নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

\n

মা.হাসান

মা.হাসান › বিস্তারিত পোস্টঃ

অ্যাপয়েন্টমেন্ট আপু আর গারবেজ কাকু

১৭ ই এপ্রিল, ২০২১ রাত ৮:০৭




অফিস থেকে বাসায় ফিরছি, ১৮ নম্বর বাড়ির সামনে একটা জটলা, কিছু হইচই, দেখে থমকে দাঁড়ালাম। তেতলার ব্যালকনিতে অ্যাপোয়েন্টমেন্ট আপুর অগ্নিমূর্তি, দোতলায় মাখন ভাবির ঝাড়ু হাতে পোজ, নিচে পাড়ার জনা দশ বারো মহিলা, ছেলে-ছোকরাদের ফোড়ন কাটা, সব কিছু ছাপিয়ে গারবেজ কাকুর ৭০ ডেসিবেলের আওয়াজ- শবনম, লক্ষী সোনা, তুমি এত উত্তেজিত হয়ো না, আমি বিষয়টা হ্যান্ডেল করছি।

আসলে অ্যাপোয়েন্টমেন্ট আপুর নাম মোটেই অ্যাপোয়েন্টমেন্ট না; ওনার নাম শবনম চৌধুরী। আজ থেকে ঠিক দু বছর দুমাস আগে উনি দয়া করে এই মহল্লায় আস্তানা গেড়েছেন। কোন একটা বিদেশী এনজিওতে চাকরি করেন। ওনার 'অ্যাপয়েন্টমেন্ট' নামের পিছনে একটা কাহিনী আছে।

তো বছর দুই আগে ছুটি, না কি একটা কাজে অ্যাপয়েন্টমেন্ট আপু বিদেশে যাবেন, ভোর পাঁচটায় ফ্লাইট। উনি রাত দুটোর দিকে বিশাল বড় একটা ব্যাগ নিয়ে বের হয়েছেন, প্লেনের দরজা দিয়ে ঐ ব্যাগ ঢোকার কথা না, ছাদে বেধে নিতে হবে। সে আলাদা কথা। এখন মহল্লার দারোয়ান রোডের শেষ মাথার গেটে ওনাকে আটকে দিয়েছে।

নিয়ম হলো , রাত বারোটার পর টেলিভিশন, ফ্রিজ বা ঐ রকম বিশাল সাইজের কিছু নিয়ে কেউ বের হলে বাড়িওয়ালার কাছ থেকে একটা গেট পাশ নিতে হয়। পাশে বাড়িওয়ালা ওনার ফোন নম্বর দিয়ে দেন, লিখে দেন ব্যাগেজধারী লোক/মহিলা ... নম্বর বাড়ির ভাড়াটিয়া ইত্যাদি। দারোয়ান প্রয়োজনে বাড়িওয়ালাকে ফোন করে যাচাই করে নেয়।

তো শবনম আপুর কাছে এরকম কোন কাগজ ছিল না । দারোয়ান যথারীতি ওনাকে আটকে দিয়েছে। উনি বেদম রেগে দারোয়ানকে বলেছিলেন - ছোটলোক, তোমার মালিকের মত লোকেরা আমার বাসার দারোয়ানের সঙ্গে দেখা করতে গেলেও অ্যাপোয়েন্টমেন্ট করে আসা লাগে, জানো ?
সেই থেকে পাড়ার ছেলেরা ওনাকে অ্যাপোয়েন্টমেন্ট আপু বলে ডাকে।

(অ্যাপয়েন্টমেন্ট আপু ঐদিন দারোয়ানের কাছ থেকে ছাড়া পান নি, পরে ফ্লাইট মিস হয়ে যেতে পারে এমন অবস্থায় বাড়িওয়ালাকে দারোয়ান রাতের বেলা ঘুম থেকে জাগিয়ে পরে ওনার যাবার ব্যবস্থা হয়েছিলো।)


এদিকে গার্বেজ কাকুর নামও গার্বেজ না। ওনার বাড়ি কলিংবেলের পাশে লেখা আছে মাহাতাপ সর্দার, (বিএছছি)। উনি আগে একটা সরকারি চাকরি করতেন, ৯৬ সালের শেয়ার মার্কেটে ভালো পয়সা করেছিলেন; পরে চাকরিটা ছেড়ে দেন। এখন শেয়ার মার্কেটে টুকটাক ব্যবসা করেন, আর মহল্লার গার্বেজ এর ঠিকাদারিটাও নিয়েছেন ।

অন্যান্য মহল্লায় গার্বেজ এর জন্য মাসে ১৫০ টাকা করে দিতে হয়, যারা গারবেজ কালেক্ট করে, ভ্যান ড্রাইভার এরা ৮ হাজার টাকার মতো করে পায়। এই মহল্লার গার্বেজ কালেকশন চার্জ মাত্র ১০০ টাকা, যারা কালেক্ট করে এরা বেতন পায় মাসে ১৪-১৫ হাজার টাকা। সেই হিসেবে বলা যায় গার্বেজ কাকু বেশ মানবিক লোক।

তো সরকারি গুন্ডারা দলের গুন্ডারা এই গার্বেজ ব্যবসা কব্জা করার জন্য বহু চেষ্টা করেছে; কিন্তু গার্বেজ কাকুর ভক্তদের মুখে এক কথা - জান দিয়ে দেব, গার্বেজ কাকুর ব্যবসা নিতে দেবোনা। শেষে কোন উপায় না পেয়ে এই সব গুন্ডারা ওনার নাম গার্বেজ কাকু রেখে দিয়েছে। কাকু গায়ে দামি পারফিউম মেখে কয়দিন ঘুরে বেড়িয়েছে, মহল্লার ছেলেগুলোকে কয়দিন চা-লেড়ো বিস্কুট খাইয়েছে, কিন্তু নাম বদল হয় নি।

কাকু তার চারতলা বাড়ির দোতালায় তার কুকুরটাকে নিয়ে থাকেন, বাকি তিন তলা ভাড়া দেয়া। মাঝে মাঝেই কুকুরটা রাতের বেলা ঘেউ ঘউ করে ডাকে। নিন্দুকেরা বলে ওটা কুকুরের ঘেউঘেউ , না কাকু গলা সাধছেন। কাকুর পাশের বাড়ির মোজাদ্দেদ জাহিদ সাহেবের ছেলে জমজ ছেলে বিলু-নিলু একদিন কাকুকে বলেই বসলো- কাকু আপনি কি শুধু কুকুরের ডাক ডাকতে পারেন? বিড়ালের ডাক ডাকতে পারেন না?

