নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আগুনের পরশমণি ছোঁয়াও প্রাণে

এলোমেলো ভাবনা সারাক্ষণ মনকে আচ্ছন্ন করে রাখে

লাইলী আরজুমান খানম লায়লা

I love my country

লাইলী আরজুমান খানম লায়লা › বিস্তারিত পোস্টঃ

নামাজ

১৪ ই জানুয়ারি, ২০২১ সকাল ৮:১৬

নামাজ পড়া প্রত্যেক মুসলমানদের জন্য ফরজ। তাই মুসলমান মাত্রই দল-মত-নির্বিশেষে নামাজ পড়তেই হবে। গভীর বিশ্বাস-আস্থা-বিনয়, সুরার অর্থ বুঝে, মানুষের কল্যানের জন্য কমিটমেন্ট নিয়ে মহান আল্লাহর সামনে ৫ বার দাঁড়ালে মনটাই একটা অনাবিল শান্তিতে ভরে ওঠে।
আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের উপর ঈমান আনা এবং তাওহীদ ও রেসালাতের সাক্ষ্য দান করার পর ইসলামে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো নামায। এটা আল্লাহ পাকের পক্ষ থেকে খাস একটি ইবাদত।
কেউ আল্লাহর ওপর ঈমান আনলে, কালেমা পাঠ করলে, তার জন্য নামাজ ফরজ হয়ে যায়। নামাজের আধ্যাত্মিক গুরুত্ব অপরিসীম। আজানের মধ্যে নামাজের আহবান জানানো হয় এই বলে: ‘নামাজের জন্য এসো।’ এরপরই বলা হয়, ‘কল্যানের জন্য এসো।’ এ থেকে বোঝা যায় যে নামাজের মধ্যেই রয়েছে প্রকৃত কল্যান।

নামাজ ইসলামের মূল পঞ্চ স্তম্ভের অন্যতম। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘ইসলাম পাঁচটি খুঁটির ওপর প্রতিষ্ঠিত। আল্লাহ ছাড়া ইলাহ্ নেই এবং নিশ্চয় মুহাম্মদ (স) আল্লাহ রাসুল এ কথার সাক্ষ্য দান, নামাজ কায়েম করা, জাকাত দেওয়া, হজ করা ও রমাদান এর সিয়াম পালন করা।’ (বুখারি শরিফ, প্রথম খণ্ড, ইমান অধ্যায়, পৃষ্ঠা: ১৬, হাদিস: ৭)।

নামাজ বিষয়ে পবিত্র কোরআনে নির্দেশনা রয়েছে ৮২ বার। নামাজের উদ্দেশ্য হলো আল্লাহকে স্মরণ করা। আল্লাহ তাআলা কোরআন কারিমে বলেন, ‘আমিই আল্লাহ আমি ব্যতিত কোন ইলাহ নেই। অতএব আমার এবাদত কর এবং আমার স্মরণার্থে নামায কামে কর।’ (সুরা-২০ ত্বোয়াহ, আয়াত: ১৪)।

পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘ আপনি আপনার প্রতি প্রত্যাদিষ্ট কিতাব পাঠ করুন এবং নামায কায়েম করুন । নিশ্চয় নামাজ অশ্লীল ও গির্হিত কাজ থেকে বিরত রাখে। আল্লাহর স্মরণ সর্বশ্রেষ্ঠ। আল্লাহ জানেন তোমরা যা কর।’ (সুরা-২৯ আনকাবুত, আয়াত: ৪৫)।

আল্লাহ তাআলার যে বান্দা দৈনিক পাঁচবার আল্লাহ তাআলার সামনে হাত জোড় করে দাঁড়ায়, তাঁর প্রশংসা ও স্তুতি গায়, তাঁর সামনে ঝোঁকে ও সিজদাবনত হয় এবং দুআয় নিমগ্ন হয়, সে বান্দা আল্লাহ তাআলার বিশেষ রহমত ও মুহাব্বতের অধিকারী হয়ে যায়। তাঁর গোনাহখাতা ঝরে যেতে থাকে, পাপের পঙ্কিলতা থেকে জীবন শুদ্ধ হতে থাকে, অন্তর আল্লাহ তাআলার নূরে নূরান্বিত হয়ে ওঠে। হাদীস শরীফে নবীজী বড় সুন্দর উদাহরণ দিয়ে বুঝিয়েছেন-
বলো তো, তোমাদের কারো ঘরের পাশেই যদি নহরনালা বহমান থাকে, আর সে তাতে দিনে পাঁচবার গোসল করে, তাহলে কি তার শরীরে কোনো ময়লা থাকতে পারে? সাহাবারা বললেন, ইয়া রাসুল ! কোনো ময়লা থাকতে পারে না। নবীজী বললেন, পাঁচ ওয়াক্ত নামাযেরও উদাহরণ তেমন। এর বরকতে বান্দার গোনাহখাতা মাফ হয়ে যায়। সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৬৬৭

বে-নামাযীর লাঞ্চনাকর অবস্থা:
কেয়ামতের দিন বেনামাযী সর্ব প্রথম যে অপদস্থতা ও লাঞ্ছনার শিকার হবে তা কোরআন শরীফের আয়াতে তার বিবরণ এসেছে--
”গোছা পর্যন্ত পা খোলার দিনের কথা স্মরণ কর, সিদিন তাদেরকে সেজদা করতে আহবান জানানো হবে, অতঃপর তারা সক্ষম হবে না “। সূরা ৬৮, আয়াত ৪২
তাদের দৃষ্টি অবনত থাকবে; তারা সুস্থ্য ও স্বাভাবিক অবস্থায় ছিল, তখন তাদেরকে সেজদা করতে আহবান জানানো হতো “। সূরা ৬৮, আয়াত - ৪৩
যার মর্ম নিম্নরূপ
কেয়ামতের সেই কঠিন দিনে যখন আল্লাহ তাআলার বিশেষ নূর প্রকাশ পাবে এবং সকল মানুষকে সিজদায় পড়ে যেতে বলা হবে, তখন (যে খোশনসীব দুনিয়াতে নামায পড়তো, সে তো সিজদায় পড়ে যাবে। কিন্তু) যারা নামায পড়তো না, তারা সিজদার জন্য ঝুঁকতেই পারবে না। (কারণ তাদের কোমরকে কাঠের মতো শক্ত করে দেওয়া হবে।) ভয় ও লজ্জার কারণে তাদের চক্ষু অবনমিত থাকবে। লাঞ্ছনা ও গঞ্জনার আযাব তাদেরকে ঘিরে ফেলবে। এ শাস্তি এই জন্য যে, দুনিয়াতে তাদেরকে সিজদার প্রতি আহ্বান করা হতো, যখন তারা সুস্থ সবল ছিলো। তা সত্ত্বেও তারা সিজদায় ঝুঁকে পড়তো না।

