নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমি বিদ্রোহী ভৃগু, ভগবান বুকে এঁকে দিই পদ-চিহ্ন, আমি স্রষ্টা-সূদন, শোক-তাপ হানা খেয়ালী বিধির বক্ষ করিব ভিন্ন

সাসুম

দূরত্ব বজায় রাখুন যদি আপনি আম্লীগ, বিম্পি, জামাত-শিবির, মারখোর ফাইক্কা, ভারত মাতার সন্তান, মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী, মুক্তচিন্তার বিরোধী, ইব্রাহিমস্টাইনের ছাত্র, তারেক মনোয়ারের গুণগ্রাহী , আল্লামা সাঈদীর ঘেটুপুত্র, হাসান মাহমুদ এর জানপ্রান, জংগি তালেবান সিম্পাথাইজার, অপবিজ্ঞান ও কুযুক্তি ধারনা চর্চা কারী, বিবর্তন বিশ্বাস না করে আকাশ থিউরির মজিদীয় বানী বিশ্বাস করেন, ৪ বিয়া লাভার ও সেক্স ডিপ্রাইভড কাঠাল্পাতা খোর ছাগল অথবা প্যারাডগিস্টাইল মজিদ এর ভক্ত হয়ে থাকেন। আর যদি মানুষ হয়ে থাকেন- আপনাকে স্বাগতম।

সাসুম › বিস্তারিত পোস্টঃ

আব্দুল্লাহ আবু সায়ীদ এর প্রতি ঘৃণা ও বাংগালি জাতির কৃতজ্ঞতা

২৬ শে জুলাই, ২০২১ সকাল ৯:০৯



ছবিঃ রাজিব


আব্দুল্লাহ আবু সায়ীদ একজন বাংগালি, একজন বাংলাদেশী এবং একজন আলোর মানুষ।

জন্মগ্রহন করেন- ২৫ জুলাই ১৯৩৯, পার্ক সার্কাস, কলকাতায়।

১৯৫৫ সালে তিনি পাবনা জিলা স্কুল থেকে মাধ্যমিক, ১৯৫৭ সালে বাগেরহাটের প্রফুল্লচন্দ্র কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক সম্পন্ন করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে ভর্তি হন।
১৯৬০ সালে একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ও ১৯৬১ সালে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।

উনার পরিচয়? বাংলাদেশের একজন শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক ও সমাজসংস্কারক। এছাড়াও কবি , উপস্থাপন ও লেখক হিসেবে বেশ সুনাম আছে। ৭০ এর দশকে বাংলাদেশের বেশ আলোচিত ও গ্রহনযোগ্য টিভি উপস্থাপক হিসেবে সুনাম কুড়ান।

তবে সব ছাড়িয়ে উনার একটা যোগ্যতা উনাকে সবার চেয়ে আলাদা করে তুলেছে- এডুকেটর বা শিক্ষাবিদ।

তার অবদান বা তার প্রাপ্তি নিয়ে লিখতে হলে মহাকাব্য হয়ে যায়-

২০০৪ সালে তিনি রামোন ম্যাগসেসে পুরস্কার লাভ করেন।

বাংলাদেশে অ-প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা বিস্তারে অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাঁকে ২০০৫ সালে দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা একুশে পদকে ভূষিত করে।

প্রবন্ধে অবদানের জন্য তিনি ২০১২ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কার লাভ করেন ।

২০১৭ সালে বাংলাদেশ লাং ফাউন্ডেশন থেকে পালমোকন-১৭ সম্মাননা পান।

৬০ এর দশকে বাংলাদেশে সাহিত্য আন্দোলনের নতুন ধারার তিনিই অগ্রগামী ছিলেন। সাহিত্য পত্রিকা কণ্ঠস্বর সম্পাদনার মাধ্যমে সেকালের নবীন সাহিত্যযাত্রাকে তিনি নেতৃত্ব ও দিকনির্দেশনা দিয়ে সংহত ও বেগবান করে রেখেছিলেন এক দশক ধরে।

তবে সব ছাড়িয়ে দেশের জনগনের জন্য যে কাজটা করে অমর হয়ে রয়েছেন তা হল- বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র। ১৯৭৮ সালে প্রতিষ্ঠা করেন। এ প্রসঙ্গে বলেন-
দেশের এই সার্বিক অবক্ষয় এবং সম্ভাবনাহীনতার ভেতর সীমিত সংখ্যায় হলেও যাতে শিক্ষিত ও উচ্চমূল্যবোধসম্পন্ন আত্মোৎসর্গিত এবং পরিপূর্ণ মানুষ বিকশিত হওয়ার পরিবেশ উপহার দেয়া যায়, সেই উদ্দেশ্য নিয়েই আমরা বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র গড়ে তুলতে চেষ্টা করছি। একজন মানুষ যাতে জ্ঞানের বিভিন্ন শাখার অধ্যয়ন, মূল্যবোধের চর্চা এবং মানবসভ্যতার যা-কিছু শ্রেয় ও মহান তার ভেতর দিয়ে পরিপূর্ণ মনুষ্যত্বসম্পন্ন হয়ে বেড়ে উঠতে পারে- আমরা এখানে সেই পরিবেশ সৃষ্টি করতে চাই। কাজেই আমাদের এই প্রতিষ্ঠানটি একটি প্রাণহীন, কৃত্রিম, গতানুগতিক প্রতিষ্ঠান নয়; এটি একটি সর্বাঙ্গীণ জীবন-পরিবেশ।

দেশে পাঠাগারের অপ্রতুলতা ও লাইব্রেরির বাজে অবস্থা অনুধাবন করে চালু করেন- ভ্রাম্যমান লাইব্রেরি ১৯৯৮ সালে। যা বাংলাদেশের সাহিত্য বা শিক্ষায় একটা যুগান্তকারী অবদান বলে ধরা হয়।

আমার মনে আছে- ক্লাস ৬/৭ এ থাকতে, ২০০০ এর দিকের কথা। সপ্তাহে রবিবার বিকালের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করতাম কারন কবে গাড়ি আসবে আর ৩ ঘন্টা বই পড়তে পারব প্লাস আবার বই বাড়িতে আনতে পারব। আমার মত শত শত ছেলে মেয়ে অপেক্ষা করত সেই সময়ে।

কিন্তু দেশের একটা বিরাট আপামর জনগনের কাছে আব্দুল্লাহ সায়ীদ সাহেব একজন শত্রু এবং উনার বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র একটা পাপকেন্দ্র।

কেন? কারন উনি জাতিকে, জাতির নতুন মাথা গুলোকে, বাচ্চা গুলোকে পড়তে শিখিয়েছেন। দুনিয়ার আনাছে কানাছে থেকে বের করে এনেছেন বিশ্বসাহিত্য এর ভান্ডার গুলো এবং সেগুলোকে অনুবাদ করে ছড়িয়ে দিয়েছেন আমাদের শিশু কিশোর দের মাঝে।

তবে, সবচেয়ে বড় যে কাজটা করেছেন- তা হল বই পড়া আন্দোলন। বই পড়া একটা হেলদি অভ্যাস এবং এই কাজ আমাদের ব্রেন এর ডেভেলপমেন্ট এ সাহায্য করে, এটা বাচ্চাদের মাথায় ঢুকিয়ে দিয়েছিলেন বেশ ভাল করে।

এই মানুষ কে বই পড়ানো মোদ্দা কথা স্কুলের ছোট্ট গন্ডির বাইরের বইএর আর জ্ঞানের যে বিশাল জগত আছে এটার সাথে পরিচয় করানোর কারনে উনার উপর একটা মহল বিশাল রকমের ক্ষেপা।

কারা সেই ক্ষেপা জনগন?
এরা হল- মুক্ত চিন্তার বিরোধী , ইব্রাহিমস্টাইন এর ভক্ত , মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী, তারেক মনোয়ারের গুণগ্রাহী, আল্লামা চন্দ্রপুরীর মুরিদ, মাদ্রাসার হুজুর , আরিফ আজাদ গং এবং সকাল বিকাল স্লোগান দেয়া আমরা সবাই তালেবান বাংলা হবে আফগান এর স্বপ্নদ্রষ্টা।

