮
যাদুকর... বলেছেন: লেখাটি সত্য ভিত্তি ধারক।
তবুও শুধু নারী নারী করে নিপীড়িতদের পক্ষে সার্বজনীন বক্তব্য প্রকাশ সম্ভব নয়। তাহলে হবে বিভেদকে আরো প্রকট করা। কেউ কেউ উজ্জীবিত হবে, কেউ নিরাশ হবে, কেউ বা জ্বলেই উঠবে। আরো একটা সীমানা নির্ধারণ হয়ে যাবে।
আসলে নারী পুরুষ, হিন্দু মুসলিম, এ শহর ও শহর, এদেশ ওদেশ পার্থক্য করে আমরা কতোটা এগিয়েছি? সুফল পেয়েছি কতটুকু?
আপনার লেখনী সুন্দর।
আশা করি আগামীতে সার্বজনীন লেখা দেখব।
১০৩|
১৭ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:৩০
কালপুরুষ বলেছেন: আশ্চার্য! এতো ভাল একটা লেখা আমার চোখ এড়িয়ে গেছে। খুব ভাল লিখেছো। মন্তব্যগুলোও সব চমৎকার। ভাববার মতোই একটা বিষয়।
১০৪|
২৬ শে মে, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৩২
রেনেসা বলেছেন: জাগো নারী জাগো।
নারী জাগলো, তার সকল বোধ, শক্তি দিয়ে বললো আমরা জেগেছি, কিন্তু পুরুষ জাগলো না, তখন কি হবে?
৫ জন পুরুষ যে শক্তি রাখে একই বয়সের একই ধরনের ৫ জন নারী কি সেই শক্তি রাখে?
তা হলে? আমরা রুখে দাড়াব বলবো- তোমাদের জেগে লাভ নেই। আমরা যা বলি তা মান। না মানলে সোজা পথ দেখো।
শক্তি হচ্ছে ভগবান, শক্তি হচ্ছে খোদা। শক্তি আছে তো সব আছে। শক্তি নেই তো কিছু নেই। মানেন এ কথা?
সারা বিশ্ব ইরাক যুদ্ধের বিরোধিতা করলো। কিন্তু মেরাকি আর বৃটেন কি করলো। শক্তি আছেতো সব আছে। মানেন?
যুগে যুগে যাদের ক্ষমতা ছিল তারাই শাষন করেছে। কেউ বৈধভাবে কেউ অবৈধভাবে। গণতান্তিক বলেন আর সমাজ তান্ত্রিক বলেন। ক্ষমতা দেখিয়ে জোর করে ভোট চুরি করে তারাই ভগবান সেজেছে।
তাই বলিকি কোন লাভ হবে না। নারীর বোধ যত প্রখর হবে পুরুষের বোধ তত জেদি হবে। এক সময় সংঘর্ষ হবে।
সেই সময় শক্তি সাহসে পুরুষের চেয়ে এগিয়ে থাকতে পারলে তবেই লাভবান।
এখন নারী বলেন তোমরা শক্তি অর্জন করো। এবং সকল নারী এক সাথে দুহাত তুলে আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেন ' হে খোদা! আমাকে পুরুষের মত শক্তিশালি করো।
* শক্তি বলতে - শক্তি, সাহস, ক্ষমতা, অর্থ-কড়ি যা বলেন সবই।
১০৫|
২৬ শে মে, ২০১০ রাত ৮:৩৭
রেনেসা বলেছেন: আরজ আলী মাতুব্বরের কথায় – যার ভাবার্থ এরকম
জগতে সবাই বাচতে চায় সে আমি তুমি সকলেই। হরিন যেমন বাচতে চায় বাঘ থেকে তেমনি ব্যাগ বাচতে চায় সাপ থেকে। কিন্তু পারেনা। কারন শক্তি। হরিন, ব্যাঙ বাচার জন্য যেমন আলালা খোদা ভগবানকে ডাকে। তেমনি হরিনের হাত থেকে, ব্যাংগের হাত থেকে বাচার জন্য অন্য ছোট ছোট প্রানীও খোদাকে ডাকে।
শক্তিতে পারেনা বলেই তারা শক্তিশালীর আহারে পরিনত হয়।
এবার বিবেক বুদ্ধি সমপন্ন মানুষের কথা বলবেন। তার আগে মেরেরিকার ঘটনাটি মনে করুন।
ঝড়ে লন্ডভন্ড েফ্লারিডা সহ অনেক যায়গা। মানুষ বাচার জন্য হা-হুতাশ। সবার মানবিক সাহায্য দরকার। সেখানে পুরুষের ধর্ষনের শিকার হলেন শতশত তরুনি। সেখানের নারীরা কি জাগেনি? সেখানের পুরুষরা কি শিক্ষিত ভদ্র মার্জিত নয়?