কাকু ভীষণ রেগে মোজাদ্দেদ ভাইকে কমপ্লেন করেছিলেন। মোজাদ্দেদ ভাই গম্ভীর মুখে বলেছিল আমি অবশ্যই বিচার করব। আমার ছেলে বলে ছেড়ে দেবো এটা ভাববেন না। আমার ছেলে এতটা নির্বোধ কি করে হয়? সে শুধু গলার ডাকটাই দেখলো, চেহারা আর আচরণের মিলটা দেখলো না ?
ভদ্রলোকেদের পাড়াটা কিরকম বস্তি হয়ে যাচ্ছে এই দুঃখ করতে করতে ওই দিন কাকু ফিরে এসেছিলেন।

যাগ্গে, বর্তমান সময়ে আসি। আজকের ঘটনা এই যে অ্যাপয়েন্টমেন্ট আপু তিন তালার ব্যালকনিতে তার সাধের টবের গাছে পানি দিয়েছিলেন , টব থেকে গোবর মাখানো এই পানি গড়িয়ে গড়িয়ে দোতালার মাখন ভাবির শাড়িতে পড়েছে। মাখন ভাবি ছেড়ে দেবেন কেন? দু'কথা শুনিয়ে দিয়েছেন । এরপরে অ্যাপয়েন্টমেন্ট আপু বলেছেন - ছোটলোকের জাত, গাছ চেনে? দক্ষিণ আমেরিকা থেকে আমার ছোটমামা এই গাছটা পাঠিয়েছে। গাছ চিনলে এই পানি বোতলে ভরে সবাইকে দেখাতো - ইত্যাদি ইত্যাদি। ব্যস, লেগে গিয়েছে।

(মাখন ভাবির আসল নাম জানি না। মাখন ভাইয়ের আসল নাম মাসুদ হোসেন, কিন্তু নাদুস নুদুস চেহারার জন্য মহল্লায় ওনাকে সবাই মাখন বলে ডাকে, সেখান থেকেই মাখন ভাবি)

কিন্তু এই কাজিয়ার মধ্যে গার্বেজ কাকু কিভাবে ফিট করে?

কাকু কে জিজ্ঞাসা করলাম- কাকু কি ব্যাপার? মাখন ভাবি, আর অ্যাপয়েন্টমেন্ট আপুর কবি লড়াইয়ের মধ্যে আপনি কেন? উনি তোম্বা মুখ করে বললেন- এই তোমাদের এক সমস্যা, ভালো কাজ করতে গেলে বাধা দাও, হাজার জিজ্ঞাসা। একটা মেয়েকে তোমরা এভাবে অসহায় পেয়ে ঝামেলা করবে, আর আমি মুখ বুঝে সহ্য করবো, তা কি করে ভাবলে?

আমি বললাম- কাকু, অসহায় মেয়ে দেখলেই সাহায্য করতে হবে? কাকু বললেন- না, মামুনুলকে দেখেছো না? সাহায্য করতে করতে শেষে প্রেম-ভালোবাসা-বিয়ে পর্যন্ত গড়ালো। ফেলল আমি বুঝলাম কেসটা অন্যরকম। হেসে দিয়ে চলে আসলাম ।

কাকুর 'অবলা রমনী সাহায্য করণ' প্রকল্প কাজে আসেনি। অ্যাপয়েন্টমেন্ট আপু দুদিনের নোটিশে বাড়ি ছেড়ে দিয়ে চলে গেছেন । বাড়িওয়ালা ওনার উচ্চ পরিবারিক মর্যাদার কথা জানতে পেরে মাসের মাঝখানে বাড়ি ছাড়ার পরেও এক মাসের যে এডভান্স জমা দেয়া ছিল তা ফেরত দিয়ে দিয়েছেন।

পরের খবর- পাড়ার ফটো স্টুডিওর মালিক রাজন শুনছি গারবেজ কাকুকে পাকড়াও করেছে। ওর ওখানে অনেক উঠতি মডেল ফটো শুটিং করতে আসে। এরাও নাকি অনেক অসহায় , ইন্ডাস্ট্রিতে জায়গা করতে হিমশিম খাচ্ছে। তো অসহায় কোনো মডেলকে সাহায্য করার সুযোগ কাকুকে মিলিয়ে দেওয়া রাজনের জন্য কোনো ব্যাপারই না।

শেষ খবর যা জানি , পাড়ার ছেলেরা কাকুকে এখন মাস্তি কাকু ডাকা শুরু করেছে ।

(কাকু, আপনি ডাকতে পারেন- এই অংশটা দুলেন্দু ভৌমিকের এক গল্প থেকে চুরি করা। শুরুর ছবি ডাকডাকগোর ইমেজ সার্চ থেকে নেয়া। বাকি সব ঘটনা কাল্পনিক। কাল্পনিক ভালোবাসার ঘটনা কারো জীবনের সাথে মিলে গেলে তা সম্পূর্ণ কাকতালিয় বলে ভেবে নিতে হবে। )

মন্তব্য ৬৫ টি রেটিং +২০/-০

মন্তব্য (৬৫) মন্তব্য লিখুন

১| ১৭ ই এপ্রিল, ২০২১ রাত ৮:২৩

স্থিতধী বলেছেন: first হয়েছি, এক কাপ লেবু চা হবে?

১৭ ই এপ্রিল, ২০২১ রাত ৯:৪৮

মা.হাসান বলেছেন: প্রথম হয়েছেন, মানা করি কি করে?
লেবু ওয়ালা রস বিহিন লেবু বেচছিলো বলে পাড়ার ছেলেরা দুঘা দিয়ে তাড়িয়ে দিয়েছে (বুঝতেই পারছেন পাড়াটা তেমন ভদ্র নেই)। পুরাতন লেবু ছিলো, ছিবড়ে বেশি, রস কম। চায়ের রংটা এত ফিকে হবার কারণ আমি একটু কিরপিন, একটা টিব্যাগ দশবারের কম ব্যব হার করি না। আয়েস করে খান। সাথে চানাচুরও দিয়ে দিলাম।

২| ১৭ ই এপ্রিল, ২০২১ রাত ৮:২৮

মিরোরডডল বলেছেন:



মিলেতো গেছে অবশ্যই, সে আর বলতে :P
মাহার প্রতিভার প্রশংসা করতেই হয় ।
দুর্দান্ত হয়েছে :)



১৭ ই এপ্রিল, ২০২১ রাত ৯:৫১

মা.হাসান বলেছেন: কি মিলে গেছে বুঝলাম না।
বল্গে আইনস্টাইনের মতো বড় অর্থনীতিবিদ আর রবীন্দ্রনাথের মতো বিজ্ঞানী থাকতে আপনি যদি আমার মাঝে পতিভা খোঁজেন তবে বলতে হয় চক্ষু পরীক্ষা করাতে হবে।
ভালো লেগেছে জানতে পেরে আমিও আনন্দিত।