আসুন আমরা সবাই ইবরাহীম আলাইহিস সালামের ভাষায় দুআ করি,
رَبِّ اجْعَلْنِي مُقِيمَ الصَّلَاةِ وَمِنْ ذُرِّيَّتِي رَبَّنَا وَتَقَبَّلْ دُعَاءِ. رَبَّنَا اغْفِرْ لِي وَلِوَالِدَيَّ وَلِلْمُؤْمِنِينَ يَوْمَ يَقُومُ الْحِسَابُ
হে আমার আল্লাহ! আমাকে এবং আমার বংশধরদেরকে নামাযী বানিয়ে দাও। হে আমাদের মালিক! আমাদের এ দুআ তুমি কবুল করে নাও। ওহে আমাদের প্রভু! আমাকে, আমার মাতাপিতাকে এবং সকল ঈমানদারকে কেয়ামতের দিন তুমি ক্ষমা করে দিও। সূরা ১৪, আয়াত ৪০-৪১

নামায সম্পর্কে আমার ব্যক্তিগত অনুভূতি:
আমি নামাজ এবং ইসলাম ধর্মের অন্যান্য বিষয়ের অনেকের সাথে আলোচনা করার চেষ্টা করেছি। দেখেছি যে অনেকে নামাজ পড়ছে আবার ইসলাম কর্তৃক নিষিদ্ধ কাজগুলিও নিয়মিত চর্চা করছে, আবার অনেকে নামাজ পড়ছে দুই একটি বড় ধরণের অন্যায় কাজ হেলেদুলে ঠিকই করছে। তখন খুবই দ্বিধায় পড়ে যাই। আবার কিছু মানুষকে দেখেছি তারা নামাজও পড়ছে এবং অন্যান্য নির্দেশিত হুকুমগুলো চর্চা করার চেষ্টা করছে। নামাজ বিষয়ে আমার কিছু একান্ত ব্যক্তিগত অনুভূতি তুলে ধরার চেষ্টা করছি—
– যখন কেউ নামাজ পড়ে তখন বুঝতে হবে যে সর্বশক্তিমান আল্লাহ আমাকে দেখছেন। আর আমিই তার কাছেই নিজেকে নিবেদন করছি।
– প্রকৃত নামাজী কোরআন এবং সুন্নাহ’র আলোকে নিজের জীবন পরিচালিত করে।
– যে প্রকৃতপক্ষে নামাজের মা্ধ্যমে আল্লাহর কাছে নিজেকে সমর্পন করে সে কখনোই অপর ধর্মের কারো ক্ষতি করতে পারে না। যদি ক্ষতি করে তবে সে আসলেই ভন্ড ধার্মিক এবং সে লোক দেখানোর জন্যই নামাজ পড়ছে।
-যে প্রকৃতপক্ষে নামাজ পড়ে সে মানুষের কল্যানে নিজেকে নিবেদন করে। বিপদে-আপদে অপরের পাশে দাঁড়ায়।
– প্রকৃত নামাজী কখনোই অপরকে বিদ্রুপ, উপহাস করে না, কখনোই কাউকেই ছোট করে না। রাগকে নিয়ন্ত্রন করে। তার দ্বারা কখনোই মারামারি হানাহানি, খুনাখুনি হয় না।
-প্রকৃত নামাজী ধনী দরিদ্রদের মাঝে ভেধাভেদ করে না। সবাইকে সমানভাবে মূল্যায়ন করে।
– প্রকৃত নামাজী নারীদেরকে সম্মান করে এবং চোখ এবং মনের পর্দা রক্ষা করে। তার দ্বারা কোন নারী নির্যাতিত, ধর্ষিত হয় না। দ্বাম্ভিকতা পরিহার করে এবং বিনয়ী হয়।
– পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখে এবং অন্যান্যদেরকে পরিচ্ছন্ন থাকতে উৎসাহিত করে।
– সুদ, ঘুষসহ অন্যান্য হারাম কাজ, শিরক ইত্যাদি হতে সে হাজার মাইল দূরে থাকে
-প্রকৃত নামাজী যাকাত ঠিকমত দেয় এবং তার যাকাতে অন্যান্যরা উপকৃত হয়। আগামীতে যাকাত গ্রহীতা নিজেই যাকাত দিতে সক্ষম হয়।
-প্রকৃত নামাজী কখনোই ঠক, প্রতারনা, জালিয়াতি, দুর্নীতি করে না এবং ২ নম্বরী জিনিস ১ নম্বরী করে বিক্রি করে না, অতি মুনাফা আদায় করে না, ক্রেতাকে হয়রানী করে না
– প্রকৃত নামাজী কখনোই এতিমদের ঠকায় না, তাদেরকে হেফাজত করে, তাদের মালামাল আমানত রাখে এবং পরে তা ফেরত দেয়।
– যে কোন ধর্মের কেউ তার কাছে আমানত রাখলে পরে তা ফেরত দেয়, ধার নিলে কমিটমেন্ট অনুযায়ী উক্ত ধার পরিশোধ করে।
-স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা মেনে চলে এবং কমিটমেন্ট রক্ষা করে।
– প্রকৃত নামাজী আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা করে চলে, ধনী গরীব ভেদাভেদ করে না, পরিবার, প্রতিবেশী ও গরিবের হক পালন করে।
-প্রকৃত নামাজী স্ত্রী-স্বামী পরষ্পরকে সম্মান করে, মা-বাবাসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সম্মান করে এবং দায়িত্ব পালন করে, উত্তরাধিকার আইন অনুযায়ী সম্পত্তির সঠিক বন্টন করে, কখনোই অন্যের সম্পত্তি নিজের বলে চালিয়ে দেয় না।
– সন্তানদেরকে প্রকৃত শিক্ষায় মানুষ করে গড়ে তোলে।
– পরিবার, প্রতিবেশীদের কেউ অসুস্থ্য/বিপদ হলে তাদের খোঁজ নেয় এবং প্রয়োজনে সাধ্যমত সেবা / সহযোগিতা করে।
– নেতিবাচক সমালোচনা করে সময় কাটায় না, সমালোচনা পরিহার করে এবং অন্যদের সমালোচনা পরিহার করতে উৎসাহী করে।
– প্রকৃত নামাজী সব সময়ই মোনাফেকী করা হতে বিরত থাকে।
– প্রকৃত নামাজদারী সব সময় বিনয়ী হয়, তার আচরণ দ্বারা অন্য কেউই কষ্ট পায় না।
– বিলাসিতার ভেতর গা ভাসিয়ে অবৈধভাবে সম্পদের পাহাড় গড়ে তোলে না। বৈধভাবে উপার্জনের কিছু অর্থ/সম্পদ দরিদ্র মানুষদের কল্যানে দান করে।
-সৎ, চিরত্রবান হয়। জোর করে কারো উপর কোন কিছুই চাপিয়ে দেয় না ।
– অন্যায়কে ন্যায় বলে কখনোই কোন অবস্থাতেই মেনে নেয় না এবং অন্যায়ের প্রতিবাদ করে।
:
আমরা বিশ্বাস করি: লা~ইলা-হা ইল্লাল্ল-হু মুহাম্মাদুর রসূলুল্ল-হ্‌ । অর্থ- আল্লাহ্ ছাড়া কোন সত্য উপাস্য নাই, মুহাম্মাদ (স) তার প্রেরিত রসূল।
:
নামাজ কিভাবে পড়তে হবে সে সম্পর্কে অনেক বই বাজারে আছে। তবে নামাজ পড়ার সময় অবশ্যই সহীহভাবে নামাজ পড়তে হবে। আসুন ! আমরা নিজেরা সহীহভাবে নামাজ পড়ি এবং অন্যদেরকে নামাজ পড়তে উৎসাহিত করি এবং সেইসাথে নিজেদেরকে পরিপুর্ণভাবে মানুষের কল্যানে নিজেদেরকে নিয়োজিত করি।
:
নোট: পবিত্র কোরআনের অর্থ বুঝে পড়লে প্রত্যেকটা বিষয়সূহ সম্পর্কে পরিষ্কার ধারনা পাওয়া যায়। সেইসাথে সহীহ হাদিসগুলো পড়াও জরুরী । তাই আর দেরী নয়, আসুন ! কোরআন এবং হাদিসসূহ পড়ি এবং নিজের জীবনে প্রয়োগ করি এবং অন্যদেরকে সেই আলোকিত পথ অনুসরন করার জন্য উৎসাহিত করি।

