নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

দুদিনের এই দুনিয়াতে- সবাই মুসাফির

মুসাফির...

আমি : মানুষটা বোকা..ভাল লাগে : নীরব কান্না ..প্রিয় ছিকনামা : ভাত দে .. দহনপ্রিয় বই : নহন্যতে... (মৈত্রেয়ী দেবী)প্রিয় মানুষ : ঐ তাবলিগ ওয়ালাপ্রিয় কবিতার লাইন : ধরনী বিলাসকুঞ্জ নহে নহে কারো .. অভাব বিরহ আছে . আছে ...খারাপ লাগে : লাজনীতি.. প্রিয় গান : তুমি কি সেই আগের মত আছ..প্রিয় প্রাণী : মিঁউ.. (আছে দুইটা)ঘৃণা করি : সেই সব মিথ্যাবাদী..প্রিয় খাবার : শিমের ডাল, লইট্টার শুটকী ..স্বরনীয় : নাই .. ফুক্কু.. : সতের বছর ব্রেক অব ষ্টাডি অত:পর সেকন্ড ক্লাস...

মুসাফির... › বিস্তারিত পোস্টঃ

কোরআনের সমালোচনা- যেভাবে আপনার উপকার করতে পারে..

০৯ ই আগস্ট, ২০১১ দুপুর ১:১৪

আজকাল ব্লগের নাস্তিকদের ইসলাম আর কোরআন নিয়ে সমালোচনায়-একদিক দিয়ে কিছুটা উপকারই হচ্ছে বলে আমি মনে করি। কারন‍: এইতো আজকের একটি পোষ্ট দেখলাম- যার লেখক সর্বশেষ প্রশ্ন রেখেছেন- নিচের অংশ সেই পোষ্ট থেকেই কপি পোষ্ট-



মূমীনেরা কি জবাব দেবেন একজন অমুসলিম কেন শুয়োর, বানর , গাধা বা কুকুর ? আমার হাতের কাছে কিন্তু পবিত্র গ্রন্থ। সুরা ৭:১৭৬ এ কুকুরের সাথে তুলনা করা আছে।সুরাহ ৭৪:৫০ এ গাধা বলা আছে, সুরাহ ৫:৬০ এ বলা আছে বানর এবং শুয়োর। কেন? কেন? কেন?

------------------------------------------------------------------

আমার মনে প্রশ্ন জাগল- আচ্ছা অনুবাদটি একটু দেখিনা কেন- কি লেখা সেখানে? কম্পিউটারেই ছিল- জিকর সফটয়ারটি-পেয়ে গেলাম অনুবাদ- পোষ্টের লেখকের বর্ননা অনুযায়ী- প্রসঙ্গ:-০১-

(পাঠকের জন্য সঠিক অনুবাদ:7:176)

----------------------- অনুবাদ নিচে ----------------------------

-7:176- অবশ্য আমি ইচ্ছা করলে তার মর্যাদা বাড়িয়ে দিতাম সে সকল নিদর্শনসমূহের দৌলতে। কিন্তু সে যে অধঃপতিত এবং নিজের রিপুর অনুগামী হয়ে রইল। সুতরাং তার অবস্থা হল কুকুরের মত; যদি তাকে তাড়া কর তবুও হাঁপাবে আর যদি ছেড়ে দাও তবুও হাঁপাবে। এ হল সেসব লোকের উদাহরণ; যারা মিথ্যা প্রতিপন্ন করেছে আমার নিদর্শনসমূহকে। অতএব, আপনি বিবৃত করুন এসব কাহিনী, যাতে তারা চিন্তা করে।



------------------------------- অনুবাদ শেষ ----------------------

(আলোচ্য আয়াতে অতীথে সংঘঠিত কোন ঘটনার বর্ননা অনুযায়ী এক প্রকার লোকের বর্ননা পেশ করার পর ছিল উপরের অনুবাদকৃত প্রসঙ্গটি)



পোষ্ট লেখকের ০২. নং প্রসঙ্গটি : যার আগে এবং পরের লাইটির অনুবাদও উঠিয়ে দেয়া হয়েছে:

---------------------------- অনুবাদ নিচে -------------------------

তাদের কি হল যে, তারা উপদেশ থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়?

