| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মিযান আযিয
মিযান আযিয
সংবাদপত্রের একজন সম্পাদককে গ্রেপ্তার করে যেভাবে নিয়ে যাওয়া হয়েছে তা অত্যন্ত নিন্দনীয়। রাষ্ট্র এখানে মতপ্রকাশের স্বাধীনতাকে নিপীড়ন করেছে। স্বাধীন মতকে দমনের পথ বেছে নিয়েছে। এটা কোনভাবেই মেনে নেয়া যায় না। প্রাবন্ধিক ফরহাদ মজহার মানবজমিন অনলাইনকে দেয়া এক প্রতিক্রিয়ায় এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, সমাজে যে বিভাজন সৃষ্টি হয়েছে তা আরও বাড়বে। এক রক্তাক্ত পরিস্থিতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে দেশ। এ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। বলেন, মাহমুদুর রহমানসহ যারা রাষ্ট্রের নিপীড়নের সমালোচনা করছে তাদের জীবন নিয়ে আমি উদ্বিগ্ন। সহিংসতা নিয়েও উৎকণ্ঠা প্রকাশ করেন তিনি। সচেতন নাগরিকদের মতপ্রকাশের স্বাধীনতার পক্ষে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান।
শাহবাগের গণজাগরণ মঞ্চ থেকে মাহমুদুর রহমানের গ্রেপ্তারের ঘটনাকে আইনের শাসনের বাস্তবায়ন বলে দাবি করার সমালোচনা করে তিনি বলেন, তারা অত্যন্ত বোকামী করছে। মত প্রকাশের স্বাধীনতা সকলের। সেটা যেমন শাহবাগের তেমনি মাহমুদুর রহমানের। রাষ্ট্রকে এই নিপীড়নে সমর্থন দিয়ে শাহবাগও মতপ্রকাশের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। এটা তাদের ফ্যাসিবাদী চরিত্রের সবচেয়ে বড় প্রমাণ। যে কারও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা আছে। এই নীতিগত জায়গায় কোন ছাড় দেয়া যাবে না। রাষ্ট্র যাদের মতকে নিপীড়ন করে বন্ধ করে দিতে চেয়েছে তাদের পক্ষে কথা বলেছেন মাহমুদুর রহমান। কেউ যদি তার বিরুদ্ধাচরণ করতে চান তা করতে পারেন। তবে সেক্ষেত্রে মতের দ্বারা মতকে মোকাবিলা করতে হবে। লেখনি দ্বারা লেখনির মোকাবিলা করতে হবে। দমনের নীতি নেয়া মোটেই ঠিক হবে না। যারা অন্যের মত দমন করার ক্ষেত্রে নিপীড়ক রাষ্ট্রের পক্ষে দাঁড়াবে তারা মতপ্রকাশের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করেনা। তারা ফ্যাসিবাদে বিশ্বাস করে। তাদের কাছে প্রশ্ন, যদি সরকার পরিবর্তন হয়। তারপর যদি রাষ্ট্র শাহবাগের মতকে দমন শুরু করে তখন আমাদেরকে তা সমর্থন করতে বলছেন তারা? তা হতে পারে না। শাহবাগের কারও মত হোক কিংবা বিপরীত কারও মত হোক তা প্রকাশ করার স্বাধীনতা দিতে হবে সবাইকে। সংবাদপত্রের একজন সম্পাদককে গ্রেপ্তার করে যেভাবে নিয়ে যাওয়া হয়েছে তা অত্যন্ত নিন্দনীয়। রাষ্ট্র এখানে মতপ্রকাশের স্বাধীনতাকে নিপীড়ন করেছে। স্বাধীন মতকে দমনের পথ বেছে নিয়েছে। এটা কোনভাবেই মেনে নেয়া যায় না। প্রাবন্ধিক ফরহাদ মজহার মানবজমিন অনলাইনকে দেয়া এক প্রতিক্রিয়ায় এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, সমাজে যে বিভাজন সৃষ্টি হয়েছে তা আরও বাড়বে। এক রক্তাক্ত পরিস্থিতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে দেশ। এ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। বলেন, মাহমুদুর রহমানসহ যারা রাষ্ট্রের নিপীড়নের সমালোচনা করছে তাদের জীবন নিয়ে আমি উদ্বিগ্ন। সহিংসতা নিয়েও উৎকণ্ঠা প্রকাশ করেন তিনি। সচেতন নাগরিকদের মতপ্রকাশের স্বাধীনতার পক্ষে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান।
