| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
::::::::
গণতন্ত্র কেবল সুষ্ট্যু ভোটের নাম নয়; এটি ন্যুনতম গণতন্ত্রের প্রথম অংশ। ভোটের ফলকে সম্মান জানানো গণতন্ত্রের দ্বিতীয় অংশ। সুষ্টু ভোট আর এর ফলকে অনার করাই গণতন্ত্রের ন্যুনতম স্বরূপ। ৭০-এ ভোট হয়েছিল; নির্বাচন ভোটার বিহীন ছিলনা। পাকিস্থানিরা বড় রকমের রিগিং থেকেও দূরে ছিল! তাই নির্বাচন নিয়ে বঙ্গবন্ধুও তেমন প্রশ্ন তোলেননি।
নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ট আসনে বিজয়ী দলের হাতে পাকিস্থানের ক্ষমতা দিয়ে দিলে ৭১ এর যুদ্ধটা হত কি? তখন ইতিহাস কি ভিন্নরকম হত না! হয়ত হত; হয়ত-বা না। সে আলোচনা অনেক লম্বা। পাকিস্তানীরা ভোটের ফলের প্রতি বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়েছে বলেই চুড়ান্ত অর্থে বাঙালিরা পাকিস্থানকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়েছিল সেদিন। কাজেই স্বাধীনতার মূল চেতনা তথা বঙ্গবন্ধুর আরাধ্য স্বপ্নতো গণতন্ত্রই!
কিন্তু পরবর্তীতে তিঁনি (যে পরিস্থিতিতেই হোক) এক দলীয় গণতন্ত্রহীন প্রবনতার দিকে ঝুকেছেন! গনতন্ত্রহীনতার সুযোগে নিজ দলের মধ্যে ঘাপটি মেরে থাকা কুচক্রী নেতাদের ষড়যন্ত্রের হাতেই নির্মম বলি হয়েছেন; গনতন্ত্রহীনতা অপরাপর কুচক্রীদের সাথে দলের চক্রান্তকারীদের যোগসাজসের সহায়ক হয়েছে, ক্ষেত্র তৈরি করে দিয়েছে। জামাতি বা পাকি'রা তো ঐ হত্যাযজ্ঞের নেতৃত্ব দেয়নি! গনতন্ত্রহীনতাই ষড়যন্ত্রীদের জাল বোনার সহায়ক হয়েছে! কাজেই আজকেও গণতন্ত্র হত্যা করে বঙ্গবন্ধু কিংবা যুদ্ধাপরাধের বিচারে সফলতা দেখালেও, উন্নয়নের বেলুন উড়ালেও গণতন্ত্রহীনতার কারণে এইসবই হয়ত একদিন ব্যর্থতায় পর্যবসিত হবে। এটাই ইতিহাসের শিক্ষা। সবার আগে গণতন্ত্র। কেননা গনতন্ত্রের সংগ্রামই বঙ্গবন্ধুকে বঙ্গবন্ধু বানিয়েছিল আর গণতন্ত্রহীনতাই বঙ্গবন্ধু হত্যার ক্ষেত্র তৈরি করেছিল!
::::::::
©somewhere in net ltd.