| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
ঝড়১২৩
নিজেকে চিনাই ধর্ম। সবার জন্য এই লেখা নয়। শুধু মাত্র চিন্তাশীল ব্যক্তিদের জন্য। বানান গত ভুল থাকতে পারে।কাউকে নির্দিষ্ট করে কিছু বলা আমার উদ্দেশ্য নয়।যাদের ধর্ম নিয়ে বাতিক আছে, যারা সব বুঝে ফেলেছি বলে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে দিয়েছে,বিশেষ করে যাদের আল্লাহ সাত আসমানের উপরে থাকে এবং আল্লাহকে মানুষের ভিতরে কল্পনা করার সৎ সাহস নাই তারা দয়া করে আমার পোষ্ট পড়বেননা।
যারা পুর্বেই সবকিছু জেনে গেছে, বুঝে গেছে বলে বিশ্বাস করে ফেলেছেন, যা শিখেছেন তার বাইরে আর কিছু নাই বলে চিন্তা করে ফেলেছেন, এবং আর পদের মনুষ্য জীব যারা অতি বোঝার ভান করেন তারা দয়া করে ইহা পড়বেন না।
নিন্মে বর্নিত যে দশজন সাহাবীকে তাহাদের মৃত্যুর পুর্বেই জান্নাতের সুসংবাদ রাসুল (আ) কর্তৃক দান করা হইয়াছিল বলিয়া উল্লেখিত হইয়া থাকে তাহাদের নাম যথাক্রমেঃ
১। আবুবকর (র)
২। ওমর (র)
৩। ওসমান (র)
৪। আলী (আ)
৫। তালহা (র)
৬। জোবাইর (র)
৭। সায়াদ ইবনে আবি আয়াক্কাস (র)
৮। আব্দুর রহমান ইবনে আউফ (র)
৯। ওবায়দা ইবনে জারাহ এবং
১০। সাইদ ইবনে জাইদ।
ইহা সম্পুর্ন ভুল, মিথ্যা একটি হাদিস। দলিলগত প্রমান দিয়ে বোঝাতে একজনকে দুই তিন বছর সময় লেগে যাবে শুধু মাত্র দলিল এর মৌলিক জ্ঞান দান করতে। আর একটা প্রমাণ তাই দিতে চাই সেটা হল যুক্তিগত প্রমান। আশা রাখি ইহা পড়লেও যারা জ্ঞানী তারা অনুধাবন করতে পারবে।
১। কোন বুদ্ধিমান নেতা শিষ্যগণের কার্যাবলীর ফলাফল অগ্রিম প্রকাশ করিতে চাইবে না। অবশিষ্ট লোকেরা আত্নত্যাগের কর্মে উৎসাহ হারায় ফেলবে। কাজেই নেতার পক্ষে ইহা মোটেই স্বাভাবিক নহে যে তিনি কৃতকার্যতার সুফল কয়েকজনের জন্য আগেই প্রকাশ করে দিবেন। যদি বলা হয়ঃ আল্লাহ পাঠান এই সুসংবাদ নবীর মাধ্যমে, তা হইলে নবীকে বলিয়া প্রমানিত হতে হয়। ইহাতে নবীকে (আ) খাট করিতে হয়।
২। যে দশজনকে লইয়া এই তথাকথিত “আশশারে মোবাশ্শারা” কথাটি পরবর্তিকালে প্রকাশিত হইয়াছে এবং রাষ্ট্রীয় শক্তিশালী প্রচারের সাহায্যে তারা সমাজে বিশ্বাস কথারুপে প্রতিষ্ঠিত করা হইয়াছে তাহাদের মধ্যে একজনও আনসার নাই।সবাই তাহারা মোহাজের। অথচ মোহাজেরগণের সংখ্যা ছিল আনসারদের তুলনায় অতি নগন্য। মদিনাবাসিগণ প্রায় সবাই ছিলেন আনসার।
নবী এবং তাঁর নীতিকে যারা আশ্রয় এবং সাহায্য দিয়েছিলেন সেই সকল মদিনাবাসিগনকে আনসার বলা হয়। ইসলাম এবং তার নবীকে আশ্রয়দাতা আনসারগন ছিলেন বিশেষভাবে সমর্পিত মনোভাব সম্পন্ন। তাদের মধ্য হইতে একজনও মৃত্যুর পুর্বে জান্নাতের সুসংবাদ পাইল না, ইহা অবিশাস্য।
৩। আল্লাহ ও তাঁর রসুল আনসারগনের আত্নত্যাগের প্রশংসায় মুখর। কোরান ও হাদিসে তার ভুরি ভুরি প্রমাণ আছে। সেই সকল কথা মিথ্যা প্রতিপন্ন করতে হয়।
৪। রাসুল পাক তাঁর রক্তের বংশধরগণের বহির্ভুত যে মহৎ ব্যক্তির নাম উল্লেখ করিয়াছিলেন, তাঁর আহলে বাইতের অন্তর্ভুক্ত বলিয়া, সেই মহান ব্যক্তি হযরত সালমান ফারসীও সুসংবাদপ্রাপ্ত ব্যক্তিগণের অন্তর্ভুক্ত হইতে পারেন নাই।
৫। যে নামগুলো আমরা পাই তার ভিতরে কোন নারীর নাম নাই। ইহা অস্বাভাবিক। অথচ “খাতুনে জান্নাত” তথা “জান্নাতের প্রধান নেত্রী” কথাটি সমাজের সবাই জানেন কম বেশি। মা ফাতেমা (আ) এর কথা এখানে না বললেই নয়।
৬। মুসা নবীর ভাই হারুন (আ) জান্নাতবাসীর অন্তর্ভুক্ত করিয়া কোনরুপ কথা রচনা করলে তা ধন্য না করে বরং তার অপমান করাই হবে। সেইরুপ মাওলা আলী(আ) এর এর নাম উক্ত লিষ্টে দেয়া তার অপমানই করা হয়েছে।
যাইহোক আলী(আ) এর নাম তাও প্রবেশ করানো হল কিন্তু “জান্নাতের দুই যবক” এই নামে যারা সর্বদলের কর্তৃক আখ্যায়িত আছেন সেই দুই ব্যক্তি উহাতে তালিকাভুক্ত হইলনা কেন?