শাহবাগের গণজাগরণ মঞ্চ থেকে মাহমুদুর রহমানের গ্রেপ্তারের ঘটনাকে আইনের শাসনের বাস্তবায়ন বলে দাবি করার সমালোচনা করে তিনি বলেন, তারা অত্যন্ত বোকামী করছে। মত প্রকাশের স্বাধীনতা সকলের। সেটা যেমন শাহবাগের তেমনি মাহমুদুর রহমানের। রাষ্ট্রকে এই নিপীড়নে সমর্থন দিয়ে শাহবাগও মতপ্রকাশের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। এটা তাদের ফ্যাসিবাদী চরিত্রের সবচেয়ে বড় প্রমাণ। যে কারও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা আছে। এই নীতিগত জায়গায় কোন ছাড় দেয়া যাবে না। রাষ্ট্র যাদের মতকে নিপীড়ন করে বন্ধ করে দিতে চেয়েছে তাদের পক্ষে কথা বলেছেন মাহমুদুর রহমান। কেউ যদি তার বিরুদ্ধাচরণ করতে চান তা করতে পারেন। তবে সেক্ষেত্রে মতের দ্বারা মতকে মোকাবিলা করতে হবে। লেখনি দ্বারা লেখনির মোকাবিলা করতে হবে। দমনের নীতি নেয়া মোটেই ঠিক হবে না। যারা অন্যের মত দমন করার ক্ষেত্রে নিপীড়ক রাষ্ট্রের পক্ষে দাঁড়াবে তারা মতপ্রকাশের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করেনা। তারা ফ্যাসিবাদে বিশ্বাস করে। তাদের কাছে প্রশ্ন, যদি সরকার পরিবর্তন হয়। তারপর যদি রাষ্ট্র শাহবাগের মতকে দমন শুরু করে তখন আমাদেরকে তা সমর্থন করতে বলছেন তারা? তা হতে পারে না। শাহবাগের কারও মত হোক কিংবা বিপরীত কারও মত হোক তা প্রকাশ করার স্বাধীনতা দিতে হবে সবাইকে।জাকারিয়া পলাশ: সংবাদপত্রের একজন সম্পাদককে গ্রেপ্তার করে যেভাবে নিয়ে যাওয়া হয়েছে তা অত্যন্ত নিন্দনীয়। রাষ্ট্র এখানে মতপ্রকাশের স্বাধীনতাকে নিপীড়ন করেছে। স্বাধীন মতকে দমনের পথ বেছে নিয়েছে। এটা কোনভাবেই মেনে নেয়া যায় না। প্রাবন্ধিক ফরহাদ মজহার মানবজমিন অনলাইনকে দেয়া এক প্রতিক্রিয়ায় এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, সমাজে যে বিভাজন সৃষ্টি হয়েছে তা আরও বাড়বে। এক রক্তাক্ত পরিস্থিতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে দেশ। এ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। বলেন, মাহমুদুর রহমানসহ যারা রাষ্ট্রের নিপীড়নের সমালোচনা করছে তাদের জীবন নিয়ে আমি উদ্বিগ্ন। সহিংসতা নিয়েও উৎকণ্ঠা প্রকাশ করেন তিনি। সচেতন নাগরিকদের মতপ্রকাশের স্বাধীনতার পক্ষে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান।
শাহবাগের গণজাগরণ মঞ্চ থেকে মাহমুদুর রহমানের গ্রেপ্তারের ঘটনাকে আইনের শাসনের বাস্তবায়ন বলে দাবি করার সমালোচনা করে তিনি বলেন, তারা অত্যন্ত বোকামী করছে। মত প্রকাশের স্বাধীনতা সকলের। সেটা যেমন শাহবাগের তেমনি মাহমুদুর রহমানের। রাষ্ট্রকে এই নিপীড়নে সমর্থন দিয়ে শাহবাগও মতপ্রকাশের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। এটা তাদের ফ্যাসিবাদী চরিত্রের সবচেয়ে বড় প্রমাণ। যে কারও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা আছে। এই নীতিগত জায়গায় কোন ছাড় দেয়া যাবে না। রাষ্ট্র যাদের মতকে নিপীড়ন করে বন্ধ করে দিতে চেয়েছে তাদের পক্ষে কথা বলেছেন মাহমুদুর রহমান। কেউ যদি তার বিরুদ্ধাচরণ করতে চান তা করতে পারেন। তবে সেক্ষেত্রে মতের দ্বারা মতকে মোকাবিলা করতে হবে। লেখনি দ্বারা লেখনির মোকাবিলা করতে হবে। দমনের নীতি নেয়া মোটেই ঠিক হবে না। যারা অন্যের মত দমন করার ক্ষেত্রে নিপীড়ক রাষ্ট্রের পক্ষে দাঁড়াবে তারা মতপ্রকাশের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করেনা। তারা ফ্যাসিবাদে বিশ্বাস করে। তাদের কাছে প্রশ্ন, যদি সরকার পরিবর্তন হয়। তারপর যদি রাষ্ট্র শাহবাগের মতকে দমন শুরু করে তখন আমাদেরকে তা সমর্থন করতে বলছেন তারা? তা হতে পারে না। শাহবাগের কারও মত হোক কিংবা বিপরীত কারও মত হোক তা প্রকাশ করার স্বাধীনতা দিতে হবে সবাইকে।
সূত্র: জাকারিয়া পলাশ: মানবজমিন ১১ এপ্রিল ২০১৩ বৃহস্পতিবার।
২|
১১ ই এপ্রিল, ২০১৩ রাত ১১:১৬
নায়করাজ বলেছেন: এই স্বঘোষিত নাস্তিকগুরু ফরহাদ মাজহার নিজেকে নাস্তিক ঘোষণা করেছিলেন।
এই ভণ্ড নাস্তিক মনসা দেবির পূজা করে।
এই ভণ্ড নাস্তিক দীর্ঘদিন থেকে লিভ টুগেদার করে আসছে। মাঝখানের মহিলাটির নাম ফরিদা আখতার। এই মহিলা তার লিভ টুগেদারের সঙ্গী।
এই স্বঘোষিত নাস্তিকগুরু হারাম লিভ টুগেদারকারী কল্লা কেন নেয়ার ঘোষণা দেয় না হেফাজতে ইসলাম ? তাদের বাবা মাহমুদুর রহমানের উপদেষ্টা ফরহাদ মাজহার হয় কিভাবে ? এটাই কি ইসলামের নমুনা ?