মন্তব্য ৩৬ টি রেটিং +৪/-০

মন্তব্য (৩৬) মন্তব্য লিখুন

১| ১৪ ই জানুয়ারি, ২০২১ সকাল ৯:১৩

নুরুলইসলা০৬০৪ বলেছেন: আপনি প্রকৃত নামাজীর যে বর্ননা দিলেন সে অনুযায়ীতো বাংলাদেশ কোন প্রকৃত নামাজী নাই, এমন কি সারা পৃথীবিতেও নাই।

১৪ ই জানুয়ারি, ২০২১ সকাল ১০:৩০

লাইলী আরজুমান খানম লায়লা বলেছেন: কোরআন এবং রাসুলের সুন্নাত মেনে নামাজ পড়ে নামাজ পড়াই যথেষ্ট। এখানে আর কোন ২য় উপায় নেই। আর বাংলাদেশ কেন সারা ‍পৃথিবীতে কে কি করলো বা না করলো এটা নিয়ে মাথা না ঘামালেও চলবে--নিজে চেষ্টা চালিয়ে যেতে সমস্যা কোথায় !! আগে নিজে শুরু করতে হবে এবং সেইসাথে অন্যদেরকেও উৎসাহী করতে হবে-- আমি আসলেও এই বিষয় নিয়ে কোন ধরণের তর্কে যেতে চাই না এবং নেতিবাচক মন্তব্য গ্রহণ করবো না। কারণ যারা জেগে ঘুমায় তাদেরকে জাগানো যায় না---- আন্তরিক ধন্যবাদ এবং শুভকামনা রইল

২| ১৪ ই জানুয়ারি, ২০২১ সকাল ১০:০১

কাজী আবু ইউসুফ (রিফাত) বলেছেন: নোট: ইসলাম ধর্ম সম্পর্কে অযথা বাঁকা কথা না বলে কোরআন পড়ুন এবং এর অর্থ জানুন। সহীহ বোখারী শরীফ ও অন্যান্য হাদিসসমূহ জানুন এবং বুজতে চেষ্টা করুন। পবিত্র কোরআনের কোন সুরার কোন একটি আয়াতে কি বলা হয়েছে সেটা না ভেবে পুরো সুরাতে কি আছে তা ভালভাবে জানার পর মন্তব্য করুন।[/sb
-
----আপনার এই নোট মানলে তো ওরা তর্ক করতে পারবে না!!


---ধন্যবাদ আপনার এ বিষয়ে সুন্দর উপস্থাপনার জন্য।

১৪ ই জানুয়ারি, ২০২১ সকাল ১০:৫৭

লাইলী আরজুমান খানম লায়লা বলেছেন: ভাই ! প্রথমে আন্তরিক ধন্যবাদ ও শ্রদ্ধা গ্রহণ করবেন। আমি সামুতে অনেককে ধর্ম বিশেষ করে ইসলাম ধর্ম নিয়ে কট্টর নেতিবাচক মন্তব্য করতে দেখেছি এবং এ সম্পর্কিত অনেক পোস্ট করতে দেখেছি। আমি মনে করি এটা অন্য ধর্মের মানুষজনকে অহেতুক মানসিকভাবে হয়রানী করা হয় এবং অশ্রদ্ধা করা হয়---কোরআনের দু-একলাইনের অর্থ নিয়ে মাতামাতি করে--কিন্তু পুরো সুরাটাতে কি আছে এবং প্রতিটি সুরাতে আসলে কি আছে তা তারা জানা বা বোঝার চেষ্টাও করে না--অহেতুক ত্যানা পেচায়ে ব্লগের পরিবেশ নষ্ট করতে চেষ্টা করে--- আমি গভীরভাবে বিশ্বাস করি যে/যারা কোরআন এবং হাদিস ভালভাবে পড়ে তাদের আর কিছুই লাগে না-- আল্লাহ আপনাকে ভাল রাখুন, সুস্থ্য রাখুন এবং নিরাপদে রাখুন

৩| ১৪ ই জানুয়ারি, ২০২১ সকাল ১০:৩২

নুরুলইসলা০৬০৪ বলেছেন: সুরার প্রতিটা আয়াত স্বয়ংসম্পূর্নই।একটা সুরার মাঝে অনেক ঘটনা আছে এবং একবারে একটা সুরা নাজিল হয় নাই।রিফাত এবং লায়লা আপনার দুইজনই কোরান হাদিস বুঝে পড়েছেন বলে মনে হয়।আপনাদের দৌড় জাকির নায়েক এবং মেঠ ওয়াজ।অনেক ভুলভাল লিখেছেন।কোরান হাদিস ধরে ধরে দেখিয়ে দিতে পারি।

১৪ ই জানুয়ারি, ২০২১ সকাল ১১:০৫

লাইলী আরজুমান খানম লায়লা বলেছেন: আমি ব্লগে অনেক দিন ধরে লিখি। কিন্তু আজ পর্যন্ত কেউ আমাকে অসম্মান করে নাই। অথচ আপনি তাই করলেন। আপনি যদি এতই বোঝেন তাহলে কোরআন হাদিস পড়েন এবং তা চর্চা করেন---আমি এ বিষয়ে আর কোন কথা বলবো না--- আমি আপনার নিকট হতে আমি আর কোন মন্তব্য চাই না --- আমি এখানে কোন ধরণের ক্যাচাল করতে আসি নাই-----