৩| ১৭ ই এপ্রিল, ২০২১ রাত ৮:৩৯

মোঃমোস্তাফিজুর রহমান তমাল বলেছেন: আমি সহজ-সরল মানুষ।কারো সাথে কোনো মিল পাই নি। গল্প সুন্দর হয়েছে।

১৭ ই এপ্রিল, ২০২১ রাত ১০:৪৯

মা.হাসান বলেছেন: মিলতো না পাবারই কথা। তবে এত সংক্ষিপ্ত মন্তব্যে কিছুটা হতাশ হলাম। কোথায় যেনো পড়েছিলাম আপনি কিছুদিন শিক্ষকতা করেছেন। হারাকিরি-চকমকি (ভালো নাম আমার জানা নাই, আমি অল্প শিক্ষিত লোক এনামেই তেনাদের ডাকি) এসব থেকে একটু উদ্ধৃতি দিতে পারতেন। B-))
গল্প ভালো লেগেছে জানায় আনন্দিত।

৪| ১৭ ই এপ্রিল, ২০২১ রাত ৮:৪২

নেওয়াজ আলি বলেছেন: ভালো লাগলো পড়ে । মজা পেলাম।

১৮ ই এপ্রিল, ২০২১ দুপুর ২:৩৭

মা.হাসান বলেছেন: ধন্যবাদ নেওয়াজ ভাই। আমি নিজেও অবশ্য লিখে মজা পেয়েছি :P

৫| ১৭ ই এপ্রিল, ২০২১ রাত ৮:৫৫

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: আমি এই পোস্ট পড়ি নাই। এই কমেন্ট ভি আমি করি নাই। আমার গলা থেকে যে ফ্যাতফুত ঘ্যাতঘুত চাপাহাসি বের হইতেছে, ঐটাও আমার না- হ্যাকার কাকুর

১৮ ই এপ্রিল, ২০২১ দুপুর ২:৪৯

মা.হাসান বলেছেন: ফ্যাতফুত ঘ্যাতঘুত চাপাহাসি ভালো না। গলা থেকে ঠ্যাঙের মুন্ডু বের করে হ্যাকার কাকুর হাতে ধরিয়ে দেন। উনি গার্বেজ চাবাইতে চাবাইতে অফ যাউক B-))
সতত শুভেচ্ছা।

৬| ১৭ ই এপ্রিল, ২০২১ রাত ৯:২৬

ঢাবিয়ান বলেছেন: =p~ =p~ আবার ক্যচাল লাগাইতে চান ? শেষে কইলাম ওই উচ্চপদ্মর্যাদার এপোয়েন্টমেন্ট আপু আবার ফিরিয়া আসিবেন। ফারাও সম্রাট আখেনাটেন অনেক কষ্টে তারে বিদায় করসে। =p~ গার্বেক কাকুর গন্ডারের চামরা। তিনি এই পোস্টে আসিয়াও আপনারে দু চার বাক্য শুনায়ে যাবে =p~

১৮ ই এপ্রিল, ২০২১ রাত ৮:০৯

মা.হাসান বলেছেন: বুলেটে রক্তে রকে বুলি বুলবুলি বুকে রক্তে রটে লেবু
রবে সর্বসমক্ষের সে তুমি তুসের ক্ষেম সর্ব সবের
*

ব্লগে এই রকম প্রাণ জুড়ানো ( B-)) ) কবতে পড়তে আসি। কবতের আকাল পড়েছে। যাও একটু প্রেম জমেছিলো, গুন্ডাগুলো বাগড়া দিয়েদিলো X(( । ক্যাচাল ছাড়া উপায় কি?

গার্বেজ কাকুর পদধূলির মূল্য আছে। উনি আগে অনেক ব্লগে লিখতেন। উনি যাওয়া বন্ধ করার পর ঐ সব ব্লগ বন্ধ হয়ে গেছে। |-) উনি যাদের পোস্টে যাওয়া বন্ধ করেছেন সে সব ব্লগার নামে কলঙ্কদের পোস্টে আর মাছিও ভিড়ে না :(( । কাজেই উনি যদি পোস্টে এসে দু-চার বাক্য শুনায়ে যান, সেটা তো আশীর্বাদ হবে।

* এটি ব্লগের এক নিভৃতচারি কবির কবিতার দুটি চরণ। কবির নাম আর উল্লেখ করলাম না।

৭| ১৭ ই এপ্রিল, ২০২১ রাত ৯:৪৯

রাজীব নুর বলেছেন: পোস্টে কাকু কে অপমান অবহেলা করা হয়েছে। আমি তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

১৮ ই এপ্রিল, ২০২১ রাত ৮:২০

মা.হাসান বলেছেন: সহমত।
কেন এমন হয়?
উত্তর খুব সোজা । মানুষের যখন নিজের গুণ থাকে না, তখন অন্য মানুষের মাঝে কোন গুন দেখলে সে অন্যকে আঘাত করে আনন্দ পেতে চায়।
পাড়ার ঐ সমস্ত গুন্ডা পান্ডাদের মধ্যে কোন গুণ নেই। কাজেই এরা কাকুর মানবিকতা দেখে ঈর্ষান্বিত হয়ে কাকুকে অপমান করে।
মনে রাখবেন, যে সমাজে গুণের কদর হয় না সে সমাজে গুণী জন্ম নেয় না। জন্ম নিলেও, দূরে চলে যায়। এজন্য অনেক গুণী জ্ঞানী লোক দেশ ছেড়ে চলে গিয়েছেন। এই যে আপনি এত কষ্ট করে এত সুন্দর সুন্দর পোস্ট দেন, অথচ আপনার নামে কত সমালোচনা । হয়তো আপনিও একদিন দেশ ছেড়ে জাপান-জার্মানি তে চলে যাবেন :( । ( চলে গেলে আপনার বাসায় কেয়ার টেকার দরকার হলে আমাকে জানাবেন )
যাহোক, এই অন্ধকার দূর করার জন্য কি করা যায়? বেশি বেশি করে বিশ্বসাহিত্যের সেরা বইগুলো পড়া যেতে পারে।
সমস্যা হলো, এত সময় কোথায়? আচ্ছা কাট কপি পেস্ট করে যেভাবে পোস্ট দেওয়া যায়, সেভাবে বই পড়ার কোন শর্টকাট উপায় আছে কি? :||

৮| ১৭ ই এপ্রিল, ২০২১ রাত ১০:১৫

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: এপোয়েন্টমেন্ট আফারে চিনলুম না আফসোস :(