এদের কিছু কমন প্যাটার্নঃ

এরা নারী শিক্ষার বিরোধী, এরা মেয়ে মানে বোঝা মনে করে, এদের কাছে নারী মানে সেক্স স্লেভ আর দাসী। এরা রবীন্দ্রনাথ কে ঘৃণা করে, আবার নজ্রুলের মত চরম নাস্তিক কেও তাদের ধর্ম কবি হিসেবে মানে। এরা মুক্তিযুদ্ধকে ঘৃণা করে, শেখ মুজিব কে ঘৃনা করে। এদিকে আবার শেখ সাবের সহযোগী দের ভালোবাসে। এরা বেগম রোকেয়া কে ঘৃনা করে। এরা নারী জাগরন কে ঘৃণা করে। এদের কাছে আল্লামা চন্দ্রপুরী চাদের বুড়ির সাথে সহবতে সমস্যা থাকেনা তবে চাদে মানুষ যেতে পারে এতে তাদের চরম সন্দেহ। এরা জাফর ইকবাল কে চরম ঘৃনা করে। এরা বিগ ব্যাং আর বিবর্তন কে মিথ্যা বলে জানে ও মানে। এদের কাছে ধর্মের ও জ্ঞানের শেষ কথা আরিফ আজাদ। এরা জীবনানন্দ, শরৎচন্দ্র , সুকান্ত কে ঘৃনা করে কিন্তু আল মাহমুদ ও ফররুখ আহমদ কে সেরা কবি মানে।

এরা আরজ আলীকে ঘৃণা করে, এরা জ্ঞান বিজ্ঞান কে ঘৃণা করে। এরা নাস্তেক নাসারা দের ফেসবুক ইন্টারনেট চালিয়ে সেখানেই তাদের মুন্ডুপাত করে।

এদের সবচেয়ে বড় মিল- এরা পড়াশুনা বা শিক্ষিত হওয়া কে ঘৃণা করে, কারন মানুষের জ্ঞান চক্ষু খুলে গেলেই মানুষ বুঝে ফেলবে এতদিন যে ধর্মের জুজু দেখিয়ে তাদের কে দমিয়ে রাখা হয়েছিল সব মিথ বা অলৌকিক গালগল্প।
এদের কাছে- ইবনে সিনা বড় আকারের বিজ্ঞানী কিন্তু তাকে কে নাস্তিক ঘোষনা দিয়ে দেশ ছাড়া করেছিল ধার্মিক রা তা চেপে যায়।

এরা নাস্তে নাসারা দের বিরোধীতা করায় কিংবা একটা মিসাইল এর সফল উতক্ষেপন দেখে ইরানের অর্গাজমে সুখ পায় আবার তাদের বাসার পাশে বসবাস কারী শিয়া, কাদিয়ানী পরিবার টাকে সমাজ ছাড়া করতে সবার আগে উঠে পড়ে লাগে।

এরা হল- সমাজের সেই আবর্জনা যাদের কে যতই ডাস্টবিনে ফেলে আসেন না কেন, কিছু কুত্তা সেই আবর্জনা মুখে করে আবার নিয়ে এসে আপনার বাসার সামনে রেখে যাবে যেখান থেকে যুগের পর যুগ দুর্গন্ধ ছড়াবেই।


এরাই বাংলাদেশ, এরাই বাংগালি। এরাই ধার্মিক, এরাই একমাত্র সহীহ জান্নাতি।

এবং সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে- এই শুয়োর গুলো বিশাল সংখ্যায়। ভালো মানুষ দের তুলনায় তাদের ঘোত ঘোত এর পরিমান অনেক অনেক বেশি। কারন- তারা জানে, মানুষ কে আলোর পথ দেখানো মানেই মানুষ তাদের শুয়োর এর খামার থেকে বেরিয়ে মুক্তির পথ খুজে নিবে।

তাই আলোর পথ দেখানো মানুষ দের দমাতেই হবে। যে করেই হোক।

এত বড় লিখার কারনঃ আজকে ব্লগে ১ম পাতায় সায়ীদ সাহেব কে জাহান্নামে পাঠিয়ে দেয়া একটা লিখা।



মন্তব্য ৬৭ টি রেটিং +৮/-০

মন্তব্য (৬৭) মন্তব্য লিখুন

১| ২৬ শে জুলাই, ২০২১ সকাল ৯:১৭

বিজন রয় বলেছেন: সাসুম, শয়তান হুক্কি হুয়া দেয় কারা তাদের বকেটি লিস্ট দিবেন?

২৬ শে জুলাই, ২০২১ সকাল ৯:২২

সাসুম বলেছেন: দেশের কোটি কোটি মানুষের লিস্ট দিতে হবে। এর চেয়ে তাদের কিছু কমন প্যাটার্ন আছে- নীচে দিলাম। এরকম যাদের কেই দেখবেন তারাই হুক্কা হুয়া লিস্টের।

এরা নারী শিক্ষার বিরোধী, এরা মেয়ে মানে বোঝা মনে করে, এদের কাছে নারী মানে সেক্স স্লেভ আর দাসী। এরা রবীন্দ্রনাথ কে ঘৃণা করে, আবার নজ্রুলের মত চরম নাস্তিক কে তাদের ধর্ম কবি হিসেবে মানে। এরা মুক্তিযুদ্ধকে ঘৃণা করে, শেখ মুজিব কে ঘৃনা করে। এদিকে আবার শেখ সাবের সহযোগী দের ভালোবাসে। এরা বেগম রোকেয়া কে ঘৃনা করে। এরা নারী জাগরন কে ঘৃণা করে। এদের কাছে আল্লামা চন্দ্রপুরী চাদের বুড়ির সাথে সহবতে সমস্যা থাকেনা তবে চাদে মানুষ যেতে পারে এতে তাদের চরম সন্দেহ। এরা জাফর ইকবাল কে চরম ঘৃনা করে। এরা বিগ ব্যাং আর বিবর্তন কে মিথ্যা বলে জানে ও মানে। এদের কাছে ডারুইন একটা মিথ্যুক। এদের কাছে ধর্মের ও জ্ঞানের শেষ কথা আরিফ আজাদ।

এরা আরজ আলীকে ঘৃণা করে, এরা জ্ঞান বিজ্ঞান কে ঘৃণা করে। এরা নাস্তেক নাসারা দের ফেসবুক ইন্টারনেট চালিয়ে সেখানেই তাদের মুন্ডুপাত করে। এদের কাছে নিউটন, হকিং, হারারি, আইন্সটাইন ভুয়া, তাদের ভুল খুজে বের করা এদের দিন রাত কাজ।

২| ২৬ শে জুলাই, ২০২১ সকাল ৯:২৭

বিজন রয় বলেছেন: সাবাস!! যথাযথ উত্তর। আরো যোগ করতে পারি, কিন্তু সময়ের অভাবে হলো না।

আপনার এখানে আসলে ব্লগার উদাসীর কথা মনে পড়ে।

শুভকামনা।

২৬ শে জুলাই, ২০২১ সকাল ৯:৫৪

সাসুম বলেছেন: হুট করে আসি, সময় পেলে ২ / ৪ কথা লিখার জন্য । ভাল লাগেনা। চারদিকে শুয়োরে ভর্তি। আবার চলে যাই। আবার আসি। আবার চলে যাই।

এই সাইকেল চলতেই থাকে

৩| ২৬ শে জুলাই, ২০২১ সকাল ৯:৪৮

কলাবাগান১ বলেছেন: আমেরিকাতে প্রায় দেখি কিছু বাংগালী এক হলেও মসজিদ বানানোর তোড়জোড় আরম্ভ করে কিন্তু কখনই দেখি না একটা বাংলা লাইব্রেরী বানানোর চেস্টা করতে....তালেবান দের হাতে একটা শহর পতন হলেই চাপা উল্লাস....