আমি এ বিষয়ে সম্মানিত মডারেটরের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি -----

৪| ১৪ ই জানুয়ারি, ২০২১ সকাল ১০:৪৫

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:
সকল প্রশংসার একমাত্র মালিক আল্লাহ। মহান আল্লাহ আপনাকে আপনার লেখায় উল্লেখিত এই আমলকে আমৃত্যু জারি রাখুন। আমিন।
আপনি বলেছেনঃ আমি বিনয়ের সাথে বলছি আমার এই পোস্টে কোন ধরণের নেতিবাচক বা অহেতুক প্যাচানো কোন মন্তব্য গ্রহণযোগ্য হবে না।
আমার ধারণা আপনার এই সরল অনুরোধ কেউ কেউ মানবেন না। যাদের প্যাচ লাগানো স্বভা্বে পরিনত হয়েছে তারা প্যাচ লাগাবেই আর বিরুপ মন্তব্য করতেও পিছপা হবেনা। আমি তাদের নছিহত করবো অনুগ্রহ করে ক্যাচালে জড়িয়ে কেউ আপনাদের
আমল নষ্ট করবেন না। ঈমান দূর্বল হয়ে যায় আমল না থাকার কারনে। আমরা ধর্মের উপদেশ আদেশ নির্দেশ সবই জানি। হয়তো আপনারা আরো বেশী জানেন কিন্তু আমল করন না তাই অহেতুক ক্যাচাল করেন।
সম্প্রতি নামাজ সম্পর্কিত আমার একটি পোস্ট ড্রাফট করে দেওয়া হয়ছে। ও্ই লেখার বিষয় বস্তু হয়তো সবার জানা। কিন্তু আমল করার জন্য একই কথা বারে বারে বলা দোষের কি? লেখাটি ড্রাফট করার জন্য আমি সত্যিই মর্মাহত। তাই কিছুনি কোন লেখা প্রকাশ না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। সবাই ভালো থাকবেন।

১৪ ই জানুয়ারি, ২০২১ সকাল ১১:১৩

লাইলী আরজুমান খানম লায়লা বলেছেন: আপনার সুন্দর এবং গঠনমূলক মন্তব্যের জন্য আপনার অনেক অনেক শ্রদ্ধা ও ছালাম। ভাইরে যারা মানুষকে কষ্ট দেয় তারা আগেও দিয়েছে, এখনো দিচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও দিবে। কারণ মানুষদের কষ্ট দিয়েই তারা আনন্দ পায়। নমরুদ/ফেরাউনরাও দিয়েছিল কিন্তু তারা সকলেই আল্লাহর কাছেই ফিরে গিয়েছে।
আমি মনে করি যে আপনার পোস্ট ড্রাফ্ট করা অবস্থায় রাখবেন না, পোস্ট করুন। একজন মানুষও যদি উপকৃত হয় তাহলেও যথেষ্ট। আর বিরূপ কোন মন্তব্যের জবার দেয়া হতে বিরত থাকুন। আমাদের জানা বিষয়গুলো মানুষদের মাঝে প্রচার করতেই হবে। কেউ মানবে আর কেউ মানবে না। ---- এগিয়ে যান সামনের দিকে --- আল্লাহ আপনাকে সুস্থ্য রাখুন সব সময়ই

৫| ১৪ ই জানুয়ারি, ২০২১ সকাল ১০:৫৩

কবিতা ক্থ্য বলেছেন: লিখাতে আন্তরিকতা এবং যত্নের উপস্থিতি প্রবল, কিন্তু বিপক্ষে অনেক কমেন্ট আশা করছি।
লাইলী কে ধন্যবাদ সময় নিয়ে বিষয়গুলো মনে করিয়ে দেওয়ার জন্য।

১৪ ই জানুয়ারি, ২০২১ রাত ৮:৪২

লাইলী আরজুমান খানম লায়লা বলেছেন: রদ্ধাসহ ছালাম গ্রহণ করবেন। আসলে আমি আগে তেমন নামাজ পড়তাম না, অহেতুক তর্ক করতাম। কিন্তু এখন ধর্মীয় বইগুলো পড়ার চেষ্টা করছি। যেটুকু পড়ছি এবং জানছি তা চর্চা করার চেষ্টা করছি নিরন্তর। তাছাড়াও পড়ছি অন্য ধর্মের ধর্মীয় বইগুলো ------ আপনার আরো বিষয়ে জানা থাকলে মন্তব্যে লিখবেন। আল্লাহ আপনাকে সুস্থ্য রাখুন, নিরাপদে রাখুন সব সময়ই

৬| ১৪ ই জানুয়ারি, ২০২১ সকাল ১১:০৭

মলাসইলমুইনা বলেছেন: লেখা ভালো হয়েছে। ইসলামের ইবাদতগুলোকে একটা হলিস্টিক এপ্রোচ হিসেবেই দেখতে হবে আর সেভাবেই পালন করতে হবে। ইবাদতগুলো সবই ইন্টারলিংকড। খেয়াল করছি যে এই জিনিষটা বোঝা কিছু মানুষের জন্য বিরাট ঝামেলা হয়ে যায় এই ব্লগে আর ব্লগের বাইরে এই দেশেও । সুন্দর লেখার জন্য ধন্যবাদ নিন ।

১৪ ই জানুয়ারি, ২০২১ সকাল ১১:৩১

লাইলী আরজুমান খানম লায়লা বলেছেন: শ্রদ্ধাসহ ছালাম নিবেন। আপনার এই মন্তব্যটাই একটা পোস্ট। আমি বিনীত অনুরোধ করবো আপনার এই মন্তব্যের নিরিখেই একটা পোস্ট লিখে ফেলবেন। আমার এখন আফসোস হয় কেন অনেক আগে হতে ধর্মীয় বিষয়গুলো পড়ি নাই এবং চর্চা করি নাই !! এখন আমি যতটুকু পড়ছি তা চর্চা করার নিরন্তর চেষ্টা করছি ---
আসলে ভাসা ভাসা জানা দিয়ে কিছুই হয় না। মানুষ কিছু জানে আর বেশির ভাগই জানে না বা জানার চেষ্টাও করে না---এখানেই সমস্যা হয়---যাইহোক আপনার জীবন সুন্দর হতে সুন্দরতম হোক, আল্লাহ আপনাকে সুস্থ্য রাখুন সব সময়ই

৭| ১৪ ই জানুয়ারি, ২০২১ সকাল ১১:৩৭

কাজী আবু ইউসুফ (রিফাত) বলেছেন: নুরুলইসলা০৬০৪বলেছেন: সুরার প্রতিটা আয়াত স্বয়ংসম্পূর্নই।একটা সুরার মাঝে অনেক ঘটনা আছে এবং একবারে একটা সুরা নাজিল হয় নাই।রিফাত এবং লায়লা আপনার দুইজনই কোরান হাদিস বুঝে পড়েছেন বলে মনে হয়।আপনাদের দৌড় জাকির নায়েক এবং মেঠ ওয়াজ।অনেক ভুলভাল লিখেছেন।কোরান হাদিস ধরে ধরে দেখিয়ে দিতে পারি।

---আমার দৌড় নিয়া আপনার অত চিন্তিত হওয়ার কিছু নাই !! আর আপনি নুরুলইসলা০৬০৪ বলেছেন অনেক ভুলভাল লিখেছেন!!!!!--- আমি কোন ধর্মীয় পোস্ট দেই নি- আপনার অবগতির জন্য জানাইতেছি।

-----আপনি আপাদমস্তক (আপনার পুরা শরীরেই মগজ/ঘিলু)-তে অনেক জ্ঞান! ইবলিশও যুক্তিতর্ক পছন্দ করতো !!