(74:50 যেন তারা ইতস্ততঃ বিক্ষিপ্ত গর্দভ)

হট্টগোলের কারণে পলায়নপর। বরং তাদের প্রত্যেকেই চায় তাদের প্রত্যেককে একটি উম্মুক্ত গ্রন্থ দেয়া হোক।

---------------------------- অনুবাদ শেষ ----------------------------

এখানেও এক প্রকার লোকের বর্ননা দেয়া আছে- এবং সেই প্রসঙ্গেই আলোচনাটি এসেছে।



পোষ্ট লেখকের ০৩. নং প্রসঙ্গটি :

-------------------------- আয়াতের অনুবাদ নিচে---------------------

বলুনঃ আমি তোমাদেরকে বলি, তাদের মধ্যে কার মন্দ প্রতিফল রয়েছে আল্লাহর কাছে? যাদের প্রতি আল্লাহ অভিসম্পাত করেছেন, যাদের প্রতি তিনি ক্রোধাম্বিত হয়েছেন, যাদের কতককে বানর ও শুকরে রূপান্তরিত করে দিয়েছেন এবং যারা শয়তানের আরাধনা করেছে, তারাই মর্যাদার দিক দিয়ে নিকৃষ্টতর এবং সত্যপথ থেকেও অনেক দূরে।

--------------------------------- অনুবাদ শেষ------------------------



আলোচ্য প্রসঙ্গটি: অতীতে সংঘটিত ঘটনার বর্ননায় শুকর আর বানর বানানোর কথা বলা হয়েছে- যা হযরত জাকারিয়া (আঃ) এর যুগে সংগঠিত হয়েছিল।



এখন পোষ্ট লেখক: মনে করলেন- তাদেরকে শুকর বানর বলা হয়েছে।

তাহলে আমার প্রশ্ন হলো : আপনি চুরি করলেন-সেটা আমি দেখলাম। কিন্তু আমি সেটা কারো কাছে কেন বলতে পারবনা যে- "বীরেন্দ্র চুরি করেছে আমি সেটা দেখেছি। অথবা বীরেন্দ্র যা করেছে সেটা চোরের মত আচরন।

দ্বিতীয় প্রসঙ্গে-- কেন বলা যাবেনা যে "বীরেন্দ্র যে কাজটি করছে সেটা গাধার মত বা বোকার মত আচরন"। ........ বিচারের ভার পাঠকের হাতে।

----------------------------------------------------------------

• এবার আসা যাক এই পোষ্টের মুল আলোচনায়: ওদের সমালোচনার কারনেই আজ আমি সঠিক অনুবাদটি পড়লাম। সমালোচনা যতার্থই হোক আর ভুলই হোক- আমাকে আমার ঈমানের কারনে কোরআন দেখতে হলো। এতে আমার উপকারই হয়েছে বলে আমি মনে করি।

• ইমাম আবু হানিফার কাছে তাঁর এক সাগরেদ প্রশ্ন করল: আমার অন্তরে সব সময় শয়তান অসুওয়াসা (খারাপ চিন্তা) সৃষ্টি করে যার জন্য আমি মানষিক ভাবে কষ্ট পাই। -- তিনি জবাব দিলেন-”যখন অন্তরে অসওয়াসা আসে তখন তুমি মনে মনে এই চিন্তা করে খুশী হবে যে- তোমার অন্তরে শয়তান এসেছে কারন তুমি ঈমানদার- আর শুণ্য ঘরে কখনও চোর আসেনা। সাথে সাথেই তোমার কাছ থেকে শয়তান চলে যাবে। কারন মুমিনের খুশী শয়তান দেখতে পারেনা। যার ফলে খারাপ চিন্তাও থাকবেনা।

এই কথাটা জানার পর থেকে আমি নিজেও পরীক্ষা করে দেখেছি এটা একটা অব্যর্থ চিকিৎসা

এভাবে ব্লগের মুসলিমদের এই কথা চিন্তা করে খুশী হওয়া প্রয়োজন আছে- ইসলামের মধ্যে ভাল একটা কিছু আছে- আর আছে বলেই – এর আবির্ভাবের পর হতেই অদ্যাবধি এর বিরোদ্ধে শয়তানের এত ক্যাচাল।

• আর যারা মুসলিম হবার পরেও দুদুল্যমান চিন্তাধারার মানুষ তারা যদি এই ব্লগের নাস্তিকতার সামান্য আঘাতে ইসলাম বা ঈমানহারা হয়ে যায়-? বা সামান্য আঘাতে নিজে যদি কোরআন, হাদিস, আর ইসলামকে নিয়ে নিজেকে একটু ঝালিয়ে নিতে না পারে তাহলে তার পরিনতির জন্য তো আর অন্য কেউ দায়ী নয়।

