নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সাজ্জাদ লাভলু

We need good good ভালো good.

সাজ্জাদ লাভলু › বিস্তারিত পোস্টঃ

বিদ্যুত উৎপাদনে দশ হাজার মেগাওয়াটের মাইলফলক

১২ ই নভেম্বর, ২০১৩ বিকাল ৩:১৭

বিদ্যুত খাতের অসমাপ্ত উন্নয়ন কর্মকা- বাস্তবায়নে আবারও মহাজোট সরকারকে নির্বাচিত করার আহ্বান জানিয়েছে সরকার। পুনরায় দায়িত্ব পেলে মানুষের ঘরে ঘরে বিদ্যুত পৌঁছে দেয়া হবে। সোমবার তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু এক সংবাদ সম্মেলনে এ আহ্বান জানান। তিনি বলেন, দেশের উন্নয়নের ধারাবাহিকতা রক্ষা করতে হলে রাজনৈতিক ধারাবাহিকতা রক্ষা করতে হবে। সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়, বিদ্যুত খাতের উন্নয়নে সরকার গোল্ডেন এ প্লাস পেয়েছে। নির্বাচনী ইশতেহারে ২০১৩ সালের শেষে সাত হাজার মেগাওয়াট উৎপাদনের কথা ছিল। কিন্তু সেখানে একই সময়ে দেশের স্থাপিত ক্ষমতা দাঁড়াবে ১০ হাজার ৯৮৯ মেগাওয়াট। আন্তর্জাতিক উন্নয়ন বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশ এখন ডেভেলপমেন্ট স্টার। সংবাদ সম্মেলন দেখানো হয় কেন্দ্র, উৎপাদন ক্ষমতা, সুবিধাপ্রাপ্ত জনগোষ্ঠীসহ বিদ্যুতের সব সূচক উর্ধমুখী। গত পাঁচ বছরে বিদ্যুত উৎপাদনের স্থাপিত ক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়ে ১০ হাজার মেগাওয়াটের মাইলফলক স্পর্শ করেছে। এ উপলক্ষে আজ সন্ধ্যায় রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্র এবং হাতিরঝিলে আলোক উৎসব উদযাপন করবে বিদ্যুত বিভাগ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আলোক উৎসবে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। অনুষ্ঠানে কয়লাভিত্তিক সাতটি বিদ্যুত কেন্দ্রের ফলক উন্মোচন করবেন শেখ হাসিনা। ইনু বিগত বিএনপি-জামায়াত জোটের সমালোচনা করে বলেন, ওই সময় হাওয়া ভবনের সঙ্গে কমিশন বাণিজ্যে বনিবনা না হওয়ায় দেশে বিদ্যুত কেন্দ্র হয়নি। এর বিপরীতে বর্তমান সরকারের এ ধরনের কোন নজির নেই। বেগম খালেদা জিয়ার সমালোচনা করে তিনি বলেন, বিরোধীদলীয় নেত্রীর হাতে কোন জাদুর কাঠি নেই যে, ক্ষমতায় এলেই দেশের পরিস্থিতি বদলে যাবে। বিদ্যুত খাতকে বর্তমান সরকার ১০ হাজার মেগাওয়াট স্থাপিত উৎপাদন ক্ষমতায় উন্নীত করেছে। বেগম জিয়া এখন আলোর মধ্যে বসে দেশের বিদ্যুত খাতের সমালোচনা করছেন। বিগত বিএনপি সরকারের সময় দেশে ১৬ থেকে ১৭ ঘণ্টা পর্যন্ত লোডশেডিং হতো বলে তিনি সকলকে স্মরণ করিয়ে দেন।

সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানিবিষয়ক উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী বলেন, এক সময় হেনরী কিসিঞ্জার বাংলাদেশকে তলাবিহীন ঝুড়ি হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন। কিন্তু আন্তর্জাতিক উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান লিগাট্রাম প্রসপারিটি ইনডেক্স বাংলাদেশকে ডেভেলপমেন্ট স্টার হিসেবে উল্লেখ করে তাদের ২০১৩ সালের প্রতিবেদন দিয়েছে। ওই ইনডেক্সের মতে, বাংলাদেশ উন্নয়নের দিক থেকে চলতি বছর ভারতের থেকে তিন ধাপ এগিয়ে গেছে। বিদ্যুত খাতের উন্নয়নের কারণে বিশ্ব মন্দা সত্ত্বেও বাংলাদেশ প্রবৃদ্ধি অর্জন (জিডিপি) ছয় এর ওপরে থেকেছে। অনেকে ভর্তুকি নিয়ে কথা বললেও সামগ্রিকভাবে দেশের ভর্তুকি জিডিপি প্রবৃদ্ধির ৫ ভাগের নিচে রয়েছে কিনা তা দেখার পরামর্শ দেন। উপদেষ্টা বলেন, বিদ্যুত খাতের ভর্তুকি দেয়ায় অর্থনীতি নানাভাবে এগিয়েছে। বিআইডিএসের সাম্প্রতিক এক গবেষণার কথা উল্লেখ করে বলেন, বিদ্যুত খাতের ভর্তুকি দেয়ায় অর্থনীতিতে এক লাখ কোটি টাকা যোগ হয়েছে। বিশেষ করে শিল্পায়ন এবং কৃষি খাত নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুত পাওয়ায় এই অর্জন সম্ভব বলে মনে করেন তিনি।

উপদেষ্টা বলেন, উন্নয়নের এই ধারা এগিয়ে নিতে পারলে বাংলাদেশ উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত হবেই। এই ধারা অব্যাহত রাখার জন্য বর্তমান সরকারকে আবার ক্ষমতায় আনতে হবে। তা না হলে অন্যরা ক্ষমতায় এলে আগের মতো দেশ পিছিয়ে যাবে। তিনি বলেন, বিগত বিএনপি সরকার তাদের পাঁচ বছর সময়কালে টঙ্গীতে মাত্র একটি ৮০ মেগাওয়াটের বিদ্যুত কেন্দ্র নির্মাণ করেছিল। তারা আর কোন বিদ্যুত কেন্দ্রই নির্মাণ করতে পারেনি। তিনি বলেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকার তাদের (১৯৯৬-২০০০) সময় পর্যন্ত যে বিদ্যুত রেখে গিয়েছিল তাও এক হাজার মেগাওয়াট কমিয়ে রেখে গিয়েছিল।

উৎপাদন ক্ষমতা এত বেশি হওয়ার পরও কেন কম উৎপাদন হচ্ছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সাধারণ চাহিদার চেয়ে উৎপাদন ক্ষমতা ২০ ভাগ বেশি রাখতে হয়। যাতে নিয়মিত মেরামতসহ কোথাও যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দিলে কোন বিড়ম্বনা তৈরি না হয়। এর পরও দেশে বিতরণ লাইন নির্মাণ করা হচ্ছে। বিতরণ লাইন নির্মাণ হলে বেশি বিদ্যুত উৎপাদন হবে। বিদ্যুত, জ্বালানি এবং খণিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকারের বিশেষ এই অর্জনকে স্মরণীয় করে রাখতে আলোক উৎসব উদ্যাপন করা হচ্ছে। জনগণের কাছে জবাবদিহি এবং একইসঙ্গে জনগণকে জানানোর জন্য এই উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। আমরা মানুষের ঘরে ঘরে বিদ্যুত দিতে চেয়েছিলাম। অনেকে একে অসম্ভব বলেছে কিন্তু আমরা এখন তাই সম্ভব করে দেখাতে চাই। এ জন্য ২০১৮ সাল নাগাদ আরও ১২ হাজার মেগাওয়াটের বিদ্যুত পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