৭।বিশ্বাসীদের বিরুদ্ধে কেহ যুদ্ধ করিলে সে নিশ্চয় কাফের হয়ে যাইবে। (৪-৯২,৯৩) এবং (৪৮-২৫) দ্রষ্টব্য। কোরানের এই কথাটির সত্যতা খন্ডন করার জন্য “আশ্শারে মোবাশ্শারা” নাম সৃষ্টি করিয়া অনেক গুলি হাদিস রচনা করা হয়েছে। মাওলা আলী (আ) এর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা জায়েজ প্রমাণ করিবার জন্য এই সকল হাদিস পরবর্তিকালে আব্বাসীয় শাশনামলে রচনা করা হইয়াছিল।
সুসংবাদপ্রাপ্ত দশ ভাগ্যবানের অন্যতম ছিলেন হযরত আব্দুর রহমান ইবনে আউফ যিনি প্রথম খলীফা নির্বাচনে নির্বাচক মন্ডলীর অন্যতম ছিলেন। তিনি ছিলেন খলীফা মোয়াবীয়ার আদর্শে আদর্শায়িত ব্যক্তি। খলীফা মোয়াবীয়া হলো ইসলামের ধ্বংশের ষড়যন্ত্র কারীর প্রধান নেতা, তবুও এখানে এসে জানলাম তাও তাকে নাকি কিছুই বলা যাবেনা। আজব মুসলিম। যাইহোক এ-ই ধুর্ত আব্দুর রহমান যিনি ছলচাতুরীর অপকৌশল প্রয়োগ করে প্রথমে হযরত আলীকে পদত্যাগ করায় মোয়াবীয়াকে খলীফা ঘোষনা করেছিলেন এবং সিফ্ফিনের যুদ্ধে মোয়াবীয়ার বাহিনী যখন পর্যুদস্ত তখন আঃ রহমান বিন আউফের গোপন সহযোগীতায়ু আমন বিন আস এর পরামর্শে বর্শার আগায় কোরান শরীফ বেধে হযরত আলীকে যুদ্ধ বন্ধ করতে বাধ্য করে।
আবার আসি, এই সুসংবাদ প্রাপ্ত ব্যক্তি গুলোর অধিকাংশই গাদিরে খুম নামক স্থানে মাওলা আলী (আ) এর অভিষেক ক্রিয়ার চাক্ষুষ প্রমান পাওয়ার পরেও সেই আলীকে বাদ দিয়ে, নবীজির আদেশ, নির্দেশ অমান্য করা আবু বকর, ওমর, ওসমান, আব্দুর রহমান, জোবায়ের – এর নাম সুন্দর ভাবে দেয়া আছে।
আবার যেই আবু বকর মা ফাতেমার নিকট হতে বাগে ফিদাক নামক বাগান ছিনায়ে নিল রাষ্ট্রের নাম দিয়ে, যার পরে জানা যায় মা ফাতেমা কখনোই আবু বকরের কোন সালামের উত্তর দেন নাই। আবার যেই ওমরের আলথি দরজাইয় লেগে মা ফাতেমার বুকের পাজর ভেঙ্গে যায়, যেই ওমর হযরত আলী (আ) কে কোমরে রশি বেধে টেনে টেনে নিয়ে যায় তারা আগাম সুসংবাদ পাইলো কিভাবে সেটা মানতে ...। যাদের এই রুপ কারনে নবী বংশের উপর এক এক করে যে করুন সময় পার করতে হয়েছে পরিনতিতে কারবালা...।তারা জান্নাতের সুসংবাদ প্রাপ্ত ঠিক বিশ্বাস হয়না।
আপনারা কি বলেন???
দোহার
কাদরীয়া শরীফ।
২|
০১ লা জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:৫৩
সাইফু্ল বলেছেন: ধর্ম নিয়ে টানাটানি করলে খুব ভাল হয়।
৩|
০১ লা জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৫:১৯
আমরা তোমাদের ভুলব না বলেছেন: ১. ০১ লা জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:২০ দারাশিকো বলেছেন: সমস্যা এইখানে না, সমস্যা কারবালায়
২. ০১ লা জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:৫৩ সাইফু্ল বলেছেন: ধর্ম নিয়ে টানাটানি করলে খুব ভাল হয়।
৪|
০১ লা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৫৭
জানজাবিদ বলেছেন: যাক, ব্লগে এতদিন দেখছি আস্তিক-নাস্তিক ক্যাচাল। এখন শুরু হইবো শিয়া-সুন্নী ক্যাচাল।
০১ লা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:১৬
ঝড়১২৩ বলেছেন: সেইটাই দেখছি। বলতে চাচ্ছিলাম ইতিহাস। কইলাম নবী-রাসুল ও তাঁর বংশধরদের কথা, হয়ে গেলাম শিয়া। কি আজব? সবই দেখি আলেমদের হাতে!!! তারা যখন যারে মন চায় শিয়া বানায় দেয়, কাফের বলে দেয়, নাস্তিক বানায় দেয়। কিন্তু তাদের দ্বারা এমন কোন কিছুর উত্তর দেয়া সম্ভব হয়না। এত প্রশ্ন করা হল নাস্তিক দ্বারা কিন্তু একটারও উত্তর দিতে দেখিনি।
আমার কথা হলো লেখা পড়েন, বুঝার চেষ্টা করেন, নিজের বিবেককে কাজে লাগান, দেখেন সত্য বের হয়ে আসে কিনা।
৫|
০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৩৮
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: আপনার জন্য দুইটি বইঃ
খেলাফত ও রাজতন্ত্র- মাওলানা মওদূদী
ইতিহাসের কাঠগড়ায় মুয়াবিয়া (রা) - মাওলানা তকী উসমানী
৬|
০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:৩০
নাজনীন১ বলেছেন: ১। আপনি আবুবকর(রাঃ), ওমর(রাঃ), ওসমান(রাঃ) র ব্যাপারে যে হাদীসগুলো আছে সেগুলো বিশ্বাস করেন না?