১৮ ই এপ্রিল, ২০২১ রাত ৮:২৩

মা.হাসান বলেছেন: তার আগে কন, আপনি ব্লগে কি করেন? ফেচভুক কি ফের বন্ধ হইলো নাকি? B:-)

অ্যাপয়েনমেন্ট আপুর মতো অসহায় মহিলাদের কম চেনাই ভালো। কেননা কান টানলে যে রকম মাথা আসে, অসহায় আপুদের টানলে সে রকম গার্বেজ কাকু সাথে চলে আসবে।

৯| ১৭ ই এপ্রিল, ২০২১ রাত ১০:২৪

শায়মা বলেছেন: মিলে ঝিলে তো তালগোল পেঁকে গেলো :(

১৮ ই এপ্রিল, ২০২১ রাত ৮:২৭

মা.হাসান বলেছেন: এত কষ্ট করে মৌলিক গল্প লেখার চেষ্টা কর্লাম, তার মধ্যেই যদি মিল পান তাহলে দুঃখ রাখি কোথায় |-)
যা হোক, তালগোল যখন পাকিয়ে গেছে, সেই পাকানো তালপিঠার কিছু ছবি পোস্ট করে দেন B-)

১০| ১৭ ই এপ্রিল, ২০২১ রাত ১০:৩১

ওমেরা বলেছেন: অ্যাপয়েন্টমেন্ট আপু আর গারবেজ কাকু আমি কিন্ত কিছুই বুঝি না :D
তবে সুন্দর হয়েছে।

১৮ ই এপ্রিল, ২০২১ রাত ৮:৩১

মা.হাসান বলেছেন: থ্যাঙ্কু আপু। আসলে এটা গারবেজ গল্প বলে কেউ সার্টিফাই করেনি ( আমার সৌভাগ্য :P ), কাজেই 'যে ফুল না ফুটিতে...' টাইপের প্রেমের গল্প হিসেবে নিতে পারেন । কাকুর ভালোবাসা সাফল্য লাভ করুক।

১১| ১৭ ই এপ্রিল, ২০২১ রাত ১০:৪৬

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আপনেদের জ্বালায় শান্তিতে যে ব্লগিং করবো, তারও উপায় নাই। খালি ক্যাচাল বাধানের চেষ্টা!! আমার মতোন হওয়ার চেষ্টা করেন। জীবনে দেখছেন আমারে ক্যাচাল লাগাইতে? আমার আপু কিংবা বড়ভাই, কারো বিরুদ্ধে কোন কটু কথা কিন্তু আমি সহ্য করবো না কইলাম।

ইয়ে.......ছোট, বড়, মাঝারী ইত্যাদি শয়তানদের ব্যাপারে আপনার কোন জানাশোনা আছে? থাকলে একটু বিস্তারিত জানায়েন তো! খুব জরুরী দরকার!!! =p~

১৮ ই এপ্রিল, ২০২১ রাত ৮:৩৫

মা.হাসান বলেছেন: আমার মতোন হওয়ার চেষ্টা করেন। জীবনে দেখছেন আমারে ক্যাচাল লাগাইতে?
শান্তিতে নোবেলের মনোনয়ন মানবতার আম্মার জন্য নেওয়া আছে। ঐ দিকে হাত বাড়াইয়া লাভ নাই। ছেড়ে দে শয়তান, লাইক পাবি, ভিউ পাবি, কিন্তু নোবেল পাবি না।


ইয়ে.......ছোট, বড়, মাঝারী ইত্যাদি শয়তানদের ব্যাপারে আপনার কোন জানাশোনা আছে?


ফ্যামিলি অ্যালবামে ৪৫ বছর আগের, এখনকার আর ৩০ বছর আগের ছবি খোঁজ করেন। না পাইলে বড় ভাইয়ের সাথে যোগাযোগ করেন। ;)

১২| ১৭ ই এপ্রিল, ২০২১ রাত ১১:০৬

শোভন শামস বলেছেন: সুন্দর হয়েছে।

১৮ ই এপ্রিল, ২০২১ রাত ৮:৫৬

মা.হাসান বলেছেন: ধন্যবাদ শোভন শামস ভাই, আপনাদের ভালোলাগাই আমার বড় প্রাপ্তি। সতত শুভেচ্ছা।

১৩| ১৭ ই এপ্রিল, ২০২১ রাত ১১:০৬

মোঃমোস্তাফিজুর রহমান তমাল বলেছেন: হারাকিরি-চকমকি (ভালো নাম আমার জানা নাই, আমি অল্প শিক্ষিত লোক এনামেই তেনাদের ডাকি) এসব থেকে একটু উদ্ধৃতি দিতে পারতেন। B-))
মম মস্তিষ্ক মূর্খতায় পরিপূর্ণ হইয়া এক জগদ্দল পাথররূপে স্থির হইয়া রইয়াছে অদ্যপি। হারিকিরি-চকমকি বুঝিবার ন্যায় মস্তিষ্ক আমাতে অনুপস্থিত। ইহার তরে তাহাদের মন্তব্য ব্যবহার করা হইতে বিরত থাকিয়া আপন মূর্খতাকে আলিঙ্গন করিয়া বসিয়া রইয়াছি। হারিকিরি-চকমকি উঁচু তলার মণীষী। উহারা আমার জন্য নহেন।

১৮ ই এপ্রিল, ২০২১ রাত ৯:০০

মা.হাসান বলেছেন: আপসুস। :(
উঁচু তলার মণীষীরা পোস্ট দিলে সেইখান থেকে জ্ঞান 'আরোহন' করবো সেই সুযোগও কম। এবিসি না জেনে তো ওয়ার্ড বিল্ডিং করা যায় না:(
কেমনে আধার যাবে?
দেখি বল্গের বড় বড় মণীষীদের লেখা বইটই কিনে যদি কিছু শিখতে পারি।

১৪| ১৮ ই এপ্রিল, ২০২১ রাত ১:৫৭

সত্যপীরবাবা বলেছেন: "অ্যাপয়েন্টমেন্ট আপু" যে আসলে "অ্যাপয়েন্টমেন্ট কাকু" পাড়ায় এই গুন্জনের বিষয়টা উল্লেখ করলেন না!!!!!!!
আর পাড়ায় ইসলামের সর্বশেষ "রক্ষক" ধোলাই খালের বিদ্যাদিগ্গজ সুতা বিশেষজ্ঞের উল্লেখ না করায় এই পোস্ট মানহানিকর।

১৮ ই এপ্রিল, ২০২১ রাত ৯:০২

মা.হাসান বলেছেন: দু-চার জনের নাম ছুটে যাওয়ায় ছুটুরা মাইন্ড করতে পারেন। কি করা যাবে। কাকুর প্রেম জমে উঠুক, বিয়ের ফুল ফুটলে না হয় সবাইকে আবির মাখিয়ে দেবো।

১৫| ১৮ ই এপ্রিল, ২০২১ সকাল ৭:১৫

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন:


আপনার ব্লগপোস্ট থেকে ছুটে গেছে কিন্তু অনেক কিছুই! এই যেমন
শেয়ার বাজারে ব্যাপক লাভকালে তার বয়স কত ছিল?