---সুস্থ্য থাকুন, ভালো থাকুন।



১৪ ই জানুয়ারি, ২০২১ সন্ধ্যা ৬:০৬

লাইলী আরজুমান খানম লায়লা বলেছেন: আল্লাহ নুরুলইসলা০৬০৪ ভাইকে হেদায়েত দান করুন। আমার কিছু জানা/পড়া/দেখা, লোকদের সাথে আলাপ করা এবং নিজে প্রাত্যহিক জীবনে বিন্দুসম চর্চার বিষয়গুলোই এখানে তুলে ধরেছি মাত্র---। নুরুলইসলা০৬০৪ লিখেছেন যে ভুলভাল লিখেছেন, তাহলে সে এই ধরণের বিষয় নিয়ে লিখুক এবং মানুষ জানুক---সে যে কতটা জানে তা মানুষকে জানাক--যে মানুষ অন্য মানুষকে অশ্রদ্ধা করতে পারে তার নিকট হতে ভাল কিছুই আশা করা যায় না ---

রিফাত ভাই ! কিছু লোক থাকবে যারা অন্যদেরকে কষ্ট/ আক্রমন দিয়ে আনন্দ পায়--তাই মনে কষ্ট নিবেন না। আল্লাহ আপনাকে ভাল রাখুন, সুস্থ্য রাখুন সব সময়ই

৮| ১৪ ই জানুয়ারি, ২০২১ দুপুর ২:২১

নেওয়াজ আলি বলেছেন: নামাজ একজন মানুষের পরিচয় বহন করে। আমার হিন্দু শিক্ষক হাই স্কুলে পড়ার সময় বলে ছিলেন নামাজের সময় নামাজ না পড়ে বসে থাকলে ভালো দেখায় না । নামাজ কায়েম করি সৎ ও ন্যায় পথে চলার চেষ্টা করি।

১৪ ই জানুয়ারি, ২০২১ সন্ধ্যা ৬:১০

লাইলী আরজুমান খানম লায়লা বলেছেন: সুন্দর মন্তব্যের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ ভাই। একজন প্রকৃত নামাজী প্রকৃত ঈমানদার। আর একজন ঈমানদার ব্যক্তি কখনোই দুর্নীতি করতে পারে না, অসৎ পথে চলতে পারে না, সে প্রকৃতই ন্যয় পথে চলে-- আল্লাহ আমাদেরকে প্রকৃত ঈমানদার হওয়ার তৌফিক দান করুন

৯| ১৪ ই জানুয়ারি, ২০২১ দুপুর ২:৫৫

রানার ব্লগ বলেছেন: প্রকৃত নামাজি কখনই ঠক প্রতারক হয় না যদি সত্যিই এমন হয় আমি নির্দ্বিধায় বলতে পারি বাংলাদেশের ৯০ শতাংস নামাজি আসল নামাজি না।

১৪ ই জানুয়ারি, ২০২১ সন্ধ্যা ৬:৪৮

লাইলী আরজুমান খানম লায়লা বলেছেন: প্রকৃত নামাজী কখনোই কোন অবস্থাতেই মানুষকে ঠকাতে পারেনা। একজন ঈমানদার ব্যক্তির দ্বারা কোন অবস্থাতেই মানুষের ক্ষতি হতে পারে না। আল্লাহ আপনাকে সুস্থ্য রাখুন, নিরাপদে রাখুন

১০| ১৪ ই জানুয়ারি, ২০২১ বিকাল ৩:৪৮

খায়রুল আহসান বলেছেন: পোস্টে আপনি একজন প্রকৃত মুমিনের কিছু গুণাবলী বর্ণনা করেছেন, এবং অবশ্যই একজন খাঁটি নামাজী হওয়া ব্যতীত প্রকৃত মুমিন হওয়া যায় না।
দুর্ভাগ্যজনক হলেও এ কথা সত্য যে আমাদের নামাজীদের মাঝে অনেকেই এমন আছেন যারা লোক দেখানোর জন্য নামাজ পড়েন, কিংবা বয়স হয়ে গেছে, তাই দাড়ি রেখে নামাজ না পড়লে মানায় না, এ জন্যেই পড়েন। আর নামাজ পড়ার সময় সুরা ক্বিরাত এর অর্থ বুঝে নামাজ পড়েন, এমন নামাজীর সংখ্যাটা খুবই কম। তা না হলে নামাজ পড়ে উঠেই পুনরায় ঘুষ খাওয়া, মিথ্যা বলা, অশ্লীল বাক্য বলা বা অশ্লীল কথা চিন্তা করা, লোক ঠকানো, অসৎ ব্যবসা করা ইত্যাদি গর্হিত কাজে লিপ্ত হতে পারতেন না।
আপনার উপদেশসমূহ অবশ্য পালনীয়।

১৪ ই জানুয়ারি, ২০২১ সন্ধ্যা ৬:৫৩

লাইলী আরজুমান খানম লায়লা বলেছেন: ভাই ! আন্তরিক ধন্যবাদ খুবই সুন্দর মন্তব্য করার জন্য। আসলে আপনার এই মন্তব্যটিই একটি পোস্ট হয়ে গিয়েছে---আমি অনেকের সাথে কথা বলছি আর অবাক হচ্ছি। বলে এক আর করে আরেক। কিন্তু কোরআন এবং হাদিসে স্পষ্ট পালনীয় বিষয়গুলো দেয়া আছে।
আল্লাহ আপনাকে ভাল রাখুন, সুস্থ্য রাখুন, নিরাপদে রাখুন---

