| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
এই এক ডিরেক্টর নিয়ে পোস্ট দিতে আমার ভয় লাগে। তারকোভস্কি পুরোটা দেখলেও পুরোটাই অদেখা থেকে যায়। বারবার দেখে মুখস্ত করলেও কিছু ব্যাপার অবসকিওরড, অনায়ত্ত লাগে। মিরর এর আগে আমি একবার দেখেছিলাম। কিছু দৃশ্য বাদে সবটাই ভুলে গিয়েছিলাম। নতুন করে আবার দেখলাম কয়েকদিন আগে। কিছু নতুন অনুভূতি তৈরি হলো। হয়তো আবার দেখলে আরও কিছু নতুন অনুভূতি তৈরি হবে। ইঙ্গমার বার্গম্যান বলেছেন তারকোভস্কি আমাদের সময়ের সময়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ফিল্মমেকার আর মিরর নিঃসন্দেহে মাস্টারপিস, সিনেমার ইতিহাসের গ্রেটেস্ট সৃষ্টি। মিররের বিষয় তারকোভস্কির ছেলেবেলা। টাইম বা স্পেসের ফ্রেমিং ছাড়াই তারকোভস্কি নিজের ছেলেবেলার বিবরণ দিয়েছেন। ফলে ছন্নছাড়া টুকরা ঘটনাগুলোকে কিংবা কখনও স্রেফ ইমেজগুলোকে ব্যবহার করেছেন। তারকোভস্কি অবশ্য নিজে বলেছেন যে, মিররে নিজের ছেলেবেলা বিষয়ে কথা বলার কোনো আগ্রহ আমার ছিল না। আমি আমি তাদের প্রতি আমার ফিলিং কী, তাদের সঙ্গে আমার রিলেশনশিপ কী.. এগুলোই আমি প্রকাশ করতে চেয়েছি। তারকোভস্কির বাবার আর্সেনি তারকোভস্কি সিনেমাটা দেখার পর তার মাকে বলেছিলেন, দেখেছ ছেলে আমাদের জন্য কথা বলার কত কম জায়গা রেখেছে। তারকোভস্কি বলেন, আমি নিজের জন্যই বা কতটুকু জায়গা রেখেছি ওই সিনেমায়?
আমার কাছে এই সিনেমাকে মনে হয় একটা পোয়েটিক রিভিউ। বাবার কবিতার মধ্য দিয়ে তারকোভস্কি রিকল করতে চেয়েছেন তার ফেলে আসা সময়কে। সাবজেক্ট শৈশব হলেও তিনি টাইম-স্পেসের ফ্রেমে তার বাবার কবিতাগুলোর ব্যাখ্যাই দাঁড় করাতে চেয়েছেন। পরোক্ষভাবে এতে রাজনীতি আছে। ফ্যামিলি আছে। শৈশবের নিঃসঙ্গতা আছে। মিরর হলো সুস্বপ্নের আয়নায় দুঃস্বপ্ন দেখার ছবি।
এটি বানানো হয়েছিল 1975 সালে।
২|
২১ শে অক্টোবর, ২০০৬ রাত ৯:৫৩
অতিথি বলেছেন: দেখার আগ্রহ জন্মালো। হুমম.
৩|
২২ শে অক্টোবর, ২০০৬ দুপুর ২:৪১
অতিথি বলেছেন: সুমেরু,
পানির আওয়াজ ছাড়া তারকোভস্কির ছবি খুঁজে পাওয়া কষ্টকর, তাই না?
৪|
০৫ ই নভেম্বর, ২০০৬ সকাল ৯:১৩
অতিথি বলেছেন: [রং=#800080] [গাঢ়]মিরর[/গাঢ়] দেখবার সময় অনেক কিছুই খুব বেশি অ্যাবস্ট্রাক্ট মনে হয়েছিলো, ধরতে পারিনি। কিন্তু ওই টুকরো টুকরো দৃশ্যের একত্র সম্মিলন, ওই জলের শব্দ, তুমুল ঝড়ে ক্ষেতের ফসলের তোলপাড়ের সমষ্টি এখন কেন যেন মনে পড়ে। জীবনকে জীবনের অথবা স্মৃতির আয়নায় আবার দেখা.... তখন তেমন করে বুঝিনি, রিভিউ ভালো লাগলো, আবার দেখব, আরো কিছু অনূভুতি যোগ হবে সন্দেহ নেই।[/রং]
৫|
০৫ ই নভেম্বর, ২০০৬ সকাল ৯:১৫
অতিথি বলেছেন: ভালো লেগেছে রিভিউটা।
৬|
০৫ ই নভেম্বর, ২০০৬ সকাল ৯:১৬
অতিথি বলেছেন: ঢাকায় এধরনের ছবির ডিভিডি কোথা থেকে জোগাড় করতে পারি বলতে পারেন?
৭|
০৫ ই নভেম্বর, ২০০৬ সকাল ৯:২২
অতিথি বলেছেন: বসুন্ধরা সিটির লেভেল সিক্স-এর ডিভিডির দোকানগুলোত, রাইফেলস স্কোয়ারের মুভি প্লাসে, শুক্রাবাদের ফিল্ম ফেয়ারে।
৮|
০৫ ই নভেম্বর, ২০০৬ সকাল ৯:২৩
অতিথি বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।
৯|
০৫ ই নভেম্বর, ২০০৬ সকাল ৯:২৩
অতিথি বলেছেন: প্রজাপতি,
থ্যাঙ্কস। আমিও দ্্বিতীয়বার দেখে কিছু নুতন ব্যাপার ধরতে পেরেছিলাম। আবারও দেখবো।
১০|
০৫ ই নভেম্বর, ২০০৬ সকাল ৯:২৮
তিমুর বলেছেন: কেন আইডিবি ভবন, রাইফেলস স্কোয়ার, ইস্টার্ন প্লাজা, সবখানেই পাবেন । আইডিবির রায়ান্স টা বেস্ট ।
কাকতালীয়ভাবে তারকোভস্কির স্টিমরোলার অ্যান্ড ভায়োলিনটা আজ আবার দেখছি । বহুত উপচানো পানির প্রতিফলন আছে এতে!
©somewhere in net ltd.
১|
২১ শে অক্টোবর, ২০০৬ রাত ৯:০৮
অতিথি বলেছেন: আরে আমি তো এরোপ্লেনের আওয়াজ আর জলের শব্দকেও ভয় পাই। তবু মিরর দেখি।