নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

When the solution is simple, God is answering.

we need to read and understand the gift given to us, the QUR\'AN and spread the message of ISLAM , The love for your fellow human, the respect for WOMEN, making world a Better Place.

মেলবোর্ন

১. The Qur'an is the Most Influential, Most Powerful, Most Memorized, and Most Followed Book on the planet Earth।Find out why @ LinguisticMiracle.com ২: I believe A little science leads one away from God, a great deal of science leads one back to Him ৩: I will make the most of everything in life, because life is no rehersal... So if i love someone, i will tell them, if im upset with someone, i will forgive them and if anyone chooses to love me in return, i will be most certainly grateful, and show them everyday for as long as i am capable to do so, how much it means to me

মেলবোর্ন › বিস্তারিত পোস্টঃ

কোরআনের ভাষাগত সৌন্দর্য সুরা বাকারা আয়াত ১৪৩

০৯ ই মে, ২০১২ সকাল ৯:২১

আপনি কি মুসলিম তবে আপনারই দায়িত্ব সবার মাঝে শান্তি বজায় রাখা তা হতে পরে আপনার পরিবার হতে পারে দেশ।



আপনি কি জানেন আল্লাহ কত সুন্দর ভাবে বলেছেন সুরা বাকারা তে

সুরা বাকারা সম্পকে না জানলে একটু দেখুন :: আল কোরআন সুরা নং: ২ আয়াত:১৪৩ যাকে বলা হয় মধ্যবর্তী আয়াত সেখানে আল্লাহ বলেন :



TheMiddle (wasat) Ayah of al-Baqarah.

وَكَذَٰلِكَ جَعَلْنَاكُمْ أُمَّةً وَسَطًا



এমনিভাবে আমি তোমাদেরকে মধ্যপন্থী সম্প্রদায় করেছি যাতে করে তোমরা সাক্ষ্যদাতা হও মানবমন্ডলীর জন্যে এবং যাতে রসূল সাক্ষ্যদাতা হন তোমাদের জন্য। And thus We have made you a Wasata (Middle way – Just/Balanced) Ummah/Nation..- al Baqarah 2:143



এটার সৌন্দর্য দেখুন: সুরা বাকারাতে মোট আয়াত সংখা ২৮৬ এবং আল্লাহ সুরা বাকারার আয়াতে মধ্যবর্তী বুঝাতে আল্লাহ ঠিক সূরা বাকারার মাঝখানটাকে ব্যবহার করলেন সেটা সকলের বিস্বয় আর কোরআনেই ভাষাগত সৌন্দর্য এবং এটা যে আল্লাহর বানী তাই প্রমান করে।



নোট: মনে রাখবেন সুরা বাকারা কিন্তূ কয়েক বছর সময় ধরে নাযিল হয়েছিল এবং এটা প্রথমে মুখস্ত করা হয় (মুহাম্মদ সঃ সময় পুরো কোরআন লিখা হয়নি সাহাবিরা মুখস্ত রাখতেন হজরত উসমান (রঃ) প্রথম কোরআন সংকলন করেন মুহাম্মদ (সঃ)ইন্তিকালের অনেক পরে)



যখন কোরআন সংকলন করাহয় তখনো আয়াত নং ছিল না যেমন এখন আমরা দেখি তাই এটা ইম্পসিবল যে আয়াতটি ইচ্ছাক্রত ভাবে মাঝখানে বসানো কারন সুরাটা সবাই আগেই মুখস্ত করে রেখেছিল তাই মানুষের পক্ষে পরবর্তীতে তা পরিবর্তনের কোন সুযোগ নেই



এবার অংকটা নিজেই করুন: [ সুরা বাকারার মোট আয়াত ২৮৬/২=১৪৩]

১৪৩ নং আয়াতকে সুরা বাকারার মধ্যবর্তী আয়াত হিসেবে ধরা যায় আর সেই মধ্যবর্তী আয়াতেই আল্লাহ আমাদের বলেন তিনি আমাদের মধ্যবর্তী সম্প্রদায় হিসেবে মনোনীত করেছেন। সুবহানাল্লাহ



