| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
নেই স্বর্গলোভ কিংবা কল্প-নরকের ভয়,/অলীক সাফল্যমুক্ত কর্মময় পৃথিবী আমার৷ চর্মচোখে যা যা দেখি, শারীরিক ইন্দ্রিয় যা ধরে,/তাকেই গ্রহন করি৷ জানি, নিরাকার অপ্রত্যক্ষ/শুধুই ছলনা, বিশ্বাস করি না ভাগ্যে, দেবতার বরে৷ আমার জগৎ মুগ্ধ বাস্তবের বস্তুপুঞ্জে ঠাসা,/তাই সে ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য, অতীন্দ্রিয় নয়৷/অন্ধতার বধ্যভূমি আমার হদৃয়৷ সেই শ্রেষ্ঠ মানব-সন্তান, যার মন মুক্ত ভগবান৷/আমার মস্তক নিত্য নত সেই নাস্তিকের তরে৷ নাস্তিক - নির্মলেন্দু গুণ
ক্রাইস্ট দ্য রিডিমার (Christ the Redeemer) নতুন ঘোষিত সপ্তাশ্চর্যের একটি। যীশুর এই বিশাল মূর্তিটি রয়েছে ব্রাজিলের দক্ষিণপূর্ব শহর রিও ডি জেনিরোতে। পাহাড়ের চূড়ায় দুই হাত প্রসারিত করে দাড়িয়ে আছেন যীশু। যে পাহাড়টির উপর এর অবস্থান তার নাম কর্কোভাদো (Corcovado)। পাহাড়টি উচ্চতা ৭১৩ মিটার বা ২৩৪০ ফুট। যেতে হয় সড়কপথে নয়তো কেবল রেলে চড়ে।
মূর্তিটি তৈরি করেছেন ফরাসী ভাস্কর পল ল্যান্ডোস্কি। ১৯২১ সালে তাকে মূর্তিটি তৈরির দায়িত্ব দেয়া হয়। উদ্দেশ্য পর্তুগালের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভের প্রথম শতবার্ষিকী উদযাপন। ১৯৩১ সালে শেষ হয় এর নির্মানকাজ। গ্রানাইটের তৈরি এই মূর্তিটি ৩০ মিটার বা ১০০ ফুট উঁচু। যে বেদীটির উপর মূর্তিটি স্থাপন করা হয় তারই উচ্চতা ৬ মিটার বা ২০ ফুট।
মূর্তিটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যেন যীশু তার দুই হাত প্রসারিত করে শহরটিকে আলিঙ্গন করছেন। পাহাড় আর পানি দিয়ে ঘেরা রিও ডি জেনিরো শহরের সবচাইতে দর্শনীয় জায়গাগুলোর মধ্যে এটি অন্যতম। যিশুখ্রিস্ট যেমন খ্রিস্টধর্মের প্রতীক, এই মূর্তিটিও তেমনি রিও এবং ব্রাজিলের প্রতীক।
(এই লেখাটি প্রথম প্রকাশিত হয়েছে আমার ব্যক্তিগত ব্লগে এবং পরবর্তীতে বাংলা উইকিপিডিয়াতে সংযুক্ত করা হয়েছে)
২|
১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৯:৫০
কানা বাবা বলেছেন: ৫।
©somewhere in net ltd.
১|
১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৭ সকাল ৯:৪৪
মদনবাবু বলেছেন: ফ্রেন্চ রা জিনিসই । আমেরিকায় একটা আর এই ব্রাজিলে আরেকটা ।কঠিন মূর্তি দুইটাই।