তখন কি বিবাহিত ছিল নাকি অবিবাহিত?

সে সর্বোপরি কত বছর বাঁচবে?

সে কি এক বিয়েতে সন্তুষ্ট ছিল? নাকি... (তওয়াস্তাগফিরুল্লাহ!)

সে কি রিসোর্টে ঘনঘন যাওয়া আসা করতো?

কতটি রিসোর্ট তার পরিচিত ছিল?

অবলা রমণীদের সহযোগিতার লক্ষ্যে তিনি আর কোন কোন কাজের প্রতি আগ্রহী ছিল?


অবশেষে 'চাহিবা মাত্র ইহার বাহককে ইহা সমজিয়ে দেন' প্লানের পরবর্তীতে যে নামটি নতুন এসে যুক্ত হলো আপনি কি মনে করেন তাতেই সে পূর্ণতা পাবে?

যাক অনেক প্রশ্ন করলাম আপনায়। এসবের জন্য অতৃপ্ত স্যারি স্যার! আমাদের এই মাত্র সেহরি শেষ হল। একটু রেস্ট নিবো। আমাদের পাশে ভালো না থাকায় যা হয় আরকি! |-) :((

১৯ শে এপ্রিল, ২০২১ বিকাল ৪:০৬

মা.হাসান বলেছেন: আমিতো ভেবেছিলাম লোকে অ্যাপোয়েন্টমেন্ট আপুর খবর জানতে বেশি আগ্রহি হবে, ( অসহায় মহিলার খবর নেওয়ার আজকাল খুব চল :`> ) এখন দেখছি গার্বেজ কাকুর খবর নিতেই লোকে বেশি আগ্রহী।

কাকুর বয়স? কাকুর সাথে আলাপ করলে করলে উনি কখনো দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে চার্চিলের অ্যাডভাইজার হিসেবে ওনার ভূমিকা দিয়ে শুরু করেন, কখনো সেক্সপিয়ারকে কিভাবে নাটক লেখা শিখিয়েছিলেন সেই গল্প বলেন, কখনো বা শুনি মাইক্রোসফ্ট প্রতিষ্ঠার পেছনে তার কি অবদান ছিল সে কথা , আবার কখনো শুনি নাসার রকেটের ডিজাইনের পিছনে তিনি যে মূল ভূমিকা রেখেছিলেন সে কথা। ওনার বয়সের গাছপাথর খুঁজতে চাই না।

উনি বিবাহিত না অবিবাহিত? যতদূর জানি চারের কোটা এখনো পূর্ণ হয়নি। ;)

কত বছর বাঁচবেন? ভগবান ওনাকে নাকি ইচ্ছামৃত্যু দিয়েছেন, যতদিন বাচতে চান বাচবেন।

এক বিয়েতে সন্তুষ্ট ছিল কিনা? সন্তুষ্টি হলো অকর্মণ্য লোকদের কাজ ফাঁকি দেওয়ার একটা বাহানা । উনি কর্মঠ পুরুষ :P

রিসোর্ট ? আমরা সাধারণ লোকেরা রিসোর্টে যাই। উনি যেখানে থাকেন সেটাকেই রিসোর্ট বানিয়ে নেন।

পূর্ণতা ? মহল্লা থেকে সারাদেশে গার্বেজ ব্যবসা ছড়িয়ে পড়লেও ওনার পূর্ণতা আসবেনা। যেমন বলেছি, কীর্তিমান পুরুষেরা কখনো মনে করে না যে কোনো কিছু পূর্ণতা পেয়েছে, নিজেরা ছাড়া জগতের সকল কিছু ত্রুটি যুক্ত, ত্রুটি ধরার কাজের সোল এজেন্সি ওনার একার।
সময়ের পার্থক্য থেকে অনুমান করছি মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর কোথাও আছেন। রোজা ভালোভাবে কাটুক এই কামনা করছি।

১৬| ১৮ ই এপ্রিল, ২০২১ সকাল ১১:১০

নীল আকাশ বলেছেন: হায়রে....................।
এপোয়েন্টমেন্ট আপু তার মিতাকে নিয়ে ফুটুস হয়ে গেছেন। তবে আমি এই ফুটূস হবার সময় যাত্রা পালা মিস করেছি।
গার্বেজ কাকুর গন্ডারের চামড়া, কোন কিছুই শুনতাম তার গায়ে লাগে না। তবে ইদানিং চামড়া নাকি পাতলা হয়ে যাচ্ছে করোনার প্রভাবে। সামান্য টুকিটাকি গালিতেই নাকি গাত্রদাহ হচ্ছে। তবে মোজাদ্দেদ ভাইরা খুব দুষ্ট, কোথাও কোন বিচার করেন না। শুধু দেখেই যান.................

১৯ শে এপ্রিল, ২০২১ বিকাল ৪:১২

মা.হাসান বলেছেন: আপনি এর আগে একদিন বলেছিলেন আপনার অধিকাংশ পাঠক মোবাইল থেকে আপনার লেখা পড়তে আসে। ব্লগে মোবাইল থেকে ঢোকা যায়না বলে আপনি ব্লগে এখন সময় কম দিচ্ছেন। যাকগে , ফেসবুকে হয়তো অনেক বেশি পাঠকের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন, তবে গার্বেজ এর সুমধুর পারফিউম থেকে আপনি বঞ্চিত হচ্ছেন ।

অ্যাপোয়েন্টমেন্ট আপুর বিরহে আমরা সবাই কাতর, কাকু মনে হয় একটু বেশি কাতর। গন্ডারের চামড়াও ভালোবাসার পরশে কাশ ফুলের মত নরম হয়ে যেতে পারত, কিন্তু দেখলেন না, মহল্লার গুন্ডারা কি রকম চেঁচামেচি করে আপুকে সরিয়ে দিল। সব হিংসুটে গুন্ডার দল।

তবে মোজাদ্দেদ ভাইরা খুব দুষ্ট, কোথাও কোন বিচার করেন না। শুধু দেখেই যান.................