এখন এই আয়াত থেকে আমরা শিক্ষা পাইযে যদি আমরা ঈমান আনি ও নিজেদের কে মুসলিম হিসেবে মানি তবে আমাদের দায়িত্ব হল সমাজে শান্তি শৃংখলা বজায় রাখা আপনি নিজেও শান্তি বজায় রাখবেন আপনার পরিবার , সমাজ ও দেশের শান্তি বজায় রাখতে সর্বদা সচেস্ট থাকবেন।



তবেই সম্ভব আমাদের দেশের সুন্দর দিন ফিরে পাওয়া, দেশকে উন্নত দেশের কাতারে নিয়ে যাওয়া যদি সবাই মিলে দেশে ও সমাজে শান্তি বজায় রেখে মধ্যপন্থী সম্প্রদায় হিসেবে সবার সাথে(অন্য সম্প্রদায় হিন্দু খ্রিস্টান) এবং নিজেদের সাথে একে অপরে ভাল ব্যবহার করে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারি। এই ভাবে থাকার সুফল দুদিকেই এক দুনিয়াতে আপনি শান্তি বজায় রাখবেন আর দ্বিতীয় যখন আপনাকে কেউ সাহাজ্য করতে পারবেনা তখান আপনি পাবেন আপনার রাসুল (সঃ) কে আপনার সাক্ষ্যদাতা হিসেবে। এর চেয়ে ভাল পুরস্কার আর কি হতে পারে একজন মুসলিমের জন্য।



তবে যারা সমাজে শান্তি বিনস্ট করছে মানুষ কে কস্ট দেয়ার মাধ্যমে , ঘুষ দূর্নীতি, মানুষ কে তার হক থেকে বন্চিত করে ও অন্যান্য অপরাধের মাধ্যমে তাদের নাম যত সুন্দর মুসলিম নাম হোক না কেন বা তারা যদি মসজিদের ঈমামও হন তবে তারা যে আসলেই মুসলিম কিনা তা আপনারা বুঝেছেন নিস্চই।



একজন মুসলিম সেই যার আচার ব্যবহারে থাকবে কোমলতা একে অপরের জন্য সহায়তা সবোপরি সৎ চরিত্রের অধিকারি যেমন ছিলেন আমাদের মহানবী (সঃ) যার ব্যবহারে মুগ্ধ হয়ে মানুষ ইসলাম কবুল করত।



আল্লাহ আমাদের মধ্যপন্থী সম্প্রদায় হিসেবে সবাইকে কবুল করুন। আমিন

Quran Gem: Middle Nation | Kinetic Typography





আমার পুর্বের পোস্ট অর্থপূর্ন ও বরকতময় নামাজ পর্ব ১-৫ দেখতে ঘুরে আসতে পারেন আশা করি কাজে লাগবে

Click This Link

মন্তব্য ২০ টি রেটিং +৯/-০

মন্তব্য (২০) মন্তব্য লিখুন

১| ০৯ ই মে, ২০১২ সকাল ৯:২৮

মহাপাগল বলেছেন: আমিন

০৯ ই মে, ২০১২ সকাল ১১:৪০

মেলবোর্ন বলেছেন: আপনাদের কাজে লাগলেই আমার পরিশ্রাম সার্থক। আল্লাহ আমাদের সবাইকে সরল পথে চলার তৈফিক দিন। আমিন মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ

২| ০৯ ই মে, ২০১২ সকাল ৯:৩০

তরুন বলেছেন: আমিন।

৩| ০৯ ই মে, ২০১২ সকাল ৯:৩৩

রোবান মাহমুদ বলেছেন: সুবহানআল্লাহ...।


ধন্যবাদ শেয়ার করার জন্য।

৪| ০৯ ই মে, ২০১২ সকাল ৯:৩৮

বেলা চৌধুরী বলেছেন: ভাই মাফ করবেন।

বিজোড় সংখ্যার মধ্যবর্তী স্থান (যেমন ৭ এর মধ্যবর্তী স্থান ৪) নির্নয় সম্ভব, কিন্তু জোড় সংখ্যার মধ্যবর্তী স্থান ২টা হয়। যেমন ৮ এর মধ্যবর্তী স্থান ৪ এবং ৫। সেই হিসেবে ২৮৬ এর মধ্যবর্তী সংখ্যা ২ টা হবে।

০৯ ই মে, ২০১২ সকাল ১০:১৬

মেলবোর্ন বলেছেন: লেখক বলেছেন: আয়াত ১৪৩ টা কি আপনার মধ্যবর্তী স্থান বা আয়াত মনে হয়নি দুটা হলেও ১৪৩ এবং ১৪৪ হবে তাই না যার শুরু টা ১৪৩ কি মধ্যবর্তী স্থানের একটা হয়না। আর পুরো পোস্টে এটাই মনে হল আপনার আয়াতে কি বোঝানো হয়েছে সেটা মনে হয়নি। যাক সেটা আপনার ব্যপার । ভাল থাকবেন।

৫| ০৯ ই মে, ২০১২ সকাল ১০:০৪

সিড বলেছেন: সুবহানআল্লাহ...

০৯ ই মে, ২০১২ সকাল ১১:৪১

মেলবোর্ন বলেছেন: আপনাদের কাজে লাগলেই আমার পরিশ্রাম সার্থক। আল্লাহ আমাদের সবাইকে সরল পথে চলার তৈফিক দিন। আমিন, মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ

৬| ০৯ ই মে, ২০১২ সকাল ১০:১২

তাসনোভা সাখাওয়াত বিথী বলেছেন: সুবহানআল্লাহ...

০৯ ই মে, ২০১২ সকাল ১১:৪১

মেলবোর্ন বলেছেন: আপনাদের কাজে লাগলেই আমার পরিশ্রাম সার্থক। আল্লাহ আমাদের সবাইকে সরল পথে চলার তৈফিক দিন। আমিন মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ

৭| ০৯ ই মে, ২০১২ সকাল ১০:২৭

বেলা চৌধুরী বলেছেন: ভাই, কোরানের ভাষাশৈলী নিয়ে আমার কোন দ্বি-মত নাই। এটা যে মহান আল্লাহ্‌পাকের কথা তাতেও কোন সন্দেহ নাই। আমি শুধু বলেছি যে, ২৮৬ এর মধ্যবর্তী সংখ্যা ১৪৩ এবং ১৪৪। আমি বলতে চাইছি, গবেষণা এবং প্রেজেন্টেশন নিখুঁত হওয়া দরকার। নইলে বিতর্কের অবকাশ তৈরি হবে।

০৯ ই মে, ২০১২ সকাল ১০:৫৭

মেলবোর্ন বলেছেন: ধন্যবাদ ..আপনিই বলে দিন কি ভাবে সেটা লিখতে পারি ... যাতে বিতর্কের অবকাশ না থাকে তাই ১৪৩ ও ১৪৪ এর মাঝে ১৪৩.৫ আয়াত তো কোরআনে নেই আর সুরা বাকারার মোট আয়াত ২৮৬ কে ২ দিয়ে ভাগ করলে ১৪৩ কি আসে না ? আর আপনার কথা মত ১৪৩ ও ১৪৪ দুটাকেই কে মধ্যবর্তী ধরা যায় তবে তো সমস্যা দেখি না, তবুও আমার প্রেজেন্টেশন নিখুঁত হয়নি বলে দুঃখিত আপনারাও সাহায্য করুন যাতে নিখুত হয় ব্লগে আলোচনা করে ঠিক করতে আমার সমস্যা নেই আমি মানুষ মাত্র ভুলের উদ্ধে নই।

