![]() |
![]() |
নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
দূরত্ব বজায় রাখুন যদি আপনি আম্লীগ, বিম্পি, জামাত-শিবির, মারখোর ফাইক্কা, ভারত মাতার সন্তান, মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী, মুক্তচিন্তার বিরোধী, ইব্রাহিমস্টাইনের ছাত্র, তারেক মনোয়ারের গুণগ্রাহী , আল্লামা সাঈদীর ঘেটুপুত্র, হাসান মাহমুদ এর জানপ্রান, জংগি তালেবান সিম্পাথাইজার, অপবিজ্ঞান ও কুযুক্তি ধারনা চর্চা কারী, বিবর্তন বিশ্বাস না করে আকাশ থিউরির মজিদীয় বানী বিশ্বাস করেন, ৪ বিয়া লাভার ও সেক্স ডিপ্রাইভড কাঠাল্পাতা খোর ছাগল অথবা প্যারাডগিস্টাইল মজিদ এর ভক্ত হয়ে থাকেন। আর যদি মানুষ হয়ে থাকেন- আপনাকে স্বাগতম।
ছবিঃ বইগল্প ফেসবুক গ্রুপ
বাংগালির প্রধান ও অন্যতম একটা সমস্যা ছিল তারা বই পড়ে না। শুধু মাত্র স্কুল কলেজ এ বই পড়ে পরীক্ষা পাসের জন্য আর এটাই তাদের জীবনের যত বই পড়া। এই সমস্যা আজকের না, এটা দশকের পর দশক বা শতক ধরেই চলমান।
আমাদের লাইব্রেরীতে কখনো মানুষ যেত না, আমাদের পাঠ্য বইএর বাইরে কোন বই পড়া হারাম ছিল। আমার বাবার বইএর দোকান ছিল, সে হেতু দুনিয়ার অজস্র বই পড়া হয়েছিল কিন্তু আমার সহপাঠী দের কখনো পড়ার বই এর বাইরে কিছু পড়তে দেখিনি।
মনে আছে কি কারো জানিনা, আমাদের দেশে আব্দুল্লাহ আবু সায়েদ স্যার বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র দিয়ে শুরু করেছিলেন বাংগালিকে বই পড়ানোর আন্দোলন। তিনি শুরু করেছিলেন যায়গা মতই একদম স্কুল লেভেল থেকে যাতে করে ছোট থেকে বাচ্চা গুলা দেশ বিদেশের জ্ঞান আহরন করতে পারে। বাট অনেক সীমাবদ্ধতার কারনে সমাজের মোটামুটি এলিট লেভেলেই কেন যেন এটা আটকে থেকেছিল।
যে কারো বাসায় পড়ার বইএর বাইরে যদি কোন বই থাকত সেটা হত-
মোক্সুদুল মুমিন, ১২ চান্দের ফজিলত, পঞ্জিকা, দোয়ার বই আর যদি একটু অন্য রকম চিন্তা হত তাহলে মরিস বুকাইলির সেই বিখ্যত বই।
এর বাইরে আরো একটু উন্নত সমাজে গেলে- সমরেশ, বুদ্ধদেব, হুমায়ুন আহমেদ বা সূনীল।
আজাদ, ছফা, কার্ল মাক্স, লেনিন, এরিস্টোটল কিংবা তাস্লিমার বই সমাজের একদম হাতে গোনা দুই চার জনে।
আর বিদেশী লেখকের বই পড়া আরো হাতে গোনা। আমার মনে আছে আমি যখন ২০০০ সালে গালিভার আর লিলিপুট পড়ছিলাম, তখন আমি আমার আশে পাশের ১৪ গুস্টির মধ্যে কাউরে এটার নাম শুনতে দেখিনাই।
আমার ফার্স্ট হ্যান্ড এক্সপেরিয়েন্স আছে অন্তত ২০ বছরের বাংগালি কি বই কিনে । বইএর দোকানে রেগুলার বসি ১৯৯৫ থেকেই।
তবে ২০০০ এর পর থেকে বা ২০১০ এর পর থেকেই এই আন্দোলন মারাত্মক রকমে ভাটা পড়ে যায় এবং কেমন যেন থিতিয়ে যায়।