আর বলবেন না, পাড়াটাকে একেবারে বস্তি , টংঘর, ফেইবুক বানিয়ে দিলো। আমি একেবারে ফাস্টেড (এটা ইনরেজি শব্দ , সম্প্রতি শিখেছি)।

১৭| ১৮ ই এপ্রিল, ২০২১ সকাল ১১:১১

নীল আকাশ বলেছেন: গার্বেজ কাকুর সারমেয় ইদানিং খুব কাউ কাউ করছে। এরে ব্রাজিলে পাঠিয়ে দেয়া হোক।

১৯ শে এপ্রিল, ২০২১ বিকাল ৪:১৭

মা.হাসান বলেছেন: ওটা যে আসলে সারমেয়র হাউকাউ , নাকি কাকুর হাউকাউ এটা নিয়ে দ্বিমত আছে। এই খবরটা দেখতে পারেন --

১৮| ১৮ ই এপ্রিল, ২০২১ সকাল ১১:২৫

আহমেদ জী এস বলেছেন: মা.হাসান,



চলমান চালচিত্র ?
আপনার পোস্টটি যেমন তেমনই সৈয়দ তাজুল ইসলাম এর মন্তব্য।
নামকরণের শানে নযুলও সেইরাম হৈছে! :#)

পোস্টে প্লাস নয় .... :) :) :D B-) B-) :( :P B-)) :|| :| :( :((

১৯ শে এপ্রিল, ২০২১ বিকাল ৪:১৯

মা.হাসান বলেছেন: সামুর ইমো ভান্ডার যারপরনাই অকিঞ্চিৎকর ; এর মধ্যে থেকেও আপনি কেমন করে যেন সব রকমের রস এবং দশা তুলে আনলেন । আমি কিরপিন মানুষ এত ইমো খরচ করতে পারবোনা অল্পতেই ছেড়ে দেই--- B-))

১৯| ১৮ ই এপ্রিল, ২০২১ দুপুর ১২:৫৪

ইসিয়াক বলেছেন: আমি তো কিছুই বুঝলাম না :-B

১৯ শে এপ্রিল, ২০২১ বিকাল ৪:২২

মা.হাসান বলেছেন: ক্লাস এইটে পড়ি। বায়োলজির স্যার আসেন নাই। বিকল্প হিসেবে ক্লাস নিতে এসেছেন নবনিযুক্ত ডেমনস্ট্রেটর স্যার ( আমরা বলতাম গেটিস ক্লাস) । দুষ্টু ছেলে রিয়াজুল স্যারের সামনে বই নিয়ে যেয়ে মানব প্রজনন তন্ত্র চ্যাপ্টারটা খুলে একটা বিশেষ জায়গা দেখিয়ে বলল স্যার এই জিনিসটা বুঝিনা একটু বুঝিয়ে দেন। আপনার আমি তো কিছুই বুঝলাম না শুনে রিয়াজুল এর কথা মনে পড়ে গেল :`>
সতত শুভেচ্ছা ।

২০| ১৮ ই এপ্রিল, ২০২১ দুপুর ২:১৫

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন: চমৎকার। কাকুর চরিত্র ফুলের মত পবিত্র।

১৯ শে এপ্রিল, ২০২১ বিকাল ৪:২৫

মা.হাসান বলেছেন: সহমত। কাকুর চরিত্র এই ফুলের মতোই সুবাসিত

২১| ১৮ ই এপ্রিল, ২০২১ বিকাল ৪:২৮

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:




কাকুর এ্যাপোয়েন্টমেন্ট একদম পারফেক্ট।
গার্বেজ আর পারফিউম একে অন্যের পরিপূরক।

১৯ শে এপ্রিল, ২০২১ বিকাল ৪:২৭

মা.হাসান বলেছেন: সহমত।
যেমন হুইস্কি আর সোডা, তেমনি কাকু আর অ্যাপয়েন্টমেন্ট আপু। দুজনে দুজনার।
অনেক শুভেচ্ছা।

২২| ১৮ ই এপ্রিল, ২০২১ বিকাল ৪:৪২

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:

মা. হাসান ভাই
গল্পটাকে আপনি কাল্পনিক ভালবাসার গল্প বলেছেন !!
আমাদের কাভা ভাইয়ের জীবনে এমন গল্প আছে তাতো
জানা ছিলোনা। নাকি কাকতালীয় !!
আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ সুখপাঠ্য গল্পটির জন্য। আপনি
শুধু গুরুগম্ভীর বিষয়ই নয় হাস্য রসেও কম যাননা !!
ভালো থাকবেন।

১৯ শে এপ্রিল, ২০২১ বিকাল ৪:৩০

মা.হাসান বলেছেন: নূরু ভাই , আমি কাল্পনিক ভালবাসার গল্প বলেছি, কাল্পনিক_ভালবাসার গল্প বলিনি। কাভা ভাইয়ের প্রেমের গল্পের কথা বললে, যদি কোনো ভাবে ভাবি জেনে যান, তবে রমজান মাসের শেষ দশ দিন না, পুরো রোজার মাসটাই কাভা ভাইকে এতেকাফে কাটাতে হবে। :P

পড়ে ভাল লেগেছে জেনে আমারও ভালো লাগলো। কষ্ট করে পড়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।

২৩| ১৮ ই এপ্রিল, ২০২১ বিকাল ৫:১০

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:

এপয়েন্টমেন্ট আপুর হাসবেন্ড কি করে গার্বেজ কাকু হলো তার
তথ্য যদি প্রকাশ করতেন তা হলে এই অধমের বুঝতে
সহজ হতো। !!! =p~

১৯ শে এপ্রিল, ২০২১ বিকাল ৪:৩৩

মা.হাসান বলেছেন: আপনার হয়তো মনে আছে একটা সময় বাংলা সিনেমায় খুব সুন্দর নামকরণ হত। বাবা কেন চাকর, স্বামী কেন আসামী - ইত্যাদি । এই গল্পটা নিয়ে সিনেমা করা হলে সিনেমার নাম কি রাখা যেতে পারে? কাকু কেন দুলাভাই? নাকি আপু কেন কাকি ? :-/
।নাম যা হোক, ওনারা সুখে থাকলেই আমরা খুশি।

২৪| ১৮ ই এপ্রিল, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:৩২

জুন বলেছেন: আমি কাউকে চিনলামনা মা হা কিন্ত রম্য সেই রকম মজার হয়েছে :(
ভালোলাগা দিয়েছি কিন্ত :)