সংবদ সম্মেলনে বিদ্যুত সচিব মনোয়ার ইসলাম বলেন, বর্তমান সরকার যখন দায়িত্ব গ্রহণ করে তখন দেশে বিদ্যুত উৎপাদন হতো তিন হাজার ২৬৮ মেগাওয়াট। আর বর্তমানে ছয় হাজার ৬৬৫ মেগাওয়াট বিদ্যুত উৎপাদনের রেকর্ড করেছে বাংলাদেশ। বর্তমান সরকার ক্ষমতা গ্রহণের আগে পর্যন্ত মাত্র ২৭টি বিদ্যুত কেন্দ্র স্থাপিত হয়। যার মোট উৎপাদন ক্ষমতা ছিল ৪ হাজার ৯৪২ মেগাওয়াট। আর বর্তমান সরকার প্রায় ৫ বছরে ৭০টি বিদ্যুত কেন্দ্র নির্মাণ চুক্তি করেছে। যার মোট উৎপাদন ক্ষমতা হচ্ছে ৯ হাজার ৯০৯ মেগাওয়াট। এর মধ্যে ৫৭টি অর্থাৎ ৪ হাজার ৭৭১ মেগাওয়াট উৎপাদনে এসেছে। অন্যগুলোও শীঘ্রই উৎপাদনে আসবে। তিনি আরও জানান, আগে বিদ্যুতের সুবিধাভোগী জনসংখ্যা ছিল মাত্র ৪৭ ভাগ। এখন ৬২ ভাগ জনগণ এই সুবিধা ভোগ করছে। নতুন করে সেচ সংযোগ দেয়া হয়েছে ৭৩ হাজার ৭৩৪টি, বিতরণ লাইন স্থাপন করা হয়েছে ৩৯ হাজার ৪৮৩ কিলোমিটার। প্রতি জেলায় বিদ্যুতের গ্রাহক সংখ্যা বেড়েছে গড়ে ৫৮ হাজার ৫০০ জন। এ ছাড়া ২০০৯ সালে মাথাপিছু বিদ্যুত উৎপাদন ছিল ২২০ কিলোওয়াট আওয়ার। এখন তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩২১ কিলোওয়াট আওয়ারে। একই সঙ্গে সিসটেম লস ১৮ দশমিক ৮৫ থেকে কমিয়ে ১৪ দশমিক ৬১ করতে সক্ষম হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

মন্তব্য ৯ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৯) মন্তব্য লিখুন

১| ১২ ই নভেম্বর, ২০১৩ বিকাল ৩:৩৮

মো ঃ আবু সাঈদ বলেছেন: অন্য গুলো শিগ্রই আসবে না সেই গুলির % দেখানো হয়েছে বাস্তবে নাই....

আপনি যে গুলো শিগ্রই আসবে বলতে ছেন সেই গুলো কিছু ছবি দিলে আমারা একটু আশস্ত হইতাম..

কুইক রেন্টাল তো ফারুখ খানের পেটে।

২| ১২ ই নভেম্বর, ২০১৩ বিকাল ৩:৪১

মদন বলেছেন: +

৩| ১২ ই নভেম্বর, ২০১৩ বিকাল ৩:৪২

মো ঃ আবু সাঈদ বলেছেন: Click This Link

৪| ১২ ই নভেম্বর, ২০১৩ বিকাল ৩:৪৪

মো ঃ আবু সাঈদ বলেছেন: নিউজ ইভেন্ট ২৪ ডটকম, ঢাকা বর্তমানে বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ১০ হাজার মেগাওয়াট বলা হলেও বাস্তবে প্রতিদিন গড়ে উৎপাদন হচ্ছে মাত্র ৬ হাজার মেগাওয়াট। তবে ১০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের ব্যাখ্যা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানি বিষয়ক উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-এলাহি। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার বিদ্যুৎ উপাদনের ক্ষমতা ১০ হাজার ২১৩ মেগাওয়াটে উন্নীত করতে সক্ষম হয়েছে। এর মধ্যে সরকারি খাতে ৫ হাজার ৯৬২ মেগাওয়াট, বেসরকারি খাতে ৩ হাজার ৭৫১ মেগাওয়াট এবং ভারত থেকে আমদানি করা হয়েছে ৫০০ মেগাওয়াট। বাকি ৪ হাজার কেন উৎপাদন হচ্ছে না এমন প্রশ্নে তৌফিক-ই-এলাহি বলেন, ২ হাজার মেগাওয়াট যায় সিস্টেম লসে এবং বাকি ২ হাজার মেগাওয়াট জ্বালানির অভাবে উৎপাদন হচ্ছে না। সোমবার বিকালে সচিবালয়ে তথ্য অধিদফতরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি একথা জানান। বিগত চারদলীয় জোট সরকারের চেয়ে বর্তমান সরকার বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করেছে জানিয়ে উপদেষ্টা দুই সরকারের আমলের বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিসংখ্যাণ উপস্থাপন করলে সাংবাদিকরা প্রশ্ন করেন, বিগত সরকারের চেয়ে এই সরকার বিদ্যুতে কতো বেশি ভর্তুকি দিচ্ছে এবং তখন প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম কত ছিল, এখন কত? এর জবাব এড়িয়ে যান উপদেষ্টা। তিনি বলেন, আমি গবেষণা করিনি। - See more at: Click This Link