তাও যা টুকটাক বেঁচে ছিল সেটা সমাজের এলিট লোকেদের মধ্যেই। মধ্যবিত্ত আর নিম্ন মধ্যবিত্ত রা তো বাদ ই এই ইকুয়েশান থেকে।
তবে গত ১০ বছরে এই সিনারিও পালটে গেছে।
আমাদের এই যে জ্ঞানের অভাব আর বই পড়ার অভাব এই যায়গা টা একটা মারাত্মক শিফট এসেছে। এখন আপনি যে কারো বাসায় গেলে কিছু কমন বই দেখতে পাবেন। সেটা আগের মত নয়।
এখন আপনি পাবেন আরিফ আজাদ, রাফান আহমেদ, আসিফ আহনাফ থেকে শুরু করে বেশ কিছু সিলেক্টিভ লেখক রা এই যায়গায় রাজত্ব করছে এর সাথে কিছু নিব্বা নিব্বির কাছে গরিবের হুমায়ুন/জীবনানন্দ সাদত বা লুতুপুত লেখার সুন্দরী ওড়না ছাড়া ফেসবুকে ছবি দিয়ে হট খেতাব পাওয়া মেয়েব্রিটি কিংবা আধুনিক লুতুপুতু লেখক রা।
উপরে একটা লিস্ট দিয়েছি- একটা বই এর গ্রুপে সেরা লেখক বা প্রিয় লেখক দের তালিকা বা টোল করা হয়েছে।
তালিকা থেকেই বুঝা যায় বাংলাদেশের মানুষের চিন্তা এখন কোন দিকে বইছে।
আমি অনেক বছর ধরে লিখি মূলত আমাদের দেশের মানুষ দের পড়ালেখা আর জ্ঞান বিজ্ঞান ও বুদ্ধিমত্তার সমস্যা নিয়ে।
এই যে জ্ঞান বিজ্ঞান আর বুদ্ধিভিত্তিক পড়াশুনা বাদ দিয়ে অবৈজ্ঞানিক, ভুয়া তথ্যে ভরপুর বই দিয়ে সমাজের একটা বিশাল অংশের মানুষের বই এর তাক ভর্তি এটা থেকেই আপনি বুঝে নিতে পারেন সমাজ বা রাস্ট্র কোন দিকে ধাবিত হচ্ছে।
আমাদের দেশে গত ১ দশক ধরে চলছে এক রাজনৈতিক মাফিয়া শাসন আর এর ভেতর দিয়ে উলটা দিকে তৈরি হচ্ছে জ্ঞান হীন বোধ হীন এক্টা ভয়ংকর বুদ্ধিহীন জনগণের বিশাল সমাজ।
দেশ ও সমাজের এই পরিবর্তন ও পচে যাওয়া ঠেকানোর কোন উপায় নেই যদিনা অবস্থার কোন পরিবর্তন না হয় একদম টপ লেভেল থেকে।
এটার দায় কি শুধু জনগনের? অবশ্যই না। এটার সবচেয়ে বেশি দায় সরকারের, রাজনীতির। আজকে সমাজের প্রতিটি স্তরে রাজনৈতিকরনের ফল এটা। এখন আপনি কোন বুদ্ধিজীবির দেখা পাবেন না, কোন সাহিত্যীক এর দেখা পাবেন না, কোন মুক্ত চিন্তার মানুষের দেখা পাবেন না, পাবেন চাটার দল, পাবেন ভয় পেয়ে লুকিয়ে থাকা ভীতুর দল।
সমাজের এই যে পচন, এ থেকে মুক্তির কোন উপায় নেই। এই পচন ই আমাদের কে নিয়ে যাবে আফগানিস্তান , লিবিয়া কিংবা ইয়েমেনের পথে।
০২ রা জুলাই, ২০২১ দুপুর ১২:২৮
সাসুম বলেছেন: এর কারন- আরিফ আজাদ ছাগলে লিখেছেন ইভালুশান ভুল, মানুষ আকাশ থেকে ধুপ করে পড়েছে এবং জ্ঞান বিজ্ঞান বলে যা কিছু আছে আজকাল সব ভুয়া। এই বিশ্বাস কিন্তু তার একার কিংবা তার অল্প শিক্ষিত পাঠক দের না । এটা হাজার লক্ষ লোকের মাঝে ছড়ানো।
এরাই দেশের সংখ্যা গরিষ্ঠ, ফেসবুক বলেন, ব্লগ বলেন, সমাজ বলেন আর রাস্ট্র বলেন সব যায়গায়।
২| ০২ রা জুলাই, ২০২১ দুপুর ১২:২৯
নতুন বলেছেন: বই না পড়লে মানুষের ভাবনার উন্নতি হবে কিভাবে?