২৬ শে জুলাই, ২০২১ সকাল ৯:৫২

সাসুম বলেছেন: বাংলা লাইব্রেরি ও বানাবে অপেক্ষা করেন। সেখানে আরিফ আজাদ, আসিফ আদনান, রাফান ছাগল, জোকার নায়েক দের বাংলা বই দিয়ে থরে থরে সাজানো থাকবে।

তালেবান দের হাতে এক এক্টা শহর পতন হতেই এদের যে উল্লাস তা থেকে বাংলাদেশ এর আসল পরিচয় পাওয়া যায়।

বিঃদ্রঃ ২০২০ সালের এক রিসার্সে সবচেয়ে ধার্মিক রাস্ট্র টির নাম বাংলাদেশ।

২০২০ সালের আরেক রিসার্সেঃ জ্ঞান বিজ্ঞান যুক্তি শিক্ষা মেডিকেল মৌলিক অধিকার তথা দুনিয়ার সকল কিছুর শেষের দিকে থেকে এগিয়ে থাকা দেশের নাম ও বাংলাদেশ।

ও আরো আছে, চোর ডাকাত আর করাপ্সান এর তালিকায় আমরা এখন ৮ নাম্বার।

সোবাহানল্লাহ

৪| ২৬ শে জুলাই, ২০২১ সকাল ১০:২৭

স্বামী বিশুদ্ধানন্দ বলেছেন: এমনিতেই বাংলাদেশের সামন্ততান্ত্রিক সমাজ কখনোই চায় না আম-আদমি শিক্ষিত হোক। সেক্ষেত্রে আবু সাইয়িদ স্যার যে মানুষকে সচেতন বা আলোকিত করার মিশন নিয়েছেন তা এই সামন্তবাদী চক্রের জন্য মহা সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই এই বিষয়ে এরা সকল উপদল ভুলে এককাট্টা।

২৬ শে জুলাই, ২০২১ সকাল ১০:৫২

সাসুম বলেছেন: সব চেয়ে বড় কস্টের কারন- এরা পিতামাতা এবং এদের সন্তান দের এগুলাই শিক্ষা দিচ্ছে তারা। এবং এদের মতাদর্শীরাই শিক্ষক! এরাই শিখাচ্ছে স্কুল কলেজে

৫| ২৬ শে জুলাই, ২০২১ সকাল ১০:৩১

শেরজা তপন বলেছেন: উঁনি আমার শিক্ষক ছিলেন। ঢাকা কলেজে উঁনার ক্লাশ করেছি- অসাধারন সেই অনুভুতি।

২৬ শে জুলাই, ২০২১ সকাল ১০:৫৪

সাসুম বলেছেন: উনার বাচ্চাদের কে শিক্ষিত করার বা বই পড়ানোর আন্দোলনে খারাপ জিনিষ খুজে পাওয়া একমাত্র শুয়োরের দলের পক্ষেই খুজে পাওয়া সম্ভব বলে মনে করি।

৬| ২৬ শে জুলাই, ২০২১ সকাল ১০:৪০

কামাল১৮ বলেছেন: সুন্দর লিখেছেন,কোনকিছুই বাদ রাখেন নাই।পুরো লেখার সাথে সহমত।

২৬ শে জুলাই, ২০২১ সকাল ১০:৫৪

সাসুম বলেছেন: আমি ধোয়া শুরু করলে সবাইকে গনহারে ধুই। কেউ বাদ যায়না।

সমস্যা হচ্ছেঃ শুয়োর এর পরিমান অনেক অনেক বেশি

৭| ২৬ শে জুলাই, ২০২১ সকাল ১১:০৩

কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: যে কাজ করা রাষ্টের দায়িত্ব ছিলো, সেই কাজ তিনি একাই করেছেন!

২৬ শে জুলাই, ২০২১ সকাল ১১:৩৯

সাসুম বলেছেন: উনি উনার কাজ করেছেন মানুষকে বই পড়া শিখানোর মাধ্যমে, বাংগালি বাংগালির কাজ করেছে উনাকে গালাগালি করার মাধ্যমে।

৮| ২৬ শে জুলাই, ২০২১ সকাল ১১:৪৮

দেশ প্রেমিক বাঙালী বলেছেন: ইশ্ লোকটাকে দেখলেই মনের ভিতরটা ভালোবাসায় কেমন যেন হয়ে উঠে। ওনার শতবছর আয়ু কামনা করছি।






যারা দেশটাকে সামনে না টেনে পিছনে টানে তারাই ওনাকে শত্রুভাবে।

২৬ শে জুলাই, ২০২১ সকাল ১১:৫৩

সাসুম বলেছেন: আমার ছোট্ট মাথায় একটা জিনিষ কিছুতেই ঢুকেনা, দেশের বাচ্চাগুলোকে বই পড়তে শিখানো লোক টাকে কেন শত্রু জ্ঞান করতে হবে মানুষের?? পড়তে শিখানো, আর জানতে শিখানো এত বড় অপরাধ এটা জানলে মনে হয় না কখনো এই কাজে আসতেন।

তবে, যারা উনার কাছ থেকে এই শিক্ষা নিয়ে নিজেদের কে আলোকিত করার চেস্টায় আছে- তারা একটা জিনিষ বুঝে গেছে, পড়তে জানা বা বুঝতে পারার সাথে সাথে তারা নিজেদের কে ধর্মান্ধ দের শত্রুতে পরিণত করেছে।

কারন ধর্ম ব্যবসায়ী রা বুঝে গেছে- মানুষ পড়তে শুরু করলেই জ্ঞান নেয়া শুরু করলেই তাদের গালগল্প এর মার্কেট পড়া শুরু হয়ে যাবে। এই কারনে- দল বেধে সবাই লেগে গেছে উনার পিছে

৯| ২৬ শে জুলাই, ২০২১ সকাল ১১:৪৯

সোনালি কাবিন বলেছেন: +++++

২৬ শে জুলাই, ২০২১ সকাল ১১:৫৭

সাসুম বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই

১০| ২৬ শে জুলাই, ২০২১ দুপুর ১২:০৯

চাঁদগাজী বলেছেন:



উনাকে নিয়ে লেখা খারাপ পোষ্টটি এখনো আছে?

২৬ শে জুলাই, ২০২১ দুপুর ১২:২০

সাসুম বলেছেন: সায়ীদ সাহেবের পাপ

১১| ২৬ শে জুলাই, ২০২১ দুপুর ১২:২৭

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:

"কিছু চিহ্নিত আলবদর মামুলুল, তালেবান সমর্থক সৈয়দ শামসুল হক, শাহরিয়ার কবির, মুহম্মদ জাফর ইকবাল দের দুচোখে দেখতে পারে না। এদের অপছন্দের কারনটা স্পষ্ট। কিন্তু মুল কারনটা কখনো উচ্চারন করে না",

এই শিরনামে একটা কমেন্ট করেছিলাম আপনার পোষ্টে এক সপ্তাহ আগে। কিন্তু ব্লগার ঢাবিয়ান এই কারনে আমার ব্যান চেয়েছে।

আমি বুঝি না আমার মতামত আল-বদর তালেবানদের বিরুদ্ধে গেলে ঢাবিয়ানদের গায়ে লাগে কেন?
এত মারাত্নক ভাবে গায়ে লাগে যে আমকে নিষিদ্ধ করতে চাওয়ার মত ক্ষিপ্ত হতে হয়?
উনি যখন মঙ্গল শোভযাত্রার বিরুদ্ধে পোষ্ট দেন, দেশের খেয়ে পাকিস্তানি ইমরান খান বন্দনা করে সচিত্র পোষ্ট দেন তখন তো তাকে কিছু বলা হয় না।