Bukhari :: Book 5 :: Volume 57 :: Hadith 26
Narrated Ibn 'Abbas:
While I was standing amongst the people who were invoking Allah for Umar bin Al-Khattab who was lying (dead) on his bed, a man behind me rested his elbows on my shoulder and said, "(O 'Umar!) May Allah bestow His Mercy on you. I always hoped that Allah will keep you with your two companions, for I often heard Allah's Apostle saying, "I, Abu Bakr and 'Umar were (somewhere). I, Abu Bakr and 'Umar did (something). I, Abu Bakr and 'Umar set out.' So I hoped that Allah will keep you with both of them." I turned back to see that the speaker was Ali bin Abi Talib.
--- এ হাদীসটির ব্যাপারে আপনার বিশ্বাস কি?
২। আব্দুর রহমান ইবনে আউফ ৩য় খলিফা নির্বাচনের নেতৃত্ব দিয়েছেন, আবু বকর(রাঃ) কে মূলত ওমর(রাঃ)ই নির্বাচিত করেছেন। এর আগে রাসূল(সাঃ)এর নির্দেশ ছিল।
Bukhari :: Book 5 :: Volume 57 :: Hadith 11
Narrated Jubair bin Mutim:
A woman came to the Prophet who ordered her to return to him again. She said, "What if I came and did not find you?" as if she wanted to say, "If I found you dead?" The Prophet said, "If you should not find me, go to Abu Bakr."
৩। ফাতেমা(রাঃ) এবং আবু বকর(রাঃ) -র ব্যাপারে হাদীস হলোঃ
Bukhari :: Book 5 :: Volume 57 :: Hadith 60
Narrated 'Aisha:
Fatima sent somebody to Abu Bakr asking him to give her her inheritance from the Prophet from what Allah had given to His Apostle through Fai (i.e. booty gained without fighting). She asked for the Sadaqa (i.e. wealth assigned for charitable purposes) of the Prophet at Medina, and Fadak, and what remained of the Khumus (i.e., one-fifth) of the Khaibar booty. Abu Bakr said, "Allah's Apostle said, 'We (Prophets), our property is not inherited, and whatever we leave is Sadaqa, but Muhammad's Family can eat from this property, i.e. Allah's property, but they have no right to take more than the food they need.' By Allah! I will not bring any change in dealing with the Sadaqa of the Prophet (and will keep them) as they used to be observed in his (i.e. the Prophet's) life-time, and I will dispose with it as Allah's Apostle used to do," Then 'Ali said, "I testify that None has the right to be worshipped but Allah, and that Muhammad is His Apostle," and added, "O Abu Bakr! We acknowledge your superiority." Then he (i.e. 'Ali) mentioned their own relationship to Allah's Apostle and their right. Abu Bakr then spoke saying, "By Allah in Whose Hands my life is. I love to do good to the relatives of Allah's Apostle rather than to my own relatives" Abu Bark added: Look at Muhammad through his family (i.e. if you are no good to his family you are not good to him).
আচ্ছা, আপনি কি আয়েশা(রাঃ) বর্ণিত হাদীসগুলো বিশ্বাস করেন?
