| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
দীপু চন্দ্র দাস একটি পোশাক শিল্প কারখানায় চাকরি করতো। সম্প্রতি দীপু দাস তার যোগ্যতা বলে সুপার ভাইজার পদে প্রমোশন পেয়েছিলো।
জানা যায়, সুপারভাইজার পজিশনটির জন্য আরও তিনজন প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলো যারা দীপু দাসের প্রমোশনটিকে ভালোভাবে নেয়নি। এর মধ্যেই পাওনা টাকার হিসেব নিকেশ নিয়ে অই তিনজনের সাথে বিরোধ হয় দীপু দাসের।
এর পরেই খুব সহজ কায়দায় দীপু দাসের নামে ইসলাম ধর্ম অবমাননার মিথ্যে অভিযোগ এনে অই গার্মেন্টস কারখানার পাশেই মব সৃষ্টি করে দীপু দাসকে পি টিয়ে আধমরা করে জ্যান্ত অবস্থায় গলায় দড়ি বেঁধে গাছের সাথে ঝুলিয়ে তার আধমরা দেহটি আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দেয়া হয়। এই দৃশ্য ভিডিও করার জন্য কয়েক শ ধর্মপ্রাণ মুসলমান হাতে ধরা স্মার্ট ফোনের ক্যামেরা অন করে, তাদের মধ্যে থেকে কারোরই মনে হয়নি এগিয়ে গিয়ে বলা, তোমরা এটা করো না। আমরা এত বড়াই করে বলি, ইসলাম শান্তির ধর্ম। তোমরা যা করছো, তাতে ইসলাম ধর্মের অপমান হচ্ছে।"
জানা গেছে, দীপু দাস স্মার্ট ফোন ব্যবহার করতো না। সে সাধারণ একটা বাটন ফোন ইউজ করতো৷ উপস্থিত শত শত ধর্মপ্রাণ মুসলমান দর্শকদের মধ্যে থেকে কেউ একজনও গিয়ে বললো না, " ছেলেটা যদি ধর্ম অবমাননা করে থাকে, তাকে আপনারা আইনের হাতে তুলে দিন। প্রচলিত আইনে তার বিচার হোক। "
কিন্তু না, কেউ এগিয়ে যায়নি। শুধুমাত্র 'দীপু দাশ' নামের ভুয়া আইডির পোস্ট দেখে কোনো যাচাই-বাছাই না করেই সহকর্মী দীপু দাশকে প্রথমে নির্মম ভাবে পি 'টিয়ে অর্ধমৃত করে গ'লায় র'শি বেঁধে গাছে ঝু"লিয়ে আ*গুন দিয়ে একজন জ্যান্ত মানুষকে পুড়িয়ে মারার আনন্দে' নারায়েতকবির ' শ্লোগান দিয়ে উল্লাস করলো উপস্থিত সকলে!
দীপু দাস যদি ফোনে ইসলাম বিরোধী কিছু লিখে ইসলাম ধর্মের অবমাননা করে থাকে, ইসলাম শান্তির ধর্ম জেনেও, ইসলাম অন্য ধর্মের মানুষের প্রতি শ্রদ্ধাশীল জেনেও দীপু দাসকে জ্যান্ত পুড়িয়ে আপনারা কি দীপু দাশের চেয়েও হাজার গুণ বেশী ইসলামের অবমাননা করলেন না?
এসব করে আপনারা ইসলাম ধর্মের কতটা সম্মান রক্ষা করলেন!
জানি না হাশরের ময়দানে আপনাদের কোনো বিচার হবে কিনা, তবে এটা জানি, আল্লাহর মাইর দুনিয়ার বাইর! আপনারাই তো বলেন, আল্লাহ ছাড় দেন কিন্তু ছাড়েন না!
দীপু দাসের অতৃপ্ত আত্মার কান্না, দীপু দাসের অসহায় পরিবারের চোখের জলের অভিশাপের ভার সইতে পারবেন তো?