বাই দা ওয়ে সৈয়দ শামসুল হক, মুহম্মদ জাফর ইকবালের বিরুদ্ধে যারা ঘৃনা ছড়ায়, চাপাতি দিয়ে কোপ দেয়,
এরাই একই কারনে আব্দুল্লাহ আবু সায়ীদএর বিরুদ্ধে ঘৃনা ছড়ায়। চাপাতি হাতে অপেক্ষায় থাকে।

২৬ শে জুলাই, ২০২১ দুপুর ১২:৩৯

সাসুম বলেছেন: ইয়ে মানে, আরেকটা কথা- আওয়ামী লোকজন ও সায়ীদ সাব রে দেখতে পারেন না, উনি চাটেন না তাই। এই যায়গাতে সব শিয়াল একই ভাবে গান গায়। হোক আম্লীগ বিম্পি বা জামাত


আর আল বদর রাজাকার দের বিরুদ্ধে কোন স্টেটমেন্ট গেলে সেটা কিছু মানুষের পিছে আগুন লাগাবেই, এটা নতুন কিছুনা। এটা সেই ৭১ থেকেই চলে আসছে।

আর মংগল শোভাযাত্রার বিরোধীতা কিংবা পাকি ইম্রানের প্রশংসা করে পোস্ট দিলে সেটাকে নিয়ে ক্যাচাল করার কিছু নাই কারন সেটা যার যার তার চিন্তা। বাট সেই চিন্তা যদি জোর করে বাকি সবার ঘাড়ে চাপায় দিতে চায়- তাইলে সমস্যা। তখন, না চাইলেও সেটা নিয়ে কথা বলতেই হবে।

আর চাপাতি হাতে অপেক্ষা করে আরিফ আজাদ রা খালি সুযোগের অপেক্ষায়। একটু এদিক ওদিক হলেই ঘাড় নামিয়ে ফেলবে ।

১২| ২৬ শে জুলাই, ২০২১ দুপুর ১২:২৯

চাঁদগাজী বলেছেন:




পোষ্টটা দেখেছিলাম, পড়িনি; ঐ ব্লগার সম্পর্কে আমার ধারণা ছিলো, গার্বেজ লেখে; তাই পড়া হয়নি।

সামুতে এদের দল ভারী হয়ে গেছে।

২৬ শে জুলাই, ২০২১ দুপুর ১২:৩৫

সাসুম বলেছেন: সামুতে এদের দল ভারী হয়ে গেছে- এই কথা বলে আমি কি পরিমান ব্যাকল্যাশ এর স্বীকার হয়েছি- আপনি কল্পনাও করতে পারবেন না।

ফেসবুকে রীতিমত আমাকে বাংলাওয়াশ করা হয়েছে কেন এই কথা বলেছি।

গার্বেজ এর স্থান ডাস্টবিনে, এটা যখন সভ্য জগতে চলে আসে তখন আপনি না চাইলেও মাথা ঘামাতে হয়।

১৩| ২৬ শে জুলাই, ২০২১ দুপুর ১২:৪৩

চাঁদগাজী বলেছেন:



ঐ লেখকের এক সাথী আপনার পোষ্টে, আপনার লেখার পক্ষে মন্তব্য করেছে।

২৬ শে জুলাই, ২০২১ দুপুর ১২:৪৭

সাসুম বলেছেন: হাহাহাহহাহ। আপনি মিয়া একটা জিনিষ। বাদ দেন। এখন যেহেতু সে অন্যায়ের প্রতিবাদ করেছে বরং তার সাথির গু মার্কা কাজে ভালোবাসা দেখাতে যায় নাই- তারে সাধুবাদ জানানো ফরজ। যখন অন্যায় কাজ সাপোর্ট করবে তখন সেটার জন্যও অপবাদ ফরজ।

১৪| ২৬ শে জুলাই, ২০২১ দুপুর ১২:৪৬

মাসউদুর রহমান রাজন বলেছেন: যেই লোক আবদল্লাহ আবু সায়ীদ স্যার কে জাহান্নামে পাঠাইছে, তার লেখা পড়ে পরিস্কার বুঝা যাচ্ছে যে, সে বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র বা স্যারের কর্মযজ্ঞ সম্পর্কে কিছুই জানে না। বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র যেমন রাশান সাহিত্যের অনুবাদ প্রকাশ করেছে তেমনি উর্দু কবি আল্লামা ইকবালের বইও প্রকাশ করেছে। এথেকে স্যারের সাহিত্যিক উদারতার ও গভীরতার পরিচয় পাওয়া যায়। বাংলাদেশে স্যারের মতোন এমন উচ্চমার্গের সাহিত্যিক ঔদার্যের মানুষ নাই। আর একজন সংগঠক হিসেবে তো তিনি অনন্য সাধারণ।

২৬ শে জুলাই, ২০২১ দুপুর ১২:৫১

সাসুম বলেছেন: আসল জিনিষ টা হল- মানুষের জ্ঞান চক্ষু খুলে দেয়ার বিরোধীতা করা। মানুষ বই পড়লে জ্ঞান অর্জন করবে , আর যে যত পড়বে সে ততই সমাজের এক্সিস্টিং অসারতা নিয়ে কথা বলবে বা ধর্ম প্রণেতা বা শাসক দের বিরুদ্ধে দাঁড়াবে- এটাই তাদের আসল ভয়।

এই যে মানুষ্কে জ্ঞানের আলোর আলোকিত করার চেস্টা এটাই তাদের আসল সমস্যা রাশান সাহিত্য কিংবা আল্লামা ইকবাল উসিলা মাত্র।

উনার সাথে তুলনা করতে গেলে উনি নিজে ছাড়া আর কাউকে পাওয়া যাবেনা। সংঘটক হিসেবে উনি জাস্ট দেশ সেরা। একক প্রচেষ্টায় আজকে ছোট একটা চারাগাছ কে মহীরুহে পরিণত করেছেন।

হি ইজ দা রিয়েল লিভিং লিজেন্ড।

১৫| ২৬ শে জুলাই, ২০২১ দুপুর ১২:৫৪

সাজিদ! বলেছেন: বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের একমাত্র বই হবে মরাখোর ছাগলের প্যারাডক্সিকাল পাজিদ। এই দাবী না মানা পরযন্ত সায়ীদ স্যার নাস্তিক ও জাহান্নামে যাবেন। আল্লাহ মাফ করুন, মানুষ কিভাবে অন্য মানুষের জান্নাত জাহান্নামের বিচার করে ফেলে? এত বড় বাটপার!

কলাভাইয়ের কমেন্ট পড়ে তো আরও ভয় পেলাম। ইউএসে বসে বাঙ্গালিরা তালেবানের জয়গান গাচ্ছে? তা ওরা আফগানিস্তানে যান না কেন?

২৬ শে জুলাই, ২০২১ দুপুর ১:০২

সাসুম বলেছেন: বাংলাদেশের সকল ইউনিভার্সিটি স্টুডেন্ট এর পড়ার টেবিলে এই বই থাকা বর্তমান সময়ের একটা বাধ্যতামূলক জিনিষ। খোজ নিয়ে দেখতে পারেন আপনার পরিচিত মহলে।



আরিফ হুজুরে ফাক কে বাংলাদেশের পি এম হিসেবে দেখতে পাবেন, অপেক্ষা করেন কয়দিন পর। হাটুর নীচে প্যান্ট এর ঝুল দেখলেই কোপানো হবে। জাস্ট আর কয়টা দিন ভাইসাব।

একটা মজার বিষয় শেয়ার করি- আমার ফেসবুকের এক ফ্রেন্ড আরেক ফ্রেন্ড কে এই প্যারা মজিদ এর বই এর সমগ্র উপহার দিয়েছে বইমেলাতে। তো, কথা প্রসংগে একজন জিজ্ঞেস করল কেন ফেসবুকে সেটা দেয় না। তাদের উত্তর ছিলঃ আমার ভয়ে। আমি প্রচুর মারব এটা দেখলে তাই ।