১১| ১৪ ই জানুয়ারি, ২০২১ বিকাল ৫:৪৭

রাজীব নুর বলেছেন: আল্লাহ আমাদের নামাজ পড়ার তৌফীক দান করুন।

১৪ ই জানুয়ারি, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:০৪

লাইলী আরজুমান খানম লায়লা বলেছেন: ব্লগে তেমন একটা আসা হয় না। এই মাঝে মাঝে ঢু দেই। অনেক দিন পরে ব্লগে কিছু লিখতে চেষ্টা করলাম। আপনার মন্তব্য পেয়ে ভীষণ খুশি হলাম--- আসলে আমি আগে তেমন একটা নামাজ পড়তাম না, কোরআন এবং হাদিসগুলো তেমন একটা পড়ি নাই। কিন্তু এখন নামাজ পড়ার চেষ্টা করছি এবং কোরআন এবং হাদিসগুলো পড়ারও চেষ্টা করছি নিরন্তর। এখন আমি বাস্তবের সাথে মিলাতে পারছি না--বেশির ভাগ মানুষ করছেটা কি !!
আল্লাহ আপনাকে সুস্থ্য রাখুন এবং নিরাপদে রাখুন সব সময়

১২| ১৪ ই জানুয়ারি, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:২৩

কালো যাদুকর বলেছেন: সালাম আপা/ প্রিয় কবি:
অনেকদিন পরে আসলেন। আগেরমত আর কবিতা লিখেন না, আমরা পাঠকরাও আশাহত।

আরবিতে উপসনা বুঝাতে যে শব্দটি ব্যবহার হয় সেটা হল- সালাত (صلاة)। বুখারি শরিফ(হাদিস ৫০৮) অনুসারে, নামাজের মাধ্যমে মানুষ তার আল্লার সাথে "টু ওয়ে কমিউনিকেশন" করেন। এজন্য পাক পবিত্র হয়ে, সমস্ত পার্থিব চিন্তা বাদ দিয়ে নামাজে পড়ার জন্য বলা হয়েছে।

সুন্দর পোস্ট।

১৪ ই জানুয়ারি, ২০২১ রাত ৮:৩৭

লাইলী আরজুমান খানম লায়লা বলেছেন: শ্রদ্ধাসহ ছালাম নিবেন। অনেক বছর পর আপনার মন্তব্য পেলাম। এক সময় ছিল ব্লগে না আসলে ভালই লাগতো না। ছোট একটি পোস্টে কত মন্তব্য !! সেইসব দিনগুলোকে ভীষণ ভীষণ মিস করি-- ব্যস্ততার কারণে তেমন আসা হয় না ব্লগে। আল্লাহ আপনাকে সুস্থ্য রাখুন সব সময়ই

১৩| ১৪ ই জানুয়ারি, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:২৭

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: মাশা আল্লাহ অনেক সুন্দর পোস্ট। আল্লাহ আমাদেরকে সঠিকভাবে নামাজ পড়ার জন্য তৌফিক দান করুন

১৪ ই জানুয়ারি, ২০২১ রাত ৮:৪৬

লাইলী আরজুমান খানম লায়লা বলেছেন: ”আল্লাহ আমাদেরকে সঠিকভাবে নামাজ পড়ার জন্য তৌফিক দান করুন”---- আন্তরিক ধন্যবাদ আপু আমার ব্লগ বাড়িতে আসার জন্য --- আল্লাহ আপনাকে সুস্থ্য রাখুন সব সময়

১৪| ১৪ ই জানুয়ারি, ২০২১ রাত ১১:২১

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: যারা ধর্মের কথা বলে যখন মিথ্যা বলেন, সেটা খুব দৃষ্টি কটু দেখায়। যেমন ব্লগার নুরু ভাই বললেন, তাঁর নামাজ সংক্রান্ত পোস্ট ড্রাফট করে দেয়া হয়েছে। এটা সম্পূর্ন ডাহা মিথ্যে অভিযোগ। উনার পোস্টটিতে কোন নতুনত্ব নেই বিধায়, পোস্টটি প্রথম পাতা থেকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে।

প্রিয় লাইলি আপা, আপনি দীর্ঘদিন ধরে আমাদের সাথে আছেন। ব্লগে যে যার পছন্দমত বিষয়ে লিখতে পারে। যারা ব্লগ টিমের দায়িত্বে আছেন তাদের কাজ হলো, প্রথম পাতার বৈচিত্র্য রক্ষা করা। ফলে যে পোস্টগুলোতে নতুন কোন বিষয় থাকে না এবং একই পুরানো বিষয় বার বার বলা হচ্ছে, সেই সকল পোস্ট প্রথম পাতা থেকে চাইলে সরিয়ে দেয়া হতে পারে।

আপনি নামাজ নিয়ে পোস্ট লিখেছেন, আপনার উপলব্ধি লিখেছেন। এমনটা আপনি আমি পোস্ট দিতেই পারি। কোন সমস্যা নেই। তবে আমি খুবই বিনয় ও শ্রদ্ধার সাথে বলতে চাই আপু, ঢাকা শহরে কয়েক হাজার মসজিদ আছে, সেই মসজিদে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ার জন্য আজান দেয়া হয়। এই আজানে প্রতিবার দুই বার করে বলা হয় - হাইয়া আলাস সালাহ, হাইয়া আলাল ফালাহ। অর্থাৎ নামাজের দিকে এসো, কল্যানের দিকে এসো।

যেখানে আল্লাহ ঘর থেকে এই বানী প্রচার করা হচ্ছে, সেখানে সব জেনেও আমরা কত জন নামাজে আগ্রহী হচ্ছি?
তাই আমার মনে হয়, আমরা যদি একটু ভিন্ন ভাবে নামাজের কথা প্রচার করি, তাহলে সেটাতে মানুষ নতুন কিছু খুঁজে পাবে। যেমন - নামাজের উদ্দেশ্য কি? নামাজে কেন ধনী গরীব সবাই এক কাতারে দাঁড়ায়? এর মাহাত্ম্য কি? আল্লাহ এর দ্বারা কি বুঝাতে চেয়েছেন ইত্যাদি যদি আমরা ব্যাখ্যা করতে পারি, তাহলে সেটা তুলনামুলক নতুন কিছু হয়। মানুষ জানতে পারে, আগ্রহী হয়। নামাজে এক কাতারে সবাই দাঁড়ানোর অর্থ হচ্ছে - তোমরা ধনী দরিদ্র, ভেদাভেদ করো না, মহান আল্লাহ কাছে সবাই সমান। এই ভেদাভেদ শুধু নামাজে নয়, এই ভেদাভেদ কাজেও করা যাবে না। এক নামাজ থেকেই অনেক শিক্ষা গ্রহন করার আছে আপু। শুধু নামাজ পড়লে কি হয়, নামাজের সোয়াব কি ইত্যাদি অনেক কিছুই আমরা বাজারে বিভিন্ন বইতে যেমন পড়ি, তেমনি ওয়েব সাইটেও পাওয়া যায়। যেহেতু আমরা ব্লগার, আমরা কিছুটা যদি বৃত্তের বাইরে চিন্তা করতে না পারি, তাহলে আমরা তো আমাদের সঠিক মুল্যায়ন করতে পারব না।

তাছাড়া, আপনারা যারা ভালো লিখতে পারেন, ধর্ম সম্পর্কে অনুসন্ধান করার প্রয়োজনীয় শিক্ষা আছে, বিদ্যা বুদ্ধি আছে, শেষ বিচারের দিন যদি আল্লাহ আপনাকে প্রশ্ন করেন, হে আমার বান্দা, আমি তোমাকে বুদ্ধি দিয়েছি, বিদ্যা দিয়েছি, তুমি কেন তোমার সামর্থ্যের পুরোটা দিয়ে চেষ্টা করলে না মানুষকে আমার দিকে আহবান করতে? কেন তুমি আর দশজন কম বিদ্যা বুদ্ধি সম্পন্ন মানুষের মত দায়সারা ভাবে মানুষকে আমার কথা জানালে? তখন কি জবাব দেয়ার মত কোন মুখ থাকবে?