ধর্মের এত বাধা নিষেধ, শাস্তি, পাথরমারা, শুলে চড়ানো, ফাসিতে ঝুলানো, মাথায় ন্যাড়া করে ঘোল ঢালা- এগুলোকি মেরিকার ঝড়ে বিধ্বস্ত হতভাগা তরুনিদের ধর্ষনের হাত থেকে রক্ষা করতে পেরেছে। বা আমাদের ইয়াসমীনকে বাচাতে পেরেছে। সবই পুরুষের লালসার শিকার। সেই লালসা বাস্তবায়ন করেছে শক্তির মাধ্যমে।
তাই বলিকি সকল নারী এক সাথে দুহাত তুলে আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেন ' হে খোদা! আমাকে পুরুষের মত শক্তিশালি করো।
আর একটি কথা, দিন – আর রাত কি সমান। কোনভাবেই না। দিনের সুর্যের প্রখরতা তেমনি রাতের স্নিগ্ধতা ভিন্ন। পুরুষ ও নারী তেমনি ভিন্ন।
নারী জাগো, পরিপুর্ণ নারী হতে। দাসী হতে নয়। নারী মানে বোরকার অন্তরালে, ঘরের চেৌকাঠে বন্ধি, পুরুষের লালনার সংং্গি, সন্তান লালন পালন করতে নয়। তাকে জাগতে হবে শিক্ষায় সমান হতে। তাকে জাগতে হবে দীক্ষায় সমান হতে। তাকে জাগতে হবে তার নিজের অধিকার, নিজের কাজের ক্ষেত্রগুলোকে পরিপূর্ণ করতে। কোনভাবে পুরুষের সমান অধিকার আদায় করতে নয়।
১০৬|
২৭ শে মে, ২০১০ সকাল ১০:০৬
রেনেসা বলেছেন: আমার বক্তব্য হলো একটাই। নারী তার সমস্ত বোধ দিয়ে জাগলো। সে বুঝলো কি তার অধিকার। কতটুকু তার দাবী। কতটুকু তার প্রাপ্য।
সে কার কাছে তার দাবী চাইবে? কার কাছ থেকে প্রাপ্য বুঝে নেবে?
পুরুষের কাছ থেকে?
ক্ষমতাধর শক্তিশালীর কাছ থেকে ক্ষমতা কেড়ে নেয়া কি এতই সোজা?
নারীকে দেবী করবে। নারীতে বন্দনা হবে। নারীতেই হাজার বছর বাস করবে। কিন্তু যখনই লালসা আসবে নারীকেই ভোগ করবে যে কোন ছলে না হয় শক্তিতে। কারন ভোগ করার ক্ষমতা (অধিকার!) শক্তিশালীদের। শক্তিহীনদের নয়।
১৬ ই মার্চ, ২০১১ বিকাল ৩:৪১
আইরিন সুলতানা বলেছেন: দূর্দান্ত বক্তব্য!
অতএব নারীকে স্বাবলম্বী হতে হবে। তবেই মুক্তি, নচেৎ বছর বছর নারী দিবস পালনই সার হবে!
১০৭|
২৭ শে মে, ২০১০ সকাল ১০:১৭
প্রলাপ বলেছেন: অনেক বিষয় একসাথে, একটা একটা করে আলোচনা করলে ভালো হয়।
১০৮|
২৩ শে নভেম্বর, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:২৫
মোঃ সফিকুল ইসলাম বলেছেন: অনেক বিষয় একসাথে, একটা একটা করে আলোচনা করলে ভালো হয়।
তয় ঠিকই কইচেন...................
১০৯|
১৬ ই মার্চ, ২০১১ বিকাল ৩:৪৩
পটল বলেছেন: জাগো, নারী জাগো বহ্নি শিখা
১১০|
০৪ ঠা মে, ২০১১ বিকাল ৩:৪৯
অবলা পুরুষ বলেছেন: নারী নিয়ে আপনার প্রসারিত চিন্তার ফসল এই লিখাটা। ভাল লাগল খুব।
আরও ভাল লাগল মন্তব্য গুলো পড়ে। হাসিও পেল। হাসির কারনটা অবশ্য মজার.............