১৬| ২৬ শে জুলাই, ২০২১ দুপুর ১২:৫৯

মাসউদুর রহমান রাজন বলেছেন: সরি সাসুম ভাই। আপনার পোস্টে আমার মন্তব্য করা উচিৎ হয়নি। সামনে থেকে এড়িয়ে চলবো। আপনাকেও সালাম, আপনার গুরুকেও সালাম।

২৬ শে জুলাই, ২০২১ দুপুর ১:০৭

সাসুম বলেছেন: আমার কোন গুরু নেই ভাই। কারন আমার গুরু হতে গেলে যে যোগ্যতা প্রয়োজন সেটা আমি কারো কাছে পাইনি এখনো ইন ফিউচারেও পাব না।

আর আমি ব্লগে লিখি নিজের মনে যা ভাল মনে হয় তা। আপনি অবশ্যই কমেন্ট করবেন। আমাকে এক্মাত্র প্যারা মজিদ এর দল না হলে এড়িয়ে চলার কোন মানে নাই।

আমার পোস্ট ছাগু বাদে সকলের জন্য উন্মুক্ত। আমার প্রোফাইলেই লিখা আছে কারা কারা দূরে থাকতে পারবে। আপনি সে তালিকায় নাই।

প্যারা মজিদ টীম বাদে সকল মুক্ত চিন্তার মানুষ আমার বন্ধু।

আমি আপনাকে বিচার করব আমার নিজের বাটখারায়। অন্যের বাটখারায় না।

১৭| ২৬ শে জুলাই, ২০২১ দুপুর ১:২২

আনোয়ার রেজা বলেছেন: স্যারের কথা গুলো ভাল লাগে। জ্ঞানী মানুষ তিনি।

২৬ শে জুলাই, ২০২১ দুপুর ১:২৫

সাসুম বলেছেন: স্যার এর কথার চেয়ে কাজ টা বেশি গুরুত্বপূর্ন। উনি বাচ্চাদের মাথায় একটা জিনিষ গেথে দিয়েছেন- শিক্ষা বা পড়ালেখা ছাড়া উন্নতি নাই। একমাত্র জ্ঞান আহরন করলেও নিজের ও দেশ দশের উন্নতি পসিবল।

উনি এক ধরনের সহজ সরল মানুষ। হাসিখুশি। উনাকে দেখলে মনে হয়, পাড়ার সব সময় হাসিমুখে থাকা চাচা।

উনাকে বাংগালি সমাজের মাথা রা বুদ্ধিজীবি হিসেবে মানে না কারন উনি হাসিমুখে থাকেন তাই।

১৮| ২৬ শে জুলাই, ২০২১ দুপুর ১:৩২

অপু তানভীর বলেছেন: প্যারাসিটামল মজিদ পড়ে এরা বই পড়া শুরু করে, এদের কাছ থেকে তুই আর কী আশা করবি ? এই ছাগলদের কথার প্রতিক্রিয়া দেখানোটাও বোকামী। লিখে বুঝিয়ে পড়িয়ে এদের ফেরানো সম্ভব না । সেই জিনিসই এদের নেই ।

২৬ শে জুলাই, ২০২১ দুপুর ১:৩৬

সাসুম বলেছেন: আমি আসলে কাউকে ফেরাতে লিখিনাই, সকালে উঠে এই গু দেখে মেজাজ তিরিক্ষি হয়ে গেছে, সেটা কাটাতেই এই লিখা লিখেছি।

কাল রাতে আফগানি হোটেল থেকে কাচ্চি বিরানি খেয়ে ২ টা মুভি দেখে আরাম করে ঘুমিয়ে সকালে উঠেই এই জিনিষ চোখে পড়ল। মেজাজ টার ১২ টা।

হাতের কাছে পাইলে আরিফ আজাদ এর মজিদ সমগ্র ভ্রে দিতে মন চায় সাগল গুলাতে। মানে, সকাল বেলা ফ্রেশ হয়ে ঘর থেকে বেরিয়ে উঠানে এক দলা গু এর মধ্যে পাড়া দিলে যে অনুভূতি হয় আর কি।

১৯| ২৬ শে জুলাই, ২০২১ দুপুর ১:৩৮

মেহবুবা বলেছেন: কোথাকার পানি কোথায় গড়ালো। স্যারকে নিয়ে যাযাবর চিলের পোষ্টে ৪ নম্বর মন্তব্যকারি আল ইরফান কে বলতে চাইছিলাম যে এমন পোষ্টে মন্তব্য করা সময়ের অপচয়, এক সময় নিজেই মন্তব্য করলাম।
আর এখন দেখছি রীতিমত পোষ্ট একটা।

আজ এ প্রসঙ্গে একটা কথা বলি; করোনা শুরু হোল, অল্প দিনের ভেতর আমরা আনিসুজ্জামান স্যার, জামিলুর রেজা চৌধুরী, মকসুদ সাহেব, ইব্রাহীম খালেদ,কামাল লোহানী, লতিফুর রহমান -- এমন বহু গুনী ব্যক্তিদের মৃত্যু সংবাদ শুনেছি। বিশাল শূন্যতা তৈরী হচ্ছে । আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ স্যার সুস্থ থাকুন, ভাল থাকুন সেই প্রার্থনা করি।
ওনার দেখানো পথে চলতে গিয়ে যে বা যারা কিছু কুড়িয়ে নিতে পেরেছে তারা ছড়িয়ে দেবে বৃহৎ পরিসরে; সেখানেই হবে যথার্থ মূল্যায়ন ।

২৬ শে জুলাই, ২০২১ দুপুর ১:৪১

সাসুম বলেছেন: এই অভাগা দেশের বাচ্চা গুলার মধ্যে জ্ঞানের আলো জ্বেলে দিতে গিয়ে সারাটা জীবন কাটিয়ে দিয়ে শেষ বয়সে এসে ভিলেন হলেন।

এটা উনার প্রাপ্য ছিল যদিও। প্যারা মজিদ দের দেশে এটাই প্রাপ্য ছিল উনার। অন্ধের দেশে আয়না বিক্রি করতে এলে এমন ই হয়।

২০| ২৬ শে জুলাই, ২০২১ দুপুর ১:৫৫

সুদীপ কুমার বলেছেন: আমি যখন অষ্টম শ্রেণীতে তখন একবার সারাদিন উনাকে পেয়েছিলাম।অসাধারণ এক অনুভূতি।নাটোরে বিশ্বসাহিত্য উদ্বোধন করতে এসেছিলেন।

উনি আমাদের "গাদ্দার" চিনিয়েছেন।আর আপনি আমাদের চারপাশে ভীড় জমানো গাদ্দারদের পরিচয়,নাম-কুষ্টি উল্লেখ করেছেন।

২৬ শে জুলাই, ২০২১ দুপুর ২:০২

সাসুম বলেছেন: আমি উনাকে দেখি নাই কখনো সামনাসামনি, তবে উনার কারনে ছোট বেলার অনেক বই পড়তে পেরেছি যেগুলা আমার কাছে এভেইলেভেল ছিলনা। একই ভাবে অনেক বাচ্চাকে দেখেছি উনার কারনে পড়তে উৎসাহ পেতে।

জাতিকে উনি আলোকিত করতে চেয়েছেন, এটাই উনার অপরাধ ।

আমি গাদ্দার চেনানোর কেউ না ভাই, আমি জাস্ট বেকুব চিনার লক্ষন দেখালাম। এদের চিন্তা ভাবনা সব সময় একই ওয়েতে ঘুরে

২১| ২৬ শে জুলাই, ২০২১ দুপুর ২:০৭

মেহবুবা বলেছেন: আপনি শুধু শুধু হয়রান হচ্ছেন । কেউ কাউকে ভিলেন বানাতে পারে না, অসন্মান করতে পারে না । যে বা যারা অর্বাচীন এমন করে সেটা তাদের অভিরুচি।
এসব জানলে স্যার আক্ষেপ করে বলবেন " আমাদের অক্ষমতা তাই এমন এক একজনের চিন্তা ভাবনা" ।
আপনাদের মধ্যে থেকে বেরিয়ে আসবে ভবিষ্যতের কারিগর; দেশটা সুন্দর হবে , মানুষেরা ভাল থাকবে।

