| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মেসি০০৭০০৭
আমি একজন স্টুডেন্ট তাই ভালো কিছু করতে চাই।
দেশ নেত্রী খালেদা জিয়া এখন সারা দেশে সভা-সমিতি করছেন। অনেক আন্দোলন সংগ্রামের ডাক দিয়ে কোন কুল কিনারা করতে না পেরে এখন বিভিন্ন জেলা শহরে গিয়ে ওয়াজ, নসিহত করছেন। মানুষের কাছে কান্না-কাটি করছেন। ০৫ জানুয়ারী নির্বাচনের পর সমশের মুবিন বিএনপির পক্ষ থেকে বিদেশী কূটনিতিকদের কাছে ধরনা দেন দেশে আবার একটি নির্বাচনের ব্যাবস্থা করে দিতে যাতে তারা ক্ষমতায় আসতে পারে, বেগম জিয়া সাজু-গুজু করে বঙ্গভবনে যেতে পারে। তার দুর্নীতির বরপুত্র তারেক, কোকো, স্বমহিমায় দেশে এসে লুটপাটের স্বর্গ রাজ্য গড়ে তুলতে পারে। তখন সাথে থাকবে গিয়াস আল মামুন, বাবর, হারিস, মীর্জা আব্বাস, আমান, খোকন এই সব অর্বাচীন লুটেরা যাদের কাজ হবে সরকারী সম্পত্তি লুট করা, দেশের সর্বনাশ করা। কেননা তারা ইতিমধ্যে সর্বনাশের ষোল কলা পূর্ণ করেছে। উল্লেখ করা যেতে পারে শিল্প নগরী নারায়নগঞ্জ যাকে তুলনা করা হতো ইংল্যান্ড এর ডান্ডি হিসাবে। আমরা যাকে আদমজী পাটকল হিসাবে চিনি। ৩৫ হাজার শ্রমিক-কর্মচারী ছিল এই পাট কলে। এর সাথে জড়িত ছিল আরও কয়েক লক্ষ পরিবার। সেই পাটকলটি লোকসানের অজুহাত তুলে বিক্রি করে দিল বিএনপি সরকার। এর পর মিলের যাবতীয় যন্ত্রপাতি পানির দরে বিক্রি করে সেই টাকা হাওয়া ভবনের কর্ণধার তারেক জিয়া এবং তার সাঙ্গ-পাঙ্গরা ভাগ বাঁটোরা করে নিলো। দেশবাসী কি সেই লুটেরাদের রাজত্ব কালে ফিরে যাবে। আমরা জানি ইতিহাস কখনও ফিরে আসেনা। কিন্ত বেগম জিয়া ইতিহাসে ফিরে যাওয়ার সমুদয় কর্মসূচী পালন করে যাচ্ছেন। আমরা কি ভাববো পাকিস্তান আবার ফিরে আসবে, বাঙ্গালীকে আবার আগুন দিয়ে পুড়িয়ে মারার জন্য, বাঙ্গালী নারীদের ধর্ষণ করার জন্য। অনেক গুনি লোক বলে থাকেন জামাত- বিএনপির সমর্থকদের ঘরে পাকিরা আগুন দেয়নি, তাদের মা-বোনদের ধর্ষণ করেনি, তাই তারা এখনও পাকিস্তানের জন্য কান্না কাটি করে। পাকিস্তান রাষ্ট্র ফিরিয়ে আনার ব্যর্থ চেষ্টা করে। বিএনপির এই কান্নাকাটি দেশের মানুষ বিশ্বাস করেনা। তাদের এই কুম্ভীরাশ্রু দেখে দেশবাসী তাদের প্রতি কোন সহানুভুতি প্রদর্শন করবে না। যেমন কাদের মোল্লার ফাঁসির পর দেশবাসী আনন্দ উল্লাস প্রকাশ করেছে। একই ভাবে বেগম জিয়া এবং তার পুত্রদের প্রতি দেশের মানুষের কোন সহানুভুতি নেই। তাদের এই মায়া কান্না কেউ শুনবে না, তাই বেগম জিয়ার লম্প-ঝম্প আখেরে কোন কাজে আসবে না।
©somewhere in net ltd.