ফলে কেউ যদি ধর্ম নিয়ে আরো সুচিন্তিত একটি পোস্ট দেয়, তাহলে অবশ্যই আমাকে প্রথম পাতায় বৈচিত্র রক্ষার্থে আপনার এই পোস্টটি সরিয়ে ফেলতে হবে। এটা লজিক্যাল সিকোয়েন্স, কোন ধর্ম অবমাননা নয়।

আর আপু খারাপ বা ভালো মন্তব্য তো আপেক্ষিক। কেউ যদি কোরান সুন্নাহ নিয়ে কোন বাজে কথা না বলে, কোন অশ্লীল প্রশ্ন বা ব্যাঙ্গ না করে, তাহলে সেটাকে তো আমরা খারাপ প্রশ্ন হিসাবে দেখতে পারি না। আমাদের দেশে বহু উদহারন আছে, মানুষ ঘুষও খাচ্ছে আবার নামাজও পড়ছে, দুর্নীতির টাকায় মসজিদ, মন্দিরও করছে। তাহলে কেউ যদি তাদেরকে রেফারেন্স টেনে প্রশ্ন করে, তাহলে সেটা খারাপ প্রশ্ন নয়। আমাদেরকে ঠান্ডা মাথায় তাদেরকে বুঝাতে হবে, সেই চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। ভালোবাসা ও অন্যের মতকে সম্মান দিয়ে পরিবর্তন আনা সম্ভব। ঘৃণা দিয়ে বা অন্যের মতামতকে অবদমিত করে কোন পরিবর্তন সম্ভব হবে না।

আশা করি বিষয়টা বুঝতে পেরেছেন। আর আমার কোন কথায় কষ্ট পেয়ে থাকেন, তাহলে দুঃখ প্রকাশ করছি।

১৫ ই জানুয়ারি, ২০২১ সকাল ৮:২২

লাইলী আরজুমান খানম লায়লা বলেছেন: প্রিয় কাল্পনিক_ভালোবাসা ভাই ! শ্রদ্ধাসহ ছালাম গ্রহণ করবেন। আপনার বক্তব্য আমি মনোযোগ দিয়ে পড়েছি এবং ভালভাবেই বুঝতে পেরেছি ভাই। আমি ইসলাম ধর্মীয় বিভিন্ন বই পড়তে চেষ্টা করছি এবং নানা মানুষের সাথেও আলাপ করতে চেষ্টা করছি। আমার বিবেচনায় মহান আল্লাহ রাব্বুল আ’লামীনের সামনে যদি পাঁচবার নামাযের জন্য কমিটমেন্ট নিয়ে দাঁড়ানো যায় তবে তার / তাদের প্রাত্যহিক জীবনের ভুলের পরিমাণ কমতে থাকে। আমার সেই উপলদ্ধিগুলোই তুলে ধরার চেষ্টা করেছি আর এটা নতুনই বলা চলে ব্লগে । নামাজ সম্পর্কে এর আগে অনেকেই অনেক কিছুই বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেছেন ব্লগে। আর বাজারে অনেক বই পাওয়া যায় যেখানে নামাজ কি, এর উদ্দেশ্য কি, কিভাবে পড়তে হবে তা ভালভাবেই বর্ণনা দেয়া আছে।
আপনার যে পোস্টটি স্টিকি হয়ে আছে সেখানেও আপনি ইসলাম ধর্ম চর্চার ইমপ্যাক্টগুলোর কথাই তুলে ধরার উপরই গুরুত্ব আরোপ করেছেন যেমন: পরিচ্ছন্নতা, দুর্নীতি রোধসহ আরো অনেক কিছু। যাইহোক ইসলাম ধর্ম সম্পর্কিত কোন পোস্ট দিলেই এক শ্রেণীর ব্লগার সেটাকে আক্রমন করে এবং তা করে অবশ্যই কদাকারভাবে। --------- “নুরুলইসলা০৬০৪ বলেছেন: সুরার প্রতিটা আয়াত স্বয়ংসম্পূর্নই।একটা সুরার মাঝে অনেক ঘটনা আছে এবং একবারে একটা সুরা নাজিল হয় নাই।রিফাত এবং লায়লা আপনার দুইজনই কোরান হাদিস বুঝে পড়েছেন বলে মনে হয়।আপনাদের দৌড় জাকির নায়েক এবং মেঠ ওয়াজ।অনেক ভুলভাল লিখেছেন।কোরান হাদিস ধরে ধরে দেখিয়ে দিতে পারি।”---------- এখানে শ্রদ্ধেয় নুরুল ইসলাম ভাই আমার দৌড় নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন, আমি নাকি আমার উপলদ্ধির কথাগুলো ভুলভাল লিখেছি !! একজন ব্লগার অন্য ব্লগারকে এভাবে আক্রমন করতে পারে না, আমি তার কথায় অপমানিত বোধ করেছি। তাছাড়া আমি খেয়াল করেছি তিনি প্রায়ই ইসলাম ধর্মীয় বিষয়ে অন্য ব্লগারদের পোস্টে বিশ্রিভাবে আক্রমন করে।

প্রিয় জাদিদ ভাই ! শ্রদ্ধা নিয়ে বলতে চাই আপনি এই ব্লগকে সুন্দরভাবে আগলে রেখেছেন। আপনি লীডারশীপে থেকে যতদূর সম্ভব বিভিন্ন খুঁটিনাটি বিষয়গুলো দেখছেন। আপনি যদি মনে করেন নামাজ সম্পর্কিত আমার লেখাটি প্রথম পাতায় প্রকাশ করার মত উপযুক্ত নয় তাহলে অবশ্যই সরিয়ে নিবেন। আমি নামাজ সম্পর্কিত নিজস্ব উপলদ্ধি ব্যক্ত করেছি এবং ২/১ জন মানুষও যদি উপকৃত হয় তাহলেই আমি সাকসেস। সবাইযে পড়বে এবং মনে নিবে এটা আমি আশাও করি না। ব্লগে যারা আসেন সবাই এডুকেটেড। তবে আমি দেখেছি কোরআনের অর্থ বুঝে পড়ার কোন বিকল্প নেই এবং হাদিসসমূহ পড়ারও কোন বিকল্প নেই।