২৬ শে জুলাই, ২০২১ দুপুর ২:১০

সাসুম বলেছেন: আমি দেশ নিয়ে আশাবাদী না, অন্তত আগামী ২/৪ জেনারেশানে না, হয়ত ২০০-৪০০ বছর পর এই অভাগা জাতি উন্নতির পথ দেখবে। আলো খুজে পাবে। মানুষেরা ভাল থাকবে/ তবে এখন অন্তত এই প্যারা মজিদ দের সময়কালে নয়।

২২| ২৬ শে জুলাই, ২০২১ দুপুর ২:২৩

রাজীব নুর বলেছেন: আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ স্যার যদি বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক হতেন তবে আমাদের দেশটা বদলে যেতো। উনি মহাপরিচালক হবেন না। কারন উনি আওয়ামীলীগের দালালি করেন না।

অবশ্য বাংলা একাডেমি থেকে অনেক এগিয়ে আছে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র।

২৬ শে জুলাই, ২০২১ দুপুর ২:৩০

সাসুম বলেছেন: বাংলা একাডেমির কাজের সাথে সায়ীদ স্যার এর চিন্তা বা কাজ যায়না।

উনি তো কোন প্রতিষ্ঠানের সাথে থেকে সেটার উন্নয়ন করতে চান নাই,

উনি চেয়েছেন এই দেশের বাচ্চা গুলা যাতে পড়তে জানুক, তাহলেই তারাও তাদের বাচ্চাদের কে সেই জ্ঞান শিখাবে, এভাবে আস্তে আস্তে অল্প জেনারেশান থেকে ইন ফিউচারে কয়েক জেনারেশন পরে একটা শিক্ষিত জ্ঞানী জাতি দাঁড়িয়ে যাবে। এটাই উনার চাওয়া ছিল, এবং উনি তাতে ১০০% সফল। তা না হলে ধর্মান্ধ শুয়োর এর পাছায় আগুন লাগত ও না , উনার বিরোধীতা ও কর‍ত না।

২৩| ২৬ শে জুলাই, ২০২১ দুপুর ২:২৮

মেহবুবা বলেছেন: আমি আশাবাদী । আগামী ২০ বছর পর দেখবেন এক অন্য বাংলাদেশ । সৎ নিষ্ঠাবান বিবেকবান অভিভাবক তৈরী হবে তখন এবং মূল্যবোধ ভূলুণ্ঠিত হবে না।
যদি বেঁচে থাকি তো আনন্দে ভাসব ইনশা আল্লাহ্ ।

সময় পেলে " মানুষ মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন " , চন্দ্রনাথ কে পড়বেন; বিদ্যানন্দের কর্মযজ্ঞ পড়বেন।
কে জানে একদিন আপনাকে, আপনাদেরকে জানতে আগ্রহী হয়ে উঠব, অন্যকে বলবো।

২৬ শে জুলাই, ২০২১ দুপুর ২:৩৪

সাসুম বলেছেন: আপনি যাদের নাম বলেছেন, এদের কর্মকান্ড একদম কাছ থেকে দেখা আমার। এরা সবাই মিলে যদি এক বালতি পানি হয়, সায়ীদ স্যার এর কাজ সমুদ্র সমপরিমান।

এই কাজ গুলো যারা করছে তারা কিন্তু আলোকিত। আর সাঈদ স্যার এই আলোকিত মানুষ গড়ে দিতে কাজ করছেন।

এই খুচ্রো কাজ গুলো হয়ত রাতারাতি পরিবর্তন আনবে না, বাট জেনারেশন পরে একটা প্যারাডিম শিফট আসবে।

তবে, ২০ বছর পরে না, অন্তত কয়েক জেনারেশান লেগে যাবে।

কোন জমিতে আপনি যদি কীটনাশক দিয়ে চাষ করেন বেশ কয়েক বছর তাহলে ঐ জমি কিন্তু শেষ। এখন আপনি এই জমিকে আবার অর্গানিক ভাবে চাষাবাদ করতে ২/১ বছরে পারবেন না,

কারন আগাছা আর ক্যামিকেল এক দুই বছরে যাবেনা। অন্তত বেশ কয়েকবছর ধরে সাধনার পর আবার সঠিক লাইনে আনতে পারবেন। হুট করে অল্প সময়ে পসিবল না।

২৪| ২৬ শে জুলাই, ২০২১ দুপুর ২:৪৪

রাজীব নুর বলেছেন:
আব্দুল্লাহ আবু সায়ীদ স্যারের সবচেয়ে বড় দোষ উনি কথায় কথায় শেখ মুজিব- শেখ মুজিব করেন না। শেখ মুজিবকে নিয়ে লিখেন না। তেলামি করেন না। ভালো কর্মকান্ডের দিক থেকে বাংলা এরকাডেমির চেয়ে এগিয়ে।


ধর্মীয় জ্ঞান সমাজের কোনো কাজে লাগে না ।
মাদ্রসার শিক্ষা দিয়ে মসজিদের ইমাম হওয়া যাবে। ধর্মীয় শিক্ষা দিয়ে দেশ ও দশের জন্য ভালো কিছু করা সম্ভব নহে।

২৬ শে জুলাই, ২০২১ দুপুর ২:৫২

সাসুম বলেছেন: শেখ সাহেব একটা অনিচ্ছুক জাতিকে স্বাধীনতা এনে দিয়েছিলেন। উনি যদি জানতেন, উনাকে এভাবে হাটেমাঠে মুড়ি মুরকির মত বিক্রি করবে ৫০ বছর পরে, হয়ত উনি ২য় চিন্তা করতেন।

উনি কেন, আমি নিজেও কোনদিন শেখ মুজিব শেখ মুজিব করিনা, তাই বলে কি আমি শেখ সাহেব এর অবদান অস্বীকার করি? এরকম হাজার লাখো লোক আছে। সারাদিন যারা সানাই বাজায় তারাই আসল ধান্দাবাজ।

উনি সৎ লোক, সরল চিন্তার লোক। এই কারনে, একদিন টিভিতে বলে বসেছিলেন- শাড়ি পড়লে নারী কে সেক্সি লাগে আর যা যা শুনেছিলেন ! ভাইরে ভাই!

যাই হোক- ধর্ম জিনিষ টা সব সময় সভ্যতা আর উন্নয়নের সাথে কনফ্লিক্ট করবে। এটা হয়ে আসছে, এটাই নিয়ম। ছলুমুল্যারা হয়ত বাংগুল্যান্ড এর মোসলমান দের বুঝাবে মাদ্রাসা ইউনিভার্সিটি এর চেয়ে বেটার বাট আলোকিত মানুষজন ঠিকই বুঝবে কোনটা কি।

এখানেই আসল সমস্যা। অন্ধকারের মানুষ রা , বাচ্চা গুলাকে আলোর পথে আনা সহ্য করতে পারেনা। এই কারনে সায়ীদ সাহেবের বিরোধীতা চারদিকে।

কারন, যতই পড়বে ততই বুদ্ধির আর জ্ঞানের দরজা খুলে যাবে

২৫| ২৬ শে জুলাই, ২০২১ বিকাল ৪:৪৮

চাঁদগাজী বলেছেন:




আপনার সাথে ব্লগার অপু তানবির'এর কথা থেকে মনে হয়, আপনারা অনেকদিনের পরিচিত; উনার পেশা কি?