৪। আর ইতিহাস যা জানি, আলী(রাঃ), মুয়াবিয়া(রাঃ) এবং আরেকজন সাহাবী মসজিদে নামায পড়ার সময় খারেজীরা বা মুনাফিকরা আক্রমণ করে , এতে আলী(রাঃ) সাথে সাথে মারা যান, মুয়াবিয়া(রাঃ) আহত হন। এতে করে কুফাবাসীরা মুয়াবিয়া(রাঃ) কে ভুল বুঝে ও সন্দেহ করে, অথচ তিনি এ ব্যাপারে কিছুই জানতেন না। তারপর হাসান(রাঃ) খলীফা হয়, কিন্তু কুফাবাসী এবং সিরিয়াবাসীদের বিরোধ মিটাতে হাসান(রাঃ)ই মুয়াবিয়া(রাঃ)কে খেলাফত দিয়ে দেন, এ বিরোধ মিটানো সংক্রান্ত রাসূল(সাঃ) এর একটি হাদীসও আছে।
আপনি এই নতুন ধরণের ইতিহাস কোথা থেকে পেলেন? আর হোসেন(রাঃ) কে কুফা যেতে অনেক সাহাবীই নিষেধ করেছিলেন, কিন্তু ভেবেছিলেন তিনি গেলে হয়তো তার সমর্থকদের তিনি বোঝাতে পারবেন ইয়াজিদের ব্যাপারে। অথচ তার অনুসারীরাই তাকে হত্যা করেছে, মূলত তাদের ভেতরে অনেক মুনাফিক ছিল যারা সেই ওসমান(রাঃ) কে হত্যা করা থেকে শুরু করে, জামাল যুদ্ধ, বিভিন্ন সাহাবীদের মধ্যে ঝগড়া-ফ্যাসাদ সৃষ্টি করা, মুয়াবিয়া(রাঃ) র নামে মিথ্যা অপবাদ দেয়া ----- এরকম অনেক কিছুই করেছে। তারা আলী(রাঃ)র অনুসারীদের সাথে দলে মিশে থাকতো, আলী(রাঃ) এদেরকে চিনতেন, এদের ব্যাপারে প্রথম তিনিই যুদ্ধ শুরু করেছিলেন, এরপর মুয়াবিয়া(রাঃ) অনেকটা ধ্বংস করেন তাদের। তারপরও কিছু বাকী রয়ে গেছে যারা পরে হাসান(রাঃ) এবং হোসেইন(রা) কে মেরে ফেলে।
এরা মূলত আলী(রাঃ)র পক্ষেও ছিল না, মুয়াবিয়ার(রাঃ) পক্ষে তো নয়ই, এরা আসলে ইসলামের শত্রু। এদের নেতা ছিল মুনাফিক আবদুল্লাহ ইবনে সাবা, যে আসলে ছদ্মবেশী মুসলিম, মূলত ইহুদী ছিল। কুফাতে ওমর(রাঃ) র সময় থেকেই যাকেই গভর্ণর করা হতো, তার বিরুদ্ধেই তারা অভিযোগ করতো।
৫। @ তায়েফ, মাওলানা মওদুদীর "খেলাফত ও রাজতন্ত্র" বইয়ের কিন্তু সমালোচনা আছে। উনি ঐ বইতে ওসমান(রাঃ) এবং মুয়াবিয়া(রাঃ)র যে সমালোচনা করেছেন, যেটা বেশীর ভাগ আলেমের মতেই ভুল প্রমানিত হয়েছে।
৬। আর সবশেষে সাহাবীদের ব্যাপারে রাসূলের(সাঃ) হাদীসঃ
Bukhari :: Book 5 :: Volume 57 :: Hadith 22
Narrated Abu Said:
The Prophet said, "Do not abuse my companions for if any one of you spent gold equal to Uhud (in Allah's Cause) it would not be equal to a Mud or even a half Mud spent by one of them."
০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৪৬
ঝড়১২৩ বলেছেন: সুরা শুরায়- আল্লাহ নবী বংশকে ভালোবাসার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন, আবার কোরানে আরও জায়গায় এই পাক পাঞ্জাতনের কথা বলা আছে, আসুন আমরা তাদের হয়ে ইতিহাস ঘাটি। যদিও যেই কোরান আমরা পড়ি তাও ঐ ওমর, ওসমান, মোয়াবিয়ার নিজেদের মতাদর্শনের কোরান। মুল কোরান নাই। তাও ছিটেছাটা যা আছে তাও দেখে নিন। অনেক কিছুই জানেন অথচ ঘিলুটা ঠিক ভাবে কাজ করছেনা আপনার, কেননা কাগজে ছাপা কালি কে আল্লাহর তরফের মুল কোরান ভেবে বসে পড়েছেন।
বেশিরভাগ সবই ঠিকি ধরেছেন কিন্তু কিছু জিনিস আছে যা ধরতে পারেন নি। যাদের কথা বলছেন সবই তাদের লোকদের দ্বারা লেখা হাদিস, ইতিহাস। একটু নবী বংশের কারো হতে হাদিস পড়েন, ইতিহাস পড়েন। বা নিরপেক্ষ কারো পড়েন। যদি বলেন যে আমরা আলীর তরফের লেখা মানিনা, তাহলে ইহা আপনার তকদির। সত্য কি সবাই পায়? বলেন? আর মোয়াবীয়া??? বাহ! ওরে আলেম সমাজ। আমি বুঝলাম না এই ব্যাটা বদমাইশকে কেন মানুষ সাহাবা ভাবে, সাথে (রাঃ) শব্দটা লাগায়? মানুষের অন্ধ বিশ্বাস এতদুর ছড়ায় গেছে? আপনার লেখা আর পড়ার দরকার হবেনা। যতকাল মোয়াবীয়ারে গালি দিতে না পারবেন ততদিন পর্যন্ত সত্যের সন্ধান পাবার কোন সুযোগই হবেনা।