শেষকথা : নাস্তিকদের কথায়, পবিত্র কোরআনের ভুল ব্যাক্ষায় ‍বিচলিত হবার কিছু নাই। আপনি নিজেও নিজের কম্পিউটারে পবিত্র কোরআনের অনুবাদসহ সম্পুর্ন সফটওয়ারটি সেটআপ করে রাখতে পারেন। যে কোন আয়াত সাথে সাথেই অনুবাদ দেখে নিতে পারেন। কিভাবে সেটআপ দিবেন বিস্তারিত আছে এই পোষ্টে।

Zekr : শক্তিশালী কুরআন সফটওয়্যার ও তার বাংলা এক্সটেনশন : ইন্সটলেশন ও ব্যবহারবিধি



যে পোষ্ট প্রসঙ্গে এই লেখাটি : এইখানে দেখুন

মন্তব্য ২২ টি রেটিং +১০/-০

মন্তব্য (২২) মন্তব্য লিখুন

১| ০৯ ই আগস্ট, ২০১১ দুপুর ১:৪৫

মুহাম্মদ ফয়সল বলেছেন: যথার্থ বলেছেন, ধন্যবাদ! সকলকে অনুরোধ এই রমজানে কোরআনের সম্পুর্ন বাংলা অনুবাদটুকু পড়ে নিতে! আল্লাহ্ আমাদের সহায় হোন!

০৯ ই আগস্ট, ২০১১ বিকাল ৪:১২

মুসাফির... বলেছেন: সুন্দর মন্তব্যের জন্য.. আপনাকে ধন্যবাদ ...
সাথে থাকুন:
নাস্তিকদেরকে বলা কিছু কড়া আর কঠিন কথাগুলো পড়ে দেখার আমন্ত্রন।
ব্লগের নাস্তিক্য- ইসলাম এবং আমরা...

২| ০৯ ই আগস্ট, ২০১১ বিকাল ৪:০১

মাসুদ১আলম বলেছেন: অসাধারণ.....ধন্যবাদ

০৯ ই আগস্ট, ২০১১ বিকাল ৪:১৫

মুসাফির... বলেছেন: নিচের এই লেখাটি পড়ার আমন্ত্রন: আপনাকেও ধণ্যবাদ।
ব্লগের নাস্তিক্য- ইসলাম এবং আমরা...

৩| ০৯ ই আগস্ট, ২০১১ সন্ধ্যা ৬:২২

আত্মমগ্ন আিম বলেছেন: যতবার ইসলামের বিরুদ্ধতাবাদী লেখা পড়ি, ততবার কোরআনের তর্জমাটা আবার পড়ি, আরো ভালো করে বুঝার চেষ্টা করি...আল্লাহ ঈমানকে আরো দৃঢ় করে দেন।
বর্তমানে চিকিৎসা বিগ্গান বিষয়ক আয়াতগুলো ভাল করে বুঝার চেষ্টা করছি।
আলাদাভাবে এ আয়াতগুলোর কোন সংকলন থাকলে দয়া করে জানাবেন।

ভাল থাকবেন ভাই।।

০৯ ই আগস্ট, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:৩৭

মুসাফির... বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই.. লেখাটি পড়ার জন্য।
বিষয় ভিত্তিক আয়াতের সংকলন নামে একটা পুস্তিকা বাজারে পাওয়া যায়। আমি অনেকদিন আগে বইটির নাম শুনেছিলাম। এই মহুর্তে মনে আসছে না। তবে আপনি যদি বাংলাদেশে অবস্থান করেন তবে বায়তুল মোকাররমের বুক ষ্টল গুলোতে খোঁজ নিতে পারেন। তাছাড়া ইসলামিক ফাউন্ডেশনেও খোঁজ নিতে পারেন।

আপনাকে ধন্যবাদ.. মন্তব্যের জন্য। ভার থাকুন.. সাথে থাকুন...

শুভ কামনা আপনার জন্য।

৪| ০৯ ই আগস্ট, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:৫২

সেচ্ছাসেবক বলেছেন: kokhonoi namaj-a regular selam na , Roja-a ki jano hoy , try kori regular hotay . Alhamdulillah ae roja-a namaj kaja hoAsay kisu kintu regular porse,ak waktar namaj-o baad dai nai . Dua korben jano ae roja and rojar poray-o jano namaj-a regular poray jatay pari . Jodi namaj ar time-a lazyness ashay taholay boli "ame kokhonoi shoitan k joE hotay dibo na" . Dua korben .

