| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
তোমাদের পানে চাহিয়া বন্ধু আর আমি জাগিবনা কোলাহল করি সারা দিনমান, কারো ধ্যান ভাঙ্গিবনা।
(আমি একজন আপাদমস্তক আধুনিক-কবিতা-কানা মানুষ । পুরনো কবিতাগুলো কিংবা বিখ্যাত কিছু কবিতাগুলোর মাঝে অনেকবার বিচরণ করলেও আধুনিক আপাত দুর্বোধ্য কবিতায় আমার ভীষণ অরুচি। আমি জানি এ হয়ত আমার অক্ষমতা, কিন্তু সেখান থেকে বেরিয়ে আসার তাড়নাও অনুভব করি না। ব্লগে কবিতার পরিমাণ আর আমার ব্লগাচারণের পরিমাণ বর্গীয় ব্যস্তানুপাতিক)
--------------------------------------------------------
২০০১ সালের কথা , কলেজ জীবনকালের একদম তুঙ্গে চড়ে বসে আছি। জীবনকে নব রঙে দেখছি , নতুন করে চিনছি। কলেজের কার্যক্রমে নিজেকে বেশি করে সম্পৃক্ত করার চেষ্টাও করছি। ফার্স্ট ইয়ার সবে মাত্র শেষ হয়েছে ।
আমাদের আইডিয়াল স্কুলের হাতে গোনা ২/৪ জন বাদে পুরো ব্যাচের ৩৫০ জনের সবাই সেবার নটরডেমে চান্স পেয়ে বসেছে। মোটের উপর নটরডেম কলেজকে সে বছর আইডিয়াল স্কুলেরই কলেজ শাখা বললেও ভুল হত না। অথচ সবার মাঝেই বোধ করি ফার্স্ট ইয়ারে ক্ষীণ একটা হীনমন্যতা কাজ করত। এর মূলে ছিল সেইন্ট জোসেফ স্কুল থেকে আসা ছেলেরা। পড়াশোনা থেকে শুরু করে নানান কার্যক্রমে তাদের গতিময় চটপটে ভাব-সাব দেখে মনে হত চোখে আঙ্গুল দিয়ে তারা দেখিয়ে দেয়ার চেষ্টা করছে আমরা আদতে পাড়া-গাঁ থেকে এসেছি। বছর ঘুরে দেখা গেল , পাড়া গাঁয়ের আইডিয়ালের ছেলেরা কেবল রেজাল্টেই দোর্দন্ড প্রতাপ দেখাচ্ছে না , সহশিক্ষা কার্যক্রমেও আমরা অগ্রগামী। ফার্স্ট ইয়ার শেষ স্বভাবতই আমরা হাঁফ ছেড়ে বাঁচলাম । জোসেফাইটরাও স্মার্টনেস খুলে আমাদের কাতারে মিশতে শুরু করল।
মানুষ যতই হীনমন্যতায় ভুগুক , সুযোগ পেলে ভাব দেখাতে ছাড়ে না। আর সেই পিচ্চিকালে তো আরও না। জোসেফ-বিপর্যয় থেকে বেরিয়ে তখন এলিটিজম আমাদের উপরও ভর করে বসল। দৃষ্টি পড়ল আইডিয়ালেরই কয়েকজন ছেলের দিকে , স্কুলে যাদের উপর আমরা কিঞ্চিত ভার্চুয়াল ছড়ি ঘুরাতাম। তারা কেউ আমাদের কিঞ্চিত আন্ত:-আইডিয়ালীয় এলিটদের ছাড়িয়ে গেল কিনা , সে পর্যবেক্ষণ শুরু হল নিবিড়ভাবে ।
শিকার মিলে গেল কয়েকদিন বাদেই, নটরডেম সংস্কৃতি ক্লাবে। ক্লাবের মডারেটর ছিলেন বাংলা বিভাগের সোহেল আহমেদ। সোহেল স্যারকে এমনিতেও কলেজে কেউ দেখতে পারত না, সে কারণে সংস্কৃতি ক্লাবের উপর একটা রাগ জমা হয়ে ছিল সবার মাঝেই। দেখা গেল , ক্লাবের ছাত্ররা সকাল বিকাল স্যারকে তোয়াজ করে যাচ্ছে। তাদের মাঝে দলপতি গোছের একজন আমাদের স্কুলেরই , স্কুল লাইফে যাকে আমরা বিশেষ পাত্তা দিতাম না। দলপতিকে টার্গেট করে আমরা তাকে বানালাম ভার্চুয়াল ভিলেন "শুটকি টেরিয়ার ডয়েল" ।