৩|
১২ ই এপ্রিল, ২০১৩ রাত ১২:২৭
আশফাক সুমন বলেছেন: ফরহাদ মাযহার নাস্তিক হতেও পারে, আবার তওবা করে ঈমাণ আন্তেও পারে। এটা শুধু আল্লাহই জানেন ।
কিন্তু ওনার এই পোস্ট তো সত্য ই প্রকাশ করছে ।
৪|
১২ ই এপ্রিল, ২০১৩ রাত ১২:৪১
নায়করাজ বলেছেন: আশফাক সুমন
নিচের এই কবিতাটা পড়েন :
তিলেক হিম্মত নাই, আধা ছটাকের নাই তেজ
সাত আসমানে প্রভু খোদাতা'লা হয়ে বসে আছ
মুখে খালি কহ শুনি দুনিয়ার তুমিই মালিক
অথচ মালিক অন্যে, অন্যে কহিতেছে তারা খোদা ।
ধরো আমাদের গ্রামে আলহাজ্ব ছামাদ মৌলবি
তিনি নিজ নামে বাহাত্তর বিঘা হালটের
জমির মালিক, তেতাল্লিশ চেয়ারম্যান, ষাট বিঘা
রশিদ কনট্রাক্টর, ইটের ভাঁটার ছরু মিয়া
চৌদ্দ বিঘা বিশ ডেসিমেল, বাকি থাকে ছমিরুদ্দি
চন্দনের বাপ, হারাধন-প্রত্যেক¬েই তোমার শরিক
তোমার শরিক নাই এই কথা তবে কি বোগাস ?
এদের দলিল যদি মিথ্যা হয় যাও তবে আদালতে
উকিল ধরিয়া কর রেজিষ্ট্রি নিজ নামে ।
ফরহাদ মজহার
'এবাদতনামা'
৯ ফাল্গুন, সারত
প্রতিপক্ষ প্রকাশনী, শ্যামলী, ঢাকা-১২০৭।
এই কবিতা ফরহাদ মাজহারের। এতে কি ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করা হয় নাই ? আল্লাহ সম্পর্কে এই রকম কুৎসিত কথা কি কোন আস্তিক বলতে পারে ? এতে কি শেরকের গুনাহ হয় নি ? যে শেরেক করে তাকে কি মোশরেক বলে না ? শেরক কি সবচেয়ে কঠিন গুনাহ নয় ? নাকি উনি আমার দেশ পত্রিকায় লিখে বলে উনার সাত খুন মাফ ?
আল্লাহতায়ালা বিবেক দিয়েছে সেটা ব্যবহার করার জন্য, সেটাকে একপেশে করে ফেলে রাখার জন্য না।
৫|
১২ ই এপ্রিল, ২০১৩ রাত ১২:৪৪
এই আমি সেই আমি বলেছেন: শুড়ির স্বাক্ষী মাতাল। দেখুন মাহমুদুরের আমলা নামা
©somewhere in net ltd.
১|
১১ ই এপ্রিল, ২০১৩ রাত ১১:০২
অমাবশ্যা বলেছেন: মত প্রকাশের অধিকার শুধু ইসলাম বিদ্বেষী নাস্তিকদের জন্যে, আর কারও কোন অধিকার নেই। এই দুনিয়াতে মুসলিম মানেই হচ্চে বর্বর ইতর জানোয়ার, তাই মুসলমানকে নির্যাতন, হত্যা করা মানবাধিকারের মধ্যে পড়ে না।
হায়রে এক চোখা নাস্তিকতা।