এইযে দেখুন আপনার ১১০ টা মন্তব্যের বেশির ভাগই কিন্তু পুরুষই করেছে (পুরুষেরা সযত্নে নারীর চারপাশে এঁকে দেয় লক্ষণ রেখা, সংকীর্ণমনা পুরুষ, পুরুষের লোলুপতার শিকার নারী হরদম, পুরুষের দৃষ্টির কলুষতা, নিয়তের স্খলণ, কুকর্ম করছে পুরুষ) পুরুষ নিয়ে আপনি এত সুনাম বন্দনা করার পরও।
আমার কথা সেটা নয়, সে জন্য কোন ক্ষোভও নেই, মন্তব্য করতেও আসিনি। আমার প্রশ্ন হচ্ছে, আমরা যারা আপনার সাথে সহমত হলাম, হলাম নারীর বেদনে ব্যাথিত তাদের কলুষিত দৃষ্টির, লোলুপতা, সংকীর্ণমনার শিকার থেকে কি নারী মুক্ত? নাকি নারীর জন্য আমাদের এই ব্যথা মিডিয়ার মত(মিডিয়া যেমন নারীর পক্ষে ঢাক ঢোল পিটায় আবার তারাই নারীকে লোভনীয় পন্যের ন্যায় উপস্থাপন করে নিজেদের স্বার্থে!)।
আরও দু'টা প্রশ্ন, আমাদের মায়েদের নির্যাতন, লাঞ্চনা, অত্যাচার, যন্ত্রনা থেকে তাদের পুত্রবধুরা কি মুক্ত ? আমাদের পরিবারের ছেলেটি যে স্বাধীনতা ভোগ করে, মেয়েটি কি তা করে?
সুতরং গলাবাজি, কলমবাজি, কী-বোর্ডবাজি না করে, তাদের ব্যথায় ব্যাথিত না হয়ে। স্ব-অবস্থানে থেকে নারীর অধিকার দিতে হবে। পরিবার থেকে নারী শিশুটিকে অধিকার সচেতন করতে হবে। তাহলেই দেখবেন একদিন সমাজ বদলেছে, রাষ্ট্র বদলেছে।
আমি আমার মা এবং বোনটিকে অধিকার আদায়ে সচেতন করেছি, সাথে দিয়েছি ক্ষমতা, এবং স্বাধীনতাও। আপনি?
০৮ ই জুন, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:৫০
আইরিন সুলতানা বলেছেন: ১. নারী অধিকার বা সমাজে নারীর অগ্রাধিকার দেয়ার কথা পুরুষরা বলছেন, এটা সাধুবাদ পাওয়ার যোগ্য। কারণ এই সহযোগী মানসিকতার প্রয়োজন রয়েছে।
২. নারী অগ্রযাত্রার কথা পুরুষেরাই বেশি বলছেন, এটা একদিক দিয়ে নারীদের ব্যর্থতা। এর অর্থ নারীরা তাদের প্রয়োজন/অধিকার/দ্বায়িত্ববোধ/সামর্থ সম্পর্কে সচেতন নয়। নারীর কথা তাই নারীকেই এগিয়ে এসে বলতে হবে।
৩. নারী নির্যাতনকারীরা কেবল পুরুষই নয়, পুরুষতান্ত্রিক মনোভাব লালনকারী নারীও রয়েছে বটে।
৪. নারীকে বুঝতে হবে, মেধার বিকাশ ও প্রকাশে ছাড়া অন্য কোন বিকল্প নেই।
আপনাকে ধন্যবাদ আপনার ভাবনাগুলো শেয়ার করার জন্য।
১১১|
০৬ ই জুন, ২০১১ ভোর ৬:২৩
নাহুয়াল মিথ বলেছেন: প্রিমি এইটা আপনার সেরা ব্লগ। আমাদের দেশে সেইদিন নারী মুক্তি হবে যখন মানুষের অর্থনৈতিক ও মানবিকতার মুক্তি হবে ।
আপনি কি অমর্ত্য সেনের অর্থনীতির তত্ত্বটি পড়েছেন ? না পড়লে পড়ুন। পড়া থাকলে সেই অর্থনীতির সাথে বর্তমান বাংলাদেশের সামাজিক কাঠামো বিশ্লেষণ করে নারীমুক্তির জন্য আশু করণীয় একটি ব্লগ লিখুন।
বহ্নি শিখা জেগে ওঠুক।।
০৮ ই জুন, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:৫৪
আইরিন সুলতানা বলেছেন: আমি চেষ্টা করবো, এই নিয়ে আর্থসামাজিক প্রেক্ষাপটে নারীর অবস্থান নিয়ে আরো পড়াশোনা করার।
মিথ, আপনাকে ধন্যবাদ একটা সুন্দর পরামর্শ দেয়ার জন্য
বহ্নি শিখা জাগ্রত থাকুক।
©somewhere in net ltd.
১|
২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:৪৯
সিঁদুরে মেঘ বলেছেন: ঠিক।