সংস্কৃতি ক্লাব থেকে লিটল-ম্যাগ স্টাইলে প্রতি মাসে প্রকাশিত হত "ঢাকঢোল চিটচ্যাট" । সেখানে দেখলাম দলপতির দীর্ঘ সব কবিতা । আঁতে ঘা লাগল বন্ধুদের সবার। কেউ একজন পুরনো সংখ্যাগুলো নিয়ে এসে জানালো , দলপতি শুটকি গত একবছরে প্রতি সংখ্যায় কবিতা ছাপিয়েছে । ভার্চুয়াল উত্তেজনা তখন আমাদের পেয়ে বসেছে , এই ছেলে বেওকুফের মত আমাদের ছাড়িয়ে গেল , তার শোধ তুলতে হবে।
ভার্চুয়াল ব্যাপার , বুঝতেই পারছেন । তার উপর জীবনেও কারও সাথে ঝগড়া-ঝাটি হয়নি এমনতর মানুষ আমরা , তারা শোধ তুলব কি করে? ঠিক হল , ঢাক-ঢোলের পরের সংখ্যা আমাদের কবিতায় ভরিয়ে ফেলতে হবে। কিন্তু বললেই তো হবেনা , কেবল একজন বাদে আমাদের গ্রুপের ক্লোজ ৭/৮ জন জীবনে কবিতা তো দূরের কথা এক লাইন গদ্যও লেখেনি । খোঁজ নিয়ে জানা গেল পরের রবিবার ঢাকঢোলে লেখা জমা দেয়ার শেষ দিন । বৃহস্পতিবার আদেশ জারি হল , উইকেন্ডে যেভাবে হোক , কবিতা লিখে আনতে হবেই হবে।
শুক্রবার সকালে মাথা খাটিয়ে আঁতি-পাতি করে আকাশ কুসুম ভেবেও একটা লাইন প্রসব করতে পারলাম না। হঠাৎ করে মাথায় বুদ্ধি খেলে গেল , ভাবলাম চেষ্টা করেই দেখা যাক। ঘরে "সংসদ বাঙালা অভিধান" ছিল, যেটা স্কুল থেকে হাতের লেখার জন্য পুরস্কার হিসেবে পেয়েছিলাম। চোখ বন্ধ করে অভিধানের কোন এক পাতা খুলে কঠিন কঠিন শব্দ বাছাই করে কাগজে লিখে ফেললাম । প্রায় আধা ঘন্টা চেষ্টার পর এক পাতা কঠিন শব্দ জোগাড় হল , যার কোনটার সাথে কোনটার সম্পর্ক নেই । এবার জোর-জবরদস্তি শব্দগুলো পার্মুটেশন কম্বিনেশন করে মাঝে অব্যয় ক্রিয়া আর এক আধটা চেনা শব্দ যোগ করে ছোট ছোট লাইনে সাজিয়ে ফেললাম । ঘন্টাখানেক পরে কাগজে কিছু একটা লেখা হল , অনেক দূর থেকে দেখলে আকৃতিতে যাকে কবিতা বলে মনে হয়। এবার সাহস করে পড়লাম , মাথা-মুন্ড বুঝবে সাধ্যি কার , অর্থানুসন্ধান করতে গেলে বাঘা কবিরাও চিত হবে , আমি নিজে তো নস্যি। আমার কাজিনকে (যে কিনা কিঞ্চিত কবিতাপ্রেমী) পড়িয়ে টেস্ট করালাম , তার চোখে মুখের উচ্ছাস আমার দৃষ্টি এড়াল না । আমি তখন সাহসে টগবগ করছি ,মনে হল , একটা কবিতা জমা দিলে বাছাই না করতেও পারে , কোন ঘাগু ছেলের হাতে পড়লে কবিতার অর্থ উদ্ধার না করতে পেরে যদি ক্ষেপে ওঠে , কিন্তু দু'টো দিলে ফেলতে পারবে না। অভিধান থেকে বাছাই করা অবশিষ্ট শব্দ নিয়ে লিখতে লিখতে সমাজের অনাচার বিষয়ে স্যাটায়ার গোছের আরেকটা কবিতা দাঁড়ালো , যার কিছুটা হলেও অর্থ আছে , তবে অর্থ থাকার দোষে দুষ্ট হয়ে কবিতা হওয়ার যোগ্যতা হারিয়েছে।