বর্তমানে পুলাপাইন ফেসবুক পড়ে। অন্য বই পড়েনা।
সামনে আরো আরো অধপতন আসছে আমাদের সমাজে।
বিজ্ঞান, দর্শন, বিশ্বসাহিত্য না পড়লে সামনে কপালে কস্ট আছে।
০২ রা জুলাই, ২০২১ দুপুর ১২:৩২
সাসুম বলেছেন: বই পড়লেই হবেনা। আপনাকে ঠিক বুঝে নিতে হবে কোন বই পড়তে হবে। আপনি আরিফ আজাদের আরজ আলী সমীপে পড়ে দর্শন বুঝবেন কিভাবে? আপনি ছাগল টার প্যারাডগিস্টাইল মজিদ পড়ে জ্ঞান বিজ্ঞান আর ইভালুশান বুঝবেন কিভাবে?
আপনাকে ঠিক করে বুঝতে হবে কি পড়তে হবে আর কিভাবে পড়তে হবে।
৩| ০২ রা জুলাই, ২০২১ দুপুর ১২:৫৭
সন্ধ্যা রাতের ঝিঁঝিঁ বলেছেন: আরিফ আজাদ এক নম্বরে, এটা দেখলেও মরে যেতে ইচ্ছে করে। মানুষের চয়েস কি ভয়ংকর
০২ রা জুলাই, ২০২১ দুপুর ১:০১
সাসুম বলেছেন: সব চেয়ে ভয়ংকর কথা হচ্ছে- আরিফ আজাদের টপার এর পাশে লিস্টে হুমায়ুন আজাদ ১ ভোট পেয়ে সবার তলায় অবস্থান করছিলেন।
এই থেকে দেশের মানুষের জ্ঞান আর বুদ্ধিমত্তার পরিমাপ করা যায় একদম সহজেই।
৪| ০২ রা জুলাই, ২০২১ দুপুর ১:০১
অপু তানভীর বলেছেন: এই দিন এক দিনে তৈরি হয় নি । সামনে আরও বাড়বে এই ছাগলের দলের সংখ্যা !
০২ রা জুলাই, ২০২১ দুপুর ১:০৮
সাসুম বলেছেন: এর জন্য পরোক্ষ ভাবে দায়ী মাফিয়া রাস্ট্রের রাজনীতি। দেশে বুদ্ধিভিত্তিক কোন আন্দোলন বা বুদ্ধিভিত্তিক কোন গনজাগরণ গড়ে উঠার সকল রাস্তা বন্ধ করার কারনে মানুষ এই ছাগলের পিছে ছুটছে।
প্রাচীন কালে কেন ধর্মের উদ্ভব হয়েছিল তার সবচেয়ে গ্রহনযোগ্য ব্যখ্যা হচ্ছে- মানুষ যখন ন্যাচারাল ক্যালামিটি কে তাদের অল্প জ্ঞান দিয়ে বুঝতে পারত না তখন তারা গোস্ট বা ধর্ম মালিক এর মিথ বা অদেখা খোদার গালগল্প চালু করে। অদেখা কাউকে বিলিভ করা শুরু করে। কারন তাদের জ্ঞান বিকশিত হবার উপায় ছিল না।
ঠিক সেইম কাজ টা এখনই চলছে। মাফিয়া রাস্ট্রের মাফিগিরীর কারনে এখন মানুষ কই যাবে কি করবে এসব বুঝতে পারছে না।এই তাদের জ্ঞান হীনতা বা বুদ্ধিহীনতার থেকে তারা মিথ বা গাল্গল্পের প্রতি ঝুকে যাচ্ছে।
যার কারনে আরিফ আজাদ ছাগল রা এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে সমাজে সিউডোসায়েন্স বা অপবিজ্ঞান প্রতিষ্ঠা করছে।
৫| ০২ রা জুলাই, ২০২১ দুপুর ২:৫৭
কাওসার চৌধুরী বলেছেন:
যাক, এতো বড় বড় লেখকের ভীড়ে কবিগুরু জায়গা পেয়েছেন এটাই অনেক।
০২ রা জুলাই, ২০২১ বিকাল ৩:১০
সাসুম বলেছেন: হুজুরে ফাঁক আরিফ আজাদ ৫৫৬ ভোট পেয়ে এখনো সবার চেয়ে যোজন যোজন এগিয়ে।
আমীন
৬| ০২ রা জুলাই, ২০২১ বিকাল ৩:০৯
সাসুম বলেছেন:
১ ভোট পেয়ে সবার শেষ থেকে ১ম হয়েছেন রকিব হাসান, সুমন্ত আসলাম, কাজী আনোয়ার হোসেন আর ইমদাদুল হক মিলন।