কারবালার কথা যেভাবে বললেন তা শুনে হাসি পাইল। ইমাম হোসাইন (আ) কে? চিনেন? এই চিনতে আরো কত কোটি জনম লাগবে সেটা ভাবার বিষয়। খাজা মাইনুদ্দিন চিশতী এক আসরে তার ভক্তদের বলছেন, “আমি খাজা মাইনুদ্দিন যদি কারবালার ময়দানে ঐ বালুতে আমার বুড়া আঙ্গুলের টুকা দেই তাহলে ওই বালুর ভিতরে যত পোকামাকড়, কীটপতঙ্গ আছে, তা সব উপরে উঠে আসত, ঐ স্থানের চারপাশে যে পানি আছে তা চলে আসত এবং ইয়াজিদের দলকে ধ্বংশ করে দিত, সারা দুনিয়ার মানুষ একজায়গায় হলেও আমার কাছেও আসতে পারত না; আর আমি খাজা হইলাম ইমাম হোসাইন (আঃ) এর গোলামের গোলাম”। তাহলে চিন্তা করুন ইমাম হোসাইন (আ”) কে? আপনে যে রঙ্গ নাটক বর্ননা করেছেন তা ছুড়ে ফেলে দিন, জ্ঞান আর প্রেমের স্থানে আসুন, দেখুন সত্য কেমন। ঐ বই পুস্তক পড়ে আলেম হওয়া যায়, বিদ্যান হওয়া যায় কিন্তু আধ্যাত্নজগতে, খোদার প্রেমিক হওয়া যায়না, ইমাম হোসাইন (আঃ) কে চেনা যায়না। শুধু পড়েই যাবেন কিন্তু তা দিয়ে কাজে আসবেনা। মাওলানা রুমী বলেনঃ কোরানের মগজ আমি তুলে নিয়েছি আর হাড্ডি শিয়াল কুত্তার জন্য রেখে দিয়েছি।
আবু বকর জ্ঞানী ছিলেন এই নিয়ে দ্বিমত করছিনা, ওমর যে একদম খারাপ ছিলেন সেটাও বলছিনা। তবে তারা কেউই আহলে বায়াতের পায়ের কেনি আঙ্গুলের সমতুল্য নয় ইহা সত্য। তবে তারা অনেক উচু মাপের জ্ঞানী, আলেম, হ্যা ভালোও বটে। তবে তারা কেউই তাদের সমতুল্যতো বহু দুরের কথা, ত্রিসীমানার কাছেও আসেনা।
যাইহোক পরে আরও লিখব।
৭|
০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:০৯
সৈয়দ বলেছেন: "নাজনীন১ বলেছেন: @ এরা মূলত আলী(রাঃ)র পক্ষেও ছিল না, মুয়াবিয়ার(রাঃ) পক্ষে তো নয়ই, এরা আসলে ইসলামের শত্রু। এদের নেতা ছিল মুনাফিক আবদুল্লাহ ইবনে সাবা, যে আসলে ছদ্মবেশী মুসলিম, মূলত ইহুদী ছিল। কুফাতে ওমর(রাঃ) র সময় থেকেই যাকেই গভর্ণর করা হতো, তার বিরুদ্ধেই তারা অভিযোগ করতো।"
এই আবদুল্লাহ ইবনে সাবা কে ছিল তার কোন ঐতিহাসিক রেফারেন্স আছে কি? না এও চক্রান্ত। তার বাইওগ্রাফি কি কেউ জানে?
৮|
০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ ভোর ৬:৩৯
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: @ নাজনীন১
"খেলাফত ও রাজতন্ত্র" বইটা নিয়ে যে বিতর্ক আছে সে সম্বন্ধে আমার ধারনা আছে এবং "ইতিহাসের কাঠগড়ায় মুয়াবিয়া(রা)" বইটাই হচ্ছে এর সবচেয়ে বস্তুনিষ্ঠ সমালোচনা। এজন্যই এ দুটো বইয়ের নাম একসাথে দিয়েছি।
ধন্যবাদ।
০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:৪৭
ঝড়১২৩ বলেছেন: বইটা পড়ব
ধন্যবাদ জানাবার জন্য
৯|
০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:২০
নাজনীন১ বলেছেন: " আমি খাজা মাইনুদ্দিন যদি কারবালার ময়দানে ঐ বালুতে আমার বুড়া আঙ্গুলের টুকা দেই তাহলে ওই বালুর ভিতরে যত পোকামাকড়, কীটপতঙ্গ আছে, তা সব উপরে উঠে আসত, ঐ স্থানের চারপাশে যে পানি আছে তা চলে আসত এবং ইয়াজিদের দলকে ধ্বংশ করে দিত, সারা দুনিয়ার মানুষ একজায়গায় হলেও আমার কাছেও আসতে পারত না; আর আমি খাজা হইলাম ইমাম হোসাইন (আঃ) এর গোলামের গোলাম”।"
-- তো, খাজা মাইনুদ্দিন চিশতীকে ইয়াজিদ কিছু করতে পারতো না, এমনকি সারা দুনিয়ার মানুষ এক হলেও, আর হোসেন(আঃ)কে ইয়াজীদের লোকেরা কতল করে ফেললো, উনি কিছুই করতে পারলেন না? তার মানে কি? এসব শিরকী যুক্তি আপনার মতো স্বঘোষিত জ্ঞানীরাই বিশ্বাস করবে। আল্লাহ্তাআলা আমাদের এধরণের শিরক থেকে রক্ষা করুক।
০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৫৭
ঝড়১২৩ বলেছেন: এইত দেখলেন, আমি আপনাকেই মনে হয় বলেছিলাম, কম ঘিলু ওয়ালা ...দেখুন এক অন্ধও কোরানে হাফেজ সেটা শুনা যায় তাই বলে তাকে কি বলবেন সে জ্ঞানী? কোরান হাদিস পড়ে কি আর ওলী হওয়া যায় বলেন?
ইমাম গায্যালী (রাঃ) মাদ্রাসার বিদ্যার দ্বারা কামালিয়াত লাভ করতে না পেরে, আল্লাহকে লাভ করতে না পেরে সমস্ত কিতাব ফেলে, এ শিক্ষা (প্রাতিষ্ঠানিক) ভুলে হযরত আবু আলী ফারমাদি (রাঃ) নিকট ২৭ বছর বয়সে মরিদ হয়ে গেলেন, এবং ছেড়া কম্বল পড়ে দশ বছর কঠোর নির্জন সাধনায় লিপ্ত হয়ে ইনসানুল কামেল হলেন, আল্লাহর পরিচয় লাভ করলেন। তিনি যার নিকট বায়েত হয়েছিলেন তিনি লেখা পড়া জানতেন না, অশিক্ষিত ছিলেন, কিন্তু আল্লাহর উচ্চ মাপের ওলী ছিলেন।
কোরানত বেশ ভালই পড়েছেন, পারলে দিনে কয়েকবার পড়েন মনে হয়, যাইহোক সেটা বিষয় না, মুসা নবী এবং খিজির (আঃ) এর ঘটনাটি বুঝার চেষ্টা করবেন কোন জ্ঞানীর নিকট গিয়ে, তকদির যদি ভালো থাকে তাহলে ভালো নয়ত ঐ গাধার মত নাকের সামনে ফুল ধরেও কি আর না ধরেও কি?