পরের রবিবার নিয়মমত সবাই কবিতা জমা দিল, ৫ জন বাংলা আর দু'জন ইংরেজিতে। দিন পনেরো পরে সবার হাতে আসল নতুন "ঢাকঢোল" নবীন বরণ বিশেষ সংখ্যা । চাররঙা এ সংখ্যাটি বছরের অন্য এগারোটি সংখ্যা থেকে মেক-আপ, গেট-আপ , পৃষ্ঠাসংখ্যা , বাঁধাই তথা শান-শওকতে একদমই আলাদা । মলাট খুলে দেখা গেল আমাদের ৭ জনেরই কবিতা ছাপা হয়েছে , জীবনে লেখা প্রথম ঘাম-ঝরানো কবিতা কারও বৃথা যায়নি। এর মাঝে আমার দু'টো কবিতাই ছাপা হয়েছে । দুর্বোধ্য কবিতাকে ঘিরে চারিদিকে তখন উচ্ছাসের হিল্লোল সবার মাঝে , আরি কি অসাধারণ , কি অসামান্য । ভিলেন শুটকির সাথে দেখা হল , সেও কিনা মুগ্ধ । কিন্তু ঝামেলা হল অন্যটা নিয়ে , যেটা কিঞ্চিত বোঝা যায়। সেটা কিছুটা বুঝলেও স্যাটায়ার টোনটা ধরতে পারল না। কবিতায় স্যাটায়ার করে বলা একটাই সহজ লাইন ছিল -- "আমি দারিদ্র্যের কবি" । লোকে ভাবল আমি সত্যিই এমন কিছু দাবী করে বসেছি । আর যায় কোথায় , তারপর বছরখানেক অনেকেই ডাকত - "অ্যাইক্কবি , দারিদ্র্যের কাবি"।
দেশে গিয়ে পুরনো শেলফে ঢাকঢোলের সংখ্যাটা অনেক খুঁজেও পাইনি । আমরা ৭ জন ছড়িয়ে গেছি পৃথিবীর ৭ প্রান্তে । কেউ আর কখনও কবিতা লিখেছে বলে জানা যায়নি।
১৬ ই অক্টোবর, ২০১২ ভোর ৫:৪৭
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: সেটাই
২|
১২ ই অক্টোবর, ২০১২ ভোর ৬:২২
অহোরাত্র বলেছেন: আপনার কবিতা দু'খানা দেখতে মন চায়।
১৬ ই অক্টোবর, ২০১২ ভোর ৫:৫৪
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: হারিয়ে মনে হয় খারাপ হয়নি , এক প্রস্থ হাসাহাসি হয়ে যেত
৩|
১২ ই অক্টোবর, ২০১২ সকাল ৯:২৫
ঝটিকা বলেছেন: আপনার কবিতা লেখার বুদ্ধি দেখে একটুখানি হাসলাম (বেশি না)। এখন আমার মনে হচ্ছে আপনার এই পদ্ধতিটা শেকেলে। কারন আধুনিক কিছু কিছু কবিতা দেখলে মনে হয় তারা আগে থেকেই ঐ পদ্ধতিটা আয়ত্ব করে নির্বিঘ্নে চালিয়ে যাচ্ছে।
কঠিন কবিতাটা দেখতে ইচ্ছা হচ্ছে, কোন মানে দাড় করাতে পারি কিনা দেখতাম।
১৬ ই অক্টোবর, ২০১২ ভোর ৫:৫৬
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: আমারও তাই ধারণা , শব্দগুলো নিজে থেকে আসে না , কবিতায় সেগুলো ইনজেকট করা হয় । তবে কেউ কি আসলেই কিছু না ভেবে লিখে ফেলে ? নিজে অন্ত:ত কিছু একটা ভাবে বলেই তো মনে হয়
৪|
১২ ই অক্টোবর, ২০১২ সকাল ১১:৫৩
ফ্রাস্ট্রেটেড বলেছেন: অসাধারণ লাগল। যদিও আমি কাঠখোট্টা প্রবন্ধের আশায় পোস্টে ঢুকেছিলাম, কিন্তু আপনার কাহিনী আর বর্ণনার স্টাইল দেখে হাসি থামাতে পারলাম না। আপনার গদ্য খুব প্রাণবন্ত হবে বলে মনে হচ্ছে, অন্যান্য পোস্টগুলি দেখতে যাচ্ছি, সেই মাপের রসালো কৌতুকের আশায়।