২ ভোট পেয়ে অরুন্দতী রায়, ফররুক আহমদ, ভিক্টর হুগো, মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় , হুমায়ুন আজাদ আর সুকুমার রায় শেষের দিক থেকে এগিয়ে আছেন।
৩ ভোট পেয়ে একটু পেছনে আছেন- জাফর ইকবাল স্যার আর অগাথা ক্রিস্টি
৫ ভোট পেয়ে একটু স্বস্তির বাতাস পেয়েছেন- শীর্ষেন্দু আর তারাশঙ্কর
৬ ভোট পেয়েছেন স্যার আর্থার কোনান ডয়েল আর জুল ভার্ন
আলহামদুলিল্লাহ্, এখনো জ্ঞান বিজ্ঞানের জনি সিন্স, বিজ্ঞানী হুজুর প্যারাডগিস্টাইল মজিদ ৫৫৬ ভোট নিয়ে সবার চেয়ে এগিয়ে।
৭| ০৩ রা জুলাই, ২০২১ রাত ১২:৩০
কামাল১৮ বলেছেন: ভোটগুলো দিল কারা তাদের সম্পর্কে জানার কোন ব্যবস্থা আছে কি? গড়ে বাঙ্গালী বলে মনে হয় পশ্চিম বাংলার বাঙ্গলীদের প্রতি একটু অবিচার করা হয়।তারা বই পড়ায় আমাদের থেকে এগিয়ে।৫২ ভাষা আন্দোলনের পর একঝাঁক মননশীল লেখক বের হয়ে এসেছিল,তার পর আর দেখা যায় নাই।
০৩ রা জুলাই, ২০২১ বিকাল ৪:৪২
সাসুম বলেছেন: তারা আমাদের আশে পাশের জনগন। তারা সাইদিকে চান্দে দেখা শিক্ষিত জনগন। তারা কালা কুত্তার গায়ে জ্বিন ভুত দেখা শিক্ষিত ব্লগার। তারা আকাশ থেকে ধুপ করে পড়া থিউরি তে বিলিব করা ফেসবুকার। তারা হুজুরে পাকের রুহানী সন্তানেরা
তারা বাংলাদেশের ইউনিভার্সিটি র ছাত্র। তারা সমাজের শিক্ষিত অংশের বড় ধরনের প্রতিনিধি।
তারা হল সেই জনগন, যাদের কারনে জ্ঞান বিজ্ঞান আর মেধায় বাংলাদেশ সবার নীচে থাকে
৮| ০৩ রা জুলাই, ২০২১ সকাল ১১:৩৩
ঢাবিয়ান বলেছেন: এই অবস্থার জন্য মুল দায়ী আমি মনে করি বাংলা একাডেমী। আর দ্বীতিয়ত দায়ী টাকা দিয়ে বই ছাপানো প্রকাশকের দল। হরগরে সবার কবি সাহিত্যিক বনে যাবার এই যুগে এমনটাইতো হবার কথা!! ফেসবুক আবিষ্কারের আগে কি আমরা এমন কারি কারি কবি সাহিত্যিকের দেখা পেয়েছি? আমাদের তারুন্যে কবিতা সাহিত্য রচনা আমরা বুঝতাম একটি বিশেষ প্রতিভা । এত জনপ্রিয় হুনায়ুন আহমেদ এর লেখাকে পর্যন্ত সেই সময়ে শিল্প সাহিত্যে জগতের ক্রিটিকরা সাহিত্য হিসেবে স্বীকৃতি দেননি। হুমায়ুন আহমেদের লেখাকে তারা চটুল লেখা বলে অভিহিত করতেন যেটা কেবল টিভি সিনেমার জন্য উপযুক্ত বলে মনে করা হত। আর এখনকার চরম বেহাল অবস্থা দেখেতো সেই বিজ্ঞ সমালোচকরাতো পুরাই চুপ মেরে গেছে। কেন তার নিশ্চুপ , তার কারন জানা নাই। এমন অরাজক অবস্থার সুযোগ নিয়ে বিপথগামী লেখকদের উত্থানতো হবেই।
০৩ রা জুলাই, ২০২১ বিকাল ৪:২২
সাসুম বলেছেন: না এটার জন্য বাংলা একাডেমি দায়ী না। আপনাকে সবাইকে কথা বলার সুযোগ দিতে হবে। সে ভুল হলেও। সে গাল্গল্প লিখলেও। সে কালা কুত্তার গায়ে জ্বিন ভুত দেখলেও তার কথা বলার অধিকার বা বই প্রকাশের অধিকার রহিত করার অধিকার নাই আমাদের।