এইবার বলবেন হয়ত, পীর ফকির নিয়ে, সাথে মিলাবেন ডাল, খিচুড়ি...। যাইহোক, খাজা মাইনুদ্দিন চিশতী যা বলেছেন সেটা হলো তিনি করতে পারেন, এবং তাঁর জীবনী বা ইতিহাস থেকে দেখা যায় তিনি আসলেই পারতেন। ইহা তাঁর ক্ষমতা, যেমন বায়জিদ বোস্তামী বলেন আল্লাহর সৃষ্টি কুল আমার আজ্ঞাবহ। আবার মনসুর হাল্লাজ বলেছিলেনঃ আনাল হক। যদিও এসব হয়ত আপনারা মানেন না, কেননা প্রেমতো হয়েছে ভুতের সাথে, তো পাবেন আর কি? প্রেম যখন মোয়াবীয়ার উপর তখন জ্ঞানী ওলীদের কথা কানে যাবেনা।
আমি কি লিখেছি সেটা কি পড়েছিলেন নাকি এমনি এমনি ...। খাজা মাইনুদ্দিন চিশতী বলছেন আমি করলে এই হত, এবং তিনি আরও বলছেন আমি হইলাম ইমাম হোসাইনের গোলামের গোলাম। শুধু গোলাম নয় বরং গোলামের গোলাম। তো বুঝাতে চেয়েছি ভাই যে, খাজা মাইনুদ্দিন যদি এত বড় মাপের একজন হয়ে থাকে তাহলে ইমাম হোসাইন কে? তাহলে মালিক কি হবে?
এবার আসুন আপনার বাড়তি প্রশ্নের উত্তর দেই হালকাঃ ইমাম হোসাইন (আঃ) তিনি কিন্তু যুদ্ধ করতে চাননি, তিনি সেখানে যুদ্ধ করেছে বললে ভুল হবে, হ্যা কয়েকজন সঙ্গী সাথী শহীদ হয়েছিল, তবে তিনি সবাইকে বলেছিলেন তোমরা যুদ্ধ করনা...এই যুদ্ধের ঘটনা আমার শেষের পর্বে থাকবে তাই লিখছিনা, আপাতত শুধু বলছি, তিনি যুদ্ধ করেননি, যদি যুদ্ধ করতে চাইতেন তাহলে ...এই প্রসঙ্গে খাজা মাইনুদ্দিন চিশতী উক্ত কথা বলেছিলেন।
সেখানে তিনি মুলত যা দেখিয়েছিলেন, যে শিক্ষা দিয়ে গিয়েছেন সেটা দেখানোর জন্যই তিনি যুদ্ধ করেননি, (যদিও আরও কারন আছে) ।
৩৫০ কোরানে হাফিজ, মোফাচ্ছের ফতোয়া দিয়েছিল ইমাম হোসাইন রাষ্ট্রদ্রোহী, তাকে হত্যা করা জায়েজ, এই বলে তাকে হত্যা করা হয়েছিল। উক্ত ঘটনায় আরও দেখা যায় যখন ইমাম হোসাইন (আঃ) এর গলায় ছুরি রাখা হয় তখন তিনি ৭০ হাজার সৈন্যের দিকে তাকিয়ে বলেছিলেন তোমাদের মধ্যে কি এমন কেউ মুসলমান নেই যে আমাকে সাহায্য করবে? এই কথাটা মাথায় ঢুকান বিদ্যান। এইটাই সবথেকে বড় কথা ছিল। সেইখানে প্রতিটা সৈন্য প্রায় মুসলমান এমনকি ৫ ওয়াক্ত নামাজ পড়নে ওয়ালা মুসলমান, সাথে হাফেজি, মোফাচ্ছের ছিল, তারপরও ইমাম হোসাইন কেন বললেন তোমাদের মধ্যে এমন কেউ নেই যে মুসলমান???