৫| ১২ ই নভেম্বর, ২০১৩ বিকাল ৩:৫৭

ভিটামিন সি বলেছেন: আমার বাল উৎপাদন হইছে। ঢাকা থেকে মাত্র ৭৮ কিমি দুরে আমার বাড়ি। কম করে হলেও সাড়ে ৫শ ফ্যাক্টরী আমার থানায় আরো হচ্ছে। আমার জেলায় একটা বিদ্যুত কেন্দ্র আছে। তারপরও সন্ধ্যার পর বিদ্যুৎ থাকে না। দশটার দিকে একবার আসে ২০ মিনিটের জন্য। তারপর চলে যায়। এগারোটার পরে আসে এবং সারারাত থাকে। যে কইব যে দশ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উতপাদন হইছে থাপড়াইয়া তার ৩০ টা দাত ফালায়া দিমু। ২টা রাইখ্যা দিমু। সে যে কোন শালা আর শালীই হউক।

৬| ১২ ই নভেম্বর, ২০১৩ বিকাল ৪:২২

সরদাররকস্‌ বলেছেন: এবার গ্রীস্মে বোঝা যাবে

৭| ১২ ই নভেম্বর, ২০১৩ বিকাল ৫:২০

কাশিফ বলেছেন: বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা আর বিদ্যুৎ উৎপাদন এক কথা নয়। সরকার এই হিসাবে শুভংকরের ফাকি দিয়েছে।
১. আমাদের দেশে এখন বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ১০০০০মেগাওয়াট হলেও প্রকৃত উৎপাদন কত?
২.যেই ১০০০০মেগাওয়াট এর কথা বলা হলো অর্থাৎ যত গুলো বিদ্যুৎ কেন্দ্র উদ্বোধন করা কয়েছে তার মধ্যে কত গুলো উৎপাদনে আছে আর কত গুলো মাত্রই নামফলক উন্মোচন করা হয়েছে? কাগজে কলম আর বাস্তবতার মিল কতটুকু?পারমানবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কাজ মাত্রই শুরু হচ্ছে। এখন তার হিসাব দিলে তো হবে না।
৩. কতখানি মূল্য দিতে হচ্ছে এই বিদুৎ এর জন্য? বাড়তি দাম জনজীবনে কতটুকু প্রভাব ফেলছে?
৪. পুরাতন কেন্দ্র গুলো শুরুতে যা উৎপাদন করতো এখনো কি তাই করছে?যতটুকু কম উৎপাদন করছে তার হিসাব কই?শুরুতে ৫০০মেগা থাকার পর এখন যদি সেই কেন্দ্রের সক্ষমতা ৪৫০মেগা হয় তাহলে হিসাবে কিন্তু ৪৫০ আসার কথা।কিন্তু হিসাবে ৫০০মেগাই দেখানো হচ্চে কেন?
৫. চাহিদার বিপরীতে কত % যোগান দিতে পারছে তার হিসাব কই? যেমন ঢাকা ওয়াসার ২২৫কোটি লিটার এর বিপরীতে ২৪২কোটি লিটার উৎপাদন করছে। তেমন ভাবে বিদ্যুৎ বিভাগের টা দেয়া হয় না কেন?
৬. কুইক রেন্টালের দীর্ঘমেয়াদী উপযোগিতা নেই। বেশি দামে পুরাতন মেশিন আনা হয়েছে। যার ফলে মেশিনের প্রকৃত উৎপাদন ক্ষমতা কম। সরকার কয়েক ভাবে এই খানে ভুর্তকী দিচ্ছে। তবুও এই গুলো দীর্ঘমেয়াদী হিসেবে কেন আনা হচ্ছে?

সরকার খুব চালাক। আমারা বোধাই জনগণ।

৮| ১২ ই নভেম্বর, ২০১৩ রাত ১১:১৯

জাভেদ৫০ বলেছেন: আমার এলাকায় এক মিনিটের জন্যো বিদ্যুৎ যায় না, যদি যায় তা আবার এক মিনিটের মধ্যেঈ চলে আসে। তবে বিদ্যুতের ওনেক উন্নতি হয়েছে, সেটা বলতে হবে।

৯| ১৩ ই নভেম্বর, ২০১৩ সকাল ৯:১০

কাশিফ বলেছেন: Click This Link

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.