২০ শে এপ্রিল, ২০২১ বিকাল ৪:২০

মা.হাসান বলেছেন: আপনিতো আর অসহায় মহিলা না, দু-চারজন গারবেজ সর্দারকে গারবেজে চুবাতে পারবেন B-)) । তার পরেও বলি এদের না চেনাই ভালো । আর অ্যাপয়েন্টমেন্ট আপুদের দেখলে ভেপু বাজান, ১০০ হাত দূরে থাকুন ।
(ভাইবেন না আমি কইসি অ্যাপয়েন্টমেন্ট আপু টেরাকের মতো মোটা, গারবেজ কাকুর পছন্দ এত খারাপ না। আপু টেরাকটরের মতো ছিপছিপা :`> )
আপনার ভালো লেগেছে জেনে আনন্দিত। লাইকের জন্য অনেক ধন্যবাদ।

২৫| ১৮ ই এপ্রিল, ২০২১ রাত ৮:৩৪

পদ্ম পুকুর বলেছেন: গল্প জমে ক্ষির হইছে, তয় আমিও জুন আপার মত কাউরে চিনলাম না দেইখা রসাস্বাদনটা পুরা হইলো না... যাউগ্গা, দুধের স্বাধ ঘোলে মেটানো বাঙালির অভ্যাস আছে।

২০ শে এপ্রিল, ২০২১ বিকাল ৪:২৪

মা.হাসান বলেছেন: ক্ষির খাইবেন না ঘোল খাইবেন ভাইবা লন। গেলাস নাই। ঘোল খাইতে গেলে মুখ হা করেন, ঢাইলা দেই। ক্ষির খাইতে গেলে মোখ খোলা লাগবে না, হাতে দিয়ে দিবো, চেটে খেতে পারবেন। ওয়ানটাইম গেলাস-পিরিচে দেয়া যায়, কিন্তু তাতে গারবেজ কেবলই বাড়বে। :P

২৬| ১৯ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ১২:৪৪

ঢুকিচেপা বলেছেন: গল্পের চাইতে মন্তব্যে আপনার প্রতিভা দারুণভাবে বিকশিত হচ্ছে।
তবে একটা প্রশ্ন স্থিতধী ভাই শুধু লেবু চা চেয়েছে আপনি কিরপিন মানুষ কিভাবে এতগুলো চানাচুর দিলেন ? চানাচুরে কোন সমস্যা ছিল ?

২০ শে এপ্রিল, ২০২১ বিকাল ৪:৩৪

মা.হাসান বলেছেন: মৌলিক গল্প লিখা কি আর অত সহজ রে ভাই |-)
অনেকেই তো কইলো চেনা চেনা লাগতেছে।
কাজেই মৌলিক হয় নাই। যা হোক কমেন্ট পড়ে আপনি অমৌলিকত্বের অভাব কিছুটা দূর করছেন জেনে ভালো লাগলো। মৌলিক গল্প লেখার কিছু টিপস এই লেখাটাতে আছে, যদিও আমি তেমন একটা ফলো করতে পারি নাই-
একটি (প্রায়) মৌলিক গল্প

চানাচুরঃ রতনে রতন চেনে, কিরপিন চেনে কিরপিন। আপনার পরিচয় কিন্তু একটু ফাস হয়ে গেলো :`>
যাকগা, ঘটনা এই যে- পাড়ার দোকানে চানাচুরের উপর বাই ওয়ান গেট টু ফ্রি অফার ছিলো। কয়েক প্যাকেট কিনে দেখি ডেট আছে এক সপ্তাহ। ফ্রিজে রেখে দিয়েছি। মাঝে সাঝে খাই। গেস্ট আসলে দেই B-)) । আপনি মিস্টির শিরা খাইতে আসবেন বলছিলেন, শুধু শিরা তো আর দেয়া যাবে না, চানাচুর সহই দেবো।
অনেক কালচারই নষ্ট হয়ে গেছে। আশার কথা হলো গেস্টরা খালি হাতে আসে না :P । এই কালচারটা নষ্ট হয় নাই ।

২৭| ১৯ শে এপ্রিল, ২০২১ ভোর ৪:৩৩

সোহানী বলেছেন: হেহেহেহে...... সবতো এখন ঠান্ডা! রোজায় সবাই টায়ার্ড :P

একটা লিখা ড্রাফট এ আছে এ নিয়ে। দেখি আজ আলোর মুখ দেখাতে পারি কি না....................

২০ শে এপ্রিল, ২০২১ বিকাল ৪:৩৬

মা.হাসান বলেছেন: সবাই আর কই টায়ার্ড। গারবেক কাকুতো এনার্জির ভান্ডার। ব্লগেতো শুনি কেউ কেউ নাকি দিনে একুশ ঘন্টা ব্লগিং করে।
সুযোগ পেলে ড্রাফটের লেখা পোস্ট করার অনুরোধ থাকলো।

২৮| ১৯ শে এপ্রিল, ২০২১ বিকাল ৪:৩১

ইসিয়াক বলেছেন: হা হা হা ঠিক একই কাজ আমরাও করতাম। দারুণ মজাদার বিষয়। আহ কি যে বুক ঢিপঢিপ করতো। কান পাতলে এখনও শোনা যাবে।
আমাদের বায়োলজির টিচার ছিলেন। ম্যাডাম। উনি ক্লাসে এসেই হুঙ্কার দিতেন। আমার ক্লাসে কেউ হাসলে তাকে ডাস্টার ছুড়ে মারবো। তারপর শুরু হতে.... ম্যাডাম তখন সাত/ আট মাসের প্রেগন্যান্ট। সামস হঠাৎ বলে বসল, ম্যাম তাহলে আপনাকেও জাইগোট ফর্ম করতে হয়েছে নাকি?
হায় আল্লাহ তারপর.... আসছে স্মৃতি কথা। সে পর্যন্ত অপেক্ষায় থাকুন।

২০ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ৯:৫৩

মা.হাসান বলেছেন: আহা কি দিন গেছে ইসিয়াক ভাই! কত স্বর্নালী সেই সব দিন। আপনার স্মৃতি কথার অপেক্ষায় থাকলাম।

২৯| ১৯ শে এপ্রিল, ২০২১ বিকাল ৪:৩৯

করুণাধারা বলেছেন: শবনম চৌধুরীকে কেমন চেনা চেনা লাগছে! ইনিই কি তিনি, যিনি অন্যপাড়া থেকে বেড়াতে আসা একজন মানুষকে গুপ্তচর সন্দেহে পাড়া থেকে বের করে দেবার তোড়জোড় করেছিলেন? এই উচ্চ বংশীয় মহিলা যেখানে থাকবেন সেখানকার মানুষদের সবসময় ভয়ে ভয়ে থাকতে হবে...

তবে গার্বেজ কাকুর সাথে উনাকে দারুন মানাবে, এ বলে আমায় দ্যাখ, ও বলে আমায় দ্যাখ অবস্থা...