যাইহোক আল্লাহ আপনাকে দীর্ঘায়ু দান করুন, সুস্থ্য রাখুন এবং নিরাপদে রাখুন

১৫| ১৫ ই জানুয়ারি, ২০২১ রাত ১২:৩৮

রাজীব নুর বলেছেন: আগামীকাল জুম্মার নামাজ পড়বো।

১৫ ই জানুয়ারি, ২০২১ সকাল ৮:৩৪

লাইলী আরজুমান খানম লায়লা বলেছেন: শ্রদ্ধেয় রাজীব ভাই ! আপনি জুম্মার নামাজ পড়বেন শুনে ভাল লাগছে। হয়তো এমনি করে সঠিক প্রক্রিয়ায় মহান আল্লাহর সামনে কমিটমেন্ট নিয়ে পাঁঁচ ওয়াক্ত নামাজও পড়বেন এবং সুরার অর্থ বুঝে। এটা আমি ব্লগীয় বোন হিসেবে দাবী করতেই পারি !!!!
অনেক অনেক ভাল থাকবেন প্রিয় লেখক, শুভকামনা সারা বেলা, সারা দিন, সারা মাস, সারা বছর ----

১৬| ১৫ ই জানুয়ারি, ২০২১ রাত ২:৪২

চাঁদগাজী বলেছেন:



ইসলামে নামাজ ভুমিকা সম্পর্কে জানে না, এই রকম ব্লগার পাওয়া মুশকিল হবে; আপনি ১ বছর ২ মাস পরে একটা পোষ্ট দিলেন, যা'র মাঝে নতুন কোন কিছুই নেই!

১৫ ই জানুয়ারি, ২০২১ সকাল ৮:৪৭

লাইলী আরজুমান খানম লায়লা বলেছেন: শ্রদ্ধেয় চাঁদগাজী ভাই ! আপনি ঠিকই বলেছেন, “ইসলামে নামাজ ভুমিকা সম্পর্কে জানে না, এই রকম ব্লগার পাওয়া মুশকিল হবে”----। যে কারণেই আমি নামাজের অন্তর্হিত তাৎপর্য সম্পর্কিত নিজম্ব উপলদ্ধিগুলো ব্যক্ত করার চেষ্টা করেছিলাম।
আর হ্যা আমি কত দিন পর পর লিখবো তাতে কি ধরণের বিষয়গুলো থাকবে সেটা আমার একান্ত নিজস্ব ব্যাপার, এটাতে তো আমি আপনার নিকট বলে লিখবো নারে ভাই !!!!! ইসলাম ধর্ম সম্পর্কিত কোন বিষয় নিয়ে কোন ব্লগার লিখলেই আপনিসহ গুটিকয়েক ব্লগার আক্রমন করেন। আপনি তো খুবই জ্ঞানী একজন ব্লগার ! আমি অনুরোধ করবো যে আপনি কোরআনের অর্থসমূহ ভালভাবে পড়ে, হাদিসমূহ পড়ে ও বুঝে ইতিবাচকভাবে একটা পোস্ট দেন--- আর আমরা আমজনতা তা পড়ে উপকৃত হই !!!
শুভকামনা রইল নিরন্তর---

১৭| ১৫ ই জানুয়ারি, ২০২১ সকাল ১০:৪৯

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন: কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেনঃ যারা ধর্মের কথা বলে যখন মিথ্যা বলেন, সেটা খুব দৃষ্টি কটু দেখায়।

জাদিদ ভাই সালাম নিবেন। আশা করি ভালো আছেন।
দাদা আপনার সাথে আমার কোন ঝগড়া বিবাদ নাই এবং
কেন শত্রুতাও নাই। সৌহার্দপূর্ণ সম্পর্ক বিরাজমা্ন। ইদানিং
লক্ষ্য করে থাকবেন আমি ধর্মীয় বিষয়ে কিছু পোস্ট দিচ্ছি
যদিও তা সবার জানা। তার পরেও দেই কারন ধর্মের
বিধি নিষেধগুলো বারে বারে বলা মানে পাঠকদের
মনে করিয়ে দেওয়া যাতে তারা সজাগ হয়। আমার
এমন একটি পোস্ট বৈচিত্রহীণ বলে প্রথম পাতা থেকে
সরিয়ে দিয়েেছ্নে। যে হেতু আমি আমার ওই লেখাটি
সামুর পাতায় খুঁজে পাই নাই (তবে আমার ব্লগে ছিেলো)
তাই ভাবলাম হয়তো লেখাটি ড্রাফট করেছেন। এটা আমার
না বোঝার ভুল। তবে মিথ্যা বলা নয়।

ভুল বোঝা আর মিথ্যা বলার অর্থ এক নয়। যা হোক আমি
আমার অজ্ঞতা স্বীকার করছি। আমার অজ্ঞতার কারনে আপনি
আমার প্রতি বিরাগ হয়েছেন সে জন্য দুঃখ প্রকাশ করছি।
নিজ গুনে ক্ষমা করে দিবেন। আল্লাহ আপনারর মঙ্গল করুন।
আমিন

১৮| ১৬ ই জানুয়ারি, ২০২১ সকাল ১০:০০

নীল আকাশ বলেছেন: ইসলাম ধর্ম ব্লগে অনেকেরই অযথাই চুলকানী হয়। এদের কথায় পাত্তাও দেবেন না। এরা ইন্টারনেটে দুইলাইন নাস্তিকদের লেখা পড়ে এসে ব্লগে বিদ্যা জাহির করে।
আপনার পোস্ট সুন্দর হয়েছে। আল্লাহ আপনাকে উত্তম প্রতিদান দান করুন।

১৭ ই জানুয়ারি, ২০২১ সকাল ৮:০৭

লাইলী আরজুমান খানম লায়লা বলেছেন: ব্লগে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে লেখা হয়, এই বিভিন্ন বিষয়ের উপর ধর্মও একটি। কিন্তু এখানে দেখি শুধুমাত্র ইসলাম ধর্মকে হেয় প্রতিপন্ন করা হয়--মাঝে মাঝে শুধুই অবাক হই। আপনি পোস্টটি পড়েছেন এবং ভাল লেগেছে জেনে ভীষণ ভাল লাগলো। আল্লাহ আপনাকে সব সময় সুস্থ্য রাখুন, নিরাপদে রাখুন সব সময়---

১৯| ২৩ শে জানুয়ারি, ২০২১ সন্ধ্যা ৬:০৩

জুন বলেছেন: আল্লাহ আমাদের সঠিকভাবে নামাজ পড়ার তৌফীক দান করুন।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.