৮| ০৯ ই মে, ২০১২ সকাল ১০:৫৩

প্রবাসী১২ বলেছেন: ইসলামের প্রতিটি বিধান প্রথমত সৃষ্টি-কল্যাণ মুখী, দ্বিতীয়ত এর গঠন পদ্ধতি, প্রায়োগিক প্রক্রিয়া লক্ষ করলেই বুঝা যায় এটা কতটা বৈজ্ঞানিক, কতটা সুচিন্তিত। শুধু মাত্র ওজুর কথাটাই যদি উল্লেখ করি তাহলে বলতে হয় একজন মানুষের শারিরীক ও মানষিক সুস্থতার জন্য এরচে' বিজ্ঞানময় আর কোন পদ্ধতি নেই।

আসলেই ইসলাম হতে যিনি বঞ্চিত, তার চে' হতভাগা আর কেউ হতে পারেনা।

আর সকলকে নিঃশেষ করে অনতিক্রম্য তুঙ্গে নিজিকে স্থাপন করে আমিই মহাসত্য, আন্য সব মিথ্যা, ভিত্তিহিন বলার সাজস আর কারো হয়নি। যারা ইসলামকে অস্বীকার করছেন তারা শুধু মুখেই অস্বীকার করছেন, এর বিপরিতে আরেকটি জীবন বিধান কেউ দেখাতে পারেনি। আর কেউ বলতে পারেনি " আমিই মহাসত্য বাকী সব মিথ্যা, ভিত্তিহিন"।

০৯ ই মে, ২০১২ সকাল ১১:৪১

মেলবোর্ন বলেছেন: আপনাদের কাজে লাগলেই আমার পরিশ্রাম সার্থক। আল্লাহ আমাদের সবাইকে সরল পথে চলার তৈফিক দিন। আমিন মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ

৯| ০৯ ই মে, ২০১২ সকাল ১১:৩৩

কলমবাঁশ বলেছেন: শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।

০৯ ই মে, ২০১২ সকাল ১১:৪১

মেলবোর্ন বলেছেন: আপনাদের কাজে লাগলেই আমার পরিশ্রাম সার্থক। আল্লাহ আমাদের সবাইকে সরল পথে চলার তৈফিক দিন। আমিন মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ

১০| ০৯ ই মে, ২০১২ দুপুর ২:৫২

এস এইচ খান বলেছেন: আপনার লেখা সুন্দর! অবশ্য আপনার প্রোপিকটা এ সব লেখার সংগে বেমানান।

ধন্যবাদ আপনাকে।

১১| ১০ ই মে, ২০১২ রাত ১২:৩৮

চেয়ারম্যান০০৭ বলেছেন: SobahanaaAllah

১২| ১০ ই মে, ২০১২ সকাল ৯:৫৯

বেলা চৌধুরী বলেছেন: ঐ আয়াতটা যে মধ্যবর্তী সেটা প্রমাণ করতে হবে কেন? কোরানের মহিমা কোরান নিজেই, খোঁড়া বা সস্তা যুক্তি উপহাস বা বিদ্রুপের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

১০ ই মে, ২০১২ সকাল ১০:১৩

মেলবোর্ন বলেছেন: কোরআনের মহিমা কি তার ভাষা শৈলি নয় কি কোরআন যখন নাজিল হয় তখন আরবের কবিরা ছিল সবচেয়ে শিক্ষিত শুধু তাদের জন্য নয় শেষ দিন পযন্ত সকলের জন্য চ্যলেন্জ এই কোরআন তাই তো এর ভাষা, শব্দের প্লেসমেনট , পড়ার স্টাইল মাধুর্য সবই মহিমার অন্তরভুক্ত এখানে আপনি খোঁড়া বা সস্তা যুক্তি পেলেন শব্দের প্লেসমেন্ট টা ভাল লাগেনি . এমন আরো হাজারো উদাহরন আছে ইনশাআল্লা সবগুলোর অনুবাদ করার চেস্টা করব আর আপনি এখানে দেখতে পারেন Click This Link

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.