২৬ শে জুলাই, ২০২১ বিকাল ৪:৫৫

সাসুম বলেছেন: উনি ইউনিভার্সিটি পড়াশুনা শেষ করে লিখালিখি করেন। চাকরি বাকরি করেন না, অনেক বলেও লাভ হয় নাই। গল্প কবিতা লিখেন, বই পড়েন। বোহেমিয়ান টাইপ। আমার বিয়াতে দাওয়াত করছি সেই অল্প লোকদের একজন সে, বাট আসেনাই এই জন্য আমি তার উপর ক্ষেপে আছি আজ ৪ বছর।

পিছুটান নাই, সো টাকা ইঙ্কামের প্যারা নাই।

তারে পছন্দ করার কারন হল আজকে ১ যুগ ধরে- সে সৎ লোক। বাটপ্পার না। আমি আমার আশে পাশে বাটপার রাখিনা।

মোদ্দা কথা- ভালু লোক।

২৬| ২৬ শে জুলাই, ২০২১ বিকাল ৫:১২

আমারে স্যার ডাকবা বলেছেন: উনার উপর প্রচুর মানুষ ক্ষ্যেপা, কারন উনি সত্য কথা মুখের উপর বলেন। কারো তোষামোদি করেন না। এই জন্য শাড়িকে "যৌন আবেদনময়ী শালীন পোষাক" উল্লেখ করে একটা প্রবন্ধ লেখায় নারীবাদীরা তার উপর ক্ষ্যাপা, দেশীয় ডিটেকটিভ উপন্যাস ও সাহিত্যকে সস্তা লেখা বলায় এক বিশেষ প্রকাশনীর ভক্তরা তার উপর ক্ষ্যাপা। আর বিজ্ঞানী আজাদ ও ইসলামী সেক্সপিয়ক কাশেম বিন আবু বক্কার এর ভক্তরা তো আগে থেকেও তাকে দেখতে পারে না। এদিকে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক না বলে অনেকে তাকে শিক্ষাবিদ ও বুদ্ধিজীবি মানতেও নারাজ।

আমি শুধু চাই উনি দীর্ঘজীবি হোন। এমন বিকিয়ে না যাওয়া মানুষদের খুব বেশি দরকার।

২৬ শে জুলাই, ২০২১ বিকাল ৫:১৭

সাসুম বলেছেন: আমি উনি দীর্ঘজীবি হোক এটা চাইনা। উনি সুস্থভাবে দুনিয়া থেকে বিদায় নেন কস্ট না করে এটা আমার প্রত্যাশা।

দেশকে জাতিকে উনি অনেক কিছু দিয়েছেন, আমাদের দেয়ার কথা ছিল সম্মান, আমরা দিচ্ছি অসম্মান। দেশ যেভাবে আরিফ মজিদময় হচ্ছে, তাতে করে উনাকে দেয়া এই অসম্মান এর পরিমান বাড়বে বই কমবে না, এর আগে সসম্মানে বিদায় নেক উনি এই ধরা থেকে এটা আমার কামনা।

২৭| ২৬ শে জুলাই, ২০২১ বিকাল ৫:৪৫

নতুন বলেছেন: যারা উনার এই আলোকিত মানুষ তৌরির কাজে ভয় পায়? যারা জানে মানুষ বিজ্ঞান, দর্শন, সাহিত্য, শিল্পে শিক্ষিত হলে ধর্মের অন্ধ অনুরকর করবেনা তাদের ব্যবসার পেটে লাথি পড়বে।

ধর্মের ভয়ে মানুষ ভীত না তাই মাথায় টুপি, কপালে দাগ নিয়েও মানুষ ঘুষ খাচ্ছে, মন্দির, চার্চে শিশু নিপিড়িত হচ্ছে।

আলোকিত মানুষ তৌরি না করতে পারলে আমাদের দেশের ভবিষ্যত আরো অন্ধকার হবে।

২৭ শে জুলাই, ২০২১ ভোর ৫:৫৮

সাসুম বলেছেন: আলোর পথের অগ্রযাত্রায় যারা ভয় পায়, মানুষের শিক্ষিত হওয়া দেখে যারা ভয় পায়- তারাই সায়ীদ স্যার কে অপছন্দ করবে। এটা একদম নরমাল না?

২৮| ২৬ শে জুলাই, ২০২১ সন্ধ্যা ৬:০৫

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: খুব ভালো পোস্ট।++

২৭ শে জুলাই, ২০২১ সকাল ৭:৫৯

সাসুম বলেছেন: থ্যাংকস ভাই।

২৯| ২৬ শে জুলাই, ২০২১ রাত ৮:১২

আহমেদ জী এস বলেছেন: সাসুম,




আমার প্রথম পছন্দের একজন আলোকিত মানুষ।
মানুষ আলোকিত হলে অন্ধকার দূর হবার ভয়ে অন্ধকার মনের মানুষেরা ভয় পায় এটা ভেবে যে তাদের জারিজুড়ি এই ফাঁস হলো বলে । তাতে তাদের ছাগল মোটাতাজা করনের ব্যবসা লাটে উঠতে পারে এই ভয় থেকেই তারা আলোকিত মানুষের পেছনে লাগে।

যে লেখাটির কারনে আপনার এই পোস্ট সেটার লেখকের নিক প্রোফা্ইলে লেখা আছে - "তোমরা মানুষ, আমরা মানুষ, তফাৎ শুধু শিরদাঁড়ায়" । আমি তার লেখাতে বলে এসেছি ""এর সাথে যোগ করে বলতে হবে - "আপনার মগজেও তফাৎ আছে" ।
আপনি যে ছাগলের শিরদাঁড়াওয়ালা প্রানী তা পরিষ্কার করেছেন। কাঠাল পাতা খেতে পারলেই যাদের মোক্ষ লাভ হয়।""

২৭ শে জুলাই, ২০২১ ভোর ৬:০২

সাসুম বলেছেন: আমি একদিন রাগ করে ব্লগে লিখেছিলাম- আমাদের এই সময়ে ব্লগে কাঠাল পাতা খোর রাই বেশি। কিন্তু, আজকে মনে হচ্ছে- তাদের সংখ্যা বেশি হলেও - মানুষের সংখ্যাও কম নেই।

বই পড়া হল- মনের অন্ধকার দূর করার একমাত্র উপায়। বই পড়েই লালসালু দের জারিজুরি সম্পর্কে জানা যায়। ছাগল মোটাতাজা করন প্রজেক্ট এর পেছনের দরজার সন্ধান পাওয়া যায়। এটাই লালসালু দের ভয়। তাই তারা সায়ীদ সাহেবের পিছে লাগে।

তাদের ইন্টেনশান একদম ক্লিয়ার

৩০| ২৭ শে জুলাই, ২০২১ রাত ২:৪২

মোস্তফা কামাল পলাশ বলেছেন:


আমাকে যদি কোন মানুষ ফেসবুকে ফ্রেন্ড রিকুয়েস্ট পাঠায় আর দেখি সেই মানুষটি বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের সাথে জড়িত তবে আমি তার সম্বন্ধে আর কোন কিছু যাচাই করি না, সাথে সাথে ফ্রেন্ড রিকুয়েস্ট গ্রহণ করি। বিশ্ববিদ্যালয়ের শেষে যে সুভেনির প্রকাশিত হয়েছিল সেখানে আমার পছন্দের ব্যক্তি হিসাবে উল্লেখ করেছিলাম আব্দুল্লাহ আবু সাইদ স্যার এর না। হালুয়া রুটির লোভে সরকারি দলকে চাটতে-চাটতে নিজেদের জিহবার ক্ষয় করে ফেলে সাহিত্যিক ও শিল্পীদের মাঝে এই মানুষটি এখনও নিজের নৈতিকতা বিসর্জন দেন নি। আমি মনে-প্রাণে চাই এই স্বকীয়তা ও সম্মান নিয়েই যেন মানুষটি এই পৃথিবী ছেড়ে যান।

মুক্ত চিন্তার মানুষদের শুধু যে ধর্মীয় মৌলবাদীরা অপছন্দ করে তা না; প্রগতিশীলরাও খুব পিছিয়ে নাই। আব্দুল্লাহ আবু সাইদ স্যারকে যে গালা-গালি করেছে প্রগতিশীলরা তার শাড়ী নিয়ে করা মন্তব্যের প্রেক্ষিতে সেটা আমি কোন দিনও ভুলবো না। একজন সাহিত্যিক ও শিল্পী মানুষ যদি শৈল্পিক দৃষ্টিকোণ থেকে কোন কিছু দেখে ও তার অনুভূতি প্রকাশ করে তবে কেন তাকে বাধ্য করতে হবে সাধারণ মানুষের ভাবনা দিয়ে? তাহলে সাধারণ মানুষ ও একজন সাহিত্যিক এর মাঝে চিন্তার কি পার্থক্য থাকলো?