আমার একটা কাহিনী শেয়ার করি - আমি পড়ালেখা করেছি ক্যাডেট কলেজে। সেখানে সিনিয়র দের দুর্দমনীয় প্রতাপ। কোন ম্যাগাজিন বের হবার সম্ভাবনা দেখা গেলেই হল। সকল জুনিয়রের উপর হুকুম জারি - লেখা জমা দিতে হবে। ধূর, ঠ্যালা, সকাল বিকাল দৌড়াদৌড়ি আর সিনিয়রদের পানিশমেন্ট খাইতে খাইতে জীবন তামাতামা, আবার লেখা !!! তো আমি করতাম কি, কলেজ লাইব্রেরী তে গিয়ে আদ্দিকালের কলেজ ম্যাগাজিন (৬০-৭০ সালের) থেকে আদ্দোপান্ত টুকলিফাই করে একটা কবিতা জমা দিয়ে দিতাম। পারমুটেশন করারও সময় নাই
গল্প, প্রবন্ধ তো কপি করাও কঠিন। আবার কপি পেস্ট ধরা পরলে তো আরও বিপর্যয়। সদা মারমুখি সিনিয়রগণের মুখে রসদ তুলে দেয়ার সামিল। বলা বাহুল্য, এইসব লেখা কোনটাই কখনো ছাপা হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেনাই। সিনিয়র হবার পর বুঝেছিলাম, জুনিয়রদের এই কাজ দেয়াও একটা পানিশমেন্টের অংশ। ঐসব লেখার প্রথম ও শেষ আশ্রয় একটাই, আস্তাকুড়।
আপনার লেখা খুব ভাল হয়েছে, সৌভাগ্যবান দারিদ্রের কবি। প্লাস।
১৬ ই অক্টোবর, ২০১২ ভোর ৬:০১
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: লেখাটা পড়ার পর কেউ একজন তার অভিজ্ঞতার কথা জানালো , আপনার সাথে মোটামুটি মিলে গেছে ।
তার বেলায় লেখাটা ছাপা হয়েছিল, ৬ মাস দেয়াল পত্রিকায় ছিল , আর পুরো ৬ টা মাস তার কেটেছে চরম আতঙ্কে। সেই কবিতার সাথে প্রাসংগিক করে স্কুলের একজন টিচার নাকি ছবিও এঁকে দিয়েছিলেন । কি ভয়াবহ অবস্থা , চিন্তা করেন ।
আপনার কমেন্টটা ভাল লাগল অনেক , নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ ।
শেষ লাইনের উপমাটা কলেজের ঐ সময়টায় যুৎসই ছিল না , এখন মনে হয় মানানসই ![]()
৫|
১২ ই অক্টোবর, ২০১২ বিকাল ৩:২২
মুনসী১৬১২ বলেছেন: হা হা
১৬ ই অক্টোবর, ২০১২ ভোর ৬:০১
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: ![]()
৬|
১৪ ই নভেম্বর, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:৪৪
কোলাহল বলেছেন: অভিধানের কঠিন কঠিন শব্দ অবশ্য আমিও খুঁজেছি। তবে কবিতা নয় বন্ধুর সাথে প্রতিযোগীতা করে চিঠি লেখার জন্য।
সেই প্রাকটিসের সাইড প্রোডাক্ট হিসেবে কবিতা বেরিয়ে গিয়েছিলো। কেমনে কেমনে একটা জাতীয় পত্রিকায় উহাদের একটি প্রকাশিতও হয়ে গিয়েছিলো। তবে জাতির সৌভাগ্য যে ওটাই প্রথম ওটাই শেষ।
২৫ শে ডিসেম্বর, ২০১২ সকাল ১১:৩৯
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: আপনার লেখা অনেক মনকাড়া , ছাপা না হওয়ার কারণ নেই । লেখালেখি কি বন্ধ করে দিলেন ?