তবে এই যায়গায় আসল দায়ী সরকার বা মাফিয়া রাস্ট্রের করাপ্টেড দখলদার রা।
তারা দেশ চালায় কিন্তু শিক্ষা ব্যবস্থায় আপডেট কিছুই রাখে নাই। ইভালুশান এর মত প্রমানিত থিউরি কে বাচ্চারা স্কুলে এলিমেন্টালি লেভেলে শিখার কথা। শিক্ষক রা এই ধরনের প্রমানিত জিনিষ শিখানোর কথা। অপবিজ্ঞান রোধ কল্পে সামাজিক আন্দোলন গড়ে উঠতে সরকারের সাহায্য করার কথা। তার পরিবর্রতে সরকার পাঠ্যক্রম থেকে হিন্দু লেখক দের লিখা বাদ দিছে!!! জংগিদের দাবি মত বই এর পাঠ্যক্রম ঠিক করছে!!!
এই দেশে তাহলে কিভাবে শিক্ষা পাবে মানুষ? এই ব্লগে এখনো শত শত নামকরা বল্গার বিলিভ করে কারো হাতের ইশারায় চাঁদ সূর্য দুই ভাগ হয়ে যায় কিংবা মানুষ আকাশ থেকে ধুপ করে করেছে কিংবা কালা কুত্তার গায়ে জ্বিন পাওয়া যায়!!!
এই প্যারামজিদ দের বাড় বাড়ার জন্য সরকার ও তার ভুল নীতি দায়ী।
৯| ০৪ ঠা জুলাই, ২০২১ বিকাল ৫:০৪
নুরুন নাহার লিলিয়ান বলেছেন: গভীর পীড়াদায়ক বাস্তবতা ।
০৫ ই জুলাই, ২০২১ বিকাল ৩:১৮
সাসুম বলেছেন: একটা জাতির উন্নতির জন্য তার লাইব্রেরি দেখতে হয় আর চেক করতে হয় জাতি কি বই পড়ে।
বাংলাদেশ কেন জ্ঞান বিজ্ঞানে সবার তলানিতে, কেন দুনিয়র সব চেয়ে বেশি করাপ্টেড দেশ এই দেশ, কেন বসবাসের অযোগ্য দেশ এই দেশ, কেন দুনিয়ায়র সব লিস্টে শেষের দিক থেকে এগিয়ে এসব দেখলেই আসলে বুঝা যায়।
একেত জ্ঞান বিজ্ঞানে আগাবে বা আর ফলো করবে ৪ পেয়ে মারখোর কে।
১০| ০৭ ই জুলাই, ২০২১ দুপুর ১:৩৩
জহিরুল সরকার বলেছেন: লেখালেখি তো সহজ নয়। তার উপর আবার যদি একেবারেই বই পড়া না হয়!
পরিবার থেকেও বই পড়তে উৎসাহিত করা হয় না। তবে এর পরিবর্তন অবশ্যই ঘটবে আশা করি।
১৩ ই জুলাই, ২০২১ সকাল ১১:৩৬
সাসুম বলেছেন: এই মুক্তি হবার না, আমরা এগিয়ে চলেছি আফগানিস্তান হবার দিকে।
১১| ১০ ই জুলাই, ২০২১ দুপুর ১:৩৮
আহমেদ জী এস বলেছেন: সাসুম,
বই আমাদের একটাই - ফেসবুক। সেই মাঠের ঘাস খেয়ে চড়ে বেড়ানো ছাগলেরাই নাদুস নুদুস হয়ে কোরবানীর হাটে ওঠে। এবং বিকোয় ও ভালো। হবেনা কেন ? যারা কেনে তারাও তো ফেসবুকে বড় হওয়া ছাগলই, একই ঘাস খাওয়া প্রানী। এদের বিদ্যা ও বুদ্ধির দৌঁড় ঐ পর্যন্ত্যই থাকবে ।
সামনে আরো খারাপ দিন আসছে । দেখবেন, বেহশতি জেওর , মোকসেদুল মুমেনিন বা ১২ চান্দের ফজিলত এক নম্বরে ওঠে এসেছে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়াদের ভোটে।
মাছের পঁচন মাথা থেকে শুরু হয়। আমাদের মাথা পঁচে গেছে অনেক আগেই। এখন বাতাসে তারই দূর্গন্ধ...........