আবার সীমার কে বলা হচ্ছিলঃ তুমি তাড়াতাড়ি ইমাম হোসাইনকে কতল কর যেন আছরের নামাজ কাজা না হয়ে যায়...।বাহ!!কি নামাজি রে বাবা...। যাদের উপর দুরুদ না পড়লে নামাজ হয়না, তাদের কতল করে নামাজিরা নামাজ পড়তে যায়...।ভালোই। এই হলো এখনকার নামাজ যা সবাই হুকুরহাকুর করে পড়ে। আগে জানেন এই পাক পাঞ্জাতন কি। আগে জানেন আলী কে? আগে জানেন আপনে কে? নিজেকে চিনেন। তারপর কোরান হাদিস, এইসব পাঠ্যপুস্তক নিয়ে মারা মারি গুতাগুতি করেন। রেফারেন্স দিয়ে দিবনে।
এই পাক পাঞ্জাতন তো বহু বহু কোটি কোটি দুরের কথা, নিজেকে চিনেন না আগে, দেখুন না আপনে কে?থাক এইসব নিয়ে কথা না বলি। ইতিহাস বলতে আসছি তাই বলি। যাইহোক ইমাম হোসাইন (আঃ) জানিয়ে গেলেন শহীদ হবার পুর্বে সমগ্র বিশ্ব বাসিকে, কাগজের কোরান পড়লেই, নামাজ, রোজা রাখলেই মুসলমান হওয়া যায়না। মুসলমান জিনিস আলাদা। মুখে আল্লাহ আল্লাহ করলে আল্লাহ মিলে না। আল্লাহ জাত এর দর্শন চাই, শুধু গুন নিয়ে লাফালাফি করলে আল্লাহ পাওয়া যাবেনা, যদিও সবার ধর্ম পালন হলো বেহেসত পাওয়ার আশায়, আল্লাহ পাবার জন্য নয়। তাই কিছুই মাথায় আসবেনা। যেমন সারাদিন মিষ্টি মিষ্টি বললেও কখনো জিহবা মিষ্টির স্বাদ পাবেনা, যতসময় না চিনি বস্তু জিহবায় লাগানো না হবে। চিনি বস্তু থাকলে তখন তার গুন মিষ্টি পাওয়া যাবে। নয়ত হাজার মিষ্টি মিষ্টি বললেও জিহবা মিষ্টি স্বাদ পাবেনা। আপনাদের হইল সেই দশা।
যাইহোক ভাই ইহা আপনার সাথে মিলবেনা, যদি মনে হয় ইতিহাস ঠিক আছে, তাহলে পড়বেন, না হইলে গালি দিয়া জান গা। এই ঘটনার বিষয় কোন প্রশ্ন থাকলে বলবেন, আমি অনেক কথাই এই মন্তব্যে করেছি, শুধু বোঝাবার জন্য, যাইহোক সেইটা নিয়ে প্রশ্ন কইরেন না, আসল কথা হারায় যায়।
ধন্যবাদ আপনাকে অনেক কথাই বলে ফেলেছি। কিছু মনে নিয়েন না।
আপনেও ভালো থাকবেন
১০|
০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:৫৯
নাজনীন১ বলেছেন: এই যে আপনি একজন সাহাবীকে গালি দিতে বললেন, এতেই বোঝা যায় কতটা ভ্রান্তির মধ্যে আছেন!! রাসূল(সাঃ) একজন সাধারণ মানুষকেও গালি দিতেন না, সে শিক্ষাটা আপনারা নিতে পারেননি। আর এই সাহাবীদের গালি দেয়া শুরু হয়েছিল ওসমান(রাঃ)র আমল থেকে, তখন থেকেই কুফা থেকে আগত কিছু মুনাফিক মুয়াবিয়া(রাঃ) সহ আরো কিছু সাহাবীকে গালি দিত, কুৎসা রটাতো, বিভিন্ন অভিযোগ তুলতো। সেটা উত্তরাধিকার সূত্রে দেখি আপনার মাঝেও আছে।
০৩ রা জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:১২
ঝড়১২৩ বলেছেন: নবী করিম (সাঃ) গালি দিতেন না কিন্তু বলেছিলেন মোয়াবীয়াকে যেখানে দেখবে সেখানি কতল করবে, সে কাফের। যাক সেই উত্তরাধিকারী হতে পেরে আমি নিজেকে ধন্য মনে করি। কেননা সত্যতার সাথেই আছি। যারা গালি দিত, তাদের ভিতরে সাহাবী বেশি ছিল, তাইলে এক সাহাবী আর সাহাবীকে ( বেঈমান ময়াবীয়াকে) গালি দিত, আপনেই মিলান কন সাহাবীর কাছে যাবেন? আমিত যারা গালি দিত তাদের সাথেই আছি।
আপনার দোষ না ভাই, তকদিরে যদি সমস্যা থাকে তাহলে কোরান হাদিস হাজার বাইটে খাওয়াইলেও লাভ নাই- যেমন ধরুন মুল সত্য হল ওমর বলেছিল নবী (সাঃ) প্রলাপ বকছে আর ওমরের সমইয়ের পরে এই কথা ওমর প্রেমিকদের দ্বারা প্রচার করা হল আসলে ওমর ওভাবে বলেনি, ওমর বলেছিল নবী ব্যাথা যন্ত্রনায় ভুগছে, একটু ভাবগত পরিবর্তন করে দেয়া হল। আর আপনারা সেটাই নিয়ে নিলেন।
আমি কোথাও যেন বলেছিলামঃ আবু বকর মা ফাতেমার বাগান জোড় করে নিয়ে গিয়েছিলেন। আলী (আঃ) কে রশি দিয়ে বেধে ধরে নিয়ে গিয়েছিলেন, সেখানে আপনে লিখেছেন আলী(আঃ) বলেছে তিনি ভালো মানুষ না কি যেন তাদের কথা বলতে যেয়ে আবু বকর এর নাম প্রথমে , তারপর ওমরের কথা, তারপর ওসমানের কথা বলেছিলেন, এবং নিজের সম্পর্কে বলেছেন তিনি সাধারন ... ভাই কি বিশ্বাস করবেন আপনার ব্যপার। এইখানেও বলতে হয় তকদির। এছাড়া বলেন আপনাকে কি বলা যায়? বলেন? হা।।হা।।হা।।
