| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
একটা দেশের উন্নয়ন কতটা এগিয়েছে, সেটা বোঝার অনেকগুলো উপায় আছে। তবে সবচেয়ে সহজ উপায় হলো সেই দেশের রাস্তা, সেতু আর যোগাযোগব্যবস্থা। কারণ এগুলোর পরিবর্তন সরাসরি মানুষের দৈনন্দিন জীবনে চোখে পড়ে। শেখ হাসিনার সরকারের উন্নয়ন নিয়ে কথা বলতে গেলে আমরা সাধারণত পদ্মা সেতু, মেট্রোরেলের কথা বলি।
কিন্তু ঢাকার দিকে একটু তাকান। কোভিড, রাজনৈতিক অস্থিরতা থাকা সত্ত্বেও ২০১৮ সালের পর মাত্র কয়েক বছরের মধ্যে ঢাকাকে ঘিরে চারটা বড় এক্সপ্রেসওয়ে তৈরি হয়েছে।
ঢাকা-মাওয়া-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ে।
ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে।
পূর্বাচল এক্সপ্রেসওয়ে বা ৩০০ ফুট সড়ক।
ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে।
ভাবা যায়?
একটা শহরকে ঘিরে কয়েক বছরের মধ্যে এত বড় বড় যোগাযোগ অবকাঠামো তৈরি হওয়া ছোট কোনো ব্যাপার নয়।
এই এক্সপ্রেসওয়েগুলোর ফলে ঢাকার সঙ্গে দেশের দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল, পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল এবং উত্তর ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের যোগাযোগ অনেক সহজ ও দ্রুত হয়েছে। বিশেষ করে খুলনা, বরিশাল, ফরিদপুর, গোপালগঞ্জের মতো দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জেলা থেকে ঢাকায় যাতায়াতে বড় পরিবর্তন এসেছে। আবার পূর্বাচল ও ৩০০ ফুট সড়কের মাধ্যমে নারায়ণগঞ্জ, নরসিংদী, গাজীপুরসহ পূর্ব ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সঙ্গে যোগাযোগও আরও সহজ হয়েছে।
সব মিলিয়ে, ঢাকার ওপর নির্ভরশীল কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথে নতুন বিকল্প তৈরি হয়েছে - যাতায়াতের সময় কমেছে, পণ্য পরিবহন সহজ হয়েছে এবং ঢাকার যানজটের চাপও ভাগ করার সুযোগ তৈরি হয়েছে।
অর্থাৎ ঢাকার চারপাশে শুধু একটা-দুইটা নতুন রাস্তা হয়নি - একটা বড় যোগাযোগ নেটওয়ার্ক তৈরি হয়েছে এবং হচ্ছে।
প্রকল্প তৈরিতে জমি অধিগ্রহণ, বিদ্যুৎ ও গ্যাসলাইনসহ বিভিন্ন ইউটিলিটি সরানো, নকশাগত পরিবর্তন সমস্যা থাকলেও প্রকল্প থেমে যায়নি। বরং ২০২৬ সালে এসে এর দৃশ্যমান সুফল পাওয়া শুরু হয়েছে। ধউর থেকে আশুলিয়া পর্যন্ত প্রকল্পের আওতায় নির্মিত দুটি সার্ভিস সেতু এখন যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে। সবচেয়ে ভালো বিষয় - এই সেতু দুটিতে কোনো টোল লাগছে না।
শেখ হাসিনা সরকারের বড় একটি বৈশিষ্ট্য ছিল বড় পরিসরে চিন্তা করা এবং বড় প্রকল্প নেবার সাহস। যে কাজগুলোকে অসম্ভব বা অনেক বড় মনে হয়েছে, সেগুলো নিয়েও তার সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং বাস্তবায়নের দিকে এগিয়েছে। একটার পর একটা অবকাঠামো প্রকল্প নেওয়া হয়েছে, যেগুলোর অনেকগুলোর সুফল আজ মানুষ পাচ্ছে, আর যেসব প্রকল্প এখনো শেষ হয়নি, সেগুলোর সুফলও ভবিষ্যতে মানুষ পাবে।
০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ভোর ৪:৪৯
মাথা পাগলা বলেছেন: আপনার অপনেন্ট চোর-ডাকাত হলে চোর-ডাকাত পোষা ছাড়া ট্যাকেল দেয়া সম্ভব হবে না। আবার নিজের দলের ভিতরে চোর-ডাকাত আছে - তাদের ছাড় না দিলে কথা শুনবে না দেশ চালানো যাবে না। বাংলাদেশের রাজনীতি এভাবেই চলে। বর্তমান তৌহীদি জনতার অ্যাক্টিভিটি দেখেন। বিএনপি সরকার তৌহীদি জনতা দিয়ে লীগের পুণর্বাসন ঠেকাচ্ছে বলে অনেক বিষয়ে তাদের ছাড় দেয়া হচ্ছে। তবে এগুলা আমি সমর্থন করি না বা ঊন্নয়নের কথা বলে শেখ হাসিনার সরকারের অপকর্ম জাস্টিফাই করাও যাবে না।
০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ভোর ৪:৫১
মাথা পাগলা বলেছেন: লীগের সরকার চোর হলে - বিএনপি সরকার ডাকাতের দল, ডাকাতি করা ছাড়া এরা কিছু জানে না - দেশ চালানোর মতো কোন জ্ঞান-বুদ্ধি এদের নাই, দেশপ্রেম নাই।
©somewhere in net ltd.
১|
০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ভোর ৪:৩২
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: প্রকল্প এখনো শেষ হয়নি, সেগুলোর সুফলও ভবিষ্যতে মানুষ পাবে।
......................................................................................................
বাস্তবতা হলো, আমরা অন্যর অবদানকে স্বীকার করিনা , পারলে খুঁত বের করি ।
যা বাঙাল চরিত্রর নিকৃষ্টতম দিক ।
শেখ হাসিনা সরকারের বড় ভূল ছিল , আমলা নির্ভর হওয়া, ফলে সব অপকর্মর দায়
এখন সেই সরকারের উপর । অথচ গুপ্ত থেকে অনেকেই নিজ নিজ স্বার্থ হাসিল করেছে ।
......................................................................................................................
সরকারের আমলারা যদি ঐ সরকারকে গুম, খুন আর দূর্ণীতি থেকে মুক্ত রাখতে পারত
তাহলে আজ আমাদের এই করুণ দশা হতোনা ।