০৯ ই আগস্ট, ২০১১ রাত ১০:১৫

মুসাফির... বলেছেন: আপনি অনেক কষ্ট করে ইংরেজীতে আপনার বক্তব্য লিখেছেন: পড়লাম আর আপনার সরলতায় আমার চোখ ভিজে আসল। দোয়া করি আপনি সফল হোন জীবনে-মরনে, দুনিয়া ও আখেরাতে। আল্লাহ্ আপনার সহায় হউন।
মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ.. সাথে থাকবেন।

৫| ০৯ ই আগস্ট, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:৫৬

সেচ্ছাসেবক বলেছেন: kokhonoi namaj-a regular selam na , Roja-a ki jano hoy , try kori regular hotay . Alhamdulillah ae roja-a namaj kaja hoAsay kisu kintu regular porse,ak waktar namaj-o baad dai nai . Dua korben jano ae roja and rojar poray-o jano namaj-a regular poray jatay pari . Jodi namaj ar time-a lazyness ashay taholay boli "ame kokhonoi shoitan k joE hotay dibo na" . Dua korben .

৬| ০৯ ই আগস্ট, ২০১১ রাত ৮:০৮

এম এস জুলহাস বলেছেন:
প্রস্তরের গায়ে ফুল ফোটাতে যাওয়া যে কথা, (যদিও মহান আল্লাহতায়ালা প্রস্তরের গায়েও ফুল ফোটাতে সক্ষম) ঐসমস্ত আ-বাল নাস্তিককে ইসলামের কথা বলতে যাওয়া একই কথা। অবশ্য তাদের পৈত্রিক সূত্রে পাওয়া ধর্মের কথা বললে কোন দোষ নাই।

৭| ০৯ ই আগস্ট, ২০১১ রাত ৮:১৭

এম এস জুলহাস বলেছেন:
প্রস্তরের গায়ে ফুল ফোটাতে যাওয়া যে কথা, (যদিও মহান আল্লাহতায়ালা প্রস্তরের গায়েও ফুল ফোটাতে সক্ষম) ঐসমস্ত আ-বাল নাস্তিককে ইসলামের কথা বলতে যাওয়া একই কথা। অবশ্য তাদের পৈত্রিক সূত্রে পাওয়া ধর্মের কথা বললে কোন দোষ নাই।
Click This Link

০৯ ই আগস্ট, ২০১১ রাত ১০:১৮

মুসাফির... বলেছেন: আপনার লেখাটি পড়েছি আরো অনেক আগেই ...
যে পোষ্টটি আজ আমাকে এই লেখাটি লিখতে প্রেরনা দিয়েছে সেটা এবং তার মন্তব্যগুলো দেখার আমন্ত্রন: Click This Link

৮| ১০ ই আগস্ট, ২০১১ রাত ৯:৫৭

ক্ষুধার্ত বলেছেন: গতকাল পোস্ট নিয়ে একটা মোটামুটি ধরনের মন্তব্য লেখার পর সেন্ড করে দেখি মন্তব্যটি নেই, মানে আমি লগ আউট :(

আপনার বক্তব্যকে শ্রদ্ধার সাথে মেনে নিয়ে বিনীত ভাবে কিছু কথা যোগ করতে চাই।

আপনারা যখন নাস্তিক দেখে বিচলিত হন তখন আমার হাসি পায়, আমি নাস্তিকদের ধার্মীক স্বীকৃতি দাবি করি, দাবি মানে ওনাদেরকে আমরা আস্তিকদের পাশা পাশি বেড়ে উঠা আস্তিকদের মঙ্গল মনে করি, বিধাতাই এমন নিয়ম করে দিয়েছেন পৃথিবীতে, কিছু মুল্যবান বস্তুর পাশেই কিছু অপ্রয়োজনীয় বস্তুর আবির্ভাব থাকলে আমরা তফাৎ বুঝি। যেমন ধরুন গ্রামে হাল চাষ করলে দেখা যায় কিছু মানব কল্যণের জন্য চাষাবাদ শস্যে সুবিধা নিয়ে কিছু অপ্রয়োজনীয় শস্য উৎপাদন হয়,যেমন ধরুন আঁখ এর মত হুবহু আরেকটা উদ্ভিদ জন্মায়, শস্য দানার মতই আরেকটা দানা গাছ জমিতে বেড়ে উঠে।