শুনেন আলী (আঃ) এর লেখা নাহজুল বালাগা পুস্তকে তিনি বলেছিলেন আমি নাতেক করান, আমি জলজ্যান্ত কোরান, আমি নুরের কোরান। তোমরা আমার কাছ থেকে যা জানার জেনে নাও যতদিন আমি বেচে আছি। বলবেন উহা পরিবর্তন হয়ে গেছে??? উহা নিয়ে শিয়াদের ভিতর মারামারি কাটাকাটি হতে পারে, কিন্তু তার সবথেকে কাছের কিছু ভক্ত, মুরিদের ভিতর অন্যতম ওয়ায়েস করনী (রাঃ) এবং তার তরীকা হতে বর্নিত কিতাবে তিনি বলেছিলেন মাওলা আলী হল নাতেক কোরান। এখন যা ওয়ায়েছি তরিকা নামে আছে। যদিও আপনে বুঝবেন না এই আবার কি কথা।।হা।।হা।।
আমার লেখা “ধর্ম ডাকাতি” এখানে অল্প কিছু আছে পোষ্ট দেয়া একটু পড়ে দেখবেন, কোরান কি। সামান্য কিছু দেয়া আছে। পড়বেন।
যাইহোক আপনে খুব বই পুস্তক ঘাটেন, ভালো। অনেক কথাই হয়ত একটু শক্ত হয়ে যেতে পারে, কিছু মনে করবেন না। ভালো থাকবেন।
১১|
০২ রা জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:১৮
সার্কিট বলেছেন: পুরান ছাগল ভাত পায় না নতুন ছাগল কাঠালপাতা চায়।
দূরে গিয়ে মর।
১২|
০৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:২৪
কানা বাবা বলেছেন:
পুস্টে পিলাচ্... তয় কমেন্টের রিপ্লাই দেওনের্সুম জোশ আরেট্টু কম থাক্লে ভালৈতো মুনয়... যুক্তি শক্ত না হৈলে ম্যালিগন্যান্ট অ্যাটিচ্যুড হেই ঘাটতি সফলভাবে দূর কোর্তারে না... বক্তব্যের ভিত্তি কনক্রিট হৈলে অ্যাটিচ্যুডে বিনাইন হৈলেও ক্ষেতি নাইক্কা...
স্যরি ফ' দিজ আনওয়ান্টেড রিক্যুয়েস্ট...
অফটপিক:
কাদরিয়া শরীফের ঠিকানাডা ইট্টু বিস্তারিত কৈয়েন্তো...
০৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৩৮
ঝড়১২৩ বলেছেন: কাদরীয়া দরবার শরীফ নবাবগঞ্জ জেলার, দোহার থানা, জয়পাড়ায় অবস্থিত। আর তেমন কিছু জানিনা। এইটুকুই।
০৫ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৪১
ঝড়১২৩ বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্যে।
আসলে উপরে লেখার সময় আশা রাখি কম রেফারেন্স দেই নাই, তারপরেও মন্তব্যেও যদি আরও রেফারেন্স দিতে হয় (যদিও অভাব নাই); দেখা যায় মূল ভাব/বক্তব্য/দর্শণ থেকে সরে ছিটকে পরে যেতে হচ্ছে এদিক ওদিক, হাজার ক্রোশ দূরে সরে যেতে হয়।
১৩|
০৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:৪৯
কানা বাবা বলেছেন:
থ্যাঙ্ক্যু, মাগার নবাবগঞ্জ আবার জিলা হৈলো কবের্থন!
ঐটাও তো এ্যাক্টা থানা-ই... দোহারের লাগোয়া থানা...
দুইডা থানাই ঢাকাতে...
০৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৩৪
ঝড়১২৩ বলেছেন: ধন্যবাদ
আপনে কোথায় থাকেন?কি করেন? জানালে ভালো লাগত।
১৪|
০৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:১৭
কানা বাবা বলেছেন:
থাকি ঢাকার বাইরে... ত্যামোন্ কিচু করিনাহ্... অকামের চুলা কৈতারেন আমারে...
১৫|
০৪ ঠা মে, ২০১০ দুপুর ১২:৫৩
রাজীব বলেছেন: অনেক দিন দেখিনা কেন?
মানুষ তার পূর্ব পুরুষদের বিশ্বাস সহজে ত্যাগ করতে পারে না। সেটি আমাদের নবীও (সাঃ) প্রমান করে গেছেন।
১৬|
০৯ ই জুলাই, ২০১০ বিকাল ৫:১৩
কানা বাবা বলেছেন:
হই মিঞা, কুতায় ডুব দিলেন?
১৭|
২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০১২ দুপুর ১২:২১
কসমিক রোহান বলেছেন: মামা তুমি ইসলাম কে গোড়া থেকে জানো। মাঝখান থেকে বা আগা থেকে ইসলামকে বুঝা যায়না। ইসলামের অনেক শত্রু আছে যারা ইসলাম কে বিকৃত করে। তারা বিভিন্ন লজিক দিয়ে মুসলমানদের ঈমান কে নষ্ট করতে চায়। নিজের বিবেক আর যুক্তি দিয়ে ইসলাম নয়। ইসলাম হল আল্লাহ তা'আলার মনোনীত পরিপূর্ণ জীবন বিধান।
আল্লাহ ত'আলা নিজেই আল-কুরআনের রক্ষক। কুরআন অবতীর্ণ হওয়ার সময় থেকে কিয়ামত পর্যন্ত আল-কুরআন অবিকৃত অবস্থাতেই থাকবে। প্রত্যেক মুসলিমকেই এই কুরআন পরিপূর্ণভাবে মেনে চলতে হবে, এটাই বিধান। মানুষের মনগড়া কল্পকাহিনী বা মনগড়া যুক্তি প্রয়োগ করলে চলবে না। প্রত্যেক প্রাণীরই মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে। তাই আগেই সাবধান হয়ে সত্যিকার ইসলাম কে জানুন, ইসলাম কে মেনে চলুন। ধন্যবাদ
©somewhere in net ltd.
১|
০১ লা জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:২০
দারাশিকো বলেছেন: সমস্যা এইখানে না, সমস্যা কারবালায়