নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

জ্ঞানী লোকের কাছে প্রতিনিয়ত শিখছি। অজ্ঞের থেকে শেখার কিছু নেই। সম্মান যতটুকু দিবেন ততটুকু ফেরত পাবেন।

এম ডি মুসা

আমি জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব নই। আমি কোন কবিও নই।কবিতা লেখি, শখের বিষয়। জানি ছন্দ জানি মাত্রা এই নিয়ে আমার পথ যাত্রা।। কুসংস্কার এবং অন্যায় বিরুদ্ধে সোচ্চার। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা আমার বুকের ভেতর মজুদ করা।

এম ডি মুসা › বিস্তারিত পোস্টঃ

মানবিক বাংলাদেশের প্রত্যাশ

২৬ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ৯:১৬



মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হলে রাজনৈতিক দল ও বিরোধী দলের মধ্যে সমান সুযোগ ও ন্যায্য বণ্টন নিশ্চিত করা জরুরি। একটি রাষ্ট্র তখনই মানবিক হয়, যখন মতের ভিন্নতা থাকা সত্ত্বেও সকল নাগরিক নিরাপত্তা, ন্যায়বিচার ও অধিকার ভোগ করতে পারে।

২০২৬ সালে এসে বাংলাদেশ ক্ষুধার জ্বালায় আর্তনাদ করছে না। মানুষ আজ চিৎকার করছে মানবতার জন্য, নিরাপত্তার জন্য এবং ভয়হীন জীবনের নিশ্চয়তার জন্য। মানুষের চাওয়া এখন স্পষ্ট। তারা একটি নিরাপদ রাষ্ট্রব্যবস্থা চায়, যেখানে ভয় নয় বরং আইনের শাসন থাকবে।

যেদিন বাঙালি বাঙালির ভাই হবে, সেদিনই স্বাধীনতার প্রকৃত স্বপ্ন বাস্তবায়িত হবে। অন্যথায় প্রতিশোধপরায়ণ রাজনীতি ও দ্বন্দ্বের ধারাবাহিকতা সমাজকে আরও বিভক্ত করবে। এই বিভাজনের সবচেয়ে বড় শিকার হয় সাধারণ মানুষ।

অপরাধের দায় অপরাধীকেই বহন করতে হবে। নিরপরাধ মানুষের হয়রানি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। মামলা হলে সত্য ও মিথ্যা যাচাইয়ের জন্য একটি নিরপেক্ষ ও স্বতন্ত্র তদন্তব্যবস্থা থাকা জরুরি। এ ক্ষেত্রে একটি গোপন গোয়েন্দা সংস্থা প্রয়োজন, যারা রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত থেকে মানবাধিকার সংগঠনের পর্যবেক্ষণে কাজ করবে। রাষ্ট্রীয় বা দলীয় হস্তক্ষেপ থাকলে ন্যায়বিচার প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়ে।

জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা ছাড়া দুর্নীতি রোধ সম্ভব নয়। মিথ্যা মামলায় যদি কোনো আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সদস্য জড়িত থাকে, তবে তার বিরুদ্ধে বহিষ্কার ও জরিমানাসহ দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি বাধ্যতামূলক করতে হবে। আইন যেন রক্ষার জন্য ব্যবহৃত হয়, নিপীড়নের হাতিয়ার হিসেবে নয়।

বর্তমান বাস্তবতায় বাংলাদেশের মানুষ উন্নত জীবনযাপনকে প্রথম চাহিদা হিসেবে দেখছে না। মানুষের প্রথম চাওয়া নিরাপত্তা। দ্বিতীয় চাওয়া নিজের আয়ের মধ্যে সম্মানজনক খাদ্য নিশ্চিত করা। এরপর মানুষ চায় অধিকার, চায় দুর্নীতিমুক্ত ও অনিয়মহীন রাষ্ট্রব্যবস্থা।

সবশেষে মানুষের সবচেয়ে সাধারণ আকাঙ্ক্ষা হলো শান্তিতে বেঁচে থাকা। দিনশেষে খোলা আকাশের নিচে নির্ভয়ে নিঃশ্বাস নেওয়ার অধিকারই আজ মানুষের সবচেয়ে বড় দাবি। রাষ্ট্রের কাছে মানুষ সৎ, সাহসী ও নিষ্ঠাবান সেবক প্রত্যাশা করে, যারা ক্ষমতার নয় বরং জনগণের প্রতিনিধিত্ব করবে।

মানবিক বাংলাদেশ কোনো কল্পনা নয়। এটি একটি বাস্তব প্রয়োজন এবং সময়ের দাবি।

স্বপ্ন দেখি বাংলাদেশ বৈষম্য বিলোপ
মানবিক বাংলাদেশ স্বপ্ন দেখি ভাই


মন্তব্য ২ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (২) মন্তব্য লিখুন

১| ২৬ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১০:৪৪

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: রাজনৈতিক দলগুলো মানবিক বাংলাদেশ চায় না । তারা চায় জনগণ নিজেদের মাঝে ঝগড়া করুক আর তারা আখের গোছাক।

২| ২৭ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১২:১১

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা ছাড়া দুর্নীতি রোধ সম্ভব নয়।
....................................................................................
যে সাদ্দাম মুক্তি পেলোনা , কোন আইনে ???
স্ত্রী , সন্তানের মৃত্যুর পর দেখা গেলো , যে কারনে জেল গেল
সেই এজহারে নামই নাই !!!
আপনি কাকে দিয়ে মানবতা, জবাবদিহিতা আশা করেন ?
পারবেন , বে-ঈমান , বে-জাতকে ঝেঁটিয়ে বিদায় করতে ???
দায়ীদের শাস্তি দিতে ???

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.