রোজ হাশরের ময়দানে পৌঁছানোর আগে পৃথিবীর ময়দানেই না জানি সূর্য আপনাদের মাথার উপর এসে দাঁড়ায়! দীপু দাসের নিরীহ বাবা-মা, সদ্য বিধবা স্ত্রী আর পিতৃহারা অবুঝ সন্তানের আর্তনাদ কিন্তু ঠিক ঠিক আল্লাহর দরবারে পৌঁছে গেছে! আল্লাহ কখনোই আপনাদের ক্ষমা করবেন না।
সূত্র/লেখা: শেখ এমরানুল ইসলাম
২০ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ সকাল ৮:১৯
মাথা পাগলা বলেছেন: আমি জানতাম, একজন হিন্দুকে মেরে পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে। মানে মৃত্যুর পর পুড়ানো হয়েছে। কিন্তু আধ-মরা জল জ্যান্ত একজন মানুষকে পোড়ানোর কথা শুনে প্রথম আলো পুড়িয়ে দেয়াটা আমার কাছে খুব সামান্যই মনে হচ্ছে। মনটা ভীষণ খারাপ হয়ে গেছে।
২|
২০ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ ভোর ৪:৫৪
আমি নই বলেছেন: যে ব্যক্তি একটি নির্দোষ মানুষকে হত্যা করে, সে যেন গোটা মানবজাতিকে হত্যা করলো। এটাই ইসলামের আদেশ। যে মানবে না তাকে অবস্যই এর পরিনাম ভোগ করতেই হবে।
এই হত্যা নিয়ে প্রবল প্রতিবাদ হওয়া উচিৎ ছিল।
২০ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ সকাল ৮:২৬
মাথা পাগলা বলেছেন: এই হত্যা নিয়ে প্রবল প্রতিবাদ হওয়া উচিৎ ছিল।
এই কথাটা উপলব্দি এবং বলার জন্য অনেক ধন্যবাদ। আপনার রাজনৈতিক চিন্তা আমার পছন্দ হয় না, কিন্তু আপনার মানবিক দিকটা আমি সম্মান করি।
৩|
২০ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ সকাল ৭:১২
কামাল১৮ বলেছেন: পরিকল্পিত হত্যাকান্ড।
২০ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ সকাল ৮:২৮
মাথা পাগলা বলেছেন: হ্যাঁ, তবে রাজনৈতিক কোন ইন্ধন ছিলো বলে মনে হয়নি।
৪|
২০ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ সকাল ৭:৪৯
আলামিন১০৪ বলেছেন: দুই দাসকে সনাক্ত করার জন্য পুলিশে দেয়ার দরকার ছিল...
ব্লাসফেমীর জন্য মৃতু্যদন্ডের বিধান থাকা উচিত শান্তি না হলে এ ধরনের ঘটনা ঘটতেই থাকবে
আর ব্লাসফেমীর সংজ্ঞা এভাবে পরিবর্তন করা উচিত, "কদর্য ভাষায় কোন ধর্মগুরু বা ধর্মকে গালাগাল, টিপ্পনি যা ক্রোধের উদ্রেক করে"
গঠনমূলক নির্দোষ আলোচনাকে ব্লাসফেমীর বাইরে রাখা উচিত...তবে সে ক্ষেত্রে কেউ নিজ ধর্মের অনুশাসনে যদি ধর্মত্যাগী হয় হবে তাকে "অবিশ্বাসী" হিসেবে জাতীয় পরিচযপত্রে নিবন্ধন করার নিয়ম করতে হবে....
এ ব্লগে একজন মুসলিম নাম ধারী সাজ্জাদ আছে যে মাত্রা জ্ঞান বিবর্জিত কদর্য ভাষায় ইসলামেন নবীকে আক্র মণ করে...সামু ব্লগীয় নীতিমালায় কি এটা পারমিটেড?