আচ্ছা, রোজা রেখে মিথ্যা বলা যায়? তাহলে আমিও বলতাম কাউরে চিনি না। :(

২০ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ১০:১৪

মা.হাসান বলেছেন: কি কান্ড! আমার তো সন্দেহ আপনার পরিচিত কেউ আমার মহল্লায় থাকে, না হলে এত খবর জানলেন কি ভাবে!

ঐ রকম একজন পিপিং টম এই মহল্লায় থাকতো, দুরবিন দিয়ে দিয়ে মানুষের বাসার ভিতরে কি হচ্ছে দেখতো। শাবানা না কি যেনো নাম। কেউ বলে এরা দুই বোন। কেউ বলে না, এরা আসলে একজনাই, নাম ভাড়াইয়া দুই নম্বরির জন্য আসছিলো। হেভি মেকাপ, এর মাঝে আসল চেহারা আলাদা করা মুশকিল। আমার তো মনে হয় আমি নাম সোয়াপ কইরা ফালাইসি :P
নিলু-বিলুর বাপ নির্বাচন কমিশনে কাজ করে। বাড়িওলার কাছে জমা থাকা আইডি কার্ড দিয়া জিগাইছিলাম- চেক কইরা দেখেন , ফেক আইডি নাকি ডুপ্লিকেট। উনি উদাস হইয়া গান শুনাইলেন-



আগে শুনছি তামাক আর ফিল্টার- দুজনে দুজনার। এখন নতুন ডায়ালগ- মাস্তি কাকু আর অসহায় মহিলা - দুজনে দুজনার।

মৌলিক গল্প লিখা বড় মুশকিল। অনেকেই বলতেছে জীবনের সাথে মিল আছে :( । আরো দু একটা গল্প মাথায় আছে, রোজার মধ্যে আর লিখবো না, ঈদের পরেই না হয় লিখবো :P

৩০| ১৯ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ১০:০৮

জুন বলেছেন: আচ্ছা, রোজা রেখে মিথ্যা বলা যায়? তাহলে আমিও বলতাম কাউরে চিনি না।
@ করুনাধারা রোজা রাইখা মিছা বলা মহাপাপ /:)
হাচাই চিনবার পারি নাই :-/
B-)

২০ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ১০:২৪

মা.হাসান বলেছেন: এই প্রশ্নের জবাব আমি কিছুটা দেওয়ার চেষ্টা করি, প্রয়োজন মনে করলে করুনাধারা আপা না হয় আসবেন ।

আপনি সত্যি কইরা বলেন - ময়লা ফেলার চার্জ কত দেন ?
যদি মাসে ১০০ টাকা কইরা দেন, তাইলে এই আপনিও আমার মতো অভদ্র মহল্লায় থাকেন। এই রকম মহল্লা গুলাতে পরিবেশ ঠিক রাখার জন্য একজন কইরা গারবেজ কাকু থাকার কথা।

যদি ময়লা ফেলার চার্জ মাসে ১২০-১৫০-২০০ টাকা দেন, তাইলে আপনি ভদ্রলোকের পাড়ায় থাকেন। ঐখানেতে এইরকম গার্বেজ কাকু মনে হয় নাই।
আমার ধারণা আপনি গার্বেজ চার্জ মাসে ২০০ টাকা দেন, কাজেই মিথ্যা বলেন নাই। এর পরেও সতর্কতা হিসাবে কিরপিন খাওয়াইতে পারেন। বিনা কমিশনে আপনার জন্য কিরপিন জোগাড় করার কাজটা না হয় আমিই কইরা দিবো। :P

৩১| ২০ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ১০:৪৭

আখেনাটেন বলেছেন: ব্লগে ইদানিং বিয়া-সাদির ধুম লেগে গেছে মনে হচ্ছে.....। মামুনুলের সাথে তসলিমার প্রস্তাব.....গার্বেজ কাকুর সাথে অ্যাপয়েটমেন্ট আপু......। আচ্ছা, অ্যাপয়েটমেন্ট আপুর নিকাহ তে সাক্ষী হিসেবে কাকে রাখা যায়...। আমি যাকে ভাবছি, আপনিও কী<<<<< :P

২২ শে এপ্রিল, ২০২১ দুপুর ১২:২৬

মা.হাসান বলেছেন: কাকু কি বিবাহতে আগ্রহী? নাকি মামুনুলের মতো এগ্রিমেন্ট পেপার দিয়েই... :``>>

৩২| ২৫ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ৮:৩৭

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: প্রথমত মহল্লাটা খুবই ভালো। একটা মহল্লায় আপু অ্যাপোয়েন্টমেন্ট আপু, মাখন ভাবি গার্বেজ কাকু প্রভৃতি সুন্দর নিকেল বসবাস থেকে অনুমান করছি অধিবাসীরা খুব রসবোধসম্পন্ন। গাব্বেজ কাকুর জন্য মনটাই খারাপ হয়ে গেল। বিষণ্ণ হলাম আমি নিজেও।শবনম ফারিয়া থুরি চৌধুরীকে এভাবে চলে যাওয়া চোখের সামনে আপনিইবা কেমনে মেনে নিলেন?
তবে যাবার আগে একটা কথা কইয়ে যাই।সৈয়দ মুজতবা আলীর দেওয়া শবনম নামে পেটেন্ট আছে।ঐ আপু আবার এই নামে পরিচিত হয় কেমনে? আর চৌধুরী টাইটেল না দিলে কি হতো না? গল্প জবর হয়েছে। কিন্তু মাখন ভাবির চাহনি,শবনম আপুর একাকিত্ব কিম্বা গার্বেজ কাকুর উপচেপড়া ভালোবাসা সব মিলিয়ে মাথায় যেন তালগোল পাকিয়ে গেল।
আচ্ছা একটা কথা।গার্বেজ ককাকুর কুশল কামনা করি।

২৫ শে এপ্রিল, ২০২১ রাত ৯:১৩

মা.হাসান বলেছেন: মহল্লাটা এমনিতে অত ভালো ছিলো না, গার্বেজ কাকু সাফ সুতরো করে নিয়েছেন আরকি।

গার্বেজ কাকু এখন মডেল আপুদের সাথে নির্বাসনে আছেন। :P ফিরলে আপনার শুভেচ্ছা জানিয়ে দেবো।

৩৩| ১০ ই মে, ২০২১ দুপুর ১২:৪০

খায়রুল আহসান বলেছেন: ব্লগে স্যাটায়ারধর্মী পোস্টের সংখ্যাটা ইদানিং অনেক কমে গেছে। আপনি সে অভাবটা খানিক পূরণ করলেন। এ লাইনে লেগে থাকলে ঈর্ষণীয় সাফল্য অর্জন অবধারিত।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.