এমন হাজার হাজার উপমা আছে, সব শেষ রাতের সাথেই দিন।এই সব কিছুতে যত বিচলিত হবেন তত অন্য অসুবিধা গুলো মাথা চড়া দিয়ে উঠবে ও সে গুলো প্রচার প্রসার বেড়ে যাবে। বুদ্ধিমানের কাজ হলো এদের এড়িয়ে চলা ও তারা যা প্রচার করছে তা থেকে শিক্ষা নেওয়া।

ধরুন আপনি রাস্তায় একজন নাস্তিক কে পেটালেন, এতে অনেক আস্তিক এসে বিড় করলো, সবাই জানতে চাইলো লোকটা কে, কি তার অপরাধ, আপনি বল্লেন সে নাস্তিক, এখন কিছু লোক জানতে চেষ্টা করবে নাস্তিক কি, সে নাস্তিক নিয়ে সময় দেয়া শুরু করলো, এক সময় তার মধ্যে নাস্তিক নিয়ে একটা প্রশ্ন উত্তর জন্ম নিবে।
তাহলে নাস্তিকের প্রচারে আস্তিকের ভুমিকাই বেশি থাকলো।

মনে রাখবেন আমাদের দেশে কেউ নাস্তিক হয়ে জন্মায়না, ক্রমশ নাস্তিক হতে শুরু করে।

আমি যদি আল্লাহকে স্বীকার না করি তাহলে আল্লাহ কোরআনে কি বললো সেগুলো আমাকে শুনিয়ে কোন লাভ নেই, লাভ হবে আমি যদি তার সাথে ভালো ব্যবহার করি, তাকে বুঝাতে হবে আমি আস্তিক বলেই এমন আর তুমি নাস্তিক বলে নগ্ন।

শুভ কামনা

১০ ই আগস্ট, ২০১১ রাত ১১:১৬

মুসাফির... বলেছেন: আপনাকে আমি আগেও বলে ছিলাম আপনার চিন্তাধারা আমার ভাললাগে..আর এই ভাললাগা-ই আমাকে আপনার ব্লগে টেনে নিয়ে যায় মাঝে মাঝে। যাক বরাবরের মত এবারও আপনার মন্তব্য সঠিক মনে হয়েছে। তবে নাস্তিকদের সীমালঙ্ঘনকারী লেখাগুলির প্রতিবাদ করাও কখনও কখনও জরুরী বলে মনে করি- কারন: "আগাছা না আবার ক্ষেত খেয়ে ফেলে"।

সব শেষে এটিই মনে রাখতে হবে- যেমনটি আপনি বলেছেনঃ
কিছু মুল্যবান বস্তুর পাশেই কিছু অপ্রয়োজনীয় বস্তুর আবির্ভাব থাকলে আমরা তফাৎ বুঝি।

শুভ কামনা.. ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।

৯| ১০ ই আগস্ট, ২০১১ রাত ১১:৫৪

এস এইচ খান বলেছেন: চমৎকার পোস্ট। কিন্ত এতে ওদের কিইবা আসে যায়? যা হোক, Zekr এখনও ইন্সটল করিনি। শিঘ্রই করে নেব ইনশাআল্লাহ।

@ক্ষুধার্তের কমেন্ট এবং প্রতিউত্তর আরো ভাল লেগেছে।

ধন্যবাদ পোস্টের জন্য।

১১ ই আগস্ট, ২০১১ রাত ১২:২২

মুসাফির... বলেছেন: এ ভাবেই পাশে থাকুন...
শুভ কমনা আর ধন্যবাদ জানাই মন্তব্যের জন্য।

১০| ১৭ ই আগস্ট, ২০১১ রাত ৮:১৪

মন্জুরুল ইসলাম বলেছেন: সোন্দর, আপনাকে ধন্যবাদ।
+ + +

২৪ শে আগস্ট, ২০১১ দুপুর ১২:৪৩

মুসাফির... বলেছেন: আপনাকে ধণ্যবাদ...

১১| ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ সকাল ১১:৫১

মুকুট বিহীন সম্রাট বলেছেন:



ভালো লেগেছে আপনার পোস্ট


ক্ষুধার্তের মন্তব্য সমর্থন করলাম

১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ দুপুর ১২:৩৩

মুসাফির... বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে..

১২| ২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১১ ভোর ৬:০৬

rasel246 বলেছেন: ভাল লাগলো

২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:৪২

মুসাফির... বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ.. শুভকামনা আপনার জন্য...

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.