২০ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ সকাল ৮:৪৫
মাথা পাগলা বলেছেন: রাগ কতোটুকু উঠলে ব্লাসফেমী করা যাবে? রাগের মাপকাঠি কি দিয়ে নির্ধারণ করা হবে? কারণ এক একজনের সাইকোলজি এক এক একভাবে কাজ করে।
৫|
২০ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ সকাল ৯:০৯
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: তৌহিদি জনতা নাকি গার্মেন্টস মালিকের ভাড়া করা লোক দিয়ে এই জঘন্য কাজ করা হয়েছে সেটা খতিয়ে দেখা দরকার। এটা মোর দেন ধর্ম অবমাননা এবং স্বার্থের দ্বন্ধ।
২০ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ সকাল ৯:৩৭
মাথা পাগলা বলেছেন: ঠিক, সাথে হিন্দুদের প্রতি বিদ্বেষ, তাদের নিরাপত্তাহীনতা, আর বিচারহীনতার ভয়াবহ চিত্রটাও সামনে এসেছে।
৬|
২০ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ সকাল ১১:৫৭
জ্যাক স্মিথ বলেছেন: বাংলাদেশের মানুষ যতই জঙ্গি মানসিকাতার হয়ে থাকুক না কেন, একজন মানুষকে পুড়িয়ে হত্যা করার মত বর্বরতার চুরান্ত সীমা অতিক্রম করবে এটা আমি কখনোই কল্পনা করিনি, এ ধরণের ঘটনা সাধারণত পাকিস্তান এবং আফগানিস্তানেই দেখা যায়।
২০ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ দুপুর ১২:৩৭
মাথা পাগলা বলেছেন: আপনার মতো সবাই এধরনের বর্বরতা কল্পনা করতে পারবে না। কেন এসব হচ্ছে আর কিভাবে প্রতিরোধ করা যায় - ইউনুস সরকারকে সেটা নিয়ে ভাবতে হবে।
৭|
২০ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ দুপুর ১২:৪৯
কিরকুট বলেছেন: ![]()
৮|
২০ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ দুপুর ১:০৬
নতুন নকিব বলেছেন:
খুবই দুঃখজনক ঘটনা। নিন্দা জানানোর ভাষা নেই। যারা এসব অপকর্মে জড়িত, এদেরকে চিহ্ণিত করে দেশের প্রচলিত আইনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনতে হবে। এরা দেশের শত্রু, ধর্মেরও শত্রু।
৯|
২০ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ বিকাল ৫:৫৪
রাজীব নুর বলেছেন: ধার্মিকদের আমি ভয় পাই।
১০|
২০ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ রাত ৮:০২
প্রামানিক বলেছেন: এই ঘটনার সুষ্ঠ তদন্ত হওয়া দরকার এবং দোষিদের শাস্তি হওয়া দরকার
২১ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ সকাল ৮:৩০
মাথা পাগলা বলেছেন: সুস্থ্য বিবেকবান মানুষের হিসেবে সকলের দাবি।
১১|
২১ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ সকাল ৭:৪৭
ইমরান আশফাক বলেছেন: প্রামানিকের সাথে আমি সম্পূর্ন একমত। মব ভায়োলেন্স আমাদের দেশে লাগামছাড়া হয়ে যাচ্ছে প্রতিনিয়ত। তবে আমার মনে হচ্ছে পোষ্টদাতা কিছু কিছু তথ্য অতিরন্জিত করে বলেছেন।
২১ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ সকাল ৮:১৮
মাথা পাগলা বলেছেন: কোন তথ্য অতিরঞ্জিত? নির্দিষ্ট করে বলুন। নইলে এই ধরনের মন্তব্য শেষ পর্যন্ত মবকেই সাপোর্ট দেয়।
১২|
২২ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ দুপুর ২:০১
রাজীব নুর বলেছেন: পোষ্টে আবার এলাম। কে কি মন্তব্য করেছেন, সেটা জানতে।
©somewhere in net ltd.
১|
২০ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ রাত ৩:৫৮
শ্রাবণধারা বলেছেন: হেরে যাচ্ছে বাংলাদেশ! জঙ্গিদের শাসন প্রতিষ্ঠা হয়েছে।