নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ভীষণ অন্তর্মুখী মানুষ। সনদ আছে শিক্ষা নেই। লিখতে গেলে বানানের ভয়ে বেশি দূর যেতে পারি না, তবুও মনের বুদবুদ উগড়ে দিতে না পারলে অস্বস্তিতে ভোগি। অস্বস্তি তাড়াতে ভুল বানানেও বিক্ষিপ্ত কিছু কথা বলে যাই! যে আমারে দেখিবারে পায় অসীম ক্ষমায় কেবল তাদের জন্যে।

মোঃ মহিবুল ইসলাম (ফারুক)

নিঃসঙ্গ স্বপ্নচারী

মোঃ মহিবুল ইসলাম (ফারুক) › বিস্তারিত পোস্টঃ

নগন্য ভাবনা: ধর্ম, রাজনীতি ও গণতন্ত্রের সরল পাঠ!

১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ রাত ১২:০৮

নগন্য ভাবনা: ধর্ম, রাজনীতি ও গণতন্ত্রের সরল পাঠ!
:::::::::::
ধর্মের নাম যোগ করে দলের নাম রাখা কিংবা ধর্মের লক্ষ্যকে দলীয় এজেন্ডায় অঙ্গীভুত করাকে আইন দ্বারা (সাময়িকভাবে) ঠেকাতে পারেন কিন্তু ধর্মের প্রতি অনুগত ব্যক্তিবর্গের রাজনীতি ও রাজনৈতিক বিবেচনা ঠেকাবেন কিভাবে! বাস্তবে কোনটাই অত সহজ নয়, হয়ত সম্ভবও নয়৷ উপমহাদেশের ইতিহাসে এমন পরীক্ষা-নিরীক্ষা কি কম হয়েছে! ফল সবারই জানা! কেননা সবাই সমানভাবে ধর্মকর্ম করুক বা না করুক অধিকাাংশ সাধারণ মানুষ ধর্মের আনুগত্যের বাইরে আসতে পারে না! এটা পরিক্ষীত মনস্তত্ত্ব! সাধারণ মানুষের এই মনোভাবকে পুজি করেই চলে ধর্মের নামে অনেককিছু! ব্যবসায়ীরা ইসলামিয়া হোটেল নাম দিয়ে সরাব বিক্রয় করে, ইসলামী ব্যাংক নাম দিয়ে সুদের মিশ্রন চালায় অবলীলায়, রাজনীতিকরা মাজারে গিয়ে, হাতে তাসবী নিয়ে, ওমরা করে কিংবা মিলাদ দিয়ে নৌকা বা ধানের শীষের জয় ভিক্ষা চায়! —এই সবইতো ধর্মের  অপব্যবহার! সাধারণ মানুষ এসব করে না৷ সাধারণ মানুষের ধর্মভীরুতা ও সরল মানসিকতাকে পুজি করে শিক্ষিত ও জ্ঞানীগুনীরাই এসব করে! কৌশলের নামে!!!! কে ঠেকাবে এসব, আছে কার সে হিম্মত??

আমার মনপুত হোক বা হোক অধিকাংশ মানুষ যদি ধর্মপন্থীদের চায় তাহলে আমাকে মেনে নিতেই হবে৷ ঠিক আমার মনপুত না হলেও অধিকাংশ মানুষ যদি নাস্তিকদের চায় বা ধর্ম নিরপেক্ষদের চায় তবে তা-ও মেনে নিতে হবে৷ এটাই সংঘর্ষ-সংঘাত এড়ানোর সহজ পথ৷ যদিও গণতন্ত্রে জাফর ইকবাল, আহমদ শফি আর রিক্সাচালক ছমিমুদ্দীর ভোটের মান সমান তথাপি এর বাইরে যাবার পথ সুকঠিন! মন্দের ভাল এই গণতন্ত্রই৷

যে কোন মূল্যে জনগণের ভোট দেবার সিস্টেমটা চালু থাকা জরুরী; এটাই মন্দের ভালো৷ ইন্ডিয়াতেও ধর্মপন্থীরা আজ ক্ষমতায় কিন্তু জনগণের ভোট নিয়েই! জনগণ তাদের ক্ষমতায় পাঠিয়ে দেখুক মজা! অতপর হয়ত অভিজ্ঞতা নিয়ে একদিন মুখ ফেরাবে অন্যদিকে! আবার হয়ত ফিরেও আসবে! গণতন্ত্রের মাহাত্ব এখানেই যে, জনগণ ভুল করার স্বাধীনতা, ভুল বুঝার স্বাধীনতা এবং ভুল শোধরানোর স্বাধীনতা একই সাথে ভোগ করে৷ এতে করেই জনগণের কাছে দলসমুহের জবাবদিহিতার সিস্টেমও গড়ে ওঠে৷ এছাড়া দেখা গেছে, জনগণের ভোটাধিকার চালু থাকলে বিচ্ছিন্নভাবে নানান অপশক্তি ও ভন্ডরা বেশি সুবিধা করতে পারে না৷ —এ জন্যই সময়ের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ মন্দের ভাল এই গণতন্ত্র!
:::::::::::::

মন্তব্য ২ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (২) মন্তব্য লিখুন

১| ১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ দুপুর ২:১৫

সনেট কবি বলেছেন: ভাল বলেছেন।

১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৩:১০

মোঃ মহিবুল ইসলাম (ফারুক) বলেছেন: ধন্যবাদ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.