৭|
১৬ ই ডিসেম্বর, ২০১২ সকাল ১১:২০
তানজিলা হক বলেছেন: vai buro hoye geasi mone hoy.......eto boro likha rekhle porte voy lage, jai hok ki khobor apnar? Mrs. kemon asen?
১৪ ই জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১১:১৯
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: অনেকদিন পর দেখে ভাল লাগল।
বুড়ো হওয়ার চান্স নাই , টেনশন নিয়ো না । বড়জোর বুড়ি ![]()
লেখার উৎসাহ পাই না , জাস্ট একটু গপ-সপ। লেখাটা তো ছোট , পড়তে শুরু করলে চোখের নিমিষে শেষ ।
ভাল আছি , মিসেস ও ভাল । অনেক ধন্যবাদ
৮|
২১ শে ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১০:২২
অরণ্য রাত্রি বলেছেন: আপনার লেখাটা পড়ে খুব মজা পেলাম। একসময় লেখালেখি করার অভ্যাস ছিলো। অনেক কবিতাও লেখা হয়েছে। কিন্তু তা কাহাতক কবিতা তা আর জানা হয়নি। কারণ সমঝদার কাউকে তো পড়তে দেওয়া হয়নি। হে হে হে। ভালো থাকুন।
১৪ ই জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১১:১৭
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: হাহা , অনেকেরই ডায়রি ভর্তি কবিতা থাকে । একটা সময়ে অনেক গাঢ় আবেগে লেখা , পরে একটা সময় নিজের কাছেই হাস্যকর মনে হয় । তারপর অপঠিত অবস্থাতেই একটা সময় সেগুলো হারিয়ে যায় ।
কে জানে , সেসবের মাঝেও হয়ত ভাল কবিতা লুকিয়ে ছিল
৯|
২১ শে ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১০:৩১
ৎঁৎঁৎঁ বলেছেন: আবার যেন কলেজের দিনগুলোতে ফিরে গেলাম আপনার লেখাটা পড়তে পড়তে। ঢাকঢোল এ আমারও প্রথম লেখা !
লেখা সুন্দর হয়েছে, ভালো লাগলো পড়তে।
১৪ ই জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১১:১৫
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: ভাল লাগল আপনার কমেন্ট পেয়ে , ধন্যবাদ
১০|
২১ শে ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১০:৩৭
কালোপরী বলেছেন: ভাল বুদ্ধি
১৪ ই জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১১:১৪
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: বুদ্ধিটা খুব কমন , একজিকিউশন মনে হয় কমন না , সেটাই করে দেখা আরকি ![]()
১১|
২৫ শে ডিসেম্বর, ২০১২ সকাল ১১:৪২
তন্দ্রা বিলাস বলেছেন: দারুন!
১৪ ই জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১১:১৪
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: থ্যাংকস
১২|
২৫ শে ডিসেম্বর, ২০১২ দুপুর ১২:২০
শিপু ভাই বলেছেন:
দারুন!!!
আমিও একজন আপাদমস্তক আধুনিক-কবিতা-কানা মানুষ!!!
+++++++++++++
১৪ ই জানুয়ারি, ২০১৩ রাত ১১:১৩
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন:
, ধন্যবাদ
©somewhere in net ltd.
১|
১২ ই অক্টোবর, ২০১২ ভোর ৬:১৩
বিদ্রোহী ভাস্কর বলেছেন: যাদের জীবনে লেখা একমাত্র কবিতাটি ছাপা হয়েছে ম্যাগাজিনে