২৭ শে জুলাই, ২০২১ ভোর ৬:১০

সাসুম বলেছেন: সায়ীদ স্যার কে নিয়ে মৌলবাদী জংগি দের ক্ষোভ- কেন তিনি বাচ্চাদের কে বই পড়তে বলেন। কারন বই পড়তে বললে বাচ্চাদের কে ব্রেইন ওয়াশ করা যাবেনা। তাদের জংগিবাদ গেলানো যাবেনা।

ফেসবুক বাসী প্রগতিশীল দের ক্ষোভ- তিনি কেন চুপ থাকেন। তাদের চাওয়া নাফির মত তিনিও সব বিষয়ে প্রতিবাদী হবেন।

ক্ষমতাশীল দের ক্ষোভ - তিনি কেন চাটেন না। সবাই চাটে, তুমি চাটো না কেন বাপু?

নারীবাদী দের ক্ষোভ- সবাই আমাদের কে তেলায় এক্টু সুবিধা নিতে, তুমি বাপু কেন তেলাও না? কেন শাড়ীকে আবেদন্ময়ী বল্বা? বরং, যত লেংটা তত সুন্দর এটা বল্বা।

বুদ্ধিজীবি দের ক্ষোভ- তিনি কেন হাসেন। জ্ঞানী ব্যাক্তিরা গম্ভীর থাকতে হয়, তুমি হাসবা কেন, তাই তোমাকে বুদ্ধিজীবি দের তালিকায় রাখবোনা।

মোদ্দা কথা, দেশের সবাই তারে অপছন্দ করে। আর আমার কাউকে পছন্দ করার বা তার আইডোলজি ভাল লাগার একটা ফিল্টার এটা। যখন দেখবে সব শিয়াল রা তোমার সমালোচনা করছে- তখন ই বুঝে নেবে তুমি আসলেই ভাল কিছু করছ যার কারনে সবাই তোমাকে অপছন্দ করে।

বিঃদ্রঃ এরকম আরেকজন পছন্দের লোক আনু মোহাম্মাদ। তারে সব দল , সরকার গাইলায়। কেউ দেখতে পারে না কারন সে পরিবেশ নিয়ে চিন্তা করে, মানুষ নিয়ে চিন্তা করে।

ধন্যবাদ পলাশ ভাই সুন্দর মন্তব্যের জন্য

৩১| ২৭ শে জুলাই, ২০২১ রাত ২:৪৭

সোহানী বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ প্রতিবাদটি লিখার জন্য।

সায়ীদ স্যারের সাথে পরিচয় সে স্কুল থেকে বই পড়া প্রতিযোগীতার মাধ্যমে সেখানে আমি ২য় হয়েছিলাম। আর এ প্রতিযোগীতার কারনে পড়েছি অসংখ্য বিখ্যাত লেখকদের বই। তারাশংকর, নিমাই, বনফুল, বঙ্কিম, শরৎ.............. আজো গর্ব করে বলি সে সব কথা।

আলোকিতই নয় একজন মানুষ বানানোর কারিগর তিনি। আর সেকারনেই যত সমস্যা। বড্ড ভয় পায় উনাকে মুমিনুলের ভক্তরা। আসলে কি জানেন, উনি এ দেশের জন্য ফিট না। দেশটা চলে যাচ্ছে দিন দিন নষ্টদের দখলে।

২৭ শে জুলাই, ২০২১ ভোর ৬:১১

সাসুম বলেছেন: উনি দেশের মানুষ কে জোর করেন নাই কোন কিছুতে। উনি জাস্ট বাচ্চাদের কে বই পড়তে শিখিয়েছেন।

এতেই শত শত মমিনুল ভক্ত দের গাত্রদাহ শুরু হয়েছে। কারন তারা জানে- বই পড়া মানেই জ্ঞানের দিকে যাওয়া, আলোর দিকে যাওয়া। আর আলোর দিকে যাওয়া মানেই- অন্ধকার লালসালু দের ব্রেইন ওয়াশ থেকে দূরে সরা।

এই কারনে তার এত শত্রু

৩২| ২৭ শে জুলাই, ২০২১ রাত ৩:০০

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: তিনি আমার ঢাকা কলেজের অধ্যাপক। তিনি একজন সজ্জন জ্ঞান তাপস। জাতি তার অবদান মনে রাখবে। স্যারের মতো সুন্দর করে কথা বলতে পারা লোকের ভীষণ অভাব। আজাদ স্যারের কথা মনে পড়ে। স্যার ভাল থাকুক নিরাপদে থাকুক। কারণ স্যারের মত মানুষেরও শত্রু জন্মেছে এদেশে। স্টাডি করা কাঠ মোল্লারা পছন্দ করে না । আর তিনি শিক্ষিত মানুষ গড়ার কারিগর ।

২৭ শে জুলাই, ২০২১ ভোর ৬:১৫

সাসুম বলেছেন: আনোয়ার ভাই- আমি যখন সেই ২০০০ সালে উনার গাড়ির জন্য অপেক্ষা করতাম এখনো সেই দিন গুলোর কথা মনে পড়ে। আমাদের বই এর লাইব্রেরি ছিল। হাজারো বই পড়েছি দেশে এভেলেভেল। কিন্তু দেশ বিদেশের বইএর খনি পেয়েছিলাম ভ্রাম্যমান গাড়ি থেকে।
উনি আলোর মানুষ গড়ার কারিগর কিনা বা ঠিক পথে চলতে বা মানুষ গড়তে সাহায্য করেছেন কিনা সে তর্কে না গেলেও- উনি বাচ্চাদের কে বই পড়তে শিখিয়েছেন এই এক যোগ্যতার শতকের সেরা বাংগালির তালিকার স্থান দেয়া যায়। আর বরাহের দল উনাকে গালিগালাজ করে।

যদিও এটাই উনার প্রাপ্য ছিল এই অকৃতজ্ঞ বাংগালির কাছ থেকে। এখন হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছেন।

৩৩| ২৭ শে জুলাই, ২০২১ সকাল ১১:৫৫

অজ্ঞ বালক বলেছেন: আজাদ, গান্ধী আর সায়ীদ স্যার - বাহ, ব্লগে দেখি অনেকরে নিয়া আলোচনা হইতাসে। যাই হোক, এইসব নিয়া পোস্ট লেইখেন না। যেই পোস্ট পইড়া আপনার মাথা গরম হইসে সেটা পানির মতন আপনার কচুপাতা চিন্তা দিয়া গড়াইয়া পইরা যাইতে দিবেন। মাথা গরম করার কিচ্ছু নাই। অভিজ্ঞতা থেইকা কওয়া আর কি! ভালো পোস্ট, স্যাররে দেখামুনে।

২৭ শে জুলাই, ২০২১ দুপুর ১:৪০

সাসুম বলেছেন: স্যার রে অধমের সালাম জানাইয়েন। উনার কল্যানে অনেক বাচ্চা পোলাপাইন বই পড়াকে ভালোবেসেছে।

৩৪| ১৪ ই আগস্ট, ২০২১ রাত ১:০১

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন: স্যারের পাপ বের করার মানুষের (!) সংখ্যা আছে জানতাম শুধু তবে আজ দেখার সৌভাগ্য হলো।
ঐ মানুষটার(!) শুধু শিরদাঁড়াই আছে। মগজ, মনন নেই।


চমৎকার লেখা । ভালো থাকবেন ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.