১৩ ই জুলাই, ২০২১ সকাল ১১:৩৫
সাসুম বলেছেন: খেয়াল করলে দেখবেন, আমাদের ইউনিভার্সিটি পড়ুয়া দের এক নাম্বার বই কিন্তু এখন এম পি ৩।
এখান থেকে জ্ঞান বিজ্ঞান আর চিন্তা ভাবনার খোরাক খুজে নিতে পারেন।
আমাদের মাথা, মগজ সব পচে গেছে। জ্ঞান বিজ্ঞান আর যুক্তির পস্রা সাজিয়ে অন্যেরা চলেছে মংগলে বসতি গড়তে আর আমাদের প্যারাটক্সিকাল মজিদ রা আছে কালা কুত্তার গায়ে জিন ভুত পেত্নী দেখা নিয়ে।
১২| ০২ রা নভেম্বর, ২০২২ রাত ১০:০৪
খায়রুল আহসান বলেছেন: চমৎকার আলোচনা। + +
প্রফেসর আব্দুল্লাহ আবু সায়ীদ এর বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র এবং সেটার 'বই পড়া আন্দোলন' বৃথা যায় নাই। তখনকার অনেক অনেক তরুণ স্কুল/কলেজ/বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া ছাত্ররা সে আন্দোলনে সম্পৃক্ত হয়ে নিজেদেরকে সমৃদ্ধ করেছেন। তারা আজকের প্রাজ্ঞ প্রৌঢ়সমাজ। তবে আপনি ঠিকই বলেছেন, একটা নির্দিষ্ট দূরত্ব অতিক্রম করার পর আন্দোলনটা থিতিয়ে গেছে। ঠিক 'এলিট' না বলেও বলা যায়, এ আন্দোলন রাজধানীর শহুরে উচ্চ মধ্যবিত্ত, মধ্যবিত্ত, এমনকি নিম্নবিত্ত তরুণদের কাছেও পৌঁছেছে এবং তাদের মাঝেই সীমাবদ্ধ রয়েছে।
বই পড়া ছাড়া 'ইনফর্মড সোসাইটি' গড়ে ওঠে না আর সেটা গড়ে না উঠলে সমাজ সবাইকে নিয়ে পেছনে হাঁটতে থাকে।
১৩| ০২ রা নভেম্বর, ২০২২ রাত ১১:৫৯
নিরীক্ষক৩২৭ বলেছেন: সরকার যারা চালায় তাদের সীমিত মগজে এতকিছু আটে না।
যদিও ব্যক্তি উদ্যোগে বাঙ্গালরে লেভেলে আনা যাবে বলে মনে হয় না, তাও যদি কেউ চেষ্টা করে তাহলে কোথা থেকে শুরু করা উচিত বলে মনে করেন ? সমস্যা তো অনেকদিন ধরে পয়েন্ট আউট করতেছেন, আমার মনে হয় আপনি প্র্যাকটিক্যাল সলুশনও দিতে পারবেন।
আরেকটা প্রশ্ন মার্কেটিং গিমিক পাশ কাটায়ে ভালো বই খুঁজতে কোন ব্যাপারে লক্ষ্য রাখা উচিত ?
১৪| ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ সকাল ১১:২৭
মৌন পাঠক বলেছেন: ৬ নং মন্তব্যে যাদের নাম উল্লেখ করেছেন, পাঠক গোষ্ঠী তাদের কজনের নাম
বেসিক্যাল্লি, এইসকল লেখকই তাদের যোগ্য না।
হ্যাতেরা এদের উর্দ্ধে।
©somewhere in net ltd.
১|
০২ রা জুলাই, ২০২১ দুপুর ১২:২৫
আমি সাজিদ বলেছেন: আরিফ আজাদ নজরুল রবীন্দ্রনাথ থেকে এগিয়ে গেছে। ছাগল পেলেই তার পাছায় জালিবেত দিয়ে বেত্রাঘাত করা হোক।