নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ভয় কি মরণে রাখিতে সন্তানে মাতঙ্গী মেতেছে আজ সমর রঙ্গে তা থৈ তা থৈ থৈ দিমি দিমি দ্রম দ্রম ।। ভূত পিশাচ নাচে যোগিনী সঙ্গে ।। ভয় কি মরণে রাখিতে সন্তানে মাতঙ্গী মেতেছে আজ সমর রঙ্গে।। দানব দলনী হয়ে উন্মাদিনী আর কি দানব থাকিবে বঙ্গে ।।

সময়একাত্তর

দীর্ঘ নয়মাস অক্লান্ত পরিশ্রম করে এক চিত্রকর এঁকেছেন তাঁর শ্রেষ্ঠ ছবিটি। যে ছবিতে লাল-সবুজের মাত্রাতিরিক্ত ছড়াছড়ি। সেই ছবিতে আমার বাস।

সময়একাত্তর › বিস্তারিত পোস্টঃ

আমাদের হীনমন্যতা ও তামিমের দাম্ভিকতা

২৯ শে জানুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ১:৪২

যতই প্রতিভাবান হোন না কেন, আত্মবিশ্বাস যদি তলানীতে থাকে, তাহলে প্রতিভাকে কার্যে অনূদিত করা কঠিণ বৈকি। যার জ্বলন্ত (পড়ুনঃ নিভন্ত) উদাহরণ একদা অমিত সম্ভাবনার আধার জনৈক 'আশরাফুল'।



বিশ্ব ক্রিকেটে আমাদের অবস্থান মাশরাফি-সাকিব-তামিম যুগের পূর্বে ছিলো বড়ই নড়বড়ে ও নমনীয়। তাই অন্যান্য দেশের আচরণ আমাদের প্রতি ছিলো ছোট্ট ভাইটাকে বড় ভাইয়ের উৎসাহ প্রদানের মতো আবার কখনোবা অত্যন্ত তাচ্ছিল্যপূর্ণ।



প্রতিভার কমতি কিন্তু তখনো ছিলোনা। কমতি ছিলো আত্মবিশ্বাসের। সেই কমতি পূরণ হলো উপরিল্লিখিত ত্রিমূর্তির আগমনে। পাঁচ ফুট সাত কিংবা আট ইঞ্ছি উচ্চতা নিয়েও কিভাবে ছয় ফুটের ওপর উচ্চতার দানবদের সাথে শীতল দৃষ্টি বিনিময় করা যায়, এই ত্রিমূর্তি তা দেখিয়ে দিলো। তাদের শরীরি ভাষা পুরো দলের আত্মবিশ্বাসে রসদ যোগালো।



কিন্তু না, আমাদের তা সইবে কেন। আমরা সাদা চামড়ার বা ভিনদেশীদের ঔদ্ধত্য দেখে তা তাদের জন্মজাত আত্মবিশ্বাস ভেবে তাতে রোমাঞ্ছিত হতে অভ্যস্ত। সায়মন্ডস বা ওয়ার্ন যখন প্রতিপক্ষকে কথার আঘাতে পরযুদস্ত করে তখন আমাদের মুখেও প্রশংসার বুলি ফোটে। শোয়েব বা শ্রীশান্ত যখন প্রতিপক্ষের দিকে তেড়ে যায়, আমরা পুলকিত বোধ করি। ইনজামাম অথবা রাইডার ব্যাট হাতে দর্শকের ওপর চড়াও হলে আমরা উচিত কর্ম মনে করি।



সাকিব-তামিমের "থোড়াই পরোয়া করি" মনোভাব আমাদের জন্মজাত হীনমন্যতাকে চাগিয়ে দেয়। আমরা মাথা নিচু করে থাকতে অভ্যস্ত। তাই আমাদেরই কেউ মাথা উচুঁ করে চোখ রাঙালে আমাদের পাকস্থলিতে পাক দেয়। আমাদের মিহি কণ্ঠস্বর, তাই আমাদেরই কেউ হুঙ্কার দিলে আমরা তার গলা চেপে ধরি।



সাকিবের মধ্যম-অঙ্গুলি কিংবা তামিমের কটুক্তি আমাদের পৌরুষে জ্বালা ধরিয়ে দেয়। কেননা আমরা তো হাবিবুল বা আশরাফুলদের মতো প্রতিভাবান কিন্তু নির্বিঘ্ন, নিরীহ, পোষা প্রাণ দেখে অভ্যস্ত। পালটা জবাব দেয়, ফোঁস করে ওঠে - এ কেমনতরো নতুন প্রজাতি রে বাবা?



তাইতো সাকিবের পারিবারিক কুৎসা রটনার প্রতি আমাদের অসীম আগ্রহ। আর তাইতো তামিমের কটুক্তি সত্য-মিথ্যা শিরোনাম দিয়ে প্রচারে আমরা অতি উৎসাহি।



এখন সামনে দু'টো পথ খোলা। আসুন হয় আমরা আমাদের হীনমন্যতা ঝেড়ে ফেলি। আর নাহয় সাকিব-তামিম-মাশরাফিকে বলি পোষ মানতে।

মন্তব্য ১২ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (১২) মন্তব্য লিখুন

১| ২৯ শে জানুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ১:৫২

বিপদেআছি বলেছেন: ভাল বলছেন ।

২৯ শে জানুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ২:০১

সময়একাত্তর বলেছেন: অতিষ্ঠ হয়ে গিয়েছি ভাই।

২| ২৯ শে জানুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৩:৩৭

বিষণ্ণ বালক বলেছেন: ভারতিয় ক্রিকেটাররা খেলার মাঠে তো বটেই, টি ভি অ্যাড গুলতে পর্যন্ত যে ধরনের বডি ল্যাংগুএজ প্রকাশ করে সেই তুলনায় সাকিব-তামিম রা তো অনুকরণীয়।

২৯ শে জানুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৩:৪৮

সময়একাত্তর বলেছেন: ছোট-খাটো দোষত্রুটি বাদ দিয়ে অবশ্যই অনুকরণীয়।

৩| ২৯ শে জানুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৩:৪৭

হাসান মাহবুব বলেছেন: দারুণ লিখসেন।

২৯ শে জানুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৩:৪৯

সময়একাত্তর বলেছেন: ভাই লিখে কি লাভ মানুষ যদি না বোঝে।

৪| ২৯ শে জানুয়ারি, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:৩৩

শূন্য পথিক বলেছেন: সহমত।।

২৯ শে জানুয়ারি, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:৪৩

সময়একাত্তর বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই।

৫| ২৯ শে জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১১:৫৪

রেজওয়ান তানিম বলেছেন: ভাল বলেছেন। আসলেই ঘটনা তাই।

৩০ শে জানুয়ারি, ২০১৩ সকাল ১১:০১

সময়একাত্তর বলেছেন: আমাদের হীনমন্যতাই হিংসার উদ্রেক করে।

৬| ৩০ শে জানুয়ারি, ২০১৩ সকাল ১০:৪৩

অস্থির ভদ্রলোক বলেছেন: অনেক ভালো লাগলো। ১০০ ভাগ সত্যি।

৩০ শে জানুয়ারি, ২০১৩ সকাল ১১:০